পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯২
সিলেবাস
৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ১২ পরীক্ষার টপিক: ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩১ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯২ প্রশ্ন

.
চর্যাপদ প্রধানত কোন ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. হিন্দুধর্ম
  2. ইসলাম ধর্ম
  3. বৌদ্ধধর্ম 
  4. শিখধর্ম
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ প্রধানত - বৌদ্ধধর্মের  সাথে সম্পৃক্ত।

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়।

- চর্যাপদের পদ সংখ্যা: চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি।
- তবে সুকুমার সেন মনে করেন পদসংখ্যা ৫১টি।
• উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা: চর্যাপদের সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া যায়। 
 
• অনুদ্ধারকৃত/বিলুপ্ত পদের সংখ্যা: সাড়ে ‍৩টি। প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ভুসুকুপা রচিত ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। পদটির ৬টি পদ পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।
• এছাড়াও চর্যাপদের ২৪নং (কাহ্নপা রচিত), ২৫নং (তন্ত্রীপা রচিত) এবং ৪৮নং (কুক্কুরীপা রচিত) পদগুলো পাওয়া যায়নি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোন জন মধ্যযুগের কবি ছিলেন না?
  1. গোবিন্দ দাস
  2. বড়ু চণ্ডীদাস
  3. সমরেশ বসু
  4. বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা

- মধ্যযুগের কবি ছিলেন না-  সমরেশ বসু। তিনি আধুনিক যুগের কবি ছিলেন।

• সমরেশ বসু:
- সমরেশ বসু ১১ই ডিসেম্বর ১৯২৪ সালে রাজানগর গ্রাম, বিক্রমপিুর-মন্সিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘কালকূট’ ছদ্মনামে লিখতেন

- তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় ব্রাত্যজীবন, সমাজের বিকৃতরূপ উন্মোচন ইত্যাদি।
- অশ্লীলতার অভিযোগে তাঁর প্রজাপ্রতি উপন্যাসের বিরুদ্ধে মামিলা হয়। তবে অশ্লীলতা আছে বলে বিচারে প্রমাণিত হয় নি।
- তিনি ১৯৫৫ সালে আনন্দ পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- গঙ্গা,
- প্রজাপতি,
- বিবর,
- শ্রীমতী ক্যাফে,
- বিটি রোডের ধারে,
- দেখি নাই ফিরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের নাম কী?
  1. অভিষেক
  2. উদ্যোগ
  3. শক্তিনির্ভেদ
  4. অশোক বন
ব্যাখ্যা

• মেঘনাদবধ কাব্য:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে। 

• মেঘনাদবধ কাব্যে ৯টি সর্গ রয়েছে:

- প্রথম সর্গ > অভিষেক।
- দ্বিতীয় সর্গ > অস্ত্রলাভ।
- তৃতীয় সর্গ > সমাগম।
- চতুর্থ সর্গ > অশোক বন।
- পঞ্চম সর্গ > উদ্যোগ।
- ষষ্ঠ সর্গ > বধ।
- সপ্তম সর্গ > শক্তিনির্ভেদ।
- অষ্টম সর্গ > প্রেতপুরী।
- নবম সর্গ > সংস্ক্রিয়া।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তিলোত্তমাসম্ভ ‘ কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
‘ঘরে-বাইরে’ কোন লেখকের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
ব্যাখ্যা

• ঘরে-বাইরে : 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।

• এর উল্লেখযােগ্য চরিত্র-
- নিখিলেশ,
- বিমলা ও
- সন্দীপ।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- বাংলা সাহিত্যের ছোটগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 

⇒ তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বৌ ঠাকুরাণীর হাট,
- প্রজাপতির নির্বন্ধ, 
- ঘরে বাইরে,
- চোখের বালি,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চতুরঙ্গ, 
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
‘পঞ্চতন্ত্র’ গ্রন্থটি সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. নাটক
  2. রম্যসাহিত্য 
  3. মহাকাব্য
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা

পঞ্চতন্ত্র:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২) দুই পর্বে বিভক্ত ব্যক্তিগত প্রবন্ধ সংকলন।
- প্রথম পর্বে ৩৪, দ্বিতীয় পর্বে ৩১, মোট ৬৫টি রচনার সংকলন।
- উল্লেখযোগ্য রচনা: বই কেনা, মোপাসাঁ, চেখফ্-রবীন্দ্রনাথ, বিদেশে, মেশেদিনী, অনুবাদ সাহিত্য, অর্থং অর্থং ইত্যাদি।
- এইসব প্রবন্ধ 'বসুমতী' ও 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রবন্ধগুলোর মধ্যে মুজতবা আলীর বিশেষ ও সরস গদ্যশৈলীর পরিচয় মেলে। তাছাড়া বিচিত্র বিষয় প্রীতির নিদর্শন পাওয়া যায়।
- গ্রন্থটিকে রম্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- তিনি ছিলেন  শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

• তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
’নীল-দর্পণ’ নাটক কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬৩ সালে 
  2. ১৮৬০ সালে 
  3. ১৮৬৫ সালে 
  4. ১৮৬৭ সালে 
ব্যাখ্যা

• নীল-দর্পণ:
- 'নীল-দর্পণ' (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্র রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু।
- নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ' A Native' ছদ্মনামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন ও নাম দেন 'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' (1861) এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নীল-দর্পণকে 'আঙ্কল টমস কেবিন'-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- দীনবন্ধু কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
- দীনবন্ধু মিত্রের জনপ্রিয় কবিতা: সুরধুনী কাব্য (১ম ও ২য় খন্ড), দ্বাদশ কবিতা।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১ সালে A Native ছদ্মনামে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে 'নীল- দর্পণ' নাটকটি অনুবাদ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'নীল দর্পন' নাটকের অভিনয় দেখে মঞ্চে জুতা ছুড়ে মেরেছিলেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'নীল দর্পন' নাটকটিকে uncle toms cabin এর সাথে তুলনা করেছেন।

• তাঁর রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

• তাঁর রচিত নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. নিজ বাসভূমে
  2. বিধ্বস্ত নীলিমা
  3. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
  4. বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা

'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতাটি ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

• ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থ:
- এ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রতি।
- ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ৩৮ টি কবিতা এ গ্রন্থে সংযোজন করা হয়েছে।

• শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’ এর উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি,
- মধুস্মৃতি,
- কাঁটা তার,
- প্রবেশাধিকার নেই।
- রক্তাক্ত প্রান্তরে ইত্যাদি।


'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা'
- শামসুর রাহমান।

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা,
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

 শামসুর রহমান:
- শামসুর রহমান  (১৯২৯-২০০৬) ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। 
- শামসুর রহমান বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয়ার্ধের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি “মজলুম আদিব” ছদ্মনামে লিখতেন।
- তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,, 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতা- শামসুর রাহমান।

.
“কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?” এই পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. কামিনী রায়
  3. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
  4. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা

"কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?" পঙ্‌ক্তি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার এর 'সদ্ভাবশতক' কাব্যগ্রন্থের 'দুঃখ বিনা সুখ হয় না' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

কবিতাটি নিম্নরূপ-

কি কারণ, দীন! তব মলিন বদন ?
যতন করহ লাভ হইবে রতন।
কেন পান্থ! ক্ষান্ত হও হেরে দীর্ঘ পথ ?
উদ্যম বিহনে কার পূরে মনােরথ ?
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে,
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
মনে ভেবে বিষম-ইন্দ্রিয়-রিপু-ভয়,
হাফেজ! বিমুখ কেন করিতে প্রণয়?


• কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার:
- ১৮৩৪ সালের ১০ জুন  খুলনা জেলার সেনহাটি গ্রামে এক  বৈদ্য পরিবারে তাঁর জন্ম।
- আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাঁর পক্ষে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
- মূলত কীর্তিপাশার জমিদারের অর্থানুকূল্যে তিনি জীবনযাপন করেন।
- কৃষ্ণচন্দ্র ১৮৫৪ সালে বরিশালের কীর্তিপাশা বাংলা বিদ্যালয়ের প্রধান পন্ডিতপদে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। 
- কৃষ্ণচন্দ্রের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সদ্ভাবশতক প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। 
-  তিনি রামের ইতিবৃত্ত (১৮৬৮) নামে একটি আত্মচরিত রচনা করেন। 
- মহাভারতের ‘বাসব-নহুষ-সংবাদ’ অবলম্বনে রচিত তাঁর অপর গ্রন্থ হলো মোহভোগ (১৮৭১)। কৈবল্যতত্ত্ব (১৮৮৩) তাঁর একটি দর্শনবিষয়ক গ্রন্থ।
- মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয় তাঁর নাটক রাবণবধ।
- তাঁর কবিতার অনেক পঙ্‌ক্তি প্রবাদবাক্যস্বরূপ।
যেমন: ‘চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে’ ইত্যাদি।

উৎস: 'দুঃখ বিনা সুখ হয় না', কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার এবং বাংলাপিডিয়া।

.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ হিসেবে কে নিযুক্ত হন?
  1. উইলিয়াম কেরি 
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. লর্ড ওয়েলেসলী
  4. স্যার উইলিয়াম জোন্স
ব্যাখ্যা

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ ফোর্ট উইলিয়মের অভ্যন্তরভাগে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলী কর্তৃক ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাচ্যবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- এই কলেজে ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদরি এবং বাইবেলের অনুবাদক উইলিয়াম কেরি।
- তিনি তাঁরা অধীনস্ত দু-জন পণ্ডিত এবং ছয় জন সহকারী পণ্ডিতের সহযোগিতায় বাংলা গদ্যে কলেজের পাঠোপযোগী পুস্তক রচনায় আত্মনিয়োগ করেন।
- তাঁদের এই প্রচেষ্টার ফলাফল দিয়েই বাংলা গদ্যের অনুশীলনে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা নিরূপণ করা হয়।

⇒ ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন এগুলো হলো:

⇒ ফোর্ট উইলিয়ামে কেরি রচিত গ্রন্থ: 
- কথোপকথন; 
- ইতিহাসমালা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১০.
'গাছপাথর' বাগ্‌ধারাটি অর্থ কোনটি?
  1. কৃপণ
  2. হিসাব-নিকাশ 
  3. অপ্রয়োজনীয় জিনিস
  4. কঠিন পরিশ্রম
ব্যাখ্যা

• 'গাছপাথর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ হচ্ছে - হিসাব নিকাশ।
বাক্য গঠন: আমরা সেকেলে, আমাদের বয়সের কি কোনো গাছপাথর আছে!

এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো:
• 'কাঠালের আমসত্ব' অর্থ - অসম্ভব বস্তু।
• 'গৌরচন্দ্রিকা' অর্থ - ভূমিকা। 
• ‘ব্যাঙের সর্দি’ অর্থ - অসম্ভব ব্যাপার।
• 'কুমিরের সন্নিপাত' অর্থ - অসম্ভব ব্যাপার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. সলিল
  2. মরুত
  3. উদধি
  4. পাবক
ব্যাখ্যা

’মরুত’ শব্দের অর্থ-   বায়ু, বাতাস।

অন্যদিকে,
’সলিল’ শব্দের অর্থ-  পানি।
’উদধি ’ শব্দের অর্থ-  মেঘ, সমুদ্র।
'পাবক' শব্দের অর্থ- অগ্নি'। 

এছাড়াও
• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুত, প্রভঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১২.
‘Consciousness' শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি? 
  1. সচেতন
  2. অচেতন
  3. চেতনা
  4. অবচেতন
ব্যাখ্যা

• ‘Consciousness' শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো - চেতনা।

 গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- 'Conscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো - সচেতন। 
- 'Unconscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো - অচেতন।
- 'Subconscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো - অবচেতন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৩.
বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. অনাসৃষ্টি 
  2. অভিব্যক্তি
  3. অত্যাচার
  4. পরাকাষ্ঠা
ব্যাখ্যা

’অনাসৃষ্টি’ শব্দটি বাংলা উপসর্গ ’অনা’ যোগে গঠিত।

অন্যদিকে,
’অভিব্যক্তি, অত্যাচার, পরাকাষ্ঠ, ’ শব্দগুলো (অভি, অতি, পরা) তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১৪.
নিম্নে কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. হাতল
  2. পানসা
  3. ফুলেল 
  4. লাল
ব্যাখ্যা

মৌলিক শব্দ = লাল।

• গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
- মৌলিক শব্দ ও
- সাধিত শব্দ।

• মৌলিক শব্দ:
⇒ যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, গােটা শব্দটাই নিজে নিজেই সম্পূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভা চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনাে অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন- মা, পা, ঘােড়া, উট, বউ, গােলাপ, নাক, লাল, শাল, তিন, লতা ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
⇒ যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।
শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন: ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- পানসা, ফুলেল ও হাতল ইত্যাদি সাধিত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
নিম্নে শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করা উচিত।
  2. তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
  3. সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল।
  4. দারিদ্র্যতা আমাদের প্রধান সমস্যা।
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বাক্য: সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করা উচিত।

অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ-
• তোমার গোপনীয় কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
• সলজ্জ হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল।
• দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
’সন্ন্যাসী’ শব্দের  বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. বাউল
  2. বৈরাগী
  3. সঞ্চয়ী
  4. গৃহী
ব্যাখ্যা

- ’গৃহী’ অর্থ - গৃহস্থ বা সংসারী।
- ’সন্ন্যাসী’ অর্থ - যে ব্যক্তি সংসারধর্ম ত্যাগ করে চতুর্থ আশ্রম অর্থাৎ সন্ন্যাস গ্রহণ করেছে।
- ’বৈরাগী’ অর্থ- সংসারের প্রতি অনাসক্ত।

- 'সন্ন্যাসী' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - গৃহী। 

অন্য কিছু বিপরীতার্থক শব্দের উদাহরণ-
এঁড়ে - বকনা। 
কৃষ্ণ - শুক্ল। 
গলগ্রহ - প্রতিপাল্য। 
গৃহীত - বর্জিত। 
গুরু - লঘু। 
গরিমা - লঘিমা। 
অন্ধ - চক্ষুষ্মান। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
প্রমিত বানান কোনটি?
  1. পীপিলিকা
  2. পিপীলীকা
  3. পীপীলিকা
  4. পিপীলিকা
ব্যাখ্যা

 শুদ্ধ বানান - পিপীলিকা।

• পিপীলিকা (বিশেষ্য পদ), 
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: পিপীলক+আ।
অর্থ: পিঁপড়া, পিঁপড়ে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ কোন সময়কালকে বলা হয়?
  1. ১৪৫১–১৫০০
  2.  ১৩৫১–১৪৫০
  3. ১২০১–১৩৫০ 
  4.  ১১০১–১২০০
ব্যাখ্যা

• অন্ধকার যুগ:
বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত দেড়’শ বছরকে কেউ কেউ অন্ধকার যুগ বলে অভিহিত করেছেন।

• অন্ধকার যুগের কিছু সাহিত্য নিদর্শন-
- 'প্রাকৃত পৈঙ্গল' এর কবি হলেন শ্রীহর্ষ।
- রামাই পণ্ডিত রচিত 'শূণ্যপূরাণ' এবং এর ‘কলিমা জালাল’ বা অংশবিশেষ 'নিরঞ্জনের রুষ্মা',
- হলায়ূধ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া'।

• হলায়ুধ মিশ্র রচিত পির মাহাত্ম্য-ব্যঞ্জক কাব্য ‘সেক শুভোদয়া’।
• রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থের নাম ‘শূণ্যপুরাণ’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৯.
I talked to my friend ______ the phone last night.
  1. in
  2. by
  3. over
  4. at
ব্যাখ্যা

• Phone শব্দটির পূর্বে preposition হিসাবে by বসে।
- কিন্তু the phone এর পূর্বে over/ on, preposition হিসাবে বসে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটিতে phone এর পূর্বে 'the' আছে, তাই সঠিক উত্তর হবে - over. 

• Complete sentence: I talked to my friend over the phone last night.

• Preposition এর নিয়ম অনুসারে:
- By phone: The company can be reached by phone on this number.
- Over the phone: You can arrange a mortgage online, over the phone, or through a meeting.
- On the phone: She has spent hours on the phone in recent weeks, talking to negotiators in a labor dispute.

Source: Cambridge Dictionary.

২০.
Each of the flowers in the garden ______ beautiful.
  1. are
  2. have
  3. were
  4. is
ব্যাখ্যা

• One of/ Any of/ Each of/ Either of/ Neither of যদি subject হিসেবে ব্যবহার হলে এরপরে সব সময় Plural Noun বসে। যার কারণে এটি 'Each of the flowers' হয়েছে।
- আর 'Each of the students' phrase এর headword টি 'Each' singular হওয়ায় Verb Singular হবে।
- তাই Verb হিসেবে এখানে is সঠিক। 

• Correct Sentence: Each of the flowers in the garden is beautiful.

• আবার যদি Plural Noun এর পরে Each আসে, তবে verb টি Plural হবে। 
- The girls each have got a prize.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২১.
Choose the correct sentence.
  1. We had better to leave now or we will miss the bus.
  2. We had better leave now or we will miss the bus.
  3. We had better left now or we will miss the bus.
  4. We had better to be leave now or we will miss the bus.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: We had better leave now or we will miss the bus.

• Use of Had better:
- Had better এর পরে verb এর base form বসে।
- এখানে had হলো unreal past বা অবাস্তব অতীত।
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- এ ধরণের বাক্য সবসময় present বা future অর্থ প্রদান করে।
- Had better যুক্ত sentence past tense এর হলেও তা মূলত past tense নয়।
- এ জাতীয় বাক্যগুলি মূলত একটি উপদেশ বা suggestion প্রকাশ করে।
- Had better এর পর infinitive to বসে না।

Structure: Subject + had better/would better/had rather + verb এর base form.

• More examples:
- I had better meet him now.
- You had better stay today.

২২.
Complete the proverb:
No news is good ______.
  1. news
  2. report
  3. information
  4. message
ব্যাখ্যা

• The correct proverb is 'No news is good news.'
- Bangla Meaning: কোনো খবর না থাকাটাই সুখবর।

- প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৩.
_____ French Language is widely taught in many countries.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. No Article
ব্যাখ্যা

• ভাষার নামের পূর্বে The বসে না।
- Example: English is an international language.

• কিন্তু ভাষার পর Language শব্দটি থাকলে উক্ত ভাষার পূর্বে The ব্যবহার করা হয়।

• Correct Answer: The French Language is widely taught in many countries.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৪.
The teacher insisted that he ______ more practice before the exam.
  1. takes
  2. take
  3. took
  4. taking
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The teacher insisted that he take more practice before the exam.

• Present Subjunctive:
- চাওয়া বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে sub-ordinate clause হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ verb এর Base form ব্যবহারের রীতিই হলো Present Subjunctive.
- Structure: Subject + verb (any tense) + that + subject + verb এর base form + extension.
- সাধারণত advise, necessary, ask, command, recommend, demand, urge, propose, suggest, insist, prefer, request, require, ইত্যাদি verb গুলো ব্যবহৃত হলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
- এক্ষেত্রে that যুক্ত subordinate clause এ সর্বদাই verb এর Base form হবে এবং Negative এর ক্ষেত্রে base form এর পূর্বে শুধু not বসবে।
- be verb থাকলে শুধু 'be' বসবে।

• More examples:
- He recommended that we watch the new movie this weekend.
- It's important that he be here on time.

২৫.
What is the full form of “N.B.”?
  1. Note well
  2. Note below
  3. No bad
  4. Nota bene
ব্যাখ্যা

• The full form of “N.B.” is - Nota bene.

• Nota Bene (Latin phrase) (in short N. B):
- English Meaning: used to call attention to something important/ pay attention.
- Bangla Meaning: সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।

• That's the basic meaning of N.B. — the abbreviated form of the Latin phrase "nota bene" (literally, "note well").
- N.B. still appears in some forms of academic writing as a way of steering readers' attention toward something particularly important.

Source: Merriam-Webster Dictionary.

২৬.
Lack of sleep can be detrimental _____ academic performance.
  1. on
  2. to
  3. at
  4. with
ব্যাখ্যা

• Detrimental (Adjective):
- English meaning: Causing or capable of causing harm.
- Bangla meaning: ক্ষতিকর।

- Detrimental এরপর preposition হিসেবে To বসে।

• Complete Sentence: Lack of sleep can be detrimental to academic performance.

• Example Sentence:
01. Laziness is detrimental to success.
02. Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.
03. Pollution is highly detrimental to the environment.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

২৭.
Choose the correct spelling.
  1. Tellescope
  2. Telescop
  3. Telescoupe
  4. Telescope
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Telescope' (Noun & Verb).

Telescope:
- English meaning: A piece of equipment like a tube in shape, containing lenses, that you look through to make objects that are far away appear larger and nearer.
- Bangla meaning: দুরবিন।

Example sentence: He looked at the stars through a telescope.
- Bangla meaning: সে দূরবীনের মাধ্যমে তারা দেখেছিল।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

২৮.
She went to the library with a view to ____ (borrow) some books.
  1. borrow
  2. borrowed
  3. borrowing 
  4. has borrowed
ব্যাখ্যা

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়।

• শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to.

• Correct Sentence: She went to the library with a view to borrowing some books.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৯.
Subject–Verb Agreement refers to the agreement of the verb with the subject in -
  1. only person
  2. number, person and gender
  3. number and person
  4. only number
ব্যাখ্যা

• Subject-Verb Agreement Rules:
1. If the subject is singular, the verb must be singular too.
- He/She writes every day.

2. If the subject is plural, the verb must also be plural.
- They write every day.

3. When the subject of the sentence is composed of two or more nouns or pronouns connected by and, use a plural verb.
- The doctoral student and the committee members write every day.

• অর্থাৎ, Subject–Verb Agreement 'Number and person' নিয়ে আলোচনা করে, Gender এর সঙ্গে এটি সংযুক্ত নয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হবে: Number and person.

৩০.
What does the idiom "to put the cart before the horse" mean? 
  1. To offer a person what he cannot eat
  2. To do things in the wrong order
  3. To force a person to do something
  4. To create an obstacle
ব্যাখ্যা

• The idiom "to put the cart before the horse" means - To do things in the wrong order.

• Put the cart before the horse:
- English Meaning: To do things in the wrong order/ reverse the proper order or procedure of something/ to reverse the natural order of things.
- Bangla Meaning: নিয়মসিদ্ধ নয় এমন উলটো কাজ করা / প্রকৃতির বিরুদ্ধ কিছু করা।

• Example Sentence: Aren't you putting the cart before the horse by deciding what to wear for the wedding before you've even been invited to it?
- Bangla Meaning: বিয়েতে দাওয়াতই পাও নি অথচ এখনই কী পরবে সেটা ঠিক করছো, এটা অনেকটা ঘোড়ার আগে গাড়ি জোরার মত হয়ে গেলো না?

Source: Live MCQ Lecture.

৩১.
They ought to follow the school rules. (Make it passive) 
  1.  The school rules ought to be followed by them.
  2. The school rules ought be followed by they.
  3. The school rules ought to being follow by them.
  4. The school rules are ought to be followed by them.
ব্যাখ্যা

• Active voice এ Modal Auxiliary Verb থাকলে তা Passive voice করার নিয়ম:
- Modal Auxiliary verb গুলো হলো: Can, Could, May, Might, Will, Would, Shall, Should, Ought to, Used to, Must ইত্যাদি।
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হিসেবে বসে।
- Active voice এর Modal verb টি বসে।
- be বসে।
- প্রদত্ত মুল verb এর past participle বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে।

• Active Voice: They ought to follow the school rules.
• Passive voice: The school rules ought to be followed by them.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩২.
The antonym of the word "Sporadic" is -
  1. Occasional 
  2. Intermittent
  3. Fallacy
  4. Frequent
ব্যাখ্যা

• Sporadic (Adjective):
- English Meaning: Not happening or appearing in a pattern; not continuous or regular: Scattered: sporadic firing.
- Bangla Meaning: এখানে-সেখানে বা মাঝে মাঝে ঘটে কিংবা দেখা যায় এমন; বিক্ষিপ্ত।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Occasional - আকস্মিক।

খ) Intermittent - সবিরাম।

গ) Fallacy - ভুল বা মিথ্যা বিশ্বাস।

ঘ) Frequent - প্রায়ই সংঘটিত।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Sporadic" is - Frequent.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৩.
The synonym of the word "Repeal" is -
  1. Enact 
  2. Bias
  3. Cancel
  4. Uprightness 
ব্যাখ্যা

• Repeal (Verb & Noun):
- English Meaning: Revoke or annul (a law or act of parliament).
- Bangla Meaning: বাতিল করা; প্রত্যাহার করা।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Enact - আইনে পরিণত করা; আইন পাস করা।

খ) Bias - পক্ষপাত; বিশেষ দুর্বলতা; প্রবণতা।

গ) Cancel - বাতিল/ রদ করা।

ঘ) Uprightness - ঋজুতা।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of the word "Repeal" is - Cancel.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৪.
The word "Exaggeration" means -
  1. A small lie
  2. A truthful statement
  3. An overstatement
  4. A silent agreement
ব্যাখ্যা

• The word "Exaggeration" means - An overstatement.

• Exaggeration (Noun):
- English Meaning: A statement or description that makes something seem larger, better, worse or more important than it really is; the act of making a statement like this.
- Bangla Meaning: অতিরঞ্জন; অতিকথন।

• Example sentence:
- It's not an exaggeration to say that she is the best student in our class.
- His story was full of exaggeration.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৫.
The idiom “Put up with” means -
  1. To build something
  2. To tolerate or endure
  3. To give up easily
  4. To argue with someone
ব্যাখ্যা

• The idiom “Put up with” means - To tolerate or endure.

• Put up with (Idiom):

- English Meaning: Tolerate or endure something.
- Bangla Meaning: সহ্য করা।

Example sentence: I cannot put up with his rude behaviour anymore.
- Bangla meaning: আমি তার রুক্ষ আচরণ আর সহ্য করতে পারি না।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৬.
He studies by ______ and starts, so he never gets good marks.
  1. long odds
  2. against time
  3. every inch
  4. fits
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: He studies by fits and starts, so he never gets good marks.

• In/ By fits and starts:
- English Meaning: With irregular bursts of activity/ in an impulsive and irregular manner/ Irregularly.
- Bangla Meaning: অনিয়মিত ভাবে ঘটা।

Example Sentence: If you study by fits and starts you will make no progress.
- Bangla Meaning: তুমি অনিয়মিত অধ্যয়ন করলে কোনো অগ্রগতি লাভ করতে পারবে না।

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৭.
The line “The devil can cite Scripture for his purpose” belongs to which play?
  1. Hamlet
  2. Macbeth
  3. The Merchant of Venice
  4. Othello
ব্যাখ্যা

• The line “The devil can cite Scripture for his purpose” belongs to - The Merchant of Venice.

• The Merchant of Venice:
- This is a famous Comedy by William Shakespeare.
- এক ইহুদি সুদখোর (Jew) 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock in The Merchant of Venice was a Jewish moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট  tragi-comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এটি লেখা হয়েছিল।

• Characters:
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Some important quotes of The Merchant of Venice: 
- The devil can cite Scripture for his purpose. 
- It is a wise father that knows his own child. 
- Love is blind, and lovers cannot see the pretty follies that themselves commit.

• William Shakespeare:
- Born: April 26, 1564, Stratford-upon-Avon, England.
- Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare was also spelled Shakspere.
- Byname: Bard of Avon or Swan of Avon.
- He was an English poet, dramatist, and actor.
- He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare wrote 37 Plays.

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

• Tragi-comedy:
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,

• Historical play:
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.

৩৮.
Choose the correct spelling.
  1. Impromptu
  2. Imprompt
  3. Imprmptu
  4. Impromtu
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Impromptu' (Adjective, Noun & Adverb).

Impromptu:
- English meaning: Without preparation or planning.
- Bangla meaning: প্রত্যুৎপন্ন; অযত্নপূর্ব; অচিন্ত্যপূর্ব; উপস্থিতমতো; প্রত্যুৎপন্নভাবে ইত্যাদি।

Example sentence: He gave an impromptu speech at the meeting.
- Bangla meaning: সে সভায় হঠাৎ করে একটি বক্তৃতা দিল।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৯.
একটি মিনারের পাদদেশ হতে 12 মিটার দূরের একটি স্থান হতে মিনারটির শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোণ 60° হলে মিনারটির উচ্চতা কত? 
  1. 5√3
  2. 10√3
  3. 12√3
  4. 8√3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি মিনারের পাদদেশ হতে 12 মিটার দূরের একটি স্থান হতে মিনারটির শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোণ 60° হলে মিনারটির উচ্চতা কত?


সমাধান:


ধরি,
মিনারটির উচ্চতা = AB = h

মিনারের পাদদেশ হতে
BC = 12 মিটার

মিনারটির শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোণ
∠ACB = 60°

আমরা জানি,
tan ∠ACB = AB/BC

বা, tan 60° = h/12

বা, √3 = h/12

∴ h = 12√3

৪০.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দুইগুণ। যদি আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৮০০ বর্গমিটার হয়, তবে এর দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ২০ মিটার
  2. ৪0 মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দুইগুণ। যদি আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৮০০ বর্গমিটার হয়, তবে এর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার

প্রদত্ত অনুযায়ী,
২ক × ক = ৮০০
⇒ ২ক = ৮০০
⇒ ক = ৪০০
⇒ ক = ২০ মিটার

∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ × ২০ = ৪০ মিটার

৪১.
log3(1/81) এর মান কত? 
  1. - 3
  2. - 2
  3. - 4
  4. - 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log3(1/81) এর মান কত?

সমাধান:
log3(1/81)
= log3(3-4)
= - 4 log33
= - 4 × 1
= - 4

৪২.
কোন সংখ্যার 75% থেকে 90 বিয়োগ করলে ফলাফল হবে 60। তবে সংখ্যাটি কত?
  1. 190
  2. 150
  3. 100
  4. 200
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন সংখ্যার 75% থেকে 90 বিয়োগ করলে ফলাফল হবে 60। তবে সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যা = ক

প্রশ্নমতে,
∴ ক এর 75% - 90 = 60
বা, (75/100) × ক - 90 = 60
⇒ (3/4) × ক - 90 = 60
⇒ (3/4) × ক = 60 + 90
⇒ (3/4) × ক = 150
⇒ 3ক = 150 × 4
⇒ 3ক = 600
⇒ ক = 600 ÷ 3
∴ ক = 200

 ∴ সংখ্যাটি = 200

৪৩.
আনিস, বাপ্পি এবং জামাল তিনজন একসাথে একটি কাজ করতে পারে যথাক্রমে 10, 15 এবং 30 দিনে। তারা একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে? 
  1. 10 দিন
  2. 12 দিন
  3. 5 দিন
  4. 8 দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আনিস, বাপ্পি এবং জামাল তিনজন একসাথে একটি কাজ করতে পারে যথাক্রমে 10, 15 এবং 30 দিনে। তারা একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
আনিস, বাপ্পি এবং জামাল 1 দিনে কাজ করতে পারে যথাক্রমে 1/10, 1/15 এবং 1/30 অংশ

3 জন একত্রে 1 দিনে করে = 1/10 + 1/15 + 1/30 অংশ
= 1/10 + 1/15 + 1/30
= 3/30 + 2/30 + 1/30
= 6/30
= 1/5 অংশ 1 দিনে

∴ তারা একত্রে 1 কাজ করতে পারবে = 1 ÷ (1/5) = 5 দিন

∴ কাজটি সম্পূর্ণ করতে লাগবে = 5 দিন

৪৪.
সেট B = {x ∈ N : x2 > 15, x3 < 100} হলে, B = কত?
  1. {6} 
  2. {5} 
  3. {4} 
  4. {} 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সেট B = {x ∈ N : x3 > 15, x3 < 100} হলে, B = কত?

সমাধান:
x2 > 15; এই শর্তে x এর মানের সেট P হবে, P = {4, 5, 6, ...}

x3 < 100; এই শর্তে x এর মানের সেট Q হবে, Q = {1, 2, 3, 4}

উভয় শর্তে x এর মানের সেট = P ∩ Q
= {4, 5, 6, ...} ∩ {1, 2, 3, 4}
= {4}

৪৫.
আপনার কাছে তিনটি আধুলি এবং ৬টা সিকি আছে। আর কয়টি ১০ পয়সার মুদ্রা দিলে মোট ৩ টাকা হবে? 
  1. ৪ টি
  2. ৩ টি
  3. ২ টি
  4. ০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আপনার কাছে তিনটি আধুলি এবং ৬টা সিকি আছে। আর কয়টি ১০ পয়সার মুদ্রা দিলে মোট ৩ টাকা হবে?

সমাধান:
আধুলি মানে পঞ্চাশ পয়সা, সিকি মানে পঁচিশ পয়সা।

৩টি আধুলি = ৩ × ৫০ = ১৫০ পয়সা

৬টি সিকি = ৬ × ২৫ = ১৫০ পয়সা

৩ টাকা = ৩ × ১০০ = ৩০০ পয়সা

বাকী থাকে ৩০০ - (১৫০ + ১৫০) = ০ পয়সা

∴ ১০ পয়সার মুদ্রা লাগবে ০টি

৪৬.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. প্রতিযোগিতা
  2. প্রতিযোগীতা
  3. প্রতীযোগিতা
  4. প্রতিজোগিতা
ব্যাখ্যা

 • শুদ্ধ বানান - প্রতিযোগিতা। 
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = প্রতিযোগিন্+তা। 

অর্থ:
১ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
২ বিরোধিতা; বিপক্ষতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪৭.
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচগুণ। সংখ্যা তিনটির গড় কত? 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের পাঁচগুণ। সংখ্যা তিনটির গড় কত?

সমাধান:
ধরি তিনটি ক্রমিক সংখ্যা হলো: ক - ১, ক, ক + ১
গুণফল = (ক - ১) × ক × (ক + ১)

যোগফল = (ক - ১) + ক + (ক + ১) = ৩ক

প্রশ্নমতে,
(ক - ১) × ক × (ক + ১) = ৫ × ৩ক
বা, ক × (ক - ১) = ১৫ক
বা, ক - ১ = ১৫
বা, ক = ১৬
বা, ক = ৪

সুতরাং তিনটি ক্রমিক সংখ্যা হলো: ৩, ৪, ৫

তিনটি সংখ্যার গড় = (৩ + ৪ + ৫) ÷ ৩ = ১২ ÷ ৩ = ৪

৪৮.
একটি অষ্টভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত? 
  1. ৯ সমকোণ
  2. ৮ সমকোণ
  3. ১০ সমকোণ
  4. ১২ সমকোণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি অষ্টভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি কত? 

সমাধান:

 ধরি বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n
∴ কোণগুলোর সমষ্টি = (2n - 4) সমকোণ

 অষ্টভুজের জন্য, n = 8
∴ কোণগুলোর সমষ্টি = (2 × 8 - 4) সমকোণ
= (16 - 4) × 90°
= 12 × 90°
= 12 সমকোণ

অর্থাৎ, একটি অষ্টভুজের কোণের সমষ্টি ১২ সমকোণ 

৪৯.
নিচের কোনটি (√7 - √2) এর সমান? 
  1. 2/(√7 + √2)
  2. 3/(√7 + √2)
  3. 5/(√7 + √2)
  4. 7/(√7 + √2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি (√7 - √2) এর সমান?

সমাধান:
(√7 - √2)
= {(√7 - √2)(√7 + √2)}/(√7 + √2)
= (7 - 2)/(√7 + √2)
= 5/(√7 + √2)

∴ (√7 - √2) = 5/(√7 + √2)

৫০.
ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন। ঘ হচ্ছে গ এর মা। চ, ঘ এর পুত্র। চ এর সাথে ক এর সম্পর্ক কী? 
  1. চ, ক এর ভাই
  2. চ, ক এর খালু
  3. চ, ক এর মামা
  4. চ, ক এর চাচা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন। ঘ হচ্ছে গ এর মা। চ, ঘ এর পুত্র। চ এর সাথে ক এর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
ক, খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন।
∴ গ, ক এর খালা।

ঘ হচ্ছে গ এর মা। তাহলে ঘ, খ এরও মা।
∴ ঘ, ক এর নানী।

চ, ঘ এর পুত্র। চ, ক এর নানীর পুত্র।
∴ চ, ক এর মামা।

৫১.
২০ দিন আগে মামুন বলেছিল যে তার জন্মদিন 'আগামীকাল'। আজ ২৫ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে? 
  1. ১০ তারিখ
  2. ৫ তারিখ
  3. ৬ তারিখ
  4. ৮ তারিখ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০ দিন আগে মামুন বলেছিল যে তার জন্মদিন 'আগামীকাল'। আজ ২৫ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?

সমাধান:
আজ ২৫ তারিখ,
তাই,
২০ দিন আগে = ২৫ - ২০ = ৫ তারিখ

৫ তারিখে মামুন বলেছিল “আগামীকাল আমার জন্মদিন”
∴ জন্মদিন = ৫ + ১ = ৬ তারিখ

∴ মামুনের জন্মদিন = ৬ তারিখ

৫২.
২০ এর কত শতাংশ ৫০ হবে? 
  1. ২২০%
  2. ১৫০%
  3. ২৫০%
  4. ১৬০%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০ এর কত শতাংশ ৫০ হবে?

সমাধান:
ধরি, ২০ এর ক শতাংশ = ৫০

বা, ২০ × ক / ১০০ = ৫০
বা, ক = (৫০ × ১০০) / ২০
বা, ক = ৫০০০ / ২০
বা, ক = ২৫০

∴ ২০ এর ২৫০% হলো ৫০

৫৩.
f(x) = x3 + kx2 - 4x - 4, k এর মান কত হলে f(2) = 0 হবে? 
  1. 2
  2. 1
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(x) = x3 + kx2 - 4x - 4, k এর মান কত হলে f(2) = 0 হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
f(2) = 0

এখন,
f(x) = x3 + kx2 - 4x - 4

∴ f(2) = (2)3 + k(2)2 - 4 × 2 - 4 = 0

বা, 8 + 4k - 8 - 4 = 0
বা, 4k - 4 = 0
বা, 4k = 4
বা, k = 4/4
∴ k = 1

৫৪.
নিচের কোন পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. রূপা 
  2. তামা 
  3. কাচ 
  4. সিলিকন 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম কোন নেটওয়ার্ক দিয়ে শুরু হয়?
  1. TCP/IP 
  2. LAN
  3. Ethernet 
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেট: 
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 

• ইন্টারনেটের ব্যবহার: 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
২. তথ্য সংরক্ষণ করা। 
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। 
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। 
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প হলে সৃষ্টি হয়- 
  1. টর্নেডো 
  2. সুনামি 
  3. ঘূর্ণিঝড় 
  4. বন্যা 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল?
  1. Intel
  2. AMD 
  3. IBM
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল (Intel) নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
নিচের কোনটিকে মৌলিক কণিকা বলা হয়? 
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন 
  3. নিউট্রন 
  4. সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন (electron) নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র খনিজ শক্তি 
  2. শুধুমাত্র কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. এমন শক্তি যা সীমিত এবং পুনঃব্যবহার করা যায় না 
  4. এমন শক্তি যা পুনঃব্যবহার করা যায় এবং নিঃশেষ হয় না
ব্যাখ্যা

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬০.
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপ করতে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. সেক্সট্যান্ট 
  2. ক্রোনােমিটার 
  3. ম্যানোমিটার 
  4. ফ্যাদোমিটার 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
• অ্যানিমোমিটার - বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নির্ণয়ের যন্ত্র। 
• ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
• সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র। 
ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র। 

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান এবং ব্রিটানিকা।

৬১.
গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে পৃথিবীতে কোন পরিবর্তন ঘটে?
  1. বায়ুমণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি পায়
  2. রোদ কমে যায়
  3. মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যায় 
  4. সমুদ্রের রঙ পরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা

গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে, ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬২.
গ্লাইকোজেনের মূল গাঠনিক উপাদান কোনটি?
  1. ল্যাকটোজ
  2. ফ্রুকটোজ
  3. β-D গ্লুকোজ
  4. α-D গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

গ্লাইকোজেন: 
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড। 
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে। 
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ। 
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়। 
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n

গ্লাইকোজেন এর কাজ: 
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়, ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়। 
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়।  

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
কসমিক-রে নামক রশ্মির আবিষ্কারক কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন 
  2. ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 
  3. কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসন 
  4. আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা

মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। 
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়। 
- কসমিক-রে বা মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

৬৪.
ভারী পানির রাসায়নিক নাম কী?
  1. হাইড্রক্সিড
  2. হাইড্রোজেন অক্সাইড
  3. ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  4. ট্রিটিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা

পানি: 
- সাধারণ পানির সংকেত হলো H2O. 
- এই পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন। 
- ভারী পানির সংকেত হলো D2O. 
- এই ভারী পানির রাসায়নিক নাম হচ্ছে ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। 
- ভারী পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। 
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। 
- সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়। 

উল্লেখ্য, 
- সাধারণ পানিতে (H2O) হাইড্রোজেন আইসোটোপ প্রোটিয়াম থাকে, কিন্তু ভারী পানিতে হাইড্রোজেনের একটি ভারী আইসোটোপ, ডিউটেরিয়াম (D) থাকে, যার নিউক্লিয়াসে একটি প্রোটন এবং একটি নিউট্রন উভয়ই থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬৫.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1.  ১৭৫৭ সালে 
  2. ১৭৭০ সালে 
  3. ১৮৭৭ সালে 
  4. ১৭৯৩ সালে 
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা:
- লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হচ্ছে- প্রশাসন দ্বারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও বাংলার সব জমিদারের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্থায়ী চুক্তি।
- এ চুক্তির মাধ্যমে জমিদাররা জমির মালিকানা লাভ করলেও প্রশাসনিক ক্ষমতা হারায়।
- এবং সরকারের দায়িত্ব হয়ে যায় শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
- এই চুক্তিতে খাজনা বাকি থাকলে জমিদারদের জমি বিক্রি করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা ছিল।
- এই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থায় জমিদারদের চিরস্থায়ী স্বত্ব থাকলেও প্রজাদের ওপর রাজস্ব দাবি বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা ছিল না।
- জমি বিক্রি, বন্ধক বা দানের অধিকার জমিদারদের ছিল।
- তবে প্রজাদের এই অধিকার দেওয়া হয়নি।
- প্রজারা নিয়মিত খাজনা পরিশোধ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে জমি নিলামে বিক্রি হতো।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাংলার আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- কর্নওয়ালিস উপমহাদেশে ইংরেজি জমিদার শ্রেণি গড়তে চাইলেও ইউরোপীয় কাঠামোর মতো কার্যকর হয়নি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬.
'D-৮' ভুক্ত দেশ নয়- 
  1. ইরাক
  2. মালয়েশিয়া
  3. তুরস্ক
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

ইরাক D-৮ এর সদস্য দেশ নয়।

• D-৮:
- D-৮ এর পূর্ণরূপ- Developing Eight.
- D-৮- হলো আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম দেশের মধ্যকার একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট।
- এই জোটটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে।
- এই জোট ১৯৯৭ সালে ইস্তানবুল ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- D-৮ এর সদস্য দেশ বর্তমানে ৯টি।
- D-৮ এর সদস্য দেশগুলো হলো- তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া।
- ২০২৪ সালে আজারবাইজান যোগ হওয়ার কারণে D-৮ এর বর্তমান সদস্য ৯টি দেশ।  
- এর সদর দপ্তর ইস্তানবুল, তুরস্ক-এ অবস্থিত।
- D-৮-এর প্রধান লক্ষ্য হলো-
• বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য দেশগুলোর অবস্থান শক্তিশালী করা;
• এবং তাদের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।

৬৭.
মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী 
  2. রাজশাহী
  3. ফেনী
  4. লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা

মুহুরীর চর: 
- নদীর মধ্যভাগে বা মোহনায় পলি সঞ্চয়ের ফলে যে নতুন ভূখণ্ড জেগে ওঠে, তাকে চর বলা হয়।
- বাংলাদেশে নদীভাঙন ও পলি জমার কারণে নিয়মিত নতুন নতুন চরের সৃষ্টি হয়।
- এর মধ্যে মুহুরীর চর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এই চর ফেনী জেলার বিলোনিয়া সংলগ্ন মুহুরী নদীতে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে গড়ে উঠেছে।
- এই চরের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ বিদ্যমান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু চর রয়েছে—
• ভোলা জেলায় রয়েছে-  চরফ্যাশন, চর মানিক ও চর কুকড়ি মুকড়ি।
• নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত চর হচ্ছে- ভাসান চর ও সুবর্ণ চর।
- ফেনী জেলায় গড়ে উঠেছে মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলায় আছে- নির্মল চর।
- সুন্দরবন এলাকায় রয়েছে- দুবলার চর, পাখির চর, পাটনি চর ও কটকা চর

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬৮.
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. লন্ডন 
  3. ভিয়েনা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা

• অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত। 
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘন- নির্যাতন, বাকস্বাধীনতার হরণ, বৈষম্য এবং বিচারবর্হিভূত আটক- এর বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
- এটি গবেষণা, প্রচার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই লঙ্ঘনগুলি মোকাবিলা করার প্রচেষ্টা চালায়।   
- সংস্থাটির বর্তমান মহাসচিব হলেন ফ্রান্সের অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- তিনি ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। 

উল্লেখ্য,
- এই সংস্থার লক্ষ্য হলো- এমন একটি বিশ্ব তৈরি করা যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় বর্ণিত সমস্ত অধিকার স্বাধীনভাবে ভোগ করতে পারবে।
- বাংলাদেশে অ্যামনেস্টি রোহিঙ্গা শরণার্থী, পোশাক শ্রমিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করছে।
- সংস্থাটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। 

উৎস: Amnesty International ওয়েবসাইট।

৬৯.
আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?  
  1. ফিজি
  2. পালাউ
  3. নাউরু 
  4. ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা

ভ্যাটিকান সিটি:
- ভ্যাটিকান সিটি  হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র।
- আয়তনে ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম এই দেশটি রোমান ক্যাথলিক চার্চের কেন্দ্র হিসেবে সমাদৃত।
- টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই দেশটি রোম দ্বারা বেষ্টিত একটি স্থলবেষ্টিত ছিটমহল।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সঙ্গে স্বাক্ষরিত লাতেরান চুক্তি অনুযায়ী এই পোপীয় রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- এটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
- এই দেশটি সেনজেন অঞ্চলভুক্ত একটি দেশ। 
- ২০০৪ সাল থেকে ভ্যাটিকান সিটি ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করছে। 
- এই দেশটির সরকারি ভাষা হলো লাতিন। 
- সীমিত ভূখণ্ডের কারণে ভ্যাটিকান সিটিতে হাসপাতাল নির্মাণ করা সম্ভব নয়।
- তাই এখানকার মানুষ চিকিৎসার জন্য পুরোপুরি ইতালির রোম শহরের আধুনিক হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: Britannica. 

৭০.
সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক  
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি ছিলেন নিতুন কুণ্ডু। 
- নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর ও শিল্পপতি ছিলেন।
- সাবাস বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য।
-  ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- এই ভাস্কর্যটি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও ত্যাগের প্রতীক।
- ভাস্কর্যটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের "দুর্মর" কবিতার অংশ খোদাই করা আছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

৭১.
বাংলাদেশের শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. রূপগঞ্জ 
  3. আড়াইহাজার 
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নামেও পরিচিত।
- জাদুঘরটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও-এ অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রাচীন লোকশিল্প ও কারুশিল্প সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- জাদুঘরটি ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন দ্বারা জাদুঘরটি পরিচালিত হয়।

- জাদুঘরটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
• এটি বাঙালির হস্তশিল্প, পটচিত্র, মুখোশ, মাটির কাজ, লোকজ বাদ্যযন্ত্র এবং গ্রামীণ জীবনের নানা নিদর্শনের এক বিশাল সংগ্রহশালা। 
• সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক বড়সর্দারবাড়ি প্রাসাদে এটি স্থাপিত।
• জাদুঘরের এলাকা জুড়ে রয়েছে কারুপল্লী, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং একটি বিশাল লেক, যা দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণ বাড়ায়।
• ঢাকা থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে জাদুঘরটি অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৭২.
বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

বিশ্বের গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
----------------------------------
• প্রশান্ত মহাসাগর: 
-  প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম, গভীরতম ও প্রশস্ততম মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা প্রায় ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- এবং সর্বাধিক গভীরতা প্রায় ৩৬,২০১ ফুট (১১,০৩৪ মিটার)।
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
- এ মহাসাগরটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের তথা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম স্থান হচ্ছে- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা প্রায় ১০৫০০ মিটার।
------------------------------------------------
• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ:
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ হল প্রশান্ত মহাসাগরের তলে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাদ।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয়েছে নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ এবং অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- এই ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর অংশে সমুদ্রের গভীরতা প্রায় ৩৫,০০০ ফুট (১০,৫০০ মিটার)।
- এই গভীরতা পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নতম স্থলবিন্দু, ডেড সী, থেকেও অনেক গভীর। 
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলদেশের গভীরতা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার চেয়ে অনেক বেশি।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু হচ্ছে- Challenger Deep.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা কিডস [লিঙ্ক]। 
২. Britannica [লিঙ্ক]। 

৭৩.
SAARC-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? 
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

সিঙ্গাপুর সার্কভুক্ত দেশ নয়। 
---------------------------------------  
SAARC:
- SAARC -এর পূর্ণরূপ হল- South Asian Association for Regional Cooperation. 
- বাংলায় এর অর্থ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- SAARC ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সচিবালয় কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ ছিল ৭টি। 
- সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ যোগ দিয়েছে আফগানিস্তান, ২০০৭ সালে।
- SAARC এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিল বাংলাদেশ এর মোঃ এরশাদ।
- প্রথম মহাসচিব ছিল বাংলাদেশ এর আবুল হাসান।
- বাংলাদেশের গোলাম সারওয়ার সার্কের বর্তমান মহাসচিব (১৫তম)।
- SAARC কৃষিতথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।
- ২০১০ সালে ভারতের দিল্লীতে প্রথম সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস :
১. সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
২. Britannica.

৭৪.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে-
  1. UNICEF
  2. UNESCO
  3. UNCTAD
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

UNESCO: 
- ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। 
- ইউনেস্কোর সংবিধান ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান কার্যকর হয়।
- ইউনেস্কোর সদরদপ্তর প্যারিস, ফ্রান্সে অবস্থিত। 
- এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোর সদস্যপদ অর্জন করে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্বব্যাপী ১৯৪টি দেশ ইউনেস্কোর সদস্য। 
- ইউনেস্কোর বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আদ্রে আজুলে। 
- মাতৃভাষা দিবস ছাড়াও, ইউনেস্কো বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকেও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।

৭৫.
জয়নুল আবেদিনের সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকায়
  2. ময়মনসিংহে
  3. নড়াইলে
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

• জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিন ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি চিত্রশিল্পী।
তিনি তার অসাধারণ অবদানের কারণে ‘শিল্পাচার্য’ উপাধিতে সম্মানিত হন।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে চিত্রশিল্প সৃষ্টি করেছিলেন।
- এই সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকর্ম হলো ‘ম্যাডোনা ৪৩’।
- জয়নুল আবেদিনের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্মগুলো হলো :
- দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা,
- নবান্ন,
- গুণ টানা,
- মই টানা, সংগ্রাম,
- সাঁওতাল রমণী,
- মনপুরা ৭০,
- ম্যাডোনা ৪৩,
- ঝড়,
- কাক,
- নৌকা।
- তার সকল চিত্রকর্ম ময়মনসিংহের কর্মশালায় সংগ্রহ করা আছে।

 উৎস: বাংলাদেশ লোকশিল্পী ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

৭৬.
পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ- 
  1. বৈকাল
  2. কাস্পিয়ান
  3. ডেড সী 
  4. মানস সরোবর
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ- বৈকাল।
-------------------------------------------
• বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর হ্রদ হিসেবে পরিচিত।
- এছাড়াও, এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদগুলোর মধ্যে একটি।
- এই হ্রদটি রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এর গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার। 

অন্যদিকে,
কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর- বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- সাগরের মতো দেখালেও এটি প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- আয়তনে এটি পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।

মানস সরোবর:
- মানস সরোবর তিব্বতে কৈলাশ পর্বতের কাছে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ মিঠাপানির হ্রদ হিসেবে পরিচিত।
- মানস সরোবর বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্মের অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।
- কৈলাশ পর্বতমালা থেকে প্রবাহিত জল এই সরোবরেই এসে পৌঁছায়।
- ব্রহ্মপুত্র নদও তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করে।

ডেড সি:
- ডেড সি বা মৃত সাগর ইসরায়েল ও জর্ডানের সীমান্তে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত লবণাক্ত হ্রদ। 
- এর পানি এত ঘন যে মানুষ এতে ভেসে থাকতে পারে।
- ডেড সিতে কোনো মাছ বা জলজ প্রাণী নেই।

৭৭.
সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়- 
  1. অয়ন বায়ু
  2. প্রত্যয়ন বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু- সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
-------------------------------------
• বায়ুপ্রবাহ:
- ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল বা অনুভূমিকভাবে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ুর চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে।
- বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রার পার্থক্য বায়ুচাপের ভিন্নতা সৃষ্টি করে।
- তাপমাত্রার পার্থক্য বায়ুপ্রবাহের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে।
- বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ বায়ুচাপের পার্থক্যের উপরও নির্ভরশীল।
- এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠে তাপের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- বায়ু তার তাপমাত্রা ও চাপের পার্থক্যের কারণে সর্বদা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়। 
- এই প্রবাহ কিছু বিশেষ নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হয়।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে বায়ুর গতিবেগ ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।
- এছাড়াও, ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী- ঘূর্ণায়মান পৃথিবীতে বায়ু সরাসরি উত্তর–দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

- বায়ুপ্রবাহ সাধারণত চার প্রকার-
১. নিয়ত বায়ু;
২. সাময়িক বায়ু;
৩. স্থানীয় বায়ু;
৪. অনিয়মিত বায়ু। 
--------------------------------------------
নিয়ত বায়ু:
- এই বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- নিয়ত বায়ু পুরো বছরজুড়ে একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো নিয়ত বায়ুর দিক নির্ধারণ করে।
- এটি তিন ভাগে বিভক্ত-
১. অয়ন বায়ু,
২. পশ্চিমা বায়ু, 
৩. মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
BTRC-এর পূর্ণরূপ- 
  1. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telegraph Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- BTRC হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- BTRC দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
- এটি ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Act, ২০০১ এর অধীনে গঠিত হয়।
- বিটিআরসি হলো বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ডের পরবর্তী, আধুনিক ও স্বাধীন সংস্করণ।

উল্লেখ্য, 
- বিটিআরসি এর প্রধান কাজ হলো:
 • দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ও সেবার নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও তদারকি করা।
• অপারেটরদের লাইসেন্স প্রদান করা,
• সেবার মান নিশ্চিত করা,
গ্রাহক অভিযোগ নিষ্পত্তি করা,
• ট্যারিফ নির্ধারণ এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার বজায় রাখা।
• এবং জনগণের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত ও নির্ভরযোগ্য টেলিযোগাযোগ সেবা পৌঁছানো।

উৎস: BTRC ওয়েবসাইট।

৭৯.
'বলাকা' ও 'কাঞ্চন' বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কোন ফসলের নাম? 
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. মরিচ 
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের ফসল: 
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে।
- ফসলের উন্নত জাত উৎপাদন বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে। 
- বলাকা ও কাঞ্চন হচ্ছে- গমের উন্নত জাত। 
- গমের আরও কিছু উন্নত জাত হচ্ছে- দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর ইত্যাদি। 
------------------------------------------------------------
অন্যদিকে,  
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি, ব্রিশাইল,সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- কিছু ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮০.
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে-
  1. সুয়েজ খাল
  2. কিয়েল খাল 
  3. করিন্থ খাল 
  4. পানামা খাল 
ব্যাখ্যা

পানামা খাল: 
- পানামা খাল পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম খাল।
- ১৯০৪ সালে পানামা খাল খনন করা শুরু হয়।
- খালটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা খনন করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালে এটি চালু করা হয়।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে। 
- এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কে যুক্ত করেছে।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- এই হস্তান্তর টরিয়োস-কার্টার চুক্তি এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। 
- এই চুক্তি নিশ্চিত করেছিল যে- ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালের মধ্যে খালের সম্পূর্ণ মালিকানা ও পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যাবে।
- চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার এবং পানামার জেনারেল ওমর টোরিজোস এর মধ্যে।

অন্যদিকে,
• সুয়েজ খাল: 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল হলো সুয়েজ খাল।
- এই খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।

• কিয়েল খাল:
- জার্মানিতে অবস্থিত এই খালটি উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ।

• করিন্থ খাল:
- গ্রিসে অবস্থিত এই খালটি পেলোপোনিজ উপদ্বীপকে মূল ভূমি থেকে আলাদা করে।
- এটি ছোট হলেও স্থানীয় ও পর্যটন নৌযান চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: প্রথম আলো ও Britannica.

৮১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে? 
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১৪০ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধান ও সরকারি কর্ম কমিশন:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) হলো একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি দেশের বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও পদে নিয়োগ প্রদান করে।
- কমিশন সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা এবং আপিল সংক্রান্ত বিষয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকে। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেন।
- এবং প্রধান বিচারপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
---------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কিত মোট ৫টি অনুচ্ছেদ উল্লেখ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত নিয়মাবলী দেওয়া হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিষয়বস্তু বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদে কমিশন কীভাবে বার্ষিক রিপোর্ট জমা দেবে তার নিয়ম উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: Laws Of Bangladesh ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট। 

৮২.
মাত্র তেরো বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন- 
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. ইলিয়াস শাহ্‌
  3. সম্রাট আকবর
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা

• সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন তৃতীয় মুঘল সম্রাট।
- তাঁর পূর্ণ নাম অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- তাঁর পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি সিংহাসনে বসেন।
- আকবরের শাসনামলে মোগল সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হয়।
- তিনি সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- তাঁর দরবারে জ্ঞানী, গুণী ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে তাঁর শাসনামলের বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
- সম্রাট আকবরের শাসনকালে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- আকবর সমন্বয়বাদী চিন্তার ধারক-বাহক ছিলেন।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে তিনি বাংলা সন বা ফসলি সন প্রবর্তন করেন, যা পরে বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর দীন-ই-ইলাহি ধর্ম প্রবর্তন করেন এবং জিজিয়া কর বাতিল করেন। 

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮৩.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. সিগফ্রিড লাইন
  2. লাইন অফ কন্ট্রোল
  3. হিন্ডারবার্গ লাইন
  4. সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা

• লাইন অফ কন্ট্রোল:
- লাইন অফ কন্ট্রোল (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- লাইনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর গঠিত হয়।
- এবং ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তি অনুযায়ী ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা’ নামে পরিচিতি পায়।
- LoC প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই লাইন ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন জম্মু ও কাশ্মীরের অংশকে বিভক্ত করে।
- রেখাটি মূলত সামরিক কমান্ড লাইন হিসেবে কাজ করে।
- ভারতীয় পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তানি পাশে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- অনেক অংশে এটি শক্তভাবে নির্দেশিত তারের বেড়া দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। 
- এটি একটি কার্যকরী সীমান্ত হলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। 
- LoC মূলত যুদ্ধবিরতি লাইন হিসেবে গঠিত হলেও পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ রেখা হিসেবে পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা- সিগফ্রিড লাইন।
- আর জার্মানি ও পোল্যান্ডকে বিভক্তকারী লাইন হচ্ছে- হিন্ডারবার্গ লাইন।
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা হচ্ছে- সনোরা লাইন।

উৎস: Britannica. 

৮৪.
কোন দেশকে “হাজার হ্রদের দেশ” বলা হয়?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. আইসল্যান্ড 
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ফিনল্যান্ড:
- ফিনল্যান্ড “হাজার হ্রদের দেশ” নামে পরিচিত।
- ফিনল্যান্ডকে “হাজার হ্রদের দেশ” বলা হয়, কারণ এই উত্তর ইউরোপীয় দেশে অসংখ্য ছোট-বড় হ্রদ ছড়িয়ে আছে।
- হ্রদগুলো দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এই উত্তর ইউরোপীয় দেশ বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- হ্রদগুলো মূলত বরফের চাপে ভূমি দেবে গিয়ে তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে দেশের মধ্য ও পূর্ব অংশের Lakeland অঞ্চলে।
- এই হ্রদগুলো ফিনিশ সংস্কৃতি ও জীবনধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
- ফিনল্যান্ডের মোট এলাকার ১০% এরও বেশি অংশ জল দ্বারা আবৃত।
-  ফিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত। 
-----------------------------
উল্লেখ্য, 
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
----------------------------------------
অন্যদিকে,
- নরওয়েকে বলা হয় নিশীথ সূর্যের দেশ।
- সুইডেন সবচেয়ে ছোট স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ।
- আইসল্যান্ডকে বলা হয় আগুনের দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

৮৫.
ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়- 
  1. ১৭৮৯ সালে 
  2. ১৭৯১ সালে 
  3. ১৭৯৫ সালে 
  4. ১৮০০ সালে 
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব ইউরোপ ও পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা।
- এর মূল স্লোগান ছিল “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী”।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ ও পতনের মধ্য দিয়ে এই বিপ্লবের সূচনা হয়
- খাদ্যের অভাব ও দীর্ঘদিনের শোষণের প্রতিবাদে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ এতে অংশ নেয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- লুই নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের প্রতিনিধি ছিলেন।
- বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে দীর্ঘদিনের নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়।
- এবং তার পরিবর্তে প্রজাতান্ত্রিক আদর্শের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। 
- ফরাসি বিপ্লব শুধু ফ্রান্স নয়—সমগ্র ইউরোপ ও আধুনিক বিশ্বের রাজনৈতিক চিন্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে দার্শনিকদের বড় ভূমিকা ছিল।
- রুশো ও ভলতেয়ার তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও যুক্তিবাদের ধারণা ছড়িয়ে দিয়ে বিপ্লবের মানসিক প্রস্তুতি গড়ে তোলেন।
- এই বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক ও সামরিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এর উত্থান ঘটে। 
- এজন্য তাঁকে অনেক সময় “ফরাসি বিপ্লবের শিশু” বলা হয়।   
- এই বিপ্লবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চের ওপর, যাকে তার গোঁড়ামি ত্যাগ করে নিজেকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করতে বাধ্য হতে হয়।

৮৬.
গ্রীনল্যান্ড এর মালিকানা কোন দেশের অধীনে? 
  1. নেদারল্যান্ড
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. আইসল্যান্ড 
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড: 
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি বড় দ্বীপ। 
- এই দ্বীপটি পশ্চিম দিকে ডেভিস প্রণালী ও ব্যাফিন উপসাগর দ্বারা কানাডীয় আর্কটিক দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
- এবং পূর্ব দিকে ডেনমার্ক প্রণালী দ্বারা আইসল্যান্ড থেকে পৃথক হয়েছে।  
- গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ডেনমার্কের অধীনে হলেও এটি ডেনমার্ক রাজ্যের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সংসদ ও সরকার থাকলেও, বৈদেশিক নীতি, প্রতিরক্ষা ও মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়গুলো ডেনমার্ক নিয়ন্ত্রণ করে।
- রাজা ফ্রেডরিক এক্স হলো এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রধান।
- কিন্তু দৈনন্দিন প্রশাসন ও স্থানীয় শাসন পরিচালনা গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সংসদ ও সরকারের হাতে থাকে।
- এটি ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত হলেও, গ্রিনল্যান্ডবাসীরা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারে।

উৎস: Britannica. 

৮৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মনগ্রাম:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় পতাকা ও প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হলো একটি লাল বৃত্তের মধ্যে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- এর উপর "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" এবং নিচে "সরকার" লেখা থাকে।
- বৃত্তের দু’পাশে মোট চারটি তারকা রয়েছে।
-এই চারটি তারকা সংবিধানের চারটি মূলনীতি—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—কে প্রকাশ করে।
- এই চারটি তারকা জাতীয় প্রতীকের শাপলা ফুলের উপরে পাটের পাতার পাশে এবং মনোগ্রামের দু’পাশেও ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইন করেছেন এ. এন. সাহা।

উৎস: Laws Of Bangladesh ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮৮.
সাগরকন্যা কোন জেলার ভৌগোলিক নাম?
  1. ভোলা
  2. খুলনা
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

কুয়াকাটা:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- পর্যটকদের কাছে পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত "সাগরকন্যা" হিসেবে পরিচিত।
- এই সমুদ্র সৈকতটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও প্রায় ৩ কিলোমিটার প্রস্থবিশিষ্ট।
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখানে পর্যটকরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখতে পারে।
- সৈকতের পূর্বে রয়েছে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল; পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি; উত্তরে কলাপাড়া জনপদ এবং দক্ষিণে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এটি হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
- বিশেষ করে রাস পূর্ণিমা ও মাঘী পূর্ণিমার সময় কুয়াকাটার পবিত্র সৈকতে স্নানসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৮৯.
বাংলাদেশ আইসিসি'র ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে কোন সালে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে 
  2. ২০০০ সালে 
  3. ১৯৯৯ সালে 
  4. ২০০২ সালে  
ব্যাখ্যা

• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে গঠিত হয়
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের প্রথম ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে।
- ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর  ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এবং আইসিসির ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শফিকুল হক হিরা।
- দেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: Bangladesh Cricket Board.

৯০.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়- 
  1. ৩০ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  2. ৩ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০০৭ সালে 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- এটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত—উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) এবং অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
- কিন্তু স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রায় ৩৬ বছর পর ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে কার্যকর হয়।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে।
- এই অধ্যাদেশ ২০০৯ সালে আইনে রূপান্তরিত হয়।
- ১ নভেম্বর ২০০৭ থেকে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে শুধুমাত্র বিচারিক দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন। - একই সময়ে, সিভিল সার্ভিসের প্রশাসনিক বিভাগের কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তিভঙ্গ প্রতিরোধ, লাইসেন্স প্রদান এবং ফৌজদারি কার্যক্রমে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।

উৎস:
১. পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
৩. সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট। 

৯১.
কোন দেশটি G-7 এর সদস্য দেশ নয়? 
  1. কানাডা 
  2. জাপান
  3. জার্মানি 
  4. রাশিয়া 
ব্যাখ্যা

রাশিয়া G-7 ভুক্ত দেশ নয়। 
--------------------------
G-7:
- G-7 হলো বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট। 
- G-7 এর পূর্ণরূপ- Group of Seven.
- G-7 গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স। 
- ১৯৭৩ সালে G-7 গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- ১৯৭৫ সালে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্প দেশগুলির সরকার প্রধান এবং মন্ত্রীদের একত্রিত করে একটি অনানুষ্ঠানিক ফোরাম হিসেবে এই    জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি দেশ।
- তবে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।
- এর কোন সদরদপ্তর নেই।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট ও  ইউরোপীয় কমিশন ওয়েবসাইট।

৯২.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট হিসেবে কোনটি পরিচিত? 
  1. WTO
  2. EU
  3. NATO
  4. FIFA 
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union):
- EU হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউরোপের ২৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে বর্তমানে ২৭টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- প্রথমে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৬টি দেশ—বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, ফ্রান্স ও পশ্চিম জার্মানি।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থিতিশীলতা, সহযোগিতা ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর মাস্ট্রিচ চুক্তির মাধ্যমে এই জোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা পায়।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা হলো ইউরো।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইউরো মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ থেকে প্রচলন শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতির উপকমিটি (SEDE) ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কৌশল প্রণয়নে মূল দায়িত্ব পালন করে।
- এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সীমান্ত সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে FRONTEX নামের বিশেষ সংস্থা।
-----------------------------------
অন্যদিকে:
- WTO হলো- বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- NATO হলো- সামরিক সহযোগিতার জোট।
- FIFA হলো- আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা।

উৎস:
1. Britannica;
2. European Union Official Website.