পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি কম্পিউটার অংশ: ১. অপারেটিং সিস্টেমস (Operating Systems); ২. এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer); ৩. কম্পিউটারের ইতিহাস (History of Computer); ৪. কম্পিউটারের প্রকারভেদ (Types of Computers); ৫. কম্পিউটার প্রোগ্রাম (Computer Program): ভাইরাস (VIRUS), ফায়ারওয়াল (Firewall) ইত্যাদি; ৬. ডেটাবেইস সিস্টেম (Database System)। --------------- তথ্যপ্রযুক্তি অংশ: ১. নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি Daily-Use Computing Technology): ই-মেইল (E- mail), ফ্যাক্স (Fax) ইত্যাদি; ২. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট (Client-Server Management); ৩. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ (Mobile Features); ৪. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ (Tech-Giants Services & News): গুগল (Google), মাইক্রোসফট (Microsoft), আইবিএম (IBM) ইত্যাদি; ৫. ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing); ৬. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (Social Networking): ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Instagram), ইন্সটাগ্রাম (Twitter) ইত্যাদি;
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
দুই বা ততোধিক ক্লাউডকে একত্রে কী বলে?
  1. Hybrid Cloud
  2. Community Cloud
  3. Public Cloud
  4. Private Cloud
সঠিক উত্তর:
Hybrid Cloud
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hybrid Cloud
ব্যাখ্যা
• Hybrid Cloud হলো এমন একটি ক্লাউড অবকাঠামো যেখানে দুই বা ততোধিক ধরণের ক্লাউড (যেমন Public Cloud ও Private Cloud) একসাথে সংযুক্ত থাকে এবং এরা একে অপরের সাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে।

উদাহরণ:
একটি প্রতিষ্ঠান তাদের সংবেদনশীল ডেটা Private Cloud-এ রাখে, এবং সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট Public Cloud-এ হোস্ট করে। এই দুই ক্লাউড যদি একত্রে কাজ করে, তখন সেটি Hybrid Cloud হয়।

• অপশন আলোচনা:
খ) Community Cloud: কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সম্প্রদায়ের জন্য ভাগ করা ক্লাউড।
গ) Public Cloud: সবার জন্য উন্মুক্ত ক্লাউড, যেমন Google Cloud, AWS ইত্যাদি।
ঘ) Private Cloud: কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত ক্লাউড।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ: 

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ। 
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি। 

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়। 
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়। 

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Avira
  2. ESET NOD32
  3. Quick Heal
  4. Adobe Illustrator
সঠিক উত্তর:
Adobe Illustrator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
• এখানে Adobe Illustrator হল অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন সফটওয়্যার যা ছবি এবং গ্রাফিক্স তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, Avira, ESET NOD32, এবং Quick Heal সকলই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
.
নিম্নোক্ত উদ্ভাবকদের মধ্যে কোন বিজ্ঞানী ফ্যাক্স প্রযুক্তির উদ্ভাবনে অবদান রেখেছেন?
  1. Samuel Morse
  2. James Clerk Maxwell
  3. Thomas Edison
  4. Alexander Bain
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স প্রযুক্তির উদ্ভাবনে অবদান রেখেছেন Alexander Bain (ঘ)।

- তিনি ১৮৪৩ সালে প্রথম বৈদ্যুতিন ফ্যাক্সের ধারণা প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে ফ্যাক্স প্রযুক্তির বিকাশে সহায়তা করেছে। যদিও ফ্যাক্স প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হতে অনেক সময় লেগেছিল, তবে তিনি এর প্রথম ধারণা দেন।

- অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যেমন স্যামুয়েল মর্স (Samuel Morse), জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (James Clerk Maxwell) এবং থমাস এডিসন (Thomas Edison) তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ফ্যাক্স প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি অবদান ছিল না।

• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং

তারপর এটি
- অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল, ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CentOS
  2. Red Hat
  3. Office
  4. Debian
সঠিক উত্তর:
Office
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Office
ব্যাখ্যা
• অপশন আলোচনা:
ক) CentOS – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন, যা মূলত Red Hat Enterprise Linux (RHEL) এর একটি মুক্ত সংস্করণ।
খ) Red Hat – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম। Red Hat Enterprise Linux (RHEL) এক প্রকার লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম।
গ) Office – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। Microsoft Office সফটওয়্যার স্যুট, যেমন Word, Excel, PowerPoint ইত্যাদি, যা অফিস কর্মের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Debian – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি একটি জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:

1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় কখন?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
.
এমবেডেড সিস্টেমে "RTOS" বলতে বোঝানো হয়:
  1. Reduced Time Operating System
  2. Rapid Time Operating System
  3. Randomized Time Operating System
  4. Real-Time Operating System
সঠিক উত্তর:
Real-Time Operating System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real-Time Operating System
ব্যাখ্যা
• "RTOS" এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Operating System, অর্থাৎ রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম।

- এটি একটি বিশেষ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (যথাসময়ে) কাজ সম্পন্ন করার নিশ্চয়তা দেয়। এমবেডেড সিস্টেমে, যেমন - স্বয়ংচালিত যানবাহনের কন্ট্রোলার, মেডিকেল ডিভাইস, রোবট ইত্যাদিতে RTOS ব্যবহার করা হয় যাতে নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হয়।

- উদাহরণ:
- ধরুন একটি এয়ারব্যাগ সিস্টেম, যেখানে গাড়ি দুর্ঘটনার মুহূর্তে ঠিক সময়ে এয়ারব্যাগ খুলতে হবে। এখানে যদি সামান্য দেরি হয়, তাহলে তা মারাত্মক হতে পারে। তাই এমন ব্যবস্থায় RTOS ব্যবহৃত হয় যাতে সময়ের সঠিকতা নিশ্চিত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত Components হলো- Power supply, Microcontroller/micrprocessor, ROM/RAM, Timer, Counter ইত্যাদি। 

• মাইক্রোকন্ট্রোলার:
- CPU, Memory, Input/Output ডিভাইস দ্বারা গঠিত যা একতি চিপের মধ্যে অবস্থান  করে।
- Internal Computer Bus ব্যবহার করে সকল কার্যক্রম সম্পাদন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোন ধরনের সফটওয়্যারে পেরিফেরাল ডিভাইসের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকে?
  1. System Software
  2. Device Driver
  3. Operating Software
  4. File Management Software
সঠিক উত্তর:
Device Driver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Device Driver
ব্যাখ্যা
• Device Driver হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা পেরিফেরাল ডিভাইসের (যেমন: প্রিন্টার, মাউস, কীবোর্ড, স্ক্যানার ইত্যাদি) সঙ্গে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।

অর্থাৎ, ডিভাইস ড্রাইভার ছাড়া অপারেটিং সিস্টেম বুঝতে পারে না কীভাবে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসকে ব্যবহার করতে হবে।

• অপশন আলোচনা:
ক) System Software: এটি একটি বিস্তৃত ধারণা, যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার, এবং অন্যান্য সিস্টেম-লেভেল সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি সঠিক উত্তর নয়, কারণ প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "পেরিফেরাল ডিভাইস চালানোর" কথা বলা হয়েছে।

গ) Operating Software: এটি মূলত Operating System বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমন Windows, Linux ইত্যাদি। এটি সরাসরি ডিভাইস চালাতে পারে না, ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্য লাগে।

ঘ) File Management Software: এটি ফাইল এবং ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, ডিভাইস চালানোর সঙ্গে সম্পর্ক নেই।

• ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটার বুট করতে হলে কোনটির প্রয়োজন অপরিহার্য?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বুট করা মানে হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার পর ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার লোড করে কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)।

- কম্পিউটার চালু হলে BIOS বা UEFI প্রথমে কাজ শুরু করে এবং তারপরে অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে নিয়ে RAM-এ লোড করে। অপারেটিং সিস্টেম না থাকলে কম্পিউটার চালু হলেও ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় আসবে না — মানে, আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন না।

- হার্ডডিস্ক: সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কে থাকে, তবে এটা অপরিহার্য নয় কারণ অপারেটিং সিস্টেম পেনড্রাইভ বা নেটওয়ার্ক থেকেও লোড করা যেতে পারে।
- ক্যাশ মেমরি: এটি বুটিংয়ের জন্য আবশ্যক নয়, এটি পারফরম্যান্স বাড়ায়।
- অপারেটিং সিস্টেম: এটাই অপরিহার্য, কারণ এটা ছাড়া কম্পিউটার কার্যকরভাবে চলতে পারে না।

• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- অপারেটিং সিস্টেম হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী সফটওয়্যার।
- এটি অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার বুট করতে পারে না, তাই এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার চালু করা (বুটিং) থেকে বন্ধ করা পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রম অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- এটি কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ ও দক্ষ করে তোলে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- হার্ডওয়্যার থাকা সত্ত্বেও অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যকর হয় না।
- এটি ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থাপনা, এবং প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
CDMA-তে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য যে একক কোড নির্ধারিত হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. PN sequence
  2. SIM code
  3. Channel index
  4. TDMA slot
সঠিক উত্তর:
PN sequence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PN sequence
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) একটি বহুল ব্যবহৃত মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু সবাইকে আলাদা রাখতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি "বিশেষ ইউনিক কোড" দেওয়া হয়।
এই ইউনিক কোডটিকে বলা হয় PN Sequence বা Pseudorandom Noise Sequence।
এই কোড ব্যবহার করে প্রতিটি ব্যবহারকারীর তথ্যকে এনক্রিপ্ট বা স্ক্র্যাম্বল করা হয়, যাতে তা অন্যদের থেকে আলাদা থাকে এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর তথ্য আলাদা করে চিনতে পারা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- SIM code: এটা GSM-এর জন্য প্রযোজ্য, CDMA-তে SIM কার্ড প্রয়োজন হয় না (পুরোনো সিস্টেমে)।
- Channel index: এটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেল নির্দেশ করে, ইউনিক কোড নয়।
- TDMA slot: TDMA প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, CDMA-তে নয়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access. এটি একটি ডিজিটাল সেলুলার প্রযুক্তি, যা একাধিক ব্যবহারকারীকে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করতে দেয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি অনন্য কোড দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তাদের তথ্য অন্যদের তথ্য থেকে আলাদা রাখা যায়।
- সারাংশে, CDMA একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই চ্যানেল ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু আলাদা কোডের মাধ্যমে তাদের ডেটা আলাদা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
Azure Active Directory (AAD) কী প্রদান করে?
  1. মনিটরিং সেবা
  2. অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা
  3. ফাইল স্টোরেজ ক্ষমতা
  4. ডোমেইন নিবন্ধন সেবা
সঠিক উত্তর:
অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• Azure Active Directory (AAD) একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা যা পরিচয় এবং অ্যাক্সেস ব্যবস্থাপনার কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নিরাপদ অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে, বিভিন্ন সেবা এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে লগইন এবং নিরাপদ ডেটা শেয়ারিং পরিচালনা করে। AAD ডোমেন, নিরাপদ লগইন, মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) এবং আরও অনেক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করে।

• অপশন আলোচনা:
- ফাইল স্টোরেজ ক্ষমতা: এটি Azure Storage বা অন্য সেবা দ্বারা প্রদান করা হয়, AAD এর কাজ নয়।
- ডোমেন নিবন্ধন সেবা: ডোমেন নিবন্ধন মূলত অন্য সেবার কাজ, যেমন Azure DNS।
- মনিটরিং টুলস: Azure Monitor বা অন্যান্য টুল দ্বারা মনিটরিং করা হয়, যা AAD এর মূল কাজ নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিম্নলিখিত কোন কোম্পানিটি মেটা কর্তৃক মালিকানাধীন নয়?
  1. WhatsApp
  2. Oculus
  3. YouTube
  4. Instagram
সঠিক উত্তর:
YouTube
উত্তর
সঠিক উত্তর:
YouTube
ব্যাখ্যা
• WhatsApp, Oculus, এবং Instagram সবই মেটার মালিকানাধীন।

YouTube গুগল (Google)-এর মালিকানাধীন, তাই এটি মেটার মালিকানাধীন নয়।

• অপশন আলোচনা:
- WhatsApp:
WhatsApp একটি মেসেজিং অ্যাপ যা ২০১৪ সালে মেটা (তখন Facebook) কিনেছিল। তাই, WhatsApp মেটার মালিকানাধীন।

- Oculus:
Oculus একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) প্রযুক্তি কোম্পানি, যা মেটা (তখন Facebook) ২০১৪ সালে কিনেছিল। এটি মেটার মালিকানাধীন।

- YouTube:
YouTube একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, যা গুগল (Google) মালিকানাধীন। মেটার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই, YouTube মেটার মালিকানাধীন নয়।

- Instagram:
Instagram একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যা মেটা (তখন Facebook) ২০১২ সালে কিনেছিল। তাই, Instagram মেটার মালিকানাধীন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২.
ট্রোজান হর্স সাধারণত কীভাবে একটি কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে?
  1. নিজে নিজে প্রতিলিপি তৈরি করে এবং নেটওয়ার্ক জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল সার্ভারের মাধ্যমে
  3. BIOS কনফিগারেশন পরিবর্তন করে
  4. ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করায়
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করায়
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হল একটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা সাধারণত একটি দরকারি প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকে। ব্যবহারকারী যখন সেই ফাইলটি ডাউনলোড করে এবং ইনস্টল করে, তখন ট্রোজান হর্সটি তাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং ক্ষতিকারক কাজ শুরু করে - যেমন তথ্য চুরি, দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইত্যাদি।

ট্রোজান নিজে থেকে ছড়ায় না বা কপি হয় না (যেমন ভাইরাস বা ওয়ার্ম হয়)। এটি ব্যবহারকারীর ভুলে ইনস্টল করা হয় - সাধারণত ইমেইলের সংযুক্তি, ফ্রি সফটওয়্যারের লিংক, বা ভুয়া আপডেটের মাধ্যমে।

তাই ট্রোজান হর্স সংক্রমণের প্রধান উপায় হল: ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করানো।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৩.
পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ হলো-
  1. Newton
  2. Abacus
  3. ARPANET
  4. Backrub
সঠিক উত্তর:
Newton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Newton
ব্যাখ্যা
• Newton ছিল পিডিএ (Personal Digital Assistant) এর প্রাথমিক সংস্করণ, যা ১৯৯৩ সালে Apple Inc. এর দ্বারা বাজারে আনা হয়েছিল। এটি একটি হাতের আকারে ডিজিটাল ডিভাইস ছিল, যা ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, নোট তৈরি এবং আরও অনেক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হত। এটি ছিল সেরা উদাহরণ পিডিএ প্রযুক্তির শুরু, যা পরবর্তীতে স্মার্টফোনের রূপে বিকশিত হয়।

• অপশন আলোচনা:
- Abacus: এটি একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যা পিডিএ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।

- ARPANET: এটি ছিল একটি গবেষণামূলক নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেটের প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে কাজ করেছিল।

- Backrub: এটি গুগলের পূর্ববর্তী নাম ছিল, যা ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ঊনবিংশ শতকের কোন গণিতবিদ অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন?
  1. Blaise Pascal
  2. George Boole
  3. John von Neumann
  4. Ada Lovelace
সঠিক উত্তর:
Ada Lovelace
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ada Lovelace
ব্যাখ্যা
• এডা লাভলেস (Ada Lovelace) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ, যিনি ১৮১৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিখ্যাত চার্লস ব্যাবেজের "অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন" নামক প্রস্তাবিত প্রাথমিক কম্পিউটারের জন্য একটি অ্যালগরিদম লিখেছিলেন। এ কারণেই তাকে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয়।

তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে একটি যন্ত্র কেবল সংখ্যাগণনা ছাড়াও জটিল ধাপ অনুসরণ করে নানা কাজ করতে পারে, যা সেই সময়ে এক যুগান্তকারী চিন্তা ছিল।

• অপশন আলোচনা:
- জর্জ বুল: বুলিয়ান অ্যালজেবরার জনক, যার কাজ পরবর্তীকালে কম্পিউটার বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ব্লেজ পাস্কাল: ১৭শ শতাব্দীর একজন গণিতবিদ, যিনি একটি প্রাথমিক যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেছিলেন।
- জন ভন নিউম্যান: ২০শ শতাব্দীর একজন বিজ্ঞানী, যিনি আধুনিক কম্পিউটারের গঠন (architecture) তৈরি করেন।

তাই, যন্ত্রের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লেখার কৃতিত্ব এডা লাভলেসের।

• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার:
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৭৮৬ সালে, জার্মানির মুলার 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।

• চার্লস ব্যাবেজের অবদান:
- ১৮১২ সালে, ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরও উন্নত একটি ডিফারেন্স ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৮৩৩ সালে, ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে একটি নতুন যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন এবং তার নকশা প্রস্তুত করেন।

• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাবেজ তাঁর মেশিনে আধুনিক কম্পিউটারের মতো নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ এবং নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- এই যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতো প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো।

• অগাস্টা এডা বায়রনের অবদান:
- অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা ও উন্নয়নে ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অগাস্টা এডা বায়রনের (Augusta Ada Byron) অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• এডা লাভলেস:
- এডা লাভলেস (Ada Lovelace) অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম রচনা করেন এবং তিনি পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত হন।

• এডা লাভলেসের নামানুসারে প্রোগ্রামিং ভাষা:
- আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা "এডা" তাঁর নামানুসারে রাখা হয়।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৫.
ইথারনেটে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) হল একটি ডাটা ট্রান্সমিশন মোড যেখানে ডাটা একসাথে দুটো দিকেই পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়। অর্থাৎ, একে অপরের সাথে এক সময়ে যোগাযোগ করা সম্ভব। ইথারনেট সাধারণত ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে, যেখানে দুটি ডিভাইস একে অপরের সাথে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে একই সময়ে, কোনো বাধা ছাড়াই।

- ইথারনেট একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রাথমিকভাবে ডাটা ট্রান্সমিশন বা তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইথারনেটের মাধ্যমে ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং নেটওয়ার্কে ডাটা পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়। এখন, ইথারনেটে ব্যবহৃত 
- ইথারনেটের ক্ষেত্রে: আধুনিক ইথারনেটের প্রযুক্তি যেমন Gigabit Ethernet (১০/১০০/১০০০ এমবিপিএস) এবং 10-Gigabit Ethernet এই মোড ব্যবহার করে থাকে।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইথারনেট ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার - একটি অ্যানালগ কম্পিউটার ছিল, এটি কোন ধরনের সমীকরণের সমাধানে প্রধানত ব্যবহার করা হত?
  1. Algebraic equations
  2. Boolean equations
  3. Differential equations
  4. Linear equations
সঠিক উত্তর:
Differential equations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Differential equations
ব্যাখ্যা
• ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার একটি প্রাথমিক এনালগ কম্পিউটার ছিল, যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করতে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটারটি বিশেষভাবে গতি, তাপ, বৈদ্যুতিক সার্কিটের মতো প্রকৌশল সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হত, যেখানে পরিবর্তনশীল পরিমাণের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং সেগুলি সময় বা স্থানের উপর নির্ভর করত।

• অপশন আলোচনা:
- Linear equations: লিনিয়ার সমীকরণ সমাধান করতে ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার ব্যবহার করা হত না, যদিও এটি লিনিয়ার সমীকরণে কিছু সাহায্য করতে পারত।
- Boolean equations: Boolean সমীকরণ ডিজিটাল কম্পিউটার এবং লজিক গেটগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজারের উদ্দেশ্য ছিল না।
- Algebraic equations: এটি সাধারণত গাণিতিক সমীকরণ, কিন্তু ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য তৈরি হয়েছিল।

"ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, কিন্তু এটি লিনিয়ার সমীকরণ (Linear Equations) সমাধান করার জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হত না। তবে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, এটি লিনিয়ার সমীকরণের সমাধান করতে সহায়ক হতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর - Differential equations হবে।"


• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের নেতিবাচক দিক কোনটি?
  1. এগুলো ধীর
  2. এগুলো নেটওয়ার্ক-স্তরের ফিল্টারিং সমর্থন করে না
  3. এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
  4. এগুলো ম্যালওয়্যারের প্রতি বেশি সংবেদনশীল
সঠিক উত্তর:
এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল একটি আলাদা যন্ত্র (ডিভাইস) যা পুরো নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেয়। এটি একটি শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা হলেও, এর একটি প্রধান অসুবিধা হল - এর দাম বেশি। সাধারণত এই ধরনের ফায়ারওয়াল কিনতে এবং সেটআপ করতে বড় খরচ হয়, যা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের বা ছোট ব্যবসার পক্ষে ব্যয়বহুল হতে পারে।

• অপশন আলোচনা:
ক) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় দ্রুতগতির হয়।
খ) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক-লেভেল ফিল্টারিং এর জন্যই তৈরি।
ঘ) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এগুলো আলাদা যন্ত্র।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড
- সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
নিচের কোনটি একটি এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রচলিত ইনপুট ডিভাইস?
  1. Motor
  2. Button
  3. Speaker
  4. LED
সঠিক উত্তর:
Button
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Button
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে ইনপুট ডিভাইস হলো সেইসব যন্ত্রাংশ যেগুলোর মাধ্যমে বাহ্যিক তথ্য বা সংকেত সিস্টেমে প্রবেশ করে।

- Button (বোতাম): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। বোতামে চাপ দিলে একটি সিগন্যাল তৈরি হয় যা প্রসেসরের কাছে যায়, এবং সে অনুযায়ী কাজ হয়।

- LED, Speaker, Motor: এগুলো আউটপুট ডিভাইস। অর্থাৎ, সিস্টেম থেকে বাহিরে তথ্য বা ক্রিয়া প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
কোন সফটওয়্যারটি সাধারণত রিলেশনাল ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Oracle Database
  2. Elasticsearch
  3. Firebase
  4. Cassandra
সঠিক উত্তর:
Oracle Database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle Database
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেস বলতে বোঝায় এমন ডেটাবেস যেটি টেবিল ভিত্তিক এবং SQL ব্যবহার করে পরিচালনা করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি হলো Oracle Database। অন্য অপশনগুলো মূলত NoSQL বা সার্চ ইঞ্জিন টাইপের, তাই তারা এখানে সঠিক নয়।

• অপশন আলোচনা:
• Oracle Database:
- Oracle Database একটি শক্তিশালী এবং বহুল ব্যবহৃত রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)।
- এটি টেবিল আকারে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা কুয়েরি ও ম্যানিপুলেট করা যায়।
- বড় বড় কোম্পানি ও ব্যাংকিং সেক্টরে এটি বহুল ব্যবহৃত।

• Elasticsearch:
- Elasticsearch মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন যা নন-রিলেশনাল ডেটা ম্যানেজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি JSON ডেটা ফরম্যাটে কাজ করে।
- ফাস্ট সার্চ এবং লগ অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি রিলেশনাল ডেটাবেস নয়।

• Firebase:
- Firebase হলো একটি BAAS (Backend-as-a-Service) প্ল্যাটফর্ম, যা গুগলের।
- এটি NoSQL ডেটাবেস (যেমন Firestore) ব্যবহার করে।
- মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপের জন্য সহজ ইন্টিগ্রেশন দেয়।
- এটি রিলেশনাল নয়।

• Cassandra:
- Apache Cassandra একটি ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডেটাবেস।
- এটি স্কেলেবল এবং হাই পারফরম্যান্স ডেটা হ্যান্ডল করতে পারে।
- ডেটা টেবিল আকারে থাকে, কিন্তু এটি রিলেশনাল নয়।
- এটি RDBMS নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০.
নিম্নলিখিত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে কোনটি সর্বোচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা সম্পন্ন, যা প্রায়ই জটিল সিমুলেশন ও আবহাওয়া মডেলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পারসোনাল কম্পিউটার
  2. ওয়ার্কস্টেশন
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• Supercomputer (সুপারকম্পিউটার) হলো এমন একটি কম্পিউটার যার প্রসেসিং ক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চ মানের। এটি একসাথে লক্ষ লক্ষ গণনা খুব দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। সুপারকম্পিউটারগুলো সাধারণত বড় বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তনের মডেলিং, মহাকাশ গবেষণা, এবং অন্যান্য জটিল ও তথ্য-গভীর সিমুলেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।

৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২১.
ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম কী?
  1. ফার্মওয়্যার
  2. ভাইরাস
  3. ম্যালওয়্যার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ফার্মওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM (Read Only Memory) ভিত্তিক প্রোগ্রামকে ফার্মওয়্যার (Firmware) বলা হয়। এটি একটি ধরণের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারের ভিতরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং হার্ডওয়্যার কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

- ফার্মওয়্যার সাধারণত পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না (যেহেতু এটি ROM-এ থাকে) এবং এটি ডিভাইস চালু হওয়ার সময় থেকেই কাজ শুরু করে।
- উদাহরণস্বরূপ: কম্পিউটারের BIOS, মোবাইল ফোনের সিস্টেম প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
খ) ভাইরাস: এটি একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে ও ক্ষতি করে।
গ) ম্যালওয়্যার: এটি একটি সাধারণ শব্দ যা ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যারসহ সব ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।

- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- যেমন, PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ৷
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
কমপ্রেসড ফরম্যাটে ভাইরাস লুকানোর জন্য কোন ফাইল এক্সটেনশন ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. .zip
  2. .docx
  3. .html
  4. .mp4
সঠিক উত্তর:
.zip
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.zip
ব্যাখ্যা
⇒ .zip হলো একটি কমপ্রেসড ফাইল ফরম্যাট, যা একাধিক ফাইল বা ফোল্ডার একসাথে প্যাক করে ছোট সাইজে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই ফরম্যাটে ভাইরাস সহজেই লুকানো যেতে পারে, কারণ:
.zip ফাইলের ভেতরে থাকা ফাইলগুলো সরাসরি দেখা যায় না।
ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার এতে প্যাক করে পাঠালে অনেক সময় ব্যবহারকারী বুঝতে পারেন না।
অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম অনেক সময় .zip ফাইলের ভিতরের সবকিছু ভালোভাবে স্ক্যান করতে ব্যর্থ হয়।

• অপশন আলোচনা:
.docx: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল, এতে ভাইরাস থাকতে পারে তবে এটি কমপ্রেসড ফরম্যাট নয়।

.html: ওয়েব পেজ ফাইল, এতে স্ক্রিপ্ট থাকতে পারে যা ক্ষতিকর, কিন্তু এটি কমপ্রেসড ফরম্যাট নয়।

.mp4: ভিডিও ফাইল ফরম্যাট, সাধারণত এতে ভাইরাস থাকে না, যদিও কিছু সময়ে এক্সপ্লয়েট ব্যবহার করা যায়।

.zip ফাইল ভাইরাস লুকানোর জন্য একটি প্রচলিত মাধ্যম কারণ এটি কমপ্রেসড এবং এর ভিতরের ফাইলগুলো চোখের আড়ালে থাকে।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ই-মেইলে ব্যবহৃত @ এর পরের অংশটিকে কী বলে?
  1. User name
  2. Host Name
  3. Domain Name
  4. IP Name
সঠিক উত্তর:
Domain Name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain Name
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল ঠিকানার গঠন সাধারণত এমন হয়: username@domain.com।
এখানে:
- username হলো ব্যবহারকারীর নাম (User Name),
- @ প্রতীকটি ব্যবহারকারী ও সার্ভারকে পৃথক করে।

- domain.com অংশটি হলো ডোমেইন নেম (Domain Name) - যা সেই সার্ভারের নাম বোঝায় যেখানে ইমেইলটি পাঠানো হবে। এটি ই-মেইল পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা নির্দেশ করে, যেমন: gmail.com, yahoo.com, outlook.com ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
ক) User name - এটি @ এর আগের অংশ।
খ) Host Name - এটি কখনও কখনও ডোমেইন নেমের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ইমেইলের প্রসঙ্গে @ এর পরের নির্দিষ্ট অংশকে "Domain Name" বলা হয়।
ঘ) IP Name - এটি সঠিক উত্তর নয়। ইন্টারনেটে সংযোগের জন্য আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ইমেইল ঠিকানায় এটি ব্যবহৃত হয় না।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail আবিষ্কৃত হয় ১৯৭১ সালে।
- ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ই-মেইলের জনক  Raymond Tomlinson(রেমন্ড টমলিনসন)।
- তিনি সর্বপ্রথম ARPANET ব্যবহার করে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- ইমেইল সার্ভারে SMTP, POP, এবং IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল সেন্ড করা হয়।
- POP এবং IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করে মেইল রিসিভ করা হয়।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিরাপদ লেনদেন সম্পাদনের জন্য এটিএম-এর এমবেডেড সিস্টেমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. এটিএম কার্ড রিডার
  2. ডিসপ্লে স্ক্রিন
  3. প্রিন্টার
  4. এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
সঠিক উত্তর:
এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম্বেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলার হল ATM-এর সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে সহায়ক। এটি একটি ছোট কম্পিউটার যা ATM-এর সমস্ত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং লেনদেন যাচাই করা। মাইক্রোকন্ট্রোলারটি নিরাপত্তা কোড (পিন), ট্রানজেকশন তথ্য এবং ক্রেডিট ডেবিট ডেটা প্রক্রিয়া করে, যাতে টাকা উত্তোলন, পেমেন্ট এবং অন্যান্য লেনদেনগুলি সুরক্ষিত থাকে।

• অপশন আলোচনা:
- ATM card reader: এটিএম কার্ড রিডার কার্ডের তথ্য পড়ে, তবে এটি নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে না।
- Display screen: ডিসপ্লে স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে লেনদেনের তথ্য দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি নিরাপত্তার মূল অংশ নয়।
- Printer: প্রিন্টার মূলত লেনদেনের রসিদ প্রদান করে, কিন্তু এটি সুরক্ষিত লেনদেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.