পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২ এসিড, ক্ষার, লবণ, জারণ, বিজারণ। এবং ধাতু ও তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ। [ক্লাস ২ ও ৩]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সালফিউরিক এসিডে সালফার এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. ক) - ৬
  2. খ) + ২
  3. গ) - ২
  4. ঘ) + ৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
ব্যাখ্যা
ধরি, H2SO4 এ সালফারের জারণ সংখ্যা x 

অতএব, (+ 1) 2 + x + (- 2) × 4 = 0
⇒ 2 + x - 8 = 0
∴ x = + 6

সালফারের জারণ সংখ্যা +6

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি 
.
নিচের কোনটি ধাতব ধর্ম?
  1. ক) নমনীয়
  2. খ) তাপ পরিবাহী
  3. গ) বিদ্যুৎ পরিবাহী
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ধাতব ধর্ম (Metalic Properties) :
পর্যায় সারণিতে বিভিন্ন সারিতে এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে অবস্থিত মৌলসমূহকে ধাতু, অধাতু এবং অপধাতুতে ভাগ করা হয়েছে।
মৌলের সুনির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে এদের উল্লিখিত নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

ধাতুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন—
- এরা উচ্চ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী,
- এদের ধাতব দ্যুতি আছে এবং
- এরা নমনীয় প্রকৃতির।

ধাতুর এসব বৈশিষ্ট্যই হলো ধাতব ধর্ম। সাধারণত যেসব মৌলের তড়িৎ ধনাত্মকতা যত বেশি হয় এবং আয়নিকরণ শক্তি যত কম হয় ঐ সব মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি হয়। পর্যায় সারণিতে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যেহেতু বাম থেকে যতই ডানে যাওয়া যায় ততই পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ধনাত্মকা হ্রাস পায় তাই মৌলের ধাতু ধর্মও হ্রাস পায়। তাই পর্যায় সারণির বামে 1 এবং 2 শ্রেণির মৌলসমূহের ধাতু ধর্ম প্রবল অথচ ডান পার্শ্বের 17 শ্রেণির মৌলের ধাতব ধর্ম নেই বললেই চলে। পর্যায় সারণির মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থিত জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, টেলুরিয়াম প্রভৃতি উপধাতু ।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
.
জারক ও বিজারক উভয় ধর্ম দেখা যায় কোনটিতে?
  1. ক) FeSO4
  2. খ) O2
  3. গ) H2S
  4. ঘ) SO2
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
ব্যাখ্যা
• জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
- জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
- যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

জারক মনে রাখার উপায়:- সকল পারঅক্সাইড,অক্সি এসিড, ক্যাটায়ন, ইক্ লবণ, অক্সিজেন, ওজোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল জারক।
FeSO4 বাদে অক্সিজেনেরর প্রাচুর্য আছে এমন সকল যৌগ জারক।

বিজারক মনে রাখার উপায়:- সকল আস্ লবণ, ধাতু, C ও CO ও হাইড্রোজেন বিজারক।

তাছাড়া H2O2, SO2 , O3 তিনটি পদার্থে জারক, বিজারক দুইটা ধর্মই আছে।
O3 হচ্ছে উত্তম জারক পদার্থ। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (২য় পত্র) বোর্ড বই ও মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক) তামা
  2. খ) সীসা
  3. গ) দস্তা
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
অ্যালুমিনিয়াম:
- ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। 
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে।
- এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) সংযোজক
  4. ঘ) বিজারক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিজারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
.
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ৪৭
  3. গ) ৭৯
  4. ঘ) ১২
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
ব্যাখ্যা
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩।
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা ৪৭। 
গোল্ডের পারমাণবিক সংখ্যা ৭৯। 
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
.
নিচের কোনটি ধাতু নয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন
ব্যাখ্যা
ধাতু: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত যথাঃ ধাতু ও অধাতু।
- ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু।
- আবার কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ই্যাদি হচ্ছে অধাতু।
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।
- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়।
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়।
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে।
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহি। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)।
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
.
নিচের কোনটি গ্রিন ভিট্রিওল?
  1. ক) ZnSO4.7H2O
  2. খ) CuSO4.7H2O
  3. গ) FeSO4.7H2O
  4. ঘ) কোণটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) FeSO4.7H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) FeSO4.7H2O
ব্যাখ্যা
সাদা ভিট্রিওল - ZnSO4.7H2O
সবুজ ভিট্রিওল - FeSO4.7H2O
ব্লু ভিট্রিওল -CuSO4.7H2O

ব্লু ভিট্রিওলকে তুঁতে ও বলা হয়ে থাকে। তুঁত বিষাক্ত। এটি কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: LiveMCQ lecture
.
নিচের কোনটি উপধাতু?
  1. ক) জার্মেনিয়াম
  2. খ) আর্সেনিক
  3. গ) টেলুরিয়াম
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ধাতব ধর্ম (Metalic Properties) :
পর্যায় সারণিতে বিভিন্ন সারিতে এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে অবস্থিত মৌলসমূহকে ধাতু, অধাতু এবং অপধাতুতে ভাগ করা হয়েছে।
মৌলের সুনির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে এদের উল্লিখিত নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

ধাতুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন—
- এরা উচ্চ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী,
- এদের ধাতব দ্যুতি আছে এবং
- এরা নমনীয় প্রকৃতির।

ধাতুর এসব বৈশিষ্ট্যই হলো ধাতব ধর্ম। সাধারণত যেসব মৌলের তড়িৎ ধনাত্মকতা যত বেশি হয় এবং আয়নিকরণ শক্তি যত কম হয় ঐ সব মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি হয়। পর্যায় সারণিতে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যেহেতু বাম থেকে যতই ডানে যাওয়া যায় ততই পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ধনাত্মকা হ্রাস পায় তাই মৌলের ধাতু ধর্মও হ্রাস পায়। তাই পর্যায় সারণির বামে 1 এবং 2 শ্রেণির মৌলসমূহের ধাতু ধর্ম প্রবল অথচ ডান পার্শ্বের 17 শ্রেণির মৌলের ধাতব ধর্ম নেই বললেই চলে। পর্যায় সারণির মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থিত জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, টেলুরিয়াম প্রভৃতি উপধাতু ।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়