পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
Exam - 14 The Specific Relief Act, 1877: Test-2 Topic ➝ Section 31-57 • The rectification of instruments • The rescission of contracts • The cancellation of instruments • Declaratory decrees • The appointment of receivers • Injunctions generally • Perpetual injunctions
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আদালত আংশিকভাবে দলিল বাতিল করতে পারে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান- যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য:
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

⇒ Section 40- What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration-
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.

.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

.
দলিল সংশোধনের সময় আদালত কোন বিষয়টি নিশ্চিত করবে?
  1. দলিল সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হওয়া
  2. পক্ষগণের নতুন শর্ত যুক্ত করা
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হওয়া
  4. পক্ষগণের অনুমোদন নেওয়া
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হওয়া
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩১: কখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যদি প্রতারণা বা উভয় পক্ষের পারস্পরিক ভুলবশত কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল প্রকৃতপক্ষে তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, তবে যেকোনো পক্ষ বা তার স্বার্থের প্রতিনিধি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে দলিলটি সংশোধনের জন্য।

এবং যদি আদালত স্পষ্টভাবে প্রমাণিত মনে করে যে দলিল প্রণয়নে প্রতারণা বা ভুল হয়েছে এবং দলিলটি সম্পাদনের সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়, তবে আদালত তার বিবেচনায় দলিলটি সংশোধন করতে পারে যাতে সেটি সেই প্রকৃত উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে — তবে শর্ত থাকে যে এতে সৎ বিশ্বাসে এবং যথাযথ মূল্যে তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অর্জিত অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়।

⇒ Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৬ কোন ধরনের চুক্তির জন্য প্রযোজ্য?
  1. মৌখিক চুক্তি
  2. লিখিত চুক্তি
  3. মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তি
  4. কেবলমাত্র জিম্মা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন পক্ষকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি রদকারী পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চেয়েছিল
  3. চুক্তির যেকোনো পক্ষকে
  4. যে পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিকার প্রদান করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষকে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা: আদালত রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণ প্রতিকার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে-
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

.
A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে কে দলিল বাতিল করার মামলা করতে পারে?
  1. D
  2. A
  3. C
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):

(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

(খ) A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এই জাল দলিলটি বাতিল করার জন্য C মামলা করতে পারেন।

(গ) A দাবি করে যে তার জমির ভাড়াটেরা সবাই ইচ্ছামতো অবস্থান করছে (tenants at will), এবং সে জমিটি B-কে বিক্রি করে ১লা জানুয়ারি, ১৮৭৭ তারিখে দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে। এরপর A প্রতারণামূলকভাবে একই জমির একটি অংশ C-কে লিজ দেয়, যার তারিখ ১লা অক্টোবর, ১৮৭৬ দেখানো হয় এবং সেটি নিবন্ধিতও করে। এই ক্ষেত্রে B সেই লিজ দলিলের বাতিল চাইতে পারেন।

(ঘ) A সম্মত হয় যে সে একটি জাহাজ B-কে বিক্রি ও সরবরাহ করবে, এবং মূল্য পরিশোধ হবে B-এর চারটি বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bills of Exchange) গ্রহণের মাধ্যমে, মোট ৩০,০০০ টাকা। বিলগুলো তৈরি ও গ্রহণ করা হলেও A চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি সরবরাহ করে না।এরপর A ওই বিলগুলোর একটির ভিত্তিতে B-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। এই অবস্থায় B সব বিলের বাতিলের আবেদন করতে পারেন।

.
ঘোষণামূলক মামলা কোন ক্ষেত্রে দায়ের করা যায়?
  1. কেবল চুক্তি বাতিলের জন্য
  2. কেবল ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য
  3. শুধুমাত্র সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত
  4. সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার অস্বীকার হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার অস্বীকার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার অস্বীকার হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কত ধারার উদ্দেশ্যে 'ট্রেডমার্ক' সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ - ধারা ৫৪: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন প্রদান করা হয়:
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাবলির অধীন, আবেদনকারীর অনুকূলে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা (স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত) লঙ্ঘন রোধ করার জন্য একটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এই বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বিধি ও বিধানাবলি দ্বারা পরিচালিত হবে।
যখন বিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা ভোগদখলে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে:
(ক) যখন বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
(খ) লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সৃষ্টির সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান (standard) না থাকলে।
(গ) লঙ্ঘন এমন ধরণের যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার দেবে না।
(ঘ) সম্ভব যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ লঙ্ঘনের জন্য পাওয়া যাবে না।
(ঙ) একাধিক বিচারিক মামলা এড়ানোর জন্য injunction প্রয়োজন।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ট্রেডমার্ককে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে।

.
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে। এক্ষেত্রে-
  1. উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী
  2. B সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
  3. A সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
  4. A এবং B উভয়ে সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
সঠিক উত্তর:
B সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫: কখন চুক্তি বাতিল (Rescission) করা যেতে পারে:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো লিখিত চুক্তিতে স্বার্থবান (interested), তিনি আদালতে মামলা করতে পারেন সেই চুক্তি বাতিল (rescinded) করার জন্য।
আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন—

(ক) যখন চুক্তিটি বাদী (plaintiff)-এর দ্বারা বাতিলযোগ্য (voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (terminable) হয়;

(খ) যখন চুক্তিটি অবৈধ (unlawful), যদিও দলিলের উপরে তা স্পষ্ট নয়, এবং যেখানে বিবাদী (defendant) বাদীর তুলনায় বেশি দোষী;

(গ) যখন কোনো বিক্রয়চুক্তি (contract of sale) বা ইজারার চুক্তি (contract to take a lease)-এর নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনের (specific performance) জন্য আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ক্রয়মূল্য বা অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

যদি ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা (purchaser or lessee) সম্পত্তির দখলে থাকে এবং আদালত মনে করে যে তার সেই দখল অবৈধ (wrongful), তাহলে আদালত বিক্রেতা বা ইজাদাতার (vendor or lessor) পক্ষে রায় দিতে পারে যে,
ক্রেতা বা ইজারাগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা (rents and profits) পরিশোধ করবে।

একই মামলায়, যদি আদালতের পূর্ববর্তী ডিক্রি পালিত না হয়, তবে আদালত সেই চুক্তিটি  দোষী পক্ষের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে বা প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে বাতিল (rescind) করতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):

(ক) ধারা (a)-এর উদাহরণ:
A, তার একটি জমি B-কে বিক্রি করে। জমিটির উপর একটি চলাচলের অধিকার (right of way) আছে, যা সম্পর্কে A ব্যক্তিগতভাবে জানে, কিন্তু সে বিষয়টি B-এর কাছ থেকে গোপন রাখে।
→ এই অবস্থায় B চুক্তি বাতিলের অধিকারী।

(খ) ধারা (b)-এর উদাহরণ:
A, একজন অ্যাডভোকেট, তার মক্কেল B (একজন হিন্দু বিধবা)-কে প্ররোচিত করে যাতে B তার সম্পত্তি A-এর কাছে হস্তান্তর করে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে।
→ এখানে উভয় পক্ষ সমানভাবে দোষী নয়; A বেশি দোষী, তাই B সেই সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল বাতিল করানোর অধিকারী।

১০.
আদালত কখন কোনো চলমান বিচারিক কার্যধারা স্থগিত রাখতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. ফৌজদারি মামলা হলে
  2. একাধিক মামলা এড়াতে
  3. প্রশাসনিক মামলা হলে
  4. নিষেধাজ্ঞা প্রদানকারী আদালতের অধীন হলে
সঠিক উত্তর:
একাধিক মামলা এড়াতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক মামলা এড়াতে
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৬. যে সকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না (Injunction when refused)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে না—

(ক) সেই মামলার প্রবর্তনের সময়ে ইতিমধ্যে চলমান কোনো বিচারিক কার্যধারা (judicial proceeding) স্থগিত রাখার জন্য,
যদি না সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হয়;

অর্থাৎ, যদি সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা (multiplicity of proceedings) প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,
তাহলে আদালত তা দিতে পারে।

(খ) যে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, তার অধীনস্থ নয় এমন অন্য কোনো আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোনো ব্যক্তিকে আইনসভা বা বিধানসভায় আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের জনসাধারণের দায়িত্ব পালনে বা কোনো বিদেশি সরকারের সার্বভৌম কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার জন্য;

(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (criminal proceeding) স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) এমন কোনো চুক্তি ভঙ্গ রোধ করার জন্য, যার নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না;

(ছ) এমন কোনো কাজ রোধ করার জন্য যা স্পষ্টভাবে উপদ্রব (nuisance) বলে প্রতীয়মান নয়;

(জ) এমন কোনো চলমান ভঙ্গ (continuing breach) রোধ করার জন্য, যাতে আবেদনকারী নিজেই সম্মতি বা অনুমতি দিয়েছে (acquiesced);

(ঝ) যখন অন্য কোনো প্রচলিত উপায়ে সমান কার্যকর প্রতিকার (efficacious relief) পাওয়া সম্ভব,
তবে বিশ্বাসভঙ্গ (breach of trust)-এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়;

(ঞ) যখন আবেদনকারীর বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয়েছে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য পাওয়ার অযোগ্য করে তুলেছে;

(ট) যখন আবেদনকারীর ঐ বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ (personal interest) নেই।

১১.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আবেদন কখন করা যায়?
  1. চুক্তি লিখিত না হলে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর সম্ভব হলে
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
  4. ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১২.
A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। এক্ষেত্রে, আদালত আদালত কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণের আদেশ
  2. নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ
  3. নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
  4. চুক্তি বাতিলের আদেশ
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (গ) নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction)।

প্রশ্নে, A একটি ইতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং একই সঙ্গে একটি নেতিবাচক চুক্তি করেছে যে সে অন্য কোথাও গান গাইবে না।

আদালত A-কে জোর করে গান গাইতে বাধ্য করতে পারে না, কারণ এটি ব্যক্তিগত দক্ষতার (personal skill) কাজ — কিন্তু আদালত A-কে অন্য কোনো জনসমক্ষে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে, অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ (injunction) দিতে পারে।

ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে — স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে — অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।

উদাহরণসমূহ-
(ক) A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকায় একটি ব্যবসার সুনাম (goodwill) বিক্রি করতে সম্মত হয়, এবং আরও অঙ্গীকার করে যে সে চট্টগ্রামে ওই ব্যবসা আর করবে না। B টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু A চট্টগ্রামে আবার সেই ব্যবসা শুরু করে। আদালত A-কে বাধ্য করতে পারবে না যেন সে তার গ্রাহকদের B-এর কাছে পাঠায়, কিন্তু B আদালতের কাছে আবেদন করে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যাতে A-কে চট্টগ্রামে সেই ব্যবসা চালানো থেকে বিরত রাখা যায়।

(খ) A, B-এর কাছে কোনো ব্যবসার সুনাম বিক্রি করে। পরে A, B-এর দোকানের কাছেই অনুরূপ ব্যবসা শুরু করে এবং তার পুরনো গ্রাহকদের আহ্বান করে যাতে তারা তার কাছেই আসে। এটি তার চুক্তির পরোক্ষ শর্ত ভঙ্গের সমতুল্য। ফলে, B আদালতের মাধ্যমে A-কে নিষিদ্ধ করতে পারে যাতে সে তার গ্রাহকদের আহ্বান না করে এবং এমন কোনো কাজ না করে যাতে ব্যবসার সুনাম B-এর কাছ থেকে সরে যায়।

(গ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে B-এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং অন্য কোথাও জনসমক্ষে গান গাইবে না। B আদালতের মাধ্যমে A-কে গান গাইতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A-কে অন্য কোনো জনসম্মুখে গান গাওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।

(ঙ) A, B-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে, B নির্ধারিত দিনে তাকে ১,০০০ টাকা প্রদান করলে, সে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো ব্যবসা শুরু করবে না। কিন্তু B টাকা দিতে ব্যর্থ হয়। সেক্ষেত্রে, A-কে সেই নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ব্যবসা শুরু করা থেকে বিরত রাখার কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যাবে না।

১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে তত্ত্বাবধায়ক (receiver) নিয়োগের ক্ষমতা কার?
  1. বাদীর
  2. আদালতের
  3. মোকদ্দমার পক্ষসমূহের
  4. চুক্তির পক্ষসমূহের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section- 44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.

The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

১৪.
A কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলকারী। B দাবি করছে যে, সে ওই সম্পত্তির মালিক এবং A-কে তা হস্তান্তর করার নির্দেশ দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, A কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. কেবল ক্ষতিপূরণ আদায়
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের
  4. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা

⇒ A তার দখল বা স্বত্বের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আদালতে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) করতে পারে, যাতে আদালত ঘোষণা দেয় যে A সত্যিই সেই সম্পত্তি রাখার অধিকারী।

ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।

মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১৫.
The Court’s power under Section 52 of The Specific Relief Act, 1877 is-
  1. Limited
  2. Permanent
  3. Mandatory
  4. Discretionary
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

১৬.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ন্যায়পরায়ণ পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1.  নিষেধাজ্ঞা প্রদান
  2. কেবল চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি পুনর্নির্ধারণ
  4. ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

১৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা যায়?
  1. কেবল শুনানির পরে
  2. চূড়ান্ত রায় দেওয়ার পরে
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. কেবল আপিলের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

১৮.
'লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877: ধারা ৩৩ – লিখিত চুক্তি সংশোধনের মূলনীতি (Principles of Rectification):
লিখিত কোনো দলিল বা চুক্তি সংশোধন করার সময়, আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো তদন্ত করতে পারে:
- সেই দলিল বা চুক্তি কী অর্থ বোঝাতে চেয়েছিল।
- সেই দলিল বা চুক্তির আইনি পরিণতি কী হওয়া উচিত ছিল।

আদালত কেবলমাত্র এই বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয় যে, দলিলের ভাষা কোনভাবে লেখা হয়েছে; বরং উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব বিবেচনায় নিতে পারে।

সহজভাবে বলা যায়:
যদি কোনো লিখিত চুক্তি ভুল বা অসঙ্গতভাবে লেখা হয়ে থাকে, আদালত তার মূল উদ্দেশ্য ও আইনি প্রভাব অনুসারে তা সংশোধন করতে পারে, শুধু ভাষার ভিত্তিতে নয়।

১৯.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের জন্য বাধ্যতামূলক?
  1. শুধুমাত্র মামলার পক্ষসমূহের জন্য
  2. কেবল তৃতীয় পক্ষের জন্য
  3. মামলার পক্ষসমূহ এবং তৃতীয় পক্ষের জন্য
  4. মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিকারী ব্যক্তির জন্য
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।


Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

২০.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৩৪ ধারার অধীনে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. সাধারণ মৌখিক চুক্তি
  2. সংশোধিত মৌখিক চুক্তি
  3. বাতিলযোগ্য লিখিত চুক্তি
  4. সংশোধিত লিখিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত লিখিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

২১.
A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে, তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়। এক্ষেত্রে B আদালতের মাধ্যমে কী নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে?
  1. শুধু A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখার
  2. শুধুমাত্র বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলার
  3. নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
  4. কোনো নিষেধাজ্ঞা পাবে না
সঠিক উত্তর:
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্মাণ বন্ধ রাখা এবং আলো বাধাগ্রস্ত অংশ ভেঙে ফেলা উভয়
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৫. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunctions):
যখন কোনো বাধ্যবাধকতা (obligation) ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ করানো প্রয়োজন হয় এবং আদালত সেই কাজ করাতে সক্ষম হয়, তখন আদালত তার বিবেচনা অনুযায়ী এমন একটি নিষেধাজ্ঞা (injunction) দিতে পারে যা—
১. উক্ত ভঙ্গ (breach) রোধ করে, এবং
২. প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বাধ্য করে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations)-

(ক) A নতুন ভবন নির্মাণ করে এমনভাবে যে তাতে B-এর আলো-প্রবেশের অধিকার (যা B তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে অর্জন করেছে) বাধাগ্রস্ত হয়।
→ B আদালতের মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে যা কেবল A-কে নির্মাণ বন্ধ রাখতে বলে না, বরং যতটুকু অংশ আলো বাধাগ্রস্ত করছে, তা ভেঙে ফেলতেও আদেশ দেয়।

২২.
বাতিলকৃত দলিল যদি Registration Act, 1908 অনুসারে নিবন্ধিত হয়, তাহলে আদালত কী করবে?
  1. বাতিলকৃত দলিলটি সরাসরি ধ্বংস করবে
  2. বাতিলের আদেশের পূর্বে নিবন্ধন অফিসারকে জানাবে
  3. বাতিলকৃত দলিলটি পুনরায় নিবন্ধন করবে
  4. নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে— সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়। আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

২৩.
নিম্নের কোনটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রযোজ্য পরিস্থিতি নয়?
  1. বিবাদী বাদীর জন্য সম্পত্তির ট্রাস্টি হলে
  2. বহুগুণ মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজন হলে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
  4. ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের মানদণ্ড না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া গেলে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
যখন প্রতিবাদী (defendant) বাদীর সম্পত্তি বা তার ব্যবহার/আনন্দের অধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের হুমকি দেয়, তখন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে:

ট্রাস্টি থাকলে: প্রতিবাদী যদি সম্পত্তির ট্রাস্টি হয় (অর্থাৎ বাদীর উপকারের জন্য সম্পত্তি সংরক্ষণ করার দায়িত্ব থাকে)।

ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়: লঙ্ঘনের কারণে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট নয়: লঙ্ঘনের ধরণ এমন যে শুধু টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যথেষ্ট হবে না। যদি আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায়, তবে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন নেই।

ক্ষতিপূরণ পাওয়া কঠিন: সম্ভাবনা আছে যে অর্থমূল্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

বহু মামলা এড়ানো: একাধিক মামলা হওয়া এড়াতে injunction প্রয়োজন।

২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা অনুসারে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কাকে অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. বাদী এবং বিবাদী উভয়কে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা মতে, 

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে বিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়, যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা কোন প্রক্রিয়ার জন্য প্রযোজ্য?
  1. চুক্তি বাতিল
  2. চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি সংশোধন
  4. ক্ষতিপূরণ আদায়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সংশোধন
ব্যাখ্যা

ধারা ৩২ – পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন (rectification) করার জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তিতে অংশ নেওয়া সকল পক্ষই ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকপূর্ণ (equitable and conscientious) চুক্তি করতে ইচ্ছুক ছিলেন।

সহজভাবে বলা যায়:
যদি আদালত কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধন করতে চায়, তাকে প্রথমে দেখতে হবে যে চুক্তির সব পক্ষই চুক্তি করার সময় ন্যায়সঙ্গত ও সতর্কতার সাথে (বিবেকপূর্ণভাবে) কাজ করার অভিপ্রায় রাখতেন।

২৬.
A “পেটেন্ট সিলেন” নামে একটি জিনিস তৈরি ও বিক্রি করে, যদিও বাস্তবে তা কখনো পেটেন্ট করা হয়নি। B ঐ নাম ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি শুরু করে। এক্ষেত্রে, A কী প্রতিকার পাবে?
  1. আদালত তার পক্ষে নিষেধাজ্ঞা দেবে
  2. আদালত তার পক্ষে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করবে
  3. B এর পণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রতিকার পাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৬. যে সকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না (Injunction when refused)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে না—

(ক) সেই মামলার প্রবর্তনের সময়ে ইতিমধ্যে চলমান কোনো বিচারিক কার্যধারা (judicial proceeding) স্থগিত রাখার জন্য,
যদি না সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হয়;

(খ) যে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, তার অধীনস্থ নয় এমন অন্য কোনো আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোনো ব্যক্তিকে আইনসভা বা বিধানসভায় আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের জনসাধারণের দায়িত্ব পালনে বা কোনো বিদেশি সরকারের সার্বভৌম কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার জন্য;

(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (criminal proceeding) স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) এমন কোনো চুক্তি ভঙ্গ রোধ করার জন্য, যার নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না;

(ছ) এমন কোনো কাজ রোধ করার জন্য যা স্পষ্টভাবে উপদ্রব (nuisance) বলে প্রতীয়মান নয়;

(জ) এমন কোনো চলমান ভঙ্গ (continuing breach) রোধ করার জন্য, যাতে আবেদনকারী নিজেই সম্মতি বা অনুমতি দিয়েছে (acquiesced);

(ঝ) যখন অন্য কোনো প্রচলিত উপায়ে সমান কার্যকর প্রতিকার (efficacious relief) পাওয়া সম্ভব,
তবে বিশ্বাসভঙ্গ (breach of trust)-এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়;

(ঞ) যখন আবেদনকারীর বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয়েছে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য পাওয়ার অযোগ্য করে তুলেছে;

(ট) যখন আবেদনকারীর ঐ বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ (personal interest) নেই।

উদাহরণসমূহ (Illustrations)-

(ক) A তার অংশীদার B-কে অংশীদারিত্বের দেনা-পাওনা গ্রহণ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চায়। দেখা গেল, A নিজেই অনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠানের বই-পত্র নিজের দখলে রেখেছে এবং B-কে সেগুলিতে প্রবেশাধিকার দিচ্ছে না। আদালত নিষেধাজ্ঞা দেবে না।

(খ) A “পেটেন্ট প্লাম্বাগো ক্রুসিবলস” নামে একটি জিনিস তৈরি ও বিক্রি করে, যদিও বাস্তবে তা কখনো পেটেন্ট করা হয়নি। B ঐ নাম ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি শুরু করে। A এই নাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চাইলে আদালত তা দেবে না, কারণ A নিজেই প্রতারণামূলকভাবে “পেটেন্ট” শব্দটি ব্যবহার করছে।

(গ) A “মেক্সিকান বাম” নামে একটি ওষুধ বিক্রি করে, দাবি করে এটি নানা বিরল উপাদানে তৈরি এবং অসাধারণ ঔষধি গুণসম্পন্ন। B একই রকম একটি পণ্য বিক্রি করে যার নাম ও বিবরণ এমন যে মানুষ মনে করে এটি A-এর “মেক্সিকান বাম”। A নিষেধাজ্ঞা চায় যাতে B বিক্রি বন্ধ করে। কিন্তু B প্রমাণ করে যে A-এর “মেক্সিকান বাম” কেবল সুগন্ধিযুক্ত চর্বি। যেহেতু A-এর দাবি সৎ নয়, তাই আদালত তাকে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না।

২৭.
ধারা ৫২ অনুযায়ী, নিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. শুধুমাত্র অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  2. স্থায়ী বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  3. আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের মাধ্যমে
  4. অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
২৮.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

২৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭ প্রযোজ্য হয় কখন?
  1. যখন চুক্তিতে কোনো অঙ্গীকার থাকে না
  2. যখন চুক্তিতে শুধুমাত্র ইতিবাচক অঙ্গীকার থাকে
  3. যখন চুক্তিতে কেবল নেতিবাচক অঙ্গীকার থাকে
  4. যখন চুক্তিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় অঙ্গীকার থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় অঙ্গীকার থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় অঙ্গীকার থাকে
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা:
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক অঙ্গীকারের (affirmative agreement) পাশাপাশি একটি নেতিবাচক  অঙ্গীকার (negative agreement)ও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে- অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে; তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।