পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৩ টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস ও সভ্যতা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীতে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ত্রাজিমিন যুদ্ধ
  2. জিমিন যুদ্ধ
  3. ওয়াটারলু যুদ্ধ
  4. ট্রোজান যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ট্রোজান যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রোজান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী:
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায় হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড -এ।
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল, সেই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী স্পার্টার রানি ও ট্রয় রাজপুত্র প্যারিসের প্রেমিকা হেলেনের জন্য।
- ১৯৯৮ সালে ইউনেসকোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয় ট্রয়।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াড এবং ওডিসির কারনে এই রোমান্টিক ট্রয়ের ট্র্যাজেডি অমর হয়ে আছে।
- এই ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর রাজা ছিলেন প্রিয়াম এবং রাণীর নাম ছিলেন হেকবা।
- তাদের আদরের পুত্রের নাম ছিল প্যারিস।
- এই প্যারিসই ছিল মূলত ট্রয় যুদ্ধের পেছনে মূল হোতা।
- সেই সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী রমণী ছিল হেলেন।
- হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এর স্ত্রী।
- প্যারিস স্পার্টা থেকে হেলেনকে নিয়ে ট্রয়ে পালিয়ে যায়।
- এতে ক্রোধান্বিত হয়ে মেনেলাউস তার ভাই আগামেমনন এর সহায়তায় ট্রয় আক্রমণ করে।
- গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে দীর্ঘ দশ বছর ধরে যুদ্ধ হয়।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.
.
কত খ্রিস্টাব্দে মদিনা সনদ প্রণীত হয়?
  1. ৬০২ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৬১২ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৬১৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৬২২ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
৬২২ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২২ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মদিনা সনদ:
- মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান বা সনদ।
- মহানবী (সা.) প্রিয় জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করার পর সেখানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করার পরিকল্পনা করেন।
- মহানবী (সা.) মদিনার সংহতির চিন্তা করে সেখানকার অধিবাসীদের নিয়ে তথা পৌত্তলিক, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলিমদের মধ্যে এক লিখিত সনদ বা চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- এ সনদের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেন।
- এ সনদকেই ‘মদিনা সনদ' বলা হয়।
- ৬২২ খ্রিস্টাব্দে এ সনদ প্রণীত হয়।
- এর ধারা ছিল ৪৭টি।

অন্যদিকে -
- মহানবী (স) জন্মগ্রহণ করেন ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে।
- মক্কা বিজয়, মু’তারের যুদ্ধ ও হুনায়ুনের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে।
- জেরুজালেম বিজয় হয় ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সৌর পঞ্জিকা কোন সভ্যতার আবিষ্কার?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. ক্যালেডীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর।
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল ।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- মিশরীয়রা দর্শন, সাহিত্য চর্চাও করত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরুতে
  2. ইরাকে
  3. ইতালিতে
  4. ভারতে
সঠিক উত্তর:
ইরাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাকে
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে -
- প্রাচীন ভারতে সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল সিন্ধু সভ্যতা।
- প্রাচীন রোমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
.
রেনেসাঁ কোথায় প্রথম শুরু হয়েছিল?
  1. ইতালিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. গ্রিসে
  4. জার্মানিতে
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁস:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়। 

⇒ মধ্যযুগের জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশ্বাস সব কিছুই আবর্তিত হতো প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।
- ইউরোপে চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতক থেকে ক্রমেই এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।
- সাধারণ মানুষ যুক্তিতর্ক দ্বারা সবকিছুকে গ্রহণ বা বর্জন করতে উৎসাহী হয়ে ওঠে।
- রেনেসাঁস মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
- এই রেনেসাঁসের ভেতর দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান ঘটেছে।

⇒ মূলত ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষাংশে ইতালিতে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) World History Encyclopedia.
.
'হরপ্পা সভ্যতা' বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. চৈনিক সভ্যতা
  2. হিব্রু সভ্যতা
  3. পারস্য সভ্যতা
  4. সিন্ধু সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

উল্লেখ্য,
⇒ পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইতিহাসের জনক কে?
  1. থুকিডাইডেস
  2. এসকাইলাস
  3. হেরোডোটাস
  4. লিওপোল্ড ভন্ র‍্যাংকে
সঠিক উত্তর:
হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
ইতিহাস:
- মানবসমাজ ও সভ্যতার বিবর্তনের সত্য নির্ভর বিবরণ হচ্ছে ইতিহাস।
- হেরোডোটাস ইতিহাসের জনক নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।
- হেরোডোটাস রচিত ইতিহাস-সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যে যুদ্ধ নিয়ে।

⇒ হােমারের ‘ইলিয়াড ও ওডিসি' মহাকাব্য এ সভ্যতার অপূর্ব নির্দশন।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে চুড়ান্ত বিকাশ ঘটেছিল নাটক রচনায়।
- বিয়ােগান্ত নাটক রচনায় গ্রিকরা বিশেষ পারদর্শী ছিল।
- এসকাইলাসকে এই ধরনের নাটকের জনক বলা হয়।
- তার রচিত নাটকের নাম প্রমিথিউস বাউন্ড'।

⇒ আধুনিক ইতিহাসের জনক হচ্ছেন লিওপোল্ড ভন্ র‍্যাংকে।

⇒ থুকিডাইডেস ছিলেন বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক।
- তাঁর বইটির শিরােনাম ছিল 'দ্য পেলােপনেসিয়ান ওয়র'।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কত সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৪১৮ সালে
  2. ১৪৩২ সালে
  3. ১৪৯২ সালে
  4. ১৪৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৪৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯২ সালে
ব্যাখ্যা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস:
- তিনি ছিলেন ইতালীয় নাবিক এবং স্পেনের নৌআভিযাত্রী।
- আনুমানিক ১৪৫১ সালের ৩১শে অক্টোবর, ইতালির জেনোয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
-অন্বেষণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি ইউরোপ থেকে এশিয়ার পশ্চিমে সরাসরি জলপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।চিল
- তিনি এরপর আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১৪৯২ সালে।
- যদিও তিনি তথাকথিত নিউ ওয়ার্ল্ডকে ‘আবিষ্কার’ করেননি।
- লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই সেখানে বাস করেছিল।
- তবে তার যাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার শতবর্ষের অনুসন্ধান এবং উপনিবেশের সূচনা করে।

উৎস: History Channel.
.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন কাদের মাধ্যমে হয়েছিল?
  1. পর্তুগীজদের
  2. স্প্যানিশদের
  3. তুর্কীদের
  4. ফরাসিদের
সঠিক উত্তর:
তুর্কীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কীদের
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো

⇒ বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় তুর্কি খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৪৫৩ সাল ইউরোপ তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।