পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) গারো
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
খ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গারো
ব্যাখ্যা
গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে। এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর এবং গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করে। এছাড়া বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলেও কিছু সংখ্যক গারো বসবাস করে। বাংলাদেশ ব্যতীত ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যে গারোদের বসবাস রয়েছে। তবে এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে। গারো উপজাতিদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা। এরা মাতৃতান্ত্রিক। গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারি। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
.
টঙ্ক প্রথা কোন অঞ্চলে প্রচলিত ছিলো?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
  3. গ) বৃহত্তর সিলেট
  4. ঘ) বৃহত্তর রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
টঙ্ক প্রথা হলো এক প্রকার খাজনা প্রথা যা বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার হাজং অধ্যুষিত কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, নলিতাবাড়ি, হালুয়াঘাট, শ্রীবর্দি প্রভৃতি উপজেলায় প্রচলিত ছিলো। এই প্রথা অনুযায়ী কৃষকদের ধানের মাধ্যমে খাজনা প্রদান করতে হতো যা টাকার মানের তুলনায় অধিক ছিলো। ফলে হাজং সম্প্রদায়ের কৃষকদের নেতৃত্বে ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত টঙ্ক প্রথাবিরোধী আন্দোলন সংঘটিত হয়।পরবর্তীতে তা অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনে কমরেড মণি সিংহ নেতৃত্ব প্রদান করেন। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
.
বিবিএস পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জত জন মানুষ বাস করে?
  1. ক) ১০৭৭ জন
  2. খ) ১১১৬ জন
  3. গ) ১১৯০ জন
  4. ঘ) ১২১৫ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৬ জন। মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৬ লক্ষ। খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.২ জন। সাক্ষরতার হার ৭৩.২ শতাংশ। গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। বেকারত্বের পরিমাণ ৪.২ শতাংশ। (সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
.
বাঙালি সম্প্রদায়ের নবান্ন উৎসবের ন্যায় উপজাতীয় সম্প্রদায় কোন উৎসবটি পালন করে?
  1. ক) সাংগ্রাই
  2. খ) ওয়ানগালা
  3. গ) বৈসু
  4. ঘ) বিজু
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ানগালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ানগালা
ব্যাখ্যা
নতুন ফসল উঠানোকে কেন্দ্র করে বাঙালি সম্প্রদায় অগ্রহায়ণ মাসে নবান্ন উৎসব পালন করে থাকে। একইরূপ গারো সম্প্রদায় নতুন ফসল তোলার পূর্বে শস্যদেবতারপ্রতি কৃজ্ঞতার জন্যে ওয়ানগালা উৎসব পালন করে। এটি গারোদের প্রধান সামাজিক ও কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব। গারোদের সামাজিক উৎসবগুলো মূলত কৃষিকেন্দ্রিক। গারো উপজাতিরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। সাঁওতালদের প্রধান উৎসব হলো সোহরাই এবং বাহা। সাংগ্রাই, বৈসু ও বিজু বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের ন্যায় যথাক্রমে মারমা, ত্রিপুরা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
.
পিনুন কোন নৃ-গোষ্ঠীর পোশাক?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) গারো
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
ব্যাখ্যা
পিনুন চাকমা এবং তঞ্চঙ্গা নারীদের পোশাক যা কোমড় থেকে পা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পোশাক চাকমা ও তঞ্চঙ্গারা নিজেরা বেইন নামের কোমর তাঁতের মাধ্যমে তৈরি করে। এছাড়া চাকমা এবং তঞ্চঙ্গা নারীরা খাদি কানাই ও খবং নামের পোশাক পরিধান করে। গারো পুরুষরা গান্দো, পান্ত্রা, কটিপ এবং নারীরা রেকিং, জারন, আনপান, কপিং প্রভৃতি পোশাক পরিধান করে। মারমা পুরুষরা ধেয়ার ও বারিস্টা আঙ্গি পোশাক এবং নারীরা বেদাইত আঙ্গি নামের ব্লাউজ পরে। সাঁওতালি পুরুষরা পানচি এবং নারীরা পানচি-পাড়হান্ড নামের পোশাক পরিধান করে। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
.
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ১১ জুলাই
  2. খ) ২২ এপ্রিল
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১০ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জুলাই
ব্যাখ্যা
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। ১৯৮৯ সালে ইউএনডিপি”র উদ্যোগে দিবসটি পালন করা শুরু হয়। ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১০ অক্টোবর বিশ্ব মনসিক স্বাস্থ্য দিবস। (সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
.
১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিলো?
  1. ক) ৫.৫২ কোটি
  2. খ) ৭.৬৪ কোটি
  3. গ) ৮.১০ কোটি
  4. ঘ) ৮.১৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিলো ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ। দেশ স্বাধীনের আগে ১৯৬১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ছিলো ৫ কোটি ৫২ লক্ষ। সর্বশেষ ২০১১ সালে ৫ম আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লক্ষ। ২০২১ সালে পরবর্তী ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে। (সূত্রঃ জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)