পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: এই বাটনে অনুষ্ঠিত বিগত ৫ টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
উন্নত প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক কোনটি?
  1. দাম
  2. বর্গ
  3. আবলি
  4. মালা
ব্যাখ্যা
• উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ গুলো হলো:
গণ - দেবগন, নরগণ, জনগণ ইত্যাদি।
বৃন্দ- সুধীবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ইত্যাদি।
মণ্ডলী - শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ইত্যাদি।
বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ-
• আবলি- পুস্তকাবলি।
• গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ।
• দাম- কুসুমদাম, পুষ্পদাম।
• নিকর- কমলনিকর।
• পুঞ্জ- মেঘপুঞ্জ।
• মালা- পর্বতমালা।
• রাজি- তারকারাজি।
• রাশি- বালিরাশি।
• নিচয়- কুসুমনিচয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'অজ' কোন লিঙ্গের উদাহরণ?
  1. স্ত্রীলিঙ্গ
  2. ক্লীবলিঙ্গ
  3. উভয়লিঙ্গ
  4. পুংলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• 'অজ' পুংলিঙ্গের উদাহরণ। 

• 'অজ' শব্দের অর্থ: ছাগল বা মেষ। 
- 'অজ' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - অজা। 

----------------
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ চার প্রকার লিঙ্গ হলাে-
ক) পুংলিঙ্গ,
খ) স্ত্রীলিঙ্গ,
গ) ক্লীবলিঙ্গ ও
ঘ) উভয়লিঙ্গ।

• পুংলিঙ্গ: যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বােঝায়, তাদেরকে বলা হয় পুংলিঙ্গ।
এসব নামবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গােয়ালা, কিশাের, প্রবীণ, সুন্দর ইত্যাদি।

• স্ত্রীলিঙ্গ: যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে স্ত্রীজাতিকে বােঝায়, সেসব শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলে। এসব স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকী, মামী, চাচী, মা, আম্মা, কিশােরী, প্রবীণা ইত্যাদি।

• ক্লীবলিঙ্গ: যে সব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রীজাতি কোনােটিই বােঝায় না, সেসব শব্দকে বলা হয় ক্লীবলিঙ্গ। এসব শব্দের উদাহরণ হলাে- গাছ, পাহাড়, পর্বত, বই, টেবিল, ফুল, ফল, চেয়ার ইত্যাদি।

• উভয় লিঙ্গ: যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বােঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ। উভয়লিঙ্গের উদাহরণ হলাে- শিশু, সন্তান, মানুষ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. সাড়ে
  2. পোয়া
  3. চৌঠা
  4. দেড়
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ নয়- চৌঠা। 

• পূরণবাচক:

পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

------------------
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'তার চোখ দিয়ে জল পড়ে।'-এখানে ‘চোখ দিয়ে‘ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অপাদানে ৩য়া
  2. করণে ৩য়া
  3. অধিকরণে ৩য়া
  4. কর্তায় ৩য়া
ব্যাখ্যা
• 'তার চোখ দিয়ে জল পড়ে।'-এখানে ‘চোখ দিয়ে‘ অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি। 

-------------------
• অপাদান কারক:

যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
যেমন:
- বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
- গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
- জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
- বিরত: পাপে বিরত হও।
- বিরত: কুকর্মে বিরত হও। [কুকর্মে শব্দে অপাদান কারকে সপ্তমী বা 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে]

অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়। অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
• প্রথমা বা শূন্য বা 'অ' বিভক্তি:
- বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না।
- 'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।'

• দ্বিতীয়া বা 'কে' বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।

• তৃতীয়া বা 'দ্বারা / দিয়ে / কতৃক' বিভক্তি: তার চোখ দিয়ে জল পড়ে।- বাক্যে জল পড়া বিচ্যুত অর্থ প্রকাশ করে। 

• ষষ্ঠী বা 'এর' বিভক্তি: যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধে হয়।

• সপ্তমী বা 'এ' বিভক্তি:
- লোকমুখে শুনেছি।
- তিলে তৈল হয়।
- বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।
- জলে বাষ্প হয়।
- য় বিভক্তি: টাকায় টাকা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো'- বাক্যে ‘এবং’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. অনুসর্গ
  2. যোজক
  3. আবেগ
  4. উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• যোজক:
পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন- এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজককে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

• সাধারণ যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যোগ করে।
যেমন:
- রহিম ও করিম এই কাজটি করেছে।
- জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো।

• বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে।
যেমন:
- লাল বা নীল কলমটা আনো।
- চা না-হয় কফি খান।

• বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন:
- এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
- তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

• কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন:
- জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
- বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

• সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
- যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
.
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. আহসান হাবীব
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা আহসান হাবীব।
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।

• আহসান হাবীব:
- তিনি ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলার শঙ্করপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি ও সাংবাদিক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম 'রাত্রিশেষ' (১৯৪৭)।
- তিনি ১৯৮৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

 • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- আশায় বসতি,
- ছায়া হরিণ,
- সারা দুপুর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ধনধান্য পুষ্পে ভরা' গানটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত কোন নাটকের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সাজাহান
  2. নূরজাহান
  3. চন্দ্রগুপ্ত
  4. সিংহল বিজয়
ব্যাখ্যা
• 'সাজাহান' নাটক:
- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন।
- 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল।

------------------------
• দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কবি, নাট্যকার, গীতিকার। তিনি ডি.এল রায় নামে পরিচিত।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম।
- দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ছাত্রজীবনে তাঁর আর্য্যগাথা এবং বিলেতে থাকাকালে Lyrics of Ind (১৮৮৬) কাব্য প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মূলত কাব্যই রচনা করেন এবং এ সময় পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বারোটি।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলালের অবদান ছিল অসামান্য।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

• তাঁর রচিত সামাজিক নাটক:
- পরপারে,
- বঙ্গনারী।

• তাঁর রচিত রোম্যান্টিক পৌরাণিক নাটক:
- চন্দ্রগুপ্ত,
- সিংহল বিজয়।

• তাঁর রচিত ঐতিহাসিক নাটক:
- নূরজাহান,
- সাজাহান,
- মেবার পতন,
- চন্দ্রগুপ্ত,
- দুর্গাদাস,
- প্রতাপসিংহ,
- সিংহল বিজয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ভিখু ও পাঁচী' চরিত্র দুটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. সরীসৃপ
  2. সমুদ্রের স্বাদ
  3. প্রাগৈতিহাসিক
  4. অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প
ব্যাখ্যা
• প্রাগৈতিহাসিক:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্পগ্রন্থের নাম 'প্রাগৈতিহাসিক'।
- গল্পগ্রন্থটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- ভিখু ও পাঁচী এই গল্পের চরিত্র।
---------------------------------

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৯০৮ সালে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'অতসী মামী', 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
-  ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- মিহি ও মোটা কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
William Shakespeare's "A Lover's Complaint" is a/an -
  1. Tragedy
  2. Long poem
  3. Comedy
  4. Sonnet
ব্যাখ্যা
"A Lover's Complaint" William Shakespeare রচিত একটি - Long poem.
- "A Lover's Complaint" প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৬০৯ সালের Shakespeare's Sonnets-এর শেষে।
- এটি এক দুঃখী নারীর গল্প, যিনি একজন প্রতারক প্রেমিকের দ্বারা ঠকেছেন।
- কবিতাটি নারীর অভিযোগ ও তার দুর্ভাগ্যের বিবরণ নিয়ে রচিত।

William Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।

• William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।

Apart from these sonnets,
- Shakespeare 1593 সালে 'Venus and Adonis' ও 1594 সালে 'The Rape of Lucrece' তার দুটি Long narrative poem প্রকাশ করেন।
- এছাড়াও 'The Phoenix and Turtle''A Lover's Complaint' তার লিখিত দুটি Long poem.

Source: Britannica.
১০.
Who is the writer of the poetry 'Holy Sonnets'?
  1. William Shakespeare
  2. John Bunyan
  3. John Donne
  4. Edmund Spenser
ব্যাখ্যা
John Donne is the writer of the poetry 'Holy Sonnets'.

Holy Sonnets
- Holy Sonnets হলো জন ডনের একটি ১৯টি আধ্যাত্মিক কবিতার সিরিজ,
- যা তার মৃত্যুর পরে ১৬৩৩ সালে "Songs and Sonnets" নামক প্রথম সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছিল।

এই সিরিজের সবচেয়ে পরিচিত কিছু কবিতা:
- “Thou hast made me,”
- “I am a little world,”
- “At the round earth’s imagined corners,”
- “Death, be not proud,”
- “Show me, dear Christ.”

John Donne
- John Donne ১৫৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬৩১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি মেটাফিজিক্যাল স্কুলের একজন শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি কবি এবং লন্ডনের সেন্ট পলের ক্যাথিড্রালের ডিন (১৬২১–৩১) ছিলেন।
- Donne is often considered the greatest love poet in the English language.
- তিনি তার ধর্মীয় কবিতা এবং গ্রন্থের জন্যও পরিচিত।

The poem of John Donne:
- The Ecstasy
- Air and Angels
- The Good Morrow
- The Funeral
- Love Alchemy
- The Undertaking
- The Dream
- Death Be Not Proud

Note:
- 'Holy Living and Holy Dying' হলো - Jeremy Taylor -এর 'sermon prose' (ধর্মীয় উপদেশ বা বক্তৃতা)।
- 'The Holy War' হলো - John Bunyan -এর allegory.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.com
১১.
'Full many a flower is born to blush unseen" is quoted by -
  1. Christopher Marlowe
  2. George Herbert
  3. Thomas Gray
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা
• 'Full many a flower is born to blush unseen" is quoted by - Thomas Gray.

• সম্পূর্ণ পঙ্কতি টি হচ্ছে-
"Full many a flower is born to blush unseen, And waste its sweetness on the desert air."
- এটি Gray এর বিখ্যাত কবিতা An Elegy Written in a Country Church Yard এর most celebrated quotation.

• An Elegy Written in a Country Churchyard (1751):
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি।
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751.
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পারে এই সাহিত্যটিকে।
- An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language. It is a meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality.
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে।

Thomas Gray: (1716-71):
- He is called the Graveyard Poet.
- He belongs to the Age of Sensibility of English Literature.

Famous works:
- Elegy Written in a Country Churchyard (1751),
- Alexander's Feast,
- Ode to Adversity,
- The Bard,
- Ode on a Distant Prospect of Eton College.

His famous quotations:
- 'When Ignorance is bliss, it is folly to be wise.'
- 'Full many a flower is born to blush unseen, And waste its sweetness on the desert air.'
- 'The paths of glory lead but to grave.'

Source: Britannica.com & ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস: ড. শীতল ঘোষ।
১২.
দুটি লাইন একে অন্যের থেকে ৫ মিটার দূরে সমান্তরালভাবে চলছে। তারা একে অন্যের সাথে কত মিটার দূরে গিয়ে মিলিত হবে?
  1. ২০০ মিটার
  2. ৪০০ মিটার
  3. কখনোই নয়
  4. ৬০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লাইন একে অন্যের থেকে ৫ মিটার দূরে সমান্তরালভাবে চলছে। তারা একে অন্যের সাথে কত মিটার দূরে গিয়ে মিলিত হবে?

সমাধান: 
- দুটি সমান্তরাল লাইন বা রেখা কখনোই মিলিত হয় না

সমান্তরাল রেখা (Parallel Line): 
- দুটি রেখা যদি পরস্পরের মধ্যে সর্বদা সমান দূরত্ব বজায় রেখে চলতে থাকে তবে তাদেরকে সমান্তরাল রেখা বলে। 
- দুটি সমান্তরাল সরলরেখা হওয়ার শর্ত: 
i. সরলরেখা দুটি এক সমতলে থাকবে। 
ii. এদের যে কোনো দিকে যতটা খুশি বাড়ালেও একে অপরকে ছেদ করবে না। 
iii. দুটি সরলরেখার মাঝখানের লম্ব সবসময়ই সমান থাকবে। 
- দুই বা ততোধিক সরল রেখা একটি সরল রেখার উপর লম্ব হলে তারা পরস্পর সমান্তরাল। 
- একটি সরলরেখা সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের একটির উপর লম্ব হলে তা অপরটির উপরও লম্ব হয়।
১৩.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত?
  1. 8 মিটার
  2. 12 মিটার
  3. 14 মিটার
  4. 16 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
বৃত্তের পরিধি = 2πr 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 

শর্তমতে, 
2πr = 16π মিটার 
এবং, πr2 = 64π বর্গমিটার‌ 

এখন, 
πr2/2πr = 64π/16π 
বা, r/2 = 4 
∴ r = 8 

∴ বৃত্তের ব্যাস = (2 × 8) মিটার 
= 16 মিটার।
১৪.
আয়তাকার একটি ক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ১২ মিটার বড় এবং ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার হলে ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ২০ মিটার
  2. ২৮ মিটার
  3. ৩৬ মিটার
  4. ৪০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়তাকার একটি ক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ১২ মিটার বড় এবং ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার হলে ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
প্রস্থ = x মিটার 
দৈর্ঘ্য = (x + ১২) মিটার 

শর্তমতে, 
২(x + ১২ + x) = ১৩৬ 
বা, ২x + ১২ = ৬৮ 
বা, ২x = ৬৮ - ১২ 
বা, ২x = ৫৬ 
বা, x = ৫৬/২ 
∴ x = ২৮ 
অর্থাৎ, প্রস্থ = ২৮ মিটার 

∴ দৈর্ঘ্য = (২৮ + ১২) মিটার 
= ৪০ মিটার।
১৫.
কোন দেশটির বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. হাইতি
  2. ডোমিনিকা
  3. তাইওয়ান
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- এর পেছনে কারণ হচ্ছে 'একচীন' নীতি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- কানাডা, ডোমিনিকা ও হাইতির সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন কত সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন:
- ১৯৫৮ সালে রোম স্ট্যাটিউট এর মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ম্যাসট্রিচট, নেদারল্যান্ড।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
- সদস্য সংখ্যা: ২৭টি।
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
- সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ নয়।
- ১৯৯৯ সালে একক মুদ্রা ইউরো প্রচলন করে।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- অফিসিয়াল ভাষা ২৪টি।
- ২০১২ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়ন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭.
আফ্রিকান ইউনিয়ন এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
  2. কায়রো, মিশর
  3. কেপটাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) হলো একটি আন্তঃসরকার সংস্থা, যা ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য হলো আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নয়নে গতি আনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রচার করা।
- সদস্য দেশ: ৫৫টি।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রতিষ্ঠার আগে এর নাম ছিল অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি (OAU), যা ২৫ মে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OAU আফ্রিকার মুক্তি আন্দোলনকে কূটনৈতিক সহায়তা প্রদান, সীমান্ত বিরোধ ও আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতা এবং অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গবেষণা পরিচালনা করত।
- ২০০২ সালে OAU বিলুপ্ত হয়ে তার পরিবর্তে আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া-তে অবস্থিত।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকার উন্নয়ন, শান্তি, এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

এজেন্ডা ২০৬৩:
- এজেন্ডা ২০৬৩ হলো আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রণীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, যার লক্ষ্য ২০৬৩ সালের মধ্যে আফ্রিকাকে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও সমন্বিত মহাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- এটি ২০১৩ সালে গৃহীত হয়, আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫০তম বার্ষিকীতে।
- এজেন্ডা ২০৬৩ আফ্রিকার নিজস্ব সম্পদ, ঐতিহ্য ও সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি।
- এজেন্ডা ২০৬৩ "আফ্রিকার পুনর্জাগরণ" নিশ্চিত করতে, মহাদেশীয় স্তরে সমন্বিত উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা যা জাতীয় ও আঞ্চলিক স্তরের কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উৎস: African Union