পরীক্ষা আর্কাইভ

২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৯সময়45 minutes৯০ বৈধ · ১০ অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ · ১০০ প্রশ্ন

.
'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
  1. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. মুহাম্মদ আবদুল হাই
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত গ্রন্থ ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
- গ্রন্থটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়।

-------------------------------
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- দীওয়ান-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম,
- Essays on Islam,
- আমাদের সমস্যা,
- পদ্মাবতী,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা আদব কী তারিখ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- কুরআন শরীফ,
- অমরকাব্য,
- সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।

• তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' কার রচনা?
  1. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রামমোহন রায়
  4. কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
• প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক রচনার নাম প্রভাবতী সম্ভাষণ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রভাবতী সম্ভাষণ একটি শোকগাঁথা।
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

-----------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং
- ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই কলকাতায় মারা যান।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- প্রভাবতী সম্ভাষণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।
- ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'বিদ্যাসাগর-প্রসঙ্গ' থেকে - বিদ্যাসাগরের “প্রভাবতী সম্ভাষণ”ও একটি আবেগপূর্ণ রচনা। তাহার পরম প্রিয়পাত্র রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশুকন্যা প্রভাবতীর মৃত্যুতে ইহা রচিত।
- ব্রজবিলাস ও রত্নপরীক্ষা গ্রন্থ দুটির রচয়িতাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' কার রচনা?
  1. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. নবীনচন্দ্র সেন
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী':
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ১০২টি সনেটের সংকলন।
- মধুসূদনের আগে বাংলা সনেট বা সনেটগ্রন্থ রচিত হয়নি। সে বিচারে বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ এটি।
- গ্রন্থটি ১৮৬৬ সালের ১লা, অগস্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। কবিতাগুলি প্রবাসে রচিত।
- সনেটগুলির কয়েকটি পেত্রার্কের আদর্শে এবং বেশির ভাগ শেক্সপিয়রীয় আদর্শে রচিত।
- মিত্রাক্ষর ও অমিত্রাক্ষর উভয়বিদ ছন্দের চতুর্দশ পঙক্তিতে রচিত কবিতাসংকলন এটি।

----------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক। মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক। 
- তাঁর প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য, 
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম রচতি গ্রন্থ?
  1. বিষের বাঁশী
  2. বন্দীর বন্দনা
  3. সন্দ্বীপের চর
  4. রূপসী বাংলা
সঠিক উত্তর:
বিষের বাঁশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষের বাঁশী
ব্যাখ্যা
• বিষের বাঁশী:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ বিষের বাঁশী। ১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (আগস্ট, ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই।
- সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে। এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ।
- নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার অন্তর্গত।
- কাজী নজরুলের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• 'বন্দীর বন্দনা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বুদ্ধদেব বসু। 
• 'সন্দ্বীপের চর'- কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা বিষ্ণু দে। 
• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'।

-------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'কবর' নাটক কার রচনা?
  1. শহীদুল্লাহ কায়সার
  2. জহির রায়হান
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. সত্যেন সেন
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• ‘কবর’ নাটক:
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক 'কবর'।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• ‘কবর’ নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে 'কবর' নাটক লেখা হয়েছে।
- 'কবর' নাটকে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে শহরে কারফিউ দিয়ে লাশ গুম করতে গভীর রাতে কবরস্থানে নিয়ে যায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ এবং নেতা (নাটকে তার নাম নেই) যৌথভাবে এ দায়িত্ব নেয়। কিন্তু লাশগুলো ছিন্নভিন্ন দেখে তারা ধর্মীয় প্রথা অনুসারে কবরস্থ না করে একত্রে মাটিচাপা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বাধা দেয় গোর-খোদক।

কবরস্থানে আশ্রয় নেয়া আরেক স্বজনহারা পাগল মুর্দা ফকিরও প্রতিবাদ বলে: এ লাশগুলো আন্দোলনকারীর। এরা এভাবে কবরে যাবে না।লাশগুলোও তখন উঠে দাঁড়ায় এবং বলে: আমরা কবরে যাবো না। এসব দেখে মদ্যপ ইন্সপেক্টর ও নেতা ভয় পেয়ে যায়।


----------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'চাঁদের হাট' - অর্থ কী?
  1. বন্ধুদের সমাগম
  2. আত্মীয় সমাগম
  3. প্রিয়জন সমাগম
  4. গণ্যমান্যদের সমাগম
সঠিক উত্তর:
প্রিয়জন সমাগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিয়জন সমাগম
ব্যাখ্যা
• নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে -
'চাঁদের হাট' এর অর্থ - আনন্দের প্রাচুর্য।

• বাংলা একাডেমি প্রণীত অভিগম্য অভিধান অনুসারে -
চাঁদের হাট (বিশেষ্য) - শিশুদের বা সুন্দরীদের একত্র সমাবেশ।

• 'প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন' বই অনুসারে -
চাঁদের হাট - সুখের সংসার/ আনন্দের প্রাচুর্য।

----------------
অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর - প্রিয়জন সমাগম।
কারণ -

» আত্মীয়দের মধ্যে সবাই আমাদের পছন্দের মানুষ নাও হতে পারেন, তাই আত্মীয় সমাগম হলেও আনন্দের প্রাচুর্য নাও হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ - কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন - "এরা অনেকেই আমার আত্মীয় হয়ে উঠেছে, প্রিয় হয়ে উঠেনি কেউ।"

» পক্ষান্তরে, প্রিয়জন সমাগম হলে আনন্দের প্রাচুর্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. সূচিষ্মিতা
  2. সূচিস্মিতা
  3. সুচীস্মিতা
  4. শুচিস্মিতা
সঠিক উত্তর:
শুচিস্মিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুচিস্মিতা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,  
• শুদ্ধ বানান: 'শুচিস্মিতা'। 
- এটি স্ত্রীবাচক শব্দ।
- এর পুরুষবাচক শব্দ হলো শুচিস্মিত।

• 'যে নারীর হাসি পবিত্র' এক কথায় বলে - শুচিস্মিতা। 

• শুচিস্মিত (বিশেষণ): 
শব্দের অর্থ: 'মৃদু ও নির্মল হাসিযুক্ত'।  

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
.
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
  1. ক্লান্তিহীন
  2. অক্লান্ত
  3. অক্লান্ত কর্মী
  4. অবিশ্রাম
সঠিক উত্তর:
অক্লান্ত কর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্লান্ত কর্মী
ব্যাখ্যা
• ‘কর্মে যার ক্লান্তি নাই' এর এক কথায় প্রকাশ - অক্লান্ত কর্মী।

অন্যদিকে,
• 'যাহার কোন কিছুতে ক্লান্তি নাই' এর এক কথায় প্রকাশ- ক্লান্তিহীন।
• 'ক্লান্তিহীন ভাবে চলে যা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'অক্লান্ত/অবিশ্রাম'।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ণ-ত্ব বিধি সাধারণত কোন শব্দে প্রযোজ্য?
  1. দেশী
  2. বিদেশী
  3. তৎসম
  4. তদ্ভব
সঠিক উত্তর:
তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড, লুণ্ঠন ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যমন: কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, লক্ষণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন:পুন্য, লাবণ্য, কল্যাণ, আপণ, গৌণ, ভাণ, শাণ, চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
 
১০.
ক্রিয়াপদ -
  1. সবসময়ে বাক্যে থাকবে
  2. কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
  3. শুধু অতীতকাল বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়
  4. আসলে বিশেষণ থেকে অভিন্ন
সঠিক উত্তর:
কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনো কখনো বাক্যে উহ্য থাকতে পারে
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া পদ:
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।

- যে পদের দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে৷ ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে পুরুষ অনুযায়ী কালসূচক ক্রিয়াবিভক্তি যোগ করে ক্রিয়াপদ গঠন করতে হয়।
- ক্রিয়াপদ বাক্যগঠনের অপরিহার্য অঙ্গ। ক্রিয়াপদ ভিন্ন কোন মনোভাবই সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায় না৷ তবে কখনো কখনো বাক্যে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অনুক্ত থাকতে পারে৷

 
বাক্যের মধ্যে কর্মের উপস্থিতির ভিত্তিতে ক্রিয়া তিন প্রকার। 
যথা:
১. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে ক্রিয়ার কোনাে কর্ম না থাকলে সেই ক্রিয়াকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে ঘুমায়। 
- সে মাটিতে শোয়।
- সে ভালো দৌড়ায়।
[এই বাক্যেগুলোতে কোনাে কর্ম নেই।]
 
২. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে সকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে বই পড়ছে।
- বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।

৩. দ্বিকর্মক ক্রিয়া: বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তপু দীপুকে বলটি দিল।
- শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
[এই বাক্যে ‘দিলেন একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া। কী দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্য কর্ম (বই), আর কাকে দিলেন প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম (ছাত্রকে)।]
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
কোনটি অনুজ্ঞা?
  1. তুমি গিয়েছিলে
  2. তুমি যাও
  3. তুমি যাচ্ছিলে
  4. তুমি যাচ্ছ
সঠিক উত্তর:
তুমি যাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুমি যাও
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, প্রার্থনা ইত্যাদি বুঝায় সেই বাক্যকে অনুজ্ঞা বাচক বাক্য বলে।
যেমন:
- তুমি যাও। 
- কাজটি করে ফেল।
- সদা সত্য কথা বলবে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১২.
'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' - এখানে 'মুখ' বলতে কী বোঝাচ্ছে?
  1. অনুভূতি
  2. গালি
  3. প্রত্যঙ্গ
  4. শক্তি
সঠিক উত্তর:
শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়া-জাতীয় পদ রয়েছে যেগুলো বাক্যে বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং একই শব্দ ভিন্ন ভিন্ন বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। এ জাতীয় বাক্যের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এক একটা শব্দের অর্থ নির্ণীত হয়ে থাকে।

বাক্যে অর্থ ভেদে ‘মুখ’ শব্দের কিছু ব্যবহার দেয়া হলো-
• ‘অঙ্গ বিশেষ’ অর্থে: তোমার মুখের গড়নটা সুন্দর।
• ‘প্রবেশ পথ’ অর্থে: গ্রামের মুখেই দোকানটা।
• ‘সম্মান’ অর্থে: ছেলেটা চৌধুরী সাহেবের মুখ রেখেছে।
• ‘কথা’ অর্থে: মুখে মধু অন্তরে বিষ।
• ‘ক্ষমতা/শক্তি’ অর্থে: যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মুমুর্ষু
  2. মুমূর্ষু
  3. মূমুর্ষু
  4. মূমূর্ষূ
সঠিক উত্তর:
মুমূর্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা
• মুমূর্ষু (বিশেষণ পদ)। 
- এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ:
- মৃত্যুকাল আসন্ন এমন।
- মরণাপন্ন
- মৃতপ্রায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'বিরাগী' শব্দের অর্থ কী?
  1. উদাসীন
  2. প্রতিকূল
  3. রাগহীন
  4. বিশেষভাবে রুষ্ট
সঠিক উত্তর:
উদাসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদাসীন
ব্যাখ্যা
• বিরাগী (বিশেষণ পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- উদাসীন;
- আসক্তিহীন;
- নিঃস্পৃহ।

•  অনুরাগী এর বিপরীত শব্দ বিরাগী।

উৎস: বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
'ব্রজবুলি' বলতে কী বোঝায়?
  1. ব্রজধামে কথিত ভাষা
  2. একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
  3. বাংলা ও হিন্দির যোগফল
  4. মৈথিলি ভাষার একটি উপভাষা
সঠিক উত্তর:
একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একরকম কৃত্রিম কবিভাষা
ব্যাখ্যা
• ব্রজবুলি:
- বৈষ্ণব পদাবলির অধিকাংশই রচিত হয়েছে 'ব্রজবুলি' নামে এক কৃত্রিম মিশ্র ভাষায়।
- ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা।
- মিথিলার কবি বিদ্যাপতি এর উদ্ভাবক।
- তিনি মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা উদ্ভাবন করেন।
- ষোল শতকের বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও ছন্দের অনুকরণে রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পদ রচনা করতে শুরু করেন। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী রচনা করেছেন এ ভাষায়। 

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই' - কে বলেছেন?
  1. চণ্ডীদাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. রামকৃষ্ণ পরমহংস
  4. বিবেকানন্দ
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীদাস: 
- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন। 
- চণ্ডীদাসকে বাংলার ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়। 
- তিনি ‘শুনহ মানুষ ভাই/ সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই’ বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেছেন বলে তাকে মানবতার কবি বলা হয়। তাছাড়া ব্যক্তি জীবনেও তিনি জাত-সংস্কারের ঊর্ধ্বে ছিলেন। 
- চণ্ডীদাস সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছেন “চণ্ডীদাস সহজ ভাষায় সহজ ভাবের কবি-এই গুণে তিনি বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি”। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন। 

চণ্ডীদাসের বিখ্যাত উক্তি:
- ‘বহুদিন পরে বঁধুয়া এলে,দেখা না হইত পরাণ গেলে।’
- ‘শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।’
- ‘সখি কেমনে ধরিব হিয়া, আমারি বধূয়া আনবাড়ী যায় আমারি আঙিনা দিয়া।’

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?
  1. চতুরঙ্গ
  2. চতুষ্কোণ
  3. চতুর্দশী
  4. চতুষ্পাঠী
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• চতুরঙ্গ উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যতম উপন্যাস 'চতুরঙ্গ'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলোর মধ্যে সমালোচকদের সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তিতে ফেলেছে চতুরঙ্গ। 
- ১৩২১ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন সংখ্যা পর্যন্ত মাসিক ‘সবুজপত্রে’ এই উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। 

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- জ্যাঠামশায়, 
- শচীশ, 
- দামিনী  
- শ্রীবিলাস

- ‘সবুজপত্র’র তৎকালীন পাঠকরা ধরে নিয়েছিলেন যে তাঁরা রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে আলাদা আলাদা গল্প উপহার পাচ্ছেন।
- বস্তুত পত্রিকায় প্রকাশিত হবার সময় উপন্যাসের অধ্যায়গুলোকে আলাদা আলাদা গল্পের শিরোনাম দিয়ে ছাপা হচ্ছিল। 
গল্পগুলোর নাম ছিল যথাক্রমে—
- জ্যাঠামশায়, 
- শচীশ, 
 - দামিনী  
 - শ্রীবিলাস।
“এই বইখানির নাম চতুরঙ্গ। ‘জ্যাঠামশায়’, ‘শচীশ’, ‘দামিনী’ ও ‘শ্রীবিলাস’ ইহার চারটি অংশ।” 

উল্লেখ্য,
- হুমায়ুন কবির ‘চতুরঙ্গ' নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করতেন।

অন্যদিকে,
- ‘চতুষ্কোণ' (১৯৪৮) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। 
-  বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় রচিত কাব্য ‘চতুর্দশী' (১৯৪৭)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৮.
কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
  1. কবিতা
  2. কাব্য পরিক্রমা
  3. কয়েকটি কবিতা
  4. বাঙলার কাব্য
সঠিক উত্তর:
কয়েকটি কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়েকটি কবিতা
ব্যাখ্যা
• 'কয়েকটি কবিতা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - সমর সেন।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়। 

-------------
• সমর সেন:
- তিনি ১৯১৬ সালের ১০ অক্টোবর কলকাতার বাগবাজারে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রথিতযশা গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর পিতামহ।
- তিনি মূলত কবি ছিলেন। তাঁকে আধুনিক যুগের নাগরিক কবি বলা হয়।
- ‘Frontier’ (ফ্রন্টিয়ার) ও ‘নাও’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- ‘আমি রোমান্টিক কবি নই, আমি মার্ক্সিস্ট’ - এভাবেই তিনি মার্কসবাদের প্রতি তাঁর প্রবল আকর্ষণ ঘোষণা করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- কয়েকটি কবিতা,
- গ্রহণ ও অন্যান্য কবিতা,
- নানাকথা,
- খোলাচিঠি,
- তিন পুরুষ,
- সমর সেনের কবিতা।

তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বাবু বৃত্তান্ত।

অন্যদিকে,
- হুমায়ুন কবিরের এর কাব্য সমালোচনা গ্রন্থ - বাঙলার কাব্য।
- অজিতকুমার চক্রবর্তী রচিত গ্রন্থ- কাব্য পরিক্রমা।
- 'কবিতা' কবিতাবিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা। প্রথম প্রকাশ ১ অক্টোবর ১৯৩৫ (আশ্বিন ১৩৪২)। পত্রিকাটির প্রথম দুবছরের সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও প্রেমেন্দ্র মিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
কোনটি নাটক?
  1. কর্তার ইচ্ছায় কর্ম
  2. গড্ডলিকা
  3. পল্লীসমাজ
  4. সাজাহান
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
ব্যাখ্যা
• 'সাজাহান' নাটক:
- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন।
- 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল। 

অন্যদিকে, 
• 'গড্ডলিকা' রাজশেখর বসু রচিত গল্পগ্রন্থ।
• 'পল্লীসমাজ' উপন্যাসের রচয়িতা- 'শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়'।
• 'কর্তার ইচ্ছায় কর্ম' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রবন্ধ। 

---------------
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কবি, নাট্যকার, গীতিকার।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের  নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
-  ছাত্রজীবনে তাঁর আর্য্যগাথা এবং বিলেতে থাকাকালে Lyrics of Ind (১৮৮৬) কাব্য প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মূলত কাব্যই রচনা করেন এবং এ সময় পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বারোটি।
- ১৯০৫ সালে  বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলালের অবদান ছিল অসামান্য। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্যপুষ্পভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো:
 - তারাবাঈ,
 - প্রতাপ-সিংহ,
 - দুর্গাদাস,
 - নূরজাহান,
 - মেবার পতন,
 - সাজাহান,
 - চন্দ্রগুপ্ত,
 - সিংহলবিজয় ইত্যাদি।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত সামাজিক নাটকগুলো হলো:
 - পরপারে,
 - বঙ্গনারী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'আবোল-তাবোল' কার লেখা?
  1. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
  2. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  3. সুকুমার রায়
  4. সত্যজিৎ রায়
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
• 'আবোল-তাবোল' শিশুতোষ কবিতার বইয়ের রচয়িতা - সুকুমার রায়।

• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

এছাড়া তার অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে-
- অবাক জলপান,
- লক্ষণের শক্তিশেল',
- হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরী,
- ঝালাপালা ও অন্যান্য নাটক এবং
- বহুরূপী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘হ-য-ব-র-ল’ গ্রন্থের ভূমিকা।
২১.
'লালসালু' উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. মুনির চৌধুরী
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
‘লালসালু’ উপন্যাস:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।
• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
Each question below consists of a related pair of words. Select the pair that best expresses a relationship similar to that expressed in the original pair. (22-25)
Eager - Indifferent
  1. Concerned - Careful
  2. Anxious - Nervous
  3. Enthusiastic - Halfhearted
  4. Devoted - Dedicated
সঠিক উত্তর:
Enthusiastic - Halfhearted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Enthusiastic - Halfhearted
ব্যাখ্যা
• Eager: 
Meaning: উৎসুক; আগ্রহান্বিত; আকুল; ব্যগ্র; অধীর।

• Indifferent:
Meaning: নিঃস্পৃহ; অনীহ; উদাসীন; নিরুৎসুক।

Options,

ক)
Concerned: উদ্বিগ্ন ; সংশ্লি্ষ্ট।
Careful: সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান হওয়া।

খ)
Anxious: উদ্বিগ্ন।
Nervous: স্নায়ু সম্বন্ধীয়; স্নায়বীয়।

গ)
Enthusiastic: অত্যুৎসাহী।
Halfhearted: উত্সাহশূন্য; শিথিল-উদ্যম।

ঘ)
Devoted: অনুরক্ত।
Dedicated: নিয়োজিত/উৎসর্গ করা।

Analogy: Eager : Indifferent :: Enthusiastic : Halfhearted.

কারণ এটি মূল শব্দজুটির মতো বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করে।
২৩.
Lengthen - Prolong
  1. Stretch - Extend
  2. Distance - Reduce
  3. Draw out - Shorten
  4. Reach out - Cut short
সঠিক উত্তর:
Stretch - Extend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stretch - Extend
ব্যাখ্যা
• Lengthen: দীর্ঘ করা; প্রসারিত করা বা হওয়া; সময়ের স্থায়িত্ব বাড়ানো।
Prolong: প্রলম্বিত/দীর্ঘায়িত/বিস্তৃত/প্রসারিত করা।

ক)
Stretch: টেনে বাড়ানো; বিস্তৃত করা; প্রসারিত করা; প্রলম্বিত করা; চওড়া করা।
Extend: প্রসারিত করা বা হওয়া; (স্থান বা সময়) বাড়ানো; সম্প্রসারিত করা বা হওয়া।

খ)
Distance: দূরত্ব।
Reduce: কমানো; হ্রাস করা।

গ)
Draw out: ক্রমশ বড় হওয়া।
Shorten: ছোট/সংক্ষিপ্ত হওয়া বা করা; খাটো করা; খর্ব করা।

ঘ)
Reach out: (হাত) বাড়ানো।
Cut short: সংক্ষেপিত করা।

Analogy: Lengthen : Prolong :: Stretch : Extend.

কারণ এটি মূল শব্দজুটির মতো সমার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে।
২৪.
Delay - Retard
  1. Postpone - Promote
  2. Adjourn - Start
  3. Slow down - Hold up
  4. Defer - Accelerate
সঠিক উত্তর:
Slow down - Hold up
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Slow down - Hold up
ব্যাখ্যা
• Delay: বিলম্ব/দেরি করা; বিলম্ব/দেরি করানো; কালক্ষেপ করা।
Retard: বিলম্ব করানো; বেগ বা গতি হ্রাস করা।

ক)
Postpone: স্থগিত/মুলতবি রাখা/করা।
Promote: পদোন্নতি দান করা; সংবর্ধিত করা।

খ)
Adjourn: স্থগিত/মুলতবি রাখা/ করা।
Start: কাজ বা যাত্রার সূচনা/আরম্ভ।

গ)
Slow down: মন্থর করা; মন্থর হওয়া।
Hold up: আটকানো; বিলম্বিত করা।

ঘ)
Defer: স্থগিত; মুলতবি রাখা; বিলম্বিত করা।
Accelerate: গতি বাড়ানো; ত্বরান্বিত করা।

Analogy: Delay : Retard :: Slow down : Hold up.
কারণ এটি মূল শব্দজুটির মতোই সমার্থক সম্পর্ক প্রকাশ করে।
২৫.
Submissive - Disobedient
  1. Comply - Conform
  2. Heed - Acquiesce
  3. Observe - Defy
  4. Obey - Hearken to
সঠিক উত্তর:
Observe - Defy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Observe - Defy
ব্যাখ্যা
• Submissive: বশ্য; বাধ্য।
Disobedient: অবাধ্য।

ক)
Comply: পরের ইচ্ছা পূরণে সম্মত হওয়া; মেনে নেওয়া; মত দেওয়া।
Conform: অনুরূপ হওয়া; (প্রতিষ্ঠিত রীতি বা আচার) মেনে চলা।

খ)
Heed: মনোযোগ দেওয়া, লক্ষ্য করা, মনোযোগ।
Acquiesce: সম্মত বা রাজি হওয়া; সায় দেওয়া; নীরবে বা বিনা আপত্তিতে মেনে নেওয়া।

গ)
Observe: লক্ষ করা; মনোযোগসহকারে দেখা; পর্যবেক্ষণ করা, পালন করা।
Defy: প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা; যুদ্ধার্থে আহবান করা; স্পর্ধা দেখানো।

ঘ)
Obey: আজ্ঞানুবর্তী হওয়া; মেনে চলা; বাধ্য হওয়া; আজ্ঞাপালন করা।
Hearken to: কর্ণপাত/শ্রবণ করা।

Analogy: Submissive : Disobedient :: Observe : Defy.
কারণ এটি মূল শব্দজুটির মতো বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করে।
২৬.
Question 26 - 31 are incomplete sentences. Choose the word or phrase that best completes the sentence.
He fantasized ____ winning the lottery.
  1. with
  2. from
  3. after
  4. about
সঠিক উত্তর:
about
উত্তর
সঠিক উত্তর:
about
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - about.
- Complete sentence: He fantasized about winning the lottery.
 
• fantasized about - কল্পনা করা (কোনো ঘটনা/ বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে)
- কোন কিছু নিয়ে কল্পনা করা বোঝাতে fantasized এর পর preposition হিসাবে about বসে।
২৭.
The Parthenon is said ____ erected in the Age of Pericles.
  1. to have become
  2. to have begun
  3. to have been
  4. to have had begun
সঠিক উত্তর:
to have been
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to have been
ব্যাখ্যা
• Correct Answer: গ) to have been.

Complete sentence: The Parthenon is said to have been erected in the Age of Pericles. 

• এই sentence-টি বলছে যে Parthenon "erected" বা নির্মাণ করা হয়েছিল Age of Pericles-এ।
- এখানে passive voice-এ past action বোঝাতে হবে, কারণ কাজটা সম্পন্ন হয়ে গেছে। Passive construction-এর জন্য to have been ব্যবহার করা হয়।
- Sentence-এ "is said" phrase-টি passive -এ রয়েছে, যার পর infinitive verb-এর past perfect form প্রয়োজন।
- তাই "to have been" সঠিক উত্তর।

Other options,
ক) to have become: এটি অর্থবোধক নয় কারণ "erected" অর্থ তৈরি বা নির্মাণ করা, আর "to have become" এই context-এর সঙ্গে খাপ খায় না।

খ) to have begun: "begun" অর্থঅর্থ শুরু হওয়া, কিন্তু এখানে "erected" বা নির্মাণ প্রসঙ্গে এটি সঠিক নয়।

ঘ) to have had begun: এটি grammatical structure অনুযায়ী ভুল; "have had begun" phraseটি সাধারণত ব্যবহার হয় না।

তাই সঠিক উত্তর গ) to have been কারণ এটি passive construction এবং context অনুযায়ী যথাযথ।
২৮.
He divided the money ____ the two children.
  1. among
  2. between
  3. in between
  4. over
সঠিক উত্তর:
between
উত্তর
সঠিক উত্তর:
between
ব্যাখ্যা
• দুইজন এর মাঝে ভাগ করা বুঝাতে Between ব্যবহার হয়।
- যেমন: The decision was made to distribute the tasks evenly between the two teams.

• দুইয়ের অধিক বা অনেকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া বুঝাতে among ব্যবহার হয়।
- যেমন: The cookies were shared among the children at the party.

• যেহেতু প্রশ্নে দুইজনের মধ্যে টাকা ভাগ করে দেয়া বুঝিয়েছে তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - between.
- Complete Sentence: He divided the money between the two children.
- Bangla Meaning: তিনি দুইজন শিশুর মাঝে টাকা ভাগ করে দিয়েছিলেন।
২৯.
As they waited Rahim argued against war _________
  1. while his brother discusses the effects of pollution.
  2. while his brother discussed the effects of pollution.
  3. while his brother was discussing the effects of pollution.
  4. while had brother discussed the effects of pollution.
সঠিক উত্তর:
while his brother was discussing the effects of pollution.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
while his brother was discussing the effects of pollution.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) while his brother was discussing the effects of pollution.
Complete sentence: "As they waited, Rahim argued against war while his brother was discussing the effects of pollution."
Bangla: "তারা অপেক্ষা করার সময় রাহিম যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুক্তি দিচ্ছিলেন, যখন তার ভাই দূষণের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন।"

• While দ্বারা দুইটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে - 
- While এর পূর্বে অংশ টি past indefinite এ হলে, এরপরের অংশে past continuous tense হয়। 
- while যুক্ত অংশটি Past continuous tense হলে অপরটি Past indefinite tense হয়।
- দুটি clause while দ্বারা যুক্ত হলে, যে clause টির শুরুতে while থাকবে সেটি continuous tense হবে।

তাই নিয়মানুযায়ী অন্য অপশন গুলো ভুল।
৩০.
If we want concrete proof, we are looking for ______.
  1. clear evidence
  2. building material
  3. a cement mixer
  4. something to cover a path
সঠিক উত্তর:
clear evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
clear evidence
ব্যাখ্যা
• বাক্যটি, "If we want concrete proof, we are looking for ______."

• "Concrete proof" এখানে একটি রূপক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মানে বিশ্বাসযোগ্য বা দৃঢ় প্রমাণ।
"Concrete" শব্দটির অর্থ বাস্তব; সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হচ্ছে, তবে এটি কখনোই বিল্ডিং সামগ্রী (যেমন সিমেন্ট) বোঝায় না।

Options,
ক) clear evidence
- "Clear evidence" মানে পরিষ্কার বা সুস্পষ্ট প্রমাণ।
এটি সঠিক কারণ "concrete proof" এবং "clear evidence" দুটি একই ধরনের দৃঢ় বা নিশ্চিত প্রমাণের ধারণা দেয়।

খ) building material
- "Building material" মানে নির্মাণ সামগ্রী (যেমন সিমেন্ট, ইট)।
- এটি সঠিক নয় কারণ এখানে "concrete" রূপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, এবং এটি নির্মাণ সামগ্রী বোঝায় না।

গ) a cement mixer
- "A cement mixer" মানে সিমেন্ট মেশানোর যন্ত্র।
- এটি সঠিক নয় কারণ এটি একটি নির্মাণ যন্ত্র, এবং এখানে "concrete" শব্দটি প্রমাণের সাথে সম্পর্কিত।

ঘ) something to cover a path
- "Something to cover a path" একটি পথ ঢাকার কিছু।
- এটি সঠিক নয় কারণ এখানে "concrete" এর রূপক অর্থে প্রমাণের কথা বলা হচ্ছে, যেটি পথ ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর: ক) clear evidence
Complete sentence: If we want concrete proof, we are looking for clear evidence.
৩১.
The Olympic games were watched by ____ billions people all over the world.
  1. exactly
  2. usually
  3. truly
  4. literally
সঠিক উত্তর:
literally
উত্তর
সঠিক উত্তর:
literally
ব্যাখ্যা
Options,
ক) exactly:
- নির্ভুলভাবে; যথাযথভাবে।

খ) usually:
- সচরাচর; সাধারণত।

গ) truly:
- সত্যিই; সত্যিকারের; যথার্থভাবে; সত্যিকারভাবে।

ঘ) literally:
-  অক্ষরে অক্ষরে; আক্ষরিক অর্থে; সহজেই; সোজাসাপ্টা ভাবে; বাস্তবিক ভাবে।

অপশন গুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে literally বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: The Olympic games were watched by literally billions people all over the world. 
Bangla: অলিম্পিক গেমগুলি পৃথিবীজুড়ে প্রকৃতপক্ষে বিলিয়নগুলি মানুষ দ্বারা দেখা হয়েছিল।
৩২.
The author thinks that true learning will lead to -
  1. personal understanding of the ideas of writers
  2. discovery of unknown world
  3. revelation of the mysteries of the world
  4. better expressive powers
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
২১তম বিসিএস এর মূল প্রশ্নে সম্ভবত এই প্রশ্নটির প্যাসেজটি দেয়া হয়নি। তাই, আমরা এখানে উত্তর দেই নি।
৩৩.
Which of the following best describes the author's attitude towards learning?
  1. learning is not a matter of reading extensively
  2. learning is not something to be demonstrated in examinations
  3. learning is a matter of promoting creativity in students
  4. learning is matter of menorization
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
২১তম বিসিএস এর মূল প্রশ্নে সম্ভবত এই প্রশ্নটির প্যাসেজটি দেয়া হয়নি। তাই, আমরা এখানে উত্তর দেই নি।
৩৪.
The gypsies are a tribe of strange people. They do not have any fixed home, but wander about from place to place and live in tents. They were originally natives of India. But as they reached England from Egypt, the English took them for Egyptians. This is why they came to be called gypsies. They were believed to possess strange powers. They could tell your fortune by reading the palm of your hand. It was thought they stole little children to train them in their way of life. Whenever a child got lost, it was thought that it had been carried away by gypsies. So they were arrested and sent for trial. But this attitude towards the gypsies has gradually changed.
The gypsies are people who ______ 
  1. have a settled way of life
  2. came originally from Egypt to England
  3. are always on the move
  4. steal children to train them in the way of life
সঠিক উত্তর:
are always on the move
উত্তর
সঠিক উত্তর:
are always on the move
ব্যাখ্যা
• The gypsies are people who ______.

Options,

ক) have a settled way of life
- এই উত্তর সঠিক নয় কারণ প্যাসেজে বলা হয়েছে যে Gypsy দের কোনো নির্দিষ্ট বাসস্থান নেই এবং তারা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যায়। তারা স্থির জীবনযাপন করে না।

খ) came originally from Egypt to England
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে যে Gypsy রা মুলত ভারতীয় ছিলেন এবং তারা মিশর থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছেছিল, তবে এটি তাদের আসল নিবাস নয়।

গ) are always on the move
- এই উত্তর সঠিক। প্যাসেজে বলা হয়েছে, Gypsy রা স্থির জীবনযাপন করে না এবং তারা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যায়। এটি তাদের জীবনের ধরন বোঝায়।

ঘ) steal children to train them in the way of life
- এটি সঠিক নয়, যদিও প্যাসেজে বলা হয়েছে যে Gypsy দের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ ছিল, তবে এটি তাদের প্রকৃত জীবনধারা নয় এবং এর উল্লেখ করা হয়েছে অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে।

তাই সঠিক উত্তর: গ) are always on the move.
• প্যাসেজ অনুযায়ী, Gypsy রা স্থির জীবনযাপন করে না এবং তারা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যায়, অর্থাৎ তারা সবসময় চলমান থাকে।

Complete sentence: The gypsies are people who are always on the move.
৩৫.
The gypsies like to live in tents because -
  1. it is easy to hide stolen children in a tent
  2. it is easy to read one's palm inside a tend
  3. it is easy to bring them from Egypt
  4. it is easy to pitch them
সঠিক উত্তর:
it is easy to pitch them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
it is easy to pitch them
ব্যাখ্যা
• The gypsies like to live in tents because ____________.

Options,
ক) it is easy to hide stolen children in a tent
- এই উত্তর সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে যে Gypsy দের বিরুদ্ধে শিশু চুরি করার অভিযোগ ছিল, কিন্তু এটি তাদের প্রকৃত জীবনযাপন নয় এবং এটি তাঁবুতে শিশুরা লুকানো এর কারণে নয়।

খ) it is easy to read one's palm inside a tent
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে, Gypsy রা হাতের তালু পড়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে, তবে এটি তাদের তাঁবুর মধ্যে বাস করার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

গ) it is easy to bring them from Egypt
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে, Gypsy রা মিশর থেকে ইংল্যান্ডে পৌঁছেছিল, তবে এটি তাঁবুতে বাস করার কারণ নয়। তাদের আসল জীবনধারা এবং বাসস্থানের বিষয়ে এটি কোনো সম্পর্ক তৈরি করে না।

ঘ) it is easy to pitch them
- এটি সঠিক। "Pitch them" অর্থাৎ তাঁবু খাটানো বা স্থাপন করা সহজ। প্যাসেজে Gypsy দের তাঁবুতে বাস করার কথা বলা হয়েছে এবং সাধারণভাবে তাঁবু স্থাপন করা তাদের জন্য সহজ হতে পারে, কারণ তারা ভ্রমণকারী এবং তাদের জীবনযাপনে এক স্থানে স্থির থাকার কোনো প্রয়োজন নেই।

• সঠিক উত্তর: ঘ) it is easy to pitch them.
Complete sentence: The gypsies like to live in tents because it is easy to pitch them.
• Gypsy রা যেহেতু এক স্থানে স্থির থাকে না এবং তারা তাঁবু খাটাতে বা স্থাপন করতে পারে, তাই এই উত্তরটি প্যাসেজের পরিপ্রেক্ষিতে সঠিক।
৩৬.
The English took them for Egyptian's means -
  1. The English took them to the Egyptians
  2. The English considered them to be Egyptians
  3. The English were taken in by the Egyptians
  4. The English brought them as far as Egypt
সঠিক উত্তর:
The English considered them to be Egyptians
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The English considered them to be Egyptians
ব্যাখ্যা
• প্যাসেজে বলা হয়েছে, "The English took them for Egyptians", যার অর্থ হলো ইংরেজরা Gypsy দেরকে মিশরীয় মনে করেছিল। এখানে "took them for" একটি phrase, যার মানে মনে করা বা ভাবা।
Correct answer: খ) The English considered them to be Egyptians.

Options,
ক) The English took them to the Egyptians
- এই উত্তর সঠিক নয়। "Took them to" অর্থ তাদের মিশরে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু প্যাসেজে বলা হয়েছে, ইংরেজরা Gypsy দেরকে মিশরীয় মনে করেছিল, তারা তাদের মিশরে নিয়ে যায়নি।

খ) The English considered them to be Egyptians
- এটি সঠিক উত্তর। "Took them for" অর্থ মনে করা বা ধারণা করা, অর্থাৎ ইংরেজরা Gypsy দেরকে মিশরীয় মনে করেছিল, যা প্যাসেজের সাথে মিলে।

গ) The English were taken in by the Egyptians
- এটি সঠিক নয়। If you are taken in by someone or something, you are deceived by them, so that you get a false impression of them.
- "Taken in by" অর্থ প্রবণ হওয়া বা প্রতারিত হওয়া, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে ইংরেজরা Gypsy দেরকে মিশরীয় মনে করেছিল, তারা প্রতারিত হয়নি।

ঘ) The English brought them as far as Egypt
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়নি যে ইংরেজরা তাদের মিশর পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল, বরং তারা Gypsy দেরকে মিশরীয় মনে করেছিল।

প্যাসেজ অনুযায়ী, "The English took them for Egyptians" মানে ইংরেজরা গিপসিদেরকে মিশরীয় মনে করেছিল।
 
Correct answer The English took them for Egyptian means - The English considered them to be Egyptians.
৩৭.
Attitude towards the gypsies -
  1. are still the same as before
  2. have not much changed over the years
  3. can change one they stop stealing children
  4. have shown signs of change
সঠিক উত্তর:
have shown signs of change
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have shown signs of change
ব্যাখ্যা
• প্যাসেজে বলা হয়েছে যে, Gypsy দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে। এটি একটি ধীরে ধীরে পরিবর্তনশীল দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়, যা নির্দেশ করে যে Gypsy দের প্রতি আগের মত মনোভাব আর নেই।

Options,
ক) are still the same as before
- এই উত্তর সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে যে Gypsy দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে, অর্থাৎ আগের মত একই রকম নয়।

খ) have not much changed over the years
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়েছে যে, Gypsy দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বহু বছর ধরে পরিবর্তিত হয়েছে, অর্থাৎ এটি বদলেছে।

গ) can change once they stop stealing children
- এটি সঠিক নয়। প্যাসেজে বলা হয়নি যে Gypsy দের শিশু চুরি করা বন্ধ করার পর তাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হবে। এটি একটি ভ্রান্ত অনুমান।

ঘ) have shown signs of change
- এটি সঠিক উত্তর। প্যাসেজে বলা হয়েছে যে, Gypsy দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে, এবং এটি পরিবর্তনের চিহ্ন দেখাচ্ছে।

Correct answer: ঘ) have shown signs of change.

Complete sentence: Attitude towards the gypsies have shown signs of change.


প্যাসেজ অনুযায়ী, Gypsy দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে, অর্থাৎ এটি বদলানোর লক্ষণ দেখাচ্ছে।
৩৮.
Question 38 - 41 are incomplete sentences. Choose the word or phrase that best completes the sentence.
The tree has been blown ____ by the strong wind.
  1. away
  2. up
  3. off
  4. out
সঠিক উত্তর:
away
উত্তর
সঠিক উত্তর:
away
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -
Blow away
English Meaning: 1. to dissipate or remove as if with a current of air.
Bangla Meaning: ১. বাতাস যেমন উড়িয়ে দেয় তেমনি করে উড়িয়ে দেওয়া

English Meaning: 2. defeat an opponent convincingly.
Bangla Meaning: ২. প্রতিপক্ষকে বড় ব্যবধানে হারানো।

English Meaning: 3. impress someone greatly.
Bangla Meaning: ৩. কাউকে ভালোভাবে প্রভাবিত করা।

Example in sentence
I was blown away by her incredible piano skills during the recital.

• Blow up
English Meaning: Explode.
Bangla Meaning: বিস্ফোরিত হওয়া
Example sentence: The car blew up as soon as it hit the wall.

• Blow out
English Meaning: Be extinguished by an air current/ If a flame blows out or you blow it out, it stops burning when a person or the wind blows on it:
Bangla Meaning: নেভানো, ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেওয়া; বায়ু প্রবাহের ফলে নিভে যাওয়া।
Example Sentence: Blow out the lamp.

• Blow off 
English Meaning: 
Bangla Meaning: নির্গত।
Example Sentence: The engine blows off carbon dioxide.

• অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে away বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।

- সুতরাং, বাতাস উড়িয়ে দেওয়া অর্থে শূন্যস্থানে away বসবে।

- complete sentence: The tree has been blown away by the strong wind.
৩৯.
No one can ____ that he is clever.
  1. defy
  2. admire
  3. deny
  4. denounce
সঠিক উত্তর:
deny
উত্তর
সঠিক উত্তর:
deny
ব্যাখ্যা
Options,
ক) defy:
- প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা; যুদ্ধার্থে আহবান করা; স্পর্ধা দেখানো।

খ) admire:
- মুগ্ধদৃষ্টিতে তাকানো; বিস্ময়বিমুগ্ধ হওয়া; শ্রদ্ধা করা

গ) deny:
- সত্য বলে স্বীকার না-করা; অসত্য বলে ঘোষণা করা; অস্বীকার করা

ঘ) denounce:
- (১) (কাউকে) জনসম্মুখে অভিযুক্ত করা; (কারো) বিরুদ্ধে তথ্য সরবরাহ করা বা অপরাধ ফাঁস করে দেওয়া; ফাঁসিয়ে দেওয়া; (প্রকাশ্যে) নিন্দাবাদ করা: to denounce a sacrilege; to denounce somebody as a traitor. (২) (চুক্তি বা সংবিদা) বাতিল করার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া।

• অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে deny বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।

Complete sentence: No one can deny that he is clever. 

Bangla: কেউই অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক।
৪০.
A reward has been announced for the employees who ____ hard.
  1. have worked
  2. has worked
  3. will be work
  4. have had worked
সঠিক উত্তর:
have worked
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have worked
ব্যাখ্যা
Complete sentence: A reward has been announced for the employees who have worked hard.
Bangla- যে কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন, তাদের জন্য একটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

• এই বাক্যতে who দ্বারা employees কে বোঝানো হয়েছে, যা plural.
- তাই, পরবর্তী verb ফর্মটিও plural হবে, অর্থাৎ have বসবে। 
• এটি present perfect tense ব্যবহার করে, যা একটি কাজের completion বা action-এর ফলাফল বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। "Employees who have worked hard" মানে "যারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন" এবং পুরস্কার তাদের জন্য। এটি সঠিক উত্তরের জন্য প্রযোজ্য।
৪১.
To ____ the arrival of spring, Bangladesh Television ____ a special function.
  1. commemorate : launched
  2. announce : telecast
  3. celebrate : organized
  4. welcome : sanctioned
সঠিক উত্তর:
celebrate : organized
উত্তর
সঠিক উত্তর:
celebrate : organized
ব্যাখ্যা
• Options,

ক)
commemorate: কোনো ব্যক্তি বা ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখা বা ঐ ব্যক্তি বা ঘটনার সম্মানে অনুষ্ঠানাদি করা।
launched: চালু করা; পাঠানো; সবেগে নিক্ষেপ করা; উৎক্ষেপণ করা।

খ)
announce: ঘোষণা করা; জ্ঞাপন করা।
telecast: টেলিভিসনে অনুষ্ঠান প্রচার করা; টেলিভিসনে যে অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়।

গ)
celebrate: উদযাপন করা। 
organized: সুবিন্যস্ত; শৃঙ্খলাবদ্ধ।

ঘ)
welcome: সাদরে গৃহীত বা অভ্যর্থিত; প্রীতিকর; আনন্দদায়ক।
sanctioned: অননুমত, অননুমোদিত।

অপশন গুলো বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে celebrate : organized বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয়।

Complete sentence: To celebrate the arrival of spring, Bangladesh Television organized a special function.

• এই বাক্যে "arrival of spring" (বসন্তের আগমন) সম্পর্কে বলা হচ্ছে, যা একটি উদযাপনযোগ্য ঘটনা। এখানে দুটি কাজের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে: প্রথমে বসন্তের আগমনের প্রতি celebrate (উদযাপন) করা এবং পরে organized (আয়োজিত) একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
- তাহলে সঠিক উত্তর হলো গ) celebrate : organized, কারণ এখানে বসন্তের আগমন উদযাপন করা এবং অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

৪২.
একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ৯০ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরে?
  1. ১৮০°
  2. ২৭০°
  3. ৩৬০°
  4. ৫৪০°
সঠিক উত্তর:
৫৪০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির চাকা মিনিটে ৯০ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরে?

সমাধান:
৬০ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ৯০ বার
১ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ৯০/৬০ বার
= ৩/২ বার

গাড়ির চাকা ১ বার ঘুরে অতিক্রম করে =৩৬০ ডিগ্রি
গাড়ির চাকা ১.৫ বার ঘুরে অতিক্রম করে =(৩৬০× ৩)/২ ডিগ্রি
=৫৪০ ডিগ্রি
৪৩.
একটি ক্লাসে ৩০ জন ছাত্র আছে তাদের মধ্যে ১৮ জন ফুটবল খেলে এবং ১৪ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কত জন উভয়টিই খেলে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ৩০ জন ছাত্র আছে তাদের মধ্যে ১৮ জন ফুটবল খেলে এবং ১৪ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কত জন উভয়টিই খেলে?

সমাধান: 
শুধু ফুটবল খেলে না = (৩০ - ১৮ - ৫) জন 
= ৭ জন 

আবার, 
শুধু ক্রিকেট খেলে না = (৩০ - ১৪ - ৫) জন 
= ১১ জন 

∴ শুধু ফুটবল বা ক্রিকেট বা কোনো খেলাই খেলে না = (৭ + ১১ + ৫) জন 
= ২৩ জন 

∴ উভয় খেলা খেলে = (৩০ -২৩) জন 
= ৭ জন।
৪৪.
একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে ৪ : ১ হবে?
  1. ৮ গ্রাম
  2. ৬ গ্রাম
  3. ৩ গ্রাম
  4. ৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনার ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?

সমাধান: 
গহনার ওজন = ১৬ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (১৬ × ৩)/৪ = ১২ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (১৬ × ১)/৪ = ৪ গ্রাম

ধরি,
ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ১২ : ৪ = ৪ : ১
(ক + ১২)/৪ = ৪/১
ক + ১২ = ১৬
ক = ১৬ - ১২
ক = ৪

∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৪৫.
১,০০০ টাকা ক ও খ ১ : ৪ অনুপাতে ভাগ করে নেয়। খ এর অংশ সে এবং তার মা ও মেয়ের মধ্যে ২ : ১ : ১ অনুপাতে ভাগ করে। মেয়ে কত টাকা পাবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৪০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৮০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১,০০০ টাকা ক ও খ ১ : ৪ অনুপাতে ভাগ করে নেয়। খ এর অংশ সে এবং তার মা ও মেয়ের মধ্যে ২ : ১ : ১ অনুপাতে ভাগ করে। মেয়ে কত টাকা পাবে?

সমাধান : 
ক : খ = ১ : ৪
অনুপাতের যোগফল = ১ + ৪ = ৫
খ পায় = ১০০০ এর (৪/৫) = ৮০০ টাকা

খ : মা : মেয়ে = ২ : ১ : ১
অনুপাতের যোগফল = (২ + ১ + ১) = ৪

মা পায় = ৮০০ এর (১/৪) = ২০০ টাকা
৪৬.
৯৯৯৯৯৯ এর সঙ্গে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করলে যোগফল ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে?
  1. ২১
  2. ৩৯
  3. ৩৩
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন : ৯৯৯৯৯৯ এর সঙ্গে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করলে যোগফল ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে?

সমাধান : 
২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ এর লসাগু ৬০

৬০ দ্বারা ৯৯৯৯৯৯ কে ভাগ করলে ভাগশেষ ৩৯ হয়। 
ভাগশেষ ও ভাজকের পার্থক্য নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা।

অতএব,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৬০ - ৩৯
= ২১
৪৭.
একটি কুকুর একটি খরগোশকে ধরার জন্য তাড়া করে। কুকুর যে সময়ে ৪ বার লাফ দেয়, খরগোশ সে সময়ে ৫ বার লাফ দেয়। কিন্তু খরগোশ ৪ লাফে যতদূর যায়, কুকুর ৩ লাফে ততদূর যায়। কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত কত?
  1. ১৫ : ১৬
  2. ২০ : ১২
  3. ১৬ : ১৫
  4. ১২ : ২০
সঠিক উত্তর:
১৬ : ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ : ১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কুকুর একটি খরগোশকে ধরার জন্য তাড়া করে কুকুর যে সময়ে ৪ বার লাফ দেয়, খরগোশ সে সময়ে ৫ বার লাফ দেয়। কিন্তু খরগোশ ৪ লাফে যতদূর যায় কুকুর ৩ লাফে ততদূর যায়। কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত কত?

সমাধান:
খরগোশের ৪ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব = কুকুরের ৩ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব
∴ খরগোশের ৫ লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব = কুকুরের (৩ × ৫)/৪ = (১৫/৪) লাফে অতিক্রান্ত দূরত্ব

∴ কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত = ৪ : (১৫/৪)
= ৪ × ৪ : (১৫/৪) × ৪
= ১৬ : ১৫
৪৮.
এক দোকানদার ১১০ টাকা কেজি দামের কিছু চায়ের সঙ্গে ১০০ টাকা কেজি দামের দ্বিগুণ পরিমাণ চা মিশ্রিত করে তা ১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করে মোট ২,০০০ টাকা লাভ করল। দোকানদার দ্বিতীয় প্রকারে কত কেজি চা ক্রয় করেছিল?
  1. ১০০ কেজি
  2. ৮০ কেজি
  3. ৫০ কেজি
  4. ৬০ কেজি
সঠিক উত্তর:
৮০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক দোকানদার ১১০ টাকা কেজি দামের কিছু চায়ের সঙ্গে ১০০ টাকা কেজি দামের দ্বিগুণ পরিমাণ চা মিশ্রিত করে তা ১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করে মোট ২,০০০ টাকা লাভ করল। দোকানদার দ্বিতীয় প্রকারে কত কেজি চা ক্রয় করেছিল?

সমাধান:
ধরি,
১১০ টাকা দামের চা ক কেজি 
∴ ১০০ টাকা দামের চা ২ক কেজি 

১১০ টাকা দরে ক কেজি চায়ের দাম = ১১০ক টাকা
১০০ টাকা দরে ক কেজি চায়ের দাম = ২০০ক টাকা

প্রশ্নমতে,
১২০ × (ক + ২ক) - (১১০ক + ২০০ক) = ২০০০
বা, ৩৬০ক - ৩১০ক = ২০০০
বা, ৫ক = ২০০০
বা, ক = ২০০০/৫০
বা, ক = ৪০

সুতরাং ২য় প্রকারের চা = ২ × ৪০ = ৮০ কেজি
৪৯.
একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরল রেখার এক-চতুর্থাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?
  1. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরল রেখার উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অংকিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = x
সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ = x2
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গ = (x/4)2
= x2/16

∴ একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের 16 গুণ।
৫০.
৮ জন লোক একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। দুজন লোক কমিয়ে দিলে কাজটি সমাধান করতে শতকরা কত দিন বেশি লাগবে?
  1. ২৫%
  2. (১০০/৩)%
  3. ৫০%
  4. (২০০/৩)%
সঠিক উত্তর:
(১০০/৩)%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(১০০/৩)%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮ জন লোক একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। দু’জন লোক কমিয়ে দিলে কাজটি সমাধান করতে শতকরা কত দিন বেশি লাগবে?

সমাধান: 
২ জন লোক কমে যাওয়ায় মোট লোক হয় =(৮ - ২)= ৬জন।

৮ জন লোক একটি কাজ করে = ১২ দিনে
১ জন লোক একটি কাজ করে = ৮ × ১২ দিনে
৬ জন লোক একটি কাজ করে = (৮ × ১২)/৬ দিনে
= ১৬

পূর্বের চেয়ে সময় বেশি লাগে =(১৬ - ১২)
= ৪দিন

শতকরা সময় বেশি লাগে = {(৪/১২) × ১০০}%
= (১০০/৩)% 
৫১.
একজন চাকরিজীবীর বেতনের ১/১০ অংশ কাপড় ক্রয়ে, ১/৩ অংশ খাদ্য ক্রয়ে এবং ১/৫ অংশ বাসা ভাড়ায় ব্যয় হয়। তার আয়ের শতকরা কত ভাগ অবিশিষ্ট রইল?
  1. (১১০/৩)%
  2. (১১৩/৩)%
  3. (১২৭/৩)%
  4. (১৪০/৩)%
সঠিক উত্তর:
(১১০/৩)%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(১১০/৩)%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন চাকরিজীবীর বেতনের ১/১০ অংশ কাপড় ক্রয়ে, ১/২ অংশ খাদ্য ক্রয়ে এবং ১/৫ অংশ বাসা ভাড়ায় ব্যয় হয়। তার আয়ের শতকরা কত ভাগ অবশিষ্ট রইল?

সমাধান:
মোট ব্যায় = (১/১০) + (১/৩) + (১/৫) অংশ 
= (৩ + ১০ + ৬)/৩০
= ১৯/৩০ অংশ

বাকি থাকে = ১ - (১৯/৩০) অংশ
= (৩০ - ১৯)/৩০
= ১১/৩০ অংশ

শতকরা বাকী থাকে = [(১১/৩০) × ১০০]℅ = (১১০/৩)%
৫২.
বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কয়টি?
  1. ২৯ টি
  2. ২২ টি
  3. ২১ টি
  4. ৫ টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

বিসিএস এ সর্বমোট ২৬টি ক্যাডার রয়েছে,
যার মধ্যে ১৪টি সাধারণ ক্যাডার ও ১২টি পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার। 

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

⇒ বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
  1. ২৫
  2. ২৮
  3. ৪০
  4. ৪২
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
- ২৮(১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- ২৮(২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
- ২৮(৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
- ২৮(৪) নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৪০ নং: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৪.
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কাজ এককভাবে করতে পারেন?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. অডিটর জেনারেল নিয়োগ
  4. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এককভাবে করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতি:

- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগ অংশে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. মহিলাদের জন্য সংসদের আসন সংরক্ষণ
  3. সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে। 

⇒ প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয়।
- এ সংশোধনীতে বাংলাদশ সংবিধানের ৪৭নং অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করা হয়।
- উক্ত সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭-(ক) নামে একটি নতুন অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত হয়েছে।
- প্রথম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ' এর বিচার ও শাস্তি অনুমোদন।
- এ সংশোধনীর ফলে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যার অভিযোগে বন্দিদের বিচারের পথ সহজ হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯ ৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সংসদে গৃহীত সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী ছিল অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান সম্পর্কিত।
- সংবিধানের সর্বশেষ, অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনী হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই। আরও ২৫ বছরের জন্য জাতীয় সংসদের ৫০টি আসন শুধুমাত্র নারীদের জন্য সংরক্ষিত রেখে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী পাশ করে সংসদ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
ঢাকা কখন সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল?
  1. ১২৫৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Business Standard.
৫৭.
যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলার কয়টি?
  1. ৭৫ টি
  2. ৫৯ টি
  3. ৫০ টি
  4. ৪৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
ব্যাখ্যা
যমুনা সেতু:
- এটি যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৫৮.
জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত জনে?
  1. ৯০ জন
  2. ৭৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৫০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উল্লেখ্য,
- কোরাম বলতে বুঝায় একটি বৈধ সভার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত ভোটদানের অধিকারী সদস্যের একটি নূন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা এবং নূন্যতম এই সংখ্যা সংগঠনের আইন নিয়ম দ্বারা পূর্বেই নির্ধারিত করে দেওয়া।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৯.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির ওপর নির্মিত?
  1. ৩২০ একর
  2. ২১৫ একর
  3. ১৮৫ একর
  4. ১২২ একর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৫ একর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬০.
সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. মাজহারুল হক
  2. লুই আই কান
  3. এফ আর খান
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই আই কান
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- এটি ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার হ্যারি পাম ব্লুম।
- সংসদ এলাকার আয়তন: ২১৫ একর,
- সংসদ ভবনের আয়তন: ৩.৪৪ একর,
- সংসদ ভবনের উচ্চতা: ১৫৫ ফুট।
- জাতীয় সংসদের আসন ৩৫০টি।
- ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬১.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
  1. ২১ জানুয়ারি ১৯৯১
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
  3. ২৭ মার্চ ১৯৯৬
  4. ২৮ এপ্রিল ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মার্চ ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।

⇒ ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য্য হলে দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০০৭ রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।
- ৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬২.
পদ্মা ও যমুনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. গোয়ালন্দ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
ব্যাখ্যা
পদ্মা ও যমুনা গোয়ালন্দে মিলিত হয়েছে। 

পদ্মা নদী:

- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম। প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে ⎯ একটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ⎯ ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
iv) বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪.
বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. দুদু মিয়া
  2. তিতুমীর
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. সৈয়দ আহমদ
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন দুদু মিয়া।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।
- জী শরিয়ত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে -
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলীগড় আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মজনু শাহ ফকির বিদ্রোহের নেতা ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে গড়পড়তা মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?
  1. ২৪২ ডলার
  2. ৩০০ ডলার
  3. ২৮৯ ডলার
  4. ৪০০ ডলার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেটের স্লোগান: সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ: ৩০ জুন, ২০২৪।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৪।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের আকার: ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা।
- ২০২৪-২৫ বাজেটের আকার: ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫ শতাংশ।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,৪১,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,৫৬,০০০ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- মাথাপিছু আয়: ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- পরিচালন বাজেট: ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেট: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৬৬.
ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথম দাবি কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
  3. পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  4. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি স্বত্বের উচ্ছেদ সাধন
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ২১ দফা ছিল আসলে পূর্ববাংলার মানুষের অধিকারের দলিল।
- সুতরাং এই ২১ দফা ইস্তেহার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল নিম্নরূপ:
১. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা,

অন্যদিকে,
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা,
৩. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা,
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা,
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা,
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা,
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা,
৮. পূর্ব পাকিস্তানে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা,
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা,
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা,
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা,
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা,
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা,
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা,
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা,
১৬. বাংলা ভাষা গবেষণার জন্য বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা,
১৭. রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে মিনার নির্মাণ করা,
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করা,
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন কায়েম করা,
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনভাবেই বৃদ্ধি না করা,
২১. পরিষদের কোন সদস্য পদ খালি হলে তিন মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে?
  1. চা
  2. পাট ও পাটজাত দ্রব্য
  3. তৈরি পোশাক
  4. চিংড়ি মাছ
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৮.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কত তারিখে এবং কোন বছর স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৩ জুন, ১৯৯৬
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  3. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ১০ মার্চ, ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- অস্ত্র সমর্পণের পর শান্তিবাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রত্যেককে সরকার ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

⇒ এর মধ্যে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল -
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা।
- উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেয়া।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রাক্কালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পাহাড়ি জনগণের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পরিচিতির স্বীকৃতি সম্পর্কিত কতিপয় দাবি পেশ করেন।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।
- পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যোগ হয় শান্তি বাহিনী নামে একটি সামরিক শাখা।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. লসএঞ্জেলস
  2. আটলান্টা
  3. মস্কো
  4. মেক্সিকো সিটি
সঠিক উত্তর:
লসএঞ্জেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লসএঞ্জেলস
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.
৭০.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের পানি চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. দার্জিলিং
  2. কোলকাতা
  3. নয়াদিল্লি
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৭১.
সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে শিক্ষিতের হার সর্বাধিক কোন দেশে?
  1. ভারতে
  2. বাংলাদেশে
  3. শ্রীলংকায়
  4. নেপালে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

SAARC:

- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।

⇒ বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।

উল্লেখ্য,
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে শিক্ষিতের হার সর্বাধিক মালদ্বীপে। 

⇒ মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর।
- এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা : মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: i) World Population Review.
ii) Britannica.
৭২.
OPEC ভুক্ত দেশ কয়টি? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ৮ টি
  4. ১২ টি
সঠিক উত্তর:
১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ টি
ব্যাখ্যা
OPEC:
- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।

উল্লেখ্য,
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া ২০০৮ সালে ওপেক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- এ ছাড়া ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কাতার এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ইকুয়েডর সদস্যপদ ছেড়ে দেয়।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।
৭৩.
জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪১ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৪.
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (NATO) কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জুলাইতে ন্যাটোর ৭৫তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৭৫.
নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম কী?
  1. ইনকথা ফ্রিডম পার্টি
  2. ন্যাশনালিস্ট পার্টি
  3. আফ্রিকান সোস্যালিস্ট পার্টি
  4. আফ্রিকান ন্যাশনাল পার্টি
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকান ন্যাশনাল পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকান ন্যাশনাল পার্টি
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল - আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।

⇒ ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

⇒ কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৭৬.
ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম কী? (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. জেনারেল হাবিবি
  2. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
  3. আবদুর রহমান ওয়াহিদ
  4. জেনারেল বিরান্তো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

ইন্দোনেশিয়া:

- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন প্রবোও সুবিয়ানতো।

⇒ ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৭৭.
সম্প্রতি কোন দেশকে কমনওয়েলথ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে?
  1. নাইজেরিয়া
  2. শ্রীলংকা
  3. পাকিস্তান
  4. ভারত
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এক সময় যে সকল অঞ্চল বা জনপদগুলো ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে শাসিত হয়ে পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেসব রাষ্টের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কমনওয়েলথ।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ব্রিটেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কমনওয়েলথ।
- ব্রিটেনের রাজা বা রানী হলেন এ সংস্থার প্রধান।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।

⇒ প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।

⇒ ১৯ নভেম্বর, ১৯২৬ সালে 'বেলফোর ঘোষণার' (Balfour Declaration) মাধ্যমে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ অব নেশনস (British Cmmonwealth of Nations) ধারণার গোড়াপত্তন হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক 'স্ট্যাটিউট অব ওয়েস্ট মিনিস্টার' (Statute of Westminster) আইন অনুমোদিত হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে উপনিবেশগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ স্বতন্ত্র মর্যাদা লাভ করে।
- ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে 'লন্ডন ঘোষণা'র (Landon Declaration) মাধ্যমে কমনওয়েলথ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- তবে এ সময় সংস্থাটি থেকে ব্রিটিশ শব্দটি বাদ দিয়ে 'কমনওয়েলথ অব নেশনস' (Commonwealth of Nations) করা হয়।

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
৭৮.
দক্ষিণ এশীয়ার রাষ্ট্রগুলো কবে সাপটা চুক্তি সই করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
SAPTA:
- SAPTA এর পূর্ণরূপ: SAARC Preferential Trading Arrangement।
- সার্কের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্যিক সমতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই চুক্তিটি করা হয়।
- কলম্বোয় অনুষ্ঠিত সার্কের ষষ্ঠ সম্মেলনে চুক্তিটির বিষয়ে সম্মতি প্রদান করা হয়।
- এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে এটি ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৫ সালে।

এছাড়াও,
SAFTA:
- SAFTA এর পূর্ণরূপ: South Asian Free Trade Area (SAFTA)।
- সাউথ এশিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া (সাফটা) সংক্রান্ত চুক্তি ইসলামাবাদে দ্বাদশ সার্ক সম্মেলনের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৬ জানুয়ারি ২০০৪।
- এটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ২০০৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি।
- সাফটা স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।

উৎস: সার্ক ওয়েবসাইট।
৭৯.
শতাব্দীর সর্বশেষ অলিম্পিক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. রোম
  2. সিডনি
  3. মস্কো
  4. টরেন্টো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

⇒ আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

উল্লেখ্য,
⇒ শতাব্দীর সর্বশেষ অলিম্পিক ২০২৪ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত হয় এই আসর।
- এ বছর ৪০টি করে সর্বাধিক স্বর্ণপদক লাভ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

এছাড়াও,
⇒ ২০২৮ সালে ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.
৮০.
কোন চুক্তিতে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. ন্যাটো (NATO)
  2. সিটিবিটি (CTBT)
  3. এনপিটি (NPT)
  4. সল্ট (SALT)
সঠিক উত্তর:
সিটিবিটি (CTBT)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটিবিটি (CTBT)
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষরকারী ১২৯তম দেশ।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

অন্যদিকে,
- NPT: Non-Proliferation of nuclear weapons.
- NATO উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks। আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৮১.
কয়টি দেশ নিয়ে জাতিসংঘ যাত্রা শুরু করেছিল?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৬০ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮২.
বেনিন প্রজাতন্ত্র কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বেনিন প্রজাতন্ত্র:
- বেনিন প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- এটি পশ্চিমে টোগো, পূর্বে নাইজেরিয়া, এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সীমান্ত রয়েছে।
- অফিসিয়াল নাম: Republic of Benin.
- রাজধানী: পোর্টো-নোভো।
- প্রশাসনিক রাজধানী: কোটোনু। 
- ভাষা: ফরাসি।
- মুদ্রা: মধ্য আফ্রিকান ফ্রাঙ্ক।

⇒ এটি পূর্বতন ফরাসি উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। 

উৎস: Britannica.
৮৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ কোনটি?
  1. জাপান
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ:
- বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ জাপান।

⇒ বাংলাদেশের বৃহৎ সাহায্যদানকারী দেশ:
১. জাপান,
২. যুক্তরাষ্ট্র,
৩. ফ্রান্স,
৪. জার্মানি।

উল্লেখ্য,
• জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- রাজধানী: টোকিও।
- মুদ্রা: ইয়েন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- আইনসভা: ২টি।
- আইনসভার নাম ডায়েট।
- পতাকার রং সাদা ও লাল।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ইশিবা শিগেরু।
- প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

উৎস: i) U.S. Foreign Assistance by Country. [link]
iii) Worldatlas.
৮৪.
গ্রুপ-৭৭ কোন ধরনের দেশ নিয়ে গঠিত?
  1. উন্নত
  2. উন্নয়নশীল
  3. ঔপনিবেশিক
  4. অনুন্নত
সঠিক উত্তর:
উন্নয়নশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নয়নশীল
ব্যাখ্যা
G-77:
- G-77-এর পূর্ণরূপ: Group of 77.
- জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট হচ্ছে G-77।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৬৪।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৩৪টি।
- এ জোট গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘের যেকোন উদ্যোগ বা ফোরামে সমষ্টিগতভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ আদায়।
- এই জোটের ২০২৪ সালের চেয়ারম্যান উগান্ডা।

⇒ ২০২৪ সালে উগান্ডা নিউইয়র্কে G-77 এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: G-77 ওয়েবসাইট।
৮৫.
১৯৯৯ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার কে পেয়েছেন?
  1. আর কে নারায়ণন
  2. অরুন্ধতি রায়
  3. হারমান হেস
  4. গুন্টার গ্রাস
সঠিক উত্তর:
গুন্টার গ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুন্টার গ্রাস
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান জার্মান সাহিত্যিক গুন্টার গ্রাস।
- তার বিখ্যাত উপন্যাস 'দি টিন ড্রাম' - এর জন্য তিনি এ পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়াও,
⇒ ২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী:
• সাহিত্য: হান কাং।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান: ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
• পদার্থবিজ্ঞান: জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
• রসায়ন: ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
• অর্থনীতি: ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
• শান্তি: জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৮৬.
আইফেল টাওয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডনে
  2. মিউনিখে
  3. হংকং-এ
  4. প্যারিসে
সঠিক উত্তর:
প্যারিসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিসে
ব্যাখ্যা
আইফেল টাওয়ার:
- আইফেল টাওয়ার বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ল্যান্ডমার্কগুলির মধ্যে একটি।
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের প্যারিস শহরে অবস্থিত।
- এটি প্যারিসের এক জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান এবং বিশ্বের অন্যতম পরিচিত স্থাপত্যিক নিদর্শন।
- আইফেল টাওয়ার ১৮৮৭ থেকে ১৮৮৯ সালের মধ্যে নির্মিত হয়।
- বিখ্যাত পুরকৌশলী গুস্তাভ আইফেল এটি নির্মাণ করেন। 
- এটি মূলত ১৮৮৯ সালের প্যারিস বিশ্বমেলার জন্য একটি প্রবেশদ্বার হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল।

⇒ এটি প্যারিসের চ্যাম্প দে মার্স (Champ de Mars) উদ্যানের মধ্যে, সাইন নদীর তীরে অবস্থিত।
- আইফেল টাওয়ারের উচ্চতা ৩৩০ মিটার (১,০৮৩ ফুট)।

উৎস: Britannica.
৮৭.
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভায়
  2. ওয়াশিংটনে
  3. ভিয়েনায়
  4. ব্রাসেলসে
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনায়
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক।
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
৮৮.
১৯৯৫ সালে বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলনের মূল স্লোগান কী ছিল?
  1. নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ
  2. বিশ্বর নারীরা এক হও
  3. নারীর অধিকার মানবাধিকার
  4. নারী নির্যাতন বন্ধ কর
সঠিক উত্তর:
নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ নারী সম্মেলন:
- জাতিসংঘ নারীদের নিয়ে চারটি বিশ্ব সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
- ১৯৯৫ সালে বেইজিং-এ অনুষ্ঠিত হয় চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন।
- সম্মেলনের মূল স্লোগান ছিল নারীর দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখ।

⇒ চারটি সম্মেলন:
- প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৭৫ সালে, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো,
- দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৮০ সালে, কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
- তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৮৫ সালে, নাইরোবি, কেনিয়া এবং,
- চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৯৫ সালে, বেইজিং, চীন।

উল্লেখ্য,
- বেইজিং ঘোষণা এবং কর্মের জন্য প্ল্যাটফর্ম, ১৮৯টি দেশ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য একটি এজেন্ডা এবং লিঙ্গ সমতার মূল বৈশ্বিক নীতি নথি হিসেবে বিবেচিত।
- এটি ১২টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মহিলাদের অগ্রগতি এবং লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য কৌশলগত উদ্দেশ্য এবং কর্ম নির্ধারণ করে।

উৎস: UNwomen ওয়েবসাইট।
৮৯.
ধরিত্রী সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জেনেভা
  2. মেক্সিকো সিটি
  3. নিউইয়র্ক
  4. রিওডি জেনিরিও
সঠিক উত্তর:
রিওডি জেনিরিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিওডি জেনিরিও
ব্যাখ্যা
Earth Summit:
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।
- এই চুক্তি পরবর্তীতে কিয়েটো প্রোটকল (Kyoto-Protocol) নামে পরিচিত হয়।
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল: পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাপী এই সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯০.
কোন দেশে নারীরা পুরুষের চেয়ে কম সময় বাঁচে?
  1. বাংলাদেশে
  2. জাপানে
  3. সুইডেনে
  4. সিঙ্গাপুরে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

নারী-পুরুষের গড় আয়ু:

- বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে নারী ও পুরুষের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান দেখা যায়।
- নারীরা পুরুষদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় বাঁচে, তবে তাদের পুরুষদের তুলনায় বেশি বছর অসুস্থ থাকতে হয়।
- গবেষণায় দেখা গেছে, পেশির সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং মাথাব্যথার মতো রোগগুলো বিশেষ করে নারীর শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। এগুলো প্রাণঘাতী না হলেও তা অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতা তৈরি করে।
- অন্যদিকে পুরুষেরা অনানুপাতিক হারে এমন সব পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, যা তাদের অকাল মৃত্যু ঘটায়। যেমন- হৃদ্‌রোগ, শ্বাসযন্ত্র, যকৃতের রোগ, কোভিড-১৯–এর মতো রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং সড়ক দুর্ঘটনা।

এছাড়াও,
- পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি দিন বাঁচেন ভ্রূণের কারণে। এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ডেভিড জেমস জানান, নারী ভ্রূণের চেয়ে পুরুষ ভ্রূণ বেশি হারে মারা যায়।
- পুরুষের আয়ুষ্কাল তুলনামূলক কম হওয়ার জন্য টেস্টোস্টেরন হরমোনও দায়ী। সাধারণত বয়োসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে এই টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ হয়। তাই এ সময়টায় পুরুষের মৃত্যুর হার বেশি থাকে।
- জেনেটিক গঠনের কারণে পুরুষরা নারীর তুলনায় কম বাঁচে। 

  উৎস: i) প্রথম আলো।
iii) WorldaData.info [link]
৯১.
বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্বোচ্চ?
  1. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. জলীয় বাষ্প
  3. CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
- ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস। 
- এছাড়া ওজনস্তরের জন্যে ক্ষতিকর অন্যান্য গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে নাইট্রাস অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, ব্রোমিন, মিথেন, মিথাইল ক্লোরাইড ইত্যাদি। 
- ওজনস্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি আবরণ যা প্রাণীকুলকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে। 

CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- সিএফসি বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরের ক্ষতি করে। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে। 
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯২.
'ড্রাই আইস' (dry ice) হলো -
  1. কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. কঠিন অবস্থায় সালফার ডাইঅক্সাইড
  3. শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে বরফ
  4. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের কঠিন অবস্থা
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাই, যা ঠাণ্ডা -78.5° C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৯৩.
কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিশ্বাস নেয়?
  1. শুশুক
  2. তিমি
  3. ইলিশ
  4. হাঙ্গর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে ডাবল উত্তর ক) শুশুক এবং খ) তিমি থাকায় উত্তর নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই। 

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 
- This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

উৎস: uk.whales.org
৯৪.
ডায়বেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্য নয় সেটি হলো -
  1. চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়
  2. এই রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  3. এই রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে
  4. ইনসুলিন নামক একটি হরমোনের অভাবে এই রোগ হয়
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে এই রোগ হয়
ব্যাখ্যা

[অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাব হলে প্রোটিন, শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ফলে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, একে ডায়াবেটিস রোগ বলা হয়। চিনি জাতীয় খাবারের সাথে এ রোগের সম্পর্ক নেই। ডায়াবেটিস হলে হৃৎপিণ্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদি অঙ্গের স্বাভাবিক কাজে বাধা সৃষ্টি হয়।] 

ডায়বেটিস: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উল্লেখ্য যে, 
- চিনি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস রোগ হয় এ তথ্যটি সত্য নয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৫.
কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
  1. এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম
  2. কম্পিউটারের যন্ত্রাংশে কোথাও শর্টসার্কিট
  3. কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের মধ্যে জমে থাকা ধূলা
  4. কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ সার্কিটে ঢিলা কানেকশন
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের বিশেষ ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে। 
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে। 
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে। 
- VIRUS পুরো নাম হলো Vital Information Resources under Seize. 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
এনজিও প্লাস্টি হচ্ছে -
  1. হৃৎপিণ্ডের মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া
  2. হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
  3. হৃৎপিণ্ডের টিস্যুতে নতুন টিস্যু সংযোজন
  4. হৃৎপিণ্ডের নতুন শিরা সংযোজন
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো
ব্যাখ্যা
- এনজিওপ্লাস্টি হচ্ছে হৃৎপিণ্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো। 

এনজিওপ্লাস্টি: 
- এনজিও (Angio) শব্দের অর্থ হল রক্তনালী এবং প্লাস্টি (Plasty) শব্দের অর্থ হল ঢিলা করে দেওয়া। 
- এই পদ্ধতিতে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীর মধ্যের চর্বি জমে সরু হয়ে যাওয়া পথ প্রশস্থ বা ঢিলা করে দেওয়া হয়। 
- যে পথে এনজিওগ্রাম করা হয়েছিল সেই একই পথে ক্যাথেটারের সংগে বেলুন প্রবেশ করানো হয়। 
- তারপর ওই বেলুন ফুলিয়ে করনারী ধমনীর সরু অংশকে প্রশস্থ করা হয়। 
- এতে করে ধমনীর ভেতরের রক্তের প্রবাহ স্বাভাবিক হয়। 
- ধমনীর এই প্রশস্থতা ধরে রাখতে রিং বসানো হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৯৭.
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. নাইট্রিক অক্সাইড
  4. সালফার ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
কার্বন মনোক্সাইড: 
দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে
- কার্বন মনোক্সাইড (Carbon Monoxide) এর রাসায়নিক সংকেত হলো CO যা একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম। 
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে। 
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। 
- কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে- 
• দুর্বলতা, 
• বমি বমি ভাব, 
• মাথা ঘোরানো, 
• ক্লান্তি, 
• ক্ষুধা, 
• মাথা ব্যাথা, 
• অজ্ঞান হওয়া, 
• খিঁচুনি ইত্যাদি। 

উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website [লিঙ্ক]।
৯৮.
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো -
  1. ০° সেন্টিগ্রেড
  2. ১০০° সেন্টিগ্রেড
  3. ৪° সেন্টিগ্রেড
  4. ২৬৩° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
৪° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে, পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯.
যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয়, তাদের বলা হয় -
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
আইসোটোন: 
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। 

আইসোটোপ: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 

আইসোবার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। 

আইসোমার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০.
মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ কোথায়?
  1. ভূকেন্দ্রে
  2. ভূপৃষ্ঠে
  3. ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট নিচে
  4. ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ ফুট উঁচুতে
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠে
ব্যাখ্যা
- কোনো বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে তার ওজন বলে। 
আমরা জানি, 
W=mg 
এখানে, 
g = অভিকর্ষজ ত্বরণ যার মান 9.8  । 
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে। 
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম। 
- মেরু অন্ঞলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।