• তামাদি আইনের ১০ ধারায় বলা আছে, ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা সম্পর্কে। ট্রাস্টী বা এজেন্টের উপর যে সম্পত্তি অর্পিত হয়েছে সেই সম্পত্তির হিসেব বা লভ্যা়ংশ আদায়ের জন্য এই আইনে কোন প্রকার তামাদি মেয়াদ গণনা করা হবে না।
এই সম্পর্কে 23 DLR (SC) 81 Nayem Vs. Bashir মামলায় উচ্চ আদালত অভিমত দেন – তামাদি আইনের প্রয়োগ সব ক্ষেত্রে নাই। যেসব ক্ষেত্রে এই আইনের প্রয়োগ নাই তার মাঝে ট্রাস্ট সম্পত্তির উপকার উদ্ধার করার মামলা অন্যতম। যাহার উপর ট্রাস্ট সম্পত্তির পরিচালনার ভার ন্যস্ত, তিনি ঐ সম্পত্তি নিজের ব্যবহারে পরিণত করলে তার বিরুদ্ধে যে কোন সময় মামলা দায়ের করা যায়।
ধারা ১০- প্রকাশ্য ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা
এই আইনে ইতিপূর্বে যা বর্ণিত থাকুক না কেন কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যে লোকের উপর সম্পত্তি অছি অর্পিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে কিংবা তার আইনগত এজেন্টের বিরুদ্ধে কিংবা স্বত্বার্পিত লোকের বিরুদ্ধে (মূল্যভিত্তিক দ্রব্যের বিনিময়ে স্বত্বার্পিত না হয়ে থাকলে) তারা কিংবা তাদের হাতের উক্তরূপ সম্পত্তির কিংবা তার আয়ের কিংবা ঐ সম্পত্তির হিসাবের কিংবা এর আয়ের হিসাবের লক্ষ্যে কোন মামলা করতে হলে তারা কখনোও মেয়াদকালের কারণে বারিত হবে না।
এই ধারার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা হিন্দু ধর্মীয় কিংবা দাতব্য লক্ষ্যে উৎসর্গীকৃত কোন সম্পত্তি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ট্রাস্টে ন্যস্ত সম্পত্তি বলে পরিগণিত হবে এবং উক্তরূপ সম্পত্তির ব্যবস্থাপক তার অছি বলে আমলে আসবে।