পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: পার্ট-১) বিষয়: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পার্ট-২) বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: বাংলাদেশের সংবিধান: সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিলসমূহ। পার্ট-৩) বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ (বিশ্বব্যাংক ও IMF বাদে) [FAO, UNESCO, ICAO, IFAD, ILO, IMO, UNIDO, ITU, UNWTO, UPU, WHO, WIPO, WMO] ii) জাতিসংঘের তহবিল ও প্রোগ্রাম [UNDP, UNEP, UNFPA, UNICEF, WFP, UN-HABITAT] iii) জাতিসংঘ সম্পর্কিত অন্যান্য সংস্থা [IAEA, IOM, CTBTO, UNAIDS, UNHCR, UNRWA, UNIDIR, UNITAR, UN WOMEN, UNSSC, UNU, UNOPS, OPCW, ITC]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
'শ্যামলী' - কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. মীর মশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

'শ্যামলী' কাব্যগ্রন্থ:
- 'শ্যামলী' (১৯৩৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এ গ্রন্থের নাম দেয়া হয়েছে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের মাটির ঘরের নামে। এটি মোট বাইশটি কবিতার সংকলন।
- এগুলো গদ্যকবিতার বিশেষ উদাহরণ। 'পুনশ্চ' কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে এর মিল আছে।
- 'আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ', 'বাঁশিওয়ালা', 'হঠাৎ দেখা' প্রভৃতি পরিচিতি পঙ্ক্তি বা কবিতাগুলি এ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
- রবীন্দ্রনাথের-কাব্যজীবনের শেষ পর্বের নিরলঙ্কারী ভাষা, উদাসীনতা ও জীবনের প্রতি আসক্তির বিরোধী অনুভূতি 'শ্যামলী' কাব্যের বৈশিষ্ট্য।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস কত সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়?
  1. ১৮৫৮ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস:
- আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস। প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়
- উপন্যাসটিতে দেশীয় বন্ধ্যা শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- এছাড়াও চরিত্রে রয়েছে, বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

প্যারীচাঁদ মিত্র:
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- তাঁর ছন্দনাম  “টেকচাঁদ ঠাকুর”।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
প্রবন্ধ-গবেষণা 'বাংলার কবি মধুসূদন' রচনা করেন কে?
  1. নীলিমা ইব্রাহিম
  2. বিজন ভট্টাচার্য
  3. নবীনচন্দ্র সেন
  4. গোবিন্দচন্দ্র দাস
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা

নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।
- ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- নীলিমা ইব্রাহিম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়ন
 সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণা:
- শরৎ প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলার নাটক,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য,
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,ও বাংলাপিডিয়া।

.
'বত্রিশ সিংহাসন' - গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ
  3. বিজন ভট্টাচার্য
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা

বত্রিশ সিংহাসন:
- এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- ‘বত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার অনূদিত কাহিনি সংকলন।
- বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে এই রচনাটি উল্লেখযোগ্য।

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থের রচয়িতা।

তার রচিত গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- রাজাবলী,
- হিতোপদেশ,
- বেদান্তচন্দ্রিকা,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
'কুঁচবরণ কন্যা' শিশুতোষ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. বন্দে আলী মিয়া
সঠিক উত্তর:
বন্দে আলী মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যা

• শিশুতোষ গ্রন্থ 'কুঁচবরণ কন্যা' এর রচয়িতা - বন্দে আলী মিয়া

বন্দে আলী মিয়া:
- সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।
- বন্দে আলী মিয়া কবিতা,  উপন্যাস, নাটক, জীবনী,  শিশুসাহিত্য প্রভৃতি মাধ্যমে গ্রন্থ রচনা করেন।
- তাঁর রচনায় বাংলার মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির প্রতিফলন ঘটেছে।

তাঁর অন্যান্য শিশুসাহিত্য:
- চোর জামাই,
- মেঘকুমারী,
- বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা,
- সোনার হরিণ,
- কুঁচবরণ কন্যা,
- সাত রাজ্যের গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ নয়?
  1. আহুতি
  2. তেল-নুন-লকড়ি
  3. নীললোহিত 
  4. চার ইয়ারী কথা
সঠিক উত্তর:
তেল-নুন-লকড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেল-নুন-লকড়ি
ব্যাখ্যা

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ - চার ইয়ারী কথা, নীললোহিত ও আহুতি

অন্যদিকে,
প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ - তেল-নুন-লকড়ি

প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
‘কালিকলম’ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন না কে?
  1. মুরলীধর বসু
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. আবুল হোসেন
  4. শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
আবুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হোসেন
ব্যাখ্যা

• ‘কালিকলম’ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন না - আবুল হোসেন। 
 
‘কালিকলম’ পত্রিকা:
- এটি সচিত্র মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
- প্রথম প্রকাশ বৈশাখ ১৩৩৩ (১৯২৬)।
- মুরলীধর বসু, শৈলেজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও প্রেমেন্দ্র মিত্রের সম্পাদনায় কলকাতা, কলেজ স্ট্রিট মার্কেটের বরদা এজেন্সি থেকে প্রকাশিত।
- পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যার প্রথম রচনা ছিল শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক বড় গল্প ‘মহাযুদ্ধের ইতিহাস’।
- কল্লোল পত্রিকার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলেছে কালিকলম।
- যদিও দুটি পত্রিকার ভাবাদর্শ ছিল এক, লেখকবৃন্দও প্রায় এক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. মীর মশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক,।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- ললিতা তথা মানস।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- কৃষ্ণকান্তের উইল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'অনুবর্তন' কোন প্রকার রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. প্রবন্ধ
  3. নাটক
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

'অনুবর্তন' উপন্যাস:
- প্রকৃতি ও মানব জীবন সত্তার ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত 'অনুবর্তন' উপন্যাসে ব্যক্তি অভিজ্ঞতার রূপায়ন ঘটেছে।
- গ্রামীণ মানুষের দলাদলি ও স্বার্থপ্রিয়তা উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
- এ উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র হচ্ছে- যদু মুখুজ্জে।
- যদু মুখুজ্জে নিজে ভালো খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য স্ত্রীর প্রতি অবিচার করে, ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাৎ করে, আবার নিজের পাপের জন্য ভগবানের কাছে ক্ষমাও চান। শেষে তার ট্র্যাজিক মৃত্যু ঘটে। বিভূতিভূষণের শ্রেষ্ঠ চরিত্র এই যদু মুখুজ্জে।

বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ, 
- বিপিনের সংসার, 
- চাঁদের পাহাড়, 
- দম্পতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
মুসলমান নাট্যকার রচিত প্রথম নাটক হিসেবে নির্দেশ করা হয় কোন নাটক কে?
  1. বসন্তকুমারী
  2. পদ্মাবতী
  3. অশ্রুমতী
  4. মালতী-মাধব
সঠিক উত্তর:
বসন্তকুমারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্তকুমারী
ব্যাখ্যা

‘বসন্তকুমারী’ নাটক:
- মীর মশাররফ হোসেনের নাটকগুলোর মধ্যে ‘বসন্তকুমারী’ নাটক (১৮৭৩) উল্লেখযোগ্য।
- এই নাটকটিকে মুসলমান নাট্যকার রচিত প্রথম নাটক হিসেবে নির্দেশ করা যায়।
- ইন্দ্রপুরের বিপত্নীক রাজার বৃদ্ধ বয়সে যুবতী স্ত্রী গ্রহণ, রাজার যুবক পুত্রের প্রতি বিমাতার আকর্ষণ এবং প্রেম নিবেদন, পুত্রের প্রত্যাখ্যান ও বিমাতার ষড়যন্ত্র’ পরিশেষে রাজপরিবারের সকলের মৃত্যু- এই কাহিনি অবলম্বনে ‘বসন্তকুমারী নাটক রচিত।
- নাটকটির অপর নাম ‘বৃদ্ধস্য তরূণী ভার্যা’।
- ‘জমীদার দর্পণ’ (১৮৭৩) মীর মশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় নাটক।

অন্যদিকে,
- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক ‘অশ্রুমতী’ এবং অনুবাদ নাটক ‘মালতী-মাধব’।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক ‘পদ্মাবতী’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১.
‘সাত ভাই চম্পা’ - কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. উপন্যাস
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• ‘সাত ভাই চম্পা’ বিষ্ণু দে রচিত - কাব্যগ্রন্থ

বিষ্ণু দে:
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সাত ভাই চম্পা,
- সেই অন্ধকার চাই,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম কী?
  1. সুরজিত নন্দী
  2. সিরাজ আলী
  3. সব্যসাচী
  4. নীল মাধব
সঠিক উত্তর:
সুরজিত নন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরজিত নন্দী
ব্যাখ্যা

‘নেমেসিস’ নাটক: 
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম সুরজিত নন্দী, নৃপেন বোস, সুলতা, অসীম, অমল বাবু, ইয়াকুব ইত্যাদি।

নুরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান, 
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে, 
- শতকরা আশি, 
- রূপলেখা, 
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকের 'চলাফেরার স্বাধীনতার' অধিকার কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

অন্যদিকে,
- ৩৪ অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
-  ৩৭ অনুচ্ছেদ: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৩৮ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বাক্যাংশটি কোন সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. ষষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আইন অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সকল সামরিক বিধান, সংবিধান সংশোধন ও বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

১৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তার ও আটক বিষয়ে নাগরিকের রক্ষাকবচ উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৩গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
-  (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
- (২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
- (৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
- (ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
- (খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

অন্যদিকে,
- ৩২ অনুচ্ছেদ হলো  জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ। 
- ৩৪ অনুচ্ছেদ হলো জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- ৩৫ অনুচ্ছেদ হলো বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ষোড়শ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(কগ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
-  জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়। 
- গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।

১৭.
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সর্বোচ্চ আইনগত পরামর্শ প্রদান ও প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব কে পালন করে থাকেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন সচিব
  4. আইন উপদেষ্টা
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়। এ পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন। তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
-মো. আসাদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
-তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

১৮.
সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি কোন অনুচ্ছেদের অধীনে সংসদে পেশ করতে হয়?
  1. ৮৯ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৮৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৬৫ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৬৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৮৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• ৮৭ নং অনুচ্ছেদ: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি 
-  (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
- (২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
- (ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
- (খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।

অন্যদিকে,
৬৪ নং অনুচ্ছেদ হলো অ্যাটর্নি-জেনারেল  সম্পর্কিত।
৬৫ নং অনুচ্ছেদ হলো  সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
৮৯ নং অনুচ্ছেদ হলো বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৯.
সকল নাগরিককে আইনের সমান অধিকার প্রদানের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা আছে?
  1. ২৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• ২৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে বলা হয়েছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” অর্থাৎ, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
-১৯ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকদের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান অনুযায়ী, ধর্ম বা অন্য কোনো কারণে বৈষম্য করা যাবে না।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগ ও সুবিধা প্রাপ্তিতে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২০.
সাংসদের নিজ দলের বিপরীতে ভোট বা দল থেকে পদত্যাগে আসন শূন্য হওয়ার বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৬৭ নং
  4. ৬৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: 
- কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- 
- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
- (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২১.
কোনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব বা কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা
  3. রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করা
  4. জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না- জনস্বার্থে স্বার্থে আইনি লড়াই করা।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- - বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

২২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য ঘোষণা হবে?
  1. জাতীয় সংসদের সদস্যপদ হারালে
  2. অনাস্থা প্রস্তাবে পরাজিত হলে
  3. মৃত্যুবরণ করলে অথবা পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৫৭: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ খালি হবে যদি—
(ক) তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ সদস্য না থাকেন।

(২) যদি প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তবে তাঁকে হয় পদত্যাগ করতে হবে, নয়তো সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এভাবে পরামর্শ দিলে, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেবেন যদি তিনি নিশ্চিত হন যে সংসদের আর কোনো সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা অর্জন করতে পারবেন না।

(৩) নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজের পদে বহাল থাকবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যগণ কার নিকট শপথ গ্রহণ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী,
• রাষ্ট্রপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রী গনকে
৩। উপমন্ত্রী দেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রী দের।
৫। স্পীকার।
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে

• প্রধানমন্ত্রীর নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

• স্পীকারের নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের কে।

• প্রধান বিচারপতির নিকট যারা শপথ গ্রহণ করেন: 
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে।
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪.
সংবিধান কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯১
- পাস হয়: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- বিষয়বস্তু: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা।
- ২ জুলাই, ১৯৯১ সালে সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- এর ফলে সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- রাষ্ট্রপতি হন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী।
- মন্ত্রিপরিষদ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটের বিধান।
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা।

২৫.
সংবিধান অনুযায়ী কোন নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে হলে কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. জাতীয় সংসদের স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3.  রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
 রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ 
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৬.
এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত না করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৫: মৌলিক অধিকার বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ 
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না।

(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন।

(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।

(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না।

(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4.  অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন নামে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. বাংলাদেশ সরকার
  2. বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা 
- "বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৯.
জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর শীর্ষ পদ কোনটি?
  1. মহাপরিচালক
  2. প্রশাসক
  3. সভাপতি
  4. মহাসচিব
সঠিক উত্তর:
প্রশাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসক
ব্যাখ্যা

UNDP:
- এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক নেতৃত্বদানকারী সংস্থা।
- UNDP পূর্ণরূপ United Nations Development Programme.
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর একটি কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৫ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধানের পদ: প্রশাসক।
- বর্তমান প্রশাসক: অসিম স্টেইনার। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- UNDP বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করছে।

বি.দ্র: প্রতিষ্ঠা সালের ক্ষেত্রে অপশন বিবেচনায় উত্তর করতে হবে যদি অপশনে ১৯৬৫ এবং ১৯৬৬ থাকে তাহলে ১৯৬৫ উত্তর করতে হবে। আর যে কোন একটি থাকলে সেটি উত্তর হবে।

তথ্যসূত্র - ইউএনডিপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩০.
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. PICAO
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. WIPO
সঠিক উত্তর:
UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO
ব্যাখ্যা

UNESCO:
– জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO).
– UNESCO- এর পূর্ণরূপ - United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
– এর প্রধান কাজ হলো - বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
– ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় - ১৯৪৫ সালে।
– কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৪৬ সালে।
– প্রতিষ্ঠার স্থান - লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
– সদর দপ্তর - প্যারিস, ফ্রান্স।
– সদস্য সংখ্যা - ১৯৪টি এবং সহযোগী সদস্য - ১২টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
– বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে - ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - UNESCO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩১.
ICAO পূর্নরূপ কোনটি?
  1. International Commercial Automated Organization
  2. International Civil Aviation Organization
  3. International Cargo Aviation Office
  4. International Civil Air Organization
সঠিক উত্তর:
International Civil Aviation Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Civil Aviation Organization
ব্যাখ্যা

ICAO:
- বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা হচ্ছে ICAO.
- ICAO পূর্নরূপ - International Civil Aviation Organization.
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালে ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং একই বছর জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ICAO এর সদর দপ্তর মন্ট্রিল, কানাডা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ICAO অফসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩২.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে?
  1. UNODC
  2. UNEF
  3. UNHCR
  4. UNFPA
সঠিক উত্তর:
UNFPA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFPA
ব্যাখ্যা

UNFPA:
- সংস্থাটি ১৫০টি দেশে কাজ করে থাকে।
- বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে UNFPA.
- UNFPA এর পূর্ণরূপ- United Nations Population Fund.
- UNFPA হল জাতিসংঘের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংস্থা।
- UNFPA আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নামে পরিচিত।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক।

তথ্যসূত্র - UNFPA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৩.
ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় কোনটি?
  1. WHO
  2. ILO
  3. FAO
  4. UNESCO
সঠিক উত্তর:
ILO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ILO
ব্যাখ্যা

ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৪.
UNICEF এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক কে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. টনি লেক
  2. গ্লোরিয়া মেনডেসেস
  3. জ্যাকলিন কিয়ান
  4. ক্যাথরিন রাসেল
সঠিক উত্তর:
ক্যাথরিন রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাথরিন রাসেল
ব্যাখ্যা

UNICEF:
- United Nations Children's Fund বা জাতিসংঘ শিশু তহবিল বিশ্বব্যাপী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো United Nations International Children's Emergency Fund.
- ১৯৫৩ সালে United Nations Children Fund নামধারণ করে।
- UNICEF এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- UNICEF (United Nations Children's Fund) এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- UNICEF বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - UNICEF এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৫.
UNIDO এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. প্যারিস, ইতালি
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

UNIDO:
- UNIDO এর পূর্ণরূপ - United Nations Industrial Development Organization.
- এটি ১৯৬৬ সালের ১৭ই নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- UNIDO এর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম Gerd Muller (গার্ড মুলার)। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - UNIDO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৬.
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) নোবেল পুরস্কার লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা

WFP:
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী বা World Food Programme
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সংস্থাটি বিশ্বের ৮৮টি দেশে প্রায় ১০ কোটি মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
- WFP ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর ইতালির রোম শহরে অবস্থিত।
- ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছে WFP (World Food Programme) বা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে অবদানের জন্যে WFP কে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - WFP ও নোবেল পুরস্কার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৭.
International Telecommunication Union এর বর্তমান সদস্য দেশ - (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ১৯২টি
  2. ১৯৩টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪টি
ব্যাখ্যা

ITU:
- ITU-এর পূর্ণরূপ: International Telecommunication Union.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ই মে, ১৮৬৫।
- এটি বর্তমানে অস্তিত্বশীল সবথেকে পুরানো সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যেখানে বিশ্ব টিলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও সেবার ক্ষেত্রে সরকারি ও ব্যক্তি খাতের সমন্বয় সাধিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৯৪৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ITU এর প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে প্রতিবছর ১৭ মে 'ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন এন্ড ইনফরমেশন সোসাইটি ডে' পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - ITU ওয়েবসাইট।

৩৮.
IOM এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Internal Organization for Migration
  2. International Organization for Migration
  3. International Organization for Maritime
  4. International Organization for Mitigation
সঠিক উত্তর:
International Organization for Migration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Organization for Migration
ব্যাখ্যা

IOM:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা IOM.
- IOM পূর্ণরূপ INTERNATIONAL ORGANIZATION FOR MIGRATION.
- সংস্থাটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য ১৭৫টি দেশ এবং পর্যবেক্ষক - ৮টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সংস্থাটির প্রথম মহিলা মহাসচিব অ্যামি ই. পোপ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - IOM অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৯.
জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা কোনটি?
  1. UNIDIR
  2. UNWTO
  3. UNITAR
  4. UNFPA
সঠিক উত্তর:
UNWTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNWTO
ব্যাখ্যা

UNWTO:
- জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা UNWTO.
- UNWTO এর পূর্ণরূপ - United Nations World Tourism Organization.
- পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কোড চালু করেছে UNWTO।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়- ২৭ সেপ্টেম্বর।
- UNWTO আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৬ সালে।
- এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।
- জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে - ২০০৩ সালে।
- বর্তমান সদস্য - ১৬০ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - UNWTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪০.
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. UNHCR
  2. UNEP
  3. WHO
  4. UNFCCC
সঠিক উত্তর:
UNHCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNHCR
ব্যাখ্যা

UNHCR:
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR.
- UNHCR এর পূর্ণরূপ United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- UNHCR এর প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- বর্তমান হাইকমিশনার: ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- কার্যক্ষেত্র: ১৩৭টি দেশ।

তথ্যসূত্র - UNHCR এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪১.
জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা নিচের কোনটি?
  1. WEF
  2. IAEA
  3. WIPO
  4. UNWTO
সঠিক উত্তর:
WIPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WIPO
ব্যাখ্যা

WIPO:
- ১৯৬৭ সালে WIPO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪২.
UNITAR-এর মূল কাজ নিচের কোনটি?
  1. শরণার্থী বিষয়ক কার্যক্রম
  2. শিল্পোন্নয়ন
  3. প্রশিক্ষণ ও গবেষণা
  4. নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা
ব্যাখ্যা

UNITAR:
- UNITAR-এর পূর্ণরূপ: United Nations Institute for Training and Research.
- এটি জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সংস্থা।
- সংস্থাটি জাতিসংঘের অধীনে অফিসিয়াল কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৩।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মূল কাজ: প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।

তথ্যসূত্র - UNITAR ওয়েবসাইট।

৪৩.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।