পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৭
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৭ প্রশ্ন

.
What is the collective noun for a group of snakes?
(Choose the best option)
  1. Flock
  2. Mob
  3. Ball
  4. Swarm
ব্যাখ্যা

• The collective noun for a group of snakes is – Ball.

"Ball" শব্দটি যখন snakes-এর একটি দল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি একটি collective noun বা সমষ্টিবাচক শব্দ। ইংরেজি ভাষায় প্রাণীর দলের জন্য নির্দিষ্ট ও – প্রায়শই কাব্যিক নাম রয়েছে, যা তাদের আচরণ, চলাফেরা বা সামাজিক গঠনের সাথে সম্পর্কিত।  

- Snakes সাধারণত শীতকালীন সময়ে উষ্ণ জায়গায় একত্রিত হয় এবং অনেক সময় নিজেদের শরীরকে জড়িয়ে একসঙ্গে থাকে, যাকে "ball" বলা হয়।  
- এইভাবে একসঙ্গে জড়ো হওয়া তাদেরকে উষ্ণ রাখে এবং নিরাপত্তা প্রদান করে।  
- "Ball" শব্দটি এখানে মূলত গুটিয়ে থাকা বা গোলাকার আকৃতির ধারণা প্রকাশ করে, যা সাপের দলের আচরণের সাথে মিলে যায়।  
- Snakes-এর ক্ষেত্রে, "ball" বিশেষভাবে প্রচলিত এবং সাহিত্যে ও প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।  
- প্রাণীবিজ্ঞানে এটি একটি স্বীকৃত collective noun।  

অপশন আলোচনা:  

ক) Flock:  
(পাখির) ঝাঁক; (পশুর) পাল; (মানুষের) দল; 

খ) Mob:  
সাধারণত kangaroos-এর দলের জন্য ব্যবহৃত collective noun।  

ঘ) Swarm:  
মৌমাছি বা পোকামাকড়ের বড় দলের জন্য ব্যবহৃত collective noun।  

Collective Noun:
- Collective Noun হলো এমন একটি শব্দ যা একাধিক ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুকে একত্রে একটি একক গোষ্ঠী হিসেবে বোঝায়।  
- কিছু সাধারণ উদাহরণ: pack, herd, flock, mob, colony, shoal, swarm, troop, ball ইত্যাদি।  

.
The search for a cure for ______ cancer has been one of the greatest scientific challenges of our time.
  1. the
  2. an
  3. a
  4. No article
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: The search for a cure for cancer has been one of the greatest scientific challenges of our time.
 - Bangla Meaning: ক্যান্সারের প্রতিকার আবিষ্কারের প্রচেষ্টা আধুনিক যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
 
Article -এর নিয়মানুযায়ী,
- সাধারণত রোগের নামে পূর্বে Article (বিশেষ করে the) বসে না।
- যেমন:
- AIDS virus infection is incurable.
- Diabetes affects millions of people worldwide.
- She dreams of becoming a doctor who contributes to finding a cure for cancer.

ব্যতিক্রম,
- The gout, the mumps, the measles, the flu, etc.

.
On the hillside grazed a stag, a boar, a sow, and a mare in quiet companionship.
Identify the pair of masculine gender.
  1. stag, boar
  2. boar, sow
  3. sow, mare
  4. mare, boar
ব্যাখ্যা

• On the hillside grazed a stag, a boar, a sow, and a mare in quiet companionship.
- The pair of masculine gender is - stag, boar.

• Stag [masculine gender] - পুরুষ হরিণ।
- এর feminine gender হলো- Hind.

- Mare (ঘোটকী)- Feminine gender.
- এর masculine gender হচ্ছে Horse (ঘোটক)।

- Sow [feminine form] - (পূর্ণবয়স্ক শূকরী).
- Boar (বন্য মর্দা শূকর) হচ্ছে Sow -এর masculine gender.

.
The sky was described as opalescent.
Which word would be antonym of the word "opalescent" in a literary sense?
  1. Shimmering
  2. Somber
  3. Radiant
  4. Glimmering
ব্যাখ্যা

• The opposite of 'Opalescent' is - Somber.  

• Opalescent (adjective)
English Meaning: showing a play of lustrous rainbow-like colors, shimmering with soft and changing hues.  
Bangla Meaning: দ্যুতিময়; নানা রঙের ঝলকানো সৌন্দর্যে ভরা।  

অপশন আলোচনা:  
Somber - অন্ধকারাচ্ছন্ন; মলিন; বিষণ্ণ।  

Shimmering - হালকা ঝিলমিল করা; উজ্জ্বল আলোয় দীপ্ত।  

Radiant - জাজ্বল্যমান; দীপ্তিময়।  

Glimmering - ক্ষীণ আলোতে ঝিলমিল করা।  

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

.
The Salamanca family business caters ______ both legitimate trade and the drug empire behind it.
  1. in
  2. with
  3. of
  4. for
ব্যাখ্যা

Complete sentence: The Salamanca family business caters for both legitimate trade and the drug empire behind it.
- Bangla Meaning: সালামাঙ্কা পরিবারের ব্যবসা বৈধ বাণিজ্য এবং এর পেছনের মাদক সাম্রাজ্যের জন্যই পরিচালিত।

• Cater for  
English Meaning: to provide or serve.  
Bangla Meaning: সেবা দেওয়া, পরিচালনা করা।  

- "সেবা দেওয়া বা পরিচালনা করা" বোঝাতে cater এর পরে সাধারণত 'for' preposition ব্যবহৃত হয়।  

Example Sentence:
1. This restaurant caters for vegetarian customers.  
2. The event caters for people of all ages.  

Source:
1. Cambridge Dictionary.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

.
Fill in the blank with an appropriate linker. 
Hank investigates the cartel thoroughly _______ he can bring Heisenberg to justice.
  1. so that
  2. lest
  3. for
  4. because
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: Hank investigates the cartel thoroughly so that he can bring Heisenberg to justice.
 - Bangla Meaning: হ্যাঙ্ক কার্টেলের ব্যাপারে গভীরভাবে অনুসন্ধান করেন, যাতে হাইজেনবার্গকে বিচারকক্ষের সামনে আনা যায়।

- এখানে 'so that' - Subordinating conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি উদ্দেশ্য বা purpose অর্থে ব্যবহার করা হয়।
- এর অর্থ হলো যাতে, যেন।
- so that এর পর এমন একটি Clause বসে যা কোন একটি উদ্দেশ্য (we may live) প্রকাশ করে। যা করা কর্তার (we) উদ্দেশ্য।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- for - জন্য; পক্ষে; অভিমুখে; যেহেতু;
- because - জন্য; যেহেতু; কারণ;
- lest - এই আশঙ্কায়।
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, context অনুসারে শূন্যস্থানে so that বসালে বাক্যে অর্থ পূর্ণতা পাবে।

Source: English-Bangla Dictionary, A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

.
In which sentence is the use of “mundane” incorrect or awkward?
  1. His job involved many mundane tasks.
  2. She found beauty in the mundane details of life.
  3. The story was filled with mundane fantasy creatures.
  4. He enjoys mundane chores like dishwashing.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is – গ) The story was filled with mundane fantasy creatures.

• Mundane (Adjective)  
English Meaning: Ordinary, dull, or lacking excitement.  
Bangla Meaning: সাধারণ, নীরস, উন্মুখতা বা উত্তেজনা ছাড়া।  

• Example Sentences:  
- His job involved many mundane tasks.  
- She found beauty in the mundane details of life.  
- He enjoys mundane chores like dishwashing.  

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো:  
ক) His job involved many mundane tasks.  
- সঠিক। এখানে “mundane” শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কাজগুলো সাধারণ এবং নীরস — তাই “mundane” প্রাসঙ্গিক।  

খ) She found beauty in the mundane details of life.  
- সঠিক। দৈনন্দিন, সাধারণ বিষয়গুলোতে সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়াকে বোঝাতে “mundane” ঠিক ব্যবহার হয়েছে।  

ঘ) He enjoys mundane chores like dishwashing.  
- সঠিক। এখানে “mundane” শব্দটি দৈনন্দিন, সাধারণ কাজ বোঝাতে ব্যবহার হয়েছে, যা যথাযথ।  

• ভুল ব্যবহার:  
গ) The story was filled with mundane fantasy creatures.  
- ভুল বা awkward ব্যবহার।  
- “Mundane” শব্দের মানে হলো সাধারণ বা নীরস, কিন্তু “fantasy creatures” স্বাভাবিকভাবেই রোমাঞ্চকর এবং কল্পনাপ্রসূত।  
- সাধারণ বা নীরস শব্দ দিয়ে কল্পনার প্রাণীকে বর্ণনা করা স্বাভাবিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক।  
- এর পরিবর্তে “ordinary” বা “commonplace” না হয়ে, “mundane” এখানে গল্পের কল্পনাপ্রসূত জীবনের সাথে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করছে।  

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Learner’s Dictionary.

.
He has finished in no time. Here, 'no' is-
  1. Adverb
  2. Noun
  3. Adjective
  4. Pronoun
ব্যাখ্যা

• He has finished in no time.
- Here, 'no' is an adjective.

- It modifies "time" → making it an adjective of quantity.

• No (adjective)
- English Meaning: not any; hardly any: very little.
- Bangla Meaning: (১) না; নয়; (২) কোনো শব্দের আগে বসে ঐ শব্দের উলটোটা নির্দেশ করে; না; নয় ইত্যাদি.

• No (noun) [plural noes/ nos]
- English Meaning: a negative answer; a negative vote or decision.
- Bangla Meaning: না; অসম্মতি। (Emphasizes the negative reply).

• No (adverb) - not so; used to give negative answers
- Example: "Would you like some coffee?" "No, thank you."

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Merriam-Webster Dictionary.

.
My father said, "What goes up must come down." (make it indirect)
  1. My father said that what goes up must come down.
  2. My father advised that what went up must come down.
  3. My father remarked that What went up must come down.
  4. My father said that what went up had to come down.
ব্যাখ্যা

Direct narration: My father said, "What goes up must come down." 
Indirect narration: My father said that what goes up must come down.

- Universal truth বা habitual fact প্রকাশ করায় বাক্যটির indirect narration গঠনের সময় verb-এর রূপ পরিবর্তন হবে না।

More Example:
Direct narration: My father said, "All that glitters is not gold."
Indirect narration: My father said that all that glitters is not gold.

১০.
We saw a sobbing baby in the park. The underlined part is -
  1. Verbal noun
  2. Gerundial infinitive
  3. Participle
  4. Gerund
ব্যাখ্যা

We saw a sobbing baby in the park.
- The underlined part is - Participle.

- sobbing এখানে একটি present participle (verb-এর -ing রূপ) যা baby (noun) কে বর্ণনা করছে।
- এটি adjective এর মতো কাজ করছে, কারণ এটি কোন ধরণের baby → sobbing baby বোঝাচ্ছে।
- তাই এটি একই সাথে Verb ও adjective এর কাজ করেছে।

- সুতরাং, এটি Participle

A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.

- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

Participle মূলত: তিন প্রকার:
- Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog.
- Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
- Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

- Verb এর সাথে ing যােগ হয়ে যদি adjective এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও adjective এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।

- সংক্ষেপে: present participle = Verb + ing = adjective =

১১.
The committee reached a ________ decision to sanction the ________ member, hoping to ________ a more cooperative environment in future meetings.
  1. unamimous, contemacius, facillitate
  2. unanimous, contumacious, facilitate
  3. unonimous, contumacius. fecilitate
  4. unanimous, contemacious, facilitate
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: The committee reached a unanimous decision to sanction the contumacious member, hoping to facilitate a more cooperative environment in future meetings.
- Bangla Meaning: কমিটি ঐ অবাধ্য সদস্যকে শাস্তি প্রদানের জন্য একমত হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের বৈঠকগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানো যায়।

• Unanimous (adjective)
English Meaning: fully in agreement; when all members of a group share the same opinion or decision.
Bangla Meaning: সম্পূর্ণ সম্মতিপূর্ণ; সকলের মতামত বা সিদ্ধান্ত একরকম।

- Example Sentence:
- The committee reached a unanimous decision to approve the proposal.
- The voters were unanimous in their support for the new policy.

• Contumacious (adjective)
English Meaning: stubbornly or willfully disobedient to authority.
Bangla Meaning: প্রত্যাহার বা কর্তৃত্বের প্রতি জিদ্দি অবজ্ঞাসূচক।

Example Sentence:
- The student was contumacious when he refused to follow the school rules.
- Contumacious behavior in court can lead to contempt charges.

• Facilitate (verb transitive)
English Meaning: To make something possible or easier.
Bangla Meaning: (কোনোবস্তুবাপ্রক্রিয়া) সহজকরা; কোনো অসুবিধা বা কষ্ট লাঘব করা; সহজতর করা।

Example Sentence:
1. The current structure does not facilitate efficient workflow.
2. You could facilitate the process by sharing your knowledge.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১২.
Which sentence correctly uses the word "Fragile"?
  1. Please handle the fragile vase with care.
  2. I climbed a fragile tree.
  3. He drove a fragile to school.
  4. Fragile is a type of music.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) Please handle the fragile vase with care.

• Fragile (Adjective)
English Meaning: Easily broken or damaged; delicate.
Bangla Meaning: ভঙ্গুর; সহজে ভেঙে যাওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

• Example Sentences:
- The fragile vase broke when it fell from the table.
- Please be careful with the fragile package while carrying it.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,

খ) I climbed a fragile tree.
- ভুল। "Fragile" সাধারণত জিনিসপত্র বা সহজে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু বোঝাতে ব্যবহার হয়, গাছের ক্ষেত্রে এটি প্রায়ই ব্যবহার হয় না।
- গাছের নরম বা দুর্বল হওয়া বোঝাতে "weak" বা "brittle" শব্দ ব্যবহার করা বেশি যুক্তিযুক্ত।

গ) He drove a fragile to school.
- ভুল। "Fragile" একটি বস্তুর বৈশিষ্ট্য বোঝায়, গাড়ি বা যাত্রার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার অসঙ্গত।

ঘ) Fragile is a type of music.
- ভুল। "Fragile" কোনো সঙ্গীতের ধরন নয়, এটি কেবল কোনো বস্তুর ভঙ্গুর বা নাজুক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

১৩.
Choose the best option.
He was doing well in the interview until he ________ and started rambling.
  1. went the extra mile
  2. hit the nail on the head
  3. cracked under pressure
  4. lost his touch
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: He was doing well in the interview until he cracked under pressure and started rambling.  Bangla Meaning: ইন্টারভিউতে তার পারফরম্যান্স ভালোই ছিল, কিন্তু চাপে ভেঙে পড়ে সে বকবক করতে শুরু করল।
 

• অপশন আলোচনা:  

ক) went the extra mile  
- Meaning: "went the extra mile" means to make an extra effort beyond what is expected।  
- Bangla Meaning: প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চেষ্টা করা।  
- Relevance: বাক্যের সঙ্গে মানানসই নয় কারণ এখানে তার অতিরিক্ত চেষ্টা করা নয়, বরং সে চাপের মুখে পড়েছে।  

খ) hit the nail on the head  
- Meaning: "hit the nail on the head" means to do or say something exactly right।  
- Bangla Meaning: একদম সঠিক বলা বা করা।  
- Relevance: এটি বাক্যের সঙ্গে মানানসই নয় কারণ সে সঠিক কিছু বলছিল না, বরং ভেঙে পড়েছিল।  

গ) cracked under pressure  
- Meaning: "cracked under pressure" means to fail to cope with stress or tension।  
- Bangla Meaning: চাপের মুখে ভেঙে পড়া বা সহ্য করতে না পারা।  
- Relevance: বাক্যের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই কারণ সে ইন্টারভিউতে ভালো করছিল, কিন্তু চাপের মুখে পড়ে অতিরিক্ত কথা বলা শুরু করে।  

ঘ) lost his touch  
- Meaning: "lost his touch" means to lose the ability to do something well।  
- Bangla Meaning: পূর্বের দক্ষতা হারানো।  
- Relevance: এটি এখানে মানানসই নয় কারণ সে এখনও সক্ষম ছিল, শুধু চাপের কারণে ভেঙে পড়েছে।  

- সঠিক উত্তর: গ) cracked under pressure  
- কারণ বাক্যটি বলছে সে ইন্টারভিউতে ভালো করছিল, কিন্তু চাপের মুখে পড়ে অতিরিক্ত কথা বলা শুরু করে।  

Source: Cambridge Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.

১৪.
If a party invitation says “RSVP by July 10,” what are you expected to do?
  1. Confirm whether you will attend by July 10
  2. Arrive at the party by July 10
  3. Send a gift by July 10
  4. Bring a friend by July 10
ব্যাখ্যা

• যদি কোনো পার্টির আমন্ত্রণপত্রে লেখা থাকে “RSVP by July 10,” তাহলে এর অর্থ আপনি ১০ জুলাই-এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে জানান যে আপনি পার্টিতে যোগ দেবেন কিনা। RSVP হলো ফরাসি শব্দ “Répondez s'il vous plaît”, যার অর্থ “please respond”। এটি শুধুমাত্র উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য হয়, পার্টিতে পৌঁছানোর সময়, উপহার পাঠানো বা অন্য কাউকে আনার নির্দেশনা নয়। আমন্ত্রণপত্র প্রেরক যাতে অতিথির সংখ্যা এবং ব্যবস্থাপনা ঠিকঠাক করতে পারে, তার জন্য তারা এই উত্তর আশা করে। তাই আপনি নির্ধারিত তারিখের মধ্যে “হ্যাঁ” বা “না” নিশ্চিত করার মাধ্যমে পার্টির পরিকল্পনাকে সাহায্য করবেন। সঠিক উত্তর হলো A) Confirm whether you will attend by July 10.

বিস্তারিত আলোচনা:
RSVP:
- RSVP is an abbreviation of the French phrase "Répondez s'il vous plaît," which means "Please respond."
- It is used on invitations to request that the guest let the host know whether they will attend the event.
- অর্থাৎ, এটি একটি French Phrase -এর abbreviation যার অর্থ হলো please respond/please reply.
- Invitation Card -এ তথা একটি লিখিত আমন্ত্রণের শেষে ব্যবহার করা হয়।
- এটি ব্যবহারের উদ্দেশ্য হচ্ছে - যাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা আসছে কি আসছে না (confirm attendance) সে সম্পর্কে যেনো প্রাপক কে অভিহিত করে দেয়া হয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Collins Dictionary.

১৫.
Exercise regularly in order to stay healthy. (compound)
  1. Exercise regularly or stay healthy.
  2. Exercise regularly and you will stay healthy.
  3. Regular exercise and should stay healthy.
  4. Exercise regularly but stay healthy.
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) Exercise regularly and you will stay healthy. 

Simple: Exercise regularly in order to stay healthy.
Compound: Exercise regularly and you will stay healthy. 

• ​Simple থেকে Compound করার ক্ষেত্রে,
- Simple Sentence-এ যদি to + verb (যেমন: to succeed, to pass, to win ইত্যাদি) কোনো উদ্দেশ্য (purpose) প্রকাশ করে, অথবা যদি in order to ব্যবহৃত হয়, তাহলে এই বাক্যটিকে Compound Sentence-এ রূপান্তর করার সময় নিচের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়:
- to + verb থাকলে, "to" বাদ দিতে হবে এবং বাক্যটির পূর্বের অংশটিকে Imperative Sentence (আদেশমূলক বাক্য) হিসেবে রূপান্তর করতে হবে।
- এরপর "and (you will)" বসিয়ে বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি যুক্ত করতে হবে।
- in order to + verb থাকলে, “in order to”-র জায়গায় “and (you will)” বসাতে হবে।

Examples:
Simple: You must work hard in order to succeed.
Compound: Work hard and you will succeed.

Simple: Do it in order to get money.
Compound: Do it and (you will) get money.

১৬.
The team agreed to implement the scheme immediately. [passive]
  1. The team agreed that the scheme be implemented immediately.
  2. The team agreed that the scheme to be implemented immediately.
  3. The team agreed that the scheme should be implement immediately.
  4. The team agreed that the scheme should be implemented immediately.
ব্যাখ্যা

Active: The team agreed to implement the scheme immediately. [
Passive: The team agreed that the scheme should be implemented immediately.

- Agree/ be anxious/ arrange/ determine/ be determined/ decide/ demand + infinitive + object যুক্ত Active voice কে passive করার নিয়ম:

- প্রদত্ত Active voice এর subject ও verb বসবে।
- that বসবে।
- infinitive এর পরের Object (direct object) বসবে।
- should be বসবে।
- infinitive এর পরের verb এর past participle বসবে।

Active: Proma decided to sell the house.
Passive: Proma decided that the house should be sold.

Active: The team agreed to implement the plan immediately.
Passive: The team agreed that the plan should be implemented immediately.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

১৭.
Choose the best option.
The scientist's discovery was met with __________ by the academic community.
  1. admiration
  2. amusement
  3. confusion
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: The scientist's discovery was met with admiration by the academic community.
​- Bangla Meaning: বিজ্ঞানীর উদ্ভাবনটি শিক্ষাবিদ সমাজের দ্বারা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বীকৃত হয়।

অপশন আলোচনা:
ক) admiration (প্রশংসা)
- মানে: কাউকে বা কিছু অর্জন বা প্রতিভার জন্য সম্মান বা প্রশংসা জানানো।
- উদাহরণ: "Her work received widespread admiration from her peers."
- এখানে, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারটি সম্প্রদায়ের দ্বারা ইতিবাচকভাবে স্বীকৃত হয়েছে, তাই "admiration" সবচেয়ে উপযুক্ত।

খ) amusement (বিনোদন/হাস্য)
- মানে: কিছু দেখে বা শুনে আনন্দ বা হাসি পাওয়া।
- উদাহরণ: "The joke caused much amusement in the room."
- বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারকে মজার বা বিনোদনমূলকভাবে দেখা হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়।

গ) confusion (বিভ্রান্তি)
- মানে: অস্পষ্টতা বা বোঝার অক্ষমতা।
- উদাহরণ: "The complex instructions led to confusion among the students."
- যদিও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিভ্রান্তিকর হতে পারে, কিন্তু এখানে সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক, তাই "confusion" সঠিক নয়।

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৮.
The politician’s speech was designed to obfuscate the real issue. In this context, obfuscate means—
  1. To resolve with logic
  2. To highlight with evidence
  3. To provide transparency
  4. To conceal by confusion
ব্যাখ্যা

• The word "obfuscate" primarily refers to - To conceal by confusion.  

• Obfuscate (verb)  
English Meaning: to deliberately make something unclear or difficult to understand.  
Bangla Meaning: বিভ্রান্ত করা; অস্পষ্ট করা।  

Example Sentence:  
1. The politician’s speech was designed to obfuscate the real issue.  
2. Technical jargon can sometimes obfuscate the main points of a report.  

Source:  
1. Oxford English Dictionary.  
2. Cambridge Dictionary.

১৯.
What is the main theme of In Memoriam?
  1. Romantic love
  2.  Adventure and exploration 
  3. Grief, loss, and faith
  4. Political rebellion
ব্যাখ্যা

• In Memoriam হলো আলফ্রেড লর্ড টেনিসনের লেখা একটি দীর্ঘ কবিতার সংকলন, যা মূলত গভীর দুঃখ, শোক এবং বিশ্বাসের খোঁজের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি তার প্রিয় বন্ধু আর্থার হেনরি হলের অকালমৃত্যুর পরে লেখা, তাই কবিতাগুলোতে মৃত্যুর কষ্ট, জীবন ও মৃত্যুর অর্থ, এবং ঈশ্বরে বিশ্বাসের পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা প্রকাশ পেয়েছে। টেনিসন এখানে মানুষের আবেগ, অন্তর্দৃষ্টি এবং ঈশ্বরের প্রতি আস্থা নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করেছেন। কবিতার মাধ্যমে তিনি শোককে সৃজনশীল শক্তিতে পরিণত করার পথ দেখিয়েছেন, যা পাঠককে মানসিক শক্তি এবং আশার আলো দেয়। সুতরাং In Memoriam এর প্রধান থিম হলো শোক, ক্ষতি এবং বিশ্বাস।

সঠিক উত্তর: গ) Grief, loss, and faith.

বিস্তারিত আলোচনা:

• In Memoriam:
- The poem 'In Memoriam' is written by Alfred Lord Tennyson.
- এটি হচ্ছে একটি 'elegy', যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি ১৩১টি সেকশনে বিভক্ত এবং এতে একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- Prologue and epilogue, দুটি chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.

• Lord Alfred Tennyson (1809-1892)
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.

• The other poems of Tennyson are:
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthu,
- Oenon,
- Ulysses,
- In Memoriam,
- Tithonus,
- Aurora.

• উল্লেখ্য যে,
- John Milton wrote Lycidas (A Pastoral Elegy) on the death of Edward King, who was a friend of John Milton. 
- Adonais, a pastoral elegy by Percy Bysshe Shelley, written and published in 1821 to commemorate the death of his friend and fellow poet John Keats

Source: Britannica.

২০.
My Last Duchess is a famous dramatic monologue by:
  1. Percy Bysshe Shelley
  2. Alfred Tennyson
  3. George Eliot
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা

• My Last Duchess হল রবার্ট ব্রাউনিং-এর লেখা একটি প্রসিদ্ধ dramatic monologue। এতে একজন দুক (Duke) তার প্রাক্তন ডাচেসের ছবির সামনে বক্তৃতা করেন, যেখানে তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার রাগ এবং অহংকার প্রকাশ করেন। কবিতার মাধ্যমে ব্রাউনিং মানব স্বভাব, ক্ষমতার লোভ এবং সামাজিক মর্যাদার প্রতি আসক্তি সূক্ষ্মভাবে দেখিয়েছেন। দুকের ভাষা ও আচরণে পাঠক তার অহংকার ও আসক্তি বোঝে, এবং ডাচেসের চরিত্রের নরম সৌন্দর্য ও মানবিক মনোবৃত্তি প্রতিফলিত হয়। এটি Victorian যুগের মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিশ্লেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

বিস্তারিত আলোচনা:

• My Last Duchess:
- এটি একটি নাটকীয় মনোলগ (dramatic monologue), যা 56 লাইনে রচিত।
- কবিতার বক্তা ফেরারার ডিউক, যে তার প্রয়াত স্ত্রীর ছবির সম্পর্কে মন্তব্য করছে।
- ডিউক তার স্ত্রীর নিষ্পাপতা ও চরিত্র সম্পর্কে কথা বলে, তবে তার অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং তার শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখানোর জন্য স্ত্রীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে।
- কবিতার মধ্যে শেষের দিকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ডিউক নিজেই তার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী।

• Robert Browning (1812-1889):
- Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
- তিনি নাটকীয় একক বক্তৃতা এবং মানসিক চিত্রকল্পের জন্য পরিচিত।
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ ছিল The Ring and the Book , যা একটি রোমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার গল্প।

• Notable Works:
Poems:
- My Last Duchess,
- The Pied Piper of Hamelin,
- Fra Lippo Lippi,
- The Pied Piper of Hamelin,
- Rabbi Ben Ezra,
- Men and Women,
- Christmas-Eve and Easter-Day,
- Bishop Blougram’s Apology (long poem).
Drama:
- Pippa Passes.

Source: Britannica.

২১.
Which play contains the famous line “All the world’s a stage”?
  1. Romeo and Juliet
  2. King Lear
  3. Othello
  4. As you Like It
ব্যাখ্যা

• “All the world’s a stage” লাইনটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের নাটক “As You Like It”-এ পাওয়া যায়। এই লাইনটি জ্যাক অবতারণার বিখ্যাত “Seven Ages of Man” বক্তৃতার অংশ, যেখানে জীবনের বিভিন্ন ধাপকে নাটকের চরিত্রের মতো ব্যাখ্যা করা হয়েছে। শেক্সপিয়ার এখানে জীবনকে একটি মঞ্চ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন “ভূমিকা” পালন করে। প্রতিটি মানুষ জীবনের একটিমাত্র চরিত্র নয়, বরং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে। এই ভাবধারা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবন পরিবর্তনশীল এবং প্রতিটি ধাপের গুরুত্ব আলাদা। “As You Like It” নাটকটি কমেডি ধরণের হলেও, এই লাইন মানব জীবনের গভীর অর্থকে অনায়াসে প্রকাশ করে।

উত্তর: ঘ) As You Like It.

বিস্তারিত আলোচনা:

• As you Like It: 
- William Shakespeare রচিত একটি famous comedy play.
- 5 acts বিশিষ্ট এই comedy play টি ১৫৯৮-১৬০০ সালের মধ্যে লেখা।
- ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়। 
- Shakespeare based the play on Rosalynde (1590), a prose romance by Thomas Lodge.

• The Forest of Arden নামক একটি কাল্পনিক বনে অধিকাংশ কাহিনীর অবতারণা। 
- রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের এই নাটকে  Orlando এবং Rosalind এর প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। 
- ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে ছোটভাই Duke Frederick তার বড় ভাই  Duke Senior কে নির্বাসিত করে। এদিকে  Orlando কে তার ছোট ভাই Oliver নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। 
- অপর দিকে, Oliver এবং Celia পরস্পরের প্রেমে পড়ে।
- এভাবে নানা ঘটনা দূর্ঘটনার পর প্রেমিক যুগলের প্রেম পরিণতি পায় আর্ডেনের জঙ্গলে।

• Some other famous quotes of As You Like It -
- Sweet are the uses of adversity.
- The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool.
- I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine.
- Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love.
- Most friendship is feigning, most loving mere folly.
- We that are true lovers run into strange capers.
- 'All the world's a stage, And all the men and women merely players.

• William Shakespeare:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ২৩ এপ্রিল, ১৫৬৪।
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- He was called 'Bard of Avon' or 'Swan of Avon'.
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 
- তিনি ১৫৪ টি সনেট, ৩টি long narrative poem, ৩৭ টি play লিখেন।
- ১৫৯৯ সালে তিনি এবং অন্যরা মিলে লন্ডনে প্রতিষ্ঠা করেন "Globe Theatre"

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica, SparkNotes, and Live MCQ Lecture.

২২.
Thomas Kyd is considered a pioneer of which dramatic form?
  1. Pastoral play
  2. Revenge tragedy
  3. Historical drama
  4. Romantic comedy
ব্যাখ্যা

• Thomas Kyd মূলত Revenge tragedy বা প্রতিশোধ ট্র্যাজেডির একজন পথিকৃৎ। ১৬শ শতকের ইংল্যান্ডে তিনি নাট্যরচনার ধারাকে নতুন মাত্রা দেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ “The Spanish Tragedy”, যা প্রতিশোধ, হত্যাকাণ্ড, এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের গল্পে ভরপুর। এই নাটকে চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা এবং মানসিক দ্বন্দ্বের মাধ্যমে নাটকীয় উত্তেজনা তৈরি হয়। Kyd-এর কাজ পরবর্তী Elizabethan এবং Jacobean নাট্যকারদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে, যেমন Shakespeare এবং Webster। প্রতিশোধ ট্র্যাজেডি ধারা তখনকার দর্শকদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, কারণ এটি মানব প্রাকৃতির অন্ধকার দিকগুলো গভীরভাবে দেখায়। তাই Thomas Kyd কে Revenge tragedy নাটকের পথিকৃত্র হিসেবে গণ্য করা হয়।

উত্তর: খ) Revenge tragedy.

বিস্তারিত আলোচনা:

• The Spanish Tragedy: 
- এটি Thomas Kyd রচিত।
- The Spanish Tragedy is the first Revenge Tragedy.
- Revenge Tragedy is a kind of tragedy that presents a quest for vengeance and results in bloodshed and mutilation.
- সাধারণত Senecan tragedy কে অনুসরণ করে revenge tragedy লেখা হয়।
- Thomas Kyd এর 'The Spanish Tragedy" এর মাধ্যমে তাঁর যুগে অর্থাৎ Elizabethan Period এ revenge tragedy জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- The famous play 'The Spanish Tragedy' belongs to The Elizabethan period.

• Thomas Kyd (1557 – 1595):
- English dramatist. 
- তিনি Elizabethan Period এর একজন লেখক।
- He is one of the members of University Wit.

• His notable work:
- The Spanish Tragedy (1587),
- Cornelia (1594) – Lost play,
- Soliman and Perseda (1592) – Lost play,
- The First Part of Jeronimo (1592) – Lost play.

উল্লেখ্য যে,
- The Maid's Tragedy: Beamount.
- The Atheist's Tragedy & The Revenger's Tragedy: Play by Cyril Tourneur.

২৩.
Which feature is characteristic of metaphysical poetry?
  1. Easy, flowing language
  2. Strict rhyme schemes only
  3. Focus on nature and simplicity
  4. Use of elaborate conceits and intellectual play
ব্যাখ্যা

• মেটাফিজিক্যাল কবিতার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর জটিল বোধগম্যতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক খেলা। এই ধরনের কবিতা সাধারণত সরল ও সহজ ভাষার পরিবর্তে জটিল চিন্তাভাবনা ও চিন্তাশীল ভাষা ব্যবহার করে। এখানে প্রায়শই বিস্তৃত রূপক (elaborate conceits) এবং বুদ্ধির খেলা দেখা যায়, যা পাঠককে ভাবনায় গভীরে নিয়ে যায়। প্রেম, মৃত্যু, ধর্ম এবং দার্শনিক বিষয়াবলী নিয়ে এই কবিতাগুলো লেখা হয়। প্রাকৃতিক দৃশ্য বা সরল সৌন্দর্যের প্রতি খুব বেশি মনোযোগ দেওয়া হয় না। তাই সঠিক উত্তর হবে: ঘ) Use of elaborate conceits and intellectual play।

বিস্তারিত আলোচনা:
• Robert Herrick is not a metaphysical poet.
- Robert Herrick একজন Cavalier poet.
- অপশনে প্রদত্ত বাকি তিনজন Metaphysical poet.

• Metaphysical poet:
- A metaphysical poet refers to a group of 17th-century English poets known for their highly intellectual, often complex, and philosophically profound poetry.
- এই কবিরা তাদের কবিতায় গভীর দার্শনিক, চিন্তাশীল এবং বুদ্ধিদীপ্ত বিষয়বস্তু উপস্থাপন করতেন।
- তারা প্রেম, ধর্ম, অস্তিত্ব এবং বাস্তবতার প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করতেন, এবং এই সমস্ত বিষয় অত্যন্ত জটিল এবং বুদ্ধিদীপ্ত উপায়ে প্রকাশ পেত।

• Metaphysical Poets of English Literature:
- John Donne,
- George Herbert,
- Abraham Cowley,
- Henry Vaughan,
- Andrew Marvell,
- John Cleveland,
- Richard Crashaw.

• Cavalier poets
- A group of lyric poets associated with the Cavaliers are called Cavalier Poets.
- The Cavalier Poets were a group of 17th-century English poets who supported King Charles I during the English Civil War (1642–1651).
- They were known for their loyalist sentiments and their poetry, which often celebrated the pleasures of life, love, and carpe diem (seizing the day).
- তাদেরকে Sons of Ben ও বলা হতো। কারণ তারা ছিলেন সাহিত্যিক Ben Jonson এর অনুগামী।
- তাদের কবিতার মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছিল জীবনযাপনের আনন্দ এবং একে উপভোগ করার গুরুত্ব।
- তারা সাধারণত কাব্যিক শৈলীতে লিখতেন যা সুন্দর এবং মিষ্টি, এবং তাদের কবিতাগুলি অধিকাংশ সময় প্রেম, সৌন্দর্য এবং সময়ের সীমানা নিয়ে আলোচনা করত।

• Cavalier poets:
- Richard Lovelace,
- Sir John Suckling,
- Robert Herrick,
- Thomas Carew,
- Edmund Waller.

Source: Britannica.

২৪.
John Milton’s Paradise Lost is best classified as:
  1. Epic poetry
  2. Novella
  3. Drama
  4. Biography
ব্যাখ্যা

• John Milton-এর Paradise Lost মূলত একটি Epic poetry বা মহাকাব্য হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। এটি একটি দীর্ঘ কবিতা, যা ধর্মীয় ও দার্শনিক বিষয়বস্তু নিয়ে লেখা। Milton এই কাব্যে মানবজাতির পতন, আদম ও হাওয়ার প্রাকৃতিক অবস্থা, শয়তান এবং ঈশ্বরের সম্পর্ক, এবং পাপ ও মুক্তির বিষয়গুলো চিত্রিত করেছেন। কাহিনীটি মহাকাব্যিক আকারে এবং উচ্চভাষায় লেখা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চেয়ে বড় আখ্যান উপস্থাপন করে। এটি নাটক বা জীবনী নয়, বরং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে মানবিক ইতিহাস এবং আধ্যাত্মিক সত্যকে তুলে ধরে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Epic poetry।

বিস্তারিত আলোচনা:
• Paradise Lost (1667):
- Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
- The theme of Paradise Lost is to Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

• Notable quotations of Paradise Lost:
- "Of Man's First Disobedience, and the Fruit Of that Forbidden Tree, whose mortal taste Brought Death into the World, and all our woe.". (First line)
- Better to reign in Hell than serve in Heaven.
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.”
- Awake, arise or be forever fallen.

• এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Mamoon,
- Belial,
- Gabriel, etc.

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry)
- On Shakespeare (First published poem).
- Samson Agonistes
- L'Allegro,
- Il Penseroso,
- Of Education
- Areopagitica

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.

২৫.
Who is the creator of the famous poem describing the city of London and its social woes?
  1. William Blake
  2. William Wordsworth
  3. Samuel Johnson
  4. Thomas Hardy
ব্যাখ্যা

• ফেমাস কবিতা যা লন্ডন শহরের সামাজিক সমস্যা ও দুঃখ-দূর্দশার ছবি অঙ্কিত করেছে, তার রচয়িতা হলো William Blake। তিনি ১৮ শতকের একজন ইংরেজ কবি এবং চিত্রশিল্পী, যিনি তার সাহিত্যে সমাজের অবিচার, দারিদ্র্য ও নিপীড়নের প্রতি গভীর সচেতনতা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে তার “London” নামের কবিতায়, শহরের মানুষের দুঃখ, শোষণ, এবং দারিদ্র্যকে খুব বাস্তবভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। Blake-এর সাহিত্য কেবল কল্পনাশক্তির প্রকাশ নয়, বরং সামাজিক বিবেককে জাগ্রত করার এক শক্তিশালী হাতিয়ার। তাঁর কাজ আজও সাহিত্যপ্রেমী ও সমালোচকদের কাছে গভীর প্রভাব ফেলে।

উত্তর: ক) William Blake.

বিস্তারিত আলোচনা:

• London (William Blake):
- এটি William Blake রচিত একটি Poem.
- সম্ভবত এটি 1789 থেকে 1792 সালের মধ্যে রচিত হয়েছিল, যা তাঁর কবিতা সংকলন 'Songs of Experience' এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- কবিতাটির মাধ্যমে কবি ভবিষ্যতের লন্ডন শহর কে কল্পনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে তিনি লন্ডনের রাস্তায় হাঁটছেন, আর পাঠকদের সামনে এই শহরটিকে নিপীড়ক এবং দরিদ্র শহর হিসাবে উপস্থাপন করেছেন।
- কবিতাটি আংশিকভাবে শিল্প বিপ্লবের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি একটি সমাজ গঠনে মানবজাতির ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা উত্থাপন করে।

• Willam Blake:
- William Blake is an English poet.
- তাঁর জন্ম এবং মৃত্যু লন্ডনে।
- Among the romantic poets, William Blake was both a poet and painter.

• Best Works:
• Poetry:
- Songs of Innocence,
- Songs of Experience,
- The Schoolboy,
- The French Revolution,
- A Vision of the Last Judgment,
- Auguries of Innocence,
- Jerusalem: The Emanation of the Giant Albion,
- London,
- Milton,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- The Tyger,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the Daughters of Albion.

• উল্লেখ্য যে, William Wordsworth এবং William Blake দুজনেরই 'London' নামে কবিতা রয়েছে, কিন্তু William Wordsworth এর কবিতাটির নাম হচ্ছে London 1802 এবং William Blake এর কবিতাটির নাম 'London'.
- কবিতা দুটির বিষয়বস্তু প্রায় একই।

Source: An ABC of English Literature - Dr. M. Mofizar Rahman and Britannica.

২৬.
What is the relationship between Ammu and Velutha?
  1. Teacher-student
  2. Cousins
  3. Siblings
  4. Lovers
ব্যাখ্যা

• ‘Ammu’ এবং ‘Velutha’-র সম্পর্ক ‘লাভার্স’ বা প্রেমিক-প্রেমিকা রূপে দেখা যায়। গল্পে দেখা যায়, Ammu একজন বিবাহিত নারী এবং Velutha একজন নিম্নবর্গীয় মিস্ত্রি, তাই সমাজ ও পরিবার তাদের সম্পর্ককে মেনে নেয় না। তবুও তারা দু’জনই একে অপরের প্রতি গভীর অনুভূতি পোষণ করে এবং সমাজের বাঁধাধরা নিয়ম ও শ্রেণী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তাদের ভালোবাসা দৃঢ়ভাবে টিকে থাকে। তাদের সম্পর্ক কেবল রোমান্টিক নয়, এটি সামাজিক বৈষম্য ও বর্ণবিভেদকে চ্যালেঞ্জ করার একটি প্রতীকও বটে। এই forbidden love-এর মাধ্যমে লেখক সমাজের কঠোরতার এবং মানুষের আবেগের জটিলতা ফুটিয়ে তুলেছেন।

উত্তর: ঘ) Lovers.

বিস্তারিত আলোচনা:

• The God of Small Things:
- 'The God of Small Things' Indian লেখিকা Arundhati Roy এর একটি award-winning novel.
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে।
- 1960 সালে Kerella, India তে বসবাস কারী একটি পরিবারের কাহিনীর মাধ্যমে সামাজিক নানান চিত্র তথা caste- discrimination কে তুলে ধরেছেন লেখি
- The God of Small Things শুধুমাত্র একটি প্রেমের গল্প নয়, এটি ভারতীয় সমাজের শ্রেণীগত, লিঙ্গভিত্তিক ও রাজনৈতিক জটিলতার গভীর বিশ্লেষণ।
- এটি একটি শক্তিশালী ও আবেগপ্রবণ উপন্যাস, যা পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
- এই novel -এর জন্য Arundhati Roy, Booker Prize লাভ করেন।

• Arundhati Roy:
- তার পুরো নাম Suzanna Arundhati Roy.
- তিনি ১৯৬১ সালে মেঘালয়ের শিলং -এ জন্মগ্রহণ করেন।
- একজন ভারতীয় লেখিকা, সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.

• Notable Works (novel):
- The God of Small Things (1997),
- The Ministry of Utmost Happiness (2017).

• Nonfiction works:
- Power Politics (2001),
- The Algebra of Infinite Justice (2002),
- War Talk (2003),
- Public Power in the Age of Empire (2004),
- Field Notes on Democracy: Listening to Grasshoppers (2009),
- Broken Republic: Three Essays (2011),
- Capitalism: A Ghost Story (2014).

- My Seditious Heart (2019) is a collection of her nonfiction spanning 20 years.

Source: Britannica.

২৭.
Which of these is an example of an aphorism?
  1. "Once upon a time in a faraway land..." 
  2. "Time and tide wait for no man."
  3. "Chapter 5: The Journey Begins"
  4. "The story continues tomorrow"
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: খ) "Time and tide wait for no man."

একটি অ্যাফরিজম (aphorism) হলো সংক্ষিপ্ত, বুদ্ধিদীপ্ত বিবৃতি যা সাধারণ সত্য, নীতি বা জীবনদর্শন প্রকাশ করে। এটি সাধারণত সহজ এবং স্মরণযোগ্য ভাষায় লেখা হয়। প্রদত্ত উদাহরণগুলির মধ্যে, "Time and tide wait for no man" একটি ক্লাসিক অ্যাফরিজম, কারণ এটি সময়ের অপ্রতিরোধ্য গতি ও জীবনের সীমিত সময় সম্পর্কে একটি সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে। অন্যদিকে, "Once upon a time in a faraway land..." কেবল একটি গল্পের শুরু; "Chapter 5: The Journey Begins" একটি অধ্যায়ের শিরোনাম; এবং "The story continues tomorrow" গল্পের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে। তাই এগুলো অ্যাফরিজম নয়।

বিস্তারিত আলোচনা:
• Aphorism:
- A terse, memorable expression of a universal truth.
- The use of Aphorism reflects the range of an author's experience and adds universality to the text in which it is used.
- Aphorism is different from a proverb: A proverb is an anonymous expression of a general truth while an aphorism is a truth takes out of one's personal experience.
- Proverbs are traditional but aphorisms are individual.

Example:
- 'To err is human, to forgive divine' হচ্ছে একটি universal truth যার অর্থ “মানুষ মাত্রেই ভুল” এবং “ক্ষমা করা স্বর্গীয়।
- সুতরাং, এই উক্তিটি Aphorism এর একটি উদাহরণ।
- উক্তিটি Alexander Pope এর An essay on criticism হতে উদ্ধৃত।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২৮.
"শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।" - এখানে 'হয়ে থাকে' কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. মিশ্র ক্রিয়া
  2. যৌগিক ক্রিয়া
  3. প্রযোজক ক্রিয়া
  4. দ্বিকর্মক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

​• যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন :
- ঘটনাটা শুনে রাখ। (এখানে, 'শুনে রাখ' যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।)

• শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
এখানে, বাক্যে —
"হয়ে থাকে" একসাথে সমাপিকা ক্রিয়া ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলে যৌগিক ক্রিয়া তৈরি করেছে

আরো কিছু যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ:
- নিরন্তরতা অর্থে : তিনি বলতে লাগলেন।
- কার্যসমাপ্তি অর্থে : ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল।
- অভ্যস্ততা অর্থে : শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
- অনুমোদন অর্থে : এখন যেতে পার।
- এগুলো সব হলো যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৯.
"ক্লিপ > কিলিপ" - শব্দে ধ্বনির কোন ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে?
  1. আদি স্বরাগম
  2. অন্ত্য স্বরাগম
  3. স্বরসঙ্গতি
  4. মধ্য স্বরাগম
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
অ - রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
ই - প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
উ - মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভ্রূ > ভুরু ইত্যাদি।
এ - গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও - শ্লোক > শোলোক, মুরগ > মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
৩০.
'আশৈশব' শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. বিভক্তি দ্বারা
  2. উপসর্গ দ্বারা
  3. সন্ধি দ্বারা
  4. বলক দ্বারা
ব্যাখ্যা

• 'আশৈশব' শব্দটি গঠিত হয়েছে- উপসর্গ দ্বারা।

ব্যাখ্যা:
আশৈশব = আ + শৈশব।
এখানে "আ-" একটি উপসর্গ, যা "থেকে / আরম্ভকাল" অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অর্থাৎ আশৈশব = শৈশবকাল থেকেই।
------------ 
• 'আশৈশব' শব্দের বিশ্লেষণ:
- আ+শৈশব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), অষ্টম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ।

৩১.
‘আবির্ভাব’ শব্দের বিপরীতার্থক কোনটি?
  1. উদয়
  2. তিরোধান
  3. প্রকাশ
  4. আবিরাম
ব্যাখ্যা

• 'আবির্ভাব' এর বিপরীতার্থক শব্দ - তিরোধান।

উল্লেখ্য,
• 'আবির্ভাব' অর্থ- উদয়; প্রকাশ।
• 'তিরোধান' - অন্তর্ধান; অদৃশ্য।
 
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
• 'আকর্ষণ' - বিকর্ষণ।
• ‘তফাত’ - কাছে।
• ‘রত’ - বিরত।
• ‘সংহত’ - বিভক্ত।
• 'আদান' - প্রদান।
• 'কৃপণ' - বদান্য।
• ‘দূর’ - নিকট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩২.
সকল নির্বাচককে সমষ্টিগতভাবে বলা হয়-
  1. নির্বাচক
  2. ভোটারগণ
  3. নির্বাচকমণ্ডলী
  4. ভোটারমণ্ডলী
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো - গ) নির্বাচকমণ্ডলী।

অর্থ্যাৎ,
সকল নির্বাচককে একত্রে "নির্বাচকমণ্ডলী" বলা হয়।



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৩.
'ঝালমুড়ি' - কোন সমাস?
  1. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
  2. রূপক কর্মধারয়
  3. উপমান কর্মধারয়
  4. উপমিত কর্মধারয়
ব্যাখ্যা
• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন;
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ;
- ঝাল মিশ্রিত মুড়ি = ঝালমুড়ি;
- প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়;
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ।

এরূপ, সাহিত্যসভা, গোবর গণেশ, সংবাদপত্র ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৪.
'কাব্য' - শব্দটি কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত?
  1. য্য
  2. ষ্ণ
ব্যাখ্যা
• তদ্ধিত 'য' প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই, ঈ ইত্যাদি লোপ পায়।
যেমন -
- সম্‌ + য = সাম্য;
- কবি + য = কাব্য;
- মধুর + য = মাধুর্য;
- প্রাচী + য = প্রাচ্য;
- প্রচুর + য = প্রাচুর্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৫.
'মানস' শব্দের অর্থ কী?
  1. জনগণ
  2. নরম
  3. মন
  4. কল্যাণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'মানস' শব্দের অর্থ- মন।




• আরো কিছু শব্দার্থ: 
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।
- ‘অঙ্গনা’ শব্দের অর্থ - অঙ্গসৌষ্ঠববিশিষ্ট নারী, সুন্দর নারী।
- ‘ললনা’ শব্দের অর্থ - নারী, কান্তা, পত্নী।
- 'আফতাব' শব্দের অর্থ - সূর্য।
- 'বিবর' শব্দের অর্থ - গহ্বর। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩৬.
‘পুষ্প’ - শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক নয় কোনটি?
  1. -চয়
  2. -রাশি
  3. -রাজি
  4. -বর্গ
ব্যাখ্যা
• ‘পুষ্প’ শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক নয়- -বর্গ।
- ‘-বর্গ’ শব্দটি প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
‘পুষ্প’ শব্দের বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
• চয়: পুষ্পচয়, বুধচয়।
• রাশি: পুষ্পরাশি, পত্ররাশি।
• রাজি: পুষ্পরাজি, বৃক্ষরাজি, গ্রন্থরাজি।
• নিচয়: পুষ্পনিচয়, বুধনিচয়।
• গুচ্ছ: পুষ্পগুচ্ছ, কেশগুচ্ছ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৭.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. সায়াহ্ন
  2. মনোহারিণী
  3. নিরূপণ 
  4. লণ্ঠণ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো — ঘ) লণ্ঠণ।
• লণ্ঠণ → এটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ রূপ হবে লন্ঠন।



ব্যাখ্যা: 
• সায়াহ্ন (শুদ্ধ) = সন্ধ্যা।
• মনোহারিণী (শুদ্ধ) = মনোহরণকারী।
• নিরূপণ (শুদ্ধ) = নির্ণয়, সিদ্ধান্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩৮.
নিচের কোন শব্দটি বিশেষণ?
  1. যেহেতু
  2. বুদ্ধি
  3. ঢাকা
  4. সৎ
ব্যাখ্যা

• 'সৎ':
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সতিনের সূত্রে সম্পর্কিত।

অন্যদিকে, 
- ঢাকা, বুদ্ধি - বিশেষ্য পদ।
- যেহেতু - অব্যয় পদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৯.
'বন্দোবস্ত' - কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. তৎসম
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'বন্দোবস্ত' - ফারসি ভাষার শব্দ।



• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো: 

গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪০.
'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ কী?
  1. মূর্খ
  2. অনভিজ্ঞ
  3. অপদার্থ
  4. পরিপাটি
ব্যাখ্যা

• 'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ — পরিপাটি। 
বাক্য গঠন: চালচলন আর পোশাকে সে খুবই কেতাদুরস্ত লোক।

অন্যদিকে, 
• গোবর গণেশ - মূর্খ। 
• ‘কেবলা হাকিম’ বাগধারার অর্থ - অনভিজ্ঞ।
• আমরা কাঠের ঢেকি - অপদার্থ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
আশীর্বাদ' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. আশির + বাদ
  2. আশী + বাদ
  3. আশীঃ + বাদ
  4. আশী + আবাদ
ব্যাখ্যা
• ‘আশীর্বাদ’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- আশীঃ + বাদ। 

• সন্ধির নিয়ম:  
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পর পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়।
যেমন:
- দুঃ + যােগ = দুর্যোগ;
- নিঃ + আকার = নিরাকার;
- আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৪২.
'Addendum' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. প্রস্তাবনা
  2. সংযোজন
  3. পুনশ্চ
  4. মুলতবি
ব্যাখ্যা
• 'Addendum' এর বাংলা পরিভাষা- সংযোজন।

অন্য অপশনে,
- Prologue - কাব্যের প্রস্তাবনামূলক অংশ; নাটকের শুরুতে পঠিত কবিতা; প্রস্তাবনা।
- Adjournment- মুলতবি,
- Postscript - চিঠিতে স্বাক্ষরের পরে যুক্ত বাক্যাবলি; পুনশ্চ।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- Act- আইন,
- Addendum- পরিশিষ্ট, সংযোজন,
- Ad-hoc - তদর্থক,
- Adjustment- সমন্বয়ন,
- Affidavit- হলফনামা,
- Affiliation-সম্বন্ধীকরণ,
- Agenda- আলোচ্যসূচি।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা; ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৩.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন দশকের কবি ছিলেন?
  1. বিশের দশক
  2. তিরিশের দশক
  3. চল্লিশের দশক
  4. আশির দশক
ব্যাখ্যা

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।

উল্লেখ্য,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৪৪.
নিচের কোনটি আরাকান রাজসভায় রচিত বাংলা সাহিত্য?
  1. জয়নবের চৌতিশা
  2. চন্দ্রাবতী
  3. গোরক্ষ বিজয়
  4. ময়নামতির গান
ব্যাখ্যা

• আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্য — 'চন্দ্রাবতী'।

• 'চন্দ্রাবতী' কাব্য: 

- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের একমাত্র রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।

• আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্য:
- মধ্যযুগে আরাকান রাজ সভায় বাংলা সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।
- কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার প্রধান উজির ছিলেন।
- তার পৃষ্ঠাপােষকতায় আরাকান বা রােসাঙ্গ রাজসভায় বাংলা সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল।
- তিনি আলাওলকে দুটি কাব্য ‘পদ্মাবতী’ ও ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান' লিখতে পৃষ্ঠপােষকতা দান করেছিলেন।
- আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি — দৌলত কাজী।

• আরাকান রাজসভার অন্যান্য কবিগণ:
- আলাওল,
- কোরেশী মাগন ঠাকুর,
- মরদন,
- আবদুল করীম খোন্দকার, 
- শমসের আলী ইত্যাদি।

অন্য অপশনের সাহিত্য রচয়িতাগণ:
» গোরাক্ষ বিজয় --- শেখ ফয়জুল্লাহ। 
» জয়নবের চৌতিশা - শেখ ফয়জুল্লাহ।
» ময়নামতির গান --- ভবানী দাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৪৫.
বাংলা সাহিত্যের কোন নিদর্শনটি গোয়াল ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়?
  1. চর্যাপদ
  2. মঙ্গলকাব্য
  3. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
  4. রামায়ণ
ব্যাখ্যা
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুঁথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি।

- আবিষ্কর্তা ও সম্পাদক বসন্তরঞ্জন রায় প্রাচীন বৈষ্ণব লেখকদের ইঙ্গিত অনুসরণ করে গ্রন্থের নামকরণ করেন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
- এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৪৬.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক কে ছিলেন?
  1. তারিণীচরণ মিত্র
  2. গোলকনাথ শর্মা
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. চণ্ডীচরণ মুনশী
ব্যাখ্যা
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ: 
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেন।

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন: 
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি। 
------------------------------ 
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- উইলিয়াম কেরির অধীনস্থ প্রধান পণ্ডিত ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), রাজাবলি (১৮০৮), হিতোপদেশ (১৮০৮), বেদান্তচন্দ্রিকা(১৮১৭) ও প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)—এই পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার শুধু অধ্যাপক পণ্ডিতই ছিলেন না, তিনি সে যুগের বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
- তাঁর শাস্ত্রজ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের খ্যাতি সে আমলে প্রবাদ বাক্যের মত ছড়িয়ে পড়েছিল।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
- তিনি ছিলেন ভাষাবিদ ও ভাষাশিল্পী।

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- রাজাবলি,
- প্রবোধচন্দ্রিকা,
- বেদান্তচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
আলাওলের 'পদ্মাবতী' কাব্যে কয়টি পর্ব রয়েছে?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
ব্যাখ্যা
‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
• পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
• কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ/ পদুমাবত’ কাব্যের অনুবাদ।
• আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।

• কাব্যটিতে — দুইটি পর্ব রয়েছে।
প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে। 

• আলাওল: 
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। 
- 'পদ্মাবতী' কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- 'পদ্মাবতী' কবি মালিক মুহাম্মদ জয়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের অনুবাদ। 

আলাওল রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- পদ্মাবতী,
- তোহফা,
- সপ্তপয়কার,
- সিকান্দারনামা ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য,
- আধুনিক যুগের লেখক মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে পদ্মাবতী নাটক রচনা করেন।
- এটি একটি পৌরাণিক নাটক গ্রিক পুরাণের ‘অ্যাপেল অব ডিসকর্ড’ গল্প অবলম্বনে রচিত।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া
৪৮.
'বিদ্রোহী’ - কবিতার প্রথম চরণ কোনটি?
  1. বল উন্নত মম শির
  2. বিদ্রোহী রণক্লান্ত
  3. বল বীর
  4. আমি চির-উন্নত শির
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। 

• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- ‘বিদ্রোহী’ কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
-  ‘বিদ্রোহী' কবিতা ২২ পৌষ,১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

'বিদ্রোহী' কবিতা - 

বল বীর
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৯.
কবি আল মাহমুদের 'সোনালি কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।
- আল মাহমুদ প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্য গ্রন্থ 'সোনালী কাবিন'
- সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে ‘সোনালি কাবিন’ নামে চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘ কবিতাও অন্তর্ভুক্ত আছে। এটিকে একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থও বলা যেতে পারে।

--------------------
• আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৫০.
'অভীক' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের নায়ক?
  1. দেনাপাওনা
  2. রবিবার
  3. ল্যাবরেটরি
  4. ক্ষুধিত পাষাণ
ব্যাখ্যা
• 'অভীক' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘রবিবার’ গল্পের প্রধান চরিত্র। 

• 'অভীক' চরিত্র বিষয়ক আলোচনা:
গল্পে অভয়াচরণ (অভীক) নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পণ্ডিত ঘরের সন্তান। সে হয়ে উঠেছে ঘোর নাস্তিক। যত রকম নিয়মভঙ্গে সিদ্ধ। বেয়াদবি আচরণে তার যত উৎসাহ। সে যেমন কলকব্জা সারাতে পারে আবার ছবি আঁকতেও দক্ষ। নিষিদ্ধ মাংস খায়, অগাধ পয়সা থাকা সত্ত্বেও কারখানায় শৌখিন মজদুরি করে। গ্যাঁটের পয়সা খরচা করে নিজের আঁকা ছবির প্রদর্শনী করে প্রশংসা পাবে বলে।

----------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর ছোটগল্পসমূহ:
- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।
- তার রচিত প্রথম ছোট গল্প ‘ভিখারিনী’।
- ‘ভারতী’ পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় - রবীন্দ্রনাথের ভিখারিণী গল্পটি।
- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৫টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হলো: 
• গল্পগুচ্ছ,
• লিপিকা,
• সে,
• তিন সঙ্গী,
• গল্পসল্প।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: 
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ। 

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চারটি অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

উৎস: রবিবার’ গল্প; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৫১.
ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য?
  1. বিষাদসিন্ধু
  2. সাত সাগরের মাঝি
  3. চক্রবাক
  4. প্রলয়োল্লাস
ব্যাখ্যা
• ফররুখ আহমদ রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যের মূল উপজীব্য হলো- ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

---------------------------------
• ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থ:
- ফররুখ আহমদ রচিত 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- মূলত মুসুমানদের জাগরণের লক্ষ্যে তিনি এ গ্রন্থের কবিতাগুলো লিখেছেন।
- সেজন্য কবি ত্যাগ করেছেন বঙ্গীয় শব্দ ও অনুষঙ্গ, গ্রহণ করেছেন আরব্য উপন্যাস, ইরান- আরবের সংস্কৃতি ও পুরাণকথা।

- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা:- সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

------------------------------
• ফররুখ আহমদ:
- তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি'
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

অন্যদিকে,
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস - বিষাদ-সিন্ধু, যা একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস। কারবালার কাহিনীর মূল ঘটনার প্রেক্ষিতে রচিত।
- "চক্রবাক" গ্রন্থটি কাজী নজরুলের প্রেমের কবিতা ও গানের সংকলন। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা : প্রলয়োল্লাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
৫২.
'রেইনকোট' গল্পটি কে লিখেছেন?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
• 'রেইনকোট' গল্প:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত রেইনকোট একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প।
- রেইনকোট ছোটগল্পটিতে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার থাকলেও এটি মূলত প্রতীকী গল্প।
- 'রেইনকোট' গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- গল্পের কথক 'নুরুল হুদা'।  
- মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় যে উষ্ণতা, সাহস ও দেশপ্রেম - তারই ব্যঞ্জণাময় প্রকাশ ঘটেছে এ গল্পে।
- এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়।

• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- তিনি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া জেলায়।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- মিলির হাতে স্টেনগান,
- রেইনকোট,
- দুধভাতে উৎপাত,
- জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল,
- ফোঁড়া,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. মুহম্মদ আবদুল হাই
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. এস ওয়াজেদ আলী
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থটির  রচয়িতা- 'সৈয়দ মুজতবা আলী'। 

------------------------
• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি: 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা-  সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৫৪.
"আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে – এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয় – হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।" - কে লিখেছেন?
  1. আল মাহমুদ
  2. সুকুমার রায়
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
"আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে – এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয় – হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।" - জীবনানন্দ দাশের আবার আসিব ফিরে- কবিতা থেকে সংকলিত।

আবার আসিব ফিরে- কবিতা;
- জীবনানন্দ দাশ।

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে – এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয় – হয়তো বা শঙখচিল শালিকের বেশে,
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিঁকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব কাঁঠাল ছায়ায়।
হয়তো বা হাঁস হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়
সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে
জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়।

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর ডাক নাম ছিল মিলু। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ-
  1. রাত্রিশেষ
  2. সারাদুপুর
  3. দু'হাতে দুই আদিম পাথর
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• আহসান হাবীব:
- আহসান হাবীব একজন কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আহসান হাবীব এর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম 'সারাদুপুর'।
- ১৯৬৪ সালে ঢাকা থেকে ‘সারা দুপুর’ প্রকাশিত হয়। কাব্যগ্রন্থটিতে মোট কবিতার সংখ্যা ২৬। কাব্যভাষা, ঐতিহ্যান্বেষণ ও বক্তব্য প্রকাশে কবি এখানে পরিপক্ব।

আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ -
- রাত্রিশেষ (প্রথম প্রকাশিত),
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ,
- সারাদুপুর,
- আশায় বসতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৫৬.
পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার কোন শাসকের রাজধানী ছিল?
  1. হর্ষবর্ধন
  2. কণিষ্ক
  3. সিকান্দার লোধি
  4. অশোক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
সংবিধানের কোন অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭ম অধ্যায়
  2. ৮ম অধ্যায়
  3. ৯ম অধ্যায়
  4. ১০ম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৮.
সম্প্রতি কোন উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. কেরানীগঞ্জ
  2. নবাবগঞ্জ
  3. ধামরাই
  4. সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় সরকার ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এর ফলে আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে সাভারের সব ইটভাটায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৫ সালে এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান একটি পরিপত্র জারি করেন।
- পরিপত্রে বলা হয়, সাভারের বায়ুমানের বার্ষিক গড় মাত্রা জাতীয় নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ বেশি।
- বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে, উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু সাভারের এই দূষণকে ঢাকায় নিয়ে আসে, যা রাজধানীর মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
- এই ঘোষণার ফলে, টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া অন্য সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
- এছাড়া, উন্মুক্ত স্থানে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণকারী নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার পর এলাকাটিতে বিশেষ পরিবেশ আইন ও বিধি প্রযোজ্য হয়। শিল্পকারখানা ও প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৫৯.
'সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬০.
হিন্দু লেখকগণ কোন শাসককে 'কৃষ্ণাবতার' উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত
  2. বিক্রমাদিত্য
  3. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  4. বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. এম. এ. জি. ওসমানী
  2. এ. কে. খন্দকার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. কাদের সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
সংবিধান প্রস্তাবনায় কোন শাসনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. সামরিক শাসন
  2. আইনের শাসন
  3. একনায়কতন্ত্র
  4. ধর্মীয় শাসন
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
- ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করে [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি। 
- সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে।
- আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৩.
রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে -
  1. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  2. অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে
  3. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের সমস্যাবলী:
- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- গণতন্ত্রের আদর্শকে সফলভাবে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- যেকোনো ধরনের মত, পথ ও আদর্শের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠতে পারে।
- যেকোনো গোষ্ঠী বা দল প্রচলিত বিধির আওতায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যেকোনো রাজনৈতিক দল গঠন করতে পারে।
- বর্তমানে বিরাজমান এত অধিকসংখ্যক রাজনৈতিক দল কোন দেশের জন্য সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ হতে পারে না।
- বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে এ দলগুলো বিভিন্ন রকম।
- রক্ষণশীল, উদারনৈতিক, প্রগতিশীল, প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দল আছে যারা কোন পরিবর্তন চায় না।
- ধনিক শ্রেণি নিয়ে তাদের দল গঠিত। তারা পুরোমাত্রায় রক্ষণশীল। এই দল গুলোর সমর্থকগণ রক্ষণশীল।
- আবার কতগুলো দল আছে যারা বর্তমান সমাজ ভেঙ্গে নতুন সমাজ গড়তে চায়।
- এই দলের সমর্থকগণ প্রগতিশীল হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর কোথায় চালু করা হবে? (আগস্ট, ২০২৫)
  1. রংপুর
  2. কুমিল্লা
  3. গাজীপুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
- স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬৫.
লুসাই ক্ষুদ্র  নৃ-গোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. মুসলিম
  2. হিন্দু
  3. বৌদ্ধ
  4. খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬৬.
মন্ত্রণালয়ের মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক কে?
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. উপসচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

৬৭.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. পাবনা
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কী?
  1. Bank of America
  2. Federal Reserve System
  3. National Bank of USA
  4. State Bank of USA
ব্যাখ্যা

Federal Reserve System:
- Federal Reserve System মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- এটি মার্কিন সরকারের জন্য একটি আর্থিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে, বাণিজ্যিক ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্টের তত্ত্বাবধায়কমার্কিন মিন্টের সাথে সমন্বয় করে মুদ্রাসহ মুদ্রা সরবরাহের তত্ত্বাবধান করে।
- সিস্টেমটি ফেডারেল রিজার্ভ আইন দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, যা রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন ২৩ ডিসেম্বর, ১৯১৩ সালে আইনে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- বোর্ড অফ গভর্নরসের চেয়ারম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দ্বারা চার বছরের মেয়াদে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত বোর্ড অব গভর্নরস বা ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ড (এফআরবি) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- দেশের প্রধান শহরগুলিতে অবস্থিত ১২টি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নিয়ে গঠিত। 
- এটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমুহকে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করে।

উৎস: Federal Reserve Board (.gov).

৬৯.
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৫ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ভারত ও শ্রীলংকা 
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৫: 
- সময়: ৩০ সেপ্টেম্বর — ২ নভেম্বর, ২০২৫।
- আয়োজনকারী দেশ: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি (ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, পাকিস্তান)।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট। 

৭০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. লন্ডন চুক্তি
  4. পটসডাম চুক্তি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। 
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়। 

⇒ চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
• যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল। 

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।

উল্লেখ্য, 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
 
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৭১.
‘Piecing together the poverty puzzle’ নামক প্রতিবেদন কোন সংস্থাটি প্রকাশ করে?
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. UNCTAD
  4. World Economic Foundation
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।- বিশ্বব্যাংক এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংকের সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতা দেশ ভারত।
- বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।
- ফ্রান্স ১৯৪৭ সালে এই লোন নিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ‘Piecing together the poverty puzzle’ নামক প্রতিবেদনটি World Bank প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের বহুমাত্রিক দিকগুলো বিশ্লেষণ করে এবং দারিদ্র্য হ্রাসের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

৭২.
Greenpeace International কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

Greenpeace International:
- Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে: বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।

⇒ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।

৭৩.
চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে, বেইজিং
  2. ১৯৯৩ সালে, মেক্সিকো সিটি
  3. ১৯৯৫ সালে, বেইজিং
  4. ১৯৯৫ সালে, মেক্সিকো সিটি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ নারী সম্মেলন:
- জাতিসংঘ নারীদের নিয়ে চারটি বিশ্ব সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
- ১৯ জুন থেকে ২ জুলাই, ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটিতে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ চারটি সম্মেলন:
- প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৭৫ সালে, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো,
- দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৮০ সালে, কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
- তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৮৫ সালে, নাইরোবি, কেনিয়া এবং,
- চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন: ১৯৯৫ সালে, বেইজিং, চীন।

• চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন:
- চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন ১৯৯৫ সালের ৪-১৫ সেপ্টেম্বর চীনের বেইজিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
​- নারী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ১২টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে গৃহীত হয় 'বেইজিং প্লাটফরম ফর অ্যাকশন [বিপিএফএ]'।

উৎস: UN Women ওয়েবসাইট।

৭৪.
নিম্নের কোন দেশের আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট?
  1. মিয়ানমার
  2. চীন
  3. ভুটান
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​- চীনের আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।

​এছাড়াও,
​• বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ,
​• মালদ্বীপ: মজলিস/ পার্লামেন্ট,
• ইসরাইল: নেসেট/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরান: মজলিস/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরাক: মজলিস আল-নওয়াব আল-ইরাকি,
​• সৌদি আরব: মজলিস-এ-শূরা,
• ফিনল্যান্ড: এসডুস্কুন্টা,
​• ডেনমার্ক: ফোকেটিং,
• সুইডেন: রিকসড্যাগ,
 • ইউক্রেন: ভারখোরনা রাডা,

​দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​• যুক্তরাষ্ট্র: পার্লামেন্ট-কংগ্রেস (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
• ভারত: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: কাউন্সিল অফ স্টেটস/ রাজ্যসভা, নিম্ন কক্ষ: হাউজ অফ দা পিপল/লোক সভা),
• রাশিয়া: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ফেডারেশন কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: স্টেট ডুমা)
​• যুক্তরাজ্য: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ লর্ডস, নিম্ন কক্ষ-হাউস অফ কমন্স),
​• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• অস্ট্রেলিয়া: ফেডারেল পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
​• ভুটান: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি),
​• জাপান: ডায়েট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ কাউন্সিলর্স, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস)।

উৎস: Britannica.

৭৫.
সাংহাই কোঅপারেশন সংস্থা (SCO) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

Shanghai Cooperation Organisation:
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

৭৬.
দোহা সংশোধনী কোন প্রটোকলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কিয়োটো প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে অনুষ্ঠিত হয় কপ - ১৮ সম্মেলন।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৭৭.
'World Economic Outlook' প্রতিবেদন-২০২৫ অনুসারে, মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র 
  2. সিঙ্গাপুর
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

World Economic Outlook:
- 'World Economic Outlook' প্রতিবেদন প্রকাশ করে IMF।
- বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অবস্থার পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রবণতার পূর্বাভাস প্রদান করে।
- এই রিপোর্টে IMF সদস্য দেশগুলির সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচকের বিশ্লেষণ থাকে।
- সর্বশেষ প্রকাশ: এপ্রিল, ২০২৫।

⇒ 'World Economic Outlook-2025' প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু আয়ে শীর্ষ দেশ:
১. লুক্সেমবার্গ।
২. সুইজারল্যান্ড।
৩. আয়ারল্যান্ড।
৪. সিঙ্গাপুর।
৫. নরওয়ে।

অন্যদিকে,
- মাথাপিছু আয়ে সর্বনিম্ন দেশ -বুরুন্ডি।

উৎস: i) IMF ওয়েবসাইট।
ii) World Population Review.

৭৮.
পিং পং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ১৯৭২ সালে চীন সফর করেন?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জন এফ. কেনেডি
  3. জিমি কার্টার
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা

পিং পং ডিপ্লোম্যাসি প্রভাবে ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন চীন সফর করেন। 

​Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে। ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর। সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ পিংপং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাব:
​- ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের উপর ২০ বছর ধরে থাকা ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
​- ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘে বৈধ পদ লাভ করে চীন। পাশাপাশি তারা খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সক্ষম হয়।
​- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর সমাপ্ত হয় ‘সাংহাই কম্যুনিক’ এর মাধ্যমে। 
​- ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: Britannica.

৭৯.
গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

গণহত্যা সনদ (Genocide Convention):
- গণহত্যা সনদ (Genocide Convention) হল একটি আন্তর্জাতিক আইন।
- এই সনদেই প্রথমবারের মতো গণহত্যার (জেনোসাইড) অপরাধকে আইনগতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- স্বাক্ষরিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৮।
- কার্যকর হয়: ১২ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- উদ্দেশ্য: গণহত্যার প্রতিরোধ করা ও গণহত্যার অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সনদটি চূড়ান্ত করা হয়।
- সনদে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘জাতিগত, নৃগোষ্ঠী, বর্ণ বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে সংঘটিত অপরাধই গণহত্যা। এই সনদ অনুযায়ী, গণহত্যা যুদ্ধকালীন বা শান্তিকালীন সময়েও সংঘটিত হতে পারে। তবে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক গণহত্যা’ এই সনদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: i) International Committee of the Red Cross (ICRC) ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৮০.
ক্যাম্প ডেভিড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত?
  1. ভার্জিনিয়া
  2. ডেলাওয়্যার
  3. ক্যালিফোর্নিয়া
  4. মেরিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড:
- ক্যাম্প ডেভিড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত।
- প্রথম যে তেরোটি অঙ্গরাজ্যের সমন্বয়ে যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হয়, মেরিল্যান্ড তার অন্যতম।

⇒ এটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকের স্থান হিসেবে পরিচিত।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণএকটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি সই হয়।
- এতে সই করেন মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচিম বেগিন।
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি করায় পরবর্তী সময়ে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান সাদাত ও বেগিন।

উৎস: Britannica.

৮১.
 Great Leap Forward নীতি কে প্রবর্তন করেন?
  1. চিয়াং কাইশেক
  2. লি কুয়ান ইউ
  3. দেং শিয়াওপিং
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা

Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

⇒ মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

৮২.
শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. সিঙ্গাপুরে
  2. ইন্দোনেশিয়ায় 
  3. মালয়েশিয়ায়
  4. ইউক্রেনে
ব্যাখ্যা

শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025):
- শাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৫ (Shangri-La Dialogue 2025) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- এই সম্মেলনটি ২০২৫ সালের ৩০ মে - ১ জুন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের শাংরি-লা হোটেল-এ অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি এশিয়ার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন শাংরি-লা ডায়ালগের ২২তম আসর। 
- এটি এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS) দ্বারা আয়োজিত হয়।

⇒ ২০২৫ সালের শাংরি-লা ডায়ালগে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪০টি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, ২০টি দেশের সেনাপ্রধান এবং ২০টিরও বেশি উচ্চপদস্থ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
- সম্মেলনে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে—আঞ্চলিক সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, এবং সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক নীতির প্রভাব।

উৎস: The International Institute for Strategic Studies.

৮৩.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২৫%
  2. ৩৫%
  3. ৪৩%
  4. ৪৮%
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ৪৩ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে ২২ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুমোদন করেছে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তির আওতায়, উন্নত দেশগুলো ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই অর্থ উন্নয়নশীল ও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে ব্যয় করার কথা ছিল। ​
- তবে, কপ-২৯ সম্মেলনে (নভেম্বর, ২০২৪) এই প্রতিশ্রুতি বাড়িয়ে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৮৪.
F1 কী-এর কাজ কী?
  1. ফাইল সেভ করা
  2. Help মেনু খোলা
  3. উইন্ডো বন্ধ করা
  4. সার্চ চালু করা
ব্যাখ্যা

F1 কী-এর কাজ হচ্ছে Help মেনু খোলা।

​ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

F1-F12 ফাংশন কী-এর কাজ:
- F1: সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2: নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3: দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4: Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5: ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6: ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8: উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10: মেনু বার চালু করে।
- F11: ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12: ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
কোন ম্যালওয়্যার অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে?
  1. স্পাইওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা

অ্যাডওয়্যার অবাঞ্ছিত বা অননুমোদিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার হলো একটি সমষ্টিগত শব্দ, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহৃত ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ​সাধারণত ব্যবহারকারী বিপজ্জনক লিঙ্ক বা ইমেইলের সঙ্গে সংযোগ করলে এটি ডিভাইসে ইনস্টল হয়। 
​- ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান, রুটকিট, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার ইত্যাদি।

ম্যালওয়ারের সাধারণ ধরণ
• স্পাইওয়্যার (Spyware):
ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গোপনে ইনস্টল করা হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের ইতিহাস, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে।

• ওয়ার্ম (Worm):
একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা নিজেকে অন্যান্য কম্পিউটারে নকল করে সংক্রমিত করে।
ভাইরাসের মতো হোস্ট প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণত মানুষের সাহায্য ছাড়াই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে যায়।

• ​ট্রোজান হর্স (Trojan horse):
অনুমোদিত প্রোগ্রামের মধ্যে গোপনভাবে অননুমোদিত নির্দেশাবলী লুকিয়ে রাখে।
 
​আরও কিছু ​ম্যালওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো: 
• ​রুটকিট (Rootkit):
কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের মূল স্তরে সংক্রমণ ঘটায়, যা ড্রাইভ পুরোপুরি মুছে ফেলা ছাড়া সরানো যায় না।  

• ​​ভাইরাস (Virus):
কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোডের একটি অংশ যা নিজেকে অন্য কোড বা ফাইলের সাথে সংযুক্ত করে নকল করে।
সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে সংযুক্ত হয়ে যায়।

​• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):

ডিভাইস বা ডেটার অ্যাক্সেস ব্লক করে রাখে এবং মালিককে মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
সাধারণত ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফাইল এনক্রিপ্ট করে।

• স্কেয়ারওয়্যার (Scareware):
ভুল সতর্কবার্তা দেখিয়ে ব্যবহারকারীকে আরও ম্যালওয়্যার ডাউনলোড করতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে প্ররোচিত করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৬.
​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেমে DC কে AC-তে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় –
  1. Rectification
  2. Inversion
  3. Amplification
  4. Modulation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ইনভার্শন (Inversion)

​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম
- কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কম্পিউটারকে স্থিতিশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
- এটি AC কে DC তে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।

UPS (Uninterruptible Power Source)
- UPS হলো পাওয়ার সিস্টেমের উন্নত রূপ।
- এতে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি, rectifier, inverter ও control circuits।
- বিদ্যুৎ লাইনে ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ব্যাটারি থেকে AC বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।

​ব্যাটারির ভূমিকা
- ব্যাটারি কম ভোল্টেজের DC উৎস।
- DC কে AC তে রূপান্তর (Inversion) করে transformer দ্বারা ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।

Inversion ও ট্রানজিস্টরের ব্যবহার
- Inversion করা হয় high-power transistor দিয়ে।
- ট্রানজিস্টর switch-এর মতো কাজ করে এবং ৫০/৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে AC তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৭.
৫জি মোবাইল প্রযুক্তির মূল বৈশিষ্ট্য হলো –
  1. বেশি ল্যাটেন্সি
  2. নিম্ন ল্যাটেন্সি
  3. কম ব্যান্ডউইথ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

৫জি প্রযুক্তির একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো নিম্ন ল্যাটেন্সি।

• ৫জি:
- ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ২০১৯ সালে চালু হওয়া এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এই প্রযুক্তি দ্রুততর কানেক্টিভিটি, উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং নিম্ন ল্যাটেন্সি (অর্থাৎ অপেক্ষার সময় অনেক কম) প্রদান করে।
- এর ফলে ফোন কল, স্ট্রিমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, গেমিং এবং ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত হয়, পাশাপাশি সংযুক্ত সিস্টেম ও মোবাইল অ্যাপের প্রতিক্রিয়াশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
- ৫জি স্মার্টফোনের ডাউনলোড গতি দ্বিগুণ করতে সক্ষম এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সংযুক্ত যন্ত্রপাতির জন্য পারফরম্যান্স অনেক বেশি উন্নত করে।
- ৫জি প্রযুক্তি উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং (ML), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির (AR) ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যা পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুটোই বৃদ্ধি করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমের কাজেও সহায়তা করে।
- ৫জি “ওপেনরোমিং” প্রযুক্তিও সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চলাচলের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াই-ফাইতে অথবা ওয়াই-ফাই থেকে সেলুলারে কোনো বিরতি ছাড়াই ও পাসওয়ার্ড ছাড়াই পরিবর্তন করতে পারে।
- ৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো একটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করে, যাকে MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৮.
কোন ধরনের মাউস একটি বলের ঘূর্ণনের মাধ্যমে কার্সরের গতি পরিবর্তন করে?
  1. অপটিক্যাল মাউস
  2. লেজার মাউস
  3. মেকানিক্যাল মাউস
  4. স্টাইলাস মাউস
ব্যাখ্যা

মেকানিক্যাল মাউসে একটি বলের ঘূর্ণনের মাধ্যমে কার্সরের গতি পরিবর্তন করে।

• মাউস:
- মাউস হলো একটি হাতে-নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ডিভাইস যা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) যুক্ত কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মার্কিন উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৩-৬৪ সালে মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউসকে সমতল পৃষ্ঠের উপর সরালে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সরের (cursor) অবস্থান ও নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• মাউসের ধরন:
- মেকানিক্যাল মাউস: একটি বলের ঘূর্ণনের মাধ্যমে কার্সরের গতি পরিবর্তন করে।
- অপটিক্যাল মাউস: আলো বা লেজারের রশ্মি ব্যবহার করে কার্সরের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৯.
নিম্নের কোনটি মাইক্রোসফটের ব্যবসার খাত নয়?
  1. Productivity and Business Processes
  2. Intelligent Cloud
  3. More Personal Computing
  4. Mobile Hardware
ব্যাখ্যা

Mobile Hardware মাইক্রোসফটের ব্যবসার খাত নয়।

• Microsoft Corporation:
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রেডমন্ড, ওয়াশিংটন, USA।
- ১৯৮০ ও ’৯০-এর দশকে MS-DOS এবং Windows অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বাজারে আধিপত্য তৈরি করে।

• বর্তমানে মাইক্রোসফটের পণ্য ও সেবা:
- ব্যক্তিগত কম্পিউটিং,
- বিনোদন,
- এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড কম্পিউটিং,
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• মাইক্রোসফটের তিনটি প্রধান ব্যবসায়িক খাত:
- Productivity and Business Processes,
- Intelligent Cloud,
- More Personal Computing.
প্রতিটি খাতের অধীনে রয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯০.
এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Plain text
  2. Cipher text
  3. Cryptography
  4. Decrypted text
ব্যাখ্যা

এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে সাইফার টেক্সট বলা হয়।

​• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। 
​- এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৯১.
URL দ্বারা কী বোঝানো হয়?
  1. একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  2. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  3. একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা
  4. একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম 
ব্যাখ্যা

​URL দ্বারা একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা বোঝানো হয়।

• URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator।
- ওয়েবসাইট বা পেইজের ঠিকানাকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

​উদাহরণ:  https://www.abcd.com/home
- https = প্রোটোকল
- www.abcd.com = ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home = ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৯২.
যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে কী বলা হয়?
  1. নোড
  2. হটস্পট
  3. রাউটার
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

যে স্থানে Wi-Fi অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেই স্থানকে হটস্পট বলা হয়।

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- এটি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং গেমিং কনসোলের মতো ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- যে স্থানে ওয়াই-ফাই এর অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, সেগুলোকে "হটস্পট" বলা হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউ.এস. ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন রেডিও স্পেকট্রামের কিছু ব্যান্ড (৯০০ MHz, ২.৪ GHz, ৫.৮ GHz) লাইসেন্সবিহীন ব্যবহার করতে অনুমোদন দেয়।
- ১৯৯৭ সালে IEEE ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ওয়্যারলেস ইথারনেট কম্প্যাটিবিলিটি অ্যালায়েন্স (WECA) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং Wi-Fi নামে পরিচিতি লাভ করে।

• ফ্রিকোয়েন্সি ও চ্যানেল:
- IEEE স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলোকে চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
- চ্যানেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সিতে ওভারল্যাপ করে।
- সাধারণত Wi-Fi সিগন্যাল ১০০ মিটারের কম দূরত্বে ইন্ডোর পরিবেশে প্রেরণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৩.
নিচের কোনটি সহায়ক স্মৃতির অংশ নয়?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. সিডি
  3. চৌম্বক ড্রাম
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা

র‍্যাম সহায়ক স্মৃতির অংশ নয়। এটি প্রধান স্মৃতির অংশ।

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- এই স্মৃতি থেকে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যগুলো স্থায়ীভাবে সহায়ক স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc)
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc)
- সিডি (CD- Compact Disc)
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc)
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum)

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে কী বলা হয়?
  1. কম্পাইলিং
  2. ডিবাগিং
  3. ইনস্টলেশন
  4. ফরম্যাটিং
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

​• প্রোগ্রাম ডিবাগিং (Programme Debugging)

- Bug অর্থ পোকা।
- Debugging অর্থ পোকা দূর করা।
- কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারে একটি মথ পোকা ঢুকে যাওয়ায় তা অচল হয়ে পড়ে। তখন থেকে Debugging শব্দটির উৎপত্তি।
- প্রোগ্রাম ডিবাগিংয়ের জন্য প্রথমে প্রোগ্রামে কী ধরনের ভুল হয়েছে তা নির্ণয় করে সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় সংশোধন করলেই চলে।
- Syntax Error হলে তা নির্ণয় করা এবং সংশোধন করা সহজ।
- Logical Error শনাক্ত করা কঠিন।
- এক্ষেত্রে কিছু নমুনা ডাটা নিয়ে যার ফলাফল জানা আছে, প্রোগ্রাম পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল ভিন্ন হলে প্রোগ্রামকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের ফলাফল দেখে কোথায় ভুল আছে তা নির্ণয় করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯৫.
​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ৭৭
  2. ৪৩
  3. ৩০
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা ৫৯।

​​পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর
​১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
​২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22 ....... দ্বারা গুণ করতে হবে।
​৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।

​(১১১০১১) = ১x২ + ১x২ + ১x২ + ০x২ + ১x২ + ১x২
​ = ৩২ + ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ১
​ = ৫৯

​​​(১১১০১১) = (৫৯)১০

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
জাইলিন কোন ধরনের পদার্থ? 
  1. স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ 
  2. তেজস্ক্রিয় 
  3. বিস্ফোরক 
  4. উত্তেজক 
ব্যাখ্যা
বিস্ফোরক পদার্থ: 
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এ ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ। এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়। 

স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ: 
- বেনজিন, টলুইন, জাইলিন ইত্যাদি এ ধরনের পদার্থ। এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে তা শরীরের স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে। এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে ক্যানসারের মতো কঠিন রোগ কিংবা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। 

দাহ্য পদার্থ: 
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে। 

তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয় যা ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে কিংবা একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে। 

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পদার্থ: 
- লেড, মার্কারি ইত্যাদি পদার্থগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এগুলোকে ব্যবহার করার সময় যথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ব্যবহারের পরে এগুলো যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। 

বিষাক্ত পদার্থ: 
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ। তাই শরীরে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা ক্ষতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। 

উত্তেজক পদার্থ: 
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ। এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তিনটি 'D' দ্বারা কী বুঝানো হয়? 
  1. Diet, Detox, Drug
  2. Disease, Diet, Discipline
  3. Discipline, Diet, Drug
  4. Doctor, Diet, Diagnosis
ব্যাখ্যা

বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস (Diabetes): 
- অগ্ন্যাশয়ের ভিতর আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস নামক এক ধরনের গ্রন্থি আছে, এই গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন (Insulin) নিঃসৃত হয়। 
- ইনসুলিন হলো এক ধরনের হরমোন, যা দেহের শর্করা পরিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে গ্লুকোজ নির্গত হয়। এ অবস্থাকে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (সংক্ষেপে: ডায়াবেটিস) বলে। 
- ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের, টাইপ-1 এবং টাইপ-2 । 
- টাইপ-1 এ আক্রান্ত রোগীর দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাই নিয়মিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়। 
- অন্যদিকে টাইপ-2 রোগীর দেহে আংশিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ, অগ্ন্যাশয় কোষকে শরীরের জন্য পরিমিত ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। 

ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা: 
- রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে গ্লুকোজের মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- চিকিৎসা করে ডায়াবেটিস রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না, কিন্তু এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 
- ডাক্তারদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি 'D' মেনে চলা অত্যাবশ্যক। 
যেমন: Discipline, Diet ও Drug
(১) শৃঙ্খলা (Discipline): একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশৃঙ্খল জীবনব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া নিয়মিত এবং ডাক্তারের পরামর্শমতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, রোগীর দেহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বিশেষভাবে পায়ের যত্ন নেওয়া, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা এবং দৈহিক কোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। 

(২) খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (Diet): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত এবং সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের মেনু অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যায়। তবে যার ডায়াবেটিস নেই, তার মিষ্টি খাওয়া বা না খাওয়ার সাথে ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নেই। 

(৩) ঔষধ সেবন (Drug): ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করা হলে রোগীর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে বা বেড়ে যায়। উভয় ক্ষেত্রেই রোগী বেহুঁশ হয়ে পড়তে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। যদি ডায়াবেটিস রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান, তখন তাকে বসিয়ে গ্লুকোজ বা চিনির পানি খাইয়ে দিলে অনেক সময় খারাপ পরিণতি এড়ানো যেতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৮.
রোধের এস.আই একক কোনটি? 
  1. ভোল্ট
  2. ও'ম
  3. সিমেন্স
  4. অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ। 
- রোধের এস.আই একক হলো ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম। 

অন্যদিকে,
- তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে- অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক হচ্ছে- সিমেন্স।
- বিভব পার্থ্যকের একক হচ্ছে- ভোল্ট । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৯৯.
অগ্ন্যাশয়রসে কোন উৎসেচক থাকে না?
  1. পেপসিন
  2. লাইপেজ
  3. ট্রিপসিন
  4. অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয় (Pancreas): 
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। 
- এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে। 
অর্থাৎ, অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে। 
- অগ্ন্যাশয়রস অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে যকৃৎ-অগ্ন্যাশয়নালি দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 
- অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়। 
- অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক থাকে। 
- এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। 
- তাছাড়াও অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন: গ্লুকাগন ও ইনস্যুলিন নিঃসরণ করে। 
- গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০০.
একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে গেলে আয়নিকরণ শক্তির পরিবর্তন কীভাবে হয়?
  1. অপরিবর্তিত থাকে
  2. কমে 
  3. বাড়ে
  4. প্রথমে বাড়ে পরে কমে 
ব্যাখ্যা
আয়নিকরণ শক্তি (Ionization Energy): 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণু থেকে এক মোল ইলেকট্রন অপসারণ করে এক মোল ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ মৌলের আয়নিকরণ শক্তি বলে। 
- আয়নিকরণ শক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে আয়নিকরণ শক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে আয়নিকরণ শক্তির মান কমে। 
উদাহরণ- 
• Na, Mg, Al, Si এর মধ্যে Si এর আয়নিকরণ শক্তির মান বেশি। কারণ এই মৌলগুলোর মধ্যে Si এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম। পক্ষান্তরে, এই মৌলগুলোর মধ্যে Na এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান বেশি বলে এদের মধ্যে সোডিয়ামের আয়নিকরণ শক্তির মান কম। 
• গ্রুপ-1 এর Li, Na, K, Rb, Cs, Fr ক্ষার ধাতুগুলোর মধ্যে Li এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এজন্য এদের মধ্যে Li এর আয়নিকরণ শক্তির মান সবচেয়ে বেশি। 
• আবার, গ্রুপ-17 এর F, Cl, Br, I এবং At মৌলগুলোর মধ্যে F এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, কাজেই এই মৌলগুলোর মধ্যে F এর আয়নিকরণ শক্তির মান সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০১.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা কে? 
  1. গ্যালিলিও
  2. এডুইন হাবল 
  3. স্টিফেন হকিং
  4. জি. ল্যামেটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব: 
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.

উৎস:
পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১০২.
শীতকালে সিভনল কোষের রন্ধ্রে কোন পদার্থ জমা হয়?
  1. ক্যালোজ
  2. সেলুলোজ
  3. স্টার্চ
  4. লিগনিন
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েমের মাধ্যমে পরিবহন (Phloem translocation): 
- উদ্ভিদের মূল এবং পাতা পরস্পর থেকে দূরে অবস্থান করায় খাদ্য চলাচলে একটি দ্রুত ও কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা থাকা আবশ্যক, এ কাজটি ফ্লোয়েমের সিভনল করে থাকে। 
- ফ্লোয়েম পরিবহন কলাগুচ্ছের অন্যতম গুচ্ছ। 
- পরিবহন কলাগুচ্ছে জাইলেমগুচ্ছ এবং ফ্লোয়েমগুচ্ছ থাকে। 
- ফ্লোয়েমগুচ্ছে সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও বাস্টফাইবার থাকে। 
- সিভনল এক ধরনের কেন্দ্রিকাবিহীন ও পাতলা প্রাচীরযুক্ত সজীব কোষ। 
- লম্বালম্বিভাবে এরা একটির সাথে অন্যটি যুক্ত হয়ে উদ্ভিদদেহে জালের মতো গঠন সৃষ্টি করে। 
- দুটো কোষের মধ্যবর্তী অনুপ্রস্থ প্রাচীরটি স্থানে স্থানে বিলুপ্ত হয়ে চালুনির মতো আকার ধারণ করে। এর ফলে খাদ্যদ্রব্য সহজেই এক কোষ থেকে অন্য কোষে চলাচল করতে পারে। 
- শীতকালে এ রন্দ্রগুলোতে ক্যালোজ নামক রাসায়নিক পদার্থ জমা হয়ে রন্ধ্র ছোট হয়, তাই খাদ্য চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। 
- গ্রীষ্মের আগমনে ক্যালোজ গলে যায়, তাই খাদ্য চলাচল বেড়ে যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৩.
ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে কী উৎপন্ন হয়? 
  1. ভিনেগার
  2. ডেলরিন পলিমার
  3. পলিইথিন
  4. ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন
ব্যাখ্যা
অ্যালডিহাইড: 
- অ্যালডিহাইড এর পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বিভিন্ন প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড (মিথান্যাল) এর জলীয় দ্রবণকে অতি নিম্ন চাপে উত্তপ্ত করলে ডেলরিন পলিমার উৎপন্ন হয়। 
- ডেলরিন পলিমার দিয়ে চেয়ার, ডাইনিং টেবিল, বালতি ইত্যাদি প্লাস্টিক দ্রব্য তৈরি করা হয়। 
- ফরমালডিহাইড ও ইউরিয়া থেকে ঘনীভবন পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় ইউরিয়া-ফরমালডিহাইড রেজিন উৎপন্ন হয় যা গৃহের প্লেট, গ্লাস, মগ ইত্যাদি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিডসমূহ অজৈব এসিডের তুলনায় দুর্বল। 
- জৈব এসিড মানুষের খাদ্যোপযোগী উপাদান। 
যেমন- লেবুর রস (সাইট্রিক এসিড), তেঁতুল (টারটারিক এসিড), দধি (ল্যাকটিক এসিড) ইত্যাদি জৈব এসিডকে খাবার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 
- জৈব এসিডের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা থাকায় একে খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানয়িক এসিডের 4% থেকে 10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়। 
- ভিনেগার সস ও আচার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৪.
মানুষের রক্তের গ্রুপকে কী দ্বারা শ্রেণিবিন্যাস করা হয়? 
  1. রক্তের চাপ ও গতির ভিত্তিতে 
  2. হরমোন ও এনজাইমের ভিত্তিতে
  3. রক্তের রঙ ও ঘনত্বের ভিত্তিতে
  4. অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
ব্লাড গ্রুপ বা রক্তের গ্রুপ: 
- অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন। 
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে। 
- নিচের সারণিতে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিবডি এবং অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি দেখানো হলো- 

- গ্রুপ A: এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে। 
- গ্রুপ B: এ শ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে। 
- গ্রুপ AB: এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না। 
- গ্রুপ O: এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৫.
একটি দেওয়াল ঘড়ি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ২১০ টাকা বেশি হলে বিক্রেতার ৫% লাভ হতো। দেওয়াল ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১৪৫০ টাকা
  2. ১৩৭৫ টাকা
  3. ১৪০০ টাকা
  4. ১৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি দেওয়াল ঘড়ি ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ২১০ টাকা বেশি হলে বিক্রেতার ৫% লাভ হতো। দেওয়াল ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা
৫% লাভে, বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা
বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ - ৯০ = ১৫ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা বেশি হয় যখন ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হয় যখন ক্রয়মূল্য = ১০০/১৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ২১০ টাকা বেশি হয় যখন ক্রয়মূল্য = (১০০/১৫) × ২১০
= ১৪০০ টাকা

১০৬.
  1. 3
  2. 2
  3. 1
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
a + (1/a) = 2 
⇒ (a2 + 1)/a = 2
⇒ a2 + 1 = 2a
⇒ a2 - 2a + 1 = 0
⇒ (a - 1)2 = 0
⇒ a - 1= 0
∴ a = 1

এখন, 
1/(a6 - a3 + 1) = 1/(16 - 13 + 1)
= 1/(1 - 1 + 1)
= 1/1
= 1
১০৭.
৫ + ৯ + ১৩ + ১৭ +........................... ধারাটিতে কততম পদ ১৭৩?
  1. ৪২ তম
  2. ৪৩ তম
  3. ৪১ তম
  4. ৪৪ তম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ + ৯ + ১৩ + ১৭ +........................... ধারাটিতে কততম পদ ১৭৩?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রথম পদ, a = ৫
সাধারণ অন্তর, d = ৯ - ৫ = ৪
n তম পদ = ১৬৯

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - ১)d
⇒ ১৭৩ = ৫ + (n - ১)৪
⇒ ১৭৩ = ৫ + ৪n - ৪
⇒ ৪n = ১৭২
⇒ n = ১৭২/৪
∴ n = ৪৩

১০৮.
15m2 + 8m - 16 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. (5m - 4)(3m - 4)
  2. (3m - 6)(3m + 4)
  3. (5m - 4)(3m + 2)
  4. (5m - 4)(3m + 4)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 15m2 + 8m - 16 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কোনটি?

সমাধান:
15m2 + 8m - 16
= 15m2 + 20m - 12m - 16
= 5m(3m + 4) - 4(3m + 4)
= (5m - 4)(3m + 4)
১০৯.
কোনো ত্রিভুজের একটি বাহু উভয় দিকে বাড়ালে উৎপন্ন দুটি বহিঃস্থ কোণ পরস্পর সমান হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের?
  1. সমদ্বিবাহু
  2. সমকোণী
  3. বিষমবাহু
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো ত্রিভুজের একটি বাহু উভয় দিকে বাড়ালে উৎপন্ন দুটি বহিঃস্থ কোণ পরস্পর সমান হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের?

সমাধান:
- একটি ত্রিভুজের একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে বহিঃস্থ কোণগুলো সমান হলে ত্রিভুজের অন্তস্থ কোণগুলোও সমান হয়।
- এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে ত্রিভুজটির অন্তত দুটি বাহু পরস্পর সমান।
সঠিক উত্তরঃ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ। সমবাহু হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

১১০.
যদি p একটি বিজোড় সংখ্যা হয়, তাহলে নিচের কোনটি বিজোড় সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 3(p + 2)
  2. (9p + 3)
  3. (5p + 2)
  4. p2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি p একটি বিজোড় সংখ্যা হয়, তাহলে নিচের কোনটি বিজোড় সংখ্যা হতে পারে না?

সমাধান:
ধরি,
p = 3 (বিজোড় সংখ্যা)

⇒ 3(p + 2) = 3 × (3 + 2) = 15; যা বিজোড় সংখ্যা
⇒ (9p + 3) = 9 × 3 + 3 = 30; ইহা বিজোড় সংখ্যা নয়।
⇒ (5p + 2) = 5 × 3 + 2 = 17; যা বিজোড় সংখ্যা
⇒ p2 = 32 = 9; যা বিজোড় সংখ্যা
১১১.
একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. 7/13
  2. 4/13
  3. 3/4
  4. 9/13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?

সমাধান:
একটি প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = 52 টি
রুইতন তাসের সংখ্যা = 13 টি
রাজার সংখ্যা = 4 টি
অনুকূল ঘটনা = 13 + (4 - 1) টি [1টি রাজা রুইতনে গণনা করা হয়েছে তাই]
= 16

∴ তাসটি রুইতন বা রাজা হওয়ার সম্ভাব্যতা = 16/52 = 4/13

∴ তাসটি রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা = 1 - (4/13)
= 9/13

১১২.
  1. 6/17
  2. 11/6
  3. 9/5
  4. 14/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১১৩.
একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৩ সে.মি. এবং উচ্চতা ১০ সে.মি. হলে, সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৬৪π বর্গ সে.মি.
  2. ৫৬π বর্গ সে.মি.
  3. ৭৮π বর্গ সে.মি.
  4. ৪২π বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৩ সে.মি. এবং উচ্চতা ১০ সে.মি. হলে,  সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ, r = ৩ সে.মি.
উচ্চতা, h = ১০ সে.মি.

আমরা জানি,
সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
= ২π × ৩(৩ + ১০)
= ২π × ৩৯
= ৭৮π বর্গ সে.মি.

১১৪.
'JUMBLE' শব্দটিকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যেন শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়?
  1. ৩৬০
  2. ২৪০
  3. ১২০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'JUMBLE' শব্দটিকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যেন শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হয়?

সমাধান:
'JUMBLE' শব্দটিতে মোট ৬টি বর্ণ রয়েছে।
যেহেতু শব্দগুলো স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হবে তাহলে ১ম ঘরে U অথবা E বসবে।
১ম ঘর বাদে বাকি ৫ ঘর ৫টি বর্ণ দিয়ে সাজানো যাবে ৫P৫ = ৫! = ১২০ উপায়ে

∴ মোট সাজানোর উপায় = ২ × ১২০ = ২৪০

১১৫.
M = {x ∈ N : 4x < 20} হলে, M এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
  1. 16 টি
  2. 15 টি
  3. 8 টি
  4. 7 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: M = {x ∈ N : 4x < 20} হলে, M এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

সমাধান: 
M = {x ∈ N : 4x < 20}
4x < 20
x < 5
অর্থাৎ 5 এর চেয়ে ছোট সকল স্বাভাবিক সংখ্যা হলো M সেটের উপাদান।
∴ M = {1, 2, 3, 4}

M সেটের উপসেট সংখ্যা = 24 = 16
∴ প্রকৃত উপসেট সংখ্যা = 16 - 1 = 15 টি
১১৬.
'Curtain' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. সংক্ষিপ্ত
  2. প্রথা
  3. বিস্তারিত
  4. পর্দা
ব্যাখ্যা

Curtain  (noun) - (দরজা-জানালার) পর্দা।
- (মঞ্চের) যবনিকা; পর্দা।
- আবরণ

এছাড়া, 
Custom - প্রথা
Curtail - সংক্ষিপ্ত
Detail - বিস্তারিত

সূত্র:
১. প্রশাসনিক পরিভাষা (বাংলা একাডেমি)
২. Accessible Dictionary by Bangla Academy

১১৭.
9, 36, 81, 144, 225, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. 342
  2. 315
  3. 324
  4. 314
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9, 36, 81, 144, 225, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে,
3 × 3 = 9
6 × 6 = 36
9 × 9 = 81
12 × 12 = 144
15 × 15 = 225
18 × 18 = 324

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি = 324

১১৮.
যদি '+' দ্বারা গুণ, '÷' দ্বারা বিয়োগ, '-' দ্বারা যোগ, '×' দ্বারা ভাগ বুঝায় তাহলে ​
৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ = কত?
  1. ৪৫
  2. ৬০
  3. ২৫
  4. ৩০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি '+' দ্বারা গুণ, '÷' দ্বারা বিয়োগ, '-' দ্বারা যোগ, '×' দ্বারা ভাগ বুঝায় তাহলে 
​৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ = কত?

সমাধান:
৫৫ × ৫ + ২ - ৯ ÷ ৬ কে লিখতে হবে,
৫৫ ÷ ৫ × ২ + ৯ - ৬
= ১১ × ২ + ৯ - ৬
= ২২ + ৯ - ৬
= ৩১ - ৬
= ২৫

১১৯.
Honey : Hive :: Ore : ?
  1. Mineral
  2. Clay
  3. Plant
  4. Powder
ব্যাখ্যা

Honey - মধু।
Hive - বাক্স; মধুকোষ।

সম্পর্ক: Hive বা মধুকোষ এ Honey থাকে।

Ore - আকরিক।
Mineral - বিশেষ যেসব পদার্থের রাসায়নিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে; খনিজ; আকরিক।

সম্পর্ক: Mineral বা খনিজ পদার্থে এ Ore বা আকরিক পাওয়া যায়।

Other options,
Clay - কাদামাটি; এঁটেলমাটি 
Plant - উদ্ভিদ; চারাগাছ; 
Powder - চূর্ণ;

১২০.
প্রদত্ত সিরিজের পরবর্তী চিত্র কোনটি হবে?

  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত সিরিজের পরবর্তী চিত্র কোনটি হবে?

সমাধান:
উপরে প্রদত্ত চিত্রগুলির ভিত্তিতে আমরা পাই,
প্রতিটি পরবর্তী চিত্রে তিনটি ছোট স্কোয়ার অ্যান্টিক্লকওয়াইজ দিক দিয়ে চলে যায়।
তাহলে, চিত্র (4) প্রশ্ন চিত্রে ? এর স্থানে আসবে। 
১২১.
SECOND-এর কোড যদি IWYMNX হয় তাহলে AVENUE-এর কোড কী হবে?
  1. AFWNGW
  2. ZFWMGM
  3. GFKMGM
  4. FKGMGM
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: SECOND-এর কোড যদি IWYMNX হয় তাহলে AVENUE-এর কোড কী হবে?

সমাধান:

ইংরেজি বর্ণগুলোকে Ascending ও Descending অর্ডারে সাজিয়ে তার পরের বর্ণটি নিয়ে পাই,
SECOND = 
S = H; H এর পরের বর্ণটি ⇒ I
E = V + 1 ⇒ W
C = X + 1 ⇒ Y
O = L + 1 ⇒ M
N = M + 1 ⇒ N
D = W + 1 ⇒ X

∴ AVENUE = AFWNGM
A = Z + 1 ⇒ A
V = E + 1 ⇒ F
E = v + 1 ⇒ W
N = M + 1 ⇒ N
U = F + 1 ⇒ G
E = v + 1 ⇒ W
১২২.
২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে ২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?
  1. রবিবার
  2. বৃহস্পতিবার
  3. শুক্রবার
  4. শনিবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে ২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি কী বার হবে?

সমাধান:
অধিবর্ষ বাদে বাকি সব বছরের প্রথম দিন এবং শেষ দিন একই বার হয়।
অধিবর্ষ হলে একদিন বাড়তি যোগ করতে হয়।

২০২৫ সাল হলো অধিবর্ষ নয়।
২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি বুধবার হলে বছরের শেষ দিন বুধবার।
২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি বৃহস্পতিবার।
২০২৬ সালের শেষ দিন ও বৃহস্পতিবার।
২০২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি হবে শুক্রবার।

১২৩.
নিচের কোনটি সবচেয়ে বড়?
  1. √০.৩৬
  2. ০.৫৭
  3. (০.৮)
  4. ২/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সবচেয়ে বড়?

সমাধান:
√০.৩৬ = ০.৬
​০.৫৭
(০.৮) = ০.৬৪
​২/৩ = ০.৬৭

∴ সবচেয়ে বড় হলো ২/৩।
১২৪.
সামিয়ার বয়স ১৬ বছর। তার বয়স তার ভাইয়ের বয়সের ৪গুণ। সামিয়ার বয়স যখন তার ভাইয়ের বয়সের ২গুণ হবে তখন সামিয়ার বয়স কত হবে?
  1. ২০ বছর
  2. ২৪ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সামিয়ার বয়স ১৬ বছর। তার বয়স তার ভাইয়ের বয়সের ৪গুণ। সামিয়ার বয়স যখন তার ভাইয়ের বয়সের ২গুণ হবে তখন সামিয়ার বয়স কত হবে?

সমাধান:
সামিয়ার বয়স ১৬ বছর
∴ ভাইয়ের বয়স = ১৬/৪ বছর = ৪ বছর

ধরি,
ক বছর পর সামিয়ার বয়স তার ভাইয়ের বয়সের দ্বিগুণ হবে।
∴ ১৬ + ক = ২(৪ + ক)
বা, ১৬ + ক = ৮ + ২ক
বা, ক = ৮

∴ ভাইয়ের বয়সের দ্বিগুণ হবে যখন সামিয়ার বয়স = ১৬ + ৮ = ২৪ বছর হবে।

১২৫.
'NUMERICAL' শব্দটির পানিতে প্রতিচ্ছবি নিচের কোনটি?
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: 'NUMERICAL' শব্দটির পানিতে প্রতিচ্ছবি নিচের কোনটি?

    সমাধান:
    'NUMERICAL' শব্দটির পানিতে প্রতিচ্ছবি 
    ১২৬.
    সূর্যের নিকটতম গ্রহ-
    1. বৃহস্পতি
    2. শনি
    3. ইউরেনাস
    4. বুধ
    ব্যাখ্যা

    বুধ (Mercury):
    - বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
    - সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার;
    - এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
    - সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
    - সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
    - সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
    - বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
    - এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
    - ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।  - বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

    অন্যদিকে,
    - বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
    - শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
    - ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১২৭.
    বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয়-
    1. হাঙ্গেরি
    2. এস্তোনিয়া
    3. ফিনল্যান্ড
    4. লাটভিয়া
    ব্যাখ্যা
    - হাঙ্গেরি বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত নয়।

    • বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ সমূহ:
    - ডেনমার্ক,
    - এস্তোনিয়া,
    - ফিনল্যান্ড,
    - জার্মানি,
    - লাটভিয়া,
    - লিথুয়ানিয়া,
    - পোল্যান্ড,
    - রাশিয়া (কালিনিনগ্রাদ ও সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের মাধ্যমে),
    - সুইডেন।

    উল্লেখ্য,
    - মোট ৯টি দেশ বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী।
    - এর মধ্যে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

    উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
    ১২৮.
    ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার উচুঁ ভূমি-
    1. মধুপুর গড়
    2. ভাওয়ালের গড়
    3. বরেন্দ্রভূমি
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা
    মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: 
    - টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার উচুঁ ভূমি মধুপুর গড়।
    - গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
    - এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
    - সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
    - মাটির রং লালচে ও ধূসর।

    উল্লেখ্য,
    - প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকালবলে।
    - উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
    - প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ১২৯.
    আগ্নেয় পর্বতের আরেক নাম কী?
    1. অববাহিকা পর্বত
    2. ভাঁজজাত পর্বত
    3. সঞ্চয়জাত পর্বত
    4. ক্ষয়জাত পর্বত
    ব্যাখ্যা
    আগ্নেয় পর্বত: 
    - আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয় ।
    - আগ্নেয় পর্বতকে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে।
    - এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।
    - আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো-
    - ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ১৩০.
    কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়- 
    1. দুর্যোগ প্রতিরোধ
    2. দুর্যোগ প্রশমন 
    3. সাড়াদান
    4. দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি
    ব্যাখ্যা

     - সাড়াদান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:

    - সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।
    - দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
    - দুর্যোগকে কার্যত মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
    - দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
    - অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৩১.
    নিচের কোনটি অনিয়মিত বায়ু? 
    1. মেরু বায়ু 
    2. ঘূর্ণিবাত বায়ু 
    3. পশ্চিমা বায়ু 
    4. সাময়িক বায়ু 
    ব্যাখ্যা

     অনিয়মিত বায়ু:
    - কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।
    - এই অনিয়মিত বায়ু মূলত দুই প্রকার যথা:
    - ঘূর্ণিবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

    অন্যদিকে,
    - নিয়ত বায়ু: নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
    - নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
    - সাময়িক বায়ু: কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়।
    - সাময়িক বায় দুই ধরনের যথা মৌসুমি বায়ু এবং স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩২.
    পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ-
    1. পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি
    2. পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান
    3. পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
    4. বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা
    • পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ-
    - পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি;
    - পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ;
    - পৃথিবীর অবিরাম আবর্তন ও পরিক্রমণ গতি;
    - পৃথিবীর মেরুরেখার সর্বদা একই মুখে অবস্থান;
    - পৃথিবীর কক্ষপথে কৌণিক অবস্থান।

    এছাড়াও,
    - সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবী আপন মেরুরেখায় কক্ষপথের সঙ্গে ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে।
    - পৃথিবী ৬৬.৫° কোণ করে চলার কারণে ২১এ মার্চ সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
    - উত্তর গোলার্ধে ২১ এ জুন দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয়।
    - ২৩ এ সেপ্টেম্বর পুনরায় ২১ এ মার্চের মতো সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেদিন সর্বত্র দিবারাত্রি সমান থাকে।
    - ২২ এ ডিসেম্বর সূর্য এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ১৩৩.
    নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালে শুরুতে কোন ধরণের বৃষ্টিপাত হয়? 
    1. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
    2. পরিচলন বৃষ্টিপাত
    3. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত
    4. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত
    ব্যাখ্যা

    - নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

    বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:

    - ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
    - বৃষ্টিপাতকে প্রধানত ৪টি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    - পরিচলন বৃষ্টিপাত
    - শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
    - ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত
    - সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত

    • পরিচলন বৃষ্টিপাত (Conventional Rainfall):
    - ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
    - এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে। এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত।
    - পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়।
    - নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
    - নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়।
    - এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
    - হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়।
    - নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
    - নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।


    ১৩৪.
    নৈতিকতার নিয়ন্ত্রক কোনটি? 
    1. আইন ও বিধি
    2. বিবেক ও মূল্যবোধ
    3. সততা ও নিষ্ঠা
    4. সমাজ ও রাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    নৈতিকতা: 
    - রক্ষাকবচ: নৈতিকতার রক্ষাকবচ বিবেকের দংশন।
    - নৈতিকতার মৌলিক লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ সাধন।
    - নৈতিকতার নিয়ন্ত্রক হলো বিবেক ও মূল্যবোধ।
    - নৈতিক শিক্ষা প্রাথমিক ভাবে পরিবারে শুরু হয়।
    - নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।

    উল্লেখ্য, 
    - নৈতিকতার ইংরেজী প্রতিশব্দ Morality.
    - নীতবিদ ম্যুর বলেন: শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৩৫.
    অপরের বক্তব্য ও অধিকারকে সম্মান দেখানো কী নির্দেশ করে?
    1. নৈতিক শিক্ষা
    2. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
    3. সামাজিক মূল্যবোধ
    4. রাজনৈতিক অধিকার
    ব্যাখ্যা

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ: 
    - সমাজে বসবাসের জন্য মূল্যবোধ অপরিহার্য।
    - একে অপরের সাথে আন্ত:সম্পর্কের মূল ভিত্তিই হল এই মূল্যবোধ।
    - মূল্যবোধহীন ব্যক্তি সমাজের জন্য বিপদস্বরূপ।
    - অন্যদিকে গণতন্ত্রের মূল কাজ হল ব্যক্তি স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিতকরা।
    - একজনের অধিকার ও স্বাধীনতা অন্যের উপর নির্ভরশীল,
    - যা বজায় রাখার জন্য পারস্পরিক মূল্যবোধ প্রয়োজন।
    - অপরের বক্তব্য ও অধিকারকে সম্মান দেখানোর অর্থই হল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ১৩৬.
    ’সরকারি চাকরি লাভ’ কোন ধরনের অধিকার? 
    1. সামাজিক অধিকার
    2. রাজনৈতিক অধিকার
    3. অর্থনৈতিক অধিকার
    4. কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা

    রাজনৈতিক অধিকার:
    - রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের জন্য নাগরিকরা যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।যেমন-
    - ভোটদান,
    - নির্বাচনে অংশগ্রহণ,
    - সরকারি চাকরি লাভ,
    - সরকারি কাজের সমালোচনা,
    - আবেদন করা রাজনৈতিক অধিকার।

    সামাজিক অধিকার:
    - জীবন রক্ষা, মত প্রকাশ, চলাফেরা, বিনা বিচারে আটক না হওয়া,সংঘবদ্ধ হওয়া,
    - সভা-সমিতি, চুক্তি স্থাপন, সম্পত্তি ভোগ, আইনের চোখে সমতা লাভ, শিক্ষা লাভ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
    - পরিবার গঠন, নিজ-নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার অধিকার।

    অর্থনৈতিক অধিকার:

    - কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিক, অবকাশ যাপন প্রভৃতি অর্থনৈতিক অধিকার। 
    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৭.
    ’Human Society in Ethics and Politics’ গ্রন্থের রচিয়তা? 
    1. ইমানুয়েল কান্ট
    2. জন স্টুয়ার্ট মিল
    3. জন লক
    4. বার্ট্রান্ড রাসেল
    ব্যাখ্যা

    - ’Human Society in Ethics and Politics, গ্রন্থের রচিয়তা বার্ট্রান্ড রাসেল।

    • বার্ট্রান্ড রাসেল: 

    - ১৯৫০ সালে সাহিত্য ক্ষেত্রে Nobel Prize লাভ করেন।
    - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্যাসিফিজমের কারণে ক্যামব্রিজ থেকে পদত্যাগ;
    - ১৯১৮ সালে কারাগারে লেখেন Introduction to Mathematical Philosophy.


    • বাট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো-
    - The Elements of Ethics,
    - Human Society in Ethics and Politics,
    - Moral and others,
    - Power: A New Social Analysis,
    - Political Ideals,
    - Introduction to Mathematical Philosophy etc.

    উৎস: ব্রিটানিকা।