১.
উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত ছিলেন কোন লেখক?
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায়:
অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৪-২০০২) ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও চিন্তাবিদ। উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অন্নদাশঙ্কর রায় ২০ বছর বয়সে ওড়িয়া সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর প্রথম কবিতা ওড়িয়া ভাষায় রচিত। কম বয়সে প্রভা নামে ওড়িয়া ভাষায় হাতে লেখা একটি পত্রিকা বের করেন।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম প্রকাশিত মৌলিক রচনার বিষয় ছিল নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা, যা ভারতী পত্রিকায় ছাপা হয়।
অন্নদাশঙ্করের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ তারুণ্য ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় বিচিত্রা পত্রিকায়। তবে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা পথে প্রবাসে ভ্রমণকাহিনীর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের স্থান করে নেন। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত দুই বছর উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ‘পথে প্রবাসে’।
দীর্ঘজীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রায় সত্তর বছর ধরে তিনি প্রবন্ধ, উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনী, ছড়া, কবিতা, নাটক, পত্রসাহিত্য, আত্মজীবনীমূলক রচনা প্রভৃতি লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। তাঁর রচিত উপন্যাসের সংখ্যা ২২টি।
এর মধ্যে প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'আগুন নিয়ে খেলা (১৯৩০)'। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস তাঁর ছয় খন্ডে প্রকাশিত 'সত্যাসত্য ছয়টি' নামে প্রকাশিত হয় যথাক্রমে- যার যেথা দেশ (১৯৩২), অজ্ঞাতবাস (১৯৩৩), কলঙ্কবতী (১৯৩৪), দুঃখমোচন (১৯৩৬), মর্ত্যের স্বর্গ (১৯৪০), অপসরণ (১৯৪২)।
• উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাস:
অসমাপিকা; পুতুল নিয়ে খেলা; কন্যা; তিন খন্ডে প্রকাশিত রত্ম ও শ্রীমতী (১ম-১৯৫৬, ২য়-১৯৫৮, ৩য়-১৯৭২), সুখ; বিশল্যকরণী; তৃষ্ণার জল; রাজঅতিথি এবং চার খন্ডে রচিত ও প্রকাশিত ক্রান্তদর্শী (১ম-১৯৮৪, ২য়-১৯৮৫, ৩য়-১৯৮৫, ৪র্থ-১৯৮৬)।
• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থগুলো:
প্রকৃতির পরিহাস; দুকান কাটা; হাসনসখী; মনপবন; যৌবনজ্বালা; কামিনীকাঞ্চন;, রূপের দায়; গল্প; কথা; কাহিনী; শ্রেষ্ঠগল্প এবং গল্পসমগ্র।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
অন্নদাশঙ্কর রায় (১৯০৪-২০০২) ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও চিন্তাবিদ। উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অন্নদাশঙ্কর রায় ২০ বছর বয়সে ওড়িয়া সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর প্রথম কবিতা ওড়িয়া ভাষায় রচিত। কম বয়সে প্রভা নামে ওড়িয়া ভাষায় হাতে লেখা একটি পত্রিকা বের করেন।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম প্রকাশিত মৌলিক রচনার বিষয় ছিল নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা, যা ভারতী পত্রিকায় ছাপা হয়।
অন্নদাশঙ্করের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ তারুণ্য ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় বিচিত্রা পত্রিকায়। তবে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা পথে প্রবাসে ভ্রমণকাহিনীর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের স্থান করে নেন। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত দুই বছর উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ‘পথে প্রবাসে’।
দীর্ঘজীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রায় সত্তর বছর ধরে তিনি প্রবন্ধ, উপন্যাস, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনী, ছড়া, কবিতা, নাটক, পত্রসাহিত্য, আত্মজীবনীমূলক রচনা প্রভৃতি লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। তাঁর রচিত উপন্যাসের সংখ্যা ২২টি।
এর মধ্যে প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'আগুন নিয়ে খেলা (১৯৩০)'। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস তাঁর ছয় খন্ডে প্রকাশিত 'সত্যাসত্য ছয়টি' নামে প্রকাশিত হয় যথাক্রমে- যার যেথা দেশ (১৯৩২), অজ্ঞাতবাস (১৯৩৩), কলঙ্কবতী (১৯৩৪), দুঃখমোচন (১৯৩৬), মর্ত্যের স্বর্গ (১৯৪০), অপসরণ (১৯৪২)।
• উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাস:
অসমাপিকা; পুতুল নিয়ে খেলা; কন্যা; তিন খন্ডে প্রকাশিত রত্ম ও শ্রীমতী (১ম-১৯৫৬, ২য়-১৯৫৮, ৩য়-১৯৭২), সুখ; বিশল্যকরণী; তৃষ্ণার জল; রাজঅতিথি এবং চার খন্ডে রচিত ও প্রকাশিত ক্রান্তদর্শী (১ম-১৯৮৪, ২য়-১৯৮৫, ৩য়-১৯৮৫, ৪র্থ-১৯৮৬)।
• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থগুলো:
প্রকৃতির পরিহাস; দুকান কাটা; হাসনসখী; মনপবন; যৌবনজ্বালা; কামিনীকাঞ্চন;, রূপের দায়; গল্প; কথা; কাহিনী; শ্রেষ্ঠগল্প এবং গল্পসমগ্র।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।