পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন। কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি, তরল ও বায়বীয় পদার্থ। [ক্লাস ৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ভাঙ্গা হাড় শনাক্ত করার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গামা
  2. খ) রঞ্জন
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) আলফা
ব্যাখ্যা
রঞ্জন রশ্মি:

- তীব্র গতিবেগ সম্পন্ন ইলেকট্রন উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট কোনো কঠিন বস্তুকে আঘাত করলে উচ্চ ভেদন শক্তির এবং ক্ষুদ্রতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের যে অদৃশ্য তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কঠিন বস্তু থেকে নির্গত হয়, তাকে এক্স রশ্মি বলে।
- এক্স-রে অথবা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়।
- এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য।
- এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ক্রু গজ
  2. খ) তুলা যন্ত্র
  3. গ) ডিজিটাল স্কেল
  4. ঘ) স্লাইড ক্যালিপার্স
ব্যাখ্যা
তুলা যন্ত্র :

- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নে খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপার জন্য তুলা যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
- তখন সাধারণ নিক্তির সাহায্যে তা পরিমাপ করা সম্ভব হয় না।
- বস্তু বা পদার্থের ভর যত কম হবে, তার ভর পরিমাপের জন্য তত সুক্ষ্ম নিক্তির প্রয়োজন হবে।
- এই রকম একটি নিক্তি হল তুলা যন্ত্র।
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের ল্যাবরেটরীতে খুব অল্প পরিমাণ নমুনার ভর পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশি?
  1. ক) দৈর্ঘ্য
  2. খ) তাপমাত্রা
  3. গ) সময়
  4. ঘ) বিভব
ব্যাখ্যা
লব্ধ রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় তাকে লব্ধ রাশি বলে।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।

মৌলিক রাশি,
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না তাকে মৌলিক রাশি বলে।
- যেমন সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়,তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ হলো মৌলিক রাশি।

তথ্যসূত্র - পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন রশ্মিটির ভেদন ক্ষমতা সবথেকে বেশি?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) রঞ্জন রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি:

- গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
- স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
- এর কোন ভর নেই।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোন পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তন বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) বরফ
  2. খ) বিসমাথ
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) তামা
ব্যাখ্যা
পদার্থের অবস্থা:

- কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- মোম, তামা ইত্যাদি পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।
- কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়।
- লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়।
- চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়।
- অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ভরের মাত্রা?
  1. ক) L
  2. খ) M
  3. গ) T
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মাত্রা (Dimension):

- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- L কে দৈর্ঘ্যের মাত্রা, M কে ভরের মাত্রা, T কে সময়ের মাত্রা বলে।
- যেমন, বল = ভর × ত্বরণ। সুতরাং, বলের মাত্রা MLT-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিমাপ করতে কোন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) মিটার স্কেল
  2. খ) সেন্টিমিটার স্কেল
  3. গ) ভার্নিয়ার স্কেল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ভার্নিয়ার স্কেল:

- মিটার স্কেলে আমরা সাধারণত মিলিমিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য মাপতে পারি।
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- মিলিমিটারের ভগ্নাংশ যেমন, ০.২ মিমি, ০.৫ মিমি বা ০.৯ মিমি ইত্যাদি মাপার জন্য আমাদের ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করতে হয়।
- ফরাসী গণিত শাস্ত্রবিদ পিয়েরে ভার্নিয়ার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন।
- এজন্য তাঁর নামানুসারে এ স্কেলের নামকরণ করা হয় ভার্নিয়ার স্কেল।
- মূল স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগের ভগ্নাংশের মান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করার জন্য মূল স্কেলের পাশে ছোট আর একটি স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- সেই ছোট স্কেলটির নাম ভার্নিয়ার স্কেল।
- মিটার স্কেলের সাথে ভার্নিয়ার স্কেল সংযুক্ত করে মিলিমিটারের ভগ্নাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়।
- ভার্নিয়ার স্কেল আকারে মূল স্কেল অপেক্ষা ছোট হয়।
- এই স্কেলটি মূল স্কেল বা প্রধান স্কেলের পাশে সংযুক্ত থাকে, ভার্নিয়ার স্কেলকে প্রধান স্কেলের পাশ দিয়ে সামনে বা পেছনে সরানো যায়।
- প্রধান স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্য এবং ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier constant) V. C বলা হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শক্তির উৎস প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে খনিজ তেল, গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি পানির স্ফুটনাংক?
  1. ক) ০° সেলসিয়াস
  2. খ) ১০০° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৭৩° সেলসিয়াস
  4. ঘ) -২৭৩° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
তরল:

- বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- পানির স্ফুটনাংক হলো ১০০° সেলসিয়াস। 
- এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে।

অন্যদিকে,
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম / সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
নিচের কোন প্রতীক দ্বারা পদার্থের পরিমাণের একক প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) kg
  2. খ) mol
  3. গ) m
  4. ঘ) g
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি ও একক:

- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে।
- মৌলিক রাশি সাতটি।
- যেমনঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ।
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। যেমনঃ
- দৈর্ঘ্যের একক - মিটার (m)
- ভর- কিলোগ্রাম (kg)
- সময়- সেকেন্ড (s)
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K)
- তড়িৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A)
- দীপন তীব্রতা - ক্যানডেলা (Cd)
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol)

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে কোন পদার্থটি রয়েছে?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) সিলভার হ্যালাইড
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) পটাশিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেট:

- ক্যামেরা বা আলোকচিত্রগ্রাহী যন্ত্র হল আলোকচিত্র গ্রহণ ও ধারণের যন্ত্র।
- দৃশ্যমান স্থির বা গতিশীল ঘটনা ধরে রাখার জন্য এটি ব্যবহার হয়।
- ক্যামেরা চিত্র রেকর্ড করতে ব্যবহৃত একটি অপটিক্যাল যন্ত্র।
- ক্যামেরার ফটোগ্রাফিক প্লেটে সিলভার হ্যালাইড এর প্রলেপের উপস্থিতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২.
নিচের কোনটি ভেক্টর রাশির ধর্ম?
  1. ক) সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায়।
  2. খ) ভেক্টর রাশির মান নেই।
  3. গ) ভেক্টর রাশির দিক নেই।
  4. ঘ) ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে।
ব্যাখ্যা
ভেক্টর রাশি:

- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।
- যেমন, সরণ, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি ।
- ভেক্টর রাশির ধর্ম -
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।

তথ্যসূত্র – পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।