পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কোনটি সুশাসনের মূলসূত্র হিসেবে কাজ করে?
  1. জবাবদিহিতা
  2. উদারনীতি
  3. মানবাধিকার
  4. প্রশাসনিক দক্ষতা
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও জবাবদিহিতা:
- 'জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ' সুশাসনের একটি মৌলিক উপাদান।
- জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি এবং অপব্যবহার বৃদ্ধি পেতে পারে।
- সুশাসনের মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা।
- জবাবদিহিতা সুশাসনের মূলসূত্র, কারণ এটি সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতেই স্বচ্ছতা বজায় রাখে।

উল্লেখ্য 
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দায়বদ্ধ থাকতে হয় এবং জনগণের কাছে তাদের কার্যক্রমের ব্যাখ্যা প্রদান করতে হয়।
- জনগণ জানতে পারে যে সরকার এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তাদের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল কী।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
নিচের কোনটি সুশাসনের জন্য আবশ্যক নয়?
  1. জবাবদিহিতা
  2. সামরিক শাসন
  3. আইনের শাসন
  4. মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

- সুশাসনের জন্য আবশ্যক নয় সামরিক শাসন। 

- সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- একটি সমাজে যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, কর্তব্যপরায়ণতার মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিশ্চিত হয় তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরমত সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, অন্যের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গুলোও সুশাসনের জন্য আবশ্যক।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের প্রধান সুফল কোনটি?
  1. নৈতিক গুণাবলির বিকাশ
  2. প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি
  3. দুর্নীতির প্রসার
  4. অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের সুফল:
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের প্রধান সুফল হলো নৈতিক গুণাবলির বিকাশ।
- মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষের মধ্যে সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত আচরণের প্রেরণা জাগিয়ে তোলে,
- এটা সমাজে শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
- সুশাসন নিশ্চিত হলে মানুষ সৎ, দায়িত্বশীল ও নৈতিকভাবে সঠিক কাজ করতে উৎসাহী হয়, ফলে সমাজে নৈতিকতার মান উন্নত হয় এবং অপরাধ ও দুর্নীতির হার কমে।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি ন্যায়সংগত, সুশৃঙ্খল ও নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করার মূল উপাদান নয় কোনটি?
  1. ন্যায়বিচার
  2. বিশৃঙ্খলা
  3. ঔচিত্যবোধ
  4. সহনশীলতা
ব্যাখ্যা
সামাজিক মূল্যবোধ:
- সমাজবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ই.মেরিল এর মতে, ‘‘সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য আচরণ সংরক্ষণ করা, যা মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করে।
- যে চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাই সামাজিক মূল্যবোধ।
- বড়দের সম্মান করা, সহনশীলতা, দানশীল হওয়া, আতিথেয়তা ইত্যাদি হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধ।
- সামাজিক মূল্যবোধ সমাজে মানুষের আচরণের মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।

• সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান হলো:
- ন্যায়বিচার,
- আইনের শাসন,
- নৈতিকতা,
- সাম্য,
- সহনশীলতা,
- সহমর্মিতা,
- শ্রমের মর্যাদা,
- ঔচিত্যবোধ,
- শৃঙ্খলাবোধ,
- নাগরিক চেতনা ও
- কর্তব্যবোধ ইত্যাদি।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের দায়িত্ব কোনটি?
  1. আইন অমান্য করা
  2. সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ
  3. নিয়মিত কর প্রদান করা
  4. স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা
ব্যাখ্যা
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত করা যায়।
- নাগরিক কর্তব্য যেমন-নির্বাচনে অংশগ্রহণ, যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন, তথ্য অধিকার বাস্তবায়নে আইনের দারস্থ হওয়া, সরকারকে জবাবদিহি করা, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সরকারকে সহযোগিতা করা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা ও নিয়মিত কর প্রদান করে সরকারি সেবা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে সুশাসন নিশ্চিত করা যেতে পারে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতিপ্রবণতার জন্য প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কোনটিকে?
  1. অর্থনৈতিক বৈষম্য
  2. স্বচ্ছতার অভাব
  3. অসৎ নেতৃত্ব
  4. নৈতিকতার অভাব
ব্যাখ্যা
- নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব সমাজের শাসন ও প্রশাসনে দুর্নীতি বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

দুর্নীতি এবং নৈতিকতা:

- সাধারণভাবে দুর্নীতি বলতে আইন ও নীতির বিরুদ্ধ কাজকে বুঝায়।
- দুর্নীতির সাথে পেশা, সুেযাগ-সুবিধা, পদবি, ক্ষমতা, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি বিষয় গভীরভাবে জড়িত.
- নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব সমাজের শাসন ও প্রশাসনে দুর্নীতি বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
- কারণ এটি ব্যক্তির আচরণ এবং সমাজের সামগ্রিক মানকে প্রভাবিত করে।
- যখন ব্যক্তিরা সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না বা নৈতিকভাবে দুর্বল হয়,
- তখন তারা দুর্নীতির দিকে ঝুঁকতে পারে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে যে ধরনের মূল্যবোধ চর্চা করা জরুরি - 
  1. অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
  2. সামাজিক মূল্যবোধ
  3. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা দ্বারা সকলের মধ্যে জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- একটি সমাজে যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, কর্তব্যপরায়ণতার মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিশ্চিত হয় তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরমত সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, অন্যের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোও সুশাসনের জন্য আবশ্যক।

সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো হলো: 
- আইনের শাসন,
- ন্যায়পরায়ণতা,
- সচেতনাবোধ সৃষ্টি,
- পরমত সহিষ্ণুতা,
- স্বচ্ছতা, 
- দায়বদ্ধতা।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অধিকার অবাধ হলে -
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে
  2. নৈতিকতা বৃদ্ধি পাবে
  3. স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠিত হবে
  4. সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে
ব্যাখ্যা
- অধিকার অবাধ হলে স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠিত হবে। 

অধিকার:

- অধিকার প্রধানত ২ প্রকার।
- সকল অধিকারের উৎস হচ্ছে - রাষ্ট্র।
- অধিকারের প্রধান রক্ষাকবচ হচ্ছে - আইন।
- অধিকার অবাধ হলে স্বেচ্ছাচার প্রতিষ্ঠিত হবে। 
- মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ - সংবিধান।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।