পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
Bangla - 02: শব্দের শ্রেণি বিভাগ, পদ প্রকরণ, বাক্যের শ্রেণি বিভাগ, বাক্য রূপান্তর, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
নিচের কোন শব্দে অভাব অর্থে 'বি' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) বিচরণ
  2. খ) বিফল
  3. গ) বিধৃত
  4. ঘ) বিকার
ব্যাখ্যা
বি উপসর্গ:
বিশেষ রূপে:
- বিধৃত
- বিশুদ্ধ
- বিজ্ঞান
- বিবস্ত্র
- বিশুষ্ক

অভাব:
- বিনিদ্র
- বিবর্ণ
- বিশৃঙ্খল
- বিফল

গতি:
 - বিচরণ
 - বিক্ষেপ

অপ্রকৃতস্থ: বিকার

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
.
ধাতুর শেষে 'আনি' প্রত্যয় যুক্ত করলে কোন পদ গঠিত হয়?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) অব্যয়
  4. ঘ) ক্রিয়া  
ব্যাখ্যা
আনি - প্রত্যয়:
বিশেষ্য গঠনে প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
√জান্ + আনি = জানানি
√শুন্ + আনি = শুনানি
√উড়্ + আনি = উড়ানি

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
.
'ঢাকাই' শব্দের 'আই' প্রত্যয় কোন অৰ্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) মালিক অর্থে
  2. খ) ভাব অর্থে
  3. গ) জাত অর্থে
  4. ঘ) বৃত্তি অর্থে
ব্যাখ্যা
আই-প্রত্যয়:
(ক) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে :
বড়+আই=বড়াই,
চড়া +আই=চড়াই। 

(খ) আদরার্থে :
কানু+আই= কানাই,
নিম+আই= নিমাই।

(গ) স্ত্রী বা পুরুষবাচক শব্দের বিপরীত বােঝাতে :
বােন+আই= বােনাই,
ননদ-নন্দাই,
জেঠা-জেঠাই (মা)।

(ঘ) সমগুণবাচক বিশেষ্য গঠনে :
মিঠা +আই-মিঠাই।

(ঙ) জাত অর্থে :
ঢাকা+আই=ঢাকাই (জামদানি),
পাবনা-পাবনাই (শাড়ি)।

(চ) বিশেষণ গঠনে :
চোর-চোরাই (মাল),
মােগল-মােগলাই (পরােটা)।

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
 
.
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জটিল বাক্য
  2. খ) সরল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) আশ্রিত বাক্য
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সরল, জটিল ও যৌগিক।
(১) সরল বাক্যঃ একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন - জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।

(২) জটিল বাক্য: একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল।
বাক্য তৈরি হয়।
যেমন – যদি তােমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলাে।

(৩) যৌগিক বাক্য: এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যােজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন।
করে।
যেমন - রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]
.
'তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।'- বাক্যটিতে কোন ধরণের ক্রিয়াবিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  2. খ) স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  3. গ) ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  4. ঘ) পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
 ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন -
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন -
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।
যথাসময়ে সে হাজির হয়।

স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন -
মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়
তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

 নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বােঝায়।
এগুলাে সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে।
যেমন -
সে এখন যাবে না।
তিনি বেড়াতে যাননি।
এমন কথা আমার জানা নেই।

পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনাে ভূমিকা পালন না করলেও ‘কি’, ‘যে, বা',না’, ‘তাে  প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন -
কি: আমি কি যাব?
যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন!

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]

 
.
নৈপুণ্য বােঝাতে ইয়া> এ- প্রত্যয়ের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) জেলে
  2. খ) মুটে
  3. গ) মেটে
  4. ঘ) খুনে
ব্যাখ্যা
ইয়া> এ-প্রত্যয়:
(ক) তৎকালীনতা বােঝাতে:
সেকাল + এ=সেকেলে,
একাল+এ=একেলে,
ভাদর +ইয়া = ভাদরিয়া > ভাদুরে (কইমাছ)।

(খ) উপকরণ বােঝাতে ;
পাথর পাথরিয়া> পাথুরে,
মাটি -মেটে, বালি- বেলে।

(গ) উপজীবিকা অর্থে:
জাল-জালিয়া>জেলে,
মােট-মুটে।

(ঘ) নৈপুণ্য বােঝাতে:
খুন-খুনিয়া > খুনে,
দেমাক-দেমাকে,
না (নৌকা) - নাইয়া> নেয়ে।

(ঙ) অব্যয়জাত বিশেষণ গঠনে:
টনটন - টনটনে (জ্ঞান),
কনকন - কনকনে (শীত),
গনগন - গনগনে (আগুন),
চকচক - চকচকে (জুতা)।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
 
.
'আকস্মিক' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় -
  1. ক) আকস্মাৎ + ষ্ণিক
  2. খ) অকস + ষ্ণিক
  3. গ) অকস্মাৎ + ষ্ণিক
  4. ঘ) অকসমি + ষ্ণিক
ব্যাখ্যা
ষ্ণিক (ইক) - প্রত্যয়ঃ
দক্ষতা বা বেত্তা অর্থে:
- সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক
- বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক
- বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক

বিষয়ক অর্থে:
- সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক
- নগর + ষ্ণিক = নাগরিক

বিশেষণ গঠনে:
- হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক
- অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
.
রূঢ়ি শব্দ কিসের দ্বারা গঠিত?
  1. ক) উপসর্গ দ্বারা
  2. খ) কারক দ্বারা
  3. গ) প্রত্যয় বা উপসর্গ দ্বারা
  4. ঘ) সমাস দ্বারা
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
গায়ক = গৈ + ণক ( অক) অর্থ গান করে যে
কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ যা করা উচিত
বাবুয়ানা = বাবু + আনা অর্থ বাবুর ভাব
মধুর = মধু + র অর্থ মধুর মত মিষ্টি গুণ যুক্ত
দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ - অর্থ কন্যার পুত্র বা নাতি। 

রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন -
- হস্তী = হস্ত + ইন অর্থ - হস্ত আছে যার কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা ( গো + এষণা) অর্থ গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।  

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদ সমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহন করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ - পঙ্কে জন্মে যা।
শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে।
কিন্তু পঙ্কজ শব্দটি একমাত্র পদ্মফুল অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ -সংস্করণ]
 
.
' তিনি ধনী ছিলেন,কিন্তু সুখী ছিলেন না।' এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
  1. ক) যৌগিক বাক্য
  2. খ) সরল বাক্য
  3. গ) জটিল বাক্য
  4. ঘ) সংযুক্ত বাক্য
ব্যাখ্যা
যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততােধিক স্বাধীন বাক্য যখন যােজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যােজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (;), ড্যাশ (5) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যােজকের কাজ করে।
যেমন -
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছলো, তারপর পড়তে বসল।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে- বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি - এতে দোষের কিছু নেই।
- সত্য কথা বলনি, তাই বিপদে পড়েছ। 
- সে দরিদ্র, কিন্তু তার মন ছোটো নয়। 
- তিনি ধনী ছিলেন,কিন্তু সুখী ছিলেন না।

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১ , ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]
১০.
নিচের কোনটি যৌগিক শব্দ নয়?
  1. ক) কুশল
  2. খ) মধুর
  3. গ) বাবুয়ানা
  4. ঘ) গায়ক
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
গায়ক = গৈ + ণক ( অক) অর্থ গান করে যে
কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ যা করা উচিত
বাবুয়ানা = বাবু + আনা অর্থ বাবুর ভাব
মধুর = মধু + র অর্থ মধুর মত মিষ্টি গুণ যুক্ত
দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ - অর্থ কন্যার পুত্র বা নাতি। 

রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন -
- হস্তী = হস্ত + ইন অর্থ - হস্ত আছে যার কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা ( গো + এষণা) অর্থ গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।  
- কুশল - ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যে কুশ আনে প্রচলিত অর্থ মঙ্গল। 
- বাঁশি - বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, সুরের এক বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ -সংস্করণ, ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ ]