পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২: টপিক সমূহ: সৌরজগৎ, পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ এবং অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা, পৃথিবীর গতি ও দিন-রাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি [Live Class – 3 & 4]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রী?
  1. ১৮০°
  2. ৯০°
  3. ৩৬০°
  4. ২৭০°
ব্যাখ্যা
• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

•  সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
নীহারিকা কী?
  1. গ্রহ
  2. অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ
  3. উল্কা পিণ্ড
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নীহারিকা (Nebula):
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ।
- এদের আকার বিচিত্র।
- কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ।
- এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে।
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক।
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে-
  1. গ্রহ
  2. ধূমকেতু
  3. সূর্য
  4. উল্কা
ব্যাখ্যা
• সৌরজগৎ (Solar System):
- সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত।
- সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

- গ্রহগুলো মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
- সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য।
- সূর্যকে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ-কর্ম চলে।
- এই মহাবিশ্বের বিশালতার মধ্যে সৌরজগৎ নিতান্তই ছোট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
কৃত্রিম উপগ্রহ কী জন্যে ব্যবহার করা হয়?
  1. গোয়েন্দা নজরদারি
  2. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
  3. খনিজ সম্পদের সন্ধান
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম উপগ্রহ:
- মানুষের তৈরি বিভিন্ন উপগ্রহ আছে যারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- এদের বলে কৃত্রিম উপগ্রহ।
- আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তথ্য আদান-প্রদান, গোরেন্দা নজরদারি, খনিজ সম্পদের সন্ধান,পরিবেশ দূষণ নির্ণয় ইত্যাদি কাজে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
সৌরজগতের গ্রহ সংখ্যা কতটি?
  1. সাতটি
  2. আটটি
  3. নয়টি
  4. এগারোটি
ব্যাখ্যা
• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং নাসা।
.
নিচের কোনটি নক্ষত্রমণ্ডলী?
  1. সপ্তর্ষিমন্ডল
  2. কালপুরুষ
  3. ক্যাসিওপিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকেকাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করেবিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নামদিয়েছেন।
- এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।
- এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমন্ডল (GreatBear), কালপুরুষ (Orion), ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia), লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear), বৃহৎ কুকুরমণ্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মতো?
  1. আয়তাকার
  2. নিখুঁত গোলক
  3. উপবৃত্তাকার
  4. অভিগত গোলক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
কীসের সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. মাল্টিমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. ওহমমিটার
ব্যাখ্যা
• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০০।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

•  সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
মেরুদেশীয় ব্যাস ও নিরক্ষীয় ব্যাসের মধ্যে পার্থক্য কত কিলোমিটার?
  1. ২৩ কিমি
  2. ৪৩ কিমি
  3. ৩৩ কিমি
  4. ৫৩ কিমি
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- মেরুদেশীয় ব্যাস ও নিরক্ষীয় ব্যাসের মধ্যে পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০.
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করে-
  1. পূর্বে - দক্ষিণে
  2. উত্তর - দক্ষিণে
  3. পূর্ব-পশ্চিমে
  4. পশ্চিম-দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
• অক্ষরেখা (Latitude)
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
- একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে
- উত্তর নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০° ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা মেকরেখা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখাগুলো নিক্ষ পশ্চিম পূর্ব রয়েছে সেগুলো হলো অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাগুলো আসলে কল্পনা রেখ করা হয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১.
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস কত কিলোমিটার?
  1. ১২,৭১৫ কি.মি.
  2. ১২,৭৫৭ কি.মি.
  3. ৬,৪০০ কি.মি.
  4. ১২,৮০০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।