পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০৭ আইন বিষয়াবলী - ৪ Subject: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Temporary Injunction (Order 39), Appointment of Receiver (Order 40), Alternative Dispute Resolution (Sections 89A-89E), Appeals (Sections 96-99, 104-112 & Orders 41-45) Reference (Section 113, Order 46), Review (Sections 114 & Order 47), Revision (Section 115), Miscellaneous (Orders 48-50, Sections 132-155).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ ধারার উদ্দেশ্যে জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল প্রস্তুত করেন?
  1. অতিরিক্ত জেলা জজের
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবীদের
  3. মধ্যস্থতাকারী পক্ষদ্বয়ের
  4. জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির
ব্যাখ্যা

ধারা ৮৯(১০):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, জেলা জজ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে একটি মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় তা হালনাগাদ করা হবে)।

এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন- আইনজীবীগণ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকগণ, বিবাদ নিষ্পত্তি (dispute resolution) বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ, এবং এমন অন্যান্য ব্যক্তি— যাদেরকে এই উদ্দেশ্যে উপযুক্ত মনে করা হয়; তবে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এই তালিকায় থাকতে পারবেন না।

জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ তালিকা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

শর্ত:
এই উপ-ধারার অধীনে তালিকাভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী কোনো মামলায় মধ্যস্থতা করতে পারবেন না, যদি তিনি পূর্বে ওই মামলার কোনো পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কোনো আদালতে নিযুক্ত হয়ে থাকেন।

.
ধারা ৯৮(২) অনুযায়ী যদি বিচারকদের কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে যা ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করে, তখন কী হবে?
  1. আপিল খারিজ হবে
  2. মামলা পুনরায় শুনানি হবে
  3. ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৮: দুই বা ততোধিক বিচারক দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যদি কোনো আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের একটি বেঞ্চ দ্বারা শুনানি হয়, তাহলে সেই আপিলের সিদ্ধান্ত হবে- ওই বিচারকদের মতামত অনুযায়ী, অথবা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক কোনো এক মতের পক্ষে থাকেন, তবে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত অনুযায়ী।

(২) যদি ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে বিচারকদের মধ্যে কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে, তাহলে- আপিলকৃত ডিক্রি পূর্বের মতোই বহাল (confirmed) থাকবে।

প্রদত্ত শর্ত (Proviso):
যখন আপিল শুনানি করা বেঞ্চে দুইজন বিচারক থাকবেন, এবং আদালতে মোট বিচারকের সংখ্যা দুইয়ের বেশি, এবং ওই দুই বিচারকের মধ্যে আইনগত বিষয়ে (point of law) মতানৈক্য দেখা দেবে, তখন তারা যে আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন, সেটি লিখিতভাবে উল্লেখ করবেন।
এরপর সেই নির্দিষ্ট আইনি বিষয়টি আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারক শুনবেন। এবং এই পুনঃশুনানিতে অংশগ্রহণকারী সকল বিচারকের মধ্যে যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মত (প্রথম দুই বিচারকসহ) সেই মত অনুযায়ী সেই আইনি বিষয়টির সিদ্ধান্ত হবে।

(৩) এই ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনের লেটারস পেটেন্টের কোনো বিধান পরিবর্তন বা প্রভাবিত করে না।

.
আদেশ ৪০ এর অধীনে আদালত কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল অস্থাবর সম্পত্তির জন্য
  2. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  3. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে কেবল স্থাবর সম্পত্তির জন্য
  4. ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে যেকোনো সম্পত্তির জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ১: রিসিভার নিয়োগ:
(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।

.
রিভিউর আবেদন শুনানিতে বিচারকদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হলে কী হবে?
  1. আবেদন মুলতবি থাকবে
  2. আবেদনটি গ্রহণ করা হবে
  3. আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  4. আবেদনটি অন্য আদালতে জমা দিতে বলা হবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৭ বিধি ৬: আবেদন প্রত্যাখ্যানের বিধান:
(১) কোনো পুনর্বিবেচনা (review) আবেদন যদি একাধিক বিচারকের সমন্বয়ে শোনা হয় এবং বিচারকদের মতামত সমানভাবে বিভক্ত হয়, তাহলে আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত বলে গণ্য হবে

(২) কিন্তু বিচারকদের মধ্যে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কোনো মত গৃহীত হয়, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

.
আদেশ ৩৯ বিধি ১ এর অধীন আদালতের দেওয়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি ১: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা যে ক্ষেত্রে প্রদান করা যেতে পারে:
কোনো মামলায় এফিডেভিট বা অন্য কোনো উপায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে-
(ক) মামলার যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তা মামলার কোনো পক্ষের দ্বারা অপচয় হওয়ার, নষ্ট হওয়ার, হস্তান্তর (alienated) হওয়ার, অথবা কোনো ডিক্রির জোরে বেআইনিভাবে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, অথবা

(খ) বিবাদী (defendant) তার সম্পত্তি সরিয়ে ফেলতে চায়, কিংবা হস্তান্তর বা বিক্রি করতে চায় এমন উদ্দেশ্যে যাতে তার ঋণদাতাদের (creditors) ঠকানো যায়, তাহলে আদালত আদেশের মাধ্যমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary injunction) দিতে পারে, যাতে উল্লিখিত কাজগুলো করা না যায়।

এ ছাড়া আদালত চাইলে এমন অন্য কোনো আদেশও দিতে পারে যা- সম্পত্তির অপচয়, ক্ষতি, হস্তান্তর, বিক্রি, সরিয়ে ফেলা, বা বেপরোয়া ব্যবহার রোধ করতে সহায়তা করে, এবং এই আদেশ কার্যকর থাকবে- মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আদালতের আগাম কোনো পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

.
Who must sign or initial the amendments made in a memorandum of appeal?
  1. Only the court clerk
  2. The appellant
  3. Only the Judge
  4. The Judge or an officer appointed by him
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

.
আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করার আদেশ-
  1. আপিলযোগ্য
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ-৪৭ বিধি-৪ মোতাবেক রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ → আপিলযোগ্য।

আদেশ ৪৩ বিধি-১ (ব) স্পষ্টভাবে বলে:
“রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য।” অর্থাৎ CPC-তে এটিকে সরাসরি appealable order হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আদেশ ৪৩ বিধি-১- আদেশসমূহ হতে আপিল:
১০৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল করা চলবে, যথা-
ক) আদেশ-৭ এর বিধি-১০ মোতাবেক উপযুক্ত আদালতে দাখিল করার জন্য আরজি ফেরত প্রদানের আদেশ;
খ) আদেশ-৮ এর বিধি-১০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ;
গ) আদেশ-৯ এর বিধি-৯ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিল রদ করার জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঘ) আদেশ-৯ এর বিধি-১৩ মোতাবেক একতরফা প্রদত্ত ডিক্রি রদ করতে আদেশের জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঙ) আদেশ-১০ এর বিধি-৪ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় সম্বলিত আদেশ;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ মোতাবেক আদেশ;
ছ) আদেশ-১৬ এর বিধি-১০ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের জন্য প্রদত্ত আদেশ;
জ) আদেশ-১৬ এর বিধি-২০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় সম্বলিত আদেশ;
১) আদেশ-২১ এর বিধি-৩৪ মোতাবেক কোন দলিলের বা পৃষ্ঠালিপির আরজির বিরুদ্ধে আপত্তি প্রসঙ্গে আদেশ।
২) আদেশ-২১ এর বিধি-৬০ মোতাবেক ক্রোক হতে সম্পত্তি মুক্ত করা;
৩ ) আদেশ-২১ এর বিধি-৬১ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা
ঞ) আদেশ-২১ এর বিধি-৭২ বা নিয়ম-৯২ মোতাবেক নিলাম বিক্রয় রদ করে বা রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ট) আদেশ-২২ এর বিধি-৯ মোতাবেক বিলুপ্তিকরণ বা মোকদ্দমা বাতিল রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ঠ) আদেশ-২২ এর বিধি-১০ মোতাবেক অনুমতি দিয়ে বা অনুমতি দিতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
ড) আদেশ-২৩ এর বিধি-৩ মোতাবেক কোন চুক্তিপত্র, আপসনামা বা পরিতুষ্টি লিপিবদ্ধ করে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
চ) আদেশ-২৫ এর বিধি-২ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদ করার জন্য কোন আবেদনপত্র (আপিলের উন্মোক্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে) নাকচ করে কোন আদেশ;
ণ) আদেশ-৩৪ এর বিধি-২, ৪ বা ৭ মোতাবেক বন্ধকী অর্থ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিত করা অগ্রাহ্য করে কোন আদেশ;
ত) আদেশ-৩৫ এর বিধি-৩, ৪ বা ৬ মোতাবেক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় কোন আদেশ;
থ) আদেশ-৩৮ এর বিধি-২ বা বিধি-৬ মোতাবেক কোন আদেশ;
দ) আদেশ-৩৯ এর বিধি-১, ২, ৪ বা ১০ মোতাবেক কোন আদেশ;
ধ) আদেশ-৪০ এর বিধি-১ বা বিধি-৪ মোতাবেক কোন আদেশ;
ন) আদেশ-৪১ এর বিধি-১৯ মোতাবেক পুনঃ গ্রহণ বা আদেশ-৪১ এর বিধি-২১ মোতাবেক কোন আপিলের পুন শুনানি অস্বীকার সম্বলিত কোন আদেশ;
প) যেক্ষেত্রে আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা চলে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধি-২৩ মোতাবেক মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য প্রেরণের আদেশ;
ফ) আদেশ-৪৫ এর বিধি-৬ মোতাবেক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ;
ব) রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ।

.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭(৩) ধারা অনুসারে, কোন নথি ইংরেজিতে প্রস্তুত করা যেতে পারে?
  1. শুধু রায়
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. কেবল আপিল আবেদন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দি ব্যতীত অন্য সব লিখিত নথি
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতের ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

.
Which court is empowered to order restitution under Section 144?
  1. Any Civil Court
  2. Appellate Court
  3. Court of first instance
  4. High Court Division
ব্যাখ্যা

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

১০.
আদালত কখন ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধন করতে পারে?
  1. যে কোনো সময়ে
  2. মামলার পুনঃশুনানির সময়
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  4. শুধুমাত্র আপিলের পর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্র উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫৩
  4. ধারা ১৫৫
ব্যাখ্যা

 • দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

১২.
Under Order 41 Rule 17(1), an appeal may be dismissed when-
  1. The respondent does not appear
  2. The appellant does not appear
  3. Both parties are absent
  4. The court decides not to hear the appeal
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

১৩.
আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীন আরোপিত সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

১৪.
আদেশ ৪১ বিধি ৩০(২) অনুযায়ী, শুনানির সময় উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে আদালত কী করতে পারে?
  1. আপিল খারিজ করবে
  2. মামলাটি ফেরত পাঠাবে
  3. নতুন করে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে
  4. নথিপত্র যথেষ্ট হলে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ৩০: রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত- পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর, এবং আপিলে থাকা নথি বা মূল আদালতের নথির যে কোনো অংশ প্রয়োজন মনে করলে তা বিবেচনা করে ওপেন কোর্টে (সবার সামনে) রায় ঘোষণা করবে। রায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে, অথবা পরবর্তী নির্দিষ্ট কোনো তারিখে দেওয়া হতে পারে—এ ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের আগেই সেই তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

(২) উপ-বিধি (১)-এ যাই বলা থাকুক না কেন- যদি উভয় পক্ষ বা তাদের কোনো আইনজীবীই আপিল শুনানির সময় উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত নথিপত্র পর্যালোচনা করে যদি মনে করে যে আপিল নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য যথেষ্ট আছে, তাহলে ওপেন কোর্টে তাৎক্ষণিকভাবে, অথবা আদালত নির্ধারিত কোনো পরবর্তী তারিখে, কারণ লিপিবদ্ধ করে, রায় ঘোষণা করতে পারবে।

১৫.
আদেশ ৪৬ বিধি ৫ অনুযায়ী কোন আদালত মামলা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. যে আদালত মামলা রেফারেন্স করেছে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি ৫: রেফারেন্স প্রদানকারী আদালতের ডিক্রি পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষমতা:
কোনো মামলা বিধি ১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরিত হলে, হাইকোর্ট বিভাগ সেই মামলাটি সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠাতে পারে এবং যে আদালত মামলা প্রেরণ করেছে, সেই আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা গৃহীত কোনো ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন, বাতিল বা খারিজ করতে পারে এবং যে কোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে যেটি তারা উপযুক্ত মনে করে।

১৬.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুযায়ী নিম্নের কোনটি আদালত আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্রোকাদেশ বাতিলের আদেশ
  2. সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

১৭.
আদেশ ৪১ বিধি-২৭(২) অনুযায়ী কোনটি বাধ্যতামূলক?
  1. সাক্ষীকে জেরা করা
  2. মামলার পুনঃতদন্ত করা
  3. উপস্থাপিত দলিলের তালিকা করা
  4. অতিরিক্ত প্রমাণ গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করা
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করার অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।

১৮.
আদেশ ৪৮ বিধি ১ এর অধীন কোন প্রক্রিয়া পরিবেশনের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বিবাদী
  3. যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
  4. যে পক্ষের বিপক্ষে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৮ বিধি ১:
(১) এই বিধির অধীনে জারি করা প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া- যার পক্ষ থেকে বা যার স্বার্থে এটি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষের ব্যয়ে পরিবেশিত হবে, যদি না আদালত অন্যভাবে নির্দেশ দেয়।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়ম হলো- যে পক্ষ আদালতে কোনো সমন/নোটিস/প্রক্রিয়া জারি করায়, সেই পক্ষকেই এর খরচ বহন করতে হবে,
যদি আদালত বিশেষ কারণে আলাদা নির্দেশ না দেয়।

(২) এ ধরনের প্রক্রিয়া (সমন, নোটিস বা অন্যান্য আদালত কর্তৃক জারি করা প্রক্রিয়া) পরিবেশনের জন্য যে আদালত-ফি প্রযোজ্য,
তা প্রক্রিয়াটি জারি করার আগে, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

১৯.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশ আপিলঅযোগ্য?
  1. আদেশ-৮ এর বিধি-১০
  2. আদেশ-১০ এর বিধি-৪
  3. আদেশ-১১ এর বিধি-২১ 
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ-৪৩ বিধি-১ অনুযায়ী-
খ) আদেশ-৮ বিধি-১০ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
ঙ) আদেশ-১০ বিধি-৪ → পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ → আপিলযোগ্য;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ → মোতাবেক আদেশ → আপিলযোগ্য।

সুতরাং কোনোটিই আপিলঅযোগ্য নয়। তাই সঠিক অপশন: ঘ) কোনটিই নয়।

২০.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা কার?
  1. শুধু ট্রায়াল কোর্ট
  2. শুধু আপিল আদালত
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. আপিল আদালত বা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

২১.
Under Order 39 Rule 4, An injunction order may be discharged, varied, or set aside:
  1. Suo moto by the court without any application
  2. Only during final judgment
  3. Only when both parties consent
  4.  On application by a dissatisfied party
ব্যাখ্যা

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.

আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

২২.
আদেশ ৪০ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিসিভারের সম্পত্তি বিক্রি করার পর যদি অবশিষ্ট অর্থ থাকে, আদালত তা-
  1. বাজেয়াপ্ত করবে
  2. বাদী ও বিবাদীর মাঝে বণ্টন করবে
  3. রিসিভারের নিকট ফেরত দেবে
  4. সরকারি তহবিলে জমা করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

২৩.
রিভিউ আবেদন কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৪- রিভিউ:
উপরিউক্ত বিধানসমূহের অধীন, যে কোনো ব্যক্তি নিজেকে ক্ষুব্ধ মনে করলে—
(a) এই কোড অনুযায়ী যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার আছে, কিন্তু কোনো আপিল করা হয়নি,
(b) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে এই কোডে কোনো আপিলের বিধান নেই, অথবা
(c) স্মল কজেস কোর্ট (Small Causes Court) থেকে রেফারেন্স করা মামলায় প্রদত্ত সিদ্ধান্ত—

এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ডিক্রি প্রদানকারী বা আদেশ প্রদানকারী আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার (review) জন্য আবেদন করতে পারে।

এবং আদালত সেই আবেদন নিয়ে যে কোনো উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে, আদালত যেমনটি উপযুক্ত মনে করে।

২৪.
আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের নিয়মগুলো প্রযোজ্য হবে?
  1. Order XLI
  2. Order XLIII
  3. Order XLVI
  4.  Order XLIV
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৩ বিধি ২:
অর্ডার XLI– (আদেশ ৪১) এর নিয়মগুলো আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।
[The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders.]

অর্থাৎ, যে নিয়মে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শোনা হয়, প্রায় একই নিয়মে Order থেকে আপিল পরিচালিত হবে।

২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ঘ এর অধীনে মধ্যস্থতার আবেদন গ্রহণ করলে, মোকদ্দমা কোন বিধানের অধীনে নিষ্পত্তি হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
ব্যাখ্যা

Section 89D – Mediation সংক্রান্ত বিশেষ বিধান:
যে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল, যা সিভিল প্রসিডিউর সংশোধন আইন, ২০১২ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই কোনো আদালতে বিচারাধীন ছিল- সেই মোকদ্দমার পক্ষগণ যদি একটি আবেদন দাখিল করে জানান যে তারা মধ্যস্থতার (mediation) মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী, তাহলে সেই মোকদ্দমা বা আপিল Section 89A অথবা Section 89C–এর বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

২৬.
আপিল বিভাগে আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত দরখাস্তে আদেশ ৪৫ বিধি ৩ অনুযায়ী কী থাকতে হবে?
  1. কেবল মামলার সারসংক্ষেপ
  2. আদালতের পূর্ববর্তী রায়
  3. পক্ষগণের সম্মতিপত্র
  4. আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৫, বিধি ৩: মামলার মূল্য বা উপযুক্ততা সম্পর্কিত সনদ (Certificate as to value or fitness):
(১) আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত প্রতিটি দরখাস্তে আপিলের কারণসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, এবং এর সাথে একটি সনদের প্রার্থনা থাকতে হবে,  হয় এই মর্মে যে, মামলার অর্থমূল্য বা প্রকৃতি অনুযায়ী এটি ধারা ১১০-এর শর্ত পূরণ করে অথবা, এই মর্মে যে, মামলাটি উপরোক্ত শর্ত পূরণ না করলেও এটি আপিল বিভাগে আপিলের জন্য উপযুক্ত একটি মামলা।

(২) এমন দরখাস্ত প্রাপ্তির পর আদালত, বিপক্ষ পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করবে, যাতে তারা আদালতকে কারণ দর্শাতে পারে , কেন উক্ত সনদ প্রদান করা উচিত নয়।

২৭.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. ডিক্রি ঘোষণার দিন
  2. আপিল দাখিলের দিন
  3. রায় ঘোষণার দিন
  4. ডিক্রি প্রস্তুত করার দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ৩৫: রায়ের তারিখ ও ডিক্রির বিষয়বস্তু:
(১) আপিল আদালতের ডিক্রিটি সেই দিন-তারিখ বহন করবে যেদিন আদালত রায় ঘোষণা করেছে।

(২) ডিক্রিতে অবশ্যই থাকতে হবে- আপিলের নম্বর, আপিলকারী (appellant) ও প্রতিপক্ষ (respondent)-এর নাম ও পরিচয়, এবং কোন প্রতিকার (relief) দেওয়া হলো বা আদালত কী ধরনের সিদ্ধান্ত (adjudication) দিল তার স্পষ্ট বিবরণ।

(৩) ডিক্রিতে আরও উল্লেখ থাকবে- আপিল চলাকালে মোট কত খরচ (costs) হয়েছে, কার মাধ্যমে বা কোন সম্পত্তি থেকে এ খরচ পরিশোধ করতে হবে, এবং আপিলের খরচ ও মূল মামলার খরচ কোন অনুপাতে (proportions) প্রদান করতে হবে।

(৪) যে বিচারক বা বিচারকগণ ডিক্রি প্রদান করেছেন, তাদের দ্বারাই ডিক্রি স্বাক্ষরিত ও তারিখ-উল্লেখসহ হতে হবে।

বিচারকের ভিন্নমত সংক্রান্ত বিধান
যদি বেঞ্চে একাধিক বিচারক থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতানৈক্য থাকে, তবে যে বিচারক আদালতের মূল রায়ের সাথে অমত পোষণ করেছেন, তার জন্য ডিক্রিতে স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক নয়।

২৮.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, রেফারেন্স পাঠানোর পর আদালত কী করতে পারে?
  1. কার্যক্রম বাতিল করতে পারে
  2. সঙ্গে সঙ্গে রায় প্রদান করতে পারে
  3. কার্যক্রম স্থগিত বা মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.

২৯.
ধারা ১৩৩(১) অনুযায়ী কীসের ভিত্তিতে একজন ব্যক্তিকে আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. ব্যক্তির বয়স
  2. ব্যক্তির পদমর্যাদা
  3. ব্যক্তির মামলা সংশ্লিষ্টতা
  4. ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৩- অন্যান্য ব্যক্তির অব্যাহতি:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে-যাদের পদমর্যাদা সরকারের মতে এ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

(২) এভাবে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা সরকার সময় সময় হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করবে। হাইকোর্ট বিভাগে এদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। এবং যারা হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ কোনো আদালতের বিচারিক এলাকার মধ্যে বাস করেন, তাদের একটি তালিকা সেই অধীনস্থ আদালতেও সংরক্ষিত থাকবে।

(৩) কোনো অব্যাহতি–প্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদালতে হাজিরা না দিয়ে এ সুবিধা দাবি করেন, এবং তাকে কমিশনের মাধ্যমে জবানবন্দি বা সাক্ষ্য নিতে হয়—তাহলে সেই কমিশনের ব্যয় তিনি নিজেই বহন করবেন, যদি না যিনি তার সাক্ষ্য চাইছেন সেই পক্ষ ব্যয়টি বহন করতে রাজি হন।

৩০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১৫(৪) জেলা জজ প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য?
  1. যেকোনো আদেশ
  2. আপিল আদেশ
  3. রিভিউ আদেশ
  4. রিভিশন আদেশ
ব্যাখ্যা

ধারা ১১৫(৪): ২য় রিভিশন:
উপ-ধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রিভিশন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করা যাবে- যদি হাইকোর্ট বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইনগত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে মর্মে রিভিশনের অনুমতি (leave) প্রদান করে।

এক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ মামলার কার্যধারায় প্রয়োজনীয় যে কোনো আদেশ দিতে পারে।