পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৮ সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৪ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
কোনটি রাষ্ট্রের প্রাণস্বরূপ?
  1. জনসমষ্টি
  2. সরকার
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. নির্দিষ্ট ভূখন্ড
ব্যাখ্যা

সার্বভৌমত্ব:
- সার্বভৌমত্ব হল রাষ্ট্রের প্রাণস্বরূপ।
- সার্বভৌমত্বের মাধ্যমেই রাষ্ট্র তার অস্তিত্ব প্রকাশ করে।
- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড ও সরকার থাকার পরও যদি তাদের সার্বভৌমত্ব না থাকে তবে রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।
- সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য অনেক সময় চরম মূল্য দিতে হয়।
- সার্বভৌমত্বের বৈশিষ্ট্য দ্বারাই অন্য সকল সংগঠন অপেক্ষা রাষ্ট্রকে আলাদা ও ক্ষমতাবান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের মূল উপাদান চারটি।
- এগুলো হল- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- এদের যেকোন একটি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা সর্বোচ্চ কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন। 
- প্রচলিত অর্থে বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোকে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলা যায়।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না।
- সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার। তাই এসব লক্ষ্য স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত হয়।

• স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল-
- (ক) আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
- (খ) মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- (গ) বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- (ঘ) দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
- (ঙ) কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
- (চ) পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

উল্লেখ্য,
- কোন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিশেষ পর্যায় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং নানা ধরনের আর্থ-সামাজিক প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়।
- উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রকারভেদেও মধ্যে নির্দেশভিত্তিক ও প্ররোচিত পরিকল্পনা, কেন্দ্রীয় ও বিকেন্দ্রিক পরিকল্পনা, বস্তুভিত্তিক ও আর্থিক পরিকল্পনা, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রভৃতি প্রধান।

 উৎস: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ভিজিডি কর্মসূচির উপকারভোগী মূলত কারা?
  1. এতিম শিশু
  2. দুঃস্থ মহিলা
  3. দুঃস্থ ও গরীর জনগণ
  4. কর্মহীন পুরুষ
ব্যাখ্যা

ভিজিডি কর্মসূচি:
- এটি একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি, তাদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।
খাদ্য বরাদ্দ- ৪৮৮ টি উপজেলার ভিজিডি উপকারভোগীকে মাসে ৩০কেজি হারে প্রাপ্যতার সাপেক্ষে গম/চাল এবং ৩টি পার্বত্য জেলার ২৫টি উপজেলায় মাথাপিছু ৩০ কেজি হারে আতপ চাল বিতরণ করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
'সংগঠন করার অধিকার' কোন ধরনের অধিকার?
  1. রাজনৈতিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. সামাজিক অধিকার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সামাজিক অধিকার:
- সমাজে মানুষের মত মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য এসব অধিকার গুরুত্বপূর্ণ। 

যেমন- 
- সংগঠন করার অধিকার, 
- ধর্ম সংক্রান্ত অধিকার, 
- মত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি।

• নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য:
- নাগরিক প্রত্যয়টির সাথে রাষ্ট্র বিষয়টি নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
- একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবার সাথে তিনি রাষ্ট্র প্রদত্ত বিভিন্ন অধিকার লাভ করেন। যেমন;

• রাজনৈতিক অধিকার: নাগরিক হিসেবে প্রধান অধিকার হল রাজনৈতিক অধিকার। এ অধিকারের ফলে রাষ্ট্রের শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। যেমন- ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচন করার অধিকার, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার ইত্যাদি।

• অর্থনৈতিক অধিকার: স্বাধীনভাবে সম্মানজনক জীবিকা নির্বাহের অধিকার হল অর্থনৈতিক অধিকার। যেমন- চাকরি লাভের অধিকার, ব্যবসা করার অধিকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০ কার নেতৃত্বে প্রণীত হয়?
  1. প্রফেসর শামসুল হক
  2. অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
  3. ড. কাজী খলিকুজ্জমান
  4. ড. মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০:
- স্বাধীনতার পরপরই একটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত এ খুদার নেতৃত্বে দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- উক্ত কমিশন ব্যাপক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালে গণমুখী আধুনিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
- আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সময়ের প্রয়োজনে এটি সংশোধন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ ২০১০ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এই শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিশীল নেতৃত্বদানে উপযোগী মানবতাবাদী, মননশীল, যুক্তিবাদী, কুসংস্কারমুক্ত, অসম্প্রদায়িক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলা।
- এই শিক্ষানীতি সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে গণমুখী, সুলভ, সুসম, সর্বজনীন, সুপরিকল্পিত, বিজ্ঞানমনস্ক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাদানে সক্ষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও কৌশল হিসেবে কাজ করবে।
- এই আলোকে শিক্ষার ৩০টি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও নীতিগত তাগিদ নেয়া হয়েছে।

উৎস: সমাজকর্ম প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট কত জন সদস্য নিয়ে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৫
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ:
- ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত থাকে একটি ইউনিয়ন।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- এক জন সচিব নিয়োগ করা হয় কার্যালয় পরিচালনার জন্য।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কততম? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ২৪তম
  2. ২৫তম
  3. ২৬তম
  4. ২৭তম
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
- তিনি ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রধান করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ২৭ আগস্ট ২০০৩ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে উন্নীত হন এবং ২৭ আগস্ট ২০০৫ সালে একই বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন।
- ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে উন্নীত হন। [ব্যাখ্যা আপডেট - মার্চ, ২০২৬]

উৎস: বিচার বিভাগ ওয়েবসাইট।

.
শামসুল হক শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

শামসুল হক শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারীকৃত এক আদেশবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে। 
- কমিশনকে দায়িত্ব দেয়া হয় একটি বাস্তবধর্মী, গণমুখী ও গতিশীল শিক্ষানীতি প্রণয়নের।
- কমিশন দেশের জন্য উপযোগী একটি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা চালায়।
- কমিশন ১৯৯৭ সালে এর রিপোর্ট পেশ করে।
- কমিশন কর্তৃক প্রণীত শিক্ষানীতির লক্ষ্য ছিল:
(ক) ছাত্রদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে নিজেদের মধ্যে নৈতিক, মানবিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়তা দান, 
(খ) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ছাত্রদের অনুপ্রাণিত করা এবং তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা, দেশপ্রেম ও সুনাগরিকের গুণাবলীর বিকাশ, (গ) দেশে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন সাধনের লক্ষ্যে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী, উৎপাদনশীল ও সৃজনশীল করা,
(ঘ) ছাত্রদের দায়িত্বশীল ও কর্তব্যপরায়ণ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা,
(ঙ) তাদের মধ্যে বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ, অসাম্প্রদায়িক মনোভাব, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার মনোভাব সৃষ্টি এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে গড়ে তোলা,
(চ) গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশের লক্ষ্যে তাদের মধ্যে পরস্পরের মতামতের প্রতি সহনশীলতার মনোভাব সৃষ্টি, এবং
(ছ) তাদের মধ্যে জীবন সম্পর্কে বাস্তবমুখী ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী গড়ে তোলা। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মেধা ও প্রবণতার ভিত্তিতে শিক্ষাক্ষেত্রে সমঅধিকার নিশ্চিত করার প্রতি কমিশন বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে।

উল্লেখ্য,
- কমিশনের রিপোর্টে শিক্ষার তিনটি পর্যায়ের সুপারিশ করা হয়েছে, প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর ও উচ্চশিক্ষা। 
- প্রাথমিক শিক্ষার পরিধি পাঁচ বছরের পরিবর্তে আট বছর করার সুপারিশ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সাংবিধানিক পদ নয়।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ইত্যাদি।

• সাংবিধানিক পদ:
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কী?
  1. সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন
  2. প্রার্থী মনোনয়ন
  3. সরকার গঠন
  4. প্রতিশ্রুতি রক্ষা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।

এছাড়াও, রাজনৈতিক কিছু কার্যাবলী:
- জনমত গঠন,
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- প্রতিশ্রুতি রক্ষা,
- সমন্বয় সাধন,
- সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা কমিশন
  3. জাতীয় শিক্ষা কমিশন
  4. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২):
- ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে,
-  কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

অন্যদিকে,
- মজিদ খান শিক্ষা কমিশন ১৯৮৩ সালে গঠিত।
- বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা কমিশন- বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর মফিজউদ্দীন আহমদকে প্রধান করে একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করে।
- শামসুল হক শিক্ষা কমিশন-  বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারীকৃত এক আদেশবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ -এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত সালের পর আর বাড়বে না?
  1. ২০৬০ সাল
  2. ২০৬১ সাল
  3. ২০৫০ সাল
  4. ২০৫১ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে।
- এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে ২০৬২ সাল থেকে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

১৩.
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা কোন শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পঞ্চম শ্রেণি
  2. ষষ্ঠ শ্রেণি
  3. সপ্তম শ্রেণি
  4. অষ্টম শ্রেণি
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ও বাস্তবায়ন:
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে।
- এটি বাস্তবায়নে দু’টি বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা।
- ২০১১-১২ অর্থ বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার জন্য অনতিবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে:
১. প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার নতুন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা;
২. প্রাথমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষকের জন্য শিক্ষাক্রম বিস্তারসহ শিখন-শেখানো কার্যক্রমের ওপর ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;
৩. শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পুনর্বিন্যাস করা। প্রাথমিক শিক্ষার এই পুনর্বিন্যাসের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ের সকল বিদ্যালয়ের ভৌত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষকের  সংখ্যা বাড়ানো হবে। যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আট বছরব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ২০১৮এর মধ্যে ছেলে-মেয়ে, আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং জাতিসত্তা নির্বিশেষে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল শিশুর জন্য নিশ্চিত করা হবে।

উৎস: সমাজকর্ম ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ২২নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৫নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৭নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি:
- আধুনিক বিশ্বে প্রত্যেক রাষ্ট্র একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- প্রতিটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য অপর রাষ্ট্রের সাথে অনুরূপ সম্পর্ক স্থাপন করে।
- রাষ্ট্র প্রকৃত পক্ষে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন করে। এজন্য অটো ভন বিসমার্ক বলেন, ‘‘অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণই হল পররাষ্ট্র নীতি।”
- পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশেরও নিজস্ব বৈদেশিক নীতি রয়েছে।
- সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হল-

i. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা- এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
ii. রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে।
iii. প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে।
iv. সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণ বৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে রাষ্ট্র সমর্থন করবে।

পরিশেষে বলা যায়, বৈদেশিক নীতি হল রাষ্ট্রের সে সকল কার‌্যাবলির বিবরণী, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। অন্যান্য রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১৫.
কার নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সচিবালয়
  4. মন্ত্রীপরিষদ
ব্যাখ্যা

সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র।
- কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার ধরণ- সংসদীয় গণতন্ত্র।
- রাজধানী ঢাকা থেকে সারাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে বিভিন্ন প্রশাসনিক এককে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
- তবে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে
  2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে
  3. স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে
  4. বিদেশ ভ্রমণ করলে
ব্যাখ্যা

নাগরিকতা বিলোপের কারণ:
- নিম্নলিখিত কারণে কোন ব্যক্তির নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে- 
(ক) স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে,
(খ) রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে,
(গ) অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে অনেকক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে, 
(ঘ) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে।

উল্লেখ্য,
- 'বিদেশ ভ্রমণ' নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
রাষ্ট্রপতি কোন দুটি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মানতে বাধ্য নন?
  1. মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল ও নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- সংবিধানের ৪৮ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে বলা আছে। ৪৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

১. বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
২. রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
৩. এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

৪. কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
ক. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
খ. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
গ. কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 

৫. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যেকোনো বিষয় মন্ত্রীসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৮.
জন্মনীতি অনুযায়ী নাগরিকতা নির্ধারিত হয় কিসের ভিত্তিতে?
  1. জন্মস্থানের ভিত্তিতে
  2. সম্পত্তির ভিত্তিতে
  3. ভাষার ভিত্তিতে
  4. পিতা-মাতার নাগরিকতার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
- নাগরিকতা অর্জনের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে:
(ক) জন্মসূত্রে নাগরিক- যারা জন্মগতভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে।
(খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক- আর যারা কতকগুলো শর্তপূরণ করে শর্ত আরোপকারী রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিক বলে।

• জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
- জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি নীতি মেনে চলা হয়। (ক) জন্মস্থান নীতি ও (খ) জন্মনীতি।
(ক) জন্মস্থান-নীতি:
- জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী শিশু যে রাষ্ট্রে ভূমিষ্ট হয় সে রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে।
- যদি কোন রাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজ, বিমান কিংবা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
যেমন- বাংলাদেশের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের পতাকাবাহী বিমান বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সন্তান কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
- অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি অনুসরণ করে।

(খ) জন্মনীতি:
- এই নীতি অনুযায়ী শিশু যেখানেই ভূমিষ্ট হোক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতাই তার নাগরিকতা নির্ধারণ করবে। যেমন:
- জাপানের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করে তবে সেই সন্তান জাপানের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জাপান, ইতালী প্রভৃতি রাষ্ট্র জন্মনীতি মেনে চলে।

• অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা অর্জন:
- যদি কোন ব্যক্তি অনুমোদনসূত্রে নাগরিক হতে চায় তবে তাকে নাগরিকতা অর্জনের জন্য নিম্নলিখিত এক বা একাধিক শর্ত পূরণ করতে হয়:
(১) অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের নাগরিককে বিয়ে করতে হয়,
(২) সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হয়,
(৩) সরকারি চাকরি করতে হয়,
(৪) সম্পত্তি ক্রয় করতে হয়,
(৫) ভাষা জানতে হয়,
(৬) নির্দিষ্ট সময় বসবাস করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- অনুমোদনের শর্ত রাষ্ট্রভেদে আলাদা হতে পারে।
- শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একজন বিদেশীকে অনুমোদনকারী রাষ্ট্রের নিকট আবেদন করতে হয় এবং আবেদন মঞ্জুর হলেই একজন বিদেশী অনুমোদনদানকারী রাষ্ট্রের অনুমোদনসূত্রে নাগরিকে পরিণত হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
জাতীয় শ্রমনীতি ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২:
- বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

• এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:
- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

২০.
জাতীয় শিশু নীতি-২০১১ অনুযায়ী, শিশু বলতে কাকে বোঝায়?
  1. ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  2. ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  4. ২১ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
১. ভূমিকা:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।

২.১ শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোন আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্য বিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
২.২ কিশোর কিশোরীঃ কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।
৩. পরিধি:
জাতীয় শিশু নীতি বাংলাদেশের নাগরিক সকল শিশুর ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনভাবে প্রযোজ্য হবে।
৪. মূলনীতি:
বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহের আলোকে শিশু অধিকার নিশ্চিতকরণ।
শিশু দারিদ্র্য বিমোচন।
শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
কন্যা শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
শিশুর সার্বিক সুরক্ষা ও সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ।

উৎস: জাতীয় শিশু নীতি- ২০১১।

২১.
উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট কোন বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ফেডারেল আদালত ও জেলা আদালত
  2. আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা আদালত ও স্থানীয় আদালত
  4. আপিল বিভাগ ও জেলা আদালত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট।
- উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের জ্যৈষ্ঠতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।
- সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে, বলা আছে "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ-
১০৮। সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিএসএস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কোনটি?
  1. ১৯৭১ থেকে ১৯৭৬
  2. ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭
  3. ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
  4. ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮),
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫),
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০),
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫),
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২),
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫),
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০),
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ( ২০২১-২০২৫), বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনে ওয়েবসাইট।

২৩.
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচির আওতায় মাসিক ভাতার হার কত?
  1. ৬৫০ টাকা
  2. ৮৫০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১২৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী:
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি।
-  দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।
- এর উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
- বর্তমানে ৪২৬ টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান।
- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জুলাই/২০২৫ থেকে উপকারভোগীদের ভাতার পরিমাণ মাসে ৮০০/(আটশত) টাকার হতে ৮৫০/ (আটশত পঞ্চাশ) টাকা হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বছরে ৫ দিন অংশগ্রহন করছেন। 
- সরকারের জাতীয় সামজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে ০ থেকেক ৪  বছরের মোট শিশুর অর্ধেক অর্থাৎ ৫০% কে এই কর্মসূচির আওতায় সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যার সম্বব্য সংখ্যা ৬৫ লক্ষ শিশু।

• মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচিতে আবেদনের যোগ্যতা-
- বয়স ২০-৩৫ বছর।
- এন আই ডি কার্ড।
- প্রথম অথবা দ্বিতীয় গর্ভবস্থা।
- নিজ নামে পছন্দসই অনলাইন/মোবাইল ব্যাঙক একাউন্ট।
- পারিবারিক মাসিক আয় সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকা।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

২৪.
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (SFDF) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. কৃষি মন্ত্রণালয়
  2. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- ফাউন্ডেশনের কর্ম এলাকা দেশের দারিদ্র্য ম্যাপ অনুযায়ী (বিবিএস) কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
- সে মোতাবেক দেশের ৮টি বিভাগের ৩৬টি জেলার 200টি উপজেলার ৭৫৪টি ইউনিয়নে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বিদ্যমান রয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

• এসএফডিএফ গঠনের প্রেক্ষাপট:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কর্তৃক ১৯৭২ সালে এশিয়া অঞ্চলের ৮টি দেশে ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীনদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও উন্নয়নের জন্য সুপারিশমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্যে “Asian Survey on Agrarian Reforms and Rural Development (ASARRD) ” শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

• ফাউন্ডেশনে রূপান্তর:
- প্রকল্পটি সমাপ্তির পর  Small Farmers Development Foundation (SFDF) নামে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতায় ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে ২৭ জুলাই ২০০৫ সালে সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন একটি ফাউন্ডেশনে রূপান্তরিত হয় এবং ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে মাঠ কার্যক্রম শুরু হয়।

• ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য:
১. পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান;
২. দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি; এবং
৩. বসতভিটা ছাড়া সর্বোচ্চ ০.০৫- ২.৪৯  একর চাষযোগ্য জমির স্বত্বাধিকারী কৃষকদের ঋণ প্রদান।

উৎস: ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) (link)।

২৫.
‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী অধিদপ্তর কোনটি?
  1. খাদ্য অধিদপ্তর
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. তথ্য অধিদপ্তর
  4. সমবায় অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

বয়স্ক ভাতা: 
- ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প অথবা অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে উপার্জনক্ষম বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আংশিক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।


উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে-
- উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন,
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং
- বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।

২৬.
বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ:
- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- পরবর্তী বছরে অর্থাৎ ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- এই স্থানীয় সরকার উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- ঐতিহাসিকভাবে দেখতে গেলে ১৮৮৫ সালের ব্রিটিশ বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্মেন্ট এ্যাক্ট-র মাধ্যমে যে লোকাল বোর্ডগঠন করা হয় তারই পরিবর্তিত রূপ এই উপজেলা পরিষদ।
- উপজেলা পরিষদ সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি।
- নির্বাচিত প্রতিনিধির একাংশ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত।
- অন্যরা পরোক্ষভাবে অর্থাৎ একটি উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র এবং
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নিজেদের দ্বারা নির্বাচিত এক-তৃতীয়াংশ নারী সদস্য।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
পিআরএসপি মূলত কোন উদ্দেশ্যে প্রণীত?
  1. শিল্পায়ন বৃদ্ধি
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র (পিআরএসপি):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- এটি দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- বাংলাদেশ ২০০৩ সালে প্রথম অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম পিআরএসপি প্রণয়ন করে।
- এই দলিলটির শিরোনাম ছিল ‘আনলকিং দ্য পটেনশিয়াল: দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের জাতীয় কৌশল’ যা পিআরএসপি নামে বহুল প্রচারিত।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা'।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৮.
EPI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Expanded Plan for Immunity
  2. Expanded Program on Immunization
  3. Effective Program for Immunization
  4. Extended Policy on Infection
ব্যাখ্যা

ইপিআই কর্মসূচি:
- EPI -এর পূর্ণরূপ Expanded Program on Immunization. 
- এটি একটি বৈশ্বিক টিকাদান কর্মসূচি, যার লক্ষ্য বিশ্বের সকল শিশুকে নিয়মিত টিকার আওতায় আনা।
- মূল উদ্দেশ্য: প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষা প্রদান।
- বাংলাদেশে ০–১১ মাস বয়সী শিশুদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকাদান কেন্দ্রে বা হাসপাতালে নিয়ে এসে টিকা প্রদান করা হয়।

• EPI কর্মসূচির আওতাভুক্ত প্রধান রোগসমূহ-  
- যক্ষ্মা (BCG)
- ডিপথেরিয়া
- ধনুষ্টংকার
- হুপিংকাশি
- পোলিও
- হেপাটাইটিস বি
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ-বি (Hib)
- হাম
- রুবেলা

• মূল লক্ষ্য
- শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস।
- মহামারী প্রতিরোধ।
- জাতীয় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে
  2. সংসদ সদস্যদের ভোটে
  3. সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের ভোটে
  4. মন্ত্রিসভার ভোটে
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধান সংবিধানের চতুর্থ অংশে রয়েছে।
- এ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তিনি তাঁর ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলা হয়।
- সরকারের সব নির্বাহী কার্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৬০-৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৩০.
NIPORT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Institute of Public Organization and Training
  2. National Institute of Population Research and Training
  3. National Institute of Population Resources and Technology
  4. National Institute of Policy Research and Training
ব্যাখ্যা

NIPORT (নিপোর্ট):
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৭ সালে নিপোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচি ব্যবস্থাপনায় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করে।
- গবেষণার ফলাফল কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা হয়।
- নিপোর্টের মাধ্যমে ১২টি Family Welfare Visitor Training Institute (FWVTI) পরিচালিত হয়।
- এছাড়া ২০টি Regional Training Centre (RTC) এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ওয়েবসাইট।