পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২৩ আগস্ট, ২০২৩সময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পদের নাম: অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১৮.০৮.২০২৩ --------------------------- [For iPad Mania]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২৩ আগস্ট, ২০২৩ · ৪০ প্রশ্ন

.
ব্রেইল পদ্ধতি ব্যবহার করে-
  1. ক) শ্রবণ প্রতিবন্ধীরা
  2. খ) দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা
  3. গ) মানসিক প্রতিবন্ধীরা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ব্রেইল পদ্ধতি: 
-  অন্ধ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য পড়া ও লেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
-  এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল। 
- ব্রেইল পদ্ধতি হলো কাগজের ওপর ছয়টি বিন্দুকে ফুটিয়ে তুলে লিখবার একটি পদ্ধতি। 
- দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা এই পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নীত বা উত্তল বিন্দুগুলোর ওপর আঙ্গুল বুলিয়ে ছয়টি বিন্দুর নকশা অনুযায়ী কোনটি কোন্‌ অক্ষর তা' অনুধাবন করতে সক্ষম হয় এবং লেখার অর্থ বুঝতে পারে। 

- ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারী প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামক একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাকে সম্মান জানাতেই তার জন্মদিনে ব্রেইল দিবস পালন করা হয়।
- ব্রেইল তিন বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যাবার পর বিশ বছর বয়সে অন্যান্য অন্ধ ব্যক্তিদেরকে শিক্ষা দিতে অগ্রসর হন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন । 
- তবে সে সময়ের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা প্রথমদিকে এই মোটা কাগজে ডটের সাহায্যে লেখা পড়ার পদ্ধতিটি অনুধাবন করতে পারেনি।
- ব্রেইলের নিরলস অধ্যাবসায়ে আজ অন্ধদের পৃথিবী দেখাচ্ছে এ পদ্ধতিটি। 
- বর্তমানে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় ব্রেইল পদ্ধতিটিকে নিজস্ব ভাষায় উপযোগী করে তৈরী করেছে।
 
What is Braille?
Braille is a tactile representation of alphabetic and numerical symbols using six dots to represent each letter and number, and even musical, mathematical and scientific symbols. Braille (named after its inventor in 19th century France, Louis Braille) is used by blind and partially sighted people to read the same books and periodicals as those printed in a visual font. (The United Nations). 

উৎস : প্রথম আলো, জাতিসংঘ।
.
বাংলা কার বর্ণের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা
• বাংলায় কার বর্ণের সংখ্যা- ১০ টি। 
যেমন - আ - কার, ই - কার, ঈ - কার, উ - কার, ঊ - কার, ঋ - কার, এ - কার, ঐ - কার, ও - কার, ঔ - কার। 

- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ছাব্বিশটি (২৬)।
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা সাতটি (৭)।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ১টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি (৬)।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ৪টি। 

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায় তাকে কোন সমাস বলে?
  1. ক) দ্বিগু সমাস
  2. খ) তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) বহুব্রীহি সমাস
  4. ঘ) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস-
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন,
- সমান উদর যার = সহোদর,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি।

• কর্মধারয় সমাস-
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন- 
শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।

• দ্বন্দ্ব সমাস-
দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন-
'সোনা-রূপা' সমস্ত পদের ব্যাসবাক্য সোনা ও রূপা। 

• অব্যয়ীভাব সমাস-
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তবে থাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়।
যেমন : উপকূল = কূলের সমীপে, প্রতিদিন = দিন দিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটিতে বিসর্গ ‘ও’ হয়ে গেছে?
  1. ক) নীরোগ
  2. খ) আরোগ্য
  3. গ) তিরোধান
  4. ঘ) ভৌগোলিক
ব্যাখ্যা
• বিসর্গসন্ধি: 
- বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন - 

১. বিসর্গ বিদ্যমান থাকে। 
যেমন - মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ + পতন = অধঃপতন, বয়ঃ + সন্ধি = বয়ঃসন্ধি। 

২. বিসর্গ ‘ও’ হয়ে যায়। 
যেমন - মনঃ + যোগ = মনোযোগ, তিরঃ + ধান = তিরোধান, তপঃ + বন = তপোবন। 

৩. বিসর্গ ‘র্’ হয়ে যায়। 
যেমন - নিঃ + আকার = নিরাকার, পুনঃ + মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ। 

৪. বিসর্গ শ/ষ/স্ হয়। 
যেমন - নিঃ + চয় = নিশ্চয়, দুঃ + কর = দুষ্কর, পুরঃ + কার = পুরস্কার। 

৫. কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়। 
যেমন - নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস, নিঃ + রোগ = নীরোগ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
অর্থের সংগতি রাখার জন্য উক্তি পরিবর্তনের সময়ে কোন পদের পরিবর্তন প্রয়োজন হয়?
  1. ক) সর্বনাম
  2. খ) বিশেষ্য
  3. গ) বিশেষ
  4. ঘ) অনুসর্গ
ব্যাখ্যা
• অর্থের সংগতি রাখার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত সর্বনামের পরিবর্তন প্রয়োজন হয়।
যেমন-
প্রত্যক্ষ উক্তি: রাজীব বললো, “আমি বাগান করা পছন্দ করি।”
পরোক্ষ উক্তি: রাজীব বললো যে, সে বাগান করা পছন্দ করে।

প্রত্যক্ষ উক্তি: মিহির বললো, “আমার জানামতে সবুজ এ বাসায় থাকে।”
পরোক্ষ উক্তি: মিহির বললো যে, তার জানামতে সবুজ সে বাসায় থাকতো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
‘আসাদের শার্ট’ কবিতার রচয়িতা কে?
  1. ক) ওবায়দুল্লাহ জাফর
  2. খ) শামসুর রাহমান
  3. গ) শামসুদ্দিন আল আজাদ
  4. ঘ) প্রথম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
শামসুর রাহমান রচিত বিখ্যাত কিছু কবিতা: 
- ''হাতির শুড়'' - - স্বৈরশাসক আয়ুব খানকে বিদ্রুপ করে লেখা,
- ''টেলেমেকাস'' - - ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কারাবন্দী হলে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা,
- ''বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা'' - - ১৯৬৮ সালে অভিন্ন রোমান হরফে পাকিস্তানের সব ভাষার বর্ণমালা লেখার প্রস্তাব করার প্রেক্ষিতে লেখা,
- ''আসাদের শার্ট'' - - গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে গুলিতে আসাদ নিহত হলে তার রক্তমাখা শার্ট নিয়ে মিছিল নিয়ে লেখা,
- ''স্বাধীনতা তুমি'', ''তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা'' ইত্যাদি।

আসাদের শার্ট- কবিতা, 
-------- শামসুর রাহমান। 

গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের
জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট
উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায় ।


বোন তার ভায়ের অম্লান শার্টে দিয়েছে লাগিয়ে
নক্ষত্রের মতো কিছু বোতাম কখনো
হৃদয়ের সোনালী তন্তুর সূক্ষতায়
বর্ষীয়সী জননী সে-শার্ট
উঠোনের রৌদ্রে দিয়েছেন মেলে কতদিন স্নেহের বিন্যাসে ।


ডালীম গাছের মৃদু ছায়া আর রোদ্দুর- শেভিত
মায়ের উঠোন ছেড়ে এখন সে-শার্ট
শহরের প্রধান সড়কে
কারখানার চিমনি-চূড়োয়
গমগমে এভেন্যুর আনাচে কানাচে
উড়ছে, উড়ছে অবিরাম
আমাদের হৃদয়ের রৌদ্র-ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠে,
চৈতন্যের প্রতিটি মোর্চায় ।


আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখন্ড বস্ত্র মানবিক ;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা ।

উৎস: শামসুর রাহমানের কবিতা সংকলন ও বাংলাপিডিয়া। 
.
‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
• 'গীতাঞ্জলি' ও  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) রচিত অন্যতম একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা গীতাঞ্জলি (রচনাকাল, ১৯০৮-১৯০৯) কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদগ্রন্থ The Song Offerings।
- বাংলা গীতাঞ্জলি হলো ১৫৭টি গীতিকবিতার সংকলন আর ইংরেজি গীতাঞ্জলী হলো ১০৩ টি গীতি কবিতার সংকলন।
- বাংলা গীতাঞ্জলী থেকে ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে ৫৩টি কবিতা/গানকে স্থান দিয়েছেন। অবশিষ্ট ৫০টি কবিতা/গান নিয়েছেন ৯টি কাব্যগ্রন্থ থেকে, যেমন-গীতিমাল্য থেকে ১৬টি, নৈবেদ্য থেকে ১৫টি, খেয়া থেকে ১১টি, শিশু থেকে ৩টি, কল্পনা থেকে ১টি, চৈতালি থেকে ১টি, উৎসর্গ থেকে ১টি, স্মরণ থেকে ১টি এবং অচলায়তন নাটক থেকে ১টি।

রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী,
- সোনার তরী, 
- চিত্রা ,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা। 
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) সিকান্দার আবু জাফর
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. ঘ) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের গান:
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 
- গানটির সুরকার হলেন আনোয়ার পারভেজ।

এছাড়াও,
- গোবিন্দ হালদার একটি ফুলকে বাচাবো বলে, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, পূর্বদিগন্তে সূর্য উঠেছে প্রভৃতি গানের রচয়িতা।
- সব কটা জানালা খুলে দাও না গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।
- জনতার সংগ্রাম চলবেই গানটি সিকান্দার আবু জাফর রচিত।
- সালাম সালাম হাজার সালাম গানটি ফজলে এ খোদা রচিত।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধে সাংস্কৃতিক প্রণোদনা : গান, দৈনিক ভোরের কাগজ, ৩০ মে ২০১৯, দৈনিক প্রথম আলো।
.
জসীমউদ্দীন রচিত ‘নিমন্ত্রণ’ কবিতাটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মাটির কান্না
  2. খ) ধানখেত
  3. গ) বালুচর
  4. ঘ) রাখালী
ব্যাখ্যা
⇒ জসীমউদ্দীন:
- জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। 

• কবি জসীমউদ্দীনের 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটি 'ধানক্ষেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে।

• ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
• জসীমউদ্দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা।
১১.
He is ....... European.
  1. ক) the
  2. খ) a
  3. গ) an
  4. ঘ) none of them
ব্যাখ্যা
♦ Article:
- A, An & The কে article বলে।
- এরা noun কে qualify করে।
-  Article দুই প্রকার।
- যেমন: 1. Indefinite: A, An 2. Definite: The

• Article এর নিয়মানুযায়ী শব্দের শুরুতে যদি vowel/ vowels থাকে এবং তা যদি ইউ (u) এর মত উচ্চারিত হয় তার পূর্বে a বসে।
- যেমন: a ewe, a European, a uniform etc.
- She wears a uniform.
১২.
'Swimming' is a good exercise, here 'swimming' is-
  1. ক) Gerund
  2. খ) Verbal Noun
  3. গ) Participle
  4. ঘ) Adjective
ব্যাখ্যা
♦ Gerund:
- কোন বাক্যে Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun।
- Preposition এর object হিসেবে Verb+ing বসলে তা Gerund হয়।
- Gerund দ্বারা স্থির অবস্থা বা কাজ বোঝায়।

যেমন:
- Swimming is a good exercise.
- Reading books is my hobby.
- Reading is an excellent habit.
- I have no objection to walking.
- Walking is a good habit.
- I like dancing.
১৩.
The old man died ....... cancer.
  1. ক) in
  2. খ) of
  3. গ) for
  4. ঘ) by
ব্যাখ্যা
♦ রোগে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে Died of ব্যবহৃত হয়।

• die of (disease): He died of cholera/cancer.
• die from (effect): He died from snake bite/ over eating.
• die for (shake / cause): He died for his country.
• die in (place / month / year): He died in 1950. / He died in London. / He died in a hospital in Dhaka.
• die in (accident): He died in a train accident.
• die on (name of day /spot death): He died on the spot. / He died on Monday.
• die at(time): He died at 9–30 a m.
• die between (time): He died between 9 a m to 9–30 a m.
• die within (time): He died within five minutes.
১৪.
He ran fast lest he ..... miss the bus.
  1. ক) should
  2. খ) may
  3. গ) could
  4. ঘ) did not
ব্যাখ্যা
♦ Lest:
- Meaning: ‘পাছে ভয় হয় যে’।
- Lest negative অর্থ প্রদান করে।
- অতএব Lest দ্বারা যে clause আরম্ভ হয় তাতে no বা not বসে না।
- Lest দ্বারা যে clause শুরু হয় তার পরে should/ might বসে।

Source: Advanced Learner's HSC by Chowdhury & Hossain.
১৫.
Which of the following is the synonym of 'benefit'?
  1. ক) Basement
  2. খ) Favour
  3. গ) Drawback
  4. ঘ) Injury
ব্যাখ্যা
♦ Benefit:
Meaning: উপকার; লাভ; মঙ্গল; সুবিধা; সুফল ,উপকৃত হওয়া বা লাভবান হওয়া

অন্য অপশন,
-  Basement: ভিত্তি
- Favour: অনুগ্রহ; সুনজর, সহায়; সমর্থন; আনুকূল্য, প্রশ্রয়; পক্ষপাতিত্ব
-  Drawback: অসুবিধা; বাধা
- Injury: অপকার; ক্ষতি; অনিষ্ট; আহত; পীড়া।

অর্থগুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Benefit শব্দটির সাথে Favour শব্দটির অর্থের মিল আছে তাই Benefit এর synonym হবে Favour.
১৬.
Choose the correctly spelled word -
  1. ক) Survaillance
  2. খ) Survellance
  3. গ) Surveilance
  4. ঘ) Surveillance
ব্যাখ্যা
♦ Surveillance: 
English meaning: the act of carefully watching a person suspected of a crime or a place where a crime may be committed.
Bangla meaning: সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপর কড়ানজর; পাহারা
১৭.
It has been raining ....... Monday last.
  1. ক) from
  2. খ) for
  3. গ) since
  4. ঘ) on
ব্যাখ্যা
♦ Preposition এর ক্ষেত্রে:
- নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে since বা from বসবে।
- Since দ্বারা শুধু অতীতের নির্দিষ্ট সময় বুঝায়।

- Point of time এর পূর্বে since বসে।
- Point of time হচ্ছে সেই সময়কাল যাকে এক, দুই, তিন ইত্যাদি গণনার একক দ্বারা গণনা করা যায় বরং কোনো মুহূর্ত বা সময়কে নির্দেশ করে।
- যেমন- গত সোমবার, গত সপ্তাহ/মাস/বছর, দুইটা, সাড়ে তিনটা ইত্যাদি।
১৮.
We all should stand ...... our decision.
  1. ক) at
  2. খ) by
  3. গ) with
  4. ঘ) along
ব্যাখ্যা
♦ Preposition এর ক্ষেত্রে,

• Stand by something:
Meaning: to continue doing what you said you would when you made a decision, agreement, or promise.

Source: Cambridge Dictionary.
১৯.
Which is the passive form of the sentence 'Panic seized the writer'.
  1. ক) The writer was seized by panic.
  2. খ) The writer was seized for panic.
  3. গ) The writer was seized with panic.
  4. ঘ) The writer was seized off panic.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তরটি হবে : The writer was seized with panic. 

• অনেক ক্ষেত্রে active voice এর subject কে passive voice এ object করার সময় by ছাড়া অন্য preposition বসে।
- যেমন : to, at, on, with ইত্যাদি। 

• প্রদত্ত sentence এর verb হচ্ছে 'seize'. Seize এর পর preposition হিসেবে 'with' ব্যবহৃত হয়। 
- এছাড়াও annoy এর পর 'with', surprise এর পর 'at', satisfy এর পর 'with', contain এর পর 'in', shock এর পর 'at' ব্যবহৃত হয়। 

Source: Advancer Learner's HSC Communicative English by Chowdhury & Hussain.
২০.
Which of the following words is singular?
  1. ক) Bushes
  2. খ) Roofs
  3. গ) Boxes
  4. ঘ) Physics
ব্যাখ্যা
♦ অপশন গুলো:

• Bushes: [plural]
- Singular form: Bush
- Meaning: গুল্ম; ঝোপ; ঝাড়

• Roofs: [plural]
- Singular form: Roof
- Meaning: ছাদ; চাল

• Boxes: [plural]
- Singular form: Box
- Meaning: বাক্স

• Physics: [Singular]
- ‘Physics’-পদার্থবিদ্যা (the name of a branch of study) plural নয়।
২১.
x - y = 2p এবং px + qy = p2 + q2 হলে (x, y) = কত?
  1. ক) (p - q, p + q)
  2. খ) (q - p, p + q)
  3. গ) (p + q, p - q)
  4. ঘ) (p + q, q - p)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - y = 2p এবং px + qy = p2 + q2 হলে (x, y) = কত?

সমাধান:
x - y = 2p...............(1)
px + qy = p2 + q2................(2)

(1) × q + (2) ⇒
xq - xq + px + qy = 2pq + p2 + q2
xp  + qx = (p + q)2
x(p + q) = (p + q)2
x = p + q

(1) ⇒
x - y = 2p
p + q - y = 2p
p + q - 2p = y
q - p = y

(x, y) = (p + q, q - p)
২২.
সৌম্য ও অলকের বর্তমান বয়স ৩৫ এবং ২৫ বছর। ১০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?
  1. ক) ৯ : ৭
  2. খ) ৭ : ৫
  3. গ) ৫ : ৩
  4. ঘ) ৩ : ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সৌম্য ও অলকের বর্তমান বয়স ৩৫ এবং ২৫ বছর। ১০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?

সমাধান:
সৌম্যের বর্তমান বয়স ৩৫ বছর
অলকের বর্তমান বয়স ২৫ বছর

১০ বছর পূর্বে সৌম্যের বয়স ছিলো = ৩৫ - ১০ = ২৫ বছর
১০ বছর পূর্বে অলকের বয়স ছিলো = ২৫ - ১০ = ১৫ বছর

 ১০ বছর পূর্বে সৌম্য ও অলকের বয়সের অনুপাত ছিল = ২৫ : ১৫
= ৫ : ৩ 
২৩.
X অক্ষরেখা থেকে (৫, ৬) বিন্দুটি কত একক দূরে অবস্থিত?
  1. ক) ১
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
- সাধারণত কোনো বস্তুর পৃষ্ঠকে তল বলা হয়।
- কোনো তলে অবস্থিত যে কোনো দুইটি বিন্দুর সংযোজক সরলরেখা যদি ঐ তলে থাকে তবে ঐ তলকে সমতল বলে।
- কোনো সমতলের উপর লম্বভাবে অবস্থিত পরস্পরচ্ছেদী দুইটি সরলরেখাকে আয়ত অক্ষ (Rectangular axes) এবং তাদের ছেদবিন্দুকে মূলবিন্দু (Origin) বলে।
- উক্ত রেখাদ্বয়ের অনুভূমিক রেখাটিকে x -অক্ষ, উলম্ব রেখাকে y -অক্ষ এবং এই সমতলকে কার্তেসীয় সমতল (Cartesian Plane) বলে।
- রেনে দেকার্ত এর নামানুসারে কার্তেসীয় সমতল নামকরন করা হয়েছে।
- সমতলে x - অক্ষ থেকে b দূরত্বে এবং y -অক্ষ থেকে a দূরত্বে কোনো বিন্দুকে (a, b) ক্রমজোড় দ্বারা চিহ্নিত করা হয় এবং একে ঐ বিন্দুর স্থানাঙ্ক বলে।



X অক্ষরেখা থেকে (৫, ৬) বিন্দুটি ৬ একক দূরে অবস্থিত ।
২৪.
২টি সংখ্যার যোগফল ৭৫ এবং একটি অপরটির ৪ গুণ। সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২টি সংখ্যার যোগফল ৭৫ এবং একটি অপরটির ৪ গুণ। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
মনেকরি 
একটি সংখ্যা = ক 
অপর সংখ্যা = ৪ক

প্রশ্নমতে
ক + ৪ক = ৭৫
বা, ৫ক = ৭৫
বা, ক = ৭৫/৫
ক = ১৫

অতএব
একটি সংখ্যা = ১৫ 
অপর সংখ্যা = ৪ × ১৫ = ৬০
২৫.
কোন প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের যোগফল ১৪ এবং বিয়োগফল ৮ হলে ভগ্নাংশটি নিচের কোনটি?
  1. ক) ৫/৯
  2. খ) ৯/৫
  3. গ) ৩/১১
  4. ঘ) ১১/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের যোগফল ১৪ এবং বিয়োগফল ৮ হলে ভগ্নাংশটি নিচের কোনটি?

সমাধান:
প্রকৃত ভগ্নাংশের লব = x
 প্রকৃত ভগ্নাংশের হর = y 

১ম শর্তমতে
x + y = 14................(1)

২য় শর্তমতে
y - x = 8..................(2)

(1) + (2) ⇒ 
x + y + y - x = 14 + 8
2y = 22
y = 11

(1) ⇒ 
x + y = 14
x + 11 = 14
x  = 14 - 11
x = 3

ভগ্নাংশটি = 3/11
২৬.
নিচের কোনটি সরলরেখার সমীকরণ নির্দেশ করে?
  1. ক) x2 + 2y + 5 =0
  2. খ) x + 2y2 + 5 = 0
  3. গ) x + 2y + 5 = 0
  4. ঘ) 2xy + 5 = 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সরলরেখার সমীকরণ নির্দেশ করে?

সমাধান: 
x + 2y + 5 = 0
⇒ 2y = - x - 5
⇒ y = (- x - 5)/2
⇒ y = (-1/2)x - (5/2)
⇒ y = (-1/2)x +{- (5/2)}; যা সরলরেখার সমীকরণ y = mx + c এর অনুরূপ।
২৭.
কোন শহরের বর্তমান জনসংখ্যা ১০ লক্ষ। এ শহরের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার প্রতি হাজারে ৩০ জন। ৩ বছর পরে জনসংখ্যা কত হবে?
  1. ক) ১০, ৯২,৭২৭ জন
  2. খ) ১০,০০,৫৫০ জন
  3. গ) ৯,৯২,৭২৭ জন
  4. ঘ) ১১,১২,৭২৭ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন শহরের বর্তমান জনসংখ্যা ১০ লক্ষ। এ শহরের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার প্রতি হাজারে ৩০ জন। ৩ বছর পরে জনসংখ্যা কত হবে?

সমাধান:
এখানে,
শহরটির বর্তমান জনসংখ্যা, P = ১০০০০০০
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, r = ৩০/১০০০ = ৩/১০০
সময়, n = ৩ বছর
সুতরাং ৩ বছর পর মোট জনসংখ্যা হবে,
C = ১০০০০০০(১ + ৩/১০০)৩
    = ১০,৯২,৭২৭ জন 
২৮.
মিজান ৮% মুনাফায় ১০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে X বছর পর ১২,৪০০ পরিশোধ করেন। X এর মান কত?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৬ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মিজান ৮% মুনাফায় ১০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে X বছর পর ১২,৪০০ পরিশোধ করেন। X এর মান কত?

সমাধান:
মুনাফার হার r = ৮%
= ৮/১০০
= ২/২৫

আসল P = ১০,০০০ টাকা
মুনাফা I = ১২,৪০০ - ১০,০০০ টাকা
= ২,৪০০ টাকা

সময় n = X

আমরা জানি
I = Pnr
বা, ২,৪০০ = ১০,০০০ × X × (২/২৫)
বা, ২,৪০০ = ৪০০ × X × ২
বা, ৮০০ × X = ২৪০০
বা, X = ২৪০০/৮০০
X = ৩
২৯.
একটি আয়তকার পার্কের ক্ষেত্রফল ১০ একর এবং এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। পার্কের বাইরে চারদিকে ২ মিটার প্রস্থের একটি রাস্তা আছে। পার্কের পরিসীমার সমান ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট একটি বর্গাকার পুকুরের গভীরতা ২ মিটার হলে পুকুরের পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ১৮৫৮২০০
  2. খ) ১৮৫৮২৪০
  3. গ) ১৭৫৮২৪০
  4. ঘ) ২০৫৮০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তকার পার্কের ক্ষেত্রফল ১০ একর এবং এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। পার্কের বাইরে চারদিকে ২ মিটার প্রস্থের একটি রাস্তা আছে। পার্কের পরিসীমার সমান ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট একটি বর্গাকার পুকুরের গভীরতা ২ মিটার হলে পুকুরের পানির পরিমাণ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তাকার পার্কের ক্ষেত্রফল = ১০ একর = (১০ × ৪০৪৬.৮৬) বর্গমিটার
= ৪০৪৬৮.৬ বর্গমিটার 

ধরি,
পার্কের প্রস্থ ক মিটার 
∴ পার্কের দৈর্ঘ্য ৩ক মিটার 
∴ পার্কের ক্ষেত্রফল = ৩ক × ক = ৩ক বর্গমিটার 
পার্কের পরিসীমা = ২(৩ক + ক) = ৮ক মিটার 

প্রশ্নমতে,
৩ক = ৪০৪৬৮.৬
বা, ক = ১৩৪৮৯.৫৩৩
∴ ক = ১১৬.১৪ 

∴ পার্কের পরিসীমা = ৮ × ১১৬.১৪ = ৯২৯.১২ মিটার 

এখানে, পুকুরের ক্ষেত্রফল পার্কের পরিসীমার সমান।
∴ পুকুরের ক্ষেত্রফল ৯২৯.১২ বর্গমিটার 
∴ পুকুরের আয়তন (৯২৯.১২ × ২) ঘনমিটার 
= ১৮৫৮.২৪ ঘনমিটার 

আমরা জানি,
১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার 
∴ ১৮৫৮.২৪ ঘনমিটার  = (১৮৫৮.২৪ × ১০০০) লিটার 
= ১৮৫৮২৪০ লিটার 

∴ পুকুরের পানির পরিমাণ ১৮৫৮২৪০ লিটার।
৩০.
একটি কলম ৩০ টাকায় ক্রয় করে ২০% ক্ষতিতে বিক্রয় করলে কলমটির বিক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ২৪
  2. খ) ৩৬
  3. গ) ৩৭
  4. ঘ) ৩৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কলম ৩০ টাকায় ক্রয় করে ২০% ক্ষতিতে বিক্রয় করলে কলমটির বিক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
 ২০% ক্ষতিতে
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১০০ - ২০) টাকা বা ৮০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ৮০/১০০ টাকা
ক্রয়মূল্য ৩০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (৮০ × ৩০)/১০০ টাকা
= ২৪ টাকা
৩১.
পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ সুন্দরবন।
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
- ছেঁড়া দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে রাতে নৌ চলাচলের সুবিধার জন্য ব্রিটিশ আমলে নির্মিত বাতিঘর আছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩২.
কোন সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়?
  1. ক) পতেঙ্গা
  2. খ) সেন্টমার্টিন
  3. গ) কুয়াকাটা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩.
কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় -
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় - সুন্দরবন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।

অপরদিকে - 
- ময়নামতি, পাহাড়পুর ও মহাস্থানগড় এই তিনটি হচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৪.
কোন নারী মুক্তিযোদ্ধা সর্বপ্রথম বীর প্রতীক খেতাব পান?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম
  3. গ) পাইলট ফারিয়া লারা
  4. ঘ) তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম, বীর প্রতীক
• জন্ম;- ১৯৪৬ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর। গ্রাম কান্দাইল, ইউনিয়ন জয়কা, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ।
• বাবা মোহাম্মদ ইসরাইল, মা হাকিমুন্নেছা বেগম।
• স্বামী ডা. আবিদুর রহমানও একজন মুক্তিযোদ্ধা।
• ডা. সিতারা বেগম কুমিল্লা সিএমএইচের চিকিৎসক ছিলেন।
• খেতাবের সনদ নম্বর ১৫।
তিনি সর্বপ্রথম বীর প্রতীক খেতাব পান।
• ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে। নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’। 
• এই হাসপাতালে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন।   

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো।
৩৫.
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশের নাম-
  1. ক) ভারত
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- প্রথম দেশ : ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)।
- দ্বিতীয় দেশ : ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)।
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ : পূর্ব জার্মানি (১১ জানু. ১৯৭২)।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ : সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)।
- প্রথম আরব মুসলিম দেশ : ইরাক (৮ জুলাই ১৯৭২)।

তথ্যসূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস, কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট।
৩৬.
আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া/অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ:
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৭.
লেবাননের রাজধানীর নাম কি?
  1. ক) বৈরুত
  2. খ) রিয়াদ
  3. গ) আম্মান
  4. ঘ) কায়রো
ব্যাখ্যা
রাজধানী:
- লেবানরের রাজধানী - বৈরুত।
- সৌদি আরবের রাজধানী - রিয়াদ।
- জর্ডানের রাজধানী - আম্মাম।
- মিশরের রাজধানী - কায়রে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৮.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• WTO:
– World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
– প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
– সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজার‌ল্যান্ড।
– পূর্বনাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
– বর্তমান সদস্য - ১৬৪ টি
– সর্বশেষ সদস্য - আফগানিন্তান ( ১৬ জুলাই, ২০১৬)।
– বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO)-এর মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা (নাইজেরিয়ায় জন্মগ্রহণ)।

তথ্যসূত্র:  WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.
৩৯.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. ক) IDA
  2. খ) IFC
  3. গ) IMF
  4. ঘ) ILO
ব্যাখ্যা
• ILO:
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)
- (ILO) এর পূণর্রুপ– International Labour Organization
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর “ভার্সাই চুক্তির“ ফলে আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থা গড়ে উঠে- ১৯১৯ সালে।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার সদস্য লাভ করে– ১৯৪৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকাল–১৯ এপ্রিল, ১৯১৯ 
- আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থা ২০১৯ সালে তাদের শতবার্ষিকী পালন করে।

- প্রতিষ্ঠার স্থান–প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদর দপ্তর– জেনেভা।
- সদস্য সংখ্যা– ১৮৭ টি দেশ।
- শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় - ১৯৬৯ সালে।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে –২২ জুন, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র: Official website (ILO)
৪০.
কোন ভাষার মানুষ সবচেয়ে বেশি কথা বলে?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) মান্দারিন
  3. গ) হিন্দি
  4. ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
ব্যবহৃত ভাষা:
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা হচ্ছে - ইংরেজি (পূর্বে ছিল মান্দারিন)।
- দ্বিতীয় ব্যবহৃত ভাষা - মান্দারিন।
- তৃতীয় ব্যবহৃত ভাষা - হিন্দি।
- চতুর্থ ব্যবহৃত ভাষা - স্পেনিশ।
- পঞ্চম ব্যবহৃত ভাষা - ফ্রেন্স।
- ষষ্ঠ ব্যবহৃত ভাষা - আরবি।
- সপ্তম ব্যবহৃত ভাষা - বাংলা।

তথ্যসূত্র: ethnologue.com