পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: বাংলাদেশের জাতীয় অর্জনসমূহ এবং অন্যান্য (পদক, চিত্রকর্ম, পুরস্কার, খেলাধুলা প্রভৃতি)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কোন সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান শুরু করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার: 
- বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান শুরু করে। 

- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান এবং শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ কোন সালে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ: 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসির ট্রফির ফাইনালকে বলা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম নাটকীয় ম্যাচ।
- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ।

উৎস: বিবিসি বাংলা (৫ অক্টোবর ২০২৩)।
.
নিচের কোনটি এস.এম সুলতানের চিত্রকর্ম?
  1. জমি চাষ
  2. ধান মাড়াই
  3. গ্রাম্য কাইজা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
এস.এম  সুলতান: 
- এস.এম  সুলতান (১৯২৩-১৯৯৪) ছিলেন চিত্রকর।
- পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি সমধিক পরিচিত।
- সুলতানের ছবিতে পরিপূর্ণতা এবং প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি আছে শ্রেণির দ্বন্দ্ব, এবং গ্রামীণ অর্থনীতির কিছু ক্রুর বাস্তবতার চিত্রও।
- হত্যাযজ্ঞ (১৯৮৭) ও চরদখল (১৯৮৮) এরকম দুটি ছবি।
- এস এম সুলতানের চিত্রকর্ম ‘জমি চাষ’,  ‘ধান মাড়াই’ ও ‘গ্রাম্য কাইজা’।
নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় তাঁর জন্মস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- সেখানে সরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।
- সংগ্রহশালার দ্বিতল ভবনটিতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে তাঁর ৭৪টি শিল্পকর্ম।
- এর মধ্যে ২৩টি মূল ছবি। অন্য ৫১টি রেপ্লিকা (মূল ছবি থেকে প্রিন্ট করা)।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চিত্রকর্ম ‘সভ্যতার ক্রমবিকাশ’।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২১)
.
বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে কত সাল থেকে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০২২ সাল
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
বাফুফের বর্তমান সভাপতির নাম কী? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আ ফ ম মিজানুর রহমান
  2. কাজী সালাহউদ্দিন
  3. ইমরুল হাসান
  4. তাবিথ আউয়াল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাবিথ আউয়াল।
- নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জিতেছেন তিনি।
- এই পদে দুই প্রার্থীর ভোটের লড়াইয়ে ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়তে পারলেন না আ ফ ম মিজানুর রহমান।
- এর আগে দুবার বাফুফে সহ-সভাপতি ছিলেন তাবিথ।
- দীর্ঘ ১৬ বছর পর পর দেশের সর্বোচ্চ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা পেল নতুন অভিভাবক।
- ২০০৮ সাল থেকে চার মেয়াদে বাফুফে সভাপতি ছিলেন এবারের নির্বাচনে অংশ না নেওয়া কাজী সালাহউদ্দিন।
- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে গেছেন বসুন্ধরা কিংসের চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান।

উৎস: The Daily Star বাংলা (অক্টোবর ২৬, ২০২৪)।
.
ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত বেসামরিক পুরস্কার কোনটি?
  1. স্বাধীনতা পদক
  2. একুশে পদক
  3. ভাষা শহীদ পদক
  4. প্রধানমন্ত্রী পদক
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: 
- একুশে পদক ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
কতজন নারী ২০২৪ সালে বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ১০ জন
  4. ১৬ জন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪: 
- নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ চারজনকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ এ ভূষিত করা হয়েছে।
- তারা হলেন: দাবা খেলায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাণী হামিদ, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী পারভীন হাসান, নারী অধিকারকর্মী শিরিন পারভিন হক, শ্রম অধিকার কর্মী ও ফটোগ্রাফার তাসলিমা আখতার।
- পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রাণী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম নারী আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার, পারভীন হাসান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপারসন ও সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, শিরিন পারভিন হক নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা এবং তাসলিমা আখতার বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি।

উৎস: The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ৯, ২০২৪)। 
.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ
  2. ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
  3. ১৯৭২ সালের সাইক্লোন
  4. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম(১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা(১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি ‘নবান্ন’। 
- ‘সোনার বাংলার শ্মশান’ হওয়ার আখ্যান ছিল ‘নবান্ন’।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। 
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে ‘মনপুরা ৭০’ শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন তিনি।
- এছাড়াও তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা (অক্টোবর ২৬, ২০২৩)।
.
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের বর্তমান নাম কী?
  1. বাংলাদেশ ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স এওয়ার্ড
  2. বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স
  3. বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক অ্যালায়েন্স
  4. বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক রিলেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স: 
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া পুরস্কারের বর্তমান নাম বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স। 
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স পেলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। 
- বাংলাদেশ সরকার "বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স" (Bangladesh Medal for Diplomatic Excellence) প্রদান করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আলদুহাইলানকে।
- তিনি বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছেন।
- এই স্বীকৃতি বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে তার ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: The Daily Star (২৮ জানুয়ারি, ২০২৫)
১০.
শিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ধান কাটা
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. তিন কন্যা
  4. চর দখল
ব্যাখ্যা
পটুয়া কামরুল হাসান:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরই আমাদের চিত্রশিল্পজগতে সবচেয়ে খ্যাতিমান শিল্পী কামরুল হাসান।
- ‘তিন কন্যা’, ‘গুনটানা’ কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম।
- স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে স্বপ্নভঙ্গ ও হতাশা তাঁর সৃজনকর্মে নানা প্রতীকে রূপায়িত হয়েছে, ঘুরে ঘুরে এসেছে প্যাঁচা, শেয়াল, কঙ্কালের ব্যবহার।
- ‘চন্দ্রালোকে হতভাগ্য ঘোড়া’, ‘ইমেজ’, ‘শেয়াল’, ‘গণহত্যার পরে’ প্রভৃতি চিত্রে এর উদাহরণ দেখা যেতে পারে।
- মুক্তিযুদ্ধে তাঁর আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

উৎস: প্রথম আলো (২ ডিসেম্বর ২০২১)
১১.
কোন দেশকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল? [মার্চ, ২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪:
- দশরথ রঙ্গশালাতেই নেপালকে কাঁদিয়ে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ২০২২ সালের ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তোলে বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছেন লাল–সবুজের অদম্য মেয়েরা।
- নেপালের মাটিতে টানা দ্বিতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

উৎস: প্রথম আলো (৩১ অক্টোবর ২০২৪)।