পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলী টপিক: বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, পরিবেশ ও দুর্যোগ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস কেন্দ্ৰ?
  1. ক) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. খ) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর
  3. গ) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO)।
- SPARRSO এর পূর্ণরুপ: Space Research and Remote Sensing Organisations.
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশে শীতকালে কোন দিক থেকে মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. ক) দক্ষিণ - পূর্ব
  2. খ) উত্তর - পূর্ব
  3. গ) দক্ষিণ - পশ্চিম
  4. ঘ) উত্তর - পশ্চিম
ব্যাখ্যা
শীতকাল:
- বাংলাদেশে সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি (কার্তিক-ফাল্গুন) মাস পর্যন্ত শীতকাল ধরা হয়।
- এ ঋতুতে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আগত শীতল মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- জানুয়ারি শীতলতম মাস।
- এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- দেশের বিভিন্ন স্থানে তখন ঘন কুয়াশা দেখা যায়।
- শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১১° সেলসিয়াস থাকে।
- এ সময় বাতাসের সর্বনিম্ন আর্দ্রতা শতকরা প্রায় ৩৬ ভাগ হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান -
  1. ক) পুঠিয়া, রাজশাহী
  2. খ) দূর্গাপুর, সিলেট
  3. গ) সিংড়া, নাটোর
  4. ঘ) লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা
লালপুর:
- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা।
- এটি ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কত সালের বন্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০ সালের
  2. খ) ১৯৮৮ সালের
  3. গ) ১৯৯৮ সালের
  4. ঘ) ২০০৪ সালের
ব্যাখ্যা
বন্যা:
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ বাংলাদেশ তথা এ ঢালু সমভূমির দেশে বিভিন্ন শতাব্দীতে বন্যা হয়েছে।
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক।
- বন্যা এলাকা প্লাবিত হয় বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি করে। 
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
- এগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যাটি সংঘটিত হয়।
- তখন সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস -
  1. ক) এপ্রিল
  2. খ) মে
  3. গ) জুলাই
  4. ঘ) আগস্ট
ব্যাখ্যা
উষ্ণতম মাস:
- এপ্রিল মাসকে উষ্ণতম মাস হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।
- এ মাসে দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসে এবং পশ্চিম-মধ্যভাগে তা ৩১° সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
- পশ্চিমাঞ্চলে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা কখনও কখনও ৪০° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে থাকে।
- রাজশাহী এবং কুষ্টিয়া জেলার কিছু কিছু স্থানে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াস কিংবা তারও অধিক উঠে থাকে।
- এপ্রিল মাসের পরে গ্রীষ্মকালীন মাসগুলিতে তাপমাত্রা সামান্য হারে হ্রাস পেতে থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে খরা প্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণাঞ্চল
  2. খ) দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) উত্তর - পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর - পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
খরা প্রবণ অঞ্চল:
- খরা দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ গরমের সময় রাজশাহী এবং বিশেষ করে নাটোর জেলার লালপুরে তাপমাত্রা ৪৫° সেন্টিগ্রেড বা তারও বেশি হয়।
- আর শীতকালে দিনাজপুর ও রংপুরের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এমনকি ৫° সেন্টিগ্রেডেরও নিচে নেমে যায়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন দেশ ঘূর্ণিঝড় 'মোখা'র নামকরণ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
 ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা':
- আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা (World Meteorological Organization) পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।
- আরএসএমসি তার সদস্যদেশগুলোর কাছ থেকে নামের তালিকা চেয়ে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' এর নামকরণ করে 'ইয়েমেন'।
- মোখা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে একটি বন্দর শহর।
- ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ১৪ মে, ২০২৩ তারিখে স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানে।

উৎস: i) ১১ মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
          ii) ১৫ মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয় -
  1. ক) বর্ষা
  2. খ) শরৎ
  3. গ) হেমন্ত
  4. ঘ) বসন্ত
ব্যাখ্যা
স্বতন্ত্র ঋতু:
- বাংলাদেশের 'বর্ষাকাল'কে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়।
- বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস (জ্যৈষ্ঠ - কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- গ্রীষ্ম ও শীতের মাঝামাঝি বৃষ্টিবহুল সময়কে বর্ষাকাল বা বর্ষা ঋতু বলে।
- বর্ষাকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আগত জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারাবছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ কোন যুগের?
  1. ক) প্লাইস্টোসিন যুগের
  2. খ) টারশিয়ারি যুগের
  3. গ) কোয়াটারনারী যুগের
  4. ঘ) মায়োসিন যুগের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণী ভূতাত্ত্বিকভাবে টারশিয়ারি যুগের।
- বাংলাদেশে অবস্থিত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলোকে আবার দুইটি ভাগে বিভক্ত:
i) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
ii) বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভূতত্ত্ব তিন ধরণের:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ,
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১০.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের তুলনায় প্লাবন সমভূমির পরিমাণ শতকরা কতভাগ?
  1. ক) ৭০ ভাগ
  2. খ) ৮০ ভাগ
  3. গ) ৯০ ভাগ
  4. ঘ) ৯৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
দেশের মোট আয়তনের তুলনায়,
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি – ৮০ ভাগ,
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ – ১২ ভাগ,
প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ – ৮ ভাগ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. ক) আর্দ্রতা
  2. খ) বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) সমুদ্রস্রোত
  4. ঘ) উষ্ণতা
ব্যাখ্যা
কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে। কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তর বা ট্রপোমন্ডলের সামগ্রিক অবস্থা।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো-
বায়ুর তাপ/উষ্ণতা,
বায়ুর চাপ,
বায়ুর আর্দ্রতা ও
বারিপাত।
অপশন গুলোতে সমুদ্রস্রোত জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়ার নাম -
  1. ক) কেওক্রাডং
  2. খ) লুসাই
  3. গ) গারো
  4. ঘ) মোদক
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়। 
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব- পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড় বিশ্বের অন্যতম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চলসমূহের মধ্যে একটি।
- এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- গারো পাহাড়েই মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলং অবস্থিত।

উল্লেখ্য।
-  বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো তাজিংডং (বিজয় নামেও পরিচিত)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১৩.
সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
সতর্ক সংকেত:
- ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১১টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে।
- এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
- সমুদ্রবন্দর সমূহের জন্যে সংকেত ১১টি।
- এগুলো হলো:
• ১-নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত,
• ২-নং দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত,
• ৪-নং স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত,
• ৫-নং বিপদ সংকেত,
• ৬-নং বিপদ সংকেত,
• ৭-নং বিপদ সংকেত,
• ৮-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ৯-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১০-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১১-নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে নদীবন্দর সমূহের জন্যে দুর্যোগের সংকেত চারটি।
- এগুলো হলো:
• ১-নং নৌ সতর্ক সংকেত,
• ২-নং নৌ হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং নৌ বিপদ সংকেত,
• ৪-নং নৌ মহাবিপদ।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৪.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) সিলেটের বনভূমি
  2. খ) বরেন্দ্র বনভূমি
  3. গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
ব্যাখ্যা
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি:
- উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। 
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। 
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি শাল বা গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র।
- এজন্য এটি গজারী বা শালবৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।