পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ১ মার্চ, ২০২৪সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৬শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০২৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ১ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order V এর কোন rule এ 'substitute of service' এর বিধান রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২০
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে। ক্ষেত্র বিশেষে সাক্ষীর প্রতিও সমন জারি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
.
"Appeal is a continuation of a suit." এর বিধানটি The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিশ্লেষণে অনুমিত?
  1. ৯৬
  2. ১০৭
  3. ১০৬
  4. ৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১০৭(১) ধারা দ্বারা আপিল আদালতের কিছু ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।
১০৭(২) ধারা অনুযায়ী ঐ সকল ক্ষমতা ব্যতীত মূল মামলা বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের ওপর আইন দ্বারা যেসব ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে ওই সব ক্ষমতা ও দায়িত্বও আপিল আদালত প্রয়োগ করতে পারবে।
যেহেতু আপিল আদালতের মূল মামলার বিচারিক আদালতের সমান এখতিয়ার রয়েছে তাই আপিল মূল মামলার continuation বলে গণ্য হয়।
------------
⇒ Section107. Powers of Appellate Court.
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
.
ডিক্রি জারিমূলে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে ক্রেতা কর্তৃক ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২১
  2. ১৫
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি ৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII এর rule 3 এর অধীনে খারিজ হওয়া কোনো মোকদ্দমা rule 7 এর অধীনে সকল শর্ত পূরণ করলে সেটি সরাসরি পুনর্জীবিত করতে আদালত-
  1. স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
  2. বাধ্য নয়
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  4. বাধ্য
ব্যাখ্যা
⇒  আদেশ ১৭ বিধি ১(৭): উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

⇒ Order-17 Rule-1(7) A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party

- খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে করণীয় হচ্ছে; Order 17, Rule 1(7) মোতাবেক- খরচ প্রদানের ব্যর্থতার কারণে Rule 1(3) ও Rule 1(4) এর অধীনে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে, যে পক্ষের কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির হয়েছে সেই পক্ষ আদালতে-
ⅰ). খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে, এবং
ii). ২০০০ টাকা খরচসহ মোকদ্দমাটি পুনঃবহালের আবেদন করবে।

- আদালতের করণীয়: পুনঃবহালের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনঃবহালের (Revival) জন্য আদালত মোকদ্দমাটি করতে গ্রহণ করবেন [the suit shall be revived] এবং জমাকৃত খরচ ২০০০ টাকা অন্যপক্ষকে [Court shall be paid to another party] প্রদান করবে। এককথায়, সকল শর্ত পূরণ করে পুনঃবহালের আবেদন করলে সরাসরি পুনজ্জীবিত করতে আদালত বাধ্য। কারণ may be এর পরিবর্তে shall be রয়েছে।

- Order 17 অনুযায়ী কোনো মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে- রিভিশন করা যাবে।
.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমার ডিক্রি দায়িক কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে মান্য করতে অপারগ হলে তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. শুধু দেওয়ানী কারাগারে আটক
  2. দেওয়ানী কারাগারে আটক ও সম্পত্তি ক্রোক
  3. শুধু সম্পত্তি ক্রোক
  4. দেওয়ানী কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি।) যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।
------------------
⇒  Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
.
একজন ব্যক্তিকে তখন নিঃস্ব বলা যায় যখন তার পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকাদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ____ টাকা মূল্যমানের সম্পদ থাকে।
  1. ৫০০০
  2. ৩০০০
  3. ১০০০০
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা রুজু করা যাবে। নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক যে কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে।
ব্যাখ্যা: সে ব্যক্তি 'নিঃস্ব' যখন সে উক্ত মোকদ্দমার আরজির জন্য আইনে নির্ধারিত ফি প্রদান করতে সামর্থ্যবান হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সামর্থের অধিকারী নয় বা যেক্ষেত্রে অনুরূপ ফি নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে সে যখন তার আবশ্যকীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ব্যতীত [পাঁচ হাজার] টাকা মূল্যের সম্পত্তির অধিকারী নয়।
------------------
⇒  Order 33 Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis.- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation.-A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit,or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth [five thousand] taka other than his necessary wearing apparel and the subject-matter of the suit.
.
নিম্নের কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের আওতায় পড়ে না?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. চুক্তি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা।
সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩০ ধারা অনুসারে প্রদত্ত সমন অমান্য করলে আদালত তাকে অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ২০০
  3. ১০০
  4. ১০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে প্রযোজ্য হবে_________ অনুচ্ছেদ।
  1. ১৮০
  2. ১৪২
  3. ১২১
  4. ১৮১
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
১০.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
১১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩২ ধারানুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কত বছরের সাজা দিতে পারেন?
  1. ১০
  2. ১৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-

(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

Section 32- Sentences which Magistrates may pass:

(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১২.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি_________
  1. জামিনযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যে-কোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

৫৯ ধারা তে বলা আছে-

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১৩.
স্বীকৃতি কী হিসাবে বিবেচিত হয়?
  1. সমর্থনমূলক সাক্ষ্য
  2. এস্টোপেল
  3. নির্দিষ্ট আইনগত অবস্তান নেই
  4. মৌলিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।
- স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
১৪.
কোনো মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট হলে ম্যাজিস্ট্রেটের কোন আদেশটি সঠিক?
  1. পুনঃতদন্ত
  2. নতুনভাবে তদন্ত
  3. চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ
  4. অধিকতর তদন্ত
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] এবং ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১৫.
কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের গ্রেফতার কাজে সহয়তা করতে অস্বীকার করলে তিনি The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. ১৮৯
  2. ১৮৮
  3. ১৮৭
  4. ১৮৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
Section 187. Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both; 
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
১৬.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারা মতে হস্তরেখা সম্পর্কে বিশারদের অভিমত প্রাসঙ্গিক?
  1. ৪২
  2. ৫০
  3. ৪৮
  4. ৪৭
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিকঃ- একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্ববারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যাঃ এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।
---------------
• Section  47. Opinion as to handwriting, when relevant:
 When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
১৭.
'ক' রাজপথে একটি ৫০০ টাকার নোট দেখতে পান। 'ক' নোটটির মালিক কে তা না খুঁজেই সেটি খরচ করে ফেলেন। এক্ষেত্রে 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছেন?
  1. চুরি
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  4. কোনো অপরাধ করেননি
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

- যেহেতু ক টাকা নিজ খরচ করে ফেলেন, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
১৮.
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে আঘাত করতে গিয়ে কোলের নবজাতক শিশুর গায়ে আঘাত লাগে এবং শিশুটি মারা যায়। এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমটি প্রযোজ্য হবে?
ব্যাখ্যা
ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
-----------------
Section 300 Exception-1: When culpable homicide is not murder:
-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 
 
The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant.
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence.

Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
১৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. 'ক'-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হলেও ভুলক্রমে 'ক' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:- যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

উল্লেখ্য,
অপশন "ক" তে অসতর্কতা হেতু মানে অসতর্কতার কারণে,
অপশন "খ" তে অনুমতি ছাড়া।
অপশন "ঘ" তে যথাযথ তদন্ত না করে। 
কৃতকাজ গুলো করেছেন তাই এগুলো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে হিসেবে পরিগণিত হবে। 
------------
-Section 76. Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it. 
 
Illustrations
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence. 
 
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
২০.
'ক' এর কাছে পর্যাপ্ত খাবার থাকা সত্ত্বেও সে একজন ক্ষুধার্ত ভিক্ষুককে কোনো খাবার না দেওয়ায় ভিক্ষুকটি না খেতে পেয়ে মারা গেল। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধটি করেছে?
  1. হত্যাচেষ্টা
  2. অবহেলাজনিত হত্যা
  3. হত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ Actus reas and Mens rea:
 ⇒ 'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒  “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind).
⇒  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

উল্লিখিত ঘটনায় যেহেতু অপরাধের কোন শর্ত পূরণ হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হবে কোন অপরাধ করেনি।
২১.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) নিয়মাবলি কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৩৭
  4. ১৯৬১
ব্যাখ্যা
Section 14. Power to make rules:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, make rules to carry into effect the purposes of this Act. 
(2) In particular and without prejudice to the generality of the foregoing power, such rules may provide for- 
(a) qualifications to be required from persons to whom licences under section 4 may be granted; 
(b) fees payable to a Nikah Registrar for registration of a marriage or divorce; 
(c) any other matter for which rules are required to be made.

⇒ The Muslim Marriage and Divorces (Registration) Act, 1974-এর ১৪ ধারার ক্ষমতাবলে ' মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা/নিয়মাবলি ১৯৭৫'-প্রণয়ন করা হয়।

এবং এটিকে রহিত করা হয় 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা, ২০০৯'-এর ৪১ বিধির ক্ষমতাবলে। ২০০৯ সালের বিধিমালা ২০১১ সালে পুনরায় সংশোধিত হয়। বর্তমানে এই বিধিমালার অধীনে কাবিননামা অর্থাৎ বিবাহ রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে।
২২.
একজন হানাফি মুসলিম ২০২১ সালে ৪ স্ত্রী ও পিতাকে রেখে মারা যান। তার সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন হিসাবটি সঠিক?
  1. পিতা ৫/৫, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৬
  2. পিতা ২/৩৪ স্ত্রী একত্রে ১/৩
  3. পিতা ৭/৮, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৮
  4. পিতা ৩/৪, ৪ স্ত্রী একত্রে ১/৪
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রীর অংশ:
স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
ক) ১/৪ অংশ; ও খ) ১/৮ অংশ;

ক. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 

খ. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।

♦ যদি একাধিক স্ত্রী থাকে তাহলে সব স্ত্রী মিলে ১/৪ অংশ বা ক্ষেত্র বিশেষে ১/৮ অংশ সম্পত্তি পাবে যেন একজন স্ত্রী বিদ্যমান আছে।

⇒ সন্তান না থাকলে স্ত্রীর অংশ- ১/৪ অংশ, অর্থাৎ স্ত্রী ১/৪ অংশ অনুপাতে সম্পত্তি পায়।
- এখানে এই ব্যক্তির যেহেতু সন্তান নেই ৪ জন স্ত্রী একই সাথে ১/৪ অংশ হারে সম্পতি পাবে।
- বাকি (১-১/৪ অংশ) অর্থাৎ ৩/৪ অংশ পিতা- আসাবা হিসাবে পাবে।
২৩.
অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয়ের কথা শোনা মাত্রই যে দাবী প্রকাশ করা হয় তা হলো-
  1. তলব-ই-খুশমাত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইসাদ
  4. তলব-ই-মুয়াসিবাত
ব্যাখ্যা
⇒  First demand: Immediate demand (Talab-i-mowasibat):
⇒ Talab-i-mowasibat শব্দের অর্থ The demand of jumping বা লাফ প্রদান করে দাবি।
-অর্থাৎ বিক্রয়ের কথা শুনার সাথে সাথে তার ক্রয়ের ইচ্ছা বিক্রেতাকে জানাতে হবে।
-এরূপ দাবি করার সময় কোনো সাক্ষীর দরকার নেই।
২৪.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ৫ ধারা মতে পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বিষয়বস্তু নয়-
  1. বিবাহ-বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার
  3. বিবাহ
  4. ভরণপোষণ
ব্যাখ্যা
⇒ Section 5. Jurisdiction of Family Courts:
Subject to the provisions of the Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (VIII of 1961), a Family Court shall have exclusive jurisdiction to entertain, try and dispose of any suit relating to, or arising out of, all or any of the following matters, namely:- 
 (a) dissolution of marriage; 
 (b) restitution of conjugal rights; 
 (c) dower; 
 (d) maintenance; 
 (e) guardianship and custody of children.

উল্লিখিত প্রশ্ন অনুযায়ী The Family Courts Ordinance, 1985 এর ৫ ধারা মতে বিবাহ পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বিষয়বস্তু নয়।
২৫.
পারিবারিক আদালতের কোর্ট ফি নির্ধারিত হয়-
  1. The Family Courts Ordinance, 1985 এর ২২ ধারানুসারে
  2. The Family Courts Ordinance, 1985 এর ২৩ ধারানুসারে
  3. The Court - fees Act, 1870 এর ২২ ধারানুসারে
  4. The Court - fees Act, 1870 এর ২৩ ধারানুসারে
ব্যাখ্যা
⇒ The Family Courts Ordinance, 1985 এর ২২ ধারানুসারে।
Section 22. Court-fee:

The Court-fees to be paid on any plaint presented to a Family Court shall be twenty-five taka for any kind of suit.
২৬.
স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে -
  1. স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না
  2. মামলা দায়েরের কারণ উদ্ভব হয়েছে
  3. মামলা দায়েরের আংশিক কারণ উদ্ভব হয়েছে
  4. মামলার পক্ষগণ একত্রে বসবাস করে বা সর্বশেষ বসবাস করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ Section 6. Institution of suit:
(1) Every suit under this Ordinance shall be instituted by the presentation of a plaint to the Family Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the cause of action has wholly or partly arisen; or 
(b) the parties reside or last resided together: 
Provided that in suits for dissolution of marriage, dower or maintenance, the Court within the local limits of whose jurisdiction the wife ordinarily resides shall also have jurisdiction.

অর্থাৎ স্বামী কর্তৃক দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রতিকার চেয়ে সেই পারিবারিক আদলতে মামলা দায়ের করা যাবে না, যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে স্ত্রী সচরাচর বসবাস করেন না।
২৭.
হানাফি মতবাদ অনুসারে নিম্নের কোন উত্তরাধিকারী একই সাথে কোরআনিক অংশীদার ও অবশিষ্টভোগী হিসাবে উত্তরাধিকার পেতে পারেন?
  1. পুত্র
  2. স্বামী
  3. স্ত্রী
  4. পিতা
ব্যাখ্যা
⇒ হানাফি মতবাদ অনুসারে কোরআনিক শেয়ারার হিসেবে একজন পিতা সন্তান-সন্ততি থাকলে পায় ১/৬ অংশ করে।
⇒ সন্তান না থাকলে- অবশিষ্টভোগী হিসেবে বাকি সম্পত্তি পায়। কেউ তাকে অংশচ্যুত করতে পারে না।

⇒ হানাফি মতবাদ অনুসারে পিতা একই সাথে কোরআনিক অংশীদার ও অবশিষ্টভোগী হিসাবে উত্তরাধিকার পেতে পারেন।
২৮.
পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করা যায়?
  1. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৮ ধারার বিধান পারিবারিক আপিল আদালত প্রতিষ্ঠা:
 (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলার জন্য এক বা একাধিক পারিবারিক আপিল আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলার জন্য একাধিক পারিবারিক আপিল আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আপিল আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।
(২) জেলা জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারকের সমন্বয়ে পারিবারিক আপিল আদালত গঠিত হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আপিল আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ধারার বিধান আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি:
 (১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-
(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং
(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।
(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।
(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।

(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।
২৯.
একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি হবে-
  1. বাতিলযোগ্য
  2. বৈধ
  3. অবৈধ
  4. নির্দিষ্ট চুক্তিতে বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ Who can be adopted
 the Hindu child can be adopted by the following conditions:
1. The child should be Hindu.
2. The child has not been adopted before.
3. The child should not be married.
4. The age of the child must be below 15 years.
 
উল্লিখিত শর্ত অনুযায়ী বলতে পারি যে একই ছেলেকে দুই ব্যক্তি দত্তক গ্রহণ করলে দত্তকটি অবৈধ হবে।
৩০.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন নীতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Per se
  2. Per capita
  3. Per stripes
  4. Per diem
ব্যাখ্যা
⇒ Per stripes:
The doctrine of per stirpes refers to the system of distributing an inheritance when a beneficiary who is entitled to receive it has died before receiving their share. 
Under per stirpes:
- If a beneficiary dies before the inheritance is distributed, their children will "step into their shoes". The beneficiary's children will inherit the share their parent would have received, dividing it equally between them.
So in short, if a named beneficiary in a will or trust has already died when distribution occurs, the per stirpes system allows their lineal descendants to inherit in their place, keeping the inheritance distribution aligned to the family tree structure.

⇒ Section 4. Succession

 In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

⇒অর্থাৎ যার সম্পত্তি বণ্টন হবে তার মৃত্যুর পূর্বে তার কোন পুত্র বা কন্যা মারা গেলে এবং উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বণ্টনের সময় উক্ত মৃত পুত্র বা কন্যার কোন সন্তানাদি জীবিত থাকলে তারা সেই হারে সম্পত্তি পাবে, যা তাদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতো। এটাকে প্রতিনিধিত্বের মতবাদ বা Doctrine of Representation বলা হয়।
- Per stripes নীতি এবং প্রতিনিধিত্বের মতবাদের মূল বক্তব্য একই। 

-তাইলে আমরা বলতে পারি যে The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৪ ধারায় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিধান সংযোজনের ক্ষেত্রে Per stripes নীতি অনুসরণ করা হয়েছে। 
৩১.
সময়ের দিক থেকে যিনি প্রথম হবেন, আইনের দিক থেকে তিনিই সুবিধা পাবেন- The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় বিধানটি উল্লেখ আছে?
  1. 53A
  2. 56
  3. 48
  4. 34
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer:
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created. 
৩২.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় রেহেনের প্রকারভেদ বিধৃত হয়েছে?
  1. 58
  2. 69
  3. 59A
  4. 56
ব্যাখ্যা
• নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮ ধারায় ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন : সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন : যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন : দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন : দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন : ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন : যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।
৩৩.
The Transfer of Property Act, 1882 আনুসারে 'Foreclosure' কার অধিকার?
  1. আদালতের
  2. রেহেন গ্রহীতার
  3. সরকারের
  4. রেহেন দাতার
ব্যাখ্যা
ফোরিক্লোসার বা বিক্রয়ের প্রতিকার হলো সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রতিকার এবং ৬৭ ধারায় বন্ধগ্রহীতাকে এই অধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে বন্ধকগ্রহীতা এই মর্মে মোকদ্দমা দায়ের করে যে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করার বন্ধদাতার অধিকার হরণ করা হোক বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় করা হোক।

Section 67 of The Transfer of Property Act, 1882 আনুসারে 'Foreclosure' কার অধিকার বন্ধকগ্রহীতার বা রেহেন গ্রহীতার।

Section 67. Right to foreclosure or sale:

In the absence of a contract to the contrary, the mortgagee has at any time after the mortgage-money has become due to him, and before a decree has been made for the redemption of the mortgaged property, or the mortgage-money has been paid or deposited as hereinafter provided, a right to obtain from the Court a decree that the mortgagor shall be absolutely debarred of his right to redeem the property, or a decree that the property be sold. 
A suit to obtain a decree that a mortgagor shall be absolutely debarred of his right to redeem the mortgaged property is called a suit for foreclosure. 
 
Nothing in this section shall be deemed- 
(a) to authorise any mortgagee other than a mortgagee by conditional sale or a mortgagee under an anomalous mortgage by the terms of which he is entitled to foreclose, to institute a suit for foreclosure, or an usufructuary mortgagee as such or a mortgagee by conditional sale as such to institute a suit for sale; or 
(b) to authorise a mortgagor who holds the mortgagee's rights as his trustee or legal representative, and who may sue for a sale of the property, to institute a suit for foreclosure; or 
(c) to authorise the mortgagee of a railway, canal or other work in the maintenance of which the public are interested, to institute a suit for foreclosure or sale; or 
(d) to authorise a person interested in part only of the mortgage-money to institute a suit relating only to a corresponding part of the mortgaged property, unless the mortgagees have, with the consent of the mortgagor, served their interests under the mortgage.
৩৪.
জোত-জমা বিভক্তিকরণ এবং এর সমস্ত খাজনা বিভক্তিকরণের আবেদনের প্রেক্ষিতে জোত-জমা বিভক্তিকরণের নির্দেশনা কে দিতে পারেন?
  1. ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা
  2. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
জোত-জমা বিভক্তিকরণ এবং এর সমস্ত খাজনা বিভক্তিকরণের আবেদনের প্রেক্ষিতে জোত-জমা বিভক্তিকরণের নির্দেশনা রাজস্ব কর্মকর্তা দিতে পারেন।

AMALGAMATION, SUBDIVISION AND CONSOLIDATION OF HOLDINGS
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (East Bengal Act), Section 117. Subdivision of holding and restrictions thereon:
(1) Notwithstanding anything contained elsewhere in this part, the Revenue-officer may,- 
 
(a) for the purpose of amalgamation of tenancies under section 116, either on his own motion or on an application made to him by one or more co-sharer tenants, in that behalf, or 
(b) for the purpose of consolidation of holdings of a malik, under section 119, either on his own motion or on an application made to him, in that behalf, or 
(c) for the purpose of subdivision of a joint tenancy for distribution of rent thereof, on an application made to him by one or more co-sharer tenants, 
direct, by order in writing, such subdivision of a joint tenancy amongst the co-sharer tenants and distribution of rent thereof, including arrears of rent, if any, as he may consider fair and equitable: 

Provided that no such order shall be passed unless reasonable notice is given to the parties concerned to appear and be heard in the matter: 

Provided further that where an order under clause (c) is passed, and distribution of rent, by reason thereof, results in bringing the rent of a portion of the tenancy below rupee one, a fraction of rupee one shall be rounded off into rupee one. 
(2) Omitted by section 19 of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Ordinance, 1967 (East Pakistan Ordinance No. VIII of 1967). 
(3) When an order under sub-section (1) has been passed subdividing a joint holding, such subdivision may be demarcated on the ground and also shown on the cadastral survey map.
৩৫.
একটি কবলা দলিল_______দিন থেকে কার্যকর হয়।
  1. নিবন্ধনের
  2. প্রাপ্তির
  3. লেনদেনের
  4. সম্পাদনের
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates):
নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।

 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
৩৬.
'ক', 'খ'-কে ১০০০/= টাকা ধার দেন এই শর্তে যে, "খ" উক্ত টাকা ফেরত দিতে না পারলে 'গ', 'ক'-কে তা ফেরত দিবেন। এটি একটি-
  1. বাজী চুক্তি
  2. প্রায় চুক্তি
  3. জিম্মা চুক্তি
  4. ক্ষতিপূরণের চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১২৪ ধারার বিধান "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা (Contract of indemnity defined) যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

⇒ Section 124. "Contract of indemnity" defined:
- A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity". 

Illustration
- A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
৩৭.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীনে অগ্রক্রয় মামলা দাখিলে নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
  1. ১৩.৫০
  2. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
 (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.
(2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.

The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।

- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৩৮.
'Doctrine of Frustration' কোন আইনের বিধান দ্বারা অনুমিত?
  1. The Transfer of property Act, 1882
  2. The Contract Act, 1872
  3. The Registration Act, 1908
  4. The Limitation Act, 1908
ব্যাখ্যা
• যখন একটি চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে অথবা প্রতিশ্রুতিদাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো ঘটনার ফলে চুক্তিটির বাস্তবায়ন অবৈধ হয়ে দাঁড়ায়, তখন চুক্তিটি বাতিল ও বিলুপ্ত হয়ে যায় এটা Doctrine of frustration পরিচিত।

• চুক্তি আইনের ধারা ৫৬ অসম্ভব কাজ করার চুক্তি: 
-যে কাজ শুরু হতে অসম্ভব সে কাজ করার চুক্তি বাতিল।
- কোনো কাজ করার চুক্তি যা, চুক্তিটি করার পর অসম্ভব হয় বা যে ঘটনা অঙ্গীকারকারী বারণ করতে পারেনি সে ঘটনার কারণে বেআইনি হয়, সে চুক্তি যখন অসম্ভব বা বেআইনি হয় তখন বাতিল হয়।
- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করেছে, যা সে জানতো বা যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা করে জানতে পারতাে এবং যা অঙ্গীকারগ্রহীতা অসম্ভব বা বেআইনি বলে জানতে পারত না, সেক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গীকারকারীর অঙ্গীকার অসম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অঙ্গীকারগ্রহীতার যে ক্ষতি হয় সেজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিবে।

• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৩৯.
চুক্তি ভঙ্গের সার্বজনীন প্রতিকার কোনটি?
  1. চুক্তি রদ
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  3. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন
  4. নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
ক্ষতিপূরণ [Compensation]: 
চুক্তিভঙ্গজনিত কারণে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ পাওয়া যাবে তাকে বলে খেসারত বা অর্থিক ক্ষতিপূরণ। চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের যে লোকসান বা ক্ষতি হয়েছে তা আদায়ের জন্য সে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে।
 সাধারণ আইন ও ইকুইটি ল চুক্তিভঙ্গের জন্য অর্থিক ক্ষতিপূরণকে প্রধান প্রতিকার বলেছে। 'চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ যদি যথার্থ ও পর্যাপ্ত প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে অর্থিক ক্ষতিপূরণই প্রথম ও প্রধান প্রতিকার বলে গণ্য হবে। আবার, যে সকল ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন অসম্ভব সে সকল ক্ষেত্রেও ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, অর্থিক ক্ষতিপূরণ বা খেসারত হচ্ছে চুক্তি ভঙ্গের জন্য একটি সার্বজনীন প্রতিকার।
 
Section 73. Compensation for loss or damage caused by breach of contract:

When a contract has been broken, the party who suffers by such breach is entitled to receive, from the party who has broken the contract, compensation for any loss or damagecaused to him thereby, which naturally arose in the usual course of things from such breach, or which the parties knew, when they made the contract, to be likely to result from the breach of it. 
Such compensation is not to be given for any remote and indirect loss or damage sustained by reason of the breach.
৪০.
নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি____
  1. Viodable
  2. Valid
  3. Void ab initio
  4. Void
ব্যাখ্যা
- নাবালকের চুক্তি বাতিল বলে গন্য করা হয়: নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি প্রথম থেকেই বাতিল এবং অকার্যকর। সাধারণত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যে মানসিক ক্ষমতা থাকার প্রয়োজন তা নাবালকের থাকে না। তবে এ সাধারণ নিয়মের কতিপয় ব্যতিক্রম আছে।
- নাবালক থাকাকালীন সময়ের চুক্তি সাবালক হওয়ার পর তা অনুসমর্থন বা অনুমোদন করতে পারেন না। নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি হচ্ছে বাতিল চুক্তি। একটি বাতিল চুক্তি পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর করা যায় না।

- নাবালক প্রতিশ্রুতিদাতা হতে পারে না কিন্তু প্রতিশ্রুতিগ্রহিতা হতে পারে। নাবালককে দায়ের জন্য বাধ্য করা যাবে না তবে তার অধিকার আদায়ের জন্য অন্য পক্ষকে বাধ্য করা যাবে। একজন নাবালক সাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে না পারলেও একজন সাবালক নাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে পারে।

Mohori Bibee vs Dharmodas Ghose (1903)  মামলায় Privy Council সিদ্ধান্ত প্রদান করে যে, 'Any sought of Contract with a minor or infant is void. Such contracts are Void ab- initio (void from begining)'। এককথায়, নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি-শুরুতেই বাতিল। অর্থাৎ, যেহেতু নাবালকের সাথে সম্পাদিত যেকোনো চুক্তি শুরুতেই বাতিল, সাবালকত্ব অর্জনের পরে অনুসমর্থন দ্বারা সে চুক্তিকে বৈধ করা যায় না।

অর্থাৎ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা- ১১, মুহুরি বিবি বনাম ধর্মদাস ঘোষ (১৯০৩) এই মামলার সিদ্ধান্ত অনুসারে নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি Void ab initio.
৪১.
জাতীয় সংসদের স্পীকার কার সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীদের নিয়োগ কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করবেন?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সরকারী কর্ম কমিশন
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৯ অনুচ্ছেদের বিধান সংসদ-সচিবালয়:
(১) সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে। 
(২) সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন। 
(৩) সংসদ কর্তৃক বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত স্পীকারের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করিয়া বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিসমূহ যে কোন আইনের বিধান-সাপেক্ষে কার্যকর হইবে।
৪২.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক ক্ষমতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা: 
- আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
৪৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রিদের নিয়োগ দেন?
  1. ৫৫(১)
  2. ৫৮(২)
  3. ৫৮(১)
  4. ৫৬(২)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
৪৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'জরুরী অবস্থা' জারি করা হলে তা সর্বোচ্চ কত দিন মেয়াদের হতে পারে?
  1. ১০০
  2. ১২০
  3. ৩৬৫
  4. ১৭০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
৪৫.
কোন আইনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের প্রচলিত আইনগুলো বাংলাদেশে প্রযোজ্য হবে মর্মে বিধান করা হয়?
  1. The Laws Continuance Enforcement Order, 1971
  2. The Laws Continuance Ordinance 1971
  3. The Act and Ordinance Enforcement Order, 1971
  4. The Laws Enforcement Order, 1971
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র [Proclamation of Independence] জারি করার পরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তথা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেশে বিদ্যমান সকল আইনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৭১ সালের ১০শে এপ্রিল 'The Laws Continuance Enforcement Order, 1971 - আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ, ১৯৭১' প্রণয়ন করেন। এবং এই আইনটিকে ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
৪৬.
'Nemo est supra leges' নীতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ধারণ করে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩১
  4. ১৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

Article 27: Equality before law
All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

• সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ 'Nemo est supra leges' নীতিটি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
৪৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের কাজ কোনটি?
  1. জনশৃংখলা রক্ষা করা
  2. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অংশগ্রহণ করা
  3. স্থানীয় সরকারের বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি প্রকাশ করা
  4. স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
৪৮.
'Doctrine of pleasure' নীতিটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৩৫
  2. ১৩৩
  3. ১৩৪
  4. ১৩৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ

এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, অপশন গুলোর মধ্যে ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।
৪৯.
The General Clauses Act, 1897 এ কোন পঞ্জিকা অনুসারে বৎসর সংজ্ঞায়িত?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. ব্রিটিশ
  4. বাংলা
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৩(৫৯) এর বিধান বছর (year): ব্রিটিশ পঞ্জিকা অনুযায়ী বর্ণিত বছরকে বুঝাবে।
The General Clauses Act, 1897 Section 3(59) "year" shall mean a year reckoned according to the British calendar. 
৫০.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
চোরাচালান

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ ধারায় চোরাচালান একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ (১) ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা বা আইনের অধীন অরোপিত বাধানিষেধ লঙ্ঘন করে বা বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীন আদায়যোগ্য কোন শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়ে-
ক. বাংলাদেশী পাট, স্বর্ণ বা রুপা, স্বর্ণ বা সিলভার প্রস্তুতির দ্রব্যাদি, মুদ্রা, খাদ্যপণ্য, ঔষধসমূহ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্যকোন পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাইরে নিয়ে যায়;
খ. যেকোন পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে তাহলে সেটা চোরাচালান বলে গণ্য হবে।

শাস্তি
২৫খ (১) ধারায় চোরাচালানের (Smuggling) শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাবাস বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাবাস কিন্তু ২ বৎসরের কম না এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫খ (২) ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কোন পণ্য বিক্রি করে বা বিক্রির প্রস্তাব দেয় বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে বা নিজ নিয়ন্ত্রণে বা দখলে রাখে তাহলে সে ২৫খ(২) ধারায় উল্লেখিত চোরাচালানের জন্য দণ্ডিত হবে এবং ২৫খ (২) ধারায় উল্লেখিত শাস্তি অর্থাৎ ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৫১.
'Decisions Sub Silentio' বলতে বোঝায়-
  1. আইনের যে প্রশ্ন উচ্চাদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
  2. বিচারিক আদালতের রায়ে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত ছিল
  3. আইনের বিধান সম্পর্কে অজ্ঞতাহেতু কোনো ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত
  4. আইনের কোনো শব্দ বা বাক্যের অর্থ বুঝাতে না পারা
ব্যাখ্যা
The concept of Sub silentio is a legal term that simply refers to a situation in which a court makes a ruling or applies a principle without taking into account the applicable law or any argument. The precedents that pass sub silentio are of "little or no authority,"
 Its literal meaning is "in silence," and it's used to describe something which is not explicitly stated.

অর্থাৎ- নীরব থাকা এবং সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এমন কিছুকে বোঝানো হয়। কোন যুক্তিতর্ক বা প্রয়োগযোগ্য আইন বিবেচনা না করে যে অবস্হায় আদালত কর্তৃক কোন আদেশ (রুলিং) দেওয়া হয় তাকে বুঝায়।
৫২.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭০ ধারার বিধান শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড: 
 কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১(১) (ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্তের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে অথবা এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে;
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হইলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৬০ (ষাট) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; এবং
(গ) একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকিলে উক্ত মামলার তদন্ত উপ-ধারা (১) (খ) অনুযায়ী সম্পন্ন হইবে।
৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী নারী অর্থ ______ বয়সের নারী।
  1. যে-কোনো
  2. ১৬ বৎসর
  3. ১৪ বৎসর
  4. ১৮ বৎসর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ২ (ছ) অনুযায়ী  “নারী” অর্থ যে কোন বয়সের নারী।
৫৫.
আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে কোনো আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য একজন আইনজীবীর মামলা পরিচালনায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে কমপক্ষে কত বছরের?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
 আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ১৫ ধারার বিধান আইনজীবীগণের তালিকা:
(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে৷
(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে৷ 
 (২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে৷ 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে৷
৫৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ
  1. অ-জামিনযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  2. আমলযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  3. অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
  4. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৬ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
 - এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
৫৭.
'চেক ডিজঅনার মামলায় সর্বোচ্চ জরিমানা করা যায় চেকে বর্ণিত টাকার_____।
  1. চার গুণ
  2. সম পরিমাণ
  3. দ্বিগুণ
  4. তিন গুণ
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৫৮.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের জন্য অনুমোদন প্রয়োজন হবে____
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের
  3. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের
  4. বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২৯: বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
- সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা ২০১৯ এর 
- বিধি ৫২ এর বিধান আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ।
(১) আইনে উল্লিখিত অপরাধের তদন্ত সমাপ্ত হইবার পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ বলিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষেত্রে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (ঙ) এ সংজ্ঞায়িত কমিশন এবং এই বিধিমালার তফসিলের 'তালিকা-১' এ উল্লিখিত অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রে, সংস্থার প্রধানকে বুঝাইবে।

(২) মানিলন্ডারিং অপরাধের অভিযোগ তদন্তের পর কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে, বিচার সুপারিশ করিয়া উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিবার ক্ষেত্রে, আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ আবশ্যক হইবে এবং এইরূপ অনুমোদনপত্রের একটি কপি আদালতে দাখিল করা না হইলে আদালত অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না।

(৩) মানিলন্ডারিং অপরাধ বিষয়ে কোনো অভিযোগ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সরাসরি আদালতে দায়ের করা যাইবে না:

তবে, শর্ত থাকে যে, যদি কোনো উপযুক্ত আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অভিযোগকারী উক্ত অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত অভিযোগ কোনো তদন্তকারী সংস্থার কার্যালয়ে করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করিয়া উহা তদন্তের জন্য তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোনো কারণে তদন্ত প্রতিবেদনের সহিত অনুমোদন পত্রের কপি সংযুক্ত করা না হইলে, সংশ্লিষ্ট আদালত তদন্ত প্রতিবেদন পাইবার পর পরই সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানকে সম্বোধন করিয়া পত্রের মাধ্যমে অনুমোদন চাহিতে পারিবেন।
৫৯.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর অধীনে গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় আসামীকে জামিন প্রদান বিষয়ক বিধানাবলি বর্ণিত হয়েছে কোথায়?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৫ ও ২৩ ধারায়
  2. The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ও ৪৯৭ ধারায়
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ও ৭১ ধারায়
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ও ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫২ ধারার বিধান মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন। 
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন। 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: 
এই আইনের― 
(ক) ধারা ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে; এবং 
(খ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ), ২০, ২৫, ২৯ ও ৪৭ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হইবে; 
(গ) ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপোষযোগ্য হইবে; 
(ঘ) অধীন কোনো অপরাধ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দ্বিতীয় বা ততোধিকবার সংঘটনের ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।

অন্যদিকে,
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭০ ধারায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে প্রযোজ্য হইবে, এবং আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা উক্ত ট্রাইব্যুনালের থাকিবে৷ 
(২) ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭১ ধারায় জামিন সংক্রান্ত বিধান:
সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করিবেন না, যদি না- 
(ক) রাষ্ট্রপক্ষকে অনুরূপ জামিনের আদেশের উপর শুনানীর সুযোগ প্রদান করা হয়; 
(খ) বিচারক সন্তুষ্ট হন যে,- 
(অ) অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচারে দোষী সাব্যস্ত নাও হইতে পারেন মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ রহিয়াছে; 
(আ) অপরাধ আপেক্ষিক অর্থে গুরুতর নহে এবং অপরাধ প্রমাণিত হইলেও শাস্তি কঠোর হইবে না; এবং 
(গ) তিনি অনুরূপ সস্তুষ্টির কারণসমূহ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করেন৷
৬০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে________
  1. যে-কোনো আমলী আদালত
  2. শুধু সিনিয়র স্পেশাল জজ
  3. শুধু সংশ্লিষ্ট থানা
  4. শুধু কমিশনের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যলয়
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এর বিধি ৩ এর বিধান কমিশন ও উহার অধঃস্তন কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের।
(১) কোন ব্যক্তি আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে কমিশনের জেলা কার্যালয় বা বিভাগীয় কার্যালয় বা প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করিতে পারিবে।
৬১.
"________ মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকে জাহাজ, অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়ায়ে রয়েছে আজ।" - কে মাঝিকে আহ্বান করছেন?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• 'মাঝি চেয়ে দেখো দুয়ারে ডাকে জাহাজ, অচল ছবি সে, তসবির যেন দাঁড়ায়ে রয়েছে আজ।' - মাঝিকে 'ফররুখ আহমদ' আহ্বান করছেন'।
- এই কবিতাংশটি ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'সাত সাগরের মাঝি' কবিতার অংশ। 

সাত সাগরের মাঝি:
- ফররুখ আহমদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট উনিশটি কবিতা স্থান পেয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি, সাত সাগরের মাঝি ইত্যাদি।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলি ১৯৪৩-৪৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে রচিত।
- মূলত জাগরণের লক্ষ্যে ফররুখ আহমদ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলি লিখেছেন।
- বাংলা প্রচলিত শব্দ পরিত্যাগ করে এ গ্রন্থে কবি বহু অপ্রচলিত আরবি-ফারসি শব্দ গ্রহণ করেছেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরূপ সমাজের ছবি কাব্যগ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে।

ফররুখ আহমদ: 
- তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ‘সাত সাগরের মাঝি' (১৯৪৪) ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- তাঁর রচিত কাব্যনাট্য 'নৌফেল ও হাতেম' (১৯৬১)।
- ‘মুহূর্তের কবিতা' (১৯৬৩) তাঁর রচিত একটি সনেট সংকলন। 
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য 'হাতেম তায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষ গ্রন্থের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
-  ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- আজাদ কর পাকিস্তান,
- সিরাজাম মুনীরা,
- হে বন্য স্বপ্নেরা,
- ইকবালের নির্বাচিত কবিতা,
- কাফেলা,
- হাবেদা মরুর কাহিনী,
- তসবির নামা,
- দিলরুবা,
- ঐতিহাসিক অনৈতিহাসিক কাব্য,
- অনুস্বার,
- ধোলাই কাব্য।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. কালের কণ্ঠ পত্রিকা
রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ: ১০ জুন, ২০১৯।
৪. সাত সাগরের মাঝি, ফররুখ আহমদ।
৬২.
'স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের সংসার পরিপূর্ণ।' - এই উক্তিটি কার?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• 'স্বল্পপ্রাণ, স্থূলবুদ্ধি ও জবরদস্তিপ্রিয় মানুষের সংসার পরিপূর্ণ।' - এই উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর
- এটি তাঁর ‘সংস্কৃতি কথা’ প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্গত 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের উক্তি।

মোতাহের হোসেন চৌধুরী:
- শিক্ষাবিদ, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে ১৯০৩ সালে। 
- মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ‘সংস্কৃতি কথা’ তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থ।
- 'সুখ' বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের এবং 'সভ্যতা' ক্লাইভ বেল-এর Civiliszation গ্রন্থের ভাবানুবাদ গ্রন্থ।
- মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী ও মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিশেষ খ্যাতি আছে।
- ১৯৫৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত প্রবন্ধ: 
- আমাদের দৈন্য,
- আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী,
- মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; সংস্কৃতি কথা, মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
৬৩.
নিচের কোন কাব্যটি জীবনানন্দ দাশের রচনা নয়?
  1. উত্তর ফাল্গুনী
  2. বনলতা সেন
  3. ঝরা পালক
  4. মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা
আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন।

কাব্যগ্রন্থঃ
- তন্বী (১৯৩০),
- অর্কেস্ট্রা (১৯৩৫),
- ক্রন্দসী (১৯৩৭),
- উত্তর ফাল্গুনী (১৯৪০),
- সংবর্ত (১৯৫০),
- দশমী (১৯৫৬);

প্রবন্ধগ্রন্থঃ
- স্বগত (১৯৩৮),
- কুলায় ও কালপুরুষ (১৯৫৭)।

- এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদ কাব্যগ্রন্থও আছে। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৪.
বাংলাদেশের সাহিত্যে লোকসাহিত্য সংগ্রাহক কে?
  1. ড. কাজী আবদুল মান্নান
  2. ড. আশরাফ সিদ্দিকী
  3. ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  4. ড. কাজী দীন মুহম্মদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সাহিত্যে লোকসাহিত্য সংগ্রাহক - ড. আশরাফ সিদ্দিকী
- তিনি মূলত লোকসাহিত্য-সংস্কৃতিবিদ হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর লোকসাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ 'লোকসাহিত্য' (১৯৬৪)।

অন্যদিকে,
• ড. কাজী আবদুল মান্নান ছিলেন শিক্ষাবিদ, গবেষক।
• ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
• ড. কাজী দীন মুহম্মদ বাংলাদেশের একজন বরেণ্য ভাষাতত্ত্ববিদ ও সাহিত্যিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়। এখানে 'যুদ্ধে' কোন কারকের উদাহরণ?
  1. অপাদান
  2. সম্প্রদান
  3. অধিকরণ
  4. করণ
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। 
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যথা -
→ আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। 
→ কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।

- অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা:
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং 
৩. ভাবাধিকরণ।

• আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. ঐকদেশিক, 
২. অভিব্যাপক এবং 
৩. বৈষয়িক।

• বৈষয়িক:
বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমন -
- রাকিব ব্যাকরণে কাঁচা, কিন্তু অঙ্কে ভালো।
- আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজেয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৬.
'ঝুমকো লতায় জোনাকী' শীর্ষক শিশুতোষ রচনাটি কার?
  1. সুকুমার রায়
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
• 'ঝুমকো লতায় জোনাকী' শীর্ষক শিশুতোষ রচনাটি কাজী নজরুল ইসলামের
 
ঝুমকো লতায় জোনাকী,
--- কাজী নজরুল ইসলাম

ঝুমকো লতায় জোনাকী -
মাঝে মাঝে বিষ্টি গো
আবোল তাবোল বকে কে
তারও চেয়ে মিষ্টি গো
মিষ্টি, মিষ্টি।
আকাশে সব ফ্যাকাশে
ডালিম-দানা পাকেনি,
চাঁদ ওঠেনি কোলে তার
মা বলে সে ডাকেনি
রাগ করেছে বাঘিনী

কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
- বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত শিশুতোষ কবিতা:
- খুকী ও কাঠবিড়ালী,
- প্রভাতী, লিচুচোর,
- ঝুমকোলতায় জোনাকি,
- ঘুম পাড়ানি গান প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ঝুমকোলতায় জোনাকি, কাজী নজরুল ইসলাম।
৬৭.
'তুমি তো ভারি বোকা।'- এখানে 'তো' ব্যবহার_______।
  1. সম্বোধনসূচক
  2. অলংকারসূচক
  3. অনুজ্ঞাসূচক
  4. পরামর্শ দেওয়া
ব্যাখ্যা
• 'তুমি তো ভারি বোকা।'- এখানে 'তো' ব্যবহার অলংকারসূচক

অলংকার:
- অলংকার শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ - যার দ্বারা ভূষিত করা হয় বা সজ্জিত করা হয়।
- নারীদেহকে সুন্দর ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করবার জন্যে যেমন কানে দুল, গলায় হার, নাকে নোলক, হাতে চুড়ি, পায়ে মল ইত্যাদি অলংকার দ্বারা সজ্জিত করা হয়, তেমনি সাহিত্যের অঙ্গসৌষ্ঠবকে বৃদ্ধি করবার জন্যও বিভিন্ন অলংকার ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, কাব্যের সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করবার জন্যে যা দ্বারা কাব্যকে সজ্জিত করা হয় তাই অলংকার।
- অলংকারের কাজ সৌন্দর্যবর্ধন, আকর্ষণ সৃষ্টি করা এবং আবেগের প্রশান্তির দ্যোতনা আনয়ন।

• ‘তুমি তো ভারি বোকা।’ - প্রদত্ত বাক্যে ‘তো’ শব্দটি বাক্যের সৌন্দর্যবর্ধন, আকর্ষণ সৃষ্টি এবং আবেগের প্রশান্তির দ্যোতনা আনয়ন করেছে।
অতএব প্রদত্ত বাক্যে ‘তো’ অলংকারসূচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ।
৬৮.
নিচের কোনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ?
ব্যাখ্যা
'-ং'  পরাশ্রিত বর্ণ । 

পরাশ্রয়ী বর্ণ: 
যে ব্যঞ্জনসমূহ স্বাধীন ও স্বতন্ত্র বর্ণের মতো কার বা ফলা গ্রহন করতে পারে না, অন্য বর্ণের আশ্রয়ে শব্দ তৈরি করে, সেগুলোকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে।
বাংলা বর্ণমালায় ৩টি পরাশ্রয়ী / পরাশ্রিত বর্ণ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে ং, ঃ, ঁ।

'-ং'  পরাশ্রিত বর্ণ । নিজে এককভাবে কোনো শব্দে অবস্থান করতে পারে না ।বাংলায় এর উচ্চারণ ঙ এর মত ।

ৎ বাংলা বর্ণমালার বর্ণ যা  স্বতন্ত্রভাবে উচ্চারিত হয় না ।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৯.
'তুমি আসলে আমি যাব।'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ইচ্ছাসূচক
  2. কার্যকারণবাচক
  3. অনুজ্ঞাসূচক
  4. পারস্পরিকবাচক
ব্যাখ্যা
• 'তুমি আসলে আমি যাব।'- এটি কার্যকারণাত্মক বা কার্যকারণবাচক বাক্য।

কার্যকারণাত্মক বাক্য:
- যদি কোনো বাক্যে ক্রিয়া নিষ্পত্তি কোনো বিশেষ শর্তের অধীনে এমন বোঝায়, তাহলে তাকে কার্যকারণাত্মক বাক্য বলে।
- এই ধরনের বাক্যের অন্য নাম শর্তসূচক, শর্তসাপেক্ষ বাক্য।
যেমন -
→ মন দিয়ে না পড়লে পাশ করা যায় না। 
তুমি আসলে আমি যাব

অন্যদিকে,
ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য:
- যে বাক্যে ইচ্ছা, প্রার্থনা, উচ্ছ্বাস ইত্যাদি অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।
- একে ইচ্ছাসূচক, ইচ্ছাবোধক বাকাও বলা হয়।
যেমন -
→ মহারাজের জয় হোক।
→ আমি যদি জন্ম নিতেম কালিদাসের কালে।

অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য:
- যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে।
- একে আজ্ঞাসুচক, আদেশসূচক বাক্যও বলা হয়।
যেমন -
→ সদা সত্য কথা বলবে।
→ কাছে এসো।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭০.
'Proscribe' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. উপদেশ দেওয়া
  2. পরামর্শ দেওয়া
  3. বে-আইনী ঘোষণা করা
  4. বিজ্ঞপ্তি দেওয়া
ব্যাখ্যা
• 'Proscribe' শব্দের বাংলা পরিভাষা - বে-আইনি ঘোষণা করা, নিষিদ্ধ করা।

কিছু বাংলা পরিভাষা:
• ‘Daily’ এর বাংলা পরিভাষা - দৈনিক পত্র।
• ‘Quarterly’ এর বাংলা পরিভাষা - ত্রৈমাসিক।
• ‘Half-yearly’ এর বাংলা পরিভাষা - ষাণ্মাসিক।
• ‘Periodical’ শব্দের বাংলা পরিভাষা: সাময়িকী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
৭১.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. মোঃ আব্দুল হান্নান
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭২.
কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ আহমদ খান
  2. সৈয়দ মাহমুদ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. সৈয়দ আব্দুর মনির
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী

- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- বাংলা তথা ভারতে তিনিই প্রথম মুসলমান  নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। 
- আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- তিনি ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান।
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের  সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন। 
- বাঙালি মুসলিম রেনেসাঁসের অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
৭৩.
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের হাতে বন্দি করার অভিযানের নাম কী?
  1. Operation Close Door
  2. Operation Blitz
  3. Operation Big Bird
  4. Operation Searchlight
ব্যাখ্যা
অপারেশন বিগ বার্ড:

- ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম অপারেশন 'বিগ বার্ড'।
- ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাতের অন্ধকারে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- সেই কালরাত্রিতেই জেনারেল রাও ফরমান আলী খানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামরিক অভিযানের কোড ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকায় ও দেশের অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক তাণ্ডব ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো করা হয়।
- ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
- এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ওয়্যারলেসে ৫৭ ব্রিগেডের মেজর জাফর জানায়-‘বিগ বার্ড ইন দ্য কেজ, অন্যান্য পাখিরা নীড়ে নেই, ওভার’ (সূত্র : উইটনেস টু স্যারেন্ডার; লেখক : সালিক সিদ্দিক)।
- অতঃপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে তিরান্নবই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- ০৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ১০ জানুয়ারি ২০২২।
৭৪.
কুতুবদিয়া বাতিঘর নির্মাণ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৪৮
  3. ১৮৪০
  4. ১৮৪৬
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:

- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৫.
বাংলাদেশে শীতল পানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. রাঙ্গামাটি
  3. মাধবকুণ্ড
  4. সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটির বরকলে অবস্থিত।
- রিসাং ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবানে অবস্থিত।
- তৈদুছড়া ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
৭৬.
START-II চুক্তিটি কয়টি দেশের মধ্যে। সম্পাদিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:

- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯১ সালে।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৩  সালে। 

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৭৭.
কোন দেশ ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না?
  1. হংকং
  2. মালদ্বীপ
  3. নেপাল
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
উপনিবেশ:
- চীনের অধীনস্থ হওয়ার পূর্বে হংকং ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো।
- মালদ্বীপ এবং জিম্বাবুয়ে দ্বীপ ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল।

- নেপাল সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না তবে তারা ব্রিটেনের কাছে Protectorate (আশ্রিত রাজ্য) হিসেবে ছিলো।
- স্বায়ত্ত্বশাসন অব্যাহত থাকায় নেপাল এর স্বাধীনতা খর্ব হয় নি।
- তাই অপশন বিবেচনায় নেপাল উত্তর নেওয়া হয়েছে।

উৎস:
ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
৭৮.
বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশগুলোর কোন সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে?
  1. ২০২৭
  2. ২০৩২
  3. ২০২৯
  4. ২০২৫
ব্যাখ্যা
• Generalised Scheme of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত GSP সুবিধা মূলত নিম্নোক্ত তিনটির সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
- Standard GSP
- GSP 
- EBA

- বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে ২০২৬ সালে।
- উন্নয়নশীল দেশ হিসেব উন্নীত হলে, বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
- বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
- ২০২৯ সালের পর নতুন করে জিএসপি সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

অপরদিকে,
• Generalized System of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।


উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৯.
'Loss and Damage' নামক আন্তর্জাতিক তহবিল কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো'র ব্যয়
  2. আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য
  3. আন্তর্জাতিক ঋণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• 'Loss and Damage' ফান্ড:

- প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল থেকে অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত পৈতৃক ভিটে মাটি ছেড়ে শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের কারণে এ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।
- কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে একটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠনে সম্মত হয়েছে বিশ্ব।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলের যে মানুষেরা উদ্বাস্তু হচ্ছেন বা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন তাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনে এই তহবিল কাজ করবে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

 উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৮০.
গত ০৬/০২/২০২৩ তারিখ সিরিয়া-তুরস্কে সংঘটিত ভূ-কম্পনের উৎপত্তিস্থল কোনটি?
  1. Damascus
  2. Gaziantep
  3. Izmir
  4. Istanbul
ব্যাখ্যা
• তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্প:

- ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ভোরে তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। যার উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ১৭.৯ কিলোমিটার।
- সিরিয়া সীমান্তের কাছে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গাজিয়ানটেপ এলাকায় ভূ-কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল।
- তুরস্কের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি।
- আর সিরিয়ায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক এল-মোস্তাফা বেনলামিল জানিয়েছেন, দেশটিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক কোটির বেশি মানুষ।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৮১.
Let justice (to do) though the heavens fall. Choose the correct word/words for the bracket in the sentence.
  1. be done
  2. to do
  3. do
  4. have done
ব্যাখ্যা
Structure: let + object + be + verb এর past participle.

সম্পূর্ণ বাক্যটি হলো: "Let justice be done though the heavens fall."
এই প্রবাদটির মানে হলো - কোনো পরিণতি বিবেচনা না করেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা উচিত।
৮২.
I cannot part _____ my pen.
  1. from
  2. without
  3. with
  4. out
ব্যাখ্যা
এখানে part with - ত্যাগ করা & part from - বিদায় জানানোও।

Part with something (Phrasal Verb)
Meaning: to give away or get rid of something, esp. a possession that you enjoy having:

Ex: I cannot part with my pen.

Source: Cambridge Dictionary
৮৩.
Fill in the blank by identifying the correct option: 'How did you get __________ at the interview?'
  1. into
  2. with
  3. over
  4. on
ব্যাখ্যা
এখানে সঠিক উত্তরটি হবে - ‘over’.

Get over (অতিক্রম করা) 
- Soon he will get over the difficulties. 
Get on (চালিয়ে যাওয়া) 
- How are you getting on with your studies? 
Get out (বাহিরে যাওয়া)
- Get out of the class. 
Get through (সাফল্য লাভ করা)
- We got through the examination. 

Source: Applied English Grammar and Composition by P.C. Das.
৮৪.
'He is so dishonest that he cannot speak the truth'. Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
  1. He is too dishonest to speake the truth
  2. He is very dishonest to speake the truth
  3. He is too dishonest that he cannot speake the truth
  4. He is too dishonest to be spoken the truth
ব্যাখ্যা
• Complex sentence এ যদি so + adjective + that + subject + cannot/could not + verb থাকে,
- সেক্ষেত্রে simple sentence এ too + adjective + to + verb এর base form বসে।
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - He is too dishonest to speak the truth.
৮৫.
'Frailty, thy name is woman'. Here 'thy' is a/an................
  1. possessive pronoun
  2. adverb
  3. possessive adjective
  4. reflexive pronoun
ব্যাখ্যা
Here 'thy' is a/an possessive adjective.

Possessive adjective:
- A possessive adjective indicates possession or ownership.
- It suggests the belongingness of something to someone.

• My, Our, His, Her, Their, Your এসব হলো possessive pronoun এর উদাহরণ।
- কিন্তু এই শব্দ গুলোর পরে যখন noun বসে তখন এরা Possessive adjective রূপে ব্যবহৃত হয়।
- এই শব্দ গুলো সবসময় noun এর আগে বসে তাই এরা adjective রূপে বিবেচিত।

• উল্লেখ্য যে,
- Possessive pronoun হিসেবে যখন এরা ব্যবহৃত হয় তখন এদের পরে noun প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু Possessive adjective এর পরে noun প্রয়োজন হয়।

• Some of the most used possessive adjectives are my, his, her, our, their, your.
- এই শব্দ গুলো সবসময় noun এর আগে বসে তাই এরা adjective রূপে বিবেচিত।
- Possessive pronoun হিসেবে যখন এরা ব্যবহৃত হয় তখন এদের পরে noun প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু Possessive adjective এর পরে noun প্রয়োজন হয়।
৮৬.
'The child is father of the Man' is written by.............
  1. P. B. Shelley
  2. William Wordsworth
  3. John Milton
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা
"Child is father of the man" is stated by - William Wordsworth.

- এই উক্তিটি তাঁর কবিতা  "My Heart Leaps Up" হতে নেয়া।
- ১৮০২ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি একটি short lyric poem.
- Like many of his poems from this period, "My Heart Leaps Up" was inspired by nature, as the speakers describes the feeling of joy upon seeing a simple rainbow.
- The poem also appreciates the importance of carrying child-like enthusiasm and wonder throughout life, an idea that Wordsworth returns throughout much of his work.

Source: Sparksnotes.com
৮৭.
Who is the writer of the autobiographical as well as political essay titled 'shooting an Elephant'?
  1. Virginia Woolf
  2. George Orwell
  3. W. H. Auden
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা
Shooting an Elephant:

- এটি English writer George Orwell রচিত একটি essay.
- First published in the literary magazine New Writing in late 1936 and broadcast by the BBC Home Service on 12 October 1948.

• Best Works:
• Novel:
- Animal Farm (1945 – a fairy story)
- Nineteen Eighty-Four
- Burmese Days
- Coming up for Air.

• Story/Essay:
- Shooting an Elephant
- A Hanging.

Source: Encyclopedia Britannica.
৮৮.
Who is the principal antagonist of Shakespeare's play "The Merchant of Ventce'?
  1. Shylock
  2. Jessica
  3. Antonio
  4. Porytia
ব্যাখ্যা
'Shylock' is a principal antagonist of William Shakespeare's - The Merchant of Venice.
- 'The Merchant of Venice' is a comedy by William Shakespeare.
- এক ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট  comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

Source: Britannica.
৮৯.
In Shakespeare's play 'Hamlet', Hamlet was the prince of-
  1. Britain
  2. Norway
  3. France
  4. Denmark
ব্যাখ্যা
Hamlet:

- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় !৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.

• Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

Source: Britannica.
৯০.
"Heard melodies are sweet but those unheard are_______"
  1. sweetening
  2. very sweet
  3. sweeter
  4. the sweetest
ব্যাখ্যা
“Heard melodies are sweet, but those unheard
Are sweeter; therefore, ye soft pipes, play on”

- These lines occur in John Keats’s famous poem ‘Ode on a Grecian Urn’ reflecting the superiority of art over real life.

Famous quotations of John Keats are-

-Beauty is truth, truth beauty.
-Heard melodies are sweet but those unheard are sweeter.
-A thing of beauty is a joy forever.
-My heart aches, and a drowsy numbness pains.

Source: Britannica.com
৯১.
a + b = 4 এবং a - b = 2 হলে ab এর মান কত?
  1. 12
  2. 8
  3. 16
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 4 এবং a - b = 2 হলে ab এর মান কত?

সমাধান:
a + b = 4 
a - b = 2

আমরা জানি,
4ab = (a + b)2 - (a - b)2
4ab = 42 - 22
4ab = 16 - 4
4ab = 12
ab = 3
৯২.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬ বর্গমিটার, পরিধি ৮ মিটার। এর ব্যাসার্ধ কত মিটার?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬ বর্গমিটার, পরিধি ৮ মিটার। এর ব্যাসার্ধ কত মিটার? 
প্রশ্নটি হওয়ার কথা 'একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬π বর্গমিটার, পরিধি ৮π মিটার। এর ব্যাসার্ধ কত মিটার?'

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল ১৬π বর্গমিটার, পরিধি ৮π মিটার। এর ব্যাসার্ধ কত মিটার?

সমাধান:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr = ১৬ .........(১)
বৃত্তের পরিধি = ২πr = ৮ .........(২)

(২) নং / (১) নং
πr/২πr = ১৬/৮
⇒ r/২ = ২
∴ r = ৪ 
অর্থাৎ, ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার
৯৩.
কোন একটি শহরের জনসংখ্যা ৩ লক্ষ। সেই শহর প্রতি হাজারে ৩০ জন করে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ৩ বছর পর ঐ শহরের জনসংখ্যা কত হবে?
  1. ৩৬৯২৮৭
  2. ৩৪৯৫১২
  3. ৩১৬৮৯২
  4. ৩২৭৮১৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন একটি শহরের জনসংখ্যা ৩ লক্ষ। সেই শহর প্রতি হাজারে ৩০ জন করে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ৩ বছর পর ঐ শহরের জনসংখ্যা কত হবে?

সমাধান:
বর্তমান জনসংখ্যা = ৩০০০০০ জন
১০০০ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০ জন 
১ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০/১০০০ জন 
৩০০০০০ জনে বৃদ্ধি পায় = (৩০ × ৩০০০০০)/১০০০ জন 
= ৯০০০ জন 

১ বছর পর জন সংখ্যা = ৩০০০০০ + ৯০০০ জন = ৩০৯০০০ জন 

১০০০ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০ জন 
১ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০/১০০০ জন 
৩০৯০০০ জনে বৃদ্ধি পায় = (৩০ × ৩০৯০০০)/১০০০ জন 
= ৯২৭০ জন 

২ বছর পর জন সংখ্যা = ৩০৯০০০ + ৯২৭০ জন = ৩১৮২৭০ জন 

১০০০ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০ জন 
১ জনে বৃদ্ধি পায় = ৩০/১০০০ জন 
৩১৮২৭০ জনে বৃদ্ধি পায় = (৩০ × ৩১৮২৭০)/১০০০ জন 
= ৯৫৪৮ জন

২ বছর পর জন সংখ্যা = ৩১৮২৭০ + ৯৫৪৮ জন = ৩২৭৮১৮ জন
৯৪.
তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১২০ হলে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?
  1. ৭১
  2. ৪১
  3. ৩১
  4. ৬১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল ১২০। বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
মনে করি,
সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক, ( ক + ১) ও ( ক + ১ + ১) বা (ক + ২)
 
প্রশ্নমতে
ক + ক + ১ + ক + ২ = ১২০
বা, ৩ক  + ৩ = ১২০
বা, ৩ক =১১৭
বা, ক = ৩৯

বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৩৯ + ২ = ৪১
৯৫.
ΔABC এ AB = AC, BA-কে D পর্যন্ত এমনভাবে বাধিত করা হল যেন AD = AC হয়। C, D যোগ করা হল। ∠BCD সমান কত?
  1. ১৮০°
  2. ৬০°
  3. ৪৫°
  4. ৯০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ΔABC এ AB = AC, BA-কে D পর্যন্ত এমনভাবে বাধিত করা হল যেন AD = AC হয়। C, D যোগ করা হল। ∠BCD সমান কত?

সমাধান:

ΔABC এ AB = AC 
∴ ∠ACB = ∠ABC
ধরি,
∠ACB = ∠ABC = x

আবার,
AD = AC
∴ ∠ACD = ∠ADC
ধরি,
∠ACD = ∠ADC = y

এখন,
∠BCD = ∠ACB + ∠ACD = x + y

ΔBCD এ
∠DBC + ∠BDC + ∠BCD = 180°
⇒ ∠ABC + ∠ADC + ∠BCD = 180°
⇒ x + y + x + y = 180°
⇒ 2(x + y) = 180°
∴ x + y = 90°
৯৬.
লবণ কী ধরনের পদার্থ?
  1. যৌগিক
  2. মৌলিক
  3. মিশ্র
  4. গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
• যৌগিক পদার্থ:
- দুই বা তার বেশি সংখ্যক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট ওজনের অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্মী পদার্থ গঠন করে। অথবা, যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগিক পদার্থের উদাহরণ : পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবন, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হল যৌগিক পদার্থ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯৭.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত ন্যানোমিটার?
  1. ৫০০-৮০০
  2. ৩০০-৬০০
  3. ৫০০-১০০০
  4. ৪০০-৭০০
ব্যাখ্যা
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র - নবম - দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই
৯৮.
ডিএনএ কাটার জন্য এনজাইম কোনটি?
  1. পলিমারেজ
  2. লেকটেজ
  3. নিউক্লিয়েজ
  4. রেস্ট্রিকশন
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ: 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো - 
(ক) প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ, 
(খ) বাহক নির্বাচন, 
(গ) প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন, 
(ঘ) ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং 
(ঙ) পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন। 

প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন: 
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়। 
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। 
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়। 
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে। 
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। 
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
ধূমকেতু কী দিয়ে তৈরী?
  1. গ্যাস, ধূলিকণা ও শিলা
  2. গ্যাস, পাথর ও পানি
  3. পাথর, আগুন ও ধূলিকণা
  4. পাথর, বরফ ও ধূলিকণা
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু:

- ধূমকেতু হলো পাথর, বরফ ও ধূলিকণা তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু।
- এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- মহাকাশে ধূমকেতুর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৪৩টি।
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু হলো বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ধূমকেতু।
- ২০৬১ সালের ২৮  জুলাই আবার হ্যালির ধূমকেতুটি দেখা যাবে।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ,১৫ জানুয়ারী ২০২২।
১০০.
অস্থি বিন্যাস অনুযায়ী মানুষের অন্তঃকঙ্কালকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত। 
- এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকঙ্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা— (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।