পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes১৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে DDL ব্যবহৃত হয় কোন কাজে?
  1. ডাটা ডিলিট
  2. ডাটা মডিফাই
  3. ডাটা ইনসার্ট
  4. ডাটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুই কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের সময় অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ম্যালওয়্যার
  3. ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা
- Man-in-the-Middle:
দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ম্যালওয়্যার:
ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
- র‍্যানসমওয়্যার:
ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service):
ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
- ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে বলা হয় -
  1. কী
  2. ভ্যালু
  3. এট্রিবিউট
  4. এনটিটি সেট
ব্যাখ্যা
এনটিটি:
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়। এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

এনটিটি সেট:
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

এট্রিবিউট:
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু:
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

কী:
সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি ডাটাবেজ মডেল নয়?
  1. Relational
  2. NoSQL
  3. Hierarchical
  4. Spreadsheets
ব্যাখ্যা
- স্প্রেডশীট এক ধরনের ডাটাবেস মডেল নয়। স্প্রেডশীটগুলি সাধারণত একটি ট্যাবুলার বিন্যাসে ডেটা সংগঠিত এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

বিভিন্ন ধরণের ডাটাবেজ মডেল: 

- Relational Database Model

- NoSQL Database Model

- Hierarchical Database Model

- Network Database Model

- Object-Oriented Database Model

- Entity-Relationship Model (ER Model)

- XML Database Model

- Columnar Database Model

- Time-Series Database Model

- NewSQL Database Model.

উৎস: ব্রিটানিকা। 
.
কী-ফিল্ড সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ব্যাখ্যা
- কী-ফিল্ড সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • কী-ফিল্ড:
- সাধারনত কোনো ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে রেকর্ড সনাক্তকরণ, ,অনুসন্ধান ,সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- ডেটাবেজের কোনো ঘটনা/ অবস্থান বর্ণনা করারব জন্যে কী ফিল্ড ব্যবহৃত হয়।

• কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা-
♣ প্রাইমারি কী,
♣ কম্পোজিট কী এবং
♣ ফরেন কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
'Cyberstalking' এক ধরনের -
  1. ভাইরাস
  2. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. সাইবার সিকিউরিটি
  4. সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦ সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
.
কোন পদ্ধতিতে কোনো ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে?
  1. Many to Many
  2. Many to One
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

♦  Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

♦  Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. Phreaking
  2. Plagiarism
  3. Bitdefender
  4. Worms
ব্যাখ্যা
• Bitdefender এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফ্রেকিং (Phreaking),
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং (Vishing),
- স্প্যামিং (Spamming),
- স্পুফিং (Spoofing),
- স্নিফিং (Sniffing)
- স্নিকিং (Sneaking),
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (Worms),
- রুটকিটস (Rootkits),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ব্যাকডোর (Backdoor) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. রেকর্ড > ফিল্ড > বর্ণ > ডেটাবেজ
  2. রেকর্ড > ফিল্ড > তথ্য > ডেটাবেজ
  3. ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
  4. বর্ণ > ফিল্ড > রেকর্ড > ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম- ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ।

ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

রেকর্ড:
সম্পর্কযযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়। অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

ডেটাবেজ:
ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০.
Salary কোন ধরনের ডাটা?
  1. Number
  2. Text
  3. Logical
  4. Currency
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) Number এবং ঘ) Currency. 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
================== 

- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি ও ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট।
- নাম, পদবি, তারিখ, বেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ফিল্ডের উদাহরণ।
- কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। প্রতিটি ফিল্ডের একটি নির্দিষ্ট দেটা টাইপ থাকে।
- যেমন নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড।

উৎস: মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
নিচের কোনটি ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতি?
  1. ইনডেক্সিং
  2. ক্রিপটোগ্রাফি
  3. কুয়েরি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি: 
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
Select Query: 
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

Parameter Query: 
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

Crosstab Query: 
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

Action Query: 
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

• ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি।
- ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।

• ক্রিপটোগ্রাফি:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে। 

• সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending  অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এনটিটি সেট ও টেবিল
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  4. টেবিল ও কলাম
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. সাইবার ক্রাইম
  2. সাইবার অ্যাকশান
  3. নেটওয়ার্কিং ক্রাইম
  4. ইন্টারনেট ক্রাইম
ব্যাখ্যা
সাইবার ক্রাইম:
কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরণের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।

নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো -

১. হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
২. অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা ।
৩. কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে ।
৪. আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ ।
৫. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি strong password?
  1. PasSwOrD
  2. CDxY59*&
  3. ABCD1234
  4. A1B2C3D4
ব্যাখ্যা
Strong Password এর জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত:
- ১২ থেকে ১৪ টি ক্যারেক্টার বা তার বেশি থাকবে।
- বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নম্বর, সংকেত থাকবে।
এমন পাসওয়ার্ড হতে হবে যাতে কোনো অভিধান, কোন প্রতিষ্ঠান, কোন ব্লগ এর কোথাও খুজে পাওয়া না যায়।
- পূর্বের পাসওয়ার্ডের সাথে যাতে না মিলে।
- নিজের জন্য মনে রাখা সহজ কিন্তু অপরের জন্য ধারণা করাই কঠিন হবে।

উৎস: Microsoft.
১৫.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার অনুমতি ব্যতিত কপি করাকে কী বলে?
  1. সফটওয়্যার কপি
  2. সফটওয়্যার অ্যাটাক
  3. সফটওয়্যার এনালাইসিস
  4. সফটওয়্যার পাইরেসি
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বোঝায়। 
- এর ফলে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 
- Business Software Alliance (BSA) এর সূত্রমতে, ব্যবহৃত সকল সফটওয়্যারের প্রায় ৩৬ ভাগই পাইরেটেড সফটওয়্যার। 
- উন্নত দেশগুলোসহ বাংলাদেশেও কপিরাইট আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের অপরাধ প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. ফাইন্ডিং
  3. সর্টিং
  4. সার্চিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ভাইরাসযুক্ত ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি করাকে কি বলে?
  1. Spoofing
  2. Fishing
  3. Spamming
  4. Sneaking
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: Phishing. 
উত্তরপত্রের ইনপুটে বানান ভুল ছিল।  
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তরটি তুলে নেয়া হলো। 
======================== 

ফিশিং (Phishing): 

- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে কি বলা হয়?
  1. রেকর্ড
  2. টেবিল
  3. ফিল্ড
  4. ডেটা
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।

• ডেটাবেজ (Database):
ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
- ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান হলো ডেটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল ইত্যাদি।

• ডেটা:
ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি, তাই ডেটা।

• ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
রেকর্ড:
সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

• ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২০.
ডেটাবেজের ভিত্তি -
  1. টেবিল
  2. রেকর্ড
  3. এনটিটি
  4. ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ফিল্ড:
- ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি।
- অন্যভাবে বলা যায় যে, ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

• রেকর্ড:
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

• টেবিল:
এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, প্রথমে ফিল্ড তারপর রেকর্ড এবং তারপর টেবিল।

• এনটিটি (Entity):
কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।