পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: জীববিজ্ঞান: প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
ভিটামিন বি-২ এর অন্য নাম কোনটি?
  1. ক) ফলিক এসিড
  2. খ) নায়াসিন
  3. গ) রিবোফ্লাভিন
  4. ঘ) থায়ামিন
সঠিক উত্তর:
গ) রিবোফ্লাভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিবোফ্লাভিন
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন বি-২ এর রাসায়নিক নাম রিবোফ্লাভিন
- এটি তাপে নষ্ট হয় না।
- তাই রান্না করলেও রিবোফ্লাভিনের পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

অপরদিকে,
- ভিটামিন বি-৯ এর অন্য নাম ফ্লিক এসিড।
- ভিটামিন -৩ এর রাসায়নিক নাম নায়াসিন।
- এটি তাপ, অম্ল, ক্ষার বা অক্সিজেনে নষ্ট হয় না।
- নায়াসিনকে পেলেগ্রা প্রতিরোধক ভিটামিন বলা হয়।
- ভিটামিন ব-১ এর রাসায়নিক নাম থায়ামিন।
- থায়ামিন পানি, উচ্চ তাপ ও ক্ষারে নষ্ট হয়।

সূত্র: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রক্তের তরল হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থটির নাম কি?
  1. ক) যোজক কলা
  2. খ) রক্তরস
  3. গ) রক্ত কণিকা
  4. ঘ) অ্যান্টিটক্সিন  
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তরস
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা।
- এর অন্তঃকোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত।
- এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে।
- এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- রক্তের দু’টি উপাদান (১) রক্তরস এবং (২) রক্ত কণিকা।
- সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা।
- রক্ত কণিকা প্রধানত তিন ধরনের, যথা: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। 

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
.
নিচের কোনটি RNA-এর নাইট্রোজেন বেস?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) ইউরাসিল
  3. গ) পিরিডক্সিন
  4. ঘ) অ্যাসপারজিন
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
- জীবের রাসায়নিক গঠনের উপাদান DNA।
- DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
- RNA তে ও চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
- অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও ইউরাসিল।
- থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি   
.
'এপিলেপসি' রোগ দেহের কোথায় হয়?
  1. ক) হৃৎপিণ্ডে
  2. খ) মস্তিষ্কে
  3. গ) ফুসফুসে
  4. ঘ) যকৃতে
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা
- এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ, যাতে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে খিঁচুনি বা কাপুনি দিতে থাকে।
- এই রোগকে মৃগী রোগ ও বলা হয়।
- স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের এই রোগ দেখা যায়। 
- মাথায় আঘাতের কারণে ম্যানিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, জন্মগত মস্তিষ্কের বিকৃতি, টিউমার ইত্যাদি কারণেও এপিলেপসির উপসর্গ দেখা যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
যেসব রক্তনালী কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিন্ডে নিয়ে আসে তাকে কী বলে?
  1. ক) ভেইন
  2. খ) আর্টারি
  3. গ) ক্যাপিলারি
  4. ঘ) নার্ভ
সঠিক উত্তর:
ক) ভেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেইন
ব্যাখ্যা
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে রক্ত হৃদপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি বলে।
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃদপিন্ডে বহন করে নিয়ে আসে, তাকে শিরা বা ভেইন বলে। 

সূত্র:  বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
.
মায়োফাইব্রিল কোন ধরনের কোষে দেখা যায়?
  1. ক) স্নায়ু টিস্যু
  2. খ) পেশি টিস্যু
  3. গ) তন্তুজ যোজক টিস্যু
  4. ঘ) কঙ্কাল যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
খ) পেশি টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেশি টিস্যু
ব্যাখ্যা
পেশি টিস্যু:
- ভ্রণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় পেশি টিস্যু।
-এরা সংকোচন এবং প্রসারণশীল টিস্যু।
- এদের মাতৃকা প্রায় অনুপস্থিত।
- পেশি কোষগুলো সরু, লম্বা ও তন্তুময়। তন্তুগুলো মাকু আকৃতির।
- এ ধরনের তন্তুকে মায়োফাইব্রিলও বলা হয়।
- পেশি কোষের  সাইটোপ্লাজমে এক বা একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- এদের কোষ পর্দাকে সারকোলেমা বলা হয়।
- আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় ডোরাকাটা পেশি এবং ডোরাবিহীন মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় মসৃণ পেশি।

কাজ:
- পেশি কোষ সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে অঙ্গ সঞ্চালন, চলন ও অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
.
জেমস ওয়াটসন ও ফ্রানসিস ক্রিক DNA অণুর গঠন আবিষ্কারের জন্য কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৭ সালে
  3. গ) ১৯৬২ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন বিভিন্ন কোণে DNA অণুর উপর এক্স-রে ফেলে তার ছায়ার ছবি তুলেছিলেন এবং তাঁর তোলা সেই ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে ১৯৫৩ সালে DNA এর গঠন আবিষ্কার করেন জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক।
এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তারা ১৯৬২ সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: বিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
.
'বেরিবেরি' রোগ হয় কোন ভিটামিনের অভাবে?
  1. ক) ভিটামিন বি-১
  2. খ) ভিটামিন বি-২
  3. গ) ভিটামিন বি-৬
  4. ঘ) ভিটামিন বি-১২
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন বি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন বি-১
ব্যাখ্যা
- দেহে ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন) এর চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এর অভাবে স্নায়ু দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ার অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়। 
- ভিটামিন বি-২ এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা যায়, মুখে ও জিভে ঘা হয়। 
- ভিটামিন বি-১২ বা সায়ানোকোবালামিনের অভাবে রক্তশূণ্যতা ও স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় দেখা যায়। 

সূত্র: সধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ক্রোমোজমে কোনটি থাকে না?
  1. ক) ডিএনএ
  2. খ) আরএনএ
  3. গ) প্রোটিন
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- ক্রোমোজম নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার ক্রোমাটিন ফাইবার বা তন্তু।
- ক্রোমজমে নিউক্লিক এসিড তথা ডিএনএআরএনএ, প্রোটিন এবং অল্প পরিমাণ লিপিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম আয়ন দ্বারা গঠিত।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১০.
ডিমের সাদা অংশে থাকে-
  1. ক) ভিটামিন সি
  2. খ) অ্যালবুমিন
  3. গ) লেমিটিন
  4. ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালবুমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যালবুমিন
ব্যাখ্যা
- ডিমের সাদা অংশে 'অ্যালবুমিন' নামক প্রোটিন থাকে।
- ডিমের প্রোটিনের পঞ্চাশ শতাংশই অ্যালবুমিন।
- এছাড়াও ডিমের কুসুমে আয়রন, ভিটামিন বি-২, বি-১২ এবং ডি রয়েছে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা
১১.
'অস্টিয়া' থাকে কোন পর্বের প্রাণিদের?
  1. ক) আর্থোপোডা
  2. খ) পরিফেরা
  3. গ) নেমাটোডা
  4. ঘ) অ্যানিলিডা
সঠিক উত্তর:
খ) পরিফেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিফেরা
ব্যাখ্যা
পরিফেরা পর্বের প্রাণীর বৈশিষ্ট্য:
- এদের দেহ কোষ দুই স্তরে বিন্যস্ত।
- এরা সরলতম বহুকোষী প্রাণী।
- এদের দেহপ্রাচীর অস্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত।
- এদের দেহে বিশেষ ধরনের নালীতন্ত্র বিদ্যমান, এর সাহায্যে অভন্ত্যরীণ পরিবহন ঘটে।
- এই পর্বের প্রাণীদের কোন অঙ্গ নেই ফলে চলতে পারে না।
- এদের পরিপাক অন্তঃকোষীয়। 

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২.
মস্তিষ্কের কোন অংশ বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) সেরেব্রাম
  2. খ) থ্যালামাস
  3. গ) হাইপোথ্যালামাস
  4. ঘ) সেরেবেলাম
সঠিক উত্তর:
ক) সেরেব্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেরেব্রাম
ব্যাখ্যা
সেরেব্রাম (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- সংবেদী অঙ্গ থেকে আসা অনুভূতি গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করে।
- চিন্তা, বুদ্ধি, ইচ্ছাশক্তি, উদ্ভাবনীশক্তি প্রভৃতি উন্নত মানসিক বোধের নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিভিন্ন সহজাত প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- বাকশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- দেহের সব ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। 

থ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- এটি সংজ্ঞাবহ স্নাউর রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে।
- চাপ, স্পর্শ, যন্ত্রণা প্রভৃতি স্থূল অনুভূতির কেন্দ্র, আবেগের কেন্দ্র ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- মানুষের ব্যাক্তিত্ব ও সমাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায়। 
- ঘুম্নত মানুষকে হঠাৎ জাগিয়ে তোলা ও পরিবেশ সম্বন্ধে সতর্ক করে তোলে।

হাইপোথ্যালামাস (অগ্রমস্তিষ্ক): 
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘাম, ঘুম, রাগ, পীড়ন, ভালোবাসা, ঘৃণা, উদ্বেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 

সেরেবেলাম (পশ্চাৎমস্তিষ্ক): 
- ঐচ্ছিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ওইচ্ছিক পেশির পেশিটান নিয়ন্ত্রণ করে।
- দেহের ভারসাম্য ও দেহভঙ্গি বজায় রাখে।
- চলাফেরার দিক নির্ধারণ করে।
  
সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজি আজমল ও গাজী আসমত 
১৩.
প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কিত বিদ্যাকে কী বলে?
  1. ক) জুওলোজি
  2. খ) ট্যাক্সোনমি
  3. গ) জেনেটিক্স
  4. ঘ) ইভোলিউশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইভোলিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইভোলিউশন
ব্যাখ্যা
- জুওলোজি এর বাংলা পরিভাষা হলো প্রাণিবিজ্ঞান।
- বিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণী সম্পর্কিত বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে প্রাণিবিজ্ঞান বলে।
- ট্যাক্সোনমি হলো জীবের শ্রেণিবদ্ধকরণের বিদ্যা।
- জেনেটিক্স হলো বংশগতিবিদ্যা।
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতিনীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে জেনেটিক্স বলে।
- ইভোলিউশন হলো বিবর্তনবিদ্যা।
- প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কিত বিদ্যাকে ইভোলিউশন বলে। 

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১৪.
নিচের কোনটিকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়?
  1. ক) দেহ কোষ
  2. খ) আদি কোষ
  3. গ) জনন কোষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) জনন কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনন কোষ
ব্যাখ্যা
- অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- যথা: দেহ কোষ এবং জনন কোষ।
দেহ কোষ:
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
- যেমন: পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি।
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে। 
- তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড কোষ বলা হয়। 
জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
- যেমন: শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক।
- তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড কোষ বলা হয়।