পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা [পরীক্ষা – ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি কোন অঙ্গরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. উইসকনসিন
  3. ওয়াশিংটন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহৎ রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং একত্রিত হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নামে একটি প্রজাতন্ত্র গঠন করে।
- স্বাধীনতা ঘোষণার পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আরো ৩৭টি রাজ্য এদেশের সাথে যুক্ত হয়।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি রাজ্য এবং একটি স্বাধীন জেলা ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া নিয়ে গঠিত।
- এছাড়া শাসনাধীন অঞ্চলগুলো হলো পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী পোর্টোরিকো দ্বীপ, প্রশান্ত মহাসাগরের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, পানামা খাল অঞ্চল, সামোয়া ও গুয়াম টেরিটরি।
- এদেশের পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে যা ৫০টি রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং ১৩টি সমান্তরাল রেখা (লাল ও সাদা রংয়ের) রয়েছে যা দেশটির প্রতিষ্ঠাকালীন ১৩টি উপনিবেশকে নির্দেশ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি।
- রাজধানী ওয়াশিংটন শহরটি কোনও মার্কিন অঙ্গরাজ্যের অংশ নয়।
- এটি ডিসট্রিক্ট অফ কলাম্বিয়া (District of Columbia, সংক্ষেপে D.C. ডি.সি.) নামক একটি বিশেষ কেন্দ্রশাসিত জেলাতে অবস্থিত।
- উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন নামে একটি অঙ্গরাজ্য আছে।
- প্রসিদ্ধ স্থানসমূহের মধ্যে অন্যতম ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, বোস্টন, শিকাগো, লস এন্সেলস, সানফ্রান্সিসকো প্রভৃতি।
.
পৃথিবীর গভীরতম নদী কোনটি?
  1. আমাজন
  2. নীল
  3. কঙ্গো
  4. ইয়াংসিকিয়াং
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঙ্গো
ব্যাখ্যা
কঙ্গো নদী: 
- কঙ্গো নদী আফ্রিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- পানির নিঃসরণ পরিমাণের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। 
- কঙ্গো নদীটি বিশ্বের গভীরতম নদী (গভীরতম বিন্দুতে 720 ফুট)।
- এটি বিশ্বের ৯ম দীর্ঘতম নদী।
- এটিই একমাত্র নদী যা দুবার বিষুব রেখা অতিক্রম করে। 
- নদীটি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে প্রবাহিত হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
.
Which of the following is an adjective?
  1. Alter
  2. Alternative
  3. Alternatively
  4. Alteration
সঠিক উত্তর:
Alternative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alternative
ব্যাখ্যা
• Options,
• Alteration: [noun]
English meaning: a change, usually a slight change, in the appearance, character, or structure of something.
Bangla meaning: পরিবর্তনের কাজ; পরিবর্তনের ফলশ্রুতি।

• Alter: [verb]
English meaning: to change something, usually slightly, or to cause the characteristics of something to change.
Bangla meaning: পরিবর্তন করা বা পরিবর্তিত হওয়া

• Alternative: [adjective]
English meaning: An alternative plan or method is one that you can use if you do not want to use another one.
Bangla meaning: পরস্পর পরিবর্তনসাপেক্ষ; বৈকল্পিক।

• Alternatively: [adverb]
English meaning: used to suggest another possibility.
Bangla meaning: বিকল্পরূপে।
.
They had finished dinner before the guests ___________.
  1. comes
  2. come
  3. had come
  4. came
সঠিক উত্তর:
came
উত্তর
সঠিক উত্তর:
came
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে Before যুক্ত বাক্যের গঠন এর উপর ভিত্তি করে। 

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite.
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Sentence Correction: They had finished dinner before the guests came.

- বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

তাই নিয়মানুযায়ী অন্য অপশনগুলো ভুল।
.
Choose the correct spelling.
  1. Benevoilent
  2. Benivolent
  3. Benivoilent
  4. Benevolent
সঠিক উত্তর:
Benevolent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Benevolent
ব্যাখ্যা
• Benevolent:
English meaning: kind and helpful.
Bangla meaning: দয়ালু; সদাশয়।

Example: 
- He was a benevolent old man and wouldn't hurt a fly.
- He is generally viewed as a benevolent figure in history.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
.
5 + √3 হলো একটি-
  1. মূলদ সংখ্যা
  2. অমূলদ সংখ্যা
  3. স্বাভাবিক সংখ্যা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অমূলদ সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমূলদ সংখ্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + √3 হলো একটি-

সমাধান:
এখানে,
5 একটি মূলদ সংখ্যা এবং √3 একটি অমূলদ সংখ্যা।
সুতরাং তাদের যোগফল হবে একটি অমূলদ সংখ্যা।

কারণ:
- একটি মূলদ সংখ্যা ও একটি অমূলদ সংখ্যার যোগফল সবসময় একটি অমূলদ সংখ্যা গঠন করে।
- সকল মূলদ ও অমূলদ সংখ্যাই বাস্তব সংখ্যা।
- যে সংখ্যাটি নিজের চেয়ে ছোট নিজের সকল উৎপাদক এর যোগফল এর সমান তাকে আদর্শ সংখ্যা বলে।
.
সোহেল তার মোট সম্পত্তির ৫/৮ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৪/৭ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার কাছে ৭২০০ টাকা আছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?
  1. ৪২৭০০ টাকা
  2. ৪৩৯৬০ টাকা
  3. ৪৩৯৯৮ টাকা
  4. ৪৪৮০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪৪৮০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সোহেল তার মোট সম্পত্তির ৫/৮ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৪/৭ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার কাছে ৭২০০ টাকা আছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?

সমাধান:
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ
অবশিষ্ট রইলো = ১ - (৫/৮)
= (৮ - ৫)/৮ = ৩/৮ অংশ

∴ (৩/৮) এর (৪/৭) অংশ
= (৩/৮) × (৪/৭) অংশ
= ৩/১৪ অংশ

প্রশ্নমতে,
(৩/৮) - (৩/১৪) অংশ = ৭২০০
⇒ (২১ - ১২)/৫৬ অংশ = ৭২০০
⇒ ৯/৫৬ অংশ = ৭২০০
⇒ ১ অংশ = (৫৬ × ৭২০০)/৯ = ৪৪৮০০ টাকা
.
চার অংকের ক্ষুদ্রতম কোন সংখ্যা ৫৭ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য?
  1. ১০১৪
  2. ১০১৫
  3. ১০২৩
  4. ১০২৬
সঠিক উত্তর:
১০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চার অংকের ক্ষুদ্রতম কোন সংখ্যা ৫৭ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য?

সমাধান:
এখানে,
ভাজক = ৫৭, ভাজ্য = ১০০০

এখন,
১০০০ কে ৫৭ দ্বারা ভাগ করে আমরা পাই,
ভাগফল = ১৭
ভাগশেষ = ৩১
প্রদত্ত সংখ্যার সাথে (৫৭ - ৩১) = ২৬ যোগ করতে হবে

∴ চার অংকের নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০ + ২৬ = ১০২৬
.
একটি প্যাকেটে ৭৮০ টি বল আছে। এতে কমপক্ষে আরও কতগুলো বল যোগ করা হলে সেগুলো ৫, ৮ অথবা ১০ জন বালকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে?
  1. ১২টি
  2. ১৮টি
  3. ২০টি
  4. ২২টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি প্যাকেটে ৭৮০ টি বল আছে। এতে কমপক্ষে আরও কতগুলো বল যোগ করা হলে সেগুলো ৫, ৮ অথবা ১০ জন বালকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে?

সমাধান:
৫, ৮ এবং ১০ এর ল.সা.গু. = ৪০
৭৮০ ÷ ৪০ =  ভাগশেষ ২০,  ভাগফল ১৯

অর্থাৎ, আরো ৪০ - ২০ = ২০টি মার্বেল যোগ করলে ৫, ৮, অথবা ১০ জন বালকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে।
১০.
নিচের কোনটি অপ্রকৃত ভগ্নাংশ?
  1. ১৫/৮
  2. ৬/১১
  3. ৩/৪
  4. ৭/১২
সঠিক উত্তর:
১৫/৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫/৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি অপ্রকৃত ভগ্নাংশ?

সমাধান:
যে ভগ্নাংশের লব অপেক্ষা হর বড় তাকে প্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
অর্থাৎ প্রকৃত ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে, লব < হর।
সুতরাং প্রকৃত ভগ্নাংশ < ১।

যে ভগ্নাংশের লব অপেক্ষা হর ছোট তাকে অপ্রকৃত ভগ্নাংশ বলে।
অর্থাৎঅপ্রকৃত ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে, লব > হর।
সুতরাং অপ্রকৃত ভগ্নাংশ > ১।
 
১৫/৮ = অপ্রকৃত ভগ্নাংশ
৬/১১ = প্রকৃত ভগ্নাংশ
৩/৪ = প্রকৃত ভগ্নাংশ
৭/১২ = প্রকৃত ভগ্নাংশ  
১১.
একটি সংখ্যার ৭ গুণের সাথে তার বর্গ বিয়োগ করে বিয়োগফল থেকে ১০ বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হয়। সংখ্যাটি কত?
  1. ১ অথবা ২
  2. ২ অথবা ৫
  3. ৩ অথবা ৪
  4. ৩ অথবা ৭
সঠিক উত্তর:
২ অথবা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ অথবা ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার ৭ গুণের সাথে তার বর্গ বিয়োগ করে বিয়োগফল থেকে ১০ বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হয়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
(৭ক - ক) - ১০ = ০
⇒ ক - ৭ক + ১০ = ০
⇒ ক - ২ক - ৫ক + ১০ = ০
⇒ ক(ক - ২) - ৫(ক - ২) = ০
⇒ (ক - ২) (ক - ৫) = ০

হয়, ক - ২ = ০
∴ ক = ২
অথবা, ক - ৫ = ০
∴ ক = ৫
∴ ক = ২, ৫
১২.
দুটি সংখ্যার গুণফল ২৭৬০। সংখ্যা দুটোর ল.সা.গু ১২০ হলে গ.সা.গু কত?
  1. ১৫
  2. ১৮
  3. ২৩
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গুণফল ২৭৬০। সংখ্যা দুটোর ল.সা.গু ১২০ হলে গ.সা.গু কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ২৭৬০
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু = ১২০

আমরা জানি,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ২৭৬০ = ১২০ × গ.সা.গু
⇒ গ.সা.গু = ২৭৬০/১২০
∴ গ.সা.গু = ২৩
১৩.
বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক কোনটি?
  1. সমূহ
  2. সব
  3. নিচয়
  4. গণ
সঠিক উত্তর:
নিচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিচয়
ব্যাখ্যা
• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত লগ্নক "নিচয় - কুসুমনিচয়"।

• বচন:

- ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারণা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক:
আবলি = পুস্তকাবলি।
গুচ্ছ = কবিতাগুচ্ছ।
দাম = কুসুমদাম, পুষ্পদাম।
নিকর = কমলনিকর।
পুঞ্জ = মেঘপুঞ্জ।
মালা = পর্বতমালা।
রাজি = তারকারাজি।
রাশি  = বালিরাশি।
নিচয় = কুসুমনিচয়।

-----------------------
• প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
সব = ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
সমূহ = বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।
কুল = কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
সকল = পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।

• উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ গুলো হলো:
গণ = দেবগন, নরগণ, জনগণ ইত্যাদি।
বৃন্দ = সুধীবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ইত্যাদি।
মণ্ডলী = শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ইত্যাদি।
বর্গ =  পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
কোনটি অন্ত্যযতি চিহ্ন?
  1. বন্ধনীচিহ্ন
  2. কোলন
  3. ঊর্ধ্বকমা
  4. দুই দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
দুই দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
• অন্ত্যযতি চিহ্ন হচ্ছে 'দুই দাঁড়ি (।।)'।

• যতিচিহ্ন:

- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• বাক্যের শেষে যে যতিচিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়, এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা অন্ত্যযতি চিহ্ন বলে।
• অন্ত্যযতি:
১. দাড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (—),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('...'/”...”),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
১৫.
'ফল' কোন লিঙ্গ?
  1. স্ত্রী লিঙ্গ
  2. পুং লিঙ্গ
  3. ক্লীব লিঙ্গ
  4. উভয় লিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক্লীব লিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লীব লিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• 'ফল' ক্লীব লিঙ্গ।

• লিঙ্গ:

- ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ চিহ্ন।
- এটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর ব্যুৎপত্তি হলো লিঙ্গ+অ = লিঙ্গ।
- লিঙ্গ শব্দের ভিন্ন অর্থ থাকলেও ব্যাকরণে এটি শব্দের শ্রেণীবিশেষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যে সকল শব্দ দ্বারা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের মধ্যে পুরুষ, স্ত্রী বা ভিন্ন জাতি বোঝায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:

১. পুং লিঙ্গ:
- যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বোঝায়, তাদেরকে বলা হয় পুংলিঙ্গ।
যেমন- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গোয়ালা, কিশোর, প্রবীণ ইত্যাদি।

২. স্ত্রী লিঙ্গ:
- যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে স্ত্রীজাতিকে বোঝায়, সেসব শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলে।
যেমন- কাকী, মামী, চাচী, মা, আম্মা, কিশোরী, প্রবীণা ইত্যাদি।

৩. ক্লীব লিঙ্গ:
- যে সব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রীজাতি কোনোটিই বোঝায় না, সেসব শব্দকে বলা হয় ক্লীবলিঙ্গ।
যেমন- গাছ, পাহাড়, পর্বত, বই, টেবিল, ফুল, ফল, চেয়ার ইত্যাদি।

ঘ) উভয় লিঙ্গ:
- যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বোঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ।
যেমন- শিল্পী, ডাক্তার, শিশু, মানুষ, কবি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
মধ্য স্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. ফিল্ম > ফিলিম
  2. পক্ব > পক্ক
  3. ধাইমা > দাইমা
  4. উদ্ধার ˃ উধার ˃ ধার
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম > ফিলিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ম > ফিলিম
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ হচ্ছে "ফিল্ম > ফিলিম"।

• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:

সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যথা:
অ – রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ; বস্‌তি > বসতি ইত্যাদি।
ই - প্রীতি > পিরীতি; ক্লিপ > কিলিপ; ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
উ – মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক; ভ্রু > ভুরু; শুক্রবার >শুক্কুরবার ইত্যাদি।
এ – গ্রাম > গেরাম; প্রেক > পেরেক; স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও - শ্লোক > শোলক; মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

• প্রগত সমীভবন:
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।
যথা:
চক্র > চক্ক; পক্ব > পক্ক,
পদ্ম > পদ্দ; লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলে। স্বরলোপ ৩ প্রকার যথা-
ক. আদিস্বরলোপ: শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন, অলাবু ˃ লাবু ˃ লাউ; উদ্ধার ˃ উধার ˃ ধার
খ. মধ্যস্বরলোপ: শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বরাগম বলে। যেমন, গামোছা ˃ গামছা, অগুরু ˃ অগ্রু, সুবর্ণ ˃ স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বরলোপ: শব্দের শেষের স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বরাগম বলে। যেমন, আশা ˃ আশ, আজি ˃ আজ, চারি ˃ চার, সন্ধ্যা ˃ সঞ্ঝ্যা ˃ সাঁঝ।

• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দ-মধ্যে কোনাে কোনাে সময় কোনাে ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
- একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যথা:
- কবাট > কপাট,
- ধােবা > ধােপা,
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
কার নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়?
  1. অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  4. কবি গোলাম মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়। 
১৮.
কোন সমস্যার কারণে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. তাসখন্দ
  2. পাঞ্জাব
  3. বাংলা
  4. কাশ্মীর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ:
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ আগস্ট পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ সেপ্টেম্বর ভারত লাহোর আক্রমণে অগ্রসর হয়।
- ১৭ দিন যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৩ সেপ্টেম্বর যুদ্ধ বিরতি ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত 'তাসখন্দ চুক্তি'র মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১৯.
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. আগরতলা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌঁছান।
- লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন।
- বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।