ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা = 25 °C (বা 298 K)
চাপ = 100 kPa (বা 1 bar ≈ 0.9869 atm)
এই অবস্থায় যেকোনো আদর্শ গ্যাসের 1 mole এর আয়তন হয় প্রায় 24.8 L (সাধারণত 24.5–24.8 L
source : Any text from Hsc level/ Relevent websites
৪৯তম বিসিএস ⎯ রসায়ন [৫৩১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৫ প্রশ্ন
তাপমাত্রা = 25 °C (বা 298 K)
চাপ = 100 kPa (বা 1 bar ≈ 0.9869 atm)
এই অবস্থায় যেকোনো আদর্শ গ্যাসের 1 mole এর আয়তন হয় প্রায় 24.8 L (সাধারণত 24.5–24.8 L
source : Any text from Hsc level/ Relevent websites
প্রমাণ অবস্থার মানগুলো:
তাপমাত্রা = 0 °C = 273 K
চাপ = 1 atm = 760 mmHg = 101.325 kPa
এই শর্তে ১ মোল আদর্শ গ্যাসের আয়তন = 22.4 লিটার (অর্থাৎ 22 400 mL বা 0.0224 m³)।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
আদর্শ (Ideal) গ্যাসের সমীকরণ হলো —
PV=nRT
যেখানে,
P = গ্যাসের চাপ (Pressure)
V = গ্যাসের আয়তন (Volume)
n = মোল সংখ্যা (number of moles)
R = গ্যাস ধ্রুবক (Gas constant)
T = তাপমাত্রা (Temperature in Kelvin)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
সংকোচনশীলতা (Compressibility factor) = Z
Z = 1 হলে গ্যাসটি আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করছে।
Z ≠ 1 হলে গ্যাসটি বাস্তব গ্যাস (Real Gas) এবং আদর্শ আচরণ করছে না।
অর্থাৎ, সংকোচনশীলতা দিয়ে গ্যাস কতটা আদর্শ গ্যাসের মত আচরণ করছে তা বোঝা হয়।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Z=PV/RT
Z = 1 হলে গ্যাসটি আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করছে।
Z ≠ 1 হলে গ্যাসটি বাস্তব গ্যাস (Real Gas) এবং আদর্শ আচরণ করছে না।
অর্থাৎ, সংকোচনশীলতা দিয়ে গ্যাস কতটা আদর্শ গ্যাসের মত আচরণ করছে তা বোঝা হয়
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
গ্রাহামের সূত্র (Graham’s Law) মনে করতে হবে:
Rate of diffusion/effusion M = গ্যাসের মোলার ভর।
অর্থাৎ, যত হালকা গ্যাস (মোলার ভর কম), তার বাষ্পন হার তত বেশি।
a) O2 (মোলার ভর = 32 g/mol)
b) N2 (মোলার ভর = 28 g/mol)
c) H2(মোলার ভর = 2 g/mol)
d) CO2(মোলার ভর = 44 g/mol)
উত্তর: c) H2 কারণ এর মোলার ভর সবচেয়ে কম (2 g/mol), তাই বাষ্পন হার সবচেয়ে বেশি।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
অ্যাসিডের শক্তি মূলত নির্ভর করে তার হাইড্রোজেন আয়নের (H+) মুক্তির ক্ষমতার ওপর।
সাধারণ শক্তিশালী অ্যাসিড:
হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) – শক্তিশালী
হাইড্রোব্রোমিক অ্যাসিড (HBr) – শক্তিশালী
হাইড্রোইডিক অ্যাসিড (HI) – শক্তিশালী
নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) – শক্তিশালী
সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) – শক্তিশালী
তুলনামূলকভাবে কম শক্তিশালী:
অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH₃COOH) – দুর্বল অ্যাসিড
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
বয়েল এর সূত্র বলে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নিদিষ্ট পরিমাণ গ্যাসের চাপ এবং আয়তনের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক থাকে:
P×V=constant (T নির্দিষ্ট)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
“আদর্শ গ্যাস সমীকরণ” বলতে আমরা Ideal Gas Equation বোঝাই। এটি হলো গ্যাসের চাপ (P), আয়তন (V), তাপমাত্রা (T), এবং গ্যাসের মোল সংখ্যা (n) এর মধ্যে সম্পর্ক।
আদর্শ গ্যাস সমীকরণ:
PV=nRT
V = আয়তন (Volume)
n = মোল সংখ্যা (Number of moles)
R = গ্যাস ধ্রুবক (Gas constant)
T = তাপমাত্রা (Kelvin এ)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
গে-লুসাকের সূত্র (Gay-Lussac’s Law) হল গ্যাসের চাপ এবং তাপমাত্রার মধ্যে সম্পর্ক।
সূত্র:
P∝T(V = ধ্রুবক, n = ধ্রুবক)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
R এর মান ও এককসমূহ
SI একক পদ্ধতিতে (Joule): R=8.314 J mol−1K−1
ক্যালরি এককে: R=1.987 cal mol−1K−1
লিটার-অ্যাটমসফিয়ার এককে: R=0.0821 L atm mol−1K−1
dyne–cm এককে (cgs system): R=8.314×107 erg mol−1K−1
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে তড়িৎচৌম্বক বিকিরণের ক্রম
(দীর্ঘ থেকে খুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যে)
রেডিও তরঙ্গ: 103–10−1 m
মাইক্রোওয়েভ: 10−1–10−3 m
ইনফ্রারেড (IR): 10−3–7×10−7 m
দৃশ্যমান আলো: 700 nm–400 nm
অতিবেগুনি (UV): 400 nm–10 nm
এক্স-রে: 10 nm–0.01 nm
গামা রশ্মি: <0.01 nm
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
লুইস অ্যাসিড: সেই পদার্থ যা ইলেকট্রন জোড় (electron pair) গ্রহণ করতে পারে।
উদাহরণ:
BF₃ (বোরন ট্রাইফ্লোরাইড) → লুইস অ্যাসিড
AlCl₃ → লুইস অ্যাসিড
Fe³⁺ → লুইস অ্যাসিড
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Lewis base: ইলেকট্রন জোড়া (lone pair) দান করতে পারে এমন পদার্থ।
উদাহরণ:
NH₃ (আমোনিয়া) → ইলেকট্রন জোড়া আছে → Lewis base
H₂O (পানি) → lone pair আছে → Lewis base
BF₃ → ইলেকট্রন গ্রহণ করে → Lewis acid
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
মডারেটর (Moderator): চুল্লির নিউট্রনকে ধীরে (slow) আনা যাতে তারা আরও কার্যকরভাবে ফিশন ঘটাতে পারে।
দ্রুত নিউট্রনকে ধীরে আনার জন্য সাধারণত হালকা নিউট্রন-ফ্রেন্ডলি পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ মডারেটর:
পানি (H₂O) → সাধারণ চুল্লিতে প্রচলিত
ভারি পানি (D₂O) → কিছু বিশেষ চুল্লিতে
গ্রাফাইট (Carbon) → শক্ত পদার্থের চুল্লিতে
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সাধারণত এই স্তরে বিভক্ত:
ট্রপোস্ফিয়ার (Troposphere) – নিচের স্তর, তাপমাত্রা উচ্চ থেকে কমে উপরের দিকে যায়
স্ট্রাটোস্ফিয়ার (Stratosphere) – ওজোন স্তর, কিছুটা উষ্ণ, উপরের দিকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে
মেসোস্ফিয়ার (Mesosphere) – উপরের দিকে তাপমাত্রা আবার কমে যায়
থার্মোস্ফিয়ার (Thermosphere) – খুব উচ্চ স্তর, সূর্যের আয়নিত কণার কারণে তাপমাত্রা অনেক বেশি হয়
এক্সোস্ফিয়ার (Exosphere) – সবচেয়ে বাইরের স্তর, তাপমাত্রা খুব বেশি (থার্মিক কণার শক্তি অনেক), কিন্তু খুব কম কণার ঘনত
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
বাংলাদেশে পানির আর্সেনিক (Arsenic) মাত্রা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশ অনুযায়ী, পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ নিরাপদ মাত্রা ১০ µg/L (মাইক্রোগ্রাম প্রতি লিটার)। বাংলাদেশের জাতীয় মান অনুযায়ী, এই সীমা ৫০ µg/L।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আর্সেনিকের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। কিছু এলাকায়, যেমন চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের কিছু অংশে, পানির আর্সেনিকের মাত্রা WHO-এর সুপারিশকৃত সীমার চেয়েও অনেক বেশি, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
I- (কারণ আকার সবচেয়ে বড়, চার্জ –1)
পোলারাইজেশন (Polarization):
কোনো ধনাত্মক আয়ন (cation) কোনো ঋণাত্মক আয়নের (anion) ইলেকট্রন মেঘকে বিকৃত করলে তাকে পোলারাইজেশন বলে।
যত বেশি পোলারাইজিং ক্ষমতা → তত বেশি কভ্যালেন্ট চরিত্র।
নিয়ম (Fajan’s Rule):
একটি কেশন এর পোলারাইজিং ক্ষমতা বেশি হয় যদি:
তার চার্জ বেশি হয় (+2, +3 ইত্যাদি)
তার আকার ছোট হয় (radius কম)
একটি অ্যানায়নের পোলারাইজেবিলিটি বেশি হয় যদি:
তার চার্জ বেশি হয় (–2, –3 ইত্যাদি)
তার আকার বড় হয় (radius বেশি)
source : Any text from Hsc level/ Relevent websites
ফাজানের সূত্র (Fajan’s Rule) অনুযায়ী বোঝানো যায়।
? ক্যাটায়নের পোলারাইজিং ক্ষমতা (Polarizing Power of Cation)
কোনো ধনাত্মক আয়ন (cation) ঋণাত্মক আয়নের (anion) ইলেকট্রন মেঘকে বিকৃত করার ক্ষমতাই তার পোলারাইজিং ক্ষমতা।
যে ক্যাটায়নের চার্জ বেশি এবং আকার ছোট → তার পোলারাইজিং ক্ষমতা বেশি।
Al³⁺ (কারণ চার্জ +3, আর আকার সবচেয়ে ছোট)
তুলনা:
পোলারাইজিং ক্ষমতা (ক্যাটায়ন):
Al³⁺ > Mg²⁺ > Na⁺ > K⁺
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ইলেক্ট্রন আসক্তি (Electron Affinity)
কোনো পরমাণুতে (গ্যাসীয় অবস্থা) একটি ইলেক্ট্রন যোগ হলে যে শক্তি নির্গত হয় তাকে বলে ইলেক্ট্রন আসক্তি।
যত বেশি ইলেক্ট্রন আসক্তি → তত বেশি ইলেক্ট্রন গ্রহণের প্রবণতা।
Trend (সাধারণ নিয়ম):
পিরিয়ডে বাম → ডানে গেলে ইলেক্ট্রন আসক্তি বাড়ে।
গ্রুপে উপরের দিক → নিচের দিকে গেলে ইলেক্ট্রন আসক্তি কমে।
Halogen > Nonmetal > Metal
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = ১
পারমাণবিক ভর (mass) ≈ 1.008 u
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ভারি ধাতুর উদাহরণ: সিসা (Pb), পারদ (Hg), আর্সেনিক (As), ক্যাডমিয়াম (Cd), ক্রোমিয়াম (Cr) ইত্যাদি।
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
অধাতুর উদাহরণ: হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), সালফার (S), ফসফরাস (P), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br) ইত্যাদি।
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ভারি ধাতুর উদাহরণ: সিসা (Pb), পারদ (Hg), আর্সেনিক (As), ক্যাডমিয়াম (Cd), ক্রোমিয়াম (Cr) ইত্যাদি।
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
কারণ:
সোডিয়াম একটি হালকা ধাতু, যার গলনাঙ্ক খুব কম ≈ 98 °C
লোহা, সোনা, তামার মতো ধাতুর গলনাঙ্ক অনেক বেশি (>1000 °C)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
কারণ:
হীরক হলো প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে শক্ত বস্তু, কঠিনতার স্কেল (Mohs scale) অনুযায়ী 10/10।
লোহা, সোনা, তামার মতো ধাতুর তুলনায় হীরক অনেক শক্ত।
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
রঙিন যৌগ গঠনের প্রধান কারণ:
রঙিন যৌগ সাধারণত ট্রানজিশন ধাতু (Transition metals) থেকে তৈরি হয়। কারণ এগুলোর d-orbital আংশিক পূর্ণ থাকে (incomplete d-orbital)। লিগ্যান্ডদের সাথে সমন্বয় (coordination) হলে d-d ইলেকট্রন ট্রানজিশন হয়, যার ফলে আলো শোষিত হয় এবং কোনো নির্দিষ্ট রঙ প্রতিফলিত হয়।
উদাহরণ:
Cr³⁺ (Chromium) – সবুজ/বেগুনি যৌগ (যেমন Cr₂O₃)
Fe³⁺ (Iron) – বাদামী/হলুদ যৌগ (যেমন FeCl₃)
Cu²⁺ (Copper) – নীল/সবুজ যৌগ (যেমন CuSO₄·5H₂O)
Ni²⁺ (Nickel) – সবুজ যৌগ
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ব্যাখ্যা
জটিল যৌগ (Complex compound) বলতে বোঝায় যেসব যৌগে একটি কেন্দ্রীয় ধাতব আয়নের চারপাশে লিগ্যান্ড (যেমন NH₃, H₂O, Cl⁻ ইত্যাদি) যুক্ত থাকে।
এই ধরণের যৌগ সাধারণত ট্রানজিশন ধাতু তৈরি করে। কারণ এদের d-orbital খালি বা আংশিক পূর্ণ থাকে, যেটা লিগ্যান্ডের lone pair গ্রহণ করতে পারে।
উদাহরণ (Complex গঠনকারী ধাতু):
কপার (Cu) → [Cu(NH₃)₄]²⁺
আয়রন (Fe) → [Fe(CN)₆]³⁻
ক্রোমিয়াম (Cr) → [Cr(NH₃)₆]³⁺
কোবাল্ট (Co) → [Co(NH₃)₆]³⁺
নিকেল (Ni) → [Ni(CO)₄]
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ব্যাখ্যা:
f-block মৌলগুলোতে f-orbital পূর্ণ বা আংশিক পূর্ণ থাকে।
এগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
ল্যান্থানাইড (Lanthanides) – 4f সিরিজ
অ্যাক্টিনাইড (Actinides) – 5f সিরিজ
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ব্যাখ্যা:
Cr (Z = 24) এর ইলেকট্রন বিন্যাস: [Ar] 3d⁵ 4s¹
৩d-তে ৫টি অযুগ্ম ইলেকট্রন + ৪s-এ ১টি অযুগ্ম ইলেকট্রন = মোট ৬টি অযুগ্ম ইলেকট্রন
ক্রোমিয়াম (Cr)
পারমাণবিক সংখ্যা = 24
গ্রাউন্ড স্টেট ইলেকট্রন বিন্যাস:
1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d5 4s1
এখানে d-orbital এ ৫টা ইলেকট্রন আর s-orbital এ ১টা ইলেকট্রন আছে।
ভ্যালেন্স (অযুগ্ম) ইলেকট্রন:
3d5 → ৫টি ইলেকট্রনই অযুগ্ম (unpaired)
4s1 → ১টি অযুগ্ম ইলেকট্রন
মোট = ৫ + ১ = ৬টি অযুগ্ম (unpaired) ইলেকট্রন
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
ব্যাখ্যা:
d-block মৌলগুলোকে সাধারণত ট্রানজিশন ধাতু বলা হয়।
এগুলো Periodic Table-এর গ্রুপ 3 থেকে 12 পর্যন্ত থাকে।
মোট = ৩০টি d-block মৌল।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থে কোনো অযুগ্ম (unpaired) ইলেকট্রন থাকে না।
Zn²⁺ এর ইলেকট্রন বিন্যাস: [Ar] 3d¹⁰ → সবগুলো d-ইলেকট্রন যুগ্ম, তাই ডায়াম্যাগনেটিক।
Fe³⁺, Mn²⁺, Cu²⁺ এ অযুগ্ম ইলেকট্রন থাকে, তাই এগুলো প্যারাম্যাগনেটিক।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে গেলে আয়নন শক্তি বাড়ে।
আবার উপরের দিকে গেলে আয়নন শক্তি বাড়ে।
নোবেল গ্যাস (যেমন Ne) এর আয়নন শক্তি সবচেয়ে বেশি কারণ এদের ইলেকট্রন বিন্যাস স্থিতিশীল।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
Column Chromatography এর প্রধান অসুবিধা:
ধীরগতির – বড় কলাম হলে সময় বেশি লাগে।
ছোট পরিমাণের জন্য অপ্রয়োজনীয় – খুব কম sample-এর জন্য কলাম অকার্যকর।
দ্রাবক ব্যবহার বেশি – অনেক solvent লাগে।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
ক্রোমাটোগ্রাফির প্রধান প্রকার:
Column Chromatography
Paper Chromatography (PC)
Thin Layer Chromatography (TLC)
Gas Chromatography (GC)
High Performance Liquid Chromatography (HPLC)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
Paper Chromatography-তে stationary phase হলো কাগজ।
Column ব্যবহার সাধারণত Column Chromatography-এর জন্য।
Paper Chromatography-তে:
Sample ছোট পরিমাণে থাকে → Column প্রয়োজন হয় না।
Fraction আলাদা করতে Column ধীর এবং বেশি solvent লাগে।
সহজ ও দ্রুত বিশ্লেষণের জন্য Column ব্যবহৃত হয় না।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
প্রধান অসুবিধা:
ধীরগতির (Slow process)
অনেক solvent লাগে (High solvent consumption)
Fraction আলাদা করতে সময় লাগে (Tedious fraction collection)
ছোট sample-এর জন্য সবসময় কার্যকর নয়
ব্যয়বহুল (Expensive)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
“জিমান প্রভাব” (Zeeman Effect) হলো –
একটি বর্ণরেখা বা স্পেকট্রাল লাইন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ভেঙে একাধিক রেখায় বিভক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা :
নোডাল তল (Nodal Plane) হলো এমন একটি কাল্পনিক তল বা সমতল যেখানে
ইলেকট্রনের উপস্থিতি শূন্য (Ψ = 0)।
এই তলটি মূলত অরবিটালের তরঙ্গ ফাংশনের চিহ্ন পরিবর্তন বা ফেজ পরিবর্তনের কারণে হয়।
s-অরবিটালে কোনো নোডাল তল থাকে না।
p-অরবিটালে ১টি নোডাল তল থাকে।
d-অরবিটালে ২টি নোডাল তল থাকে।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
যে তলে ইলেকট্রন ঘনত্ব শূন্য থাকে, তাকে নোডাল তল বলে।
ব্যাখ্যা: অরবিট হলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রনের নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথ, যেখানে ইলেকট্রন ঘুরে বেড়ায় (বোর মডেল অনুসারে)।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা: অন্তরক (Insulator) হলো এমন পদার্থ, যা দিয়ে বিদ্যুৎ খুব কম বা একেবারেই প্রবাহিত হয় না।
অর্থাৎ এর বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা খুবই কম এবং রোধ (resistance) অনেক বেশি।
যেমন: কাঠ, কাচ, রবার, প্লাস্টিক, শুকনো কাঠ ইত্যাদি।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা:
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (Radioactive Isotope) হলো এমন আইসোটোপ, যার নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং যা স্বাভাবিকভাবে আলফা, বেটা বা গামা বিকিরণ নির্গত করে।
উদাহরণ: কার্বন-১৪ (¹⁴C), ট্রিটিয়াম (³H), আয়োডিন-১৩১ (¹³¹I), কোবাল্ট-৬০ (⁶⁰Co) ইত্যাদি।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা :আইসোটোন (Isotone) হলো এমন পরমাণু যাদের নিউট্রনের সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটনের সংখ্যা (অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা) ভিন্ন।
উদাহরণ:
কার্বন-১৪ (₆C¹⁴) ও নাইট্রোজেন-১৫ (₇N¹⁵) — দু’টিরই নিউট্রন সংখ্যা ৮, তাই তারা আইসোটোন।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা :? লুকাস বিকারক (Lucas Reagent) হলো ZnCl₂ + HCl।
এটি প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি অ্যালকোহল চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।
মূলত টারশিয়ারি অ্যালকোহল তাড়াতাড়ি সাদা বা ধূসর তেল তৈরি করে, সেকেন্ডারি ধীরে, প্রাইমারি সাধারণত প্রতিক্রিয়া করে না।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Monosaccharide:
যে শর্করা হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে আর কোনো ছোট শর্করায় বিভক্ত হয় না তাকে Monosaccharide বলে।
(যেমন– গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যাল্যাক্টোজ)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
RNA এর উপাদান:
RNA এর উপাদান হচ্ছে রাইবোজ শর্করা, ফসফেট ও চারটি বেসের মধ্যে একটি হলো Uracil, যা DNA তে থাকে না।
সোর্স : Any hsc /ssc level science book
আলফা কণা কী?
আলফা কণা হলো একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (He²⁺)।
এতে থাকে—
2 টি প্রোটন
2 টি নিউট্রন
কোনো ইলেকট্রন নেই
অতএব, আলফা কণার আধান = +2
উৎপত্তি
তেজস্ক্রিয় মৌল যেমন ইউরেনিয়াম (U), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th) ক্ষয়প্রাপ্ত হলে আলফা কণা নির্গত হয়।
এটিকে বলা হয় আলফা ক্ষয় (Alpha Decay)।
আলফা কণার বৈশিষ্ট্য
গঠন: 2 প্রোটন + 2 নিউট্রন (He²⁺ নিউক্লিয়াস)
ভর সংখ্যা (Mass number): 4
আধান (Charge): +2
গতি: আলোয়ের গতির চেয়ে অনেক ধীর (প্রায় 10710^7107 m/s)
ভেদন ক্ষমতা: খুব কম (কাগজের পাতলা শীট বা মানুষের ত্বক ভেদ করতে পারে না)
আয়নন ক্ষমতা: খুব বেশি
চৌম্বক/তড়িৎ ক্ষেত্রে আচরণ: ধনাত্মক চার্জ বহন করে, তাই বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রে বিকৃত হয়।
আলফা কণার প্রভাব
শরীরে প্রবেশ করলে: ত্বকের বাইরে তেমন ক্ষতি করে না, কিন্তু দেহের ভেতরে প্রবেশ করলে (শ্বাস বা খাদ্যের মাধ্যমে) খুব ক্ষতিকর।
ব্যবহার:
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায়
ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্রে (Smoke detector)
রেডিয়েশন থেরাপিতে
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
সংজ্ঞা
যে সব হাইড্রোকার্বনে শুধুমাত্র একক (C–C) বন্ধন থাকে এবং কার্বন-হাইড্রোজেনের অনুপাত সর্বাধিক থাকে, তাদেরকে আলকেন বলে।
নামকরণ (Nomenclature)
IUPAC নাম: মূল শৃঙ্খলে কার্বন সংখ্যা দেখে নাম নির্ধারণ হয়।
উপসর্গ (Prefix): 1 = Meth, 2 = Eth, 3 = Prop, 4 = But, 5 = Pent, ইত্যাদি
প্রত্যয় (Suffix): –ane
উদাহরণ:
CH₄ → Methane
C₂H₆ → Ethane
C₃H₈ → Propane
C₄H₁₀ → Butane
প্রাপ্তি (Occurrence & Preparation)
প্রাকৃতিক উৎস:
প্রাকৃতিক গ্যাস (Methane)
পেট্রোলিয়াম (বেশিরভাগ আলকেন মিশ্রণ)
প্রস্তুত প্রণালী:
Wurtz reaction
Kolbe’s electrolysis
Hydrogenation of alkenes/alkynes
ব্যবহার (Uses)
Methane (CH₄): জ্বালানি, গ্যাস উৎপাদন
Propane & Butane: LPG (liquefied petroleum gas)
Petrol & Diesel: জ্বালানি
Paraffin wax (higher alkanes): মোমবাতি, পালিশ, কাগজ প্রলেপ
সারসংক্ষেপ
আলকেন = স্যাচুরেটেড হাইড্রোকার্বন
সাধারণ সংকেত = CnH2n+2
গঠন = sp³ hybridization, tetrahedral
প্রধান বিক্রিয়া = দহন, হ্যালোজেনেশান
উৎস = প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম
ব্যবহার = জ্বালানি, মোম, LPG
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
বিটা কণা (Beta Particle) কী?
বিটা কণা হলো তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের সময় নির্গত উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন বা পজিট্রন।
β⁻ কণিকা → ঋণাত্মক ইলেকট্রন (electron)
β⁺ কণিকা → ধনাত্মক ইলেকট্রন (positron)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
বিটা কণিকা কী?
বিটা কণিকা হলো তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ে নির্গত উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন (β⁻) বা পজিট্রন (β⁺)।
β⁻ কণিকা = ঋণাত্মক ইলেকট্রন
β⁺ কণিকা = ধনাত্মক ইলেকট্রন (পজিট্রন)
অতএব, বিটা কণিকা হলো উপ-পরমাণুক কণা, যা তেজস্ক্রিয় মৌল ক্ষয়ের সময় বের হয়।
বিটা কণিকার বৈশিষ্ট্য
প্রকৃতি: উচ্চ-শক্তির ইলেকট্রন বা পজিট্রন
আধান:
β⁻ = –1
β⁺ = +1
ভর: ইলেকট্রনের ভরের সমান (≈ 9.1×10−31 kg
গতি: প্রায় আলোর গতির কাছাকাছি (∼0.99c
ভেদন ক্ষমতা: α-কণার চেয়ে অনেক বেশি, তবে γ-কণার চেয়ে কম।
পাতলা ধাতব পাত বা প্লাস্টিক শীট ভেদ করতে পারে।
আয়নন ক্ষমতা: α এর চেয়ে কম, কিন্তু γ এর চেয়ে বেশি।
চৌম্বক/তড়িৎ ক্ষেত্রে আচরণ:
চার্জযুক্ত হওয়ায় তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রে বেশি বেঁকে যায়।
β⁻ বামে/ডানে একদিকে বাঁকবে, আর β⁺ বিপরীত দিকে বাঁকবে।
বিটা কণিকার ব্যবহার
চিকিৎসায় রেডিয়েশন থেরাপি
রেডিও-ট্রেসার (জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা পরীক্ষায়)
ধূমপান শনাক্তকারী যন্ত্রে
নিউক্লিয়ার গবেষণায়
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Primary Standard হলো এমন পদার্থ যা স্থিতিশীল, বিশুদ্ধ, দ্রবণে সম্পূর্ণ প্রতিক্রিয়াশীল এবং সহজে শুকনো আকারে রাখা যায়।
উদাহরণ: Na₂CO₃, K₂Cr₂O₇, Oxalic Acid, AgNO₃।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
শক্তি ক্রম অনুসারে অরবিটালগুলি :1s, 2s, 2p, 3s
1s < 2s < 2p < 3s
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
গ্রুপে উপরের থেকে নিচে গেলে আকার বৃদ্ধি পায়.
Periodic Table-এ বাম থেকে ডানদিকে পারমাণবিক আকার কমে
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
বেঞ্জিনের সূত্র: C₆H₆'
বেঞ্জিনে ৬টি কার্বন পরমাণু আছে, প্রতিটি কার্বন sp² হাইব্রিডাইজড।
এটি Hückel rule (4n + 2) অনুযায়ী n = 1 হলে 6 π-electron
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
K₂Cr₂O₇মোট চার্জ শূন্য
2(+1)+2(x)+7(−2)=0
⇒ 2+2x−14=02 + 2x - 14 = 02+2x−14=0
⇒ 2x−12=02x - 12 = 02x−12=0
⇒ 2x=122x = 122x=12
⇒ x=6x = 6x=6
সুতরাং ক্রোমের অক্সিডেশন সংখ্যা = +6
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
রঙিন যৌগ সাধারণত transition metals-এর যৌগ বা d-block elements থেকে আসে, কারণ d-orbital এর ইলেকট্রন স্থানান্তর (d–d transition) আলো শোষণ করে রঙ দেখায়।
উদাহরণ:
CuSO₄·5H₂O – নীল
K₂Cr₂O₇ – কমলা
KMnO₄ – বেগুনি
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Lewis acid: ইলেকট্রন পেয়ার গ্রহণকারী (electron pair acceptor)
Lewis base: ইলেকট্রন পেয়ার দানকারী (electron pair donor)
উদাহরণ:
BF₃ → Lewis acid (Boron-এর কাছে খালি p-orbital আছে, ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে)
AlCl₃ → Lewis acid
NH₃ → Lewis base (লোন পেয়ার আছে)
H₂O → Lewis base
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Radioactive element: যে মৌল তেজস্ক্রিয় মৌল (radioactive element) থেকে (α, β, γ) কণার বিকিরণ করে।
সাধারণ উদাহরণ: Uranium (U), Thorium (Th), Radium (Ra), Plutonium (Pu)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
নির্দেশক (Indicator) হলো এমন এক ধরনের যৌগ যা কোনো দ্রবণের অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতি চিনতে সাহায্য করে। এরা সাধারণত pH পরিবর্তনের সাথে সাথে রঙ পরিবর্তন করে।
কিছু সাধারণ নির্দেশকের উদাহরণ:
লিটমাস (Litmus) → অম্লে লাল, ক্ষারে নীল
মিথাইল অরেঞ্জ (Methyl orange) → অম্লে লাল, ক্ষারে হলুদ
ফেনলফথ্যালিন (Phenolphthalein) → অম্লে বর্ণহীন, ক্ষারে গোলাপি
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
কোয়ান্টাম সংখ্যা কী?
কোনো পরমাণুর ইলেকট্রনের অবস্থান ও শক্তিস্তর নির্দিষ্ট করার জন্য চারটি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়, এদেরই কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
চার ধরনের কোয়ান্টাম সংখ্যা:
1.প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n)
শক্তিস্তর বা শেলের অবস্থান নির্দেশ করে।
মান: 1, 2, 3, … (K, L, M, N … শেল)।
2.সহকারি কোয়ান্টাম সংখ্যা (l)
অরবিটালের আকার বোঝায়।
মান: 0 থেকে (n–1) পর্যন্ত।
l = 0 → s,
l = 1 → p,
l = 2 → d,
l = 3 → f
3.চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা (m)
অরবিটালের স্থানিক অবস্থান বা orientation নির্দেশ করে।
মান: –l থেকে +l পর্যন্ত।
4.স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা (s)
ইলেকট্রনের ঘূর্ণন নির্দেশ করে।
মান: +½ অথবা –½।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাখ্যা :
>আণবিক অরবিটাল গঠিত হয় যখন দুটি পরমাণুর অরবিটাল মিলিত হয়।
>দুটি প্রধান ধরণ: σ (সিগমা) ও π (পাই) অরবিটাল।
.>σ গঠিত হয় head-on overlap দ্বারা, আর π গঠিত হয় sidewise overlap দ্বারা।
>আণবিক অরবিটাল তত্ত্ব (MOT) অনুযায়ী ইলেকট্রনরা অণুর চারপাশে ছড়িয়ে থাকে, কেবল একটি পরমাণুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
>বন্ড অর্ডার যত বেশি → বন্ধন তত শক্তিশালী → অণু তত স্থায়ী।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
1.অনুবন্ধী ক্ষার = অ্যাসিড H⁺ ত্যাগ করলে যা গঠিত হয়।
2.শক্তিশালী অ্যাসিড → দুর্বল অনুবন্ধী ক্ষার।
3.দুর্বল অ্যাসিড → শক্তিশালী অনুবন্ধী ক্ষার।
4.প্রতিটি অ্যাসিডের একটি করে অনুবন্ধী ক্ষার থাকে।
অ্যাসিড (Acid) অনুবন্ধী ক্ষার (Conjugate Base) মন্তব্য
HCl Cl⁻ শক্তিশালী অ্যাসিড → দুর্বল ক্ষার
H₂SO₄ HSO₄⁻ প্রথম প্রোটন ত্যাগ করলে গঠিত হয়
HSO₄⁻ SO₄²⁻ দ্বিতীয় প্রোটন ত্যাগের অনুবন্ধী ক্ষার
CH₃COOH CH₃COO⁻ দুর্বল অ্যাসিড → অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ক্ষার
HNO₃ NO₃⁻ শক্তিশালী অ্যাসিড → দুর্বল ক্ষার
NH₄⁺ NH₃ অ্যামোনিয়াম আয়নের অনুবন্ধী ক্ষার
H₂O OH⁻ পানি নিজেই Amphoteric, H⁺ ত্যাগ করলে OH⁻ হয়
HCO₃⁻ CO₃²⁻ বায়কার্বনেট অনুবন্ধী ক্ষার
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
অনুবন্ধী অ্যাসিড কী?
যখন কোনো ক্ষার (Base) একটি প্রোটন (H⁺) গ্রহণ করে, তখন যে কণিকা তৈরি হয় তাকে অনুবন্ধী অ্যাসিড (Conjugate Acid) বলে।
? উদাহরণ:
NH₃ + H⁺ → NH₄⁺
এখানে NH₃ হলো ক্ষার, আর NH₄⁺ হলো তার অনুবন্ধী অ্যাসিড।
1 .অনুবন্ধী অ্যাসিড = Base + H⁺।
2'.শক্ত ক্ষার → দুর্বল অনুবন্ধী অ্যাসিড।
3.দুর্বল ক্ষার → শক্ত অনুবন্ধী অ্যাসিড।
4.প্রতিটি Base-এর জন্য একক অনুবন্ধী অ্যাসিড থাকে।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
সক্রিয়কারী / Ortho-Para Directing = Electron-Donating Group।
Acid-এর ক্ষেত্রে –OH, –OCH₃, –NH₂, –CH₃ প্রধান সক্রিয়কারী গ্রুপ।
শক্তিশালী অ্যাসিড / Electron-Withdrawing গ্রুপ = Meta-Directing।
পরীক্ষায় সহজে মনে রাখার উপায়:
Electron-donor → Ortho/Para
Electron-withdrawer → Meta
Ortho/Para-Directing Group (সক্রিয়কারী গ্রুপ)
সক্রিয়কারী গ্রুপ হলো এমন গ্রুপ যা ইলেক্ট্রন দানকারী (Electron-donating) এবং নতুন সাবস্টিটিউয়েন্টকে Ortho (1,2) বা Para (1,4) অবস্থানে বসতে উৎসাহিত করে।
Acid-এর ক্ষেত্রে সাধারণ Ortho/Para Directing গ্রুপ
–OH (হাইড্রোক্সিল)
–OCH₃ (মেথক্সি)
–NH₂ (অ্যামিনো)
–CH₃ (মেথাইল)
Note : Ortho/Para Directing গ্রুপে মৌল সমহের মধ্যে একক বন্ধন থাকে
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Electrophile কী?
Electrophile হলো এমন একটি পদার্থ যা ইলেকট্রন খুঁজে।
সাধারণত এটি ইলেক্ট্রন ঘনত্ব কম থাকে এবং নেগেটিভ বা π-ইলেকট্রনের দিকে আকৃষ্ট হয়।
অনেকক্ষেত্রে শক্তিশালী অ্যাসিড, কার্বোনিল যৌগ বা নাইট্রো যৌগ Electrophile হিসেবে কাজ করে।
Electrophile-এর উদাহরণ
H⁺ (প্রোটন)
NO₂⁺ (নাইট্রোনিয়াম আয়ন)
SO₃ (স্যালফোনিক অ্যাসিডের সক্রিয় অংশ)
R⁺
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Nucleophile কী?
Nucleophile হলো এমন পদার্থ যা ইলেকট্রন দান করতে পারে।
সাধারণত এটি নেগেটিভ চার্জযুক্ত বা π-ইলেকট্রন সমৃদ্ধ থাকে।
এটি Electron-rich, এবং Electron-deficient অংশে আক্রমণ করে।
Nucleophile-এর উদাহরণ
OH⁻, CN⁻, NH₃, H₂O, R⁻ (কার্ব্যানিয়ন)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
L-(Lactic acid) কী?
Lactic acid একটি α-hydroxy acid (AHA)।
L-isomer হল প্রাকৃতিক ল্যাকটিক অ্যাসিড যা সাধারণত দুধ, দই বা দেহের ল্যাকটিক এসিড চক্রে পাওয়া যায়।
রাসায়নিক সূত্র: CH₃–CH(OH)–COOH
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Octet সম্পূর্ণ যৌগ কী?
Octet rule অনুযায়ী, একটি পরমাণু স্থিতিশীল হয় যখন তার ভালেন্স শেলে ৮টি ইলেকট্রন থাকে।
Octet সম্পূর্ণ যৌগ হল এমন যৌগ যেখানে সব প্রধান পরমাণুর (C, N, O, F ইত্যাদি) outer shell-এ ৮টি ইলেকট্রন থাকে।
উদাহরণ
CH₄ (Methane) → Carbon-এ ৮ ইলেকট্রন
NH₃ (Ammonia) → N-এ ৮ ইলেকট্রন
H₂O (Water) → O-এ ৮ ইলেকট্রন
CO₂ (Carbon dioxide) → C ও O-এ ৮ ইলেকট্রন
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
বাফার দ্রবণ (Buffer solution) কী?
বাফার দ্রবণ হলো এমন দ্রবণ যা থাকা pH প্রায় অপরিবর্তিত রাখে, ছোট পরিমাণ strong acid বা strong base যোগ করলে।
সাধারণত এটি তৈরি হয়:
Slat + Weak acid → যেমন CH₃COOH + CH₃COONa
Weak base + Salt → যেমন NH₄OH + NH₄Cl
Buffer solution = pH স্থিতিশীল রাখে।
Acidic buffer = Weak acid + Salt of acid.
Basic buffer = Weak base + Salt of base.
Strong acid বা strong base দিয়ে buffer তৈরি হয় না।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
অনুরণন (Resonance) কী?
Resonance হলো একটি যৌগে একাধিক লুইস স্ট্রাকচার possible থাকা, যেখানে আসল যৌগের বৈশিষ্ট্য সব স্ট্রাকচারের মধ্যবর্তী অবস্থা।
অর্থাৎ, π-electron বা double bond একাধিক অবস্থানে delocalized।
উদাহরণ
Benzene (C₆H₆) → দুটি resonance structure
NO₃⁻ (Nitrate ion) → তিনটি resonance structure
CO₃²⁻ (Carbonate ion) → তিনটি resonance structure
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Antibiotic কী?
Antibiotic হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ যা ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য ক্ষতিকর মাইক্রোঅর্গানিজমের বৃদ্ধিকে বাধা দেয় বা ধ্বংস করে।
সাধারণত প্রাকৃতিক বা অর্ধ-সিন্থেটিক উৎস থেকে পাওয়া যায়।
উদাহরণ
Penicillin
Streptomycin
Tetracycline
Ciprofloxacin
Antibiotic = ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিরোধ বা ধ্বংস।
প্রধান গ্রুপ: Penicillin, Aminoglycosides, Tetracyclines, Fluoroquinolones।
সঠিক ব্যবহার = ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ।
ভুল ব্যবহার → Antibiotic resistance।
Source: any science book hsc level/ medical chemistry
মাইক্রো পুষ্টি উপাদান কী?
Micronutrients হলো পুষ্টি উপাদান যা শরীরে খুব ছোট পরিমাণে প্রয়োজন হয়।
প্রধান কাজ: এনজাইম কার্যক্রম, হরমোন উৎপাদন, শরীরের growth এবং physiological function।
প্রধান উপাদান: Vitamins এবং Minerals (Trace elements)
উদাহরণ
Vitamins: A, D, E, K, B-complex, C
Minerals: Fe, Zn, Cu, I, Se, M
সংক্ষিপ্ত টিপস
Micronutrients = Vitamins + Trace minerals।
Vitamins → A, D, E, K, B-complex, C
Minerals → Fe, Zn, Cu, I, Se, Mn, F
প্রধান কাজ: Enzyme activation, Hormone synthesis, Growth, Immunity।
সোর্স : Any text book hsc level
Halogen group-এর সক্রিয়তার ক্রম (Trends in Group 17)
বৈশিষ্ট্য
ক্রম (F → Cl → Br → I → At)
Electronegativity এবং oxidizing power উপর থেকে নিচে কমে যায়।
Melting/boiling point এবং রঙের গভীরতা নিচে গিয়ে বৃদ্ধি পায়।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
General Features of SN2
বৈশিষ্ট্য বিবরণ
Step Single-step
Mechanism Back-side attack
Rate Bimolecular (depends on substrate & nucleophile)
Stereochemistry Inversion
Substrate Methyl > Primary > Secondary > Tertiary (slow)
Solvent Polar aprotic preferred
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
. শর্করার প্রকারভেদ (Classification)
প্রকার উদাহরণ বৈশিষ্ট্য
Monosaccharide Glucose, Fructose, Galactose একক sugar unit, reducing sugar হতে পারে
Disaccharide Sucrose, Lactose, Maltose দুইটি monosaccharide যুক্ত
Oligosaccharide Raffinose, Stachyose 3–10 monosaccharide unit
Polysaccharide Starch, Cellulose, Glycogen বহু monosaccharide unit, শক্তিশালী, খাদ্য ও স্টোরেজ
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
তড়িৎ কোষের প্রকারভেদ
Galvanic / Voltaic Cell
স্বাভাবিকভাবে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উদাহরণ: Daniell cell (Zn/Cu)
Electrolytic Cell
বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে অ্যালেকট্রোলাইসিস ঘটে।
উদাহরণ: NaCl লবণ গলনে ইলেক্ট্রোলাইসিস
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Galvanic / Voltaic Cell
স্বাভাবিকভাবে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উদাহরণ: Daniell cell (Zn/Cu)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের গঠন
Proton (p⁺) → ধনাত্মক চার্জ যুক্ত কণিকা
Neutron (n⁰) → নিরপেক্ষ চার্জযুক্ত কণিকা
Electron (e⁻) → নিউক্লিয়াসের বাইরে থাকে, তাই নিউক্লিয়াসের অংশ নয়
Nucleus = Protons + Neutrons
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Anode সংজ্ঞা
Electrochemical cell-এ: যেখানে Oxidation ঘটে, সেটিকে Anode বলে।
Electrolytic cell → Positive anode
Galvanic/Voltaic cell → Negative anode
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
O₂-এর মাত্রা পানিতে (Dissolved Oxygen in Water)
শীতল পানি → O₂ বেশি থাকে
উষ্ণ পানি → O₂ কম থাকে
উচ্চ চাপের পানি → O₂ বেশি দ্রবীভূত হয়
নদী/ঝর্ণার পানি (fast flowing, clean) → O₂ বেশি থাকে
দূষিত বা stagnant পানি → O₂ কম থাকে
সারসংক্ষেপ:
Cold > Fast flowing > Low pollution > High DO
Hot > Stagnant > Polluted > Low DO
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Primary Standard / Primary Pollutant
Primary Standard (রসায়নে)
এক ধরণের সরাসরি, বিশুদ্ধ পদার্থ, যা টাইট্রেশন বা মান নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
বৈশিষ্ট্য: স্থায়ী, বিশুদ্ধ, স্থির মান, সহজে দ্রবণীয়।
উদাহরণ: Na₂CO₃, KHP (Potassium hydrogen phthalate)
Primary Pollutant (পরিবেশ বিজ্ঞান)
সরাসরি উৎস থেকে নির্গত দূষক।
উদাহরণ: CO, NOx, SO₂, Suspended particulate matter (SPM)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
2. তালিকা (List of Essential Amino Acids)
Amino Acid Abbreviation বৈশিষ্ট্য
Leucine Leu (L) Branched-chain, muscle metabolism
Isoleucine Ile (I) Branched-chain, hemoglobin synthesis
Valine Val (V) Branched-chain, energy source for muscles
Lysine Lys (K) Growth, collagen formation
Methionine Met (M) Sulfur-containing, methyl group donor
Threonine Thr (T) Protein balance, immune function
Phenylalanine Phe (F) Precursor of Tyrosine, neurotransmitters
Tryptophan Trp (W) Precursor of serotonin & melatonin
Histidine His (H) Growth, histamine formation
Mnemonic to remember: “PVT TIM HLL”
(P – Phenylalanine, V – Valine, T – Threonine, T – Tryptophan, I – Isoleucine, M – Methionine, H – Histidine, L – Leucine, L – Lysine)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
পাকস্থলীর প্রধান পরিপাককারী এনজাইম
Pepsin
উৎস: Chief cells
কাজ: Protein → Peptides
Optimal pH: 1.5–2 (acidic)
Gastric Lipase
উৎস: Chief cells
কাজ: Triglycerides → Diglycerides + Fatty acids
Rennin (Chymosin) (শিশুদের জন্য)
উৎস: Gastric mucosa
কাজ: Milk protein (Casein) জমাট বাঁধানো
Intrinsic Factor
উৎস: Parietal cells
কাজ: Vitamin B12 শোষণে সহায়ক (এটি এনজাইম নয়, কিন্তু digestive protein)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
Vitamin B2 / Riboflavin
Common name: Vitamin B2
Chemical name: Riboflavin
Molecular formula: C₁₇H₂₀N₄O₆
Type: Water-soluble vitamin
Function: Coenzyme (FAD, FMN) in redox reactions
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
Cellulose সংক্ষিপ্ত তথ্য
প্রকৃতি: Polysaccharide
গঠন: Glucose unit (β-D-glucose) → β(1→4) glycosidic linkage
ফাংশন: Structural component of plant cell wall
দ্রবণীয়তা: Water-soluble নয়, organic solvents-এও কম দ্রবণীয়
ব্যবহার: কাগজ, কাপড়, ফাইবার, ভিটামিন/ফার্মাসিউটিকাল ইন্ডাস্ট্রিতে
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
Paper Chromatography – Stirring / Stationary Phase এর জন্য ব্যবহৃত পদার্থ
১. Stationary Phase (স্থায়ী স্তর)
সাধারণত কাগজ (filter paper, cellulose paper)
Cellulose এর –OH গ্রুপগুলো দ্রাবকের সাথে H-bond তৈরি করে
কাজ: Sample কে ধরে রাখে
২. Mobile Phase (চলমান দ্রবণ / Solvent)
Organic solvent বা solvent mixture
উদাহরণ:
Alcohols (Ethanol, Methanol)
Water
Acetone
Mixture of Chloroform: Methanol
৩. Stirring / Dosage
Sample বা solvent কে সমভাবে chromatographic system-এ ছড়াতে
সাধারণত capillary tube বা micropipette ব্যবহার করা হয়
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Column Chromatography – সংক্ষিপ্ত তথ্য
প্রকার: Adsorption chromatography
Stationary phase: Silica gel, Alumina, Cellulose
Mobile phase: Solvent / Solvent mixture
Principle: Molecule-এর adsorption-desorption বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা
ব্যবহার: Organic compound purification, Pigment separation
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
TLC – সংক্ষিপ্ত তথ্য
প্রকার: Adsorption chromatography
Stationary phase: Silica gel, Alumina coated on glass/plastic plate
Mobile phase: Solvent বা solvent mixture
Principle: Differential adsorption of compounds → compounds move at different rates
Use: Purity check, compound separation, Rf value determination
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
NMR – সংক্ষিপ্ত তথ্য
Purpose: Molecule-এর structure নির্ণয়
Principle: Nuclear spin → Magnetic field → Resonance
Common nuclei: ¹H (Proton NMR), ¹³C (Carbon NMR)
Key terms:
Chemical shift (δ, ppm)
Splitting pattern (Multiplicity)
Coupling constant (J, Hz)
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
Beer–Lambert Law – সংক্ষিপ্ত তথ্য
Purpose: Absorbance (A) এবং concentration (c) সম্পর্কিত নির্ণয়
Law statement: A=ε⋅l⋅c
ε = Molar absorptivity (L·mol⁻¹·cm⁻¹)
l = Path length (cm)
c = Concentration (mol·L⁻¹)
Assumptions:
Monochromatic light
Dilute solution
No scattering of light
source : Any text from Hsc level/Relevent websites
Clinker এর সংজ্ঞা (Bakka):
Clinker হলো চুনাপাথর (CaCO₃) ও মাটি (clay) মিশ্রণকে রোটারি কিলনে প্রায় 1200–1450°C তাপমাত্রায় পোড়ালে যে কঠিন কালচে-ধূসর দলা আকারের পদার্থ তৈরি হয়।
মূল বৈশিষ্ট্য:
এটি সিমেন্ট উৎপাদনের মধ্যবর্তী পদার্থ।
প্রধান উপাদান: Calcium Silicates (C₃S, C₂S), Calcium Aluminate (C₃A), Calcium Aluminoferrite (C₄AF)।
ঠাণ্ডা করার পর Clinker কে গুঁড়া করে তার সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট বানানো হয়।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
কাচ (Glass) কী?
কাচ হলো একটি অস্ফটিক কঠিন পদার্থ (amorphous solid), যা মূলত সিলিকা (SiO₂) দ্বারা তৈরি। এতে গলনাঙ্ক কমানো, টেকসই করা ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বাড়ানোর জন্য অন্যান্য কাঁচামালও যোগ করা হয়।
কাচের প্রধান কাঁচামাল
সিলিকা (SiO₂, বালি/Quartz):
কাচের মূল উপাদান (70–75%)
কাচের framework তৈরি করে
উচ্চ গলনাঙ্ক (~1700°C) → একা গলানো কঠিন
সোডা অ্যাশ (Na₂CO₃):
গলনাঙ্ক কমায় (melting point reducer)
কাচ তৈরির খরচ ও শক্তি সাশ্রয় করে
চুনাপাথর (CaCO₃):
কাচকে টেকসই (durable) করে
পানিতে দ্রবণীয়তা কমায়
অন্যান্য সহায়ক পদার্থ
K₂CO₃ (পটাশ): কাচকে স্বচ্ছ করে
PbO (Lead oxide): কাচকে ঝকঝকে/উজ্জ্বল করে (ক্রিস্টাল গ্লাস)
B₂O₃ (Boron oxide): তাপ সহনশীল কাচ (Pyrex glass) তৈরি করতে
Al₂O₃ (Alumina): যান্ত্রিক শক্তি বাড়াতে
রঙিন কাচ তৈরির উপাদান
Fe₂O₃ (Iron oxide): সবুজ বা বাদামি রঙ
CoO (Cobalt oxide): নীল রঙ
Cr₂O₃ (Chromium oxide): সবুজ রঙ
MnO₂ (Manganese dioxide): বেগুনি রঙ
সাধারণ কাচের রাসায়নিক গঠন (Soda-lime glass)
SiO₂ (70–75%) + Na₂O (12–15%) + CaO (10–12%)
গুরুত্বপূর্ণ MCQ সারাংশ
কাচের প্রধান কাঁচামাল → SiO₂ (সিলিকা বালি)
গলনাঙ্ক কমায় → Na₂CO₃ (সোডা অ্যাশ)
কাচ টেকসই করে → CaCO₃ (চুনাপাথর)
তাপ সহনশীল কাচ তৈরিতে → B₂O₃ (Boron oxide)
উজ্জ্বল/ঝকঝকে কাচ তৈরিতে → PbO (Lead oxide)
রঙিন কাচ তৈরিতে → ধাতব অক্সাইড (Fe₂O₃, CoO, Cr₂O₃ ইত্যাদি)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Conformation কী?
Conformation হলো একটি অণুর single bond এর চারপাশে free rotation এর ফলে উৎপন্ন ভিন্ন ভিন্ন ত্রিমাত্রিক (3D) বিন্যাস।
Bond ভাঙতে হয় না।
এগুলো পরস্পর equilibrium-এ থাকে।
Conformation vs Configuration
Conformation: bond না ভেঙেই rotation এর ফলে পরিবর্তন হয় (যেমন Ethane staggered ↔ eclipsed)।
Configuration: পরিবর্তন ঘটাতে bond ভাঙতে হয় (যেমন cis-trans isomer, optical isomer)।
Ethane-এর Conformations
Staggered (সবচেয়ে স্থিতিশীল):
H–H দূরে থাকে → repulsion কম
Dihedral angle = 60°
Lowest energy
Eclipsed (সবচেয়ে অস্থিতিশীল):
H–H overlap হয় → torsional strain বেশি
Dihedral angle = 0°
Highest energy
Butane-এর Conformations
Anti conformation (stable): দুইটি CH₃ group staggered হয়ে 180° apart থাকে।
Gauche conformation (less stable): দুইটি CH₃ group staggered হয়ে 60° apart থাকে।
Eclipsed conformation (unstable): CH₃ group এবং H overlap হয়।
Totally eclipsed (most unstable): দুইটি CH₃ group overlap হয়।
Cyclohexane-এর Conformations
Chair form (most stable):
Bond angles = 109.5°
Strain-free
Axial এবং equatorial positions থাকে।
Boat form (unstable):
Angle strain ও torsional strain থাকে।
"Flagpole interaction" দেখা যায়।
Twist-boat form (intermediate):
Boat এর থেকে কিছুটা বেশি stable।
গুরুত্বপূর্ণ MCQ সারসংক্ষেপ
Ethane-এর সবচেয়ে স্থিতিশীল conformation → Staggered
Ethane-এর সবচেয়ে অস্থিতিশীল conformation → Fully eclipsed
Butane-এ gauche conformation → CH₃ groups staggered 60° apart
Butane-এ anti conformation → CH₃ groups staggered 180° apart
Cyclohexane-এর সবচেয়ে স্থিতিশীল conformation → Chair
Cyclohexane-এর boat অস্থিতিশীল কারণ → torsional strain ও flagpole interaction
Conformation পরিবর্তনে bond break হয় না, কিন্তু configuration পরিবর্তনে bond break হয়।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
Hückel’s Rule (হাকেল সূত্র)কোনো যৌগ aromatic হবে যদি তার π-ইলেকট্রনের সংখ্যা হয় 4n + 2 (n = 0,1,2,3, …)।
এখানেই π-ইলেকট্রনের সংখ্যা = Hückel সংখ্যা।
Hückel সংখ্যা (Hückel number) সিরিজ
2, 6, 10, 14, 18, … (অর্থাৎ 4n+2)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
তেজস্ক্রিয়তার একক
পুরানো একক:
Curie (Ci)
1 Curie = 3.7×1010
SI একক:
Becquerel (Bq)
1 Becquerel = 1 disintegration per second (1s⁻¹)
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ভরক্রিয়ার সূত্র (Law of Conservation of Mass)
সংজ্ঞা:
ভরক্রিয়ার সূত্র অনুযায়ী—
“কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পদার্থ সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, কেবল এক পদার্থ থেকে অন্য পদার্থে রূপান্তরিত হয়। বিক্রিয়ার পূর্বে ও পরে মোট ভর অপরিবর্তিত থাকে।”
ইতিহাস ও আবিষ্কারক
সূত্রটি প্রথম অঁতোয়ান ল্যাভয়সিয়ের (Antoine Lavoisier) ১৭৮৯ সালে প্রস্তাব করেন।
পরে ল্যান্ডল্ট (Landolt) পরীক্ষামূলকভাবে এটি প্রমাণ করেন
সূত্রের মূল কথা
ভর সৃষ্টি হয় না।
ভর ধ্বংস হয় না।
ভর শুধু রূপান্তরিত হয়।
বিক্রিয়ার পূর্বে ভর = বিক্রিয়ার পরে ভর।
উদাহরণ
CaCO₃ → CaO + CO₂
100 g CaCO₃ উত্তপ্ত করলে উৎপন্ন হয়:
56 g CaO
44 g CO₂
মোট ভর = 100 g = 56 g + 44 g
এখানেই প্রমাণিত হয় যে ভর অপরিবর্তিত থাকে।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
ব্যাপন (Diffusion) কী?
কোনো পদার্থের অণু/আয়ন তাদের উচ্চ ঘনত্ব অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্ব অঞ্চলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে।
উদাহরণ:
ঘরে সুগন্ধি ছিটালে কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো ঘরে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
পানির গ্লাসে কালির ফোঁটা দিলে অল্প সময়েই সারা গ্লাসে ছড়িয়ে যায়।
ব্যাপন হারের ওপর প্রভাবক
আণবিক ভর (M):
হালকা অণু → দ্রুত ব্যাপন
ভারী অণু → ধীর ব্যাপন
তাপমাত্রা (T):
তাপমাত্রা বাড়লে অণুর গতিশক্তি বেড়ে যায় → ব্যাপন হার বাড়ে।
মাধ্যমের প্রকৃতি:
গ্যাসে ব্যাপন দ্রুত ঘটে
তরলে অপেক্ষাকৃত ধীর
কঠিনে সবচেয়ে ধীর
চাপ (Pressure):
গ্যাসের চাপ কম হলে অণুর সংঘর্ষ কম হয় → ব্যাপন দ্রুত হয়।
গ্রাহামের সূত্র (Graham’s Law of Diffusion):
কোনো গ্যাসের ব্যাপন হার তার আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।
সোর্স : উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, হাজারী স্যার
• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।
• ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে- পিণ্ডারি শব্দে।
• 'পিণ্ডারি' শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যুদল, বর্গি।
• 'পিন্ডারি' মারাঠি শব্দ। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না।
অন্যদিকে,
----------------
• আপণ-
→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”
• বিপণি-
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।
• নিপুণ-
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
সঠিক উত্তর হলো - ঘ) অর্থ হিসাবের বছর।
ব্যাখ্যা:
'অর্থবছর' একটি কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্য হলো "অর্থ হিসাবের বছর"।
'অর্থবছর' এর প্রকৃত অর্থ: সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক হিসাব-নিকাশের জন্য নির্ধারিত ১২ মাসের সময়কাল, যা সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হয়ে থাকে।
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
• 'যথার্থ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = যথা + অর্থ।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
• সন্ধির নিয়ম:
- আ + অ = আ; সূত্র যোগে গঠিত শব্দ।
এরূপ আরও কিছু শব্দ,
- আশা + অতীত = আশাতীত,
- কথা + অমৃত = কথামৃত,
- মহা + অর্ঘ = মহার্ঘ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• কালকেতু উপাখ্যান মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর "চণ্ডীমঙ্গল" কাব্যের একটি অংশ।
• চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷
• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে-
১. একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।
২. দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।
• ‘কালকেতু উপাখ্যানে’ ফুল্লরার উদ্দেশ্যে কালকেতু বলেছে:
শাশুড়ি ননদি নাহি নাহি তোর সতা।
কার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করি চক্ষু কৈলি রাতা।।
• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া; (‘কালকেতু উপাখ্যান’: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)।
• 'Profiteer' এর বাংলা পরিভাষা - মুনাফাখোর।
অন্যদিকে,
• 'Apprentice' এর বাংলা পরিভাষা- 'শিক্ষানবিস'।
• 'Deceit' এর বাংলা পরিভাষা- 'প্রতারণা'।
• ‘Programme co-ordinator’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - 'কার্যক্রম সমন্বয়ক'।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
• "ঘরের খেয়ে পরের মোষ তাড়ানো" বাক্যটি অশুদ্ধ কারণ এটি একটি প্রচলিত প্রবাদের বিকৃত রূপ।
সঠিক প্রবাদ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো"।
প্রবাদের অর্থ: "ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো" মানে নিজের ঘরে খাওয়া-দাওয়া করে অন্যের (বনের) কাজ করা - অর্থাৎ কৃতজ্ঞতা না দেখিয়ে অন্যের পক্ষে কাজ করা।
অশুদ্ধতার ধরন:
প্রাচীন প্রবাদের প্রচলিত রূপে পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুল শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে অশুদ্ধি ঘটে।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• 'বন্দর':
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- সমুদ্র বা নদীর তীরবর্তী স্থান যেখানে নৌযানে পণ্য বোঝাই বা খালাস করা হয়।
• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা।
অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'রূপজালাল' এর পরিচিতি:
- গদ্যে-পদ্যে নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- এতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনি স্থান পেয়েছে।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।
- ফয়জুন্নেসার নিজের একটি লাইব্রেরি ছিল। সেখানে তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও ধর্মবিষয়ক গ্রন্থাদি পাঠ করতেন। তাঁর স্বোপার্জিত জ্ঞানের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উক্ত প্রতীকাশ্রয়ী গ্রন্থটিতে।
- পুথি ও জারিগানের মিশ্র ধারায় লিখিত এ গ্রন্থটি শুরু হয়েছে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
- সমকালীন বাংলায় মুসলমানদের সাহিত্যচর্চার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ফয়জুন্নেসা তাঁর লেখায় অনেক আরবি, ফার্সি ও উর্দু শব্দ ব্যবহার করেছেন।
------------------
নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন। মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।
- নবাব ফয়জুন্নেসা আলোচিত আত্মজীবনীমূলক রচনা রূপজালাল।
- এছাড়া সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী নামে তাঁর দুখানি কাব্যের কথাও জানা যায়। উল্লেখ্য যে, নবাব ফয়জুন্নেসা এমন এক সময়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা করেন যখন অভিজাত মুসলমানদের মধ্যে এই ভাষা সাধারণত ব্যবহৃত হতো না।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• 'গন্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ গম্ + তব্য।
এখানে,
- '√ গম্' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- শব্দের অর্থ: গমনের লক্ষ্য।
- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।
- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।
উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
• 'সজ্জন' এর অর্থ: সৎলোক; সাধু ব্যক্তি।
- অসজ্জন অর্থ: অসাধু বা দুষ্ট লোক।
- 'দুর্জন' অর্থ - দুষ্ট বা খারাপ লোক।
সুতরাং,
• 'সজ্জন' এর বিপরীত শব্দ - "অসজ্জন এবং দুর্জন" উভয়ই।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি — আ।
• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।
• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]।
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।
• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• "মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে।" - কবিতাংশুটুকুর রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি তাঁর 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থের এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ।
'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ 'চিত্রা'।
- ১৩০২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৩৫টি কবিতা রয়েছে।
এবার ফিরাও মোরে- কবিতার অংশবিশেষ-
মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে,
যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে;
যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার, তখনি সে
পথকুক্কুরের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে;
দেবতা বিমুখ তারে, কেহ নাহি সহায় তাহার,
মুখে করে আস্ফালন, জানে সে হীনতা আপনার
মনে মনে। (সংক্ষেপিত)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, চিত্রা কাব্যগ্রন্থ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলাপিডিয়া।
সঠিক উত্তর — ক) সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সাকিব, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সাকিব বলল যে, সে সেখানে থাকবে।
উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।
২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।
৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।
৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• "বীণার ঝঙ্কারসম যে প্রীতি ধ্বনিত হয় নিতি" - এই বাক্যে 'প্রীতি' একটি বিশেষ্য পদ।
তবে,
"প্রীতিময় মুখ" - এখানে 'প্রীতিময়' বিশেষণ।
------------
এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ:
- গাম্ভীর্য হলো বিশেষ্য পদ।
- গাম্ভীর্য শব্দের বিশেষণ রূপ - গম্ভীর।
- 'ইচ্ছা' শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- জাত ও উদ্ধত - বিশেষণ পদ।
- গৈরিক - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম বই ছিল—
দৌলত উজির বাহ্রাম খাঁর- লাইলি মজনু।
বাংলা একাডেমি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- প্রথম প্রকাশিত বইটি ছিল লাইলি মজনু, যা মধ্যযুগীয় বাংলা প্রেমকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
- পরে একাডেমি আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, লোকসংস্কৃতি বিষয়ক গ্রন্থ এবং ব্যবহরিক বাংলা অভিধান, আধুনিক বাংলা অভিধান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা করে।
উৎস: বাংলা একাডেমি; প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- লিংক।
‘লালসালু’ উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।
• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।
• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।
-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।
• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'চৌচির' শব্দের অর্থ- খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত; খণ্ডবিখণ্ড; চার খণ্ডে বা অংশে বিভক্ত।
অর্থ্যাৎ, সঠিক উত্তর - অপশন (ঘ)।
আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ,
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার,
- আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত,
- আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা,
- আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ - এগিয়ে চলা।
-------------------------------
• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা, ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা, বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২২ সালের সংস্করণ।
• "Have an axe to grind" means to have a selfish reason.
• To have an axe/ax to grind (idiom):
- English Meaning: to have a selfish reason or strong opinion that influences your actions; an ulterior often selfish underlying purpose.
- Bangla Meaning: (লাক্ষণিক) ব্যক্তিস্বার্থ থাকা।
Example Sentences:
- Environmentalists have no political axe to grind - they just want to save the planet.
- The study should be conducted by a firm that has no axe to grind.
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• Complete sentence: Neither of the two men wants his son educated.
- Bangla meaning: দুজনের কেউই চান না যে তার ছেলে শিক্ষিত হোক।
• One of, Each of, Either of, Neither of ইত্যাদি singular subjects হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর পরে singular possessive pronoun (his, her, or its) বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে "men" is masculine gender, তাই সঠিক possessive pronoun টি হবে- his.
অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) them → "them" হলো object pronoun, not possessive.
গ) their → "their" হলো plural কিন্তু এখানে subject হলো singular.
ঘ) its → "its" ব্যবহৃত হয় non-human subjects (animals, objects) -এর জন্য।
• She slept very little that night.
- Here, the underlined word 'little' is an Adverb.
- Here, 'little' modifies the verb "slept" by describing how much she slept.
- অর্থাৎ, 'little' এখানে "slept" verb টিকে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।
- "slept" verb টিকে How much দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় Very little.
• Little (adverb)
- English Meaning: not much; in only a small quantity or degree: slightly; not at all.
- Bangla Meaning: অতিসামান্য।
• Adverb:
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে।
- Adverb সাধারণত Verb, Adjective কিংবা অন্য কোনো Adverb কে modify করে।
- বাক্যে Verb কে কোথায়, কখন, কীভাবে, কেন, কতটুকু, কতবার, ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই হলো adverb.
অন্যদিকে,
- 'Little' শব্দটি "ছোট; যথেষ্ট নয়; সামান্য পরিমাণে মাত্র" অর্থে- noun, pronoun, adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Little (noun)
- Example: She felt better after she'd eaten a little.
• Little (pronoun)
- Example: Little has changed.
• Little (adjective)
- Example: He gave a little smile.
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• The correct spelling is - ক) Remittance.
• Remittance (Noun)
- English Meaning: Money that is sent by a foreign worker back to their own country.
- Bangla Meaning: অর্থপ্রেরণ; প্রেরিত অর্থ; প্রবাসী শ্রমিকের পাঠানো অর্থ।
• Ex. Sentence: Bangladesh receive most of its remittances from the middle east.
- Bangla Meaning: বাংলাদেশ তার বেশিরভাগ রেমিট্যান্স মধ্যপ্রাচ্য থেকে পায়।
- অন্যদিকে, বাকি অপশনের word গুলোর spelling ভুল।
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• Ophelia is the heroine character of 'Hamlet'.
• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
• Main characters:
- King Hamlet,
- Hamlet (Prince of Denmark),
- Ophelia (Heroine),
- Claudius (Hamlet's uncle),
- Gertrude (Queen),
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.
• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."
• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।
অন্যদিকে,
ক) Desdemona (Heroine) is from Othello.
খ) Portia (Heroine) is from The Merchant of Venice.
ঘ) Cordelia (One of three daughters) is from King Lear.
Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
• The synonym for 'Succumb' is Submit.
• Succumb (Verb)
- English meaning: Fail to resist pressure, temptation, or some other negative force; die from the effect of a disease or injury.
- Bangla Meaning: (প্রলোভন, তোষামোদ ইত্যাদির) বশীভূত হওয়া; দমিয়া যাওয়া; মারা যাওয়া; আত্মসমর্পণ করা।
• Given options:
ক) Conquer - জয় করা; শক্তিবলে দখল করা; কারো ভালোবাসা, প্রশংসা ইত্যাদি অর্জন করা।
খ) Obdurate - একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।
গ) Submit - আনুগত্য/অধীনতা/বশ্যতা স্বীকার করা; অনুবর্তী হওয়া; আত্মসমর্পণ করা; পেশ/দাখিল করা।
ঘ) Endure - দুঃখকষ্ট ভোগ করা; টিকে থাকা; স্থায়ী হওয়া।
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• George Bernard Shaw is the author of 'Arms and the Man'.
• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
- এটি একটি Romantic comedy, যা যুদ্ধ, প্রেম এবং মানব স্বভাবের উপর satire করে।
- এই নাটকটি ১৮৯৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো- Bulgaria -এর Petkoff household.
- নাটকটি যুদ্ধ এবং প্রেমের বিষয় নিয়ে গড়ে উঠেছে। এতে মূলত যুদ্ধের গৌরব এবং বাস্তবতার মধ্যে একটি বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকের কেন্দ্রবিন্দুতে একজন সৈনিক এবং একজন উচ্চশ্রেণীর মহিলা রয়েছেন, এবং তাদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নাটকটিকে কৌতুকপূর্ণ এবং মজাদার করে তোলে।
- এটি George Bernard Shaw -এর রচনা ও নাট্যকর্মের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
• Main Characters:
- Captain Bluntschli,
- Raina Petkoff,
- Major Sergius Saranoff,
- Major Petkoff,
- Catherine Petkoff, etc.
• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।
• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc,
- Candida,
- Geneva,
- You Never Can Tell,
- Androcles and the Lion,
- The Devil’s Disciple,
- Too True to Be Good,
- Widowers’ Houses,
- The Apple Cart,
- Buoyant Billions, etc.
অন্যদিকে,
ক) The Family Reunion is a play by T. S. Eliot.
খ) A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway.
গ) No Man's Land is a play by Harold Pinter.
Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.
• He left us waiting for his reply.
- Here, 'waiting' is a Participle.
- Here, "waiting" functions as a present participle (adjective) that modifies the pronoun "us".
- অর্থাৎ, 'waiting' এখানে object "us" কে modify করায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- "Waiting" functions as an object complement that describes the state of the object "us" after the action of the verb "left".
- অর্থাৎ, verb+ing যখন noun/pronoun কে modify করে তখন তা adjective হিসেবে কাজ করে।
- এখানে বলা হয়েছে, সে আমাদের তার উত্তরের অপেক্ষায় (waiting → ongoing action) রেখে চলে গেল।
• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
• Participle মূলত তিন প্রকার। যথা:
1. Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: I saw a flying kite.
2. Past participle:
- সাধারণত verb এর সাথে -ed যোগ করে তৈরি হয় (যেমন: played, walked), তবে অপ্রচলিত verb এর আলাদা রূপ থাকে (যেমন: eaten, driven, seen)।
- এটি perfect tense এবং passive voice তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, এবং adjective হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The broken house needs fixing.
3. Perfect participle:
- এটি having + past participle দ্বারা তৈরি হয় (যেমন: having eaten, having seen)। এটি এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে, একটি কাজ অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল।
- যেমন: Having finished the task, he left.
Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
• The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.
• Spendthrift (Noun, adjective)
- English Meaning: Spending money or resources freely and recklessly; wastefully extravagant.
- Bangla Meaning: অতিব্যয়ী; অপব্যয়ী; অপচেতা; অকৃপণ; মুক্তহন্ত; অপব্যয়ী ব্যক্তি।
• Synonyms:
- Wasteful (অপচয়ী), Extravagant (অপচয়কর), Waster (অমিতব্যয়ী), Prodigal (অপব্যয়ী; অপচয়ী; অমিতব্যয়ী)।
• Antonyms:
- Thrifty (মিতব্যয়ী), Parsimonious (ব্যয়কুণ্ঠ; কৃপণ), Mean (সংকীর্ণমনা), Miserly (কৃপন), Tight-fisted (ব্যয়কুন্ঠ)।
অন্যদিকে,
- Disdainful - ঘৃণাপূর্ণ; তাচ্ছিল্যপূর্ণ।
- Imprudent - অবিমৃষ্যকারী; অবিবেচক; অবিচক্ষণ; হঠকারী।
- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The opposite of 'Spendthrift'- Tightfisted.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• Complete sentence: Do not let these children play in the sun.
- Bangla: এই বাচ্চাদের রোদে খেলতে দিও না।
• Causative Verb:
- যে Verb গুলোর সাহায্যে বাক্যের Subject নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।
• Causative Verb হিসাবে 'let' -এর ব্যবহার:
- Let এরপরে কোনো ব্যক্তিবাচক object (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- Let এরপরে কোনো বস্তুবাচক object (Action receiver) থাকলে এরপরে be + verb -এর past participle form বসে।
• Structure:
1. Subject + let (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.
2. Subject + let (any tense) + action receiver + be + verb -এর past participle + ext.
- তাই প্রদত্ত শূন্যস্থানে সঠিক verb টি হবে- play.
• A semi-autobiographical novel, 'Of Human Bondage' was written by William Somerset Maugham.
• Of Human Bondage:
- William Somerset Maugham রচিত ‘Of Human Bondage’ হলো একটি semi-autobiographical novel.
- এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং লেখকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত।
- এতে মানুষের দুর্বলতা, ভালবাসা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়েছে।
• Short Summary:
- এই উপন্যাসে মূল চরিত্র ফিলিপ কেরি (Philip Carey)-এর জীবনকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। ছোটবেলায় বাবা-মাকে হারিয়ে সে অনাথ হয়ে যায় এবং তার খোঁড়া পা (clubfoot) থাকার কারণে সবসময় হীনমন্যতায় ভোগে। ফিলিপ জীবনে নানা পথ খুঁজে বেড়ায়—ধর্ম, শিল্প, চিকিৎসা—কিন্তু কোথাও পূর্ণতা খুঁজে পায় না।
- লন্ডনে মেডিকেল ছাত্র থাকাকালীন সবচেয়ে বড় মোড় আসে যখন সে Mildred নামের এক নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর waitress -এর প্রেমে পড়ে।মিলড্রেডের সঙ্গে সম্পর্ক তাকে বারবার ভেঙে ফেলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনের অর্থ ও স্বাধীনতা খুঁজে পেতে সে শিখে নেয়— মানুষ আসলে আবেগ ও আসক্তির দাস।
• Main characters:
- Philip Carey,
- Mildred Rogers,
- Sally Athelny,
- Thorpe Athelny, etc.
• William Somerset Maugham (1874-1965):
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় প্রশিক্ষণ নিলেও লেখালেখিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন।
- তাঁর চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তার লেখায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- তবে ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনীভিত্তিক উপন্যাস Of Human Bondage তাঁকে প্রকৃত খ্যাতি এনে দেয়।
- তাঁর ছোটগল্পগুলো বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেখানে প্রায়ই উপনিবেশিক পটভূমিতে মানুষের মনস্তত্ত্ব, দুর্বলতা ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Maugham তাঁর পরিষ্কার ভাষা, বাস্তবধর্মী বর্ণনা ও চরিত্র বিশ্লেষণের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।
• Notable works (Novels):
- Liza of Lambeth,
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick, etc.
• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.
Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
• The news that you heard yesterday is known to all.
- Here, the underlined part is a Relative clause/adjective clause.
- এখানে, "that you heard yesterday" clause টি "news" noun টিকে modify করছে (by specifying which news is being referred to).
- It answers the question: Which news? → The news that you heard yesterday.
• Structure:
- Main clause: The news is known to all.
- Relative clause: that you heard yesterday (dependent clause describing "news").
• Adjective clause/Relative clause:
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ, যে clause টি বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।
- Adjective clause -কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, which, who, whose, whom, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।
- Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object).
- যেমন: The house where I grew up is now for sale.
2. Noun এর post-modifier হিসেবে- (Subject + verb + noun + adjective clause).
- যেমন: She wore the dress which was on sale.
• Note:
- Noun -এর পরে That যুক্ত clause টি Noun clause এবং Adjective clause উভয়ই হতে পারে।
• কখন Noun clause?
- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে সাধারণত News, Hope, Belief, Fact, Rumour, ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যেমন: The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে, 'News' কে modify করছে না।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.
- Noun clause এর ক্ষেত্রে আগের noun phrase টিকে বাদ দিলেও অর্থ ঠিক থাকে, কিন্তু that কে উঠিয়ে দেওয়া যায় না।
- যেমন: That Rajib got married took everyone by surprise.
• কখন Adjective clause?
- যখন noun/pronoun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- যেমন: The news that you heard yesterday is known to all.
- এই বাক্যে That যুক্ত clause টি 'News' কে modify করছে, অর্থাৎ, news কে describe করছে (that you heard yesterday).
- Adjective clause এর ক্ষেত্রে that -এর পরের clause টির অর্থ পরিপূর্ণ হয় না, এবং এক্ষেত্রে that কে উঠিয়ে দেওয়া যায়।
- যেমন: The news you heard yesterday is known to all.
অন্যদিকে,
• Co-ordinate clause:
- Joins two independent clauses by Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwise, and).
- যেমন: The news is true, and everyone knows it.
• Principal clause:
- An independent clause that can stand alone.
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
- যেমন: Because it was raining, we stayed indoors.
• Complete sentence: As the day went on, the weather worsened.
- Bangla meaning: দিন যতই গড়িয়েছে, আবহাওয়া ততই খারাপ হয়েছে।
- বাক্যটিতে দুটি clause কে যুক্ত করতে এমন একটি conjunction প্রয়োজন যা progression of time দেখায়।
- অর্থাৎ, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে অন্য clause -এর কাজটিও ঘটে।
- As is used to mean "while" or "during the time that", indicating that two actions are happening simultaneously and one is affecting the other.
- অর্থাৎ, Conjunction হিসেবে As (while; when; during the time that) - যখন; চলাকালীন; যতই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এখানে সঠিক উত্তর হবে- As.
• As (conjunction)
- English Meaning: while; when; during the time that.
- Bangla Meaning: যখন; চলাকালীন; যতই।
অন্যদিকে,
ক) Just
- ঠিক; মাত্র; ন্যায্য; যুক্তিযুক্ত ইত্যাদি অর্থে (adjective, adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: This is just what I expected.
গ) Unless
- except if 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- যেমন: Do not punish him unless he behaves roughly.
ঘ) So
- সুতরাং; অতএব; সে-কারণে; সেই জন্য ইত্যাদি অর্থে conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- It Indicates result of previous clause.
- যেমন: Nobody answered my knock, so I went away.
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• The term "Pedagogy" refers to- The art or profession of teaching.
• Pedagogy (noun):
- English Meaning: The art, science, or profession of teaching; the study of the methods and activities of teaching.
- Bangla Meaning: শিক্ষণবিজ্ঞান।(আনুষ্ঠানিক) স্কুলশিক্ষক; শিক্ষকতার পেশা।
অন্যদিকে,
• Demagogy:
- English Meaning: the methods or practices of a demagogue; the method of political rule as demagogy.
- Bangla Meaning: বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।
• Andragogy:
- English Meaning: The art or science of teaching adults.
- Bangla Meaning: বয়স্কশিক্ষা।
• Pediatric:
- English Meaning: The branch of medicine dealing with children.
- Bangla Meaning: শিশুচিকিৎসা।
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
• A note added at the end of a letter after it is signed is called a Postscript.
• Postscript:
- A note or series of notes appended to a completed letter, article, or book.
- চিঠিতে স্বাক্ষরের পর যুক্ত অত্তিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলীকে বলা হয় - Postscript.
- একে সংক্ষিপ্ত ভাবে - PS বলে।
- It comes from the Latin - postscriptum, which literally means “written after.”
- যার বাংলা অর্থ- পুনশ্চ, পত্রের পুনশ্চ লিখন।
• অন্যদিকে,
• Corrigendum:
- English Meaning: A thing to be corrected, typically an error in a printed book.
- Bangla Meaning: সংশোধনীয় বিষয়।
• Nota bene:
- English Meaning: —used to call attention to something important.
- Bangla Meaning: (সংক্ষেপ NB) সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ করুন; লক্ষণীয়।
• Footnote:
- English Meaning: A note of reference, explanation, or comment usually placed below the text on a printed page.
- Bangla Meaning: পাদটীকা।
• Correct sentence: She insisted on seeing her lawyer.
• Insist on doing something
- English Meaning: to demand something or say forcefully that you want something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুতে জোর দেয়া বা পীড়াপীড়ি করা।
- Insist on/upon এর পরে noun/gerund (-ing form of a verb) বসে।
More Examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
অন্যদিকে -
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন।
পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -
⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
উৎস: প্রথম আলো।
দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।
উৎস: প্রথম আলো। [link]
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (ICPPED):
- ICPPED-এর পূর্ণরূপ: International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ ডিসেম্বর, ২০০৬।
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০।
- ICPPED জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন যা এনফোর্স ডিসএপিয়ান্সকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।
- সনদে মোট ৪৫টি অনুচ্ছেদ আছে।
- ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী দিবস।
⇒ আগস্ট ২৯, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করেছে।
উৎস: i) OHCHR ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।
⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।
উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।
উৎস: প্রথম আলো।
ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে কার্যকর হয়।
⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি।
উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।
⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫।
ii) প্রথম আলো।
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।
এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।
উৎস: BMET ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।
⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।
⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫:
- ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংশোধন সাপেক্ষে, নির্বাচন কমিশন ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (পি.ও নং ১৫৫ অফ ১৯৭২)’ এর আর্টিকেল ৯১বি এর আলোকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর একটি খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
- ২৯ জুন, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮’-এর আলোকে এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। যেখানে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করেছে কমিশন।
• মাইকে গণসংযোগের সময় শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলে রাখতে হবে। প্রচারণার সময় তিন সপ্তাহ থাকছে। টিভিতে সংলাপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
• যেসব প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে থাকবেন বা মনোনীত হয়েছেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর সেখান থেকে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
• নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনে যে নরমাল শাস্তি ছিল, ছয় মাস কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, এবার জরিমানা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকার প্রস্তাব রয়েছে।
• নির্বাচনি প্রচারণায় অপচনশীল দ্রব্য যেমন- রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিকসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদানে তৈরি কোন নির্বাচনি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন ও ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
• নির্বাচনে প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাতে পারবে না। তবে প্রার্থী বা তার এজেন্টের অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করতে হবে।
• প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণায় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবে না।
• মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।
উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল: INSTRUMENT OF SURRENDER 1971
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলটির শিরোনাম INSTRUMENT OF SURRENDER.
- এটি তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের কাছে সংরক্ষিত আছে। তৃতীয় প্রস্থটি রয়েছে ঢাকার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মুক্তিবাহিনী-মিত্রবাহিনী যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমপর্ণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান। ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।
উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ -ই - আর্কাইভ।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।
উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।
উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল-২৬ জুন ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হন।
- ২৬ জুন ১১১টি ধারা সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ অনুমোদিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
- মোট ৫১টি দেশ মূল সনদে স্বাক্ষর করেছিল।
- এ কারণে এই ৫১টি দেশকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ধরা হয়।
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- আসিয়ান (ASEAN) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের একটি আঞ্চলিক সংস্থা, যা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদানকারী দেশ: ব্রুনাই দারুস সালাম, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- আসিয়ান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
• IDA:
- IDA (International Development Association) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- এটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে, তাই এটি 'International Soft Loan Window' নামে পরিচিত।
- IDA-এর মূল উদ্দেশ্য দারিদ্র্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিকাশে সাহায্য করা।
- এটি উন্নত দেশগুলির জন্য অনুকূল শর্তে ঋণ প্রদান করে, যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হতে পারে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৭৫টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- IDA জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ২০০৭ সালে Crisis Response Window চালু করে।
উৎস: আইডিএ ওয়েবসাইট ও বিশ্বব্যাংক।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP)- ২০২৫:
• সূচক নির্ধারণের প্রধান মানদণ্ড:
- সামরিক ইউনিটের সংখ্যা;
- আর্থিক সক্ষমতা;
- লজিস্টিক দক্ষতা;
- ভৌগোলিক পরিস্থিতি।
• শীর্ষ তিন সামরিক শক্তিধর দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র – ১ম স্থান (স্কোর: ০.০৭৪৪);
২. রাশিয়া – ২য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮);
৩. চীন – ৩য় স্থান (স্কোর: ০.০৭৮৮)।
• বাংলাদেশের অবস্থান:
মোট দেশ: ১৪৫,
- বাংলাদেশের র্যাংক: ৩৫তম,
- পাওয়ার ইনডেক্স স্কোর: ০.৬০৬২।
সূত্র: গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স (GFP) ওয়েবসাইট।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
⇒ FIFA World Cup:
- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।
উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice - ICJ):
- International Court of Justice (ICJ) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত ও বলা হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিচারিক অঙ্গ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
- ICJ শুধুমাত্র সেই বিরোধগুলি শুনানি করে, যা রাষ্ট্রগুলি স্বেচ্ছায় আদালতে নিয়ে আসে।
- ICJ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিরোধ যেমন সীমান্তের সমস্যা, সমুদ্রসীমা, এবং চুক্তির ব্যাখ্যা সমাধান করে।
- এটি নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
- বিচারক সংখ্যা ১৫ জন।
- বিচারকরা নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- প্রতি বছর এক তৃতীয়াংশ বিচারক অবসর গ্রহণ করেন।
উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।
ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।
উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।
• WTO:
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- WTO (World Trade Organization) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৬টি ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ড।
উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.
• Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA):
- ARSA হল একটি সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী যা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে (পূর্বের আরাকান) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার নামে কার্যক্রম চালায়।
- ARSA-আনুমানিক ২০১৩ সালে গঠিত হয়েছিল।
- পূর্বে Harakah al-Yaqin (HaY) নামে পরিচিত ছিল।
- এরা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে আসছে।
- ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালায়।
- ২০১৭ সালের আগস্টে ARSA-র হামলার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়, যার ফলে দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান।
অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
Fortify Rights:
- ফোর্টিফাই রাইটস (Fortify Rights) থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।
- এটি বিশেষভাবে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, এবং অন্যান্য অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সম্প্রতি (মার্চ, ২০২৫] মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গৃহযুদ্ধের শিকার বেসামরিক নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মিকে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফোর্টিফাই রাইটস।
উৎস: সমকাল পত্রিকা এবং Fortify Rights ওয়েবসাইট।
• বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ১২-১৩ সেপ্টেম্বর 'বিশ্ব মানবিক ভাতৃত্ববোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৫' ভ্যাটিক্যান সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে।
- বিশ্বমানব ভ্রাতৃত্ব সম্মেলন এক ঐতিহাসিক সমাবেশে পরিণত হতে যাচ্ছে— যা ঐক্য, শান্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ গঠনে বিশ্বনেতা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও চিন্তাবিদদের একত্রিত করবে।
- এই অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মানবতার সারণীর খসড়া, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য সর্বজনীন নীতির রূপরেখা। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহানুভূতিশীল বিশ্বের জন্য পোপ ফ্রান্সিসের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি নতুন মানবসনদকে সংজ্ঞায়িত করার একটি ভিত্তিমূলক দলিল।
এই উপলক্ষে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে একটি বিশাল সমাবেশ আশা করা হচ্ছে, যা অন্যতম বৃহত্তম ইভেন্ট হিসাবে চিহ্নিত হবে। অনুষ্ঠানটিতে মানবভ্রাতৃত্বের নীতিগুলো পুনরায় নিশ্চিত করে একটি বৈশ্বিক কনসার্ট, আলোচনা এবং প্রতীকী মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনাও থাকবে।
উৎস: Fondazione Fratelli tutti ওয়েবসাইট।
• অগাস্টাস সিজার:
- রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট ছিলেন অগাস্টাস সিজার।
- তিনি মহাবীর জুলিয়াস সিজারের ভাগ্নে।
- অগাস্টাস সিজারের আসল নাম ছিল গাইয়াস অক্টাভিয়াস।
- জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে অগাস্টাস সিজার রাখেন।
- ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সমরনায়ক ও সিনেট সদস্যরা যখন দুই ভাগে বিভক্ত, এমনই এক সময় জন্মলাভ করেন অগাস্টাস সিজার।
⇒ সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস (খ্রিস্টপূর্ব ৩১-১৪ খ্রিস্টাব্দ) রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।
উৎস:Britannica ওয়েবসাইট এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ফ্রান্সের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভাস্কর্যটি উপহার দিয়েছিল ২৮ অক্টোবর ১৮৮৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্ট্যাচুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।
- তাই প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র জন্মদিন পালন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নামে বিশ্ববাসী মূর্তিটিকে চিনলেও এর প্রকৃত নাম ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’।
- ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূল নকশাকার ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রেডরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি।
এছাড়াও,
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট, বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- এটি একহাত দিয়ে যে বইটি ধরে আছে সে বইয়ের ওপরে লেখা আছে একটি তারিখ, আর তা হল “৪ জুলাই, ১৭৭৬”।এই তারিখেই ব্রিটিশ শাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন হয়েছিল!
উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।
• অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।
বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫:
- ২০১৩ সালে দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব সরকার শীর্ষ সম্মেলন।
- সরকারি অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবন বিনিময়ের একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
- এই শীর্ষ সম্মেলন সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ জোরদার করার জন্য- বৈশ্বিক সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে 'বিশ্ব সরকার সম্মেলন ২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক সরকারব্যবস্থা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।
- এই সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এবং অংশগ্রহণ করেন।
সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: 'ALGEBRA' শব্দের বর্ণ গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে A সবসময় প্রথম বর্ণ থাকে?
সমাধান:
'ALGEBRA' শব্দে মোট 7 টি বর্ণ আছে। যথা A, L, G, E, B, R, A
এখানে A বর্ণটি 2 বার আছে।
যেহেতু প্রথম স্থান A দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করা হবে, তাই প্রথম স্থানের জন্য কোনো আলাদা বাছাই নেই।
সুতরাং বাকি 6 টি বর্ণ L, G, E, B, R, A
এখানে কোনো বর্ণই একাধিকবার নেই (কারণ A দুটির একটি প্রথমে ব্যবহার করায় বাকি 1 টি A আছে, তাই পুনরাবৃত্তি নেই)।
∴ বিন্যাস সংখ্যা = 6 টি ভিন্ন বস্তুর বিন্যাস = 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 = 720
প্রশ্ন: x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0 রেখাদ্বয়ের ঢালদ্বয়ের গুণফল কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x - 2y - 8 = 0 এবং 2x + y - 12 = 0
আমরা জানি,
সরল রেখার সাধারণ সমীকরণ, y = mx + c [যেখানে, m = ঢাল]
এখন,
প্রথম রেখার ঢাল:
x - 2y - 8 = 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ 2y = x - 8
∴ y = (1/2)x - 4
সুতরাং, প্রথম রেখার ঢাল, m1 = 1/2
আবার,
দ্বিতীয় রেখার ঢাল:
2x + y - 12= 0 সমীকরণটিকে y = mx + c আকারে সাজালে পাই,
⇒ y = - 2x + 12
সুতরাং, দ্বিতীয় রেখার ঢাল, m2 = - 2
∴ ঢালদ্বয়ের গুণফল = m1 × m2 = (1/2) × (- 2) = - 1
এই দুটি রেখা পরস্পর লম্ব, কারণ তাদের ঢালদ্বয়ের গুণফল - 1
প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের ১ম কোণ যদি ২য় কোণের চারগুণ এবং ৩য় কোণ যদি ১ম কোণের চেয়ে 63° বড় হয়, তাহলে ৩য় কোণটি কত ডিগ্রি?
সমাধান:
ধরি,
২য় কোণ = x
∴ ১ম কোণ = 4x
৩য় কোণ = 4x + 63°
প্রশ্নমতে,
x + 4x + 4x + 63° = 180°
⇒ 9x = 180° - 63°
⇒ 9x = 117°
⇒ x = 117°/9
∴ x = 13°
∴ ৩য় কোণ = 4x + 63 = 52° + 63° = 115°
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকার পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি কত ছিল?
সমাধান:
মনে করি,
পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
আবার,
১০৬০ টাকার ৬% = ১০৬০ × (৬/১০০) = ৬৩.৬০ টাকা
বর্তমানে ৩ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০ টাকা
বর্তমানে ১ কেজি চিনির দাম ৬৩.৬০/৩ = ২১.২০ টাকা
আবার,
৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা
এখন,
১০৬ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০ টাকা
∴ ১ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = ১০০/১০৬ টাকা
∴ ২১.২০ টাকা বর্তমান দর হলে পূর্ব দর = (১০০ × ২১.২০)/১০৬ টাকা
= ২০ টাকা
সুতরাং, পূর্বে চিনির দাম কেজি প্রতি ২০ টাকা।
প্রশ্ন: 8 + 4√2 + 4 + 2√2+..................... ধারাটির কততম পদ √2?
সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারা। যার
১ম পদ, a = 8
এবং সাধারণ অনুপাত, r = 4√2/8 = √2/2 = 1/√2
আমরা জানি,
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1
প্রশ্নমতে,
arn - 1 = √2
⇒ 8 × (1/√2)n - 1 = √2
⇒ (1/√2)n - 1 = √2/8
⇒ (1/√2)n - 1 = √2/(√2)6 ; [(√2)6 = 8]
⇒ (√2)- (n - 1) = (√2)1 - 6
⇒ - (n - 1) = - 5
⇒ - n + 1 = - 5
⇒ n = 1 + 5
∴ n = 6
অর্থাৎ ৬ষ্ঠ পদটি √2
প্রশ্ন: 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় কত?
সমাধান:
আমরা জানি,
n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় বা জ্যামিতিক গড় =
∴ 4, 8 এবং 16 এর জ্যামিতিক গড় = (4 × 8 × 16)1/3
= (512)1/3
= (83)1/3
= 8
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের অভ্যন্তরে একটি বর্গ অঙ্কিত হলো। বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাস =4 মিটার
বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4/2 = 2 মিটার
আমরা জানি,
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
= π × 22 বর্গমিটার
= 4π বর্গমিটার
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = বৃত্তের ব্যাসের দৈর্ঘ্য = 2 × 2 = 4 মিটার
∴ বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 4/√2 = 2√2 মিটার
∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (2√2)2 বর্গমিটার = 8 বর্গমিটার
∴ বৃত্ত ও বর্গের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = 4π : 8
= π : 2
প্রশ্ন: নিচের কোনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
সমাধান:
• Linux:
- Linux হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা করে।
- এটি একটি প্ল্যাটফর্ম বা ভিত্তি যেখানে বিভিন্ন সফটওয়্যার রান করতে পারে।
- Linux নিজেই কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- সাধারণত সার্ভার, ডেস্কটপ, মোবাইল বা এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
• Python:
- Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি ইন্টারপ্রেটেড এবং উচ্চ-স্তরের ভাষা।
- Python Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।
• Java:
- Java হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং প্ল্যাটফর্ম।
- এটি সাধারণত অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং ওয়েব সার্ভিসে ব্যবহৃত হয়।
- Java Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।
• Ruby:
- Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্টিং এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
- এটি Linux-এর মতো অপারেটিং সিস্টেম নয়।
সুতরাং, অন্যগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও Linux হলো অপারেটিং সিস্টেম।
সঠিক উত্তর: ক) Linux.
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
সমাধান:
প্রথম সারিতে,
9 + 1 + 5 = 15
দ্বিতীয় সারিতে,
4 + 8 + 3 = 15
তৃতীয় সারিতে,
2 + 6 + 7 = 15
প্রত্যেক সারির সংখ্যাগুলোকে যোগ করা হয়েছে যাদের প্রত্যেকের যোগফল 15.
সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 6 বসবে।
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান হচ্ছে: _______।
সমাধান:
- বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গ ৫ টি।
- এগুলো হলো - ক, চ, ট, ত, প।
প্রতিটি বর্গে ৫ টি করে বর্ণ আছে। যথা-
- ক, খ, গ, ঘ, ঙ
- চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
- ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
- ত, থ, দ, ধ, ন
- প, ফ, ব, ভ, ম
- বাংলা বর্ণবিন্যাসে ‘ধ' ব্যঞ্জন বর্ণের অবস্থান ”ত” বর্গের চতুর্থ স্থানে।
প্রশ্ন: যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = ?
সমাধান:
যদি 11894 = ARID হয় তাহলে 172194 = QUID
ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
1 = A,
18 = R,
9 = I,
4 = D
∴ 11894 = ARID
একইভাবে,
17 = Q,
21 = U,
9 = I,
4 = D
∴ 172194 = QUID
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতগুলো ত্রিভুজ রয়েছে?
সমাধান:
উপরোক্ত বৃহৎ ত্রিভুজে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে
= pn(n - 1)/2
= 3 × 4(4 - 1)/2
= (3 × 12)/2
= 18
এখানে,
p = আনুভূমিক রেখার সংখ্যা
n = লম্বালম্বি বা তির্যক রেখার সংখ্যা
প্রশ্ন: "তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে নিচের কোনটি যোগ করে বিন্যাস করলে একটি দেশের নাম পাওয়া যাবে?
সমাধান:
"তু, য়া, ভা" বর্ণগুলোর সাথে "নু" বর্ণটি যোগ করে বিন্যাস করলে "ভানুয়াতু" শব্দটি পাওয়া যায়।
• ভানুয়াতু:
- ভানুয়াতু হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- এটি প্রায় ৮০টি ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- রাজধানী হলো পোর্ট ভিলা।
- দেশটির প্রধান ভাষা হলো বিসলামা, ইংরেজি ও ফরাসি।
• মেলানেশিয়া:
- মেলানেশিয়া হলো দক্ষিণ-প্যাসিফিকের একটি দ্বীপসমূহের অঞ্চল।
- প্রধান দেশগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ও নিউ ক্যালিডোনিয়া।
- নামের অর্থ হলো “কালো দ্বীপসমূহ” (মেলা = কালো, নেশিয়া = দ্বীপ)।
- এখানে মূলত আফ্রো-প্যাসিফিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।
উৎস: World Atlas.
প্রশ্ন: সাবিহা একটি বালিকা লাইনের যেকোন প্রান্ত থেকে ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ঐ লাইনে কতজন বালিকা আছে?
সমাধান:
সাবিহা সামনের দিক এবং পিছনের দিক উভয় দিক থেকেই ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।
ঐ লাইনে বালিকা আছে = ১২ + ১ + ১২ = ২৫ জন
প্রশ্ন: ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে কয়টা বাজতে দেখা যাবে?
সমাধান:
আমরা জানি,
আয়নার সময় = ১১ : ৬০ - প্রকৃত সময়
= ১১ : ৬০ - ১০ : ১০
= ১ : ৫০
সুতরাং, ঘড়িতে ১০ টা ১০ মিনিট বাজলে আয়নার প্রতিবিম্বে ১ টা ৫০ মিনিট বাজতে দেখা যাবে।
প্রশ্ন: একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনিছ সাহেব ও তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র ও তাদের স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্রের ৩ জন করে সন্তান ছিলেন। ঐ অনুষ্ঠানে মোট কতজন উপস্থিত ছিলেন?
সমাধান:
মোট লোক = আনিছ সাহেব + তাঁর স্ত্রী + তাদের তিন পুত্র + তিন পুত্রের স্ত্রী + পুত্রদের মোট ৯ সন্তান
= ১৭ জন।
∴ বিয়ের অনুষ্ঠানে মোট উপস্থিত ছিলেন ১৭ জন।