পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
৪৬তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড – ২] বিষয়ের নাম: ভূগোল ও নৈতিকতা সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
'উম্মত্ত পঞ্চাশ' (Furious Fifties) কোন বায়ুর সাথে সম্পর্কিত?
  1. অয়ন বায়ু
  2. মৌসুমি বায়ু
  3. পশ্চিমা বায়ু
  4. মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা
পশ্চিমা বায়ু (Westerlies):
-৩৫° থেকে ৬০° অক্ষাংশের মাঝে উভয় গোলার্ধে অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু প্রবাহিত হয়ে মেরু অভিমুখে গমন করে। এ বায়ুকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এ বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের আধিক্যের জন্য বায়ু প্রবাহ ইতম্ভ ও স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন গতির হলেও গড় গতি দক্ষিণ পশ্চিমেই হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে প্রবাহ মোটামুটি নিয়ত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে এ প্রবাহ ৪০° থেকে ৬০° অক্ষাংশে সর্বাধিক।
- এ অঞ্চলকে বলা হয় 'গর্জনশীল চল্লিশা' (Roaring Forties), 'উম্মত্ত পঞ্চাশ' (Furious Fifties) এবং 'শাণিত ষাট' (Screaming Sixties)।

উৎস:-(পৃষ্ঠা নং ১৫৮) ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি এ /বি এস এস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেত কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সতর্কতা ও বিপদ সংকেত:
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।
নিম্নে ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হলঃ

১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।
২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।
৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত:
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।
৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।
৫ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৭ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।
১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত:
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

উৎসঃ ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।
.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
উত্তমাশা অন্তরীপ:
- উত্তমাশা অন্তরীপ বা Cape of Good Hope।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। 
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত কেপ পেনিনসুয়ালার একটি অন্তরীপ।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে সাগরে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্থোলোমিউ ডিয়াজ।
- তিনি ১৪৮৮ সালে প্রথম কেপ এলাকায় পৌঁছেন এবং অন্তরীপটির নাম দেন 'কেপ অব স্টর্মস'। 
- পরবর্তী সময় পর্তুগালের দ্বিতীয় জন নামটি পরিবর্তন করে কেপ অব গুড হোপ বা উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন।

উৎস: Britannica.
.
পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীর স্তরগুলো যথাক্রমে-
  1. কেন্দ্রমন্ডল, গুরুমন্ডল ও অশ্মমন্ডল
  2. কেন্দ্রমন্ডল, অশ্মমন্ডল ও গুরুমন্ডল
  3. গুরুমন্ডল, অশ্মমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
  4. অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
সঠিক উত্তর:
অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর অভ্যন্তরের স্তর: 
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে গঠন প্রকৃতি ও উপাদানের ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে। এগুলো হচ্ছে-ঃ
• অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বক (Earth crust)
• গুরুমন্ডল (Mantle)
• কেন্দ্রমন্ডল (Core)
যা পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ভূ-অভ্যন্তরের দিকে পৃথিবীর স্তরগুলো যথাক্রমে-অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল।

- অশ্মমন্ডল: ভূ-ত্বক পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বাইরের আবরণ যা কঠিন এবং ভূ-পৃষ্ঠ গঠন করেছে। স্তর তিনটির মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তর যেটি গুরুমন্ডলের ওপরে অবস্থিত সেটিকেই অশ্মমন্ডল বলে।
-এটাই পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ।
-এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত।
- গুরুমন্ডল: কেন্দ্র মন্ডলের বহিঃভাগ থেকে অশ্বমন্ডলের (ভূ-ত্বকের) নিম্ন স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে।
- কেন্দ্রন্ডল: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৪৩৪ কি.মি.। পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এই গোলকটির নাম দেয়া হয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। অন্তঃকেন্দ্র ও বহিঃকেন্দ্রকে একত্রে কেন্দ্রন্ডল বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তাপমাত্রা নির্ভরশীল নয়-
  1. সমুদ্র স্রোতে উপর
  2. উচ্চতার উপর
  3. দ্রাঘিমার উপর
  4. ভৌগোলিক অবস্থানের উপর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমার উপর
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক (Controls of Temperature):

- তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক হচ্ছে সেই সব নিয়ামক যাদের উপর ভিত্তি করে এক অবস্থান থেকে অন্য স্থানের তাপমাত্রা ভিন্ন হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ ভিন্ন মাত্রায় সূর্যালোক পেয়ে থাকে, অক্ষাংশভেদে তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে।
- কোন স্থানের তাপমাত্রা যে সমস্ত বিষয়ের উপর নির্ভরশীল তা নিম্নরূপ:
১. স্থল এবং জলভাগের ভিন্ন ধর্মী তাপ গ্রহণ (Differential heating of land and water);
২. সমুদ্র স্রোত (Ocean Currents);
৩. উচ্চতা (Altitude);
৪. ভৌগোলিক অবস্থান (Geographic Location)।

কিন্তু দ্রাঘিমার উপর কোন স্থানের তাপমাত্রা নির্ভরশীল নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোরিওলিস প্রভাবের ফলে বায়ুপ্রবাহ বেঁকে যায়-
  1. উত্তর গোলার্ধে বাম ও দক্ষিণ গোলার্ধে ডান দিকে
  2. উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমান্তরাল দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধে ডান ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
  4. উত্তর গোলার্ধে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিন দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে ডান ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে ডান ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
ব্যাখ্যা
কোরিওলিস প্রভাব (Coriolis Effect):

-বায়ু প্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়, প্রবাহের এ ধরন পরিবর্তনকে কোরিওলিস শক্তি (Coriolis force) বলে।
- গোলার্ধ ভিত্তিক এ পরিবর্তন কোন প্রবাহিত চলমান (moving) বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এ বাঁকিয়ে দেওয়া বা দিক পরিবর্তনকারী শক্তি-
১. বায়ু প্রবাহের দিকের সাথে সর্বদা লম্বভাবে (৯০০) ক্রিয়া করে;
২. বায়ু প্রবাহে কেবল মাত্র দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে, গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না;
৩. বায়ুর গতির সাথে সম্পর্ক যুক্ত, বেশি গতি হলে প্রভাব বেশি ও কম হলে প্রভাব কম হয় অর্থাৎ বিচ্যুতি মাত্রা নির্ভর করে;
৪. কোরিওলিস বা গোলার্ধ প্রভাব মেরুতে সর্বাধিক, নিরক্ষীয় অঞ্চলে কমতে থাকে, বিষুব রেখায় এর অস্তিত্ত্ব লোপ পায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আর্দ্রতা শব্দটি বায়ুতে কিসের উপস্থিতির পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়-
  1. জলবায়ুর
  2. জলীয় বাষ্পের
  3. কুয়াশার
  4. ধূলিকণা ও শিশির বিন্দুর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্পের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্পের
ব্যাখ্যা
আর্দ্রতা (Humidity):
- আর্দ্রতা শব্দটি বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বায়ুতে অন্যান্য গ্যাসের তুলনায় জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অতি নগণ্য, আয়তন হিসাবে যা শূন্য থেকে শতকরা চার ভাগের ও কম হয়ে থাকে, কিন্তু আবহাওয়া তথা জলবায়ুতে এ সামান্য পরিমাণ জলীয় কণার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।

- নির্দিষ্ট পরিমাণ তাপ, চাপ ও আয়তনের বায়ুতে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প ধারণ করতে পারে সেই পরিমাণ জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে সম্পৃক্ত (Saturation) অবস্থা বলে। জলীয়বাষ্পজনিত বায়ুচাপ জলীয়বাষ্পচাপ নামে পরিচিত। 

- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। যেমন,
১. চাপবৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়;
২. তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে ভূ-ত্বক গঠন করে।
  2. প্রাকৃতিকভাবে বন্ধনে আবদ্ধ।
  3. অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
  4. বিভিন্ন প্রকার শিলার সংমিশ্রণই মৃত্তিকার উৎস।
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা
⇒ শিলা পরিবার:
বিভিন্ন ধরনের শিলাকে একত্রে শিলা পরিবার বলা যায়। 
মানব সমাজে আমরা যেমন একে অপরের সাথে পারস্পরিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজ গঠন করে থাকি, তেমনি বিভিন্ন ধরনের শিলা নানা ভাবে একত্রিত হয়ে বা পারস্পরিক সহাবস্থানে ভূ-ত্বক গঠন করে থাকে।

⇒ শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য:
- এরা পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে ভূ-ত্বক গঠন করে।
- এরা প্রাকৃতিকভাবে বন্ধনে আবদ্ধ।
- বিভিন্ন প্রকার শিলার সংমিশ্রণই মৃত্তিকার উৎস।
অর্থাৎ পারস্পরিক সহাবস্থান, বন্ধন, সংমিশ্রণ শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য।

কিন্তু 'শিলা পরিবারে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে' এটি শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উইলিয়াম মরিস ডেভিসের ভূমিরূপ মতবাদ কে গাণিতিক মডেলের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেছেন?
  1. স্ট্রাবো
  2. কে জে. গ্রেগরী
  3. আল-কিন্দি
  4. আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্
সঠিক উত্তর:
কে জে. গ্রেগরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে জে. গ্রেগরী
ব্যাখ্যা
ভূমিরূপ মতবাদ:
- উইলিয়াম মরিস ডেভিসের মতে, ভূমিরূপ হলো ভূ-প্রাকৃতিক উপাদান সমূহের গঠন আকৃতি (Structure), গঠন প্রক্রিয়া (Process) ও সময়ের (Time) এক সমন্বয়।
- কে জে. গ্রেগরী ডেভিসের এই মতবাদকে একটি গাণিতিক মডেল (Mathematical Model) এর সাহায্যে ব্যাখ্যা করেছেন।
মতবাদটি হল: F = ƒ(MP)t, যেখানে, F = ভূমিরূপ (Landform), f =অপেক্ষক (Function of), M=পদার্থ (Geomaterials), P=প্রক্রিয়া (Process), t = সময় (Time) সাথে পরিবর্তনের।

- উপরের গাণিতিক সমীকরণটি থেকে বোঝা যায় যে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ডে যে সকল ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য গুলো পরিলক্ষিত হয়, সেগুলো মূলত ঐ অঞ্চলের নানা ধরনের ভূ-পদার্থ সমূহের মধ্যকার নানা প্রক্রিয়ায় সংঘটিত রূপ।
- একটি দীর্ঘ সময় ব্যাপী এই ভূমিগঠন প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।লিঙ্ক 
১০.
কোন জাতীয় আগ্নেয়গিরি দেখতে ব্যাঙের ছাতার মত বা গম্বুজাকৃতির হয়ে?
  1. শেইন্ড আগ্নেয়গিরি
  2. সিন্ডারকোন আগ্নেয়গিরি
  3. মিশ্র কোন আগ্নেয়গিরি
  4. ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
শেইন্ড আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেইন্ড আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি:
- উদগিরিত লাভার ধরন এবং আগ্নেয়গিরির গঠনের উপর ভিত্তি করে শ্রেণী বিভাগ-
ক) শেইন্ড (Sheild) আগ্নেয়গিরি: এ জাতীয় আগ্নেয়গিরির লাভা বহুদূর ব্যাপী বিস্তৃত এবং দেখতে কিছুটা ব্যাঙের ছাতার মত বা গম্বুজাকৃতির
-এর ঢাল সাধারণত গোড়ার দিকে ৫ এবং ওপরের দিকে ১৫ এর বেশি হয়; প্রধানত ব্যাসল্ট দিয়ে গঠিত।
-হাওয়াই দ্বীপের মনালোয়া, কিলাউয়া এর অন্যতম উদাহরণ।

খ) সিন্ডারকোন (Cinder Cone) আগ্নেয়গিরি: সিন্ডারকোন সাধারণত খাড়া ঢাল বিশিষ্ট (প্রায় ৩০০-৪০০) এবং আকারে ছোট হয় (৩০০ মি. এর বেশি নয়)।
-প্রায়ই নিকটবর্তী বৃহৎ আগ্নেয়গিরির পাশে গঠিত হয়।
- মেক্সিকোর পেরিকোটন এর উদাহরণ। আগ্নেয়গিরির একটা অন্যতম ঘটনা হল অগ্নুৎপাত।

গ) মিশ্র কোন (Composite Cone) আগ্নেয়গিরি: জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের মাউট মেওন এ ধরনের আগ্নেয়গিরি।
- এই শ্রেণীর আগ্নেয়গিরি আকারে বড়, প্রায় সমান পুরুত্ব বিশিষ্ট লাভা শিলার খন্ডের স্তুপে গঠিত।
- প্রথমে নিঃশব্দে চটচটে আঠালো জ্যান্ডেসাইটিক লাভা, পরে কঠিন শিলা টুকরা, ধুলিকণা, উত্তপ্ত গ্যাস এবং শেষে পুনরায় আঁঠালো লাভা এর ওপর জমা হয়।
- এ জন্য একে মিশ্র কোণ আগ্নেয়গিরি বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. পোল্যান্ড
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- দক্ষিণ কোরিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
উত্তর কোরিয়া
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১২.
কখন কর্কট সংক্রান্তি ঘটে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ ডিসেম্বর
  4. ২২ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা
উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ:

- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট রাত ও সবচেয়ে বড় দিন এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- এ সময় উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে থাকে।
- সে কারণে এই সময় উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য ও তাপমাত্রাও বেশি হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়।
- ২১ জুন সূর্য উত্তরায়ণের শেষ সীমায় পৌঁছায়, একে কর্কটসংক্রান্তি বলে।

অন্যদিকে,
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর : পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে।
- নিরক্ষরেখা বলতে পৃথিবীর মেরুগুলো থেকে সমান দূরে অবস্থিত পৃথিবীপৃষ্ঠ প্রদক্ষিণকারী একটি কাল্পনিক বৃত্তকে বোঝায়।
- অর্থাৎ এটি একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর মাঝ বরাবর এবং উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরু থেকে দুরত্বে কল্পনা করা হয়।
- যা পৃথিবীকে দক্ষিণ গোলার্ধ এবং উত্তর গোলার্ধে ভাগ করে।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
'হনসু দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. শ্রীলংকা
  2. জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বীপরাষ্ট্র জাপান:
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো: শিকোকু, কিউসু, হনসু ও হোক্কাইডো।
- আয়তনে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ হনসু দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
১৪.
‘পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. আটলান্টিক মহাসাগরে
  4. উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
⇒ পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
১৫.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভুটান ও ভারত
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
 কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন- তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা।
১৬.
নিচের কোনটি সরল নদী?
  1. পদ্মা
  2. তিস্তা
  3. গোমতী
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীখাতের ধরান অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানতঃ তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনী নদীখাত।

ক) সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়।
- কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

খ) সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়।
- এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

গ) বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
- যে সকল নদী একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হয় তাদেরকে বিনুনী বা চরোৎপাদী নদী বলা হয়।
- বিনুনী সদৃশ বলে একে বিনুনী এবং প্রবাহ পথে চর উৎপাদিত হয় বলে চরোৎপাদিত নদী বলা হয়।
- নদীতে শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত সঞ্চয়জাত পললের কারণে চর পড়ে মূল স্রোত ধারাকে দ্বিধা বা বহুধা খাতে বিভক্ত করে প্রবাহিত হয়।
- এসব নদীর প্রশস্ততা বেশি, গভীরতা কম, প্রবাহ পথে চর গঠন এবং পরিশেষে একাধিক খাতে প্রবাহিত হয়ে থাকে। যেমন- যমুনা নদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে উৎপত্তি কোন নদীর?
  1. কর্ণফুলী
  2. মাতামুহুরী
  3. হালদা
  4. সাংগু
সঠিক উত্তর:
মাতামুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতামুহুরী
ব্যাখ্যা
পাহাড়ী নদী ব্যবস্থা:
মাতামুহুরী:
- পার্বত্য বান্দরবন জেলার মইনভার পর্বতে এই নদীর উৎপত্তি।
- উৎপত্তি স্থল থেকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিম দিকে এসে মহেশখালী ঘাটের সাথে মিশেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিমি।

কর্ণফুলী:
- পাহাড়ী নদী হিসেবে কর্ণফুলী নদী বিখ্যাত।
- লুসাই পাহাড়ের লংলেহ নামক স্থানে এ নদীর উৎপত্তি।এ নদী খুবই খরস্রোতা। 
- নদীর গতিবেগ উপত্যকার ঢালের সমানুপাতিক।
- এই নদী ভারত বাংলাদেশের প্রায় ৫ কিমি সীমা নির্দেশ করে।
- এ নদী সীমান্ত থেকে প্রবেশ করে রাঙামাটির সমভূমিতে প্রবাহিত হয় এবং পরে কাপ্তাই হ্রদে মিশে।
- কাপ্তাই হ্রদের দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে বেরিয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

 সাংগু:
- বান্দরবনের দক্ষিণে মউডাক পর্বতমালায় এ নদীর উৎপত্তি এ নদী এঁকেবেঁকে উত্তর পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪৪ কিমি। কর্ণফুলী নদীর মোহনা থেকে কয়েক কিমি দক্ষিণে সাংগু নদী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এ নদীর উচু পাহাড়ী অংশে ছোট ছোট জলপ্রপাত ও নদীপ্রপাত দেখা যায়।

 হালদা :
- হালদা নদী পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার বাদনা তলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপন্ন হয়েছে এবং ফকিটছড়ি থানার উত্তর পূর্ব কোন দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
 - এ নদী চট্টগ্রামের কালুর ঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
আর্দ্র ও উষ্ণ বায়ু কোন শীতল পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে যে কুয়াশা তৈরী হয় তাকে বলে-
  1. অ্যাডভেকশান কুয়াশা
  2. বিকিরণ কুয়াশা
  3. বাষ্পীয় কুয়াশা
  4. উর্ধ্ব ঢাল কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভেকশান কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভেকশান কুয়াশা
ব্যাখ্যা
কুয়াশা (Fog):
- কুয়াশা হচ্ছে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বা তার কাছাকাছি জমা হওয়া মেঘ।
- মেঘ ও কুয়াশার মধ্যে স্থান ও গঠন প্রক্রিয়া ছাড়া ভৌতিক কোনো পার্থক্য নাই।
- বায়ুর উর্ধ্ব গমন ও রূদ্ধতাপীয় শীতলতার ফলে মেঘ গঠিত হয়।
- কিন্তু বিকিরনের মাধ্যমে তাপ বর্জন অথবা একটি শীতল তলের উপর দিয়ে বায়ু প্রবাহের ফলে কুয়াশা তৈরী হয়।
- আরেক ধরনের কুয়াশা তৈরী হয় যদি বায়ুতে পর্যাপ্ত জলীয় বাষ্প যোগ হয় এবং বায়ু জলীয়বাস্প সম্পৃক্ত হয়।

i) শীতলতার ফলে সৃষ্ট কুয়াশা (Frogs caused by cooling):
ক) অ্যাডভেকশান কুয়াশা (Advection Fog): আর্দ্র ও উষ্ণবায়ু কোনো শীতল পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে কম্বলের মত স্তরের কুয়াশা তৈরী হতে থাকে যাকে অ্যাডভেকশান কুয়াশা বলে।

খ) বিকিরণ কুয়াশা (Radiation Fog): শান্ত, শীতল ও পরিচ্ছন্ন আবহাওয়া সমৃদ্ধ রাতে বিকিরণের ফলে ভূপৃষ্ঠ শীতল হলে শিশিরাংকের চেয়ে কম তাপমাত্রায়, ভূপৃষ্ঠের উপর পাতলা আবরণে কুয়াশা জমে। শীতলতার মাত্রার উপর নির্ভর করে কুয়াশার ঘনত্ব ও বৃদ্ধি পায়।
-অধিক ঘনত্বের কুয়াশা নিচে নেমে আসে এভাবে কুয়াশার পকেট তৈরী করে। বড় বড় কুয়াশা পকেট সাধারনত নদী উপত্যকায় দেখা যায়, ঐ সবক্ষেত্রে অনেক পুরুত্বের কুয়াশা স্তর ও সৃষ্টি হয়।

গ) উর্ধ্বঢাল কুয়াশা (Upslope Fog): অপেক্ষাকৃত আর্দ্র বায়ু পাহাড়ের ঢাল বেয়ে উপরে ওঠে যেতে থাকলে রূদ্ধতাপীয় শীতলতার ফলে যদি তাপমাত্রা শিশিরাংকে শীতল হয় তবে কুয়াশা জমা হতে থাকে। ভারী হওয়ায় এটি তখন ঢোল বেয়ে নীচে নেমে আসে।

ii) বাস্পীভবনের ফলে সৃষ্ট কুয়াশা (Evaporation Fog)
ক) বাষ্পীয় কুয়াশা (Steam fog): যখন শীতল বায়ু কোন উষ্ণ পানির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন ঐ বায়ুকে জলীয় বাষ্পে সম্পৃক্ত করতে কিছু পানি বাষ্পীভূত হয়। -এ বাষ্পীভূত বায়ু শীতল বায়ুর সংস্পর্শে ঘনীভূত হয় ও বায়ুতে ভাসতে থাকে; এর তাপমাত্রা নিচের পানির চেয়ে বেশী থাকে।
-এ বাষ্পীয় রূপ (Steaming appearance) কুয়াশার বাষ্পীয় কুয়াশা (Steam fog) বলে।

খ) সম্মুখবর্তী বা বারিপাত কুয়াশা (Frontal or Precipitation fog): যখন উষ্ণ ও শীতল বায়ু সংমিশ্রন বা সম্মুখ মিলন হয়, তখন উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠে যায় এবং মেঘের সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
-নিচের শীতল বায়ু যদি শিশিরাংকের কাছাকাছি তাপমাত্রায় থাকে তবে বেশ কিছু বৃষ্টি কণা বাষ্পীভূত হয়ে কুয়াশা তৈরী করে।
-এ ধরনের কুয়াশাকে সম্মুখবর্তি কুয়াশা বা বারিপাত কুয়াশা বলে।
-ফলে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে ঘনীভূত পানিকণা ভূমিতে পতনের সময় আবার মেঘে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
“আইন হচ্ছে, সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।” উক্তিটি কে করেন?
  1. জন অস্টিন
  2. এরিস্টটল
  3. অধ্যাপক হল্যান্ড
  4. অধ্যাপক গেটেল
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক হল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক হল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আইন:
•    ‘আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ‘ - উক্তিটি করে → জন অস্টিন।
•    “যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন” উক্তিটি করে → এরিস্টটল।
•    “Law is the passionless reason” উক্তিটি করে → এরিস্টটল।
•    “আইন হচ্ছে, সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।” উক্তিটি করে? → অধ্যাপক হল্যান্ড। 
•    “রাষ্ট্র যেসব নিয়ম-কানুন সৃষ্টি বা স্বীকার করে এবং বলবৎ করে তাই শুধু আইন বলে পরিগণিত হয়।” উক্তিটি করে? → অধ্যাপক গেটেল। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোনটি মানবীয় গুণ?
  1. শৃঙ্খলাবোধ
  2. আত্মসংযম
  3. সহমর্মিতা
  4. সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
সহমর্মিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহমর্মিতা
ব্যাখ্যা
• সহমর্মিতা:
- সহমর্মিতা একটি মানবীয় গুণ।
- সহমর্মিতার অনুভূতি একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাসকারী মানুষকে পারস্পরিক সুখে-দুঃখে আপন করে এবং মানুষে মানুষে বৈষম্য দূর করে।
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে'—সহমর্মিতার এই অনুভূতিই গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
২১.
রাষ্ট্রে সামরিক শাসনের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কোনটি?
  1. আমলাতন্ত্র
  2. জনমত
  3. সুশীল সমাজ
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
জনমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনমত
ব্যাখ্যা
• জনমত:
→ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার জন্য জনমত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
→ আধুনিককালে জনমতের উপর ভিত্তি করেই সরকার গঠিত হয় এবং টিকে থাকে।
→ জনমত হচ্ছে সরকার বা একটি রাজনৈতিক দলের গ্রহণযোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।
→ জনমত উপেক্ষা করে আজকের দিনে কোন সরকারের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
রাষ্ট্রে সামরিক শাসনের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জনমত।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
মৌলিক অধিকার কিসের মাধ্যমে রক্ষিত হয়?
  1. স্পীকারের মাধ্যমে
  2. সংবিধানের মাধ্যমে
  3. রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে
  4. বিচার বিভাগের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকারের সম্পর্ক:
→ মৌলিক অধিকার হলো নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যাপ্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং যা সরকারের নিকট অলঙ্ঘনীয়।
→ একমাত্র রাষ্ট্র ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময় ব্যতীত কোনো সরকারই মৌলিক অধিকার খর্ব করতে পারে না।
মৌলিক অধিকার সংবিধানে গৃহীত হওয়ায় তা সাংবিধানিক মর্যাদা লাভ করে। এর ফলে সরকার এসব অধিকার ভোগে বাধা দিতে পারে না।
→ অপরদিকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-নির্ধন, এমনকি রাজনৈতিক মতামত ও পদমর্যাদা নির্বিশেষে জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত বা স্বীকৃত অধিকারগুলোই হচ্ছে মানবাধিকার।
→  জাতিসংঘ সনদের ৩ নম্বর ধারা থেকে ৩০ নম্বর ধারা পর্যন্ত প্রায় ২৮টি গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৩.
সকল অধিকারের উৎস হচ্ছে -
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. সরকার
  4. রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অধিকার:
- সকল অধিকারের উৎস হচ্ছে - রাষ্ট্র।
- অধিকার প্রধানত ২ প্রকার।
- অধিকারের প্রধান রক্ষাকবচ হচ্ছে - আইন।
- মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ - সংবিধান।
- অধিকার অবাধ হলে স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৪.
প্রতিবেশী দুস্থরা সাহায্য পাওয়া কোন ধরণের অধিকার?
  1. সামাজিক
  2. অর্থনৈতিক
  3. নৈতিক
  4. রাজনৈতিক
সঠিক উত্তর:
নৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিক
ব্যাখ্যা
• নৈতিক অধিকার (Moral Rights):
- নৈতিক অধিকার বলতে আমরা সে সব অধিকারকে বুঝি যা নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে উদ্ভূত।
- সমাজের নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে নৈতিক অধিকারের উদ্ভব।

যেমন:-
→ দারিদ্রের সাহায্য পাবার অধিকার।
প্রতিবেশী দুস্থরা সাহায্য পাওয়া।
→ পিতা-মাতা কর্তৃক সন্তান লালন-পালন ও তাদের ভরণপোষণের অধিকার ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীত ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
২৫.
“সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়”- এটি কার অভিমত?
  1. জাতিসংঘ
  2. এডিএ
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. ইউএনডিপি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
সুশাসন সম্পর্কিত সংজ্ঞা ও উক্তি:
→ “সুশাসন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়”- এই অভিমত প্রকাশ করে - বিশ্বব্যাংক।
→ “একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন”-উক্তিটি করে - UNDP.

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৬.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয় কোনটি?
  1. অন্যের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনা ও গুরুত্ব দেয়া
  2. দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা
  3. অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন
  4. সততার সাথে কর প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয়:
→ সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ,
→ মত প্রকাশের স্বাধীনতা,
→ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান,
দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা,
→ জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন,
→ দক্ষ ও কার্যকর সরকার,
→ জনসম্মতি,
→ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ,
→ স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা,
→ একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি,
→ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন,
→ দক্ষ জনশক্তি,
→ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।