পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন : আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা : দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোন স্থানীয় বায়ুটির উৎপত্তি আরব মালভূমি থেকে?
  1. ক) বোরো
  2. খ) খামসিন
  3. গ) সাইমুম
  4. ঘ) চিনুক
সঠিক উত্তর:
গ) সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাইমুম
ব্যাখ্যা
- কোন স্থানের তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে স্থানীয়ভাবে যে বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে স্থানীয় বায়ু বলে।
বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় বায়ু:
- সাইমুম : আরব মালভূমি থেকে উৎপন্ন স্থানীয় বায়ু।
- চিনুক : রকি পর্বতের মাঝামাঝি এলাকায় প্রবাহিত
- খামসিন : মিশরীয় স্থানীয় বায়ু
- সিরক্কো : সাহারা ও লিবিয়া
- বোরো : আড্রিয়াটিক সাগর।
- লু : ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় বায়ু।

(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
সমুদ্রের সম-লবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানের সংযোগকারী রেখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) আইসোহাইট
  2. খ) আইসোবার
  3. গ) আইসোথার্ম
  4. ঘ) আইসোহেলাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোহেলাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোহেলাইন
ব্যাখ্যা

- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সম লবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানের সংযোগকারী রেখা।
- আইসোথার্ম : ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোবার : ‍ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) নিম্বাস
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
.
পৃথিবীর গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. ক) কেম্যান ট্রেঞ্চ
  2. খ) চ্যালেঞ্জার ডিপ
  3. গ) টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
  4. ঘ) পুয়ের্টোরিকো ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
খ) চ্যালেঞ্জার ডিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চ্যালেঞ্জার ডিপ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান হলো চ্যালেঞ্জার ডিপ। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা সমুদ্রখাতের মধ্যে অবস্থিত।
- চ্যালেঞ্জার ডিপের গভীরতা প্রায় ৩৬,১৯৭ ফুট।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম স্থান।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
.
পৃথিবীর ‍বৃহত্তম মহীসোপান কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূল
  2. খ) এশিয়ার পূর্ব উপকূলে
  3. গ) আফ্রিকার উত্তর উপকূলে
  4. ঘ) ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।

(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
.
কোন বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ক) স্থানীয় বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) সমুদ্র বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরু বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরু বায়ু
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
এগুলো হলো:
- অয়ন বায়ু
- পশ্চিমা বায়ু
- মেরু বায়ু।
অন্যদিকে,
- মৌসুমি বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও সমুদ্রবায়ু নির্দিষ্ট সময়ে প্রবাহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
বায়ু প্রবাহের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) আর্দ্রতার তারতম্য
  2. খ) তাপের তারতম্য
  3. গ) চাপের তারতম্য
  4. ঘ) অক্ষাংশের ভিন্নতা
সঠিক উত্তর:
গ) চাপের তারতম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাপের তারতম্য
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের কোন স্থানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখানকার বায়ু উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। এতে করে সেই স্থানে বায়ুর চাপর হ্রাস পায় বা নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এতে করে বায়ুর উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে সেই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ু দ্রুতগতিতে ছুটে আসে যা বায়ু প্রবাহ নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক কনফারেন্স কোথায় কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জেনেভা, ১৯৭৮ সালে
  2. খ) জাকার্তা, ১৯৮১ সালে
  3. গ) মার্সিলি, ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়োকোহামা, ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

- দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত প্রথম বৈশ্বিক কনফারেন্স ১৯৯৪ সালের ২৩ থেকে ২৭ মে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে Yokohama Strategy and Plan of Action for a Safer World গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্র: UNDRR ওয়েবসাইট)

.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ক) ১ ডিগ্রি
  2. খ) ৫ ডিগ্রি
  3. গ) ১৫ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৪৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) ১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে। মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
১০.
নিচের কোনটি স্বল্পস্থায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগ?
  1. ক) বন্যা
  2. খ) ঘূর্ণিঝড়
  3. গ) টর্নেডো
  4. ঘ) কালবৈশাখী ঝড়
সঠিক উত্তর:
গ) টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টর্নেডো
ব্যাখ্যা
- সাধারণত স্থলভাগে সৃষ্ট ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে তা টর্নেডো হিসেবে অভিহিত।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্বকাল থাকে খুবই স্বল্প সময়ের এবং এর পরিধিও ক্ষুদ্র এলাকায় ব্যাপ্ত থাকে। কিন্তু এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।
- টর্নেডো সৃষ্টির মুখ্য কারণ হলো স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত NDMC কমিটির প্রধান কে?
  1. ক) বিভাগীয় কমিশনার
  2. খ) জেলা প্রশাসক
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কমিটি হলো NDMC (National Disaster Management Council)। এটির প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ও আইনের বিষয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন : ২০১২)
১২.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল?
  1. ক) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. খ) মেরু অঞ্চলে বরফ গলে যাওয়া
  3. গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১৩.
আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা কত মিলিগ্রাম?
  1. ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. খ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
  3. গ) ০.১০ মিলিগ্রাম
  4. ঘ) ০.৫০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
১৪.
কোন ধরনের দূষণে প্রতিবছর বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায়?
  1. ক) ‍মৃত্তিকা দূষণ
  2. খ) বায়ু দূষণ
  3. গ) শব্দ দূষণ
  4. ঘ) পানি দূষণ
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ু দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে প্রতিবছর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বে প্রতিবছর মোট মৃত্যুবরণকারী প্রতি ৮ জনের ১ জন মারা যায় বায়ুদূষণের ফলে।
- বায়ুদূষণের ফলে মানুষের মাথাপিছু গড় আয়ুষ্কাল ২.৯ বছর হ্রাস পাচ্ছে।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট)
১৫.
বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) বনাঞ্চলের স্বল্পতা
  2. খ) পরিবেশ দূষণ
  3. গ) জনসংখ্যার ঘনত্ব
  4. ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বাংলাদেশে প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে বছরের অধিকাংশ সময় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অধিক থাকে। যার কারণে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি দুর্যোগ নিয়মিত হানা দেয়।
- আবার পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহের কারণে বাংলাদেশে বন্যা ও নদীভাঙনের প্রকোপ বেশি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি : অষ্টম শ্রেণী ও প্রথম আলো)
১৬.
ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বেতারতরঙ্গ কোন স্তরে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) আয়নমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
খ) আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে ৮০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত স্তর হলো তাপমন্ডল। তাপমন্ডলের নিচের অংশকে বলা হয় আয়নমন্ডল।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতারতরঙ্গ আয়নমন্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৭.
যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প থাকে না তাকে কী বলে?
  1. ক) পরিপৃক্ত বায়ু
  2. খ) শুষ্ক বায়ু
  3. গ) আর্দ্র বায়ু
  4. ঘ) সম্পৃক্ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক বায়ু
ব্যাখ্যা
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প থাকে না তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ুকে আর্দ্র বায়ু বলা হয়।
- উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতাও ‍বৃদ্ধি পায়।
কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্প বায়ুতে থাকলে বায়ু আর জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে না। তখন এই বায়ুতে পরিপৃক্ত বা সম্পৃক্ত বায়ু বলে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)