পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাPSCতারিখ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩সময়55 minutes৯৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অধীন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর পদের নাম: সিনিয়র স্টাফ নার্স (গ্রেড-১০) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ০২.০৯.২০২৩--------------------------- [For iPad Mania: Season - 2] Exam Taker: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

PSC · ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থের নাম কী?
  1. চর্যাপদ
  2. বৈষ্ণব পদাবলী
  3. ঐতরেয় আরণ্যক
  4. দোহাকোষ
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
.
‘ইউসুফ জোলেখা’ গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন-
  1. দৌলত উজির বাহরাম খান
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. আলাওল
  4. আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম  ইউসুফ-জোলেখা।

⇒ ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জুলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তবে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন। 

• বিশেষ তথ্য: 
- শাহ মুহম্মদ সগীর ছাড়াও মধ্যযুগে  আবদুল হাকিম,  শাহ্ গরীবউল্লাহ, গোলাম সফাতউল্লাহ, সাদেক আলী ও ফকির মোহাম্মদ ইউসুফ-জুলেখা কাব্য রচনা করেন। - তাঁদের মধ্যে প্রথম দুজন বাংলা এবং অন্যরা দোভাষী পুথির মিশ্র ভাষা ব্যবহার করেন।  
- ফারসি ভাষায় ফেরদৌসী (১১শ শতক) ও জামী (১৫শ শতক) ইউসুফ-জুলেখার প্রেমকথা অবলম্বনে সুফি অধ্যাত্মতত্ত্বের কাব্য রচনা করেন। 
- দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত অনুবাদ কাব্য ‘লায়লী মজনু’।

[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।] 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়িা।
.
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার রচয়িতা কে?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. কামিনী রায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- তিনি ১৯২৬ সালের ১৫ই আগস্ট কলকাতার কালিঘাটিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায়। 
- তিনি 'কিশোরকবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। 
- তার কবিতায় শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের হুঙ্কার দিকটি বলিষ্ঠভাবে প্রকাশ পায়। 
- তিনি মাত্র ২০ বছর ৯ মাস বয়সে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৩ই মে মৃত্যুবরণ করেন। 
- ১৯৮৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয় ।
- সুকান্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক ও শিল্পিসঙ্ঘের পক্ষে আকাল (১৯৪৪) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। 

• 'আঠারো বছর বয়স':
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। 
-  'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত। 
-  'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'আঠারো' শব্দটি নয়বার ব্যবহার করা হয়েছে। 
-  'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় প্রতি চরণে মাত্রা সংখ্যা ১৪। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ছাড়পত্র, 
- ঘুম নেই, 
- পূর্বাভাস, 
- অভিযান, 
- হরতাল, 
- গীতিগুচ্ছ ইত্যাদি। 

'আঠারো বছর বয়স'- কবিতা, 
------------ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
 
আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
র্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,
আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।

আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা,
এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়–
আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা।

এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে,
প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য
সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।

 
আঠরো বছর বয়স ভয়ঙ্কর
তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা,
এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর
এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।

আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার
পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,
দুর্যোগে হাল ঠিক মতো রাখা ভার
ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ।

আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে
অবিশ্র্রান্ত; একে একে হয় জড়ো,
এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো।

তব আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি,
এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,
বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে,
এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়–
এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া, 'আঠারো বছর বয়স'- কবিতা।  
.
সাধু রীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরূপ হয় না?
  1. বিশেষণ
  2. সর্বনাম
  3. ক্রিয়া
  4. অব্যয়
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য: 
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। 
- 'সাধু ভাষা' রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া, অষ্টম শ্রেণীর ব্যকরণ বই। 
.
যে সব নিয়মে সন্ধি নিয়মানুসারে হয় তাকে বলে-
  1. স্বরসন্ধি
  2. ব্যঞ্জন সন্ধি
  3. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
  4. বিসর্গ সন্ধি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ভুল ছিল। এখানে হয়ত প্রশ্নটি হওয়ার কথা ছিল- যে সব সন্ধি নিয়মানুসারে হয় না তাকে কী বলে? সেক্ষেত্রে আমরা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি উত্তর হিসেবে গ্রহণ করতে পারতাম। 
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

---------------------------------------------- 
• নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি: 

- কিছু ব্যঞ্জনসন্ধি নিয়ম ছাড়া হয়, সেগুলােকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
যেমন – গাে+পদ = গােষ্পদ,
এক+দশ = একাদশ,
বৃহৎ+পতি = বৃহস্পতি ইত্যাদি।

• নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- কিছু স্বরসন্ধি সূত্র অনুসরণ করেনা তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে। 
যেমন, 
- কুল+অটা = কুলটা। 
- গাে+অক্ষ = গবাক্ষ। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘মুখতোলা’ বাক্যাংশের বিশিষ্ট অর্থ কী?
  1. নিজের মুখ উপরে তোলা
  2. অন্যের মুখ উপরে তোলা
  3. নষ্ট করা
  4. প্রসন্ন হওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রসন্ন হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসন্ন হওয়া
ব্যাখ্যা
‘মুখ তোলা’ অর্থ অনুগ্রহ লাভ করা, প্রসন্ন হওয়া।
উদাহরণ - খোদা মুখ তুলে চাইলে অবশ্যই ব্যবসায় লাভ হবে।

এমনিভাবে, 
মুখ রাখা - সম্মান রক্ষা করা। 
মুখ ধরা - মুখের স্বাদ নষ্ট হওয়া। 
মুখ বদলানো - স্বাদ বদলানো। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘আবাহন’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. বিসর্জন
  2. তিরোভাব
  3. অপকর্ষ
  4. অবরোহণ
সঠিক উত্তর:
বিসর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসর্জন
ব্যাখ্যা
• ‘আবাহন’ এর বিপরীত শব্দ- 'বিসর্জন'। 

অন্যান্য অপশন:
• ‘আবির্ভাব’ এর বিপরীত শব্দ 'তিরোভাব'।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ-'অপকর্ষ'। 
• 'আরোহণ' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'অবরোহণ'। 

• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ- 
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীত শব্দা = প্রসারণ।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = বিভক্ত।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সংকুচিত।
- 'হত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = জীবিত।
- 'সংযত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = অসংযত।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর।
.
‘পঞ্চপদ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি
  2. অব্যয়ীভাব
  3. দ্বিগু
  4. ব্যতিহার বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস: 
- সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল,
- চার রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা,
- তিন মাথার সমাহার = তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী,
- পঞ্চ বটের সমাহার = পঞ্চবটী;
- ত্রি পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।
এমনিভাবে, পঞ্চ পদের সমাহার= 'পঞ্চপদ'।   

• 'পঞ্চপদ' বলতে বোঝায়- পাঁচ প্রকার খাবার যা কোনো বিশেষ সময়ে বা অনুষ্ঠানে প্রস্তুত করা হয়। 
উদাহরণ : "আজ মা পঞ্চপদও বানিয়েছে". 

[পুরাতন সংস্করণের বইগুলোতে 'দ্বিগু' আলাদা সমাস থাকলেও ২০২১ এর সংস্করণে দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (সংস্করণ ২০১৯ )।
.
‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক কে?
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. প্রথম চৌধুরী
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
প্রথম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - 'প্রমথ চৌধুরী'
 
• সবুজপত্র পত্রিকা:
- ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। 
- বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তের বছর চলে। 
- এই পত্রিকার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গভীর ভাবে জড়িত ছিলেন।
- এই পত্রিকা রবীন্দ্রনাথের চিন্তা এবং ভাষারীতির আধুনিকতা বিকাশে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল।
- সবুজপত্র মাসিক পত্রিকা ছিল এবং এই পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরী প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন।
- সবুজপত্রের প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং সম্পাদকের নিজের লেখা সন্নিবেশিত হয়। 
- এ সাময়িকীতে শুধু সবুজ রং-ই ব্যবহার করা হতো। নন্দলাল বসু অঙ্কিত একটি সবুজ তালপাতা এর প্রচ্ছদে ব্যবহূত হতো। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘ধন ধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ সংগীতটির রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রজনীকান্ত
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
• "ধন ধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা"- গানটির রচয়িতা 'দ্বিজেন্দ্রলাল রায়'
- তাঁর রচিত ঐতিহাসিক 'সাজাহান' নাটকে এই গানটি পাওয়া যায়।

• দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:
- বাংলা সাহিত্যে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার ও গীতিকার।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম।  
- তিনি কিশোর কাল থেকে কাব্যচর্চা শুরু করেন।
- বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯০৫ সালে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অসামান্য অবদান ছিল। 

• দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান:
- ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’।
- ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’ ইত্যাদি।

 • তাঁর রচিত সামাজিক নাটক:
- পরপারে।
- বঙ্গনারী।

নকশা-প্রহসন:
- একঘরে।
- পুনর্জন্ম।
- ত্র্যহস্পর্শ।
- প্রায়শ্চিত্ত।
- আনন্দ বিদায়।

• তাঁর কয়েকটি গ্রন্থ:
- আর্য্যগাথা।
- মন্দ্র।
- আলেখ্য।
- ত্রিবেণী ইত্যাদি। 

• ঐতিহাসিক নাটক:
- রানা প্রতাপসিংহ।
- মেবার-পতন।
- নূরজাহান।
- সাজাহান।
- চন্দ্রগুপ্ত।
- সিংহল বিজয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া। 
১১.
বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম-
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবী 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবী অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম- 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়', কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধেভিত্তিক উপন্যাস নয়?
  1. কাঁদো নদী কাঁদো
  2. দুই সৈনিক
  3. রাইফেল রোটি আওরাত
  4. যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কাঁদো নদী কাঁদো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা
'কাঁদো নদী কাঁদো'- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি  উপন্যাস।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌: 

- ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছাত্রাবস্থায় তিনি 'ভরের আলো' নামের হাটে লেখা পত্রিকা সম্পাদন করেন।

• 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাস:
- ১৯৬৮ সালে  সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি  উপন্যাস।
- আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এর সমাজজীবন, পরিবেশ ও চরিত্রাদি স্বদেশীয়। - তবারক ভুঁইয়া নামে এক স্টিমারযাত্রীর মুখে বিবৃত কুমুরডাঙ্গার ছোট হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফার জীবনালেখ্য ও অন্তর্জীবনের ইতিকথা এর বিষয়বস্ত্ত। প্রকৃতপক্ষে তা মুহাম্মদ মুস্তফারই অবচেতন মনের বিবৃতি।
- এরূপ আঙ্গিকের জন্য চরিত্রের মতো আখ্যানভাগও আপাত জটিল ও খাপছাড়া বলে প্রতিভাত হয়। 
- একদিকে নিয়তি তাড়িত মুহাম্মদ মুস্তফার করুণ জীবনোপাখ্যান।
- অপরদিকে শুকিয়ে যাওয়া বাকাল নদীর প্রভাবতাড়িত কুমুরডাঙ্গার মানুষের ব্যতিব্যস্ত জীবনচিত্র জীবন ও নিসর্গ, বাস্তব ও পরাবাস্তব, মানবচৈতন্য ও অবচেতনা, বিশ্বাস ও সংস্কার সবকিছু মিলে অস্তিত্ববাদ ও নিয়তিবাদের সমন্বয়ে এক অভিনব ও জটিল শৈল্পিক নৈপুণ্যে গ্রন্থখানি বাংলা উপন্যাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- লালসালু,
- দি আগলি এশিয়ান।

অন্যদিকে, 
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' এর রচয়িতা শওকত ওসমান।  
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসটি লিখেছেন- আনোয়ার পাশা। 
• ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস- 'যুদ্ধ'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
‘দীর্ঘ’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. দূর
  2. দুর্গম
  3. দৃঢ়
  4. হ্রস্ব
সঠিক উত্তর:
হ্রস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রস্ব
ব্যাখ্যা
• 'দীর্ঘ' শব্দের বিপরীত শব্দ- 'হ্রস্ব'।

অন্যদিকে, 
'দূর' এর বিপরীত শব্দ- 'নিকট'। 
'দুর্গম' এর বিপরীত শব্দ- 'সুগম'। 
'দৃঢ়' এর বিপরীত শব্দ- 'শিথিল'। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ), ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।
১৪.
‘বিশেষ্য + ক্রিয়া’ দ্বারা কোন সমাসকে বোঝায়?
  1. নিত্য সমাস
  2. অলুক তৎপুরুষ
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. উপপদ তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• উপপদ তৎপুরুষ সমাস: 
- কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
- এ সমাসে পূর্বপদ সাধারণত বিশেষ্য হয়ে থাকে। 
- যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়, সে পদকে উপপদ বলে।
- যেমন:
জলে চরে যা = জলচর,
জল দেয় যা = জলদ,
পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ ইত্যাদি।

উপরের উদাহরণগুলোতে দেখা যায়, ব্যাসবাক্যের প্রথমে বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে ক্রিয়াপদের সংযোগে সমাস হয়েছে। 
-------------------------
অন্যদিকে। 
নিত্য সমাস: 
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে।
- শব্দের শেষে ‘মাত্র’ ‘অন্তর’ যুক্ত থাকলে সাধারণত নিত্য সমাস হয়।
যেমন : গৃহান্তর, গ্রামান্তর। 

অলুক তৎপুরুষ সমাস :
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অনুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন : গায়ে পড়া - গায়েপড়া।
এরূপ-ঘিয়ে ভাজা, কলে ছাঁটা, কলের গান, গরুর গাড়ি ইত্যাদি।

• কর্মধারয় সমাস:
- এতে সমান বিভক্তিযুক্ত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং পরপদে বিশেষ্যের অর্থ প্রধান থাকে।
- অর্থাৎ, যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে বলা হয় কর্মধারয় সমাস।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম,
- যে শান্ত সেই শিষ্ট = শান্তশিষ্ট। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
বাংলা ভাষার আদি উৎস কী?
  1. সংস্কৃত ভাষা
  2. পালি ভাষা
  3. প্রাকৃত ভাষা
  4. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার অন্তর্গত ছিল। 
পৃথিবীর অনেকগুলো ভাষাগোষ্ঠী রয়েছে। তার মধ্যে ‘আদি আর্য ভাষাগোষ্ঠী' কিংবা ‘ইন্দো-ইউরোপীয়' থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি লাভ করেছে।
আনুমানিক খ্রিষ্ট পূর্ব ৫০০০ বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশ ও ইউরোপের ভাষাই হলো ইন্দো-ইউরোপীয় কিংবা আদি আর্য ভাষা।

• ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে।
- সেগুলো হলো:
ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয় → ভারতীয় আর্য → প্রাকৃত → বাংলা।
- বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

এই ভাষার প্রধান শাখা ১০ টি।
১. গ্রিক,
২. ইটালিক,
৩. কেলটিক,
৪. জার্মানিক,
৫. হিট্টাইট
৬. তুখারীয়
৭. বালটো-স্লাভিক
৮. অ্যালবানীয়
৯. আর্মেনীয়
১.০. ইন্দো-ইরানীয় ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ এবং বাংলা একাডেমি ব্যাকরণ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ - কবিতাটি কার?
  1. জীবনানন্দ দাশের
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্যের
  3. সৈয়দ শামসুল হকের
  4. মাহবুব উল আলম চৌধুরীর
সঠিক উত্তর:
মাহবুব উল আলম চৌধুরীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহবুব উল আলম চৌধুরীর
ব্যাখ্যা
'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি': 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের।
- সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী অসুস্থ শরীরে রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে প্রতিবাদ সভায় সে কবিতা পড়লেন তাঁরই সতীর্থ চৌধুরী হারুণ-উর-রশীদ।
- পাকিস্তান সরকার সে কবিতা বাজেয়াপ্ত করে।
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ একুশের প্রথম কবিতা।

'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি'- কবিতা, 
মাহবুব উল আলম চৌধুরী। 

ওরা চল্লিশজন কিংবা আরো বেশি
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে—রমনার রৌদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচূড়ার গাছের তলায়
ভাষার জন্য, মাতৃভাষার জন্য—বাংলার জন্য।
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে
একটি দেশের মহান সংস্কৃতির মর্যাদার জন্য
আলাওলের ঐতিহ্য
কায়কোবাদ, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের
সাহিত্য ও কবিতার জন্য
যারা প্রাণ দিয়েছে ওখানে
পলাশপুরের মকবুল আহমদের
পুঁথির জন্য-
রমেশ শীলের গাথার জন্য,
জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাটের’ জন্য।
যারা প্রাণ দিয়েছে
ভাটিয়ালি, বাউল, কীর্তন, গজল
নজরুলের “খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি
আমার দেশের মাটি।”
এ দুটি লাইনের জন্য
দেশের মাটির জন্য,
রমনার মাঠের সেই মাটিতে
কৃষ্ণচূড়ার অসংখ্য ঝরা পাপড়ির মতো
চল্লিশটি তাজা প্রাণ আর
অঙ্কুরিত বীজের খোসার মধ্যে
আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের অসংখ্য বুকের রক্ত।
রামেশ্বর, আবদুস সালামের কচি বুকের রক্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সেরা কোনো ছেলের বুকের রক্ত।
আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের প্রতিটি রক্তকণা
রমনার সবুজ ঘাসের উপর
আগুনের মতো জ্বলছে, জ্বলছে আর জ্বলছে।
এক একটি হীরের টুকরোর মতো
বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছেলে চল্লিশটি রত্ন
বেঁচে থাকলে যারা হতো
পাকিস্তানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ
যাদের মধ্যে লিংকন, রকফেলার,
আরাগঁ, আইনস্টাইন আশ্রয় পেয়েছিল
যাদের মধ্যে আশ্রয় পেয়েছিল
শতাব্দীর সভ্যতার
সবচেয়ে প্রগতিশীল কয়েকটি মতবাদ,
সেই চল্লিশটি রত্ন যেখানে প্রাণ দিয়েছে
আমরা সেখানে কাঁদতে আসিনি।
যারা গুলি ভরতি রাইফেল নিয়ে এসেছিল ওখানে
যারা এসেছিল নির্দয়ভাবে হত্যা করার আদেশ নিয়ে
আমরা তাদের কাছে
ভাষার জন্য আবেদন জানাতেও আসিনি আজ।
আমরা এসেছি খুনি জালিমের ফাঁসির দাবি নিয়ে।
আমরা জানি ওদের হত্যা করা হয়েছে
নির্দয়ভাবে ওদের গুলি করা হয়েছে
ওদের কারো নাম তোমারই মতো ওসমান
কারো বাবা তোমারই বাবার মতো
হয়তো কেরানি, কিংবা পূর্ব বাংলার
নিভৃত কোনো গাঁয়ে কারো বাবা
মাটির বুক থেকে সোনা ফলায়
হয়তো কারো বাবা কোনো
সরকারি চাকুরে।
তোমারই আমারই মতো
যারা হয়তো আজকেও বেঁচে থাকতে
পারতো,
আমারই মতো তাদের কোনো একজনের
হয়তো বিয়ের দিনটি পর্যন্ত ধার্য হয়ে গিয়েছিল,
তোমারই মতো তাদের কোনো একজন হয়তো
মায়ের সদ্যপ্রাপ্ত চিঠিখানা এসে পড়বার আশায়
টেবিলে রেখে মিছিলে যোগ দিতে গিয়েছিল।
এমন এক একটি মূর্তিমান স্বপ্নকে বুকে চেপে
জালিমের গুলিতে যারা প্রাণ দিল
সেই সব মৃতদের নামে
আমি ফাঁসি দাবি করছি।

উৎস: প্রথম আলো, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
কোনটি আঞ্চলিক উপন্যাস?
  1. শ্রীকান্ত
  2. ঘরে-বাইরে
  3. পদ্মানদীর মাঝি
  4. খোয়াবনামা
সঠিক উত্তর:
পদ্মানদীর মাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মানদীর মাঝি
ব্যাখ্যা
• 'পদ্মানদীর মাঝি'- পদ্মা তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনকাহিনি নিয়ে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আঞ্চলিক উপন্যাস।  

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:

-  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কথাসাহিত্যিক।
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নের সময় বিচিত্রা পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ প্রকাশিত হয়। 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের প্রথম পর্বে মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড, ইয়ুং, অ্যাডলার প্রমুখ দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি মার্কসবাদে দীক্ষা নেন।
---------------------- 
• পদ্মানদীর মাঝি:
- এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি আঞ্চলিক উপন্যাস।
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর- জীবন এর মূল কাহিনি।
- উপন্যাসে 'আমারে নিবা মাঝি লগে?'- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র - কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিঞা ইত্যাদি।
------------------------------- 
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরতলী,
- অহিংসা,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- আরোগ্য প্রভৃতি।
------------------------------- 
অন্যদিকে,
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'। 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষারীতিতে লেখা স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'ঘরে বাইরে'। 
• ঐতিহাসিক উপাদান নির্ভর উপন্যাস 'খোয়াবনামা' এর রচয়িতা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং পদ্মানদীর মাঝি।
১৮.
পয়মন্তি এলো। এখানে ‘পয়মন্তি’ কোন কারক?
  1. কর্মকারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. কর্তৃকারক
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারক
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক: 
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)
যেমন,
পয়মন্তি এলো- এই বাক্যে ক্রিয়াকে কে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'পয়মন্তি'।
তাই, এখানে ‘পয়মন্তি’ কর্তৃকারক।
-------------------------------------- 
• কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ: 
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।
- সবাইকে একদিন মরতে হবে = কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি। 
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তি। 
- পাছে লােকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি।
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি।
- ঘােড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
নিচের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
  1. মেঘনাদবধ কাব্য
  2. শেষ লেখা
  3. জীবনস্মৃতি
  4. চিলেকোঠার সেপাই
সঠিক উত্তর:
চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি 'উনসত্তরের গগণঅভ্যুত্থান' প্রেক্ষাপটে রচিত। 

• 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস: 
- ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা।
- এটি তার একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান।
- কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
- এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি ওঠে এসেছে। 

অন্যদিকে, 
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ- 'শেষ লেখা'। 
• 'জীবনস্মৃতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২০.
‘সস্তার তিন অবস্থা’র অর্থ কী?
  1. সুলভ জিনিস ভালো না।
  2. সুলভ জিনিস কেনা খারাপ।
  3. কমদামী জিনিস খারাপ।
  4. সুলভ জিনিসের নানা দোষ।
সঠিক উত্তর:
সুলভ জিনিসের নানা দোষ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলভ জিনিসের নানা দোষ।
ব্যাখ্যা
‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রবাদটির অর্থ- 'সুলভ জিনিসের নানা দোষ'।

• ইংরেজিতে প্রবাদটি:
Cheap goods are dear in the long run. 

• আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রবাদ- প্রবচন: 
- 'ধর্মের কল বাতাসে নাড়ে’ প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = গোপন অন্যায়ের আকস্মিক প্রকাশ। 
- 'লঘু পাপে গুরু দণ্ড' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অপরাধের তুলনায় অধিক সাজা।  
- 'গরিবের ঘোড়া রোগ' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর। 
২১.
What kind of noun is 'class'?
  1. Proper
  2. Common
  3. Material
  4. Collective
সঠিক উত্তর:
Collective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collective
ব্যাখ্যা
Class: 
English Meaning -
1. A group of students who are taught together at school, college, or university. 
2. A group of people within society who have the same economic and social position. 

Bangla Meaning - একই সামাজিক মর্যাদার অধিকারী সব ব্যক্তি।
-------------
'Class' শব্দটি sentence এর উপর ভিত্তি করে Proper, Common অথবা Collective noun হতে পারে। 
- Definition অনুযায়ী অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে Collective Noun নেয়া হলো। 

Source: Cambridge Dictionary.
২২.
Which word can be used both as a verb and a noun?
  1. Rather
  2. Carry
  3. Better
  4. Lecture
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Carry, গ) Better, ঘ) Lecture. 
- অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায়, উত্তর নেয়া সম্ভব হয় নি। 

---------------------------- 
ক) Rather (adverb): 
Meaning - বরং; বরঞ্চ। 

খ) Carry (verb)
Meaning - বহন করা; নিয়ে যাওয়া; বয়ে নেওয়া। 

আবার, Carry (noun) - বন্দুক ইত্যাদির পাল্লা; ( গোলা ইত্যাদির) অতিক্রান্ত দূরত্ব।

গ) Better (adjective) - 'good' ও 'best' এর 'comparative' form. 
Better (adverb) - In a more suitable, pleasing, or satisfactory way, or to a greater degree. 
Better (noun) - বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি; অধিকতর জ্ঞানী ব্যক্তি। 
Better (verb) - অধিকতর ভালো করা; অপেক্ষাকৃত উৎকর্ষসাধন করা। 

ঘ) Lecture (noun) - শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রদত্ত বক্তৃতা
Lecture (verb) - বক্তৃতা করা। 

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
২৩.
Let us discuss the problem ....... telephone.
  1. by
  2. on
  3. over
  4. in
সঠিক উত্তর:
by
উত্তর
সঠিক উত্তর:
by
ব্যাখ্যা
সাধারণত Phone শব্দটির পূর্বে  by বসে। কিন্তু 'the phone' এর পূর্বে over/on বসে।
যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে phone এর পূর্বে the নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে - by.

Complete Sentence - Let us discuss the problem by telephone.

• By phone: The company can be reached by phone at this number.
• Over the phone: You can arrange a meeting over the phone.
• On the phone: She has spent hours on the phone in recent weeks.

Source: Cambridge Dictionary [Link], Britannica Dictionary [Link]. 
২৪.
Identify the masculine gender-
  1. sow
  2. drone
  3. heifer
  4. filly
সঠিক উত্তর:
drone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
drone
ব্যাখ্যা
Drone: 
Meaning - পুং মৌমাছি।
- Masculine gender হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এর Feminine gender হচ্ছে Bee.

Other options, 
Sow - পূর্ণবয়স্ক শূকরী; Feminine Gender. 
Heifer - বকনা বাছুর; Feminine Gender. 
Filly - বাচ্চা ঘোটকী; Feminine Gender. 
২৫.
The opposite word of 'friendliness' is -
  1. enmity
  2. hostile
  3. friendly
  4. sinful
সঠিক উত্তর:
enmity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
enmity
ব্যাখ্যা
Friendliness (noun): 
English Meaning - The quality of behaving in a pleasant, kind way towards someone. 
Bangla Meaning - বন্ধুভাব; বন্ধুভাবাপন্নতা; হৃদ্যতা।

Given options, 
ক) Enmity (noun) - শত্রুতা; 
খ) Hostile (adjective) - শত্রুপক্ষীয়; বৈরী; 
গ) Friendly (adjective) - বন্ধুত্বপূর্ণ; বন্ধুজনোচিত; বন্ধুভাবাপন্ন; সহৃদয়; মিত্রোচিত; বন্ধুসুলভ; সানুরাগ; প্রীতিপূর্ণ; 
ঘ) Sinful (adjective) - অন্যায়; অনাচারী; পাপময়।

অপশনমূহ বিবেচনায় সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - ক) Enmity (noun) - শত্রুতা। 
২৬.
The synonym for 'patient' is-
  1. calm
  2. sad
  3. impatient
  4. afraid
সঠিক উত্তর:
calm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
calm
ব্যাখ্যা
Patient (adjective): 
English Meaning - Having patience. 
Bangla Meaning - ধৈর্যশীল। 

Given options, 
ক) Calm - অনুত্তেজিত; প্রশান্ত; প্রসন্ন; স্থির; শান্ত; নিস্তরঙ্গ।
খ) Sad - অসুখী; বিষণ্ণ; বিষাদিত; বিমর্ষ; কাতর; ম্রিয়মাণ।
গ) Impatient - অসহিষ্ণু।
ঘ) Afraid - ভীত; সন্ত্রস্ত; শঙ্কিত। 

অপশনমূহ বিবেচনায় সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - ক) Calm
২৭.
Fill in the gap: She goes to ......... university every day.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article
সঠিক উত্তর:
no article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
no article
ব্যাখ্যা
• সাধারণ অর্থে/ প্রাত্যাহিক কাজ বুঝালে 'School', 'College', 'University' এর পূর্বে 'the' ব্যবহৃত হয় না। 
যেমন - A student goes to school to get an education.

• তবে কোন বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হলে 'the' ব্যবহৃত হয়। 
যেমন - Linda’s mother went to the school to speak to her daughter’s teacher.

তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - no article. 
Complete Sentence - She goes to university every day.
Meaning - সে প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়।
২৮.
'Do call a taxi.' What kind of sentence is this?
  1. Imperative
  2. Interrogative
  3. Assertive
  4. Optative
সঠিক উত্তর:
Imperative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Imperative
ব্যাখ্যা
Imperative Sentence:
- যে Sentense দ্বারা আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে Imperative Sentence বলে।
- 'Verb + object' দ্বারা শুরু হলে Imperative Sentence হয়।  

তাই, 'Do call a taxi.' হচ্ছে Imperative Sentence. 
Meaning - একটা ট্যাক্সি ডাকো।
২৯.
We can join two sentences by-
  1. semicolon
  2. comma
  3. full stop
  4. hyphen
সঠিক উত্তর:
semicolon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
semicolon
ব্যাখ্যা
Semicolon: 
- Used in writing between two parts of a sentence, usually when each of the two parts can form grammatical sentences on their own. 
- সাধারণত দুটি sentence কে যুক্ত করতে (;) ব্যবহৃত হয়। 
Example - I love to read books; I don't have much free time.

Comma - কমা দুটি clause কে যুক্ত করে; তবে sentence কে যুক্ত করলে একটি co-ordinating conjunction ব্যবহার করতে হয়। 
Example - I love to read books, but I don't have much free time.

Other options, 
গ) full stop (.) - Marks the end of one sentence and the beginning of another. It doesn't "join" sentences in the way a semicolon does, but it separates them.
ঘ) hyphen (-) - This is used to join words, not sentences.
৩০.
The correct passive of 'Smoke filled the room' is-
  1. The room was filled by smoke.
  2. The room was filled with smoke.
  3. The room had been filled with somke.
  4. The room is filled by smoke.
সঠিক উত্তর:
The room was filled with smoke.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The room was filled with smoke.
ব্যাখ্যা
•প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে। Past indefinite যুক্ত বাক্যকে passive করার নিয়ম - 
- Active এর object প্রথমে
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb
- মূল verb এর past participle form
- by
- Active এর subject
- extension.
- কিন্তু active voice এ cover, crowd, seize, fill ইত্যাদি verb গুলো থাকলে, Passive voice এর verb এর past participle এর পর by এর পরিবর্তে with বসে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর - The room was filled with smoke.
৩১.
Which word in neutral in meaning?
  1. Wife
  2. Husband
  3. Brother
  4. Spouse
সঠিক উত্তর:
Spouse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spouse
ব্যাখ্যা
Spouse - স্বামী বা স্ত্রী।
- এর দ্বারা Masculine বা Feminine কোনোটিই বুঝায় না; neutral অর্থে ব্যবহৃত হয়। 

Other options, 
Wife - স্ত্রী (Feminine gender). 
Husband - স্বামী (Masculine gender). 
Brother - ভাই (Masculine gender). 
৩২.
Which word is not an adverb?
  1. Cowardly
  2. Visibly
  3. Slowly
  4. Fast
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ক) Cowardly (adjective): 
Meaning - (of a person) not at all brave and too eager to avoid danger, difficulty, or pain. 

Cowardly (adverb): 
Meaning - In a way that shows someone is not at all brave and is too eager to avoid danger, difficulty, or pain. 

খ) Visibly (adverb) - In a way that is easily seen; দৃশ্যত। 

গ) Slowly (adverb) - At a slow speed. 

ঘ) Fast (adverb) - দ্রুত; তাড়াতাড়ি। 
----------------
• অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
৩৩.
Fill in the gap: Tears rolled ........ her cheeks.
  1. on
  2. by
  3. upon
  4. down
সঠিক উত্তর:
down
উত্তর
সঠিক উত্তর:
down
ব্যাখ্যা
Roll down: 
Meaning - গড়িয়ে পড়া। 
Example Sentence - A tear rolled down his cheek.

Complete Sentence - Tears rolled down her cheeks.
৩৪.
Which one is an example of a positive degree?
  1. Much
  2. More
  3. Less
  4. Last
সঠিক উত্তর:
Much
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Much
ব্যাখ্যা
Much - বেশি। 
- Positive form হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

Positive » Comparative » Superlative
- Much » More » Most; 
- Little » Less » Least. 

• 'Last' is often used to indicate a position in a sequence, and it is not a degree or a comparison of qualities.

তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - Much

Source: Applied English Grammar & Composition by P.C. Das. 
৩৫.
The plural form of thesis is-
  1. Theses
  2. Thesis
  3. Thasis
  4. Thesease
সঠিক উত্তর:
Theses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Theses
ব্যাখ্যা
Thesis:
English meaning: a long piece of writing on a particular subject, especially one that is done for a higher college or university degree.
Bangla meaning: যুক্তির দ্বারা সমর্থিত বা সমর্থনীয় বিবৃতি বা তত্ত্ব; প্রতিপাদ্য।

Plural form: Theses

• আরো কিছু শব্দের Singular ও Plural form নিম্নে দেওয়া হলো:
Singular → Plural
- Oasis → Oases; 
- Crisis → Crises; 
- Axis → Axes; 
- Basis → Bases. 
৩৬.
One should take care of ...... health.
  1. his
  2. one's
  3. once
  4. everyone's
সঠিক উত্তর:
one's
উত্তর
সঠিক উত্তর:
one's
ব্যাখ্যা
One (personal pronoun): 
- One can be used to refer to ‘people in general’.
- One এর Possessive Case one's বসে, his বা her বসে না।
যেমন: One should do one's duty.

Complete Sentence - One should take care of one's health. 

Source: Cambridge Dictionary. 
৩৭.
The word 'motherly' is a/an-
  1. noun
  2. verb
  3. adjective
  4. adverb
সঠিক উত্তর:
adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adjective
ব্যাখ্যা
• সাধারণত, Noun + ly = Adjective হয়। Example:
- Friend+ly = Friendly;
- Mother+ly = Motherly;
- King+ly = Kingly;
- Man+ly = Manly;
- Week + ly = Weekly etc.

• Motherly (adjective): 
Meaning - A motherly woman treats other people with a lot of kindness and love and tries to make certain they are happy.
৩৮.
'Fifty miles (be) a long way'. Use right form of verb-
  1. is
  2. are
  3. have
  4. should
সঠিক উত্তর:
is
উত্তর
সঠিক উত্তর:
is
ব্যাখ্যা
• একই দৈর্ঘ্য, পরিমাণ, বা স্থান বুঝালে Subject plural হলেও verb টি singular হবে। 
Examples:
- Twenty-five dollars is too much to pay for that shirt.
- Two miles is too much to run in one day.
- Fifty minutes isn't enough time to finish this test.

Complete Sentence - Fifty miles is a long distance. 

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain. 
৩৯.
Nursing is a noble profession. The underlined word is a/an-
  1. participle
  2. gerund
  3. verb
  4. adjective
সঠিক উত্তর:
gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
gerund
ব্যাখ্যা
• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়: 
1. As subject: Rising early is a good habit. 
2. As object: I like playing Badminton.
3. As the object of preposition: He is fond of cooking beef. 
4. As a complement of the verb: Working is earning.

• Nursing is a noble profession- এই বাক্যে 'Nursing' শব্দটি subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; তাই এটি Gerund
৪০.
'Break a leg' means-
  1. bad luck
  2. good luck
  3. to be failed
  4. leg behind
সঠিক উত্তর:
good luck
উত্তর
সঠিক উত্তর:
good luck
ব্যাখ্যা
Break a leg (idiom): 
English Meaning - Used for wishing someone good luck, especially before a performance. 
Bangla Meaning - শুভ কামনা জানানো। 
Example Sentence - Remember, the show must go on! Good luck and break a leg!

Source: Cambridge Dictionary. 
৪১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ-১১৯
  2. অনুচ্ছেদ-১১৮
  3. অনুচ্ছেদ-১২০
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৮
ব্যাখ্যা
• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।
- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগাম) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২.
আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. UNICEF
  2. UNDP
  3. UNESCO
  4. ILO
সঠিক উত্তর:
UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage বা বিশ্ব ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪৩.
বাংলাদেশের ‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
  1. ৩ ডিসেম্বর
  2. ৩ নভেম্বর
  3. ৪ ডিসেম্বর
  4. ৪ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের ‘জাতীয় সংবিধান দিবস’ পালিত হয়। 
- ৪ নভেম্বর, ২০২২ প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়।
- স্বাধীনতার ৫০ বছর পর দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় সংবিধান দিবস।
- ১৯৭২ সালে ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)।
৪৪.
‘বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন’ কোন জাতীয় সংস্থা?
  1. সরকারি সংস্থা
  2. বেসরকারি সংস্থা
  3. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
  4. সাংবিধানিক সংস্থা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন একটি সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

• প্রতিযোগিতা কমিশন

- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের দেশের সারিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে অসম প্রতিযোগিতা হ্রাস করে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রয়োজন।
- প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সাধারণ মানুষের পণ্য ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং পণ্যে সর্বোচ্চ উপযোগ পাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনে উদ্ভাবন (Innovation) আনয়নের জন্য বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা অপরিহার্য।
- প্রতিযোগিতা কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতিতে টেকসই প্রতিযোগিতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাজারে সমতা আনয়ন, ভোক্তাদের স্বার্থরক্ষা এবং বাজারে উত্তম চর্চা নিশ্চিতকরণ।

- বাংলাদেশে ২০১২ সালে প্রতিযোগিতা আইন প্রণয়ন করা হয়। 
- প্রতিযোগিতা আইনের উদ্দেশ্যসমূহ অর্জন করার নিমিত্ত প্রতিযোগিতা আইনের ৫ ধারা মোতাবেক সরকার বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করেছে।
- আইনের ৭ ধারা মোতাবেক ০১ জন চেয়ারপার্সন এবং ০৪ জন সদস্য সমন্বয়ে কমিশন গঠন করা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)। 

৪৫.
প্রাচীনকালে ‘সমতট’ বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হয়?
  1. বরিশাল
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
• সমতট জনপদ:
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।
- হিউয়েন সাঙ কোন সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 
৪৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৫ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৪ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো। 
- মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মােশাররফ এবং মেজর এটি এম হায়দার।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। 
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. হালদা
  2. শীতলক্ষ্যা
  3. মেঘনা
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপত্তি লাভ করা হালদা নদী কর্ণফুলী নদীর একটা উপনদী।
- এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত যা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- এছাড়া সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- হালদা নদী বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: i) চট্টগ্রাম জেলা।
         ii) মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 
৪৮.
বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে ‘মাতৃতান্ত্রিক পরিবার’ প্রথা চালু আছে?
  1. খাসিয়া
  2. সাঁওতাল
  3. মনিপুরী
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।

- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
‘পুণ্ড্রনগর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা জেলায়
  2. নওগাঁ জেলায়
  3. দিনাজপুর জেলায়
  4. বগুড়া জেলায়
সঠিক উত্তর:
বগুড়া জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া জেলায়
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- পুণ্ড্রনগর প্রাচীন বাংলার প্রাচীনতম ও সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ অব্দে পুণ্ড্রনগরের পত্তন ঘটে।
- গুপ্ত, মৌর্য ও পাল আমলে নগরটি পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির (বিভাগ/প্রদেশ) রাজধানী ছিলো।
- এখানে প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরনো শিলালিপি পাওয়া গেছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বগুড়া জেলা ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)। 
৫০.
‘গোল্ডেন ট্রায়াংগল’ কোন এলাকা নিয়ে গঠিত?
  1. আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান
  2. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  3. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস
  4. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল।
- এটি বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে।
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।
- এই অঞ্চল বাংলাদেশের পশ্চিমে।
- আর গোল্ডেন ওয়েজ হচ্ছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, নেপাল ও ভুটানের কিছু অংশ।
- এই অংশ বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো। 
৫১.
কোনটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন নয়?
  1. IBRD
  2. IFC
  3. IFAD
  4. MIGA
সঠিক উত্তর:
IFAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IFAD
ব্যাখ্যা
- ১-২২ জুলাই ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গসংস্থা পাঁচটি।
- যথা- IBRD, IDA, IFC, ICSID এবং MIGA

অপরদিকে,
- (IFAD) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- International Fund for Agricultural Development জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৫২.
‘ভলগা নদী’ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. কাম্পিয়ান সাগরে
  2. কৃষ্ণ সাগরে
  3. বাল্টিক সাগরে
  4. আরব সাগরে
সঠিক উত্তর:
কাম্পিয়ান সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাম্পিয়ান সাগরে
ব্যাখ্যা
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- ভলগা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিলোমিটার।
- এটির রাশিয়ার ভলদাই পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে ইউরোপের ১০টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস এবং ব্রিটানিকা। 
৫৩.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা (স্থায়ী ও অস্থায়ী) কত?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ। দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
ঐতিহাসিক ‘ম্যাগনাকার্টা সনদ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২৯৫ সালে
  2. ১২১৫ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১২১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের রাজা জন এবং ব্রিটেনের জনগণের মধ্যে ১২১৫ সালের ১৫ জুন লন্ডনের রানিমেড নামক স্থানে ঐতিহাসিক মাগনাকার্টা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাজার ক্ষমতা সীমিত করা হয় এবং জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ম্যাগনাকার্টায় প্রথম উল্লেখ করা হয় সকলেই আইনের অধীন, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
৫৫.
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ১৪২০ মেগাওয়াট
  2. ১৩২০ মেগাওয়াট
  3. ১২২০ মেগাওয়াট
  4. ১১২০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- রামপালে ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB) বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
- রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্প ব্যয়: ১৬,০০০ কোটি টাকা।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ। (লিঙ্ক)
৫৬.
‘নাগার্নো-কারাবাখ’ - বিরোধ কোন দুটি দেশের মধ্যে চলমান?
  1. চীন-ভারত
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. চীপ-জাপান
  4. আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
- নাগার্নো কারাবাখ হলো ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও এর অধিকাংশ অধিবাসী হলো আর্মেনীয় জাতিসত্ত্বার।
- ফলে এর নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দেশ দুটির মধ্যে কয়েক দফায় ‍যুদ্ধ হয়।
- আর্মেনিয়া নাগার্নো কারাবাখসহ আজারবাইজানের আরো সাতটি জেলা দখল করে নেয়।
- ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বিবিসি নিউজ। 
৫৭.
‘সলোমন দীপপুঞ্জ’ - কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম হল:
- ফিলিপাইন,
- পাপুয়া নিউগিনি,
- পালাউ, নাউরু ও
- সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
৫৮.
বায়ুমন্ডলে শতকরা কত ভাগ নাইট্রোজেন বিদ্যামান?
  1. ২০.৭১%
  2. ৭৮.০২%
  3. ০.৪১%
  4. ০.০৩%
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
ব্যাখ্যা
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন।
- বায়ুমন্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে।
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে।
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎ কে রক্ষা করে।
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেন এর পরিমান শতকরা ৭৮.০২।
- বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন এর পরিমান শতকরা ২০.৭১।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
  1. পরমাণু শক্তি
  2. কয়লা
  3. পেট্রোল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
পরমাণু শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু শক্তি
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য জ্বালানি:
যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।

• নবায়নযোগ্য জ্বালানি:
- পরমাণুর শক্তি,
- সৌরতাপ,
- বায়ু,
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি,
- জলবিদ্যুৎ,
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।

• অনবায়নযোগ্য জ্বালানি: 
- পেট্রোল, 
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাবে মানবদেহে কোন জটিলতা সৃষ্টি হয়?
  1. রাতকানা রোগ হয়
  2. রক্তাল্পতা দেখা দেয়
  3. জয়েন্টে ব্যথা হয়
  4. ডায়রিয়া হয়
সঠিক উত্তর:
রক্তাল্পতা দেখা দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তাল্পতা দেখা দেয়
ব্যাখ্যা
- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।

রক্তশূন্যতা (Anemia)
- রক্তশূন্যতা হচ্ছে দেহের এমন একটি অবস্থা, যখন বয়স এবং লিঙ্গভেদে রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।
- খাদ্যের মুখ্য উপাদান লৌহ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-12 ইত্যাদির অভাব ঘটলে এ রোগ দেখা যায়।
- লৌহের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬১.
এইডস এর জীবাণু-
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. ছত্রাক
  4. পরজীবী
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

- এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) হলো এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা।
- ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়।

- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৬২.
ডায়রিয়ার কারণ নিচের কোনটি?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. রোটা ভাইরাস
  3. Protozoa
  4. ফাংগাস
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোটা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
রোটাভাইরাস,
- রোটাভাইরাস, Reoviridae পরিবারের ভাইরাসগুলির একটি গ্রুপ যা বিশ্বব্যাপী শিশুদের মধ্যে গুরুতর ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হিসাবে পরিচিত।
- রোটাভাইরাসগুলি অন্ত্রের আস্তরণের কোষগুলিতে বৃদ্ধি পায়, যেখানে তারা তীব্র গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিসের জন্ম দেয়, বিশেষ করে শিশুর ডায়রিয়া এবং শীতকালীন ডায়রিয়া হিসাবে পরিচিত।
- ল্যাটিন শব্দ রোটা মানে "চাকা" এবং এইভাবে রোটাভাইরাসগুলি তাদের চাকার মতো চেহারার জন্য নামকরণ করা হয়েছে, যা একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে স্পষ্ট।
- এগুলিকে আরও গঠনগতভাবে চিহ্নিত করা হয় নন-এনভেলপড ডবল-স্ট্র্যান্ডেড আরএনএ ভাইরাস হিসাবে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬৩.
TB (যক্ষ্মা) হলে নিচের কোন রক্তকণিকা বেড়ে যায়?
  1. Neutrophil
  2. Basophil
  3. Lymphocyte
  4. Eusinophil
সঠিক উত্তর:
Lymphocyte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lymphocyte
ব্যাখ্যা

TB (Tuberculosis) একটি chronic infectious disease, যা Mycobacterium tuberculosis দ্বারা সৃষ্ট।
- যক্ষ্মার ক্ষেত্রে দেহের প্রতিরোধব্যবস্থা প্রধানত cell-mediated immunity–এর মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে T-lymphocyte গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- যেহেতু TB একটি দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ, তাই রক্তে সাধারণত Lymphocyte-এর সংখ্যা বৃদ্ধি (lymphocytosis) দেখা যায়।
- TB-তে শরীরের প্রতিক্রিয়া মূলত granuloma formation ও T-cell–নিয়ন্ত্রিত immune response এর মাধ্যমে হয়, যা সরাসরি লিম্ফোসাইট বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৬৪.
নিচের কোন পরীক্ষাটি TB রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. MT test
  2. Xene-xpert test
  3. X - ray chest
  4. CRP
সঠিক উত্তর:
CRP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CRP
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা (টিবি) সংক্রমণ শনাক্ত করার জন্য বেশ কিছু পরীক্ষা করা যায়। কোন পরীক্ষাটি ব্যবহার করতে হবে তার পছন্দটি প্রায়শই ক্লিনিকাল পরিস্থিতি এবং উপলব্ধ সংস্থানগুলির উপর নির্ভর করে। এখানে টিবি সনাক্ত করতে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ পরীক্ষা তুলে ধরা হল:
- Tuberculin Skin Test (TST) or Mantoux Test.
- Interferon-Gamma Release Assays (IGRAs).
- Chest X-ray.
- Sputum Smear Microscopy.
- Xene-Xpert MTB/RIF Assay.
- Bronchoscopy and Bronchoalveolar Lavage (BAL).
- Molecular Tests (Nucleic Acid Amplification Tests).

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬৫.
নিচের কোনটি Non-communicable disease নয়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. হার্ট ডিজিস
  3. Covid-19
  4. উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
Covid-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Covid-19
ব্যাখ্যা
- অসংক্রামক রোগ (NCDs), যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ হিসাবেও পরিচিত, এমন চিকিৎসা অবস্থা যা সংক্রামক নয় বা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রমণযোগ্য নয়।
- এই রোগগুলি একটি বর্ধিত সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশের প্রবণতা থাকে এবং প্রায়শই এটি দীর্ঘায়িত হয়।
- এনসিডিগুলি তাদের ব্যাপকতা, স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর তাদের চাপের কারণে একটি উল্লেখযোগ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে অসংক্রামক রোগের কিছু সাধারণ উদাহরণ তুলে ধরা হল:
• Cardiovascular Diseases (CVDs):
- কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলিকে প্রভাবিত করে।
- সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ), স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিউর এবং পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ।

• Cancer
• Chronic Respiratory Diseases
Diabetes
• Chronic Kidney Disease (CKD) ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, Covid-19 একটি সংক্রামক রোগ।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬৬.
ডেঙ্গু হলে রক্তের কোন উপাদানটি পরিবর্তন হয় সবচেয়ে বেশি?
  1. Platelet
  2. Neutrophil
  3. Lymphocyte
  4. Basophil
সঠিক উত্তর:
Platelet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platelet
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু
- ডেঙ্গু, যাকে ব্রেকবোন ফিভার বা ড্যান্ডি ফিভারও বলা হয়, তীব্র সংক্রামক মশাবাহিত জ্বর যা সাময়িকভাবে অক্ষম কিন্তু খুব কমই মারাত্মক।
- জ্বর ছাড়াও, এই রোগটি জয়েন্টগুলিতে প্রচণ্ড ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যাওয়া (তাই নাম "ব্রেকবোন ফিভার") দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জটিলতা ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার (DHF) নামে আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। 

- ডেঙ্গু সংক্রমণের সময়, একটি উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা উদ্বেগের মধ্যে একটি হল প্লেটলেট সংখ্যা হ্রাস, একটি অবস্থা যা থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া নামে পরিচিত।
- প্লেটলেট হল রক্তের কোষ যা রক্ত ​​জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত প্রতিরোধ করে। ডেঙ্গু জ্বরে, ভাইরাসটি প্লেটলেটের মাত্রা হ্রাসের কারণ হতে পারে, যা সহজে ক্ষত, মাড়ি থেকে রক্তপাত, নাক থেকে রক্তপাত এবং গুরুতর ক্ষেত্রে এমনকি অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলির কারণ হতে পারে।

- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে প্লেটলেটের মাত্রা নিরীক্ষণ করা এবং প্লেটলেটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ডাক্তাররা এই অবস্থা পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনে শিরায় তরল এবং রক্ত ​​সঞ্চালন সহ সহায়ক যত্নের সুপারিশ করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৭.
Antenatal checkup (প্রসব পূর্ববর্তী) কয়টি (According to WHO)?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- একজন মহিলার তার প্রসবপূর্ব যত্ন প্রদানকারীর সাথে 'যোগাযোগ' একটি সাধারণ 'ভিজিট' এর চেয়ে বেশি হওয়া উচিত, বরং গর্ভাবস্থা জুড়ে যত্ন এবং সহায়তার ব্যবস্থা করা উচিত।
- নির্দেশিকাটি 'যোগাযোগ' শব্দটি ব্যবহার করে কারণ এটি গর্ভবতী মহিলা এবং একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর মধ্যে একটি সক্রিয় সংযোগ বোঝায় যা 'ভিজিট' শব্দের সাথে নিহিত নয়।
- নতুন মডেল জটিলতা সনাক্ত করতে মা ও ভ্রূণের মূল্যায়ন বাড়ায়, স্বাস্থ্য প্রদানকারী এবং গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করে এবং ইতিবাচক গর্ভাবস্থার ফলাফলের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- এটি গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম 12 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় তাদের প্রথম যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়, পরবর্তী যোগাযোগগুলি 20, 26, 30, 34, 36, 38 এবং 40 সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ঘটে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট
৬৮.
নিচের কোনটি Pre-eclampsia এর অন্যতম চিহ্ন?
  1. High pressure with oedema
  2. High BP with protenuria
  3. High BP with convulsion
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
High BP with protenuria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High BP with protenuria
ব্যাখ্যা
Pre-eclampsia হল একটি গর্ভাবস্থা-সম্পর্কিত চিকিৎসা অবস্থা যা উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এবং একাধিক অঙ্গ সিস্টেমের ক্ষতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, সাধারণত লিভার এবং কিডনি।
- এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার 20 তম সপ্তাহের পরে ঘটে (সাধারণত তৃতীয় ত্রৈমাসিকে) এবং এটি প্লাসেন্টা এবং অনাগত শিশুকেও প্রভাবিত করতে পারে। 

- প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণ যা এই অবস্থার সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িত তা হল "High BP with protenuria"

- উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এবং protenuria (প্রস্রাবে অস্বাভাবিক পরিমাণে প্রোটিনের উপস্থিতি) এই সংমিশ্রণ হল প্রি-এক্লাম্পসিয়ার একটি হলমার্ক চিহ্ন। প্রি-এক্লাম্পসিয়ার অন্যান্য উপসর্গগুলির মধ্যে বিশেষ করে হাতে এবং মুখে, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি, তীব্র মাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত, পেটে ব্যথা এবং বমি বমি ভাব বা বমি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

অন্যদিকে, খিঁচুনি সাধারণত প্রি-এক্লাম্পসিয়ার লক্ষণ নয় কিন্তু একলাম্পসিয়া নামে পরিচিত অবস্থার একটি গুরুতর জটিলতা। এক্লাম্পসিয়া একটি জীবন-হুমকিপূর্ণ অবস্থা যা সঠিকভাবে পরিচালিত না হলে প্রি-এক্লাম্পসিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ঘটতে পারে। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬৯.
গর্ভবর্তী মায়ের খিচুনী হলে নিচের কোন medicine দিবেন?
  1. Inj-MagSO4
  2. Inj-Phenytonin
  3. Inj-Diazepam
  4. Inj-Ceftrioxene
সঠিক উত্তর:
Inj-MagSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inj-MagSO4
ব্যাখ্যা
সংক্ষেপে "Inj-MagSO4" ম্যাগনেসিয়াম সালফেট নামে পরিচিত একটি ইনজেকশনযোগ্য ওষুধকে বোঝায়।
- ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বিভিন্ন থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে ওষুধের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহৃত ওষুধ।


খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ:
এটি একলাম্পসিয়া বা ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট ধরণের খিঁচুনি  নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Preeclampsia and Eclampsia: 
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট গর্ভবতী ব্যক্তিদের দেওয়া হয় যাদের প্রিক্ল্যাম্পসিয়া (উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য উপসর্গ দ্বারা চিহ্নিত একটি অবস্থা) বা এক্লাম্পসিয়া (যাতে প্রিক্ল্যাম্পসিয়ার লক্ষণ ছাড়াও খিঁচুনি অন্তর্ভুক্ত) হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বা রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭০.
পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন কোনটি?
  1. Vit-A
  2. Vit-D
  3. Vit-B
  4. Vit-K
সঠিক উত্তর:
Vit-B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vit-B
ব্যাখ্যা
ভিটামিন: 
- খাদ্যে পরিমাণ মতো শর্করা, আমিষ এবং স্নেহ পদার্থ থাকার পরেও জীবের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জন্য বিশেষ এক ধরনের খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন হয়। আর এই খাদ্য উপাদানকে ভিটামিন বলে। 
- ভিটামিন প্রাণীর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং শরীর সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য।
- ভিটামিন হচ্ছে জৈব প্রকৃতির যৌগিক পদার্থ।
- কয়েকটি ভিটামিন স্নেহজাতীয় পদার্থে দ্রবীভূত হয়, আবার কয়েকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়। যেমন- 
• স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন A, ভিটামিন D, ভিটামিন E, ভিটামিন K 
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন B কমপ্লেক্স, ভিটামিন C
- পানিতে দ্রবণীয় ১২ টি ভিটামিন B রয়েছে। ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়। 
- দেহের স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য খাবারে ভিটামিন B কমপ্লেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭১.
কোন ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধে না?
  1. Vit-A
  2. Vit-B
  3. Vit-C
  4. Vit-K
সঠিক উত্তর:
Vit-K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vit-K
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। 

• ভিটামিন কে (Vitamin K):
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন।
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

• ভিটামিন কে-এর উৎস:
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়।

• ভিটামিন কে-এর কাজ:
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

• ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা:
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়।
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
Magsulph দেওয়ার আগে নিচের কোন জিনিস দেখে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?
  1. Urine output
  2. Temperatue
  3. Blood pressure
  4. Pulse
সঠিক উত্তর:
Urine output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Urine output
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা বা থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (ম্যাগসাল্ফ) পরিচালনা করার আগে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ওষুধের নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি পরীক্ষা এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ব্যবহার করার আগে এখানে মূল বিবেচ্য বিষয়গুলি রয়েছে:

রোগীর মূল্যায়ন:
- যেকোনো অ্যালার্জি, ওষুধের প্রতি পূর্ববর্তী প্রতিক্রিয়া এবং বর্তমান ওষুধ বা সম্পূরক সহ রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।
- গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন, এবং শ্বাসযন্ত্রের হার) সহ রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করুন।
- রোগীর রেনাল (কিডনি) ফাংশন এবং ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা নির্ধারণ করুন, কারণ ম্যাগনেসিয়াম প্রাথমিকভাবে কিডনি দ্বারা নির্গত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৩.
রোগীর জন্ডিস শরীরের কোন স্থানে ভালোভাবে ফুটে ওঠে?
  1. হাতের তালু
  2. চোখের sclera
  3. চোখের Conjunctiva
  4. জিহ্বার তলদেশ
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের Conjunctiva
ব্যাখ্যা
জন্ডিস হল এমন একটি অবস্থা যা শরীরে অতিরিক্ত বিলিরুবিন জমার কারণে ত্বক, চোখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন হল একটি হলুদ রঙ্গক যা লাল রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সময় গঠিত হয়। জন্ডিসের উপস্থিতি লিভার, গলব্লাডার বা লোহিত রক্তকণিকা ভাঙ্গনের সাথে একটি অন্তর্নিহিত সমস্যা নির্দেশ করে। 

- ত্বক এবং চোখের হলুদ হওয়া

- গাঢ় প্রস্রাব: জন্ডিস গাঢ় রঙের প্রস্রাব হতে পারে, যা প্রস্রাবে অতিরিক্ত বিলিরুবিনের উপস্থিতির ফলস্বরূপ।

- ফ্যাকাশে মল: অন্ত্রে বিলিরুবিনের অভাবের কারণে মল ফ্যাকাশে বা মাটির রঙের হয়ে যেতে পারে।

- চুলকানি (প্রুরিটাস): জন্ডিস ত্বকে তীব্র চুলকানির কারণ হতে পারে, যা কিছু ব্যক্তির জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।

- ক্লান্তি এবং দুর্বলতা: জন্ডিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ক্লান্তি এবং দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন, কারণ অন্তর্নিহিত লিভার বা গলব্লাডার সমস্যা শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ এবং শক্তি উত্পাদন করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

পেটে ব্যথা: পিত্তথলি-সম্পর্কিত জন্ডিসের ক্ষেত্রে, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে উপরের ডান চতুর্ভুজ অংশে হতে পারে।

- ক্ষুধা হ্রাস: জন্ডিস ক্ষুধা হ্রাস এবং অনিচ্ছাকৃত ওজন হ্রাস হতে পারে।

- বমি বমি ভাব এবং বমি: জন্ডিসে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তির বমি বমি ভাব এবং বমি হতে পারে।

- মানসিক বিভ্রান্তি (হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি): গুরুতর ক্ষেত্রে, যকৃতের কর্মহীনতার সাথে সম্পর্কিত জন্ডিস মানসিক বিভ্রান্তি, স্মৃতির সমস্যা এবং পরিবর্তিত চেতনা হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪.
Hepatitis - B virus এর জন্য নিচের কোন কোন পরীক্ষাটি করা হয়?
  1. HbsAg
  2. Anti-HbsAg
  3. Anti-HCV
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
HbsAg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HbsAg
ব্যাখ্যা
- হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) হল একটি প্রোটিন যা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের (HBV) পৃষ্ঠে পাওয়া যায়।
- HBsAg-এর পরীক্ষা হল হেপাটাইটিস বি সংক্রমণের জন্য একটি সাধারণ ডায়গনিস্টিক টুল। 

ডায়াগনস্টিক টেস্ট:
HBsAg-এর পরীক্ষা হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ নির্ণয়ের একটি মৌলিক অংশ। এটি একটি সাধারণ রক্ত ​​​​পরীক্ষার মাধ্যমে করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৫.
Exclusive breast feeding কয়মাস পর্যন্ত করানো হয়?
  1. ৬ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ১৮ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
- Exclusive breast feeding হল শিশুদের জন্য একটি খাওয়ানোর অভ্যাস যেখানে তাদের জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো হয়, পানি সহ অন্য কোন খাবার বা তরল না দিয়ে।
- প্রথম ছয় মাসের পর, মা ও শিশুর  ইচ্ছা অনুযায়ী শিশুর কমপক্ষে দুই বছর বা তার বেশি বয়স না হওয়া পর্যন্ত পরিপূরক খাবারের সাথে breast feeding অব্যাহত থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৬.
ডেলিভারীর ৬ মাসের মধ্যে নিচের কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে না?
  1. IUCD
  2. Implant
  3. Minipill
  4. OCP
সঠিক উত্তর:
IUCD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IUCD
ব্যাখ্যা
IUCD (Intrauterine Contraceptive Device):
- সাধারণত IUCD ব্যবহারের আগে প্রসবের কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- এই অপেক্ষার সময়টি জরায়ুকে তার স্বাভাবিক আকার এবং অবস্থানে ফিরে আসতে দেয় এবং জটিলতার ঝুঁকি কমায়। তবে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সুপারিশ এবং ব্যক্তির পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে সঠিক সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

ইমপ্লান্ট:
গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট সাধারণত সন্তানের জন্মের পরপরই ব্যবহার যেতে পারে, এমনকি প্রসবের পরপরই, যদি ইচ্ছা হয়। এটি প্রসবোত্তর গর্ভনিরোধের জন্য একটি সুবিধাজনক বিকল্প এবং জরায়ু তার প্রাক-গর্ভাবস্থার আকারে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন হয় না।

মিনিপিল (শুধুমাত্র প্রোজেস্টিন পিল):
মিনিপিল সাধারণত সন্তান প্রসবের পরপরই বা কয়েক দিনের মধ্যে শুরু করা যেতে পারে, যতক্ষণ না কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে। এটি বুকের দুধ খাওয়ানো ব্যক্তিদের জন্য একটি উপযুক্ত বিকল্প কারণ এটি স্তনের দুধ উৎপাদনকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে না।

ওসিপি (ওরাল গর্ভনিরোধক বড়ি):
সংমিশ্রণ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি  যা এস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টিন উভয়ই বহন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।  
৭৭.
নিচের কোন পদ্ধতিতে Bacteria এর Spore ধ্বংস হয়?
  1. Boiling
  2. Fumigation
  3. Cidex solution
  4. Autoclave
সঠিক উত্তর:
Autoclave
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Autoclave
ব্যাখ্যা
Autoclave:
একটি অটোক্লেভ হল জীবাণুমুক্তকরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা এবং পরীক্ষাগার সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি বিশেষ সরঞ্জাম। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং স্পোর সহ অণুজীবকে হত্যা বা নিষ্ক্রিয় করতে উচ্চ-চাপের বাষ্প ব্যবহার করে।

Boiling:
ফুটানো হল জীবাণুমুক্তকরণ এবং জীবাণুমুক্ত করার একটি পদ্ধতি যাতে একটি তরল, সাধারণত জল, তার স্ফুটনাঙ্কে, যা 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস (212 ডিগ্রি ফারেনহাইট) আদর্শ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে গরম করা জড়িত। 

Fumigation:
ফিউমিগেশন হল একটি প্রক্রিয়া যা একটি এলাকা বা বস্তুকে বায়বীয় রাসায়নিক বা ধোঁয়ার সংস্পর্শে এনে জীবাণুমুক্ত বা জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিটি প্রায়শই বদ্ধ স্থানে কীটপতঙ্গ, পোকামাকড় বা অণুজীব দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন ভবন, স্টোরেজ এলাকা বা সরঞ্জাম।

Cidex solutio:
সিডেক্স হল একটি উচ্চ-স্তরের জীবাণুনাশক দ্রবণের একটি ব্র্যান্ড নাম যা প্রাথমিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা সেটিংসে চিকিৎসা যন্ত্র এবং সরঞ্জামগুলিকে জীবাণুমুক্ত এবং জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৮.
একজন মানুষের স্বাভাবিক BMI কত থাকতে হবে?
  1. ১৮ - ৩০ kg/m2
  2. ১৯ - ২৫ kg/m2
  3. ২০ - ২৭ kg/m2
  4. ১৮.৫ - ২৪.৯ kg/m2
সঠিক উত্তর:
১৮.৫ - ২৪.৯ kg/m2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৫ - ২৪.৯ kg/m2
ব্যাখ্যা
বিএমআই (BMI): 
- বডি মাস ইনডেক্স (BMI- Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে ।
- অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট বয়সে সুস্থ জীবন যাপনের জন্য শরীরের দৈর্ঘ্যের সাথে চর্বির পরিমাণগত সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী।

বিএমআই (BMI) মান নির্ণয় :
বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)

মান নির্দেশিকা
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে।
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান।
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার।
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন।
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
মানুষের শরীরের রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা কত?
  1. ২.৯-৫ mmoI/L
  2. ৩.৫-৫ mmoI/L
  3. ৭-৮ mmoI/L
  4. ৩.৯-৮ mmoI/L
সঠিক উত্তর:
৩.৫-৫ mmoI/L
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫-৫ mmoI/L
ব্যাখ্যা
- পটাসিয়াম শরীরের একটি অপরিহার্য ইলেক্ট্রোলাইট, এবং রক্তে পটাসিয়ামের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা স্বাভাবিক শারীরিক ক্রিয়াকলাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রার স্বাভাবিক পরিসীমা সাধারণত প্রতি লিটার (mEq/L) বা মিলিমোলস প্রতি লিটার (mmol/L) 3.5 থেকে 5.0 মিলি সমতুল্য।

Hypokalemia:
যখন রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার নিচে নেমে যায় (3.5 mEq/L এর কম), তখন তাকে হাইপোক্যালেমিয়া বলা হয়। 

Hyperkalemia:
যখন রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার (5.0 mEq/L-এর বেশি) থেকে বেড়ে যায়, তখন তাকে হাইপারক্যালেমিয়া বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৮০.
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে নিচের কোন ঔষধ?
  1. Tranexemic acid
  2. Aspirin
  3. Heparin
  4. Diclofenac
সঠিক উত্তর:
Tranexemic acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tranexemic acid
ব্যাখ্যা
ট্রানেক্সামিক অ্যাসিড:
- ট্র্যানেক্সামিক অ্যাসিড হল একটি ওষুধ যা বিভিন্ন চিকিৎসা পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত রক্তপাত (হেমারেজ) প্রতিরোধ বা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- প্রায়শই সার্জারি, দাঁতের পদ্ধতি বা ভারী মাসিক রক্তপাত পরিচালনার সময় ব্যবহৃত হয়। 

অ্যাসপিরিন:
- এতে প্রদাহ-বিরোধী, ব্যথানাশক (ব্যথা-নাশক) এবং অ্যান্টিপ্লেটলেট (রক্ত-পাতলা) বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- অ্যাসপিরিন সাধারণত ব্যথা উপশম করতে, জ্বর কমাতে এবং প্রদাহজনক অবস্থার চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়।

হেপারিন: হেপারিন একটি অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ওষুধ যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রতিরোধ এবং চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

ডাইক্লোফেনাক:
ডাইক্লোফেনাক হল একটি ননস্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ (NSAID) যা ব্যথা উপশম করতে এবং প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৮১.
নিচের কোন Endocrine gland নয়?
  1. Pituitary
  2. Liver
  3. Thyroid
  4. Adrenal
সঠিক উত্তর:
Liver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Liver
ব্যাখ্যা
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (মানবদেহ)Endocrine gland

মানবদেহে অবস্থিত এক প্রকার গ্রন্থি। এই গ্রন্থি মূলত এক প্রকার আবরণী কলা। এই গ্রন্থিতে কোনো নালী থাকে না। তাই এদেরকে অনালী বা নালীবিহীন (Ductless gland) গ্রন্থিও বলা হয়। এই গ্রন্থিগুলো থেকে ক্ষরিত রস সরাসরি রক্তে মিশ্রিত হয়। এই রসকে সাধারণভাবে হরমোন বলা হয়। হরমোন রক্তের মাধ্যমে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের নানা ধরনের বিপাকীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

মানবদেহে মোট ১৪টি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি আছে। এগুলো হলো

পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland)
থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland)
প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি (Parathyroid gland)
এ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland) বা সুপ্রারিনাল গ্রন্থি
শুক্রাশয়ের অনালী অংশ
ডিম্বাশয়ের অনালী অংশ
অমরা বা গর্ভপুষ্প
অগ্ন্যাশয় (Pancreas) [বহিঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবেও কাজ করে]
পাকস্থলীর অন্তঃপ্রাচীর
ডিওডেনামের অন্তঃপ্রাচীর
বৃক্ক ও রক্ত
পিনিয়াল গ্রন্থি
ক্ষয়প্রাপ্ত কলা

বহিঃক্ষরা গ্রন্থি  (মানবদেহ)Exocrine gland

মানবদেহে অবস্থিত এক প্রকার  গ্রন্থি। এই গ্রন্থিগুলো থেকে উৎপন্ন রাসায়নিক দ্রব্যগুলো বলা হয় রস (Juice)। এই রস উৎপত্তিস্থল থেকে নালির সাহায্যে নিকটস্থ কোনো বিশেষ বিশেষ স্থানে উপস্থিত হয়। এই কারণে এই গ্রন্থিগুলোর সাথে রস পরিবাহী একপ্রকার নালি থাকে। এই গ্রন্থি থেকে উৎপন্ন রস গ্রন্থির নিকটবর্তী কোনো অংশে গিয়ে শারীরবৃ্ত্তীয় কাজে অংশগ্রহণ করে। সমগ্র দেহে এই সকল গ্রন্থির কোনো প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে না।

বহিঃক্ষরা গ্রন্থিসমূহ :

অগ্ন্যাশয় (Pancreas)
অশ্রু গ্রন্থি (Tear/Lacrimal gland)
গন্ধ গ্রন্থি (Scent gland)
ঘাম গ্রন্থি (Sweat gland)
যকৃত (Liver)
লালা গ্রন্থি (Salivary gland)
স্তনগ্রন্থি (Mammary gland)
স্বেদ গ্রন্থি (Sebaceous gland)
৮২.
Normal FHR (Fetal heart rate) কত?
  1. ১০০-১৫০ beats/minute
  2. ১৬০-১৮০ beats/minute
  3. ১২০-১৬০ beats/minute
  4. ১২০-১৪০ beats/minute
সঠিক উত্তর:
১২০-১৬০ beats/minute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০-১৬০ beats/minute
ব্যাখ্যা
ভ্রূণ (Fetus) এর হার্টবিট কে fetal heart beat বলে। 
Fetal heart beat গর্ভের শিশুর শারীরিক অবস্থা প্রকাশ করে।

Normal ranges for FHR are 120 to 160 bpm. Many international guidelines define ranges of 110 to 160 bpm which seem to be safe in daily practice. 
৮৩.
নিচের কোনটি shock এর feature নয়?
  1. Feeble pulse
  2. Hypotension
  3. Decrease pulse rate
  4. Decreased temperature
সঠিক উত্তর:
Decrease pulse rate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Decrease pulse rate
ব্যাখ্যা
শক (Shock):
আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ গুলোতে প্রতিনিয়ত অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ে। এই অক্সিজেনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ গুলো যথাযথভাবে কাজ করে। যদি কোনো কারনে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন না পৌছায় তাহলে শরীরের কোষ গুলো মরে যেতে থাকে। এই অবস্থাকে আমরা শক বলে থাকি।

- শক একটা মারাত্বক সমস্যা হলেও আমরা জনসাধারণ এই বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। অথচ শকের পরবর্তী ধাপ মৃত্যু।

শকের লক্ষণ:
- সমস্ত শকের সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ - অন্তত শেষ পর্যন্ত - নিম্ন রক্তচাপ।
- ঠান্ডা ঘাম,
- অস্থিরতা বাড়বে ও ধীরে ধীরে জ্ঞান হারাবে,
- শ্বাস কষ্ট,
- কেন্দ্রীয় শিরার চাপ কমবে,
- রক্তচাপ কমতে থাকবে (চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় লো ব্লাড প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপকে বলা হয় হাইপোটেনশন।),
- প্রস্রাব কমতে থাকবে,
- পালস বাড়তে থাকবে,
- পায়ু পথে তাপমাত্রা বাড়বে,
- হাত-পা ঠান্ডা ও ফ্যাকাশে হবে,
- হাত-পায়ের শিরা দেখা যাবে না ইত্যাদি।
৮৪.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক কোনটি?
  1. একুশে পদক
  2. স্বাধীনতা পদক
  3. বাংলা একাডেমী পদক
  4. প্রধানন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো স্বাধীনতা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পদক প্রদান করে থাকে।
- একুশে পদক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক যা ১৯৭৬ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে।
- বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।

সূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮৫.
মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি কোনটি?
  1. ফিমার (Femur)
  2. টিবিয়া (Tibia)
  3. Humerus
  4. Ulna
সঠিক উত্তর:
ফিমার (Femur)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিমার (Femur)
ব্যাখ্যা
ফিমার (Femur)
- এটি মানবদেহের দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম হাড়।
-  পায়ের গঠন ও কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ফিমার শরীরের ওজনকে সমর্থন করার জন্য এবং হাঁটা, দৌড়ানো এবং লাফানো সহ বিভিন্ন পায়ের নড়াচড়ার সুবিধার জন্য দায়ী। 

টিবিয়া (Tibia)
- টিবিয়া, শিনবোন নামেও পরিচিত, নীচের পায়ের দুটি লম্বা হাড়ের একটি, অন্যটি ফিবুলা।
- টিবিয়া পায়ের ভিতরের দিকে অবস্থিত এবং ফাইবুলার চেয়ে বড় এবং শক্তিশালী।
- এটি শরীরের ওজনকে সমর্থন করতে এবং হাঁটুর জয়েন্টকে গোড়ালির জয়েন্টের সাথে সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Humerus
- হিউমারাস হল একটি হাড় যা উপরের বাহুতে, কাঁধ এবং কনুইয়ের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি মানুষের বাহুর বৃহত্তম হাড় এবং বাহুর নড়াচড়া এবং ফাংশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Ulna
Ulna হল অগ্রভাগের দুটি হাড়ের একটি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৬.
কিডনি রোগের চিকিৎসা যে ডাক্তার করেন তাকে কী বলা হয়?
  1. Cardiologist
  2. Nephrologist
  3. Neurologist
  4. Pathologist
সঠিক উত্তর:
Nephrologist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nephrologist
ব্যাখ্যা
নেফ্রোলজিস্ট:
- নেফ্রোলজিস্টরা হলেন মেডিক্যাল ডাক্তার যারা কিডনি-সম্পর্কিত রোগ নির্ণয় এবং চিকিত্সার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ।
- তারা কিডনি রোগ, কিডনিতে পাথর এবং উচ্চ রক্তচাপ (উচ্চ রক্তচাপ) এর মতো অবস্থা পর্যালোচনা করে যা কিডনিকে প্রভাবিত করতে পারে।

নিউরোলজিস্ট:
- নিউরোলজিস্টরা হলেন ডাক্তার যারা স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাধিগুলির নির্ণয় এবং চিকিত্সার উপর পর্যবেক্ষণ করেন, যার মধ্যে রয়েছে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড এবং স্নায়ু।
- তারা মৃগীরোগ, স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এবং পারকিনসন রোগের মতো অবস্থার সাথে মোকাবিলা করে।

প্যাথলজিস্ট:
- প্যাথলজিস্ট হলেন চিকিৎসা পেশাদার যারা টিস্যু, কোষ এবং শারীরিক তরল পরীক্ষা করে রোগগুলি অধ্যয়ন করে এবং নির্ণয় করে।
- প্রায়শই ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্তের মাধ্যমে রোগের কারণ শনাক্ত করতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

কার্ডিওলজিস্ট:
একজন কার্ডিওলজিস্ট হলেন একজন চিকিত্সক যিনি হৃদরোগ এবং রক্তনালী সম্পর্কিত অবস্থার রোগ নির্ণয়, চিকিত্সা এবং প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ। তারা প্রায়ই হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং অ্যারিথমিয়াসের মতো অবস্থার সাথে মোকাবিলা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৮৭.
বাংলাদেশের বিজয় দিবস কোনটি?
  1. ২০ শে মার্চ
  2. ২৬ শে মার্চ
  3. ১৬ ই ডিসেম্বর
  4. ২১ শে ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৬ ই ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ই ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস - ৭ মার্চ, 
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ,
- জাতীয় শোক দিবস - ১৫ আগষ্ট, 
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর, 
- বিজয় দিবস - ১৬ ডিসেম্বর। 
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
৮৮.
আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. চিলি
  3. ঘানা
  4. ভ্যাটিক্যান সিটি
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিক্যান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিক্যান সিটি
ব্যাখ্যা
- আয়তন ও জনসংখ্যায় পৃথিবী ও ইউরোপের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাধীন রাষ্ট্র হলো রাশিয়া।
- জনসংখ্যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র চীন।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা, বিবিসি (লিঙ্ক)। 
৮৯.
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৯০.
সুয়েজ খাল কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. দুবাই
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
• সুয়েজ খাল:
- অবস্থান -সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- খনন শুরু - ১৮৫৯ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছিল - ১৮৬৯ সালে।
- দৈর্ঘ্য - ১৯৩ কি.মি ।
- মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে। 

উৎস: ব্রিটানিকা ৷
৯১.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?
  1. মহেশখালী
  2. হাতিয়া
  3. সন্দীপ
  4. সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৯২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাক টিকেটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতি সৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট:
- ২৯ জুলাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাময়িক সরকার ৮টি ডাকটিকিটের একটি সেট আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য প্রকাশ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

সূত্র - ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। (লিঙ্ক)
৯৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
PLO (পিএলও) কখন গঠিত হয়?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
PLO:
- PLO এর পূর্ণ্রুপ - Palestine Liberation Organization.
- PLO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- PLO এর সদর দপ্তর রামাল্লায়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে PLO জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।
- PLO এর প্রথম চেয়ারম্যান আহমদ শুকিরি।

সূত্র - Worldatlas.com and Britannica. 
৯৫.
Golden Island কোথায় অবস্থিত?
  1. মহেশখালী
  2. ভোলা
  3. সন্দীপ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠে জাহাইজ্জ্যার চর।
- যার বর্তমান নাম স্বর্ণদ্বীপ বা Golden Island।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে শুরু থেকেই চরটিকে ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতো দস্যুর দল।
- সমুদ্রের খুব কাছাকাছি হওয়ায় বছরের প্রায় আট মাসই জলমগ্ন থাকে দ্বীপটির অধিকাংশ এলাকা।
- তাই এখানে ফলস উৎপাদনে সবথেকে বড় বাধা এর মাটির লবনাক্ততা।
- তবে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে এখানে রবি শস্যের চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
- এছাড়া প্রায় ২০টি বাথানের মাধ্যমে কয়েক হাজার গরু, মহিষ এবং ভেড়া পালন করা হচ্ছে।
- স্বর্ণদ্বীপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যবহৃত হয় পশু চারণভূমি হিসেবে।
- ২০১৩ সালে সরকার দ্বীপটি সেনাবাহিনীকে বরাদ্দ দিলে পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

সূত্র: সময় নিউজ ও দৈনিক ইনকিলাব। 
৯৬.
ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন সালে?
  1. ১৭৫০ সালে
  2. ১৭৭৭ সালে
  3. ১৭৮০ সালে
  4. ১৭৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- 'স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব' ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৭.
কোন কবিতা রচনার কারণে কাজী নজরুল ইসলামরে কারাদণ্ড হয়?
  1. বিদ্রোহী
  2. কাণ্ডারী হুশিয়ার
  3. আনন্দময়ীর আগমনে
  4. দুঃশাসনের রক্ত চাই
সঠিক উত্তর:
আনন্দময়ীর আগমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনন্দময়ীর আগমনে
ব্যাখ্যা
- 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল।

আনন্দময়ীর আগমনে 
• ধূমকেতু পত্রিকায় ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হলে ৮ নভেম্বর পত্রিকার ওই সংখ্যাটি নিষিদ্ধ করা হয়।
• নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ যুগবাণী বাজেয়াপ্ত হয় ২৩ নভেম্বর ১৯২২।
• একই দিনে নজরুলকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে কলকাতায় আনা হয়।
• বিচারাধীন বন্দি হিসেবে ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি নজরুল আত্মপক্ষ সমর্থন করে চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট সুইনহোর আদালতে যে জবানবন্দী প্রদান করেন।
• বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তা ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে সাহিত্য-মর্যাদা পেয়ে আসছে। ১৬ জানুয়ারি বিচারের রায়ে নজরুল এক বছর সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই বলে সভ্যতা’ কোন ধরনের নাটক?
  1. কমেডি
  2. সামাজিক প্রহসন
  3. ট্রাজেডি
  4. মেলোড্রামা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক প্রহসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক প্রহসন
ব্যাখ্যা
মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। 

'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য।
- এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। 
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- এতে পত্র সংখ্যা ১১ টি।
- রোমান কাব্য ‘হেরোইদাইদস’ কাব্যের অনুসরনে রচিত ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য।

- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।
- বাংলায় রচিত মধুসূদনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমা সম্ভব।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন 
- একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০) ও
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।]
৯৯.
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
  1. ১২টি
  2. ১১টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ছাব্বিশটি (২৬)।
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা সাতটি (৭)।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ১টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি (৬)।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ৪টি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি।
১০০.
কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. USA
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. বাহামা
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে - অস্ট্রেলিয়া,
- ১৯০৬ সালে - ফিনল্যান্ড এবং
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- যুক্তরাজ্যের নারীরা ১৯১৮ সালে প্রথম শর্ত সাপেক্ষে এবং ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে। ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

সূত্র: Ministry for Women New Zealand (link)  ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ওয়েবসাইট (link).