পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮০
সিলেবাস
Full model test - 4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮০ প্রশ্ন

.
Babar defeated Medini Rai in which battle?/ কোন যুদ্ধে বাবর মেদিনী রায়কে পরাজিত করেন?
  1. Battle of Panipat / পানিপথের যুদ্ধ
  2. Battle of Khanwa / খানওয়ার যুদ্ধ
  3. Battle of Chanderi / চান্দেরির যুদ্ধ
  4. Battle of Ghaghra / ঘাঘরার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

১৫২৮ সালের জানুয়ারি মাসে বাবর চান্দেরির যুদ্ধ এ রাজপুত নেতা মেদিনী রায়-কে পরাজিত করেন। খানওয়ার যুদ্ধে (১৫২৭) রানা সাঙ্গাকে পরাজিত করার পর বাবর তাঁর কর্তৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে চান। মেবারের সাথে যুক্ত রাজপুত নেতা মেদিনী রায় ছিলেন রাজপুত শক্তির একটি প্রধান স্তম্ভ। বাবর চান্দেরি আক্রমণ করলে মেদিনী রায় তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুঘল সেনার সামনে পরাজিত হন। চান্দেরির বিজয় বাবরের রাজপুত শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে দুর্বল করে দেয়।

উৎস-

আব্দুল করিম, ভারতের উপমহাদেশে মুসলিম শাসন
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Babar defeated Afghans and Sultan of Bengal in which battle?/ বাবর কোন যুদ্ধে আফগান ও বাংলার সুলতানকে পরাজিত করেন?
  1. Battle of Panipat / পানিপথের যুদ্ধ
  2. Battle of Khanwa / খানওয়ার যুদ্ধ
  3. Battle of Chanderi / চান্দেরির যুদ্ধ
  4. Battle of Ghaghra / ঘাঘরার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

১৫২৯ সালের মে মাসে বাবর ঘাঘরার যুদ্ধ এ আফগানদের সাথে বাংলার সুলতান নসরৎ শাহকে পরাজিত করেন।পানিপথ (১৫২৬), খানওয়া (১৫২৭) ও চান্দেরি (১৫২৮)-এর বিজয়ের পরও উত্তর ভারতে বাবরের শাসন সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হয়নি। বাংলার সুলতান নুসরত শাহ ও আফগানদের সম্মিলিত শক্তি বাবরের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ঘাঘরা নদীর তীরে সংঘটিত এই যুদ্ধে বাবর প্রথমবার জলপথে যুদ্ধ কৌশল ব্যবহার করেন। শেষ পর্যন্ত আফগান ও বাংলার সুলতান পরাজিত হন, ফলে বাবরের কর্তৃত্ব উত্তর ভারতে আরও দৃঢ় হয়। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বাবর কার্যত উত্তর ভারতের মুঘল শাসনের ভিত্তি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করেন। বলতে গেলে বাবর কাবুল হতে বাংলাদেশ পর‌্যন্ত সমগ্র উত্তর ভারতের অধিপতি হন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
Humayun’s Tomb was built with the help of architects from which country?/ হুমায়ূনের সমাধি কোন দেশের স্থপতিদের সহায়তায় নির্মিত হয়েছিল?
  1. Persia / পারস্য
  2. Turkey / তুরস্ক
  3. Arabia / আরব
  4. Afghanistan / আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

হুমায়ূনের সমাধি দিল্লিতে অবস্থিত এবং এটি সম্রাট আকবর তার পিতা হুমায়ূনের স্মৃতিতে নির্মাণ করান। সমাধিটি ১৫৬৯–৭০ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ শুরু হয় এবং এর প্রধান স্থপতি ছিলেন মিরাক মির্জা গিয়াস যিনি পারস্যের একজন প্রসিদ্ধ স্থপতি। এই সমাধিতে প্রথমবারের মতো ভারতে পারসিক চারবাগ শৈলী ব্যবহার করা হয়, যা পরবর্তীতে তাজমহলসহ অন্যান্য মুঘল স্থাপত্যের মূল বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়। তাই স্থপতিরা ছিলেন মূলত পারস্য (ইরান) থেকে আগত।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
What was the real name of Sher Shah Suri?/ শের শাহ সূরীর আসল নাম কী ছিল?
  1. Sikandar Khan / সিকান্দার খান
  2. Sher Ali Khan / শের আলি খান
  3. Farid Khan / ফরিদ খান
  4. Hasan Khan / হাসান খান
ব্যাখ্যা

শের শাহ সূরীর প্রকৃত নাম ছিল ফারিদ খান। তিনি সূর বংশের আফগান শাসক ছিলেন। একবার তিনি একটি শিকারের সময় সিংহকে একাই বধ করেছিলেন, এজন্য স্থানীয় লোকেরা তাকে “শের খান” উপাধি দেয়। পরে ক্ষমতায় এসে তিনি পরিচিত হন শের শাহ সূরী নামে। তার শাসনকাল (১৫৪০–১৫৪৫ খ্রিঃ) স্বল্প সময়ের হলেও তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেন, যেমন— ডাকব্যবস্থা ও রাস্তা (গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড) উন্নয়ন, কার্যকরী মুদ্রা ব্যবস্থা চালু, রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কার। এই সকল অবদানের কারণে তিনি ভারতীয় ইতিহাসে একজন দক্ষ শাসক হিসেবে প্রসিদ্ধ।

বাংলাপিডিয়া

.
Who was the first disciple of Din-i-Ilahi?/ দীন-ই-ইলাহীর প্রথম শিষ্য কে ছিলেন?
  1. Birbal / বীরবল
  2. Man Singh / মানসিংহ
  3. Todar Mal / টোডরমল
  4. Abul Fazl / আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে একটি নতুন ধর্মীয় মতবাদ প্রবর্তন করেন, যার নাম দেন দীন-ই-ইলাহী (Din-i-Ilahi)। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান ও জৈন ধর্মের সেরা নীতিগুলো একত্র করে একটি সার্বজনীন ধর্ম গঠন করা। এই নতুন মতবাদের প্রতি খুব বেশি মানুষ আকৃষ্ট হননি। তবে আকবরের দরবারের নবরত্নদের মধ্যে একজন, দরবারের বিদূষক ও প্রিয় মন্ত্রী বীরবল প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দীন-ই-ইলাহীতে দীক্ষিত হন।

বাংলাপিডিয়া

.
Akbar’s principle of “universal peace” was known as —/ আকবরের “সার্বজনীন শান্তি” নীতি কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. Din-i-Ilahi / দীন-ই-ইলাহী
  2. Sulh-i-Kul / সুলহ-ই-কুল
  3. Zabti system / জাবতি পদ্ধতি
  4. Ibadat Khana / ইবাদতখানা
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট আকবর তাঁর শাসনকালীন সময়ে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও পারস্পরিক সদ্ভাব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “সুলহ-ই-কুল” (সার্বজনীন শান্তি বা Universal Peace) নীতি গ্রহণ করেন। সুলহ-ই-কুলের মূল বৈশিষ্ট্য ছিলঃ সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি রাখা। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিষ্টান, জৈনসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষা করা। সাম্রাজ্যের প্রশাসনে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এই নীতির ফলে আকবরের শাসনকাল একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও সহিষ্ণুতার উদাহরণ হয়ে ওঠে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
The term “Mansab” means —/ “মনসব” শব্দের অর্থ কী?
  1. Revenue / রাজস্ব
  2. Land / ভূমি
  3. Rank or position / পদমর্যাদা
  4. Religion / ধর্ম
ব্যাখ্যা

মুঘল প্রশাসনে “মনসবদারি প্রথা” ছিল একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা সম্রাট আকবর প্রবর্তন করেন। এখানে “মনসব” শব্দের অর্থ হলো — পদমর্যাদা বা র‌্যাঙ্ক। মনসবদাররা ছিলেন সম্রাটের কর্মকর্তা ও সেনাপতি, যাদেরকে নির্দিষ্ট জাট ও সাওয়ার র‍্যাঙ্ক দেওয়া হতো। জাট একজন মনসবদারের ব্যক্তিগত মর্যাদা ও বেতন নির্ধারণ করত। সাওয়ার তিনি কতজন অশ্বারোহী সৈন্য রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, তা নির্দেশ করত। এই প্রথার মাধ্যমে সম্রাট সরাসরি সেনাবাহিনী ও কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
The Mansabdars were paid in —/ মনসবদারদের বেতন কীভাবে দেওয়া হতো?
  1. Horses / ঘোড়া দিয়ে
  2. Crops / ফসলের মাধ্যমে
  3. Cash only / কেবল নগদে
  4. Land grants (Jagir) / জমি প্রদানের মাধ্যমে (জাগীর)
ব্যাখ্যা

মুঘল প্রশাসনে মনসবদাররা ছিলেন সম্রাটের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সেনাপতি। তাঁদেরকে বেতন দেওয়ার প্রধান উপায় ছিল জাগীর ব্যবস্থা । সম্রাট মনসবদারদের নির্দিষ্ট জমি ইজারা দিতেন। এই জমি থেকে সংগৃহীত রাজস্ব মনসবদারের বেতন ও সৈন্য রক্ষণাবেক্ষণের খরচ হিসেবে ব্যবহার হতো। তবে জমির মালিকানা মনসবদারের হাতে থাকত না; মালিক ছিলেন সম্রাট। এভাবে মনসবদাররা প্রশাসনিক ও সামরিক দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

.
The rank of Mansabdar was fixed by two numerical designations —/ মনসবদারের পদমর্যাদা কোন দুটি সংখ্যার দ্বারা নির্ধারিত হতো?
  1. Jagir and Iqta / জাগীর ও ইক্তা
  2. Diwan and Mir Bakshi / দেওয়ান ও মীর বখ্শী
  3. Sawar and Mansab / সওয়ার ও মনসব
  4. Jat and Zamindar / জাত ও জমিদার
ব্যাখ্যা

মুঘল আমলে সম্রাট আকবর প্রবর্তিত মনসবদারি প্রথায় একজন মনসবদারের পদমর্যাদা নির্ধারণ করা হতো দুটি সংখ্যার মাধ্যমে —জাত -এটি মনসবদারের ব্যক্তিগত মর্যাদা, বেতন এবং দরবারে অবস্থান নির্ধারণ করত। সওয়ার -এটি দেখাতো মনসবদার কতজন অশ্বারোহী সৈন্য রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। এই দুইটি সংখ্যা মিলিয়েই একজন মনসবদারের পদমর্যাদা ও সামরিক দায়িত্ব নির্ধারণ করা হতো।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১০.
The decline of the Mughal Empire paved the way for the rise of —/ মুঘল সাম্রাজ্যের পতন কোন শক্তির উত্থানের পথ প্রশস্ত করে?
  1. Afghans / আফগান
  2. British East India Company / ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. Sikhs / শিখ
  4. Rajputs / রাজপুত
ব্যাখ্যা

১৮শ শতকের শুরুতে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর (১৭০৭ খ্রিঃ) পর মুঘল সাম্রাজ্য দ্রুত দুর্বল হতে শুরু করে। দুর্বল উত্তরসূরি সম্রাট, আঞ্চলিক বিদ্রোহ, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং মারাঠা, শিখ ও আফগানদের আক্রমণে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা ভেঙে পড়ে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নেয় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তারা প্রথমে বাণিজ্যিক প্রভাব বিস্তার করে, পরে রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি ব্যবহার করে ভারত দখল শুরু করে। ১৭৫৭ সালের পলাসির যুদ্ধ (Battle of Plassey) ছিল মুঘল প্রভাবের পতন ও ব্রিটিশ আধিপত্যের সূচনার মোড় পরিবর্তনের ঘটনা। এরপর ধীরে ধীরে কোম্পানি সমগ্র ভারতবর্ষের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১১.
Which region declared independence first during Mughal decline?/ মুঘল পতনের সময় কোন অঞ্চল প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণা করে?
  1. Bengal / বাংলা
  2. Hyderabad / হায়দরাবাদ
  3. Awadh / আওধ
  4. Punjab / পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় সর্বপ্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় বাংলা প্রদেশ। আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর (১৭০৭ খ্রিঃ) পর মুঘল কেন্দ্রীয় ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে প্রাদেশিক গভর্নররা স্বাধীন হওয়ার সুযোগ নেয়। বাংলার সুবাদার মুর্শিদ কুলি খাঁ প্রথমে কার্যত স্বাধীন শাসক হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুঘল সম্রাটের নামমাত্র অধীনে থেকে স্বশাসন চালু করেন। এরপর হায়দরাবাদ, আওধ, পাঞ্জাব প্রভৃতি অঞ্চলেও স্বাধীন শাসকগণ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১২.
Who founded the independent state of Bengal?/ বাংলার স্বাধীন নবাবি শাসন কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. Murshid Quli Khan / মুর্শিদ কুলি খাঁ
  2. Alivardi Khan / আলীবর্দি খাঁ
  3. Siraj-ud-Daulah / সিরাজউদ্দৌলা
  4. Shuja-ud-Din / শুজাউদ্দিন
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সময় বাংলায় স্বাধীন নবাবি শাসনের সূচনা করেন মুর্শিদ কুলি খাঁ। তিনি মূলত আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার দেওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা) ছিলেন। ১৭১৭ খ্রিঃ সম্রাট ফারুখসিয়ার তাঁকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন। এ সময় তিনি কার্যত মুঘল সম্রাটের নামমাত্র কর্তৃত্ব মেনে বাংলায় স্বাধীনভাবে শাসন শুরু করেন। রাজধানী ঢাকা থেকে সরিয়ে তিনি মুর্শিদাবাদের প্রতিষ্ঠা করেন।এর মাধ্যমে বাংলায় স্বাধীন নবাবি শাসনব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা পরবর্তীতে আলীবর্দি খাঁ ও সিরাজউদ্দৌলার হাতে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৩.
Who transferred the state treasury from Murshidabad to Calcutta?/ মুর্শিদাবাদ থেকে রাজকোষ কলকাতায় স্থানান্তর করেন কে?
  1. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  2. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস মুর্শিদাবাদ থেকে রাজকোষ (State Treasury) কলকাতায় স্থানান্তর করেন। এর মাধ্যমে কলকাতা কার্যত ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ও আর্থিক রাজধানীতে পরিণত হয়। পরে এটিই ভারতের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৪.
Who created the post of Police Department in Bengal and Calcutta?/ বাংলা ও কলকাতায় পুলিশ বিভাগের পদ সৃষ্টি করেন কে?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  3. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  4. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলা ও কলকাতায় পুলিশ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল শৃঙ্খলা রক্ষা করা, অপরাধ দমন করা এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। এই পদগুলি মূলত জেলার প্রশাসনের অংশ হিসেবে কাজ করতো এবং এটি আধুনিক ভারতের পুলিশ ব্যবস্থার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে বিবেচিত।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

১৫.
Which Mughal Emperor was deposed for supporting the Sepoy Mutiny (Revolt of 1857)?/ সিপাহী বিদ্রোহকে সমর্থন করায় কোন মুঘল সম্রাট ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. Akbar II / আকবর দ্বিতীয়
  2. Aurangzeb / আওরঙ্গজেব
  3. Bahadur Shah II (Bahadur Shah Zafar) / বাহাদুর শাহ দ্বিতীয় (বাহাদুর শাহ জাফর)
  4. Shah Alam II / শাহ আলম দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে বিদ্রোহীরা মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ দ্বিতীয়কে তাদের প্রতীকী নেতা ঘোষণা করে। বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার পর ব্রিটিশরা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে, বন্দি করে রেঙ্গুনে (বার্মা/মায়ানমার) নির্বাসনে পাঠায়, যেখানে তিনি জীবনের শেষ দিনগুলো কাটান।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৬.
Which port of Bengal flourished under the Guptas?/ গুপ্তদের আমলে বাংলার কোন বন্দর সমৃদ্ধ হয়েছিল?
  1. Tamralipta (তাম্রলিপ্ত)
  2. Satgaon (সাতগাঁও)
  3. Chittagong (চট্টগ্রাম)
  4. Narayanganj (নারায়ণগঞ্জ)
ব্যাখ্যা

তাম্রলিপ্ত (Tamralipta) ছিল গুপ্তদের আমলে বাংলার প্রধান বন্দর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্যকেন্দ্র। গুপ্ত সাম্রাজ্যের (৪র্থ–৬ষ্ঠ শতাব্দী খ্রিঃ) সময়ে এটি মৌসুমি বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ হয়। চীন, রোম, আরব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ছিল তাম্রলিপ্তার মাধ্যমে। এছাড়া এটি শিল্প ও কলার কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত ছিল। অন্য বন্দর যেমন সাতগাঁও বা চট্টগ্রাম পরে গুরুত্বপূর্ণ হয়, কিন্তু গুপ্তদের আমলে তাম্রলিপ্তই প্রধান বন্দর ছিল।

বাংলাপিডিয়া

১৭.
Who among the following Gupta rulers was associated with the foundation of Nalanda University?/ গুপ্তদের কোন শাসকের শাসনামলে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. Chandragupta I (চন্দ্রগুপ্ত প্রথম)
  2. Samudragupta (সমুদ্রগুপ্ত)
  3. Skandagupta (স্কন্দগুপ্ত)
  4. Kumaragupta I (কুমারগুপ্ত প্রথম)
ব্যাখ্যা

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) ভারতের প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা প্রায় ৫ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম কুমারগুপ্ত এর শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত হয়। নালন্দা মূলত বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল এবং এখানে বৌদ্ধ, হিন্দু ও জ্ঞানতত্ত্ব শিক্ষার পাঠদান হতো। এখানে শাস্ত্র, দর্শন, বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং ধর্মশাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা দেওয়া হত। এটি পরবর্তীতে চীনা ভিক্ষু হ্যুয়েন সাংসহ বহু শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

১৮.
What was the term used in North India to describe anarchy and misrule?/ অরাজকতা ও কুশাসনকে উত্তর ভারতে কি নামে ব্যঙ্গ করা হত?
  1. Dandaniti (দণ্ডনীতি)
  2. Arthashastra (অর্থশাস্ত্র)
  3. Matsya Nyaya (মৎসন্যায়)
  4. Dharma Shastra (ধর্মশাস্ত্র)
ব্যাখ্যা

মৎসন্যায় অর্থ “মাছের ন্যায়”। এর দ্বারা বোঝানো হয়—বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার যুগে (বিশেষত গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর) মানুষ এই শব্দটি ব্যবহার করত। অর্থাৎ, তখন শক্তিশালী দুর্বলকে শোষণ করত, কোনো নিয়ম বা শৃঙ্খলা বজায় থাকত না।

বাংলাপিডিয়া

১৯.
Who was called the Gauda Raja in the 7th century?/ ৭ম শতকে কাকে গৌড়রাজ বলা হত?
  1. Harshavardhana (হর্ষবর্ধন)
  2. Shashanka (শশাঙ্ক)
  3. Samudragupta (সমুদ্রগুপ্ত)
  4. Dharmapala (ধর্মপাল)
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক প্রায় ৬০৬–৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলার গৌড় রাজ্য শাসন করেছিলেন। তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সম্রাট হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলা)। ইতিহাসে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হয়, কারণ তিনি বাংলার গৌড়ভূমির শাসন করেছিলেন এবং এককভাবে রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

২০.
In which year was the Pala dynasty established?/ পাল বংশের প্রতিষ্ঠা হয় কত সালে?
  1. 750 AD/ ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ
  2. 600 AD/ ৬০০ খ্রিস্টাব্দ
  3. 800 AD/ ৮০০ খ্রিস্টাব্দ
  4. 650 AD/ ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল । তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় রাজা হন, যা বাংলার ইতিহাসে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শাসন প্রবর্তনের দিক নির্দেশ করে। গোপালের রাজত্বকাল ৭৫০–৭৭৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি বাংলায় শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তী ধর্মপাল ও দেবপালের সময় সমৃদ্ধি আনে।

ড.আশফাক হোসেন- বাংলাদেশের ইতিহাসের রূপরেখা

২১.
Which Sena ruler conquered Mithila and parts of Assam, expanding the kingdom significantly?/ সেন রাজবংশের কোন রাজা মিথিলা ও আসামের কিছু অংশ জয় করে রাজ্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছিলেন?
  1. Hemanta Sen / হেমন্তসেন
  2. Lakshman Sen / লক্ষ্মণসেন
  3. Vallal Sen / বল্লালসেন
  4. Vijay Sen / বিজয়সেন
ব্যাখ্যা

মিথিলার রাজা নান্যদেব ১০৯৭ খ্রি: মিথিলার সিংহাসনে বসে বাংলার দিকে নজর দিয়েছিলেন ফলে বিজয়সেনের সঙ্গে তার সংঘর্ষ বাধে। বিজয়সেন মিথিলা জয় করে আসামের অংশ বিশেষ নিজ সাম্রাজ্যভুক্ত করেছিলেন।বল্লালসেন পিতা বিজয়সেনের মিথিলা অভিযানের সময় তাঁর সঙ্গী ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস ও -বাংলাপিডিয়া

২২.
Which French settlement was the first to be captured by the English in India?/ ভারতে ফরাসি অধিকৃত কোন ঘাঁটি ইংরেজরা প্রথম দখল করে?
  1. Chandernagore / চাঁন্দেরনগর
  2. Karaikal / করাইক্যাল
  3. Pondicherry / পন্ডিচেরি
  4. Mahe / মাহে
ব্যাখ্যা

ভারতে ফরাসি উপস্থিতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ঘাঁটি ছিল পন্ডিচেরি । ১৭৫৮ খ্রিঃ ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ-ফরাসি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময়, ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পন্ডিচেরি দখল করে। পন্ডিচেরি ছিল ফরাসি ক্ষমতার প্রধান কেন্দ্র দক্ষিণ ভারতে। এটি দখলের মাধ্যমে ইংরেজরা দক্ষিণ ভারতে ফরাসিদের প্রভাব কমাতে সক্ষম হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২৩.
Who was the chief commander of Nawab Siraj-ud-Daulah in the Battle of Plassey (1757)?/ পলাশির যুদ্ধে (১৭৫৭) নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. Mir Madan / মীর মদন
  2. Mir Jafar / মীর জাফর
  3. Rai Durlabh / রায় দুরলভ
  4. Omichand / ওমিচাঁদ
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক এবং এ কারণে যদিও এটি ছোট খাট দাঙ্গার মতো একটি ঘটনা ছিল, তবু এটিকে যুদ্ধ বলে বাড়িয়ে দেখানো হয়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য বাংলা অনেকটা স্প্রিং বোর্ডের মতো কাজ করে, যেখান থেকে ক্রমান্বয়ে ব্রিটিশ শক্তি আধিপত্য বিস্তার করে করে অবশেষে সাম্রাজ্য স্থাপনে সক্ষম হয়।
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতবর্ষ গ্রাস করে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে এশিয়ার অন্যান্য অনেক অংশও এর অধীনস্থ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২৪.
During which period was feudalism gradually abolished in Bengal?/ কোন যুগে বাংলার সামন্তপ্রথা ধীরে ধীরে দূর হয়?
  1. Gupta period (গুপ্ত যুগ)
  2. Pala period (পাল যুগ)
  3. Sena period (সেনা যুগ)
  4. Maurya period (মৌর্য যুগ)
ব্যাখ্যা

পাল বংশের সময় বাংলায় কেন্দ্রীকৃত শাসন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজ্য শক্তিশালী হওয়ায় স্থানীয় সামন্তদের ক্ষমতা সীমিত হয়। এর ফলে সামন্তপ্রথা বা জमीনের ওপর ক্ষুদ্র শাসক ও জমিদারের আধিপত্য ধীরে ধীরে দূর হতে শুরু করে। কেন্দ্রীয় শাসন, সেনাবাহিনী ও রাজকীয় নিয়ম-নীতি পাল যুগে এই পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি ছিল।

বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস ও -বাংলাপিডিয়া

২৫.
At what age did Siraj-ud-Daulah ascend the throne of Bengal?/ সিরাজউদ্দৌলা কত বছর বয়সে বাংলার মসনদে বসেন?
  1. 18 years / ১৮ বছর
  2. 20 years / ২০ বছর
  3. 23 years / ২৩ বছর
  4. 25 years / ২৫ বছর
ব্যাখ্যা

সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন ১৭৫৬ খ্রিঃ। তিনি তখন মাত্র ২৩ বছর বয়সী ছিলেন। নবাব হওয়ার আগে তিনি পূর্বে বাংলার বিভিন্ন সামরিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর রাজত্ব সংক্ষিপ্ত হলেও (১৭৫৬–১৭৫৭), এটি ইতিহাসে পলাশির যুদ্ধে (১৭৫৭) ব্রিটিশদের সাথে সংঘর্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২৬.
Who laid the foundation of the Portuguese empire in India?/ভারতে পর্তুগিজ সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন কে?
  1. Duarte Barbosa / দুয়ার্টে বারবোসা
  2. Afonso de Albuquerque / আফনসো দে আলবুকার্ক
  3. Francisco de Almeida / ফ্রান্সিস্কো দে আলমেইদা
  4. Vasco da Gama / ভাস্কো দা গামা
ব্যাখ্যা

আফনসো দে আলবুকার্ক ছিলেন পর্তুগিজ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাকারী ও ভারতীয় উপমহাদেশে পর্তুগিজ প্রভাব বিস্তারের প্রধান নায়ক। তিনি ১৫১০ খ্রিঃ গোয়া দখল করেন এবং এটিকে পর্তুগিজদের মূল সাম্রাজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। তার শাসনামলে পর্তুগিজরা বাণিজ্যিক ও সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে সক্ষম হন। আফনসো দে আলবুকার্ক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পর্তুগিজ আধিপত্যের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং ভারতীয় মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সাম্রাজ্যিক শক্তি বাড়ান।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

২৭.
Where is Fort William located?/ ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কোথায় অবস্থিত?
  1. Dhaka / ঢাকা
  2. Kolkata / কলকাতা
  3. Mumbai / মুম্বাই
  4. Chennai / চেন্নাই
ব্যাখ্যা

ফোর্ট উইলিয়াম হলো ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একটি প্রধান দুর্গ, যা ভারতের কলকাতা শহরে অবস্থিত। এটি ১৭০০ শতকে ব্রিটিশরা নির্মাণ শুরু করে। ফোর্ট উইলিয়াম ব্রিটিশদের প্রশাসনিক ও সামরিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই দুর্গ কলকাতার হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত এবং শহরের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। পরবর্তীতে এটি ভারতের সেনাবাহিনীর সদর দফতর হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

২৮.
Where did Devapala, the Pala emperor, establish his new capital?/ দেবপাল কোথায় নতুন রাজধানী স্থাপন করেন?
  1. Karnasuvarna (কর্ণসুবর্ণ)
  2. Pundravardhana (পুন্ড্রবর্ধন)
  3. Munger (মুঙ্গের)
  4. Vikramashila (বিক্রমশীলা)
ব্যাখ্যা

দেবপাল (৮ম শতাব্দী) পাল বংশের তৃতীয় সম্রাট ছিলেন। তিনি রাজ্যকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে মুঙ্গের-এ নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। এই নতুন রাজধানী প্রশাসন, সামরিক কার্যক্রম এবং বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত। দেবপালের সময় পাল সাম্রাজ্যের সীমানা ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম অঞ্চলের মধ্যে একটি হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস ও -বাংলাপিডিয়া

২৯.
Which Sena ruler established Nadia as city?/ সেন রাজবংশের কোন রাজা নবদ্বীপ (নদীয়া) নগরী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Vijay Sen /বিজয়সেন
  2. Vallal Sen / বল্লালসেন
  3. Lakshman Sen / লক্ষ্মণসেন
  4. Hemanta Sen / হেমন্তসেন
ব্যাখ্যা

নদীয়া পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলার একটি জেলা শহর। শহরটি নবদ্বীপ নামেও পরিচিত। অনেকের মতে, ভাগীরথী এবং জলাঙ্গী নদীর মোহনায় অবস্থিত শহরটি বল্লালসেন (১১৬০-১১৭৪) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যদিও আদিতে নদীয়া মোটামুটিভাবে ভাগীরথীর ডানদিকের তীরে অবস্থিত এবং নদীটির দ্বারা দুভাগে বিভক্ত ছিল, কিন্তু এর উত্তর অংশ বর্তমানে বিলীন হয়ে গেছে এবং দক্ষিণ অংশটি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধির মাধ্যমে গঠন করেছে নতুন নদীয়া। ১৮৬৯ সালে এটি পৌর শহরে রূপান্তরিত হয়।

বাংলাপিডিয়া

৩০.
Who misused the Dastak during the reign of Siraj-ud-Daulah?/ সিরাজউদ্দৌলার সময়ে কারা দস্তকের অপব্যবহার করেন?
  1. French traders / ফরাসি ব্যবসায়ী
  2. Dutch traders / ডাচ ব্যবসায়ী
  3. Portuguese traders / পর্তুগিজ ব্যবসায়ী
  4. English East India Company officials / ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

দস্তক হলো একটি বিশেষ রশিদ বা অনুমোদনপত্র, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনামলে বাণিজ্যিক পণ্যের করমুক্ত লেনদেন নিশ্চিত করত। এই দস্তক মূলত হালকা শুল্ক এবং করমুক্ত বাণিজ্য নিশ্চিত করার জন্য প্রবর্তিত হয়েছিল। তবে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তারা এই দস্তককে অপব্যবহার করেন। তারা সমস্ত পণ্য করমুক্ত করতে দাবী করত, এমনকি স্থানীয় বাজারে কর ও শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যও। ফলে নবাবের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এতে সিরাজউদ্দৌলার ক্রোধ সৃষ্টি হয়। এই অপব্যবহারই পরবর্তীতে পলাশির যুদ্ধের পেছনের একটি কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩১.
Through which law did women in the Indian subcontinent get the right to vote?/ উপমহাদেশের নারীরা ভোটাধিকার পায় কোন আইনের মাধ্যমে?
  1. Indian Councils Act, 1909 / ভারতীয় কাউন্সিল আইন, ১৯০৯
  2. Government of India Act, 1919 / ভারতের সরকার আইন, ১৯১৯
  3. Government of India Act, 1935 / ভারতের সরকার আইন, ১৯৩৫
  4. Indian Independence Act, 1947 / ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

Government of India Act, 1935 এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে নারীদের জন্য সীমিত ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। এটি প্রান্তিকভাবে রাজ্য পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। আইনটি ভারতের মাত্র ২.৫% নারীকে ভোট দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। ভোটাধিকার সম্প্রসারণের জন্য পরবর্তী সমস্ত পদক্ষেপ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত ছিল, যা স্বাধীনতাকে নারীদের বিষয়গুলির চেয়ে উচ্চতর অগ্রাধিকার বলে মনে করেছিল। ১৯৪৬ সালে, যখন ভারতের গণপরিষদ নির্বাচিত হয়, তখন ১৫টি আসন মহিলাদের কাছে যায়। তারা নতুন সংবিধান প্রণয়নে সহায়তা করে এবং ১৯৪৭ সালের এপ্রিলে পরিষদ সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতিতে সম্মত হয়। জুলাই মাসে নির্বাচনের বিধান গৃহীত হয়, আগস্ট মাসে ভারত ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৪৮ সালের গোড়ার দিকে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা শুরু হয়। ভোটাধিকার এবং নির্বাচনের চূড়ান্ত বিধানগুলি ১৯৪৯ সালের জুন মাসে খসড়া সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়, যেদিন ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল ।পরবর্তীতে স্বাধীনতার পর নারীরা সমান ভোটাধিকার পায়।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৩২.
Who had to give their life due to the Subsidiary Alliance system?/ অধীনতামূলক মিত্রতানীতির জন্য প্রাণ দিতে হয় কাকে?
  1. Hyder Ali / হায়দর আলী
  2. Tipu Sultan / টিপু সুলতান
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Marathas / মারাঠা
ব্যাখ্যা

অধীনতামূলক মিত্রতানীতি (Subsidiary Alliance system) ছিল লর্ড ওয়েলেসলির প্রবর্তিত একটি নীতি, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতীয় রাষ্ট্রগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করত। এই নীতির মাধ্যমে রাজ্যকে ব্রিটিশ সৈন্যরা রক্ষার দায়িত্ব নিত, কিন্তু রাজাকে রাজস্ব ও বাহ্যিক নীতি নিয়ে স্বাধীনতা হারাতে হতো। হায়দর আলীর উত্তরাধিকারী টিপু সুলতান ব্রিটিশদের সাথে লড়াই চালান। ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে Fourth Anglo-Mysore War টিপু সুলতান ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় নিহত হন। ফলে, টিপু সুলতানের মৃত্যু ব্রিটিশদের অধীনতামূলক মিত্রতানীতির বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপট হিসেবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৩৩.
Who eradicated the notorious 500 Thugs in India?/ ভয়ংকর ৫০০ ঠগিকে হত্যা/নির্মূল করেন কে?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  3. Colonel Sliman / কর্নেল স্লিমান
  4. Warren Hastings / ওয়ারেন
ব্যাখ্যা

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সময়, ঠগ নামে এক বিশেষ চক্র ছিল, যারা ভ্রমণকারীদের হত্যার মাধ্যমে লুটপাট করত। এই চক্রটি প্রায় ৫০০ ঠগের সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছিল। তাদের কার্যকলাপ ভারতজুড়ে ভয় সৃষ্টি করেছিল। কর্নেল স্লিমান দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে এই ভয়ংকর ঠগদের চিহ্নিত এবং নির্মূল করেন। তাঁর কঠোর অভিযান ও পরিকল্পিত অভিযান ঠগদের কার্যত শেষ করে এবং ভারতীয় সড়ক ও যাত্রাপথ নিরাপদ করে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৩৪.
In Indian history, the situation of powerless responsibility of the Nawab and irresponsible power of the Company is known as what?/ ভারতের ইতিহাসে নবাবের ক্ষমতাহীন দায়িত্ব আর কোম্পানির দায়িত্বহীন ক্ষমতা কী নামে পরিচিত?
  1. Dual System of Government / দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
  2. Subsidiary Alliance / অধীনতামুলক মিত্রতা নীতি
  3. Doctrine of Lapse / ল্যাপস নীতি
  4. Dyarchy / দ্বৈত সরকার
ব্যাখ্যা

দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত মোতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার সুযোগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন। এই ব্যবস্থার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠে এবং বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হন। ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ সরকারের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চিরতরে বাতিল বলে ঘোষণা করেন।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৫.
What policy did Lord Dalhousie believe in?/ ডালহৌসি কোন নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন?
  1. Subsidiary Alliance / অধীনতামূলক মিত্রতানীতি
  2. Doctrine of Lapse / স্বত্ববিলোপ নীতি
  3. Permanent Settlement / চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
  4. Ryotwari System / রায়তওয়ারি ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮–১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তিনি ভারতীয় রাজ্যগুলোকে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আনতে Doctrine of Lapse (স্বত্ববিলোপ নীতি) প্রবর্তন করেন। এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনও প্রাদেশিক শাসকের কোনো সরাসরি পুরুষ উত্তরাধিকারী না থাকে, তাহলে তার রাজ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে চলে যাবে। Satara, Jhansi, Nagpur, Baghat রাজ্যগুলি এই নীতির মাধ্যমে কোম্পানির হাতে আসে। নীতি বাস্তবায়নের ফলে অনেক প্রাদেশিক রাজারা বিরক্ত হন, যা পরে ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৩৬.
Who led the Sannyasi Rebellion?/ সন্ন্যাসী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. Tipu Sultan / টিপু সুলতান
  2. Haji Shariatullah / হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. Bhabani Pathak / ভবানী পাটক
  4. Kedar Rai / কেদার রায়
ব্যাখ্যা

সন্ন্যাসী আন্দোলন ১৮শ শতকে বঙ্গপ্রদেশে সংঘটিত এক প্রতিরোধ আন্দোলন। এটি মূলত সন্ন্যাসী ও ফকিরদের নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শুরু হয়। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের করের অত্যাচার ও কোম্পানির শাসনবিরোধী কার্যক্রম প্রতিহত করা। ভবানী পাটক ছিলেন এই আন্দোলনের প্রধান নেতা। তিনি সন্ন্যাসী ও ফকিরদের সংগঠিত করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালান।

উৎস-

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৭.
Who was the Governor-General when English education was promoted in India through Macaulay’s Minute?/ ভারতে ম্যাকলে মিনিটের মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে কোন গভর্নর-জেনারেলের সময়ে?
  1. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord Ripon / লর্ড রিপন
  4. Lord William Bentinck / লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

উচ্চ আদালতে ও সরকারি কাজকর্মে ফার্সির পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রচলন ইংরেজি অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে এবং পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তার লাভ করে। ভারতীয়দের আধুনিক ধারায় শিক্ষিত করার মানসে টমাস বেবিংটন ম্যাকলে ইংরেজি ভাষা ও পাশ্চাত্যের ধারণাসমূহ ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তদনুসারে বেন্টিঙ্ক ইংরেজি ভাষা ও বিজ্ঞান পাঠকে উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেন। অনেক জায়গায় স্কুল খোলা হয় এবং ভারতীয় ডাক্তারদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে ১৮৩৫ সালে কলকাতায় একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উৎস-

বাংলাপিডিয়া

৩৮.
How many main conditions were there in the Subsidiary Alliance system?/ অধীনতামূলক মিত্রতানীতির কয়টি শর্ত ছিল?
  1. 3/৩
  2. 4/৪
  3. 5/৫
  4. 6/৬
ব্যাখ্যা

অধীনতামূলক মিত্রতানীতি (Subsidiary Alliance system) লর্ড ওয়েলেসলি প্রবর্তিত একটি নীতি, যা ভারতীয় রাজ্যগুলিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আংশিক নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ব্যবহৃত হতো। মূল শর্তসমূহ চারটি ছিলঃ রাজ্যকে ব্রিটিশ সৈন্য রক্ষার জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে। রাজ্যকে বিদেশী শত্রুর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সাহায্য নিতে বাধ্য করা হবে। বিদেশি সৈন্যদের জন্য অনুমোদন ছাড়া কোন সৈন্য রাজ্যে ঢুকতে পারবে না। রাজ্যের রণনীতি এবং বিদেশনীতি সম্পূর্ণভাবে ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই চারটি শর্ত রাজ্যের স্বাধীনতা সীমিত করেছিল এবং ব্রিটিশদের প্রভাব বাড়িয়েছিল।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৩৯.
Who introduced the telegraph system in India?/ টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?
  1. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  2. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  3. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮–১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর-জেনারেল ছিলেন। তিনি ভারতের আধুনিকীকরণের জন্য নানা পদক্ষেপ নেন। তার সময়ে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ভারতবর্ষে প্রবর্তিত হয়। এই ব্যবস্থা দূরত্বে দ্রুত যোগাযোগের সুযোগ দেয় এবং প্রশাসনিক, সামরিক ও বাণিজ্যিক কাজকে সহজ করে। ডালহৌসির আধুনিকীকরণের অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে ছিল রেলপথ, ডাক ব্যবস্থা, সেতু নির্মাণ এবং রাস্তা নির্মাণ।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪০.
During whose reign did India have deep cultural contacts with the Arabs?/ আরবদের সঙ্গে ভারতের গভীর সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ঘটে কাদের সময়ে?
  1. During Muhammad (sm.) / মহানবীর সময়ে
  2. Age of Khulafai Rashedin/ খোলাফায়ে রাশিদীনের সময়
  3. Age of Abbasiyad/ আব্বাসীয় যুগে
  4. Age of Umaiya / উমাইয়া যুগে
ব্যাখ্যা

মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল দেখা যায় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে। উমাইয়া যুগের মুসলমান সংস্কৃতি ভারতীয়দের দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। আরবরা এদেশে এসে এখানকার উঁচু মানের সভ্যতা দেখে বিস্মিত হয়েছিল। আরবরা ভারতীয় সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রশিল্পী, দার্শনিক, পন্ডিত ও কারিগরদের ভূয়সী প্রশংসা করেছিল। তাবারির বিবরণ থেকে জানা যায় যে অসুস্থ হয়ে পড়লে খলিফা হারুন-উর-রশিদ ভারত থেকে একজন চিকিৎসক নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর চিকিৎসাতেই খলিফা আরোগ্য লাভ করেছিলেন। ভারতীয় বহু চিকিৎসাশাস্ত্র গ্রন্থও আরবি ভাষায় অনুদিত হয়। এগুলোর মধ্যে শশ্রু ও চরকের গ্রন্থ দুটি আরবে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। পশু-চিকিৎসা এবং সর্পদংশন চিকিৎসা সম্পর্কিত কয়েকটি গ্রন্থও আরবিতে অনুবাদ করা হয়েছিল। এ থেকে বোঝা যায় যে, আরবরা ভারতীয় চিকিৎসাশাস্ত্রের কাছে বিশেষভাবে ঋণী।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৪১.
In which year did Language Martyr Abdus Salam receive the Ekushey Padak? / ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম কত সালে একুশে পদক লাভ করে?
  1. 1976 / ১৯৭৬
  2. 1980 / ১৯৮০
  3. 1996 / ১৯৯৬
  4. 2000 / ২০০০
ব্যাখ্যা

ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম ছিলেন বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত শহীদ। তিনি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তে বাংলা ভাষার অধিকার রক্ষার জন্য শহীদ হন। তাঁর ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, সরকার ২০০০ খ্রিস্টাব্দে তাকে মৃত্যুত্তর একুশে পদক প্রদান করে। একুশে পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এটি শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখা ব্যক্তিদেরকে দেওয়া হয়।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪২.
Where did Tipu Sultan plant the ‘Tree of Liberty’?/ ‘স্বাধীনতা বৃক্ষ’ নামে গাছের চারাটি টিপু সুলতান কোথায় রোপণ করেন?
  1. Mysore / মহিশুর
  2. Srirangapattam / শ্রীরঙ্গপত্তম
  3. Bangalore / ব্যাঙ্গালোর
  4. Hyderabad / হায়দরাবাদ
ব্যাখ্যা

টিপু সুলতান স্বাধীনতা ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে একটি বিশেষ গাছ রোপণ করেছিলেন, যা পরিচিত ‘Tree of Liberty’ (স্বাধীনতা বৃক্ষ) নামে। এই বৃক্ষটি শ্রীরঙ্গপত্তমে রোপণ করা হয়। এটি মূলত ফরাসি বিপ্লবের প্রভাবের প্রতীক হিসেবে এবং ব্রিটিশ কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা প্রচারের উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়। টিপু সুলতান তার রাজ্য ও সেনাদের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা বৃদ্ধি করতে এই বৃক্ষের রোপণ করেছিলেন।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৪৩.
Who transformed the Faraizi Movement into a political movement?/ ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন কে?
  1. Shah Abdul Aziz / শাহ আব্দুল আজিজ
  2. Haji Shariatullah / হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. Dudu Mia / দুদু মিয়া
  4. Tipu Sultan / টিপু সুলতান
ব্যাখ্যা

ফরায়েজি আন্দোলন মূলত ইসলামী ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন হিসেবে হাজী শরীয়তউল্লাহের নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল।হাজী শরীয়তউল্লাহ আন্দোলনকে ধর্মীয় সীমার মধ্যে রাখতেন। তাঁর উত্তরাধিকারী দুদু মিয়া আন্দোলনকে ধর্মীয় সীমা ছাড়িয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপান্তরিত করেন। দুদু মিয়া ব্রিটিশ শাসন এবং স্থানীয় জমিদারদের শোষণ-বিরোধী কার্যক্রমে ফরায়েজি আন্দোলনকে সক্রিয় করেন। তিনি সাধারণ মুসলমান জনগণকে সংগঠিত করে ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কার্যক্রম চালান।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৪.
Which famous temple did Mahmud destroy in 1024-25 AD?/ মাহমুদ ১০২৪-২৫ খ্রিষ্টাব্দে কোন বিখ্যাত মন্দির ধ্বংস করেন?
  1. Somnath Temple / সোমনাথ মন্দির
  2. Jagannath Temple / জগন্নাথ মন্দির
  3. Kashi Vishwanath Temple / কাশী বিশ্বনাথ মন্দির
  4. Konark Temple / কোনরাক মন্দির
ব্যাখ্যা

সুলতান মাহমুদের ভারতীয় অভিযানগুলোর মধ্যে ১০২৪ খ্রিস্টাব্দে সোমনাথ আক্রমণ ছিল সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। দুর্গাধিপতি পালিয়ে গেলেও তাঁর সৈন্যরা দুর্গ রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল। প্রচন্ড যুদ্ধের পর দুর্গের পতন ঘটলে সুলতান মাহমুদ সোমনাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন। সোমনাথ মন্দিরের মূর্তি তিনি ভেঙ্গে ফেলেন এবং এ মন্দির থেকে প্রচুর ধনরত্ন লাভ করেন। মন্দির থেকে অন্যান্য মণিমুক্তা ছাড়াও সুলতান মাহমুদ ২০,০০০,০০০ দিনার পেয়েছিলেন। কথিত আছে যে, সুলতান মাহমুদ সোমনাথ মন্দিরের দেবমূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হলে ব্রাহ্মণরা প্রচুর ধনরতেœর বিনিময়ে মূর্তিটি রক্ষা করার চেষ্টা করে। কিন্তু মাহমুদ ঘোষণা করেন যে ভাবীকালে তিনি মূর্তি ধ্বংসকারী হিসাবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান, মূর্তি বিক্রেতা রূপে নয়।আব্দুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৪৫.
The only women’s magazine that played a role in the Language Movement was—/ ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখা একমাত্র মহিলা পত্রিকা ছিল—
  1. Samyabadi / সম্যবাদী
  2. Mohammadi / মোহাম্মাদি
  3. Sultana / সুলতানা
  4. Begum / বেগম
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই সময়ের একমাত্র মহিলা পত্রিকা ছিল ‘বেগম (Begum)’, যা নারী শিক্ষার প্রসার, সামাজিক সচেতনতা এবং ভাষা আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি দেখাত। পত্রিকাটিতে নারীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও ভাষা অধিকার রক্ষার বার্তা প্রচার করা হতো।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৬.
The lyricist of the first song on Ekushey was—/ একুশ নিয়ে প্রথম গানটির গীতিকার ছিলেন—
  1. Abdul Gaffar Chowdhury / আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. Abdul Latif / আবদুল লতিফ
  3. Shamsur Rahman / শামসুর রহমান
  4. Altaf Mahmud / আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক। এই গানটির গীতিকার ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী ।গানটি ভাষা আন্দোলনের সময় শহীদদের স্মরণে এবং বাংলার ভাষা রক্ষার আহ্বান হিসেবে লেখা হয়। গানটির সুর আলতাফ মাহমুদ রচনা করেন। এটি বাংলা ভাষা ও স্বাধীনতার চেতনার একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে ওঠে।

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

৪৭.
Who introduced the first railway in India?/ ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ প্রবর্তন করেন কে?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  3. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

ভারতে প্রথম রেল চালু হয় ১৬ এপ্রিল, ১৮৫৩ সালে।প্রথম যাত্রায় বোম্বে থেকে থানে ৩৪ কিমি (২১ মাইল) ভ্রমণ করে যেখানে যাত্রী সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০ জন। লর্ড ডালহৌসি ভারতের রেলওয়ের স্থপতি বা “Father of Indian Railways” নামে পরিচিত। তিনি “Railway Minute of 1853” প্রকাশ করেন, যেখানে ভারতের রেলওয়ে উন্নয়নের বিস্তারিত নীতি ঘোষণা করা হয়। তার পরিকল্পনায় ভারতের প্রধান শহর ও বন্দরগুলোকে রেলপথে যুক্ত করা হয়—যা পরে অর্থনীতি, সামরিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৪৮.
Which famous coin system was introduced by Iltutmish?/ ইলতুতমিশ কোন বিখ্যাত মুদ্রা প্রবর্তন করেন?
  1. Jitol and Tanka / জিতল ও টঙ্কা
  2. Gold Dinar / সোনার দিনার
  3. Silver Dirham / রৌপ্য দিরহাম
  4. Copper Paisa / তামার পয়সা
ব্যাখ্যা

ইলতুতমিশ দিল্লি সুলতানতের শাসনকালে জিতল ও টঙ্কা মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করেন। টঙ্কা ছিল রৌপ্য মুদ্রা এবং টঙ্কা ছিল তামার মুদ্রা। এ ছাড়া সোনার মুদ্রাও ছিল তার সময়ে। রুপার মুদ্রার ওজন ছিল ১৭৫ গ্রাম।এই মুদ্রা ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ ও বাণিজ্য পরিচালনা সহজ হয়। ইলতুতমিশের প্রবর্তিত মুদ্রা ব্যবস্থা দিল্লি সুলতানতের আর্থিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করে। পরবর্তী সময়ে এই মুদ্রা ব্যবস্থা ভারতের বিভিন্ন মুসলিম শাসকদের মধ্যে প্রচলিত হয়।

উৎস

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৪৯.
Who was called Lakhbaksh (লাখবকস)?/ কাকে লাখবকস বলা হয়?
  1. Alauddin Khilji/ আলাউদ্দিন খলজি
  2. Balban/ বলবন
  3. Iltutmish/ ইলতুতমিশ
  4. Qutbuddin Aibak/ কুতুবুদ্দিন আইবক
ব্যাখ্যা

কুতুবুদ্দিন আইবককে লাখবকশ বলা হতো। ‘লাখবকশ’ শব্দের অর্থ হলো “লক্ষ দানকারী”। তিনি দান-খয়রাত ও উদারতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন এবং গরিব ও অভাবীদের সাহায্য করার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ দান করতেন। এজন্যই মানুষ তাকে ভালোবেসে লাখবকশ নামে অভিহিত করেছিল।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫০.
Balban suppressed which rebel group in his reign?/ তার শাসনকালে বলবন কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠী দমন করেন?
  1. Pathans / পাঠান
  2. Turks / তুর্কি
  3. Rajputs / রাজপুত
  4. Afghans / আফগান
ব্যাখ্যা

দুধর্ষ মেওয়াটি দস্যুরা ছিল মেওয়াট বা আলোয়ারের পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসী। এই রাজপুত মেওয়াটি দস্যুগণ প্রকাশ্যে দিল্লির রাজপথে পথিকদের সবকিছু লুঠ করে নিয়ে যেত। সুলতান বলবন দিল্লির উপকণ্ঠ থেকে এসকল দস্যুদের বিতাড়িত করেন এবং তাদের অনেককে হত্যা করেন। সুলতান নিজেই মেওয়াটি দস্যুদের প্রধান ঘাঁটি কাম্পিল, পাতিয়ালী, ভোজপুর প্রভৃতি স্থানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। মেওয়াটি দস্যুদের ভবিষ্যত আক্রমণ থেকে দিল্লিকে রক্ষার জন্য সুলতান বলবন গোপালগীরের দুর্গ নির্মাণ করেন এবং জালালী দুর্গটি সংস্কার করেন।

উৎস- ইসলামের ইতহাস ও সংস্কৃতি (উচ্চমাধ্যমিক ২য় পত্র)

৫১.
Which Governor-General introduced the Civil Service Examination in India?/ কোন গভর্নর জেনারেল ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রচলন করেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  3. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইন এর অধীনে কর্নওয়ালিস ফোর্ট উইলিয়মের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। বাংলায় বিরাজমান দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার স্পষ্ট নির্দেশ ছিল তাঁর উপর। অস্থায়ী রাজস্ব ব্যবস্থা দূর করে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করার জন্য তাঁকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসনে বিদ্যমান দুর্নীতি দূর করতে মোটেই সময় নেন নি। তিনি প্রশাসন থেকে কোম্পানির বাণিজ্যকে আলাদা করেন এবং প্রশাসনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চ বেতনভোগী ও পেশাগতভাবে সুশৃঙ্খল ‘সিভিল সার্ভিস’ গঠন করেন। জেলা পর্যায়ে প্রশাসন ব্যবস্থাকে তিনি পুনর্বিন্যাস করেন। তবে প্রথমদিকে পরীক্ষা লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতো, ভারতীয়দের প্রবেশাধিকারও সীমিত ছিল।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৫২.
In which language was the book Chachnama written?/ চাচ্নামা গ্রন্থটি কোন ভাষায় রচিত?
  1. Arabic / আরবি
  2. Persian / ফারসি
  3. Sanskrit / সংস্কৃত
  4. Turkish / তুর্কি
ব্যাখ্যা

চাচ্নামা সিন্ধুর ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এটি আরবি ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং এতে চাচ নামক সিন্ধুর শাসক ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের ঘটনাবলি লিপিবদ্ধ আছে। পরে এটি ফারসি ভাষায় অনূদিত হয়, কিন্তু মূল গ্রন্থটি আরবিতেই রচিত।

দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)

৫৩.
The Bengal Provincial Elections of 1937 were held under which Act?/ বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচন ১৯৩৭ অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোন আইনের অধীনে?
  1. Indian Councils Act, 1909/ভারতীয় কাউন্সিল আইন,১৯০৯
  2. Montagu-Chelmsford Reforms, 1919/ মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার,১৯১৯
  3. Government of India Act, 1935/ভারত শাসন আইন,১৯৩৫
  4. Morley-Minto Reforms,1909/মর্লি মিন্টো সংস্কার,১৯০৯
ব্যাখ্যা

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালে, ভারত শাসন আইন ১৯৩৫ এর অধীনে। এই নির্বাচনে প্রাদেশিক আইনসভাগুলো গঠিত হয় এবং কংগ্রেস ও মুসলিম লীগসহ বিভিন্ন দল অংশগ্রহণ করে। ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে সর্ব প্রথম সীমিত আকারে ভারতীয় প্রদেশগুলোতে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন, ভোটাধিকার সম্প্রসারণের কারণে বাংলার মুসলমান নেতাদের মধ্যে নতুন উদ্দিপনা লক্ষ্য করা যায়। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনই ছিল উপমহাদেশের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন।

উৎস- ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৪.
Which American event influenced the French Revolution?/ কোন আমেরিকান ঘটনা ফরাসি বিপ্লবকে প্রভাবিত করে?
  1. American Civil War/আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
  2. American War of Independence আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধ
  3. Great Depression/মহামন্দা
  4. World War/বিশ্ব যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

American War of Independence (1775–1783) ফ্রান্সকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবিত করেছিল। ফরাসি সরকার আমেরিকান উপনিবেশীদের বিপ্লবকে সমর্থন করতে অর্থ ও সেনাবাহিনী পাঠায়, যা ফ্রান্সের অর্থনৈতিক সংকট বাড়ায়। আমেরিকার গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার ধারণা ফরাসি জনগণকে রাজা ও অভিজাতদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে উৎসাহিত করে। এই প্রভাবই ফরাসি বিপ্লবের রাজনৈতিক ও দার্শনিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৪৫৩-১৮১৫)

৫৫.
On which date police fired on students in Dhaka during the Language Movement?/ ভাষা আন্দোলনে ঢাকায় ছাত্রদের উপর পুলিশ কবে গুলি চালায়?
  1. 20 February 1952/ ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৫২
  2. 23 February 1952/ ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৫২
  3. 21 February 1952/ ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৫২
  4. 22 February 1952/ ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৫২
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে। কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু। সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় এবং ‘রাষ্টভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করেন। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।

এসব কর্মসূচির আয়োজন চলার সময় সরকার ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে সমাবেশ-শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ঢাকা শহরের স্কুল-কলেজের হাজার হাজার ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয়। ছাত্ররা পাঁচ-সাতজন করে ছোট ছোট দলে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসলে পুলিশ তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করে, ছাত্রীরাও এ আক্রমন থেকে রেহাই পায়নি। ছাত্রছাত্রীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সামলাতে ব্যর্থ হয়ে গণপরিষদ ভবনের দিকে অগ্রসররত মিছিলের উপর পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে রফিক, জব্বার, বরকত (রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শ্রেণীর ছাত্র) নিহত হয়। বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাঁদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম মারা যায়। অহিউল্লাহ্ নামে আট/নয় বছরের এক কিশোরও সেদিন নিহত হয়।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৬.
Which famous traveler visited India during the reign of Muhammad bin Tughlaq?/ মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে ভারতবর্ষে কোন ঐতিহাসিক পর্যটকের আগমন ঘটে?
  1. Marco Polo / মার্কো পোলো
  2. Ibn Battuta / ইবনে বতুতা
  3. Hiuen Tsang / হিউয়েন সাঙ
  4. Al-Biruni / আল-বিরুনি
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা (Ibn Battuta) ছিলেন মরক্কোর এক খ্যাতনামা মুসলিম ভ্রমণকারী। তিনি ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে ভারতে আগমন করেন। সুলতান তাকে দিল্লির কাজি (Chief Qazi) পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তার ভ্রমণ কাহিনী ‘রিহলা’ (Rihla) গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে, যা সে সময়কার ভারতের ইতিহাস জানার অন্যতম প্রধান উৎস।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৫৭.
Who is called “Bhasha Konna” for her contribution to the Language Movement? // ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখার জন্য কাকে ভাষাকন্যা বলা হয়?
  1. Sufia Kamal / সুফিয়া কামাল
  2. Leela Nag / লীলা নাগ
  3. Nadera Begum / নাদেরা বেগম
  4. Begum Rokeya / বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের সময় নারীদের মধ্যে নাদেরা বেগম ছিলেন অন্যতম সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। তিনি মিছিল, সভা-সমাবেশে অংশ নিয়ে আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছিলেন। ভাষার জন্য তার অকুণ্ঠ অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “ভাষাকন্যা” বলা হয়।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৮.
On which date is Mass Uprising Day observed? / গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় কত তারিখ?
  1. 25 March / ২৫ মার্চ
  2. 17 November / ১৭ নভেম্বর
  3. 29 January / ২৯ জানুয়ারি
  4. 24 February / ২৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯-এ পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ব্যাপক ছাত্র-জনতার আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়। ওইদিন ঢাকায় পুলিশ ফায়ারে কনিষ্ঠ ছাত্র মতিউর রহমান মালিক (Nabakumar Institution-এর নবম শ্রেণি ছাত্র) ও রিকশা-চালক রুস্তম আলী সহ বহু মানুষ নিহত হন; এই হত্যাকাণ্ডই গণঅভ্যুত্থানের মূলে জ্বালা ছড়িয়ে দেয় এবং পুরো প্রদেশজুড়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ জোরালো করে। আন্দোলনটি ১৯৬৮-এর ছাত্র অসন্তোষ থেকে শুরু করে ১৯৬৯-এর জানুয়ারি-মার্চে পরিণত হয় — প্রধান তাত্ক্ষণিক দাবিগুলো ছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রত্যাহার, শেখ মুজিবুর রহমান-সহ নেতাদের মুক্তি এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন (Six-Point)। আন্দোলনে ছাত্র-সংগঠন, রাজনৈতিক দল, শ্রমিক ও সাংস্কৃতিক জনগোষ্ঠী সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৫৯.
In which battle was Napoleon finally defeated?/ নেপোলিয়ন চূড়ান্তভাবে কোন যুদ্ধে পরাজিত হন?
  1. Waterloo/ওয়াটারলু
  2. Leipzig/লিপজিগ
  3. Austerlitz/অস্টারলিৎজ
  4. Trafalgar/ট্রাফালগার
ব্যাখ্যা

নেপোলিয়নকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা হয় ১৮ জুন ১৮১৫ সালের ওয়াটারলুর যুদ্ধে। এলবা দ্বীপ থেকে পালিয়ে এসে তিনি আবার ক্ষমতা দখল করেছিলেন, যা ইতিহাসে “শত দিনের শাসনকাল” নামে পরিচিত। কিন্তু বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে নেপোলিয়নের সেনাদের বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনী (ব্রিটিশ সেনাদের নেতৃত্ব দেন ডিউক অব ওয়েলিংটন, আর প্রুশিয়ান সেনাদের নেতৃত্ব দেন ব্লুচার) লড়াই করে। নেপোলিয়নের দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও তার সেনারা ভয়াবহভাবে পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের ফলে নেপোলিয়নের শাসন একেবারে শেষ হয়ে যায় এবং তাকে বন্দি করে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়, যেখানে তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870

৬০.
When was the Union of Soviet Socialist Republics (USSR) formed?/ সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) কবে গঠিত হয়েছিল?
  1. 1917/১৯১৭
  2. 1922/১৯২২
  3. 1924/১৯২৪
  4. 1930/১৯৩০

ব্যাখ্যা

রাশিয়ান সিভিল ওয়ারের পরে বলশেভিকদের নেতৃত্বে রাশিয়ায় কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সোশ্যালিস্ট প্রজাতন্ত্র একত্রিত হয়ে Union of Soviet Socialist Republics (USSR) গঠন করে। গঠনের সাল: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯২২ মূল প্রজাতন্ত্র: রাশিয়ান SFSR, ইউক্রেন, বেলারুশ ও ট্রান্সককেশিয়ান SFSR উদ্দেশ্য: রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রিয়কৃত সরকার ও সামরিক শক্তি। লেনিন প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তবে তিনি এই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক নীতি প্রণয়ন ও স্থাপনার মূল নেতা ছিলেন।

উৎস-

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৬১.
Who suspended the session of Pakistan's National Assembly? / পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন কে?
  1. Muhammad Ali Jinnah / মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. Zulfikar Ali Bhutto / জুলফিকার আলী ভূট্টো
  3. Yahya Khan / ইয়াহইয়া খান
  4. Liaquat Ali Khan / লিয়াকত আলী খান
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে এবং শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী, বিশেষত জেনারেল ইয়াহইয়া খান ও জুলফিকার আলী ভূট্টো, ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা করতে থাকে। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহইয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন (যা ৩ মার্চ ঢাকায় বসার কথা ছিল) হঠাৎ স্থগিত ঘোষণা করেন। এই সিদ্ধান্তে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে প্রবল ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশজুড়ে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয় এবং তা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের দিকে গতি সঞ্চার করে।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৬২.
Who wrote the book “The Persian Letters”?/ “The Persian Letters” গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. Voltaire / ভল্টেয়ার
  2. Montesquieu / মণ্টেস্কু
  3. Rousseau / রুশো
  4. Diderot / ডিডেরো
ব্যাখ্যা

The Persian Letters (১৭২১) গ্রন্থটি ফরাসি দার্শনিক মণ্টেস্কু লিখেছিলেন। এটি দুই পারস্য ভ্রমণকারীর চিঠি আকারে লেখা, উসবেক এবং রিকা নামে। তারা ফরাসি সমাজ, রাজনীতি ও রীতিনীতি সম্পর্কে তাদের পর্যবেক্ষণ ও সমালোচনা করে। উপহাসাত্মক ভাষায়, Montesquieu ফরাসি রাজতন্ত্রের এবং সমাজের ত্রুটি, ধর্মীয় কুসংস্কার ও সামাজিক নিয়ম প্রকাশ করেন।

উৎস-

C.J.H. Hayes- Modern Europe to 1870
দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৬৩.
Which was the first political revolution in human history?/ মানবজাতির ইতিহাসে প্রথম রাজনৈতিক বিপ্লব কোনটি?
  1. American Revolution / আমেরিকার বিপ্লব
  2. French Revolution / ফরাসি বিপ্লব
  3. English Revolution (Glorious Revolution) / ইংরেজ বিপ্লব
  4. Russian Revolution / রাশিয়ার বিপ্লব
ব্যাখ্যা

১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব মানবসভ্যতার ইতিহাসে প্রথম সুসংগঠিত ও সর্বজনীন রাজনৈতিক বিপ্লব হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মাধ্যমে সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও রাজতন্ত্র ভেঙে পড়ে। জনগণের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়। বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে প্রজাতন্ত্রের উত্থান ঘটে এবং পরবর্তীতে এটি সারা বিশ্বের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। যদিও ইংল্যান্ডে ১৬৮৮ সালের Glorious Revolution সংঘটিত হয়েছিল, তা ছিল মূলত রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করার ঘটনা; কিন্তু ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব-ই মানবজাতির প্রথম প্রকৃত রাজনৈতিক বিপ্লব হিসেবে স্বীকৃত।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৬৪.
Under which Act were landlords required to get a court decision before raising rent?/ কোন আইনে জমিদাররা খাজনা বৃদ্ধির আগে আদালতে রায় দিতে বাধ্য হয়?
  1. Regulation Act / রেগুলেশন আইন
  2. Ryotwari System / রায়তওয়ারি প্রথা
  3. Bengal Tenancy Act / বাংলা প্রজাস্বত্ব আইন
  4. Permanent Settlement Act / চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন
ব্যাখ্যা

Bengal Tenancy Act, 1885 প্রবর্তিত হয়েছিল বাঙালি কৃষকদের সুরক্ষা দিতে। এই আইনের মাধ্যমে জমিদারদের কৃষকের জমি ভাড়া (rent) বৃদ্ধি করার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। আইনটি মূলত কৃষক ও জমিদারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষকের অধিকার সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়েছিল। অন্য আইনের তুলনায়, যেমন Permanent Settlement Act (1793) যেখানে জমিদাররা প্রায় সম্পূর্ণ ক্ষমতা পেয়েছিলেন, Bengal Tenancy Act কৃষকদের অধিক সুরক্ষা প্রদান করে।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস-১ম পত্র

৬৫.
The Paris Commune was established in—/ প্যারিস কমিউন গঠিত হয়েছিল—
  1. 1848/১৮৪৮
  2. 1871/১৮৭১
  3. 1867/১৮৬৭
  4. 1917/১৯১৭
ব্যাখ্যা

Paris Commune হলো একটি স্বল্পকালীন গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক সরকার যা ফ্রান্সে প্যারিস শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সাল: ১৮ মার্চ ১৮৭১ প্রসঙ্গ: ফ্রান্স-প্রুশিয় যুদ্ধ (1870–1871) ও ফ্রান্সের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার ফল। লক্ষ্য: শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের স্বশাসন প্রতিষ্ঠা করা। বৈশিষ্ট্য: সমবায়ী নীতি, সমতা ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রচলন। ফলাফল: ফ্রান্সের সরকারি বাহিনী দ্বারা মাত্র ২ মাস পর (মে 1871) রুদ্ধ করা হয়।

উৎস-
মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৬.
Who said, "I have destroyed the Revolution"?/ ‘আমিই বিপ্লবকে ধ্বংস করেছি’ উক্তিটি কার?
  1. Napoleon Bonaparte / নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. Maximilien Robespierre / রোবসপিয়ের
  3. Louis XVI / লুই ষোড়শ
  4. Danton / দান্তন
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লবের পর সরকার ও রাজনীতি বিশৃঙ্খল অবস্থায় ছিল। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৯৯ সালে কৌঁসুলি কৌশলে ক্ষমতা দখল করেন এবং ফরাসি বিপ্লবের চরম উত্থান-পতনের পর নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি স্বীকার করেছিলেন যে, তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিপ্লবের মূল আদর্শের অনেক অংশ (জনগণের সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার, স্বাধীনতা ও সমতা) কার্যত ধ্বংস হয়েছে। তাই তিনি প্রসিদ্ধভাবে বলেছেন, "I have destroyed the Revolution"।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৭.
Who was the founder of the Chandra dynasty?/ চন্দ্র বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. Ladahachandra / লড়হচন্দ্র
  2. Kalyanachandra / কল্যাণচন্দ্র
  3. Srichandra / শ্রীচন্দ্র
  4. Trailokyachandra / ত্রৈলোক্যচন্দ্র
ব্যাখ্যা

চন্দ্র বংশের প্রথম রাজা ত্রৈলক্য চন্দ্রের সময়কাল আনুমানিক ৯০০-৯৩০ খ্রি: । কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলে চন্দ্রবংশীয় রাজারা প্রাথমিক পর্যায়ে ভূস্বামী ছিলেন। সমতট ও বঙ্গে সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন ত্রৈলোক্যচন্দ্র। চন্দ্রবংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তার নাম স্বরণীয় হয়ে থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস- ফোর ডক্টরস

৬৮.
When did Italy join the First World War?/ ইতালি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করে কত সালে?
  1. 1914/১৯১৪
  2. 1915/১৯১৫
  3. 1916/১৯১৬
  4. 1917/১৯১৭
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালে। ইতালি শুরুতে ত্রৈমুখী মিত্র জোটের (Triple Alliance – জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, ইতালি) সদস্য ছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হলে ইতালি নিরপেক্ষ থাকে, কারণ তারা মনে করে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি আক্রমণাত্মকভাবে যুদ্ধ শুরু করেছে। পরে ১৯১৫ সালে লন্ডন চুক্তি (Treaty of London, এপ্রিল ১৯১৫) অনুসারে মিত্রশক্তির (Britain, France, Russia) সাথে গোপন সমঝোতা করে ইতালি। এর বিনিময়ে তারা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির কিছু ভূখণ্ড (যেমন: Trentino, South Tyrol, Dalmatian coast) পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পায়। অবশেষে ২৩ মে ১৯১5 সালে ইতালি অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং মিত্রশক্তির পক্ষে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।

মোঃ শাহ আলমগীর, ইউরোপের ইতিহাস

৬৯.
What is the full form of ‘NEP’?/ ‘NEP’ এর পূর্ণরূপ কি?
  1. New Education Program / নতুন শিক্ষা কর্মসূচি
  2. National Economic Plan / জাতীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা
  3. New Economic Policy / নিউ ইকোনমিক পলিসি
  4. National Employment Policy / জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি
ব্যাখ্যা

NEP বা New Economic Policy রাশিয়ায় প্রবর্তিত হয় ১৯২১ সালে ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে। এটি মূলত রাশিয়ান সিভিল ওয়ার (১৯১৭–১৯২২) এবং যুদ্ধকালীন সমাজতন্ত্রের পর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করার জন্য গ্রহণ করা হয়। কৃষকরা কিছু পরিমাণ কৃষিজাত পণ্য বাজারে বিক্রি করতে পারতেন, সরকারের বাধ্যতামূলক সংগ্রহ কমানো হয়। ছোট ও মধ্যম শিল্পে ব্যক্তিগত উদ্যোগ অনুমোদিত হয়, সরকারি নিয়ন্ত্রণ সীমিত করা হয়। বাণিজ্য ও বাজারে সীমিত স্বাধীনতা প্রদান করা হয়। লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা। উদ্দেশ্য: যুদ্ধকালীন কমিউনিজমের ফলে অর্থনীতি ধ্বংসপ্রায় অবস্থায় ছিল। NEP-এর মাধ্যমে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করে উৎপাদন বাড়ানো এবং সোভিয়েত সরকারের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৭০.
Which secret society was founded by Mazzini?/ মাজিনি কোন গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Carbonari/ কার্বোনারি
  2. Young Italy/ ইয়াং ইতালি
  3. Black Shirts/ ব্ল্যাক শার্টস
  4. Red Shirts/ রেড শার্টস
ব্যাখ্যা

জুসেপে মাজিনি (Giuseppe Mazzini) ছিলেন ইতালির একত্রীকরণের প্রধান প্রেরণাদাতা ও চিন্তাবিদ। তাঁকে বলা হয় “Soul of Italian Unification” (ইতালির একত্রীকরণের আত্মা)। ১৮৩১ সালে মাজিনি Young Italy (লা জোভিনে ইতালিয়া / La Giovine Italia) নামের গোপন রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল যুবকদের সংগঠিত করে ইতালিকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করা এবং একটি ঐক্যবদ্ধ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এই সংগঠন তরুণদের মধ্যে জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক আদর্শ ছড়িয়ে দেয়।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৭১.
“Il Duce” was the title of—/ “ইল ডুচে” উপাধি কার ছিল?
  1. Hitler / হিটলার
  2. Mussolini / মুসোলিনি
  3. Franco / ফ্রাঙ্কো
  4. Hirohito / হিরোহিতো
ব্যাখ্যা

বেনিতো মুসোলিনি (Benito Mussolini) ছিলেন ইতালির ফ্যাসিস্ট নেতা। তিনি নিজেকে “Il Duce” (ইতালিয়ান ভাষায় মানে “The Leader”) নামে পরিচিত করান। এই উপাধি তার একনায়কত্ব ও পুরো দেশে নিয়ন্ত্রণ প্রকাশের প্রতীক ছিল।

উৎস

প্রভাতাংশু মাইতি- ইউরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৭২.
What was the capital of the Kingdom of Mysore?/ মহীশূর রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. Bangalore / ব্যাঙ্গালোর
  2. Srirangapattam/ শ্রীরঙ্গপত্তম
  3. Hyderabad / হায়দ্রাবাদ
  4. Madurai / মাদুরাই
ব্যাখ্যা

মহীশূর রাজ্য কর্ণাটকের দক্ষিণ অংশে অবস্থান করত এবং এটি ১৭৫০–১৯৯০-এর দিকে শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। শ্রী রঙ্গপত্তম শহরটি রাজ্যের রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হতো, বিশেষ করে টিপু সুলতানের শাসনকালে। এই শহরটি রাজনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। পরে ব্যাঙ্গালোর শহর রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, মূল রাজধানী ছিল শ্রীরঙ্গপত্তম।

প্রভাতাংশু মাইতি- ভারত ইতিহাস পরিক্রমা

৭৩.
Which statesman was called the “Honest Broker” at the Berlin Congress?/ বার্লিন কংগ্রেসে কোন রাষ্ট্রনায়ককে “Honest Broker” বলা হয়েছিল?
  1. Otto von Bismarck/ অটো ফন বিসমার্ক
  2. Napoleon III/ তৃতীয় নেপোলিয়ন
  3. Gladstone/গ্লাডস্টোন
  4. Cavour/ক্যাভুর
ব্যাখ্যা

১৮৭৮ সালের বার্লিন কংগ্রেসে জার্মানির চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক (Otto von Bismarck) সভাপতিত্ব করেন। তিনি নিজেকে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন, কারণ তার লক্ষ্য ছিল ইউরোপে ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power) বজায় রাখা এবং কোনো একটি রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত শক্তিশালী হতে না দেওয়া। যদিও বাস্তবে জার্মানির স্বার্থও রক্ষিত হয়েছিল, তবুও বিসমার্ককে বলা হয় “Honest Broker” বা “সৎ মধ্যস্থতাকারী”, কারণ তিনি রাশিয়া, ব্রিটেন, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অন্যান্য শক্তির মধ্যে সমঝোতা করিয়ে দেন এবং ইউরোপে সাময়িক শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস-

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৭৪.
Who first proposed the idea of a classless society?/ বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থার সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?
  1. Adam Smith / অ্যাডাম স্মিথ
  2. Thomas Moor / টমাস মুর
  3. Lenin / লেনিন
  4. Rousseau / রুশো
ব্যাখ্যা

টমাস মুর ছিলেন ১৫–১৬ শতকের ইংরেজ দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ। তিনি ১৫১৬ সালে “Utopia” গ্রন্থে প্রথম একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন সমাজের ধারণা উপস্থাপন করেন। তার উপন্যাসে মানুষদের মধ্যে সম্পদের সমান বণ্টন, দারিদ্র্য বা সামাজিক বৈষম্যের অভাব এবং সাম্যিক জীবনযাপন দেখানো হয়েছে। পরে কার্ল মার্কস ও লেনিনের মত চিন্তাবিদরা এই ধারণাকে আধুনিক সমাজতান্ত্রিক তত্ত্বে রূপ দেন।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৭৫.
On which battleship was the Atlantic Charter signed?/ যে রণতরীতে বসে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় তার নাম কি?
  1. HMS Queen Elizabeth / এইচএমএস কুইন এলিজাবেথ
  2. HMS Prince of Wales / এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস
  3. USS Missouri / ইউএসএস মিসৌরি
  4. HMS Victory / এইচএমএস ভিক্টরি
ব্যাখ্যা

Atlantic Charter ছিল ১৯৪১ সালের আগস্টে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এতে প্রধান নীতিমালা ছিল: দেশগুলোর সার্বভৌম অধিকার স্বীকৃতি, নতুন আঞ্চলিক সীমারেখা না গঠন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল HMS Prince of Wales রণতরীতে, যা আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত ছিল।

দিলীপ কুমার সাহা- ইউরোপের ইতিহাস (১৭৮৯-১৯৪৫)

৭৬.
Which tree's branches are shown on the United Nations flag?/ জাতিসংঘের পতাকায় কোন গাছের পাতা দেখা যায়?
  1. Oak / ওক
  2. Olive / জলপাই
  3. Palm / পাম
  4. Maple / মেপল
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের পতাকে কেন্দ্রে বিশ্ব মানচিত্রের চারপাশে জলপাইয়ের ডাল দেখানো আছে। জলপাই গাছ শান্তি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। পতাকাটির নকশায় জলপাই শাখা ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বের শান্তি ও সমঝোতার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য।

জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

৭৭.
Who were brave and skilled in naval science among the European nations?/ ইউরোপীয় জাতির মধ্যে কে নৌবিজ্ঞান (নেভাল সায়েন্স) ও সাহসিকতার জন্য বিখ্যাত ছিল?
  1. The British / ব্রিটিশ
  2. The Dutch / ডাচ
  3. The Portuguese / পর্তুগিজ
  4. The French / ফরাসি
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় জাতিসমূহের মধ্যে দুঃসাহসী ও নৌবিদ্যায় পারদর্শী ছিল — পর্তুগিজরা ১৫শ শতকের শেষ ভাগে পর্তুগিজরা ইউরোপের মধ্যে সর্বপ্রথম সমুদ্রপথে ভ্রমণ ও আবিষ্কারে নাম লেখায়।বার্তোলোমিউ ডায়াস ১৪৮৮ সালে প্রথম কেপ অফ গুড হোপ অতিক্রম করেন।ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে ক্যালিকটে পৌঁছে ভারতে ইউরোপীয় বাণিজ্যের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেন।নৌবিদ্যা, জাহাজ নির্মাণ এবং নৌ-অস্ত্র ব্যবহারে পর্তুগিজরা ছিল অগ্রগামী।বাংলায়ও তারা প্রথম ইউরোপীয় জাতি হিসেবে আসে (১৫১৭ সালে) এবং চট্টগ্রাম ও হুগলীতে বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তোলে।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৭৮.
Who was the first martyr in the Sepoy Mutiny (1857)?/ সিপাহী বিদ্রোহে প্রথম শহীদ হন কে?
  1. Mangal Pandey / মঙ্গল পাণ্ডে
  2. Rani Lakshmibai / রাণী লক্ষ্মীবাই
  3. Tatya Tope / তাত্যা টোপে
  4. Begum Hazrat Mahal / বেগম হজরত মহল
ব্যাখ্যা

মঙ্গল পাণ্ডে ছিলেন একটি ভারতীয় সৈনিক, যিনি ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রারম্ভিক অংশ হিসেবে হায়দ্রাবাদে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ব্রিটিশ বাহিনীর গুলাবন্দি হলে আহত হন এবং পরে নিহত হন। মঙ্গল পাণ্ডের সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের প্রেরণা হিসেবে পরিচিত।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৭৯.
Which emperor of Prussia introduced a government loan program for peasants?/ প্রুশিয়ার কোন সম্রাট কৃষকদের মধ্যে সরকারি ঋণ কর্মসূচী চালু করেন?
  1. Frederick William I / ফ্রেডরিক উইলিয়াম প্রথম
  2. Frederick II / দ্বিতীয় ফ্রেডরিক
  3. Wilhelm I / ভিলহেল্ম প্রথম
  4. Otto von Bismarck / অটো ফন বিসমার্ক
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ফ্রেডরিক যিনি ফ্রেডরিক দ্য গ্রেট নামেও পরিচিত, প্রুশিয়ার সম্রাট ছিলেন ১৭৪০–১৭৮৬ সালের মধ্যে। তিনি কৃষকদের আর্থিক উন্নয়ন ও স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে সরকারি ঋণ কর্মসূচী চালু করেছিলেন। এই কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষকরা ক্ষেত্রভূমি উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থা ও অন্যান্য কৃষিকাজের জন্য ঋণ পেতেন। লক্ষ্য ছিল কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং রাজ্যের অর্থনীতি শক্তিশালী করা।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৮০.
After how many years was the Estates-General summoned in France?/ ফ্রান্সে স্টেটস জেনারেলের অধিবেশন কত বছর পর ডাকা হয়?
  1. 100 years / ১০০ বছর
  2. 150 years / ১৫০ বছর
  3. 175 years / ১৭৫ বছর
  4. 200 years / ২০০ বছর
ব্যাখ্যা

Estates-General হলো ফ্রান্সের প্রাচীন সংসদীয় প্রতিষ্ঠান, যা তিনটি শ্রেণির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ছিল।শেষবার এটি ১৬১৪ সালে ডাকা হয়েছিল। পরবর্তীতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট, রাজকীয় কিস্তি বৃদ্ধি এবং জনগণের অসন্তোষের কারণে ১৭৮৯ সালে রাজা লুই ষোড়শ নতুন করে Estates-General ডাকার সিদ্ধান্ত নেন। এই অধিবেশনই ফরাসি বিপ্লবের প্রারম্ভ হিসেবে পরিচিত।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৮১.
By which Act was Burma separated from India?/ কোন আইনের মাধ্যমে বার্মাকে ভারতবর্ষ থেকে পৃথক করা হয়?
  1. Indian Councils Act 1909 / ইন্ডিয়ান কাউন্সিলস অ্যাক্ট ১৯০৯
  2. Government of India Act 1919 / গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯১৯
  3. Government of India Act 1935 / গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৩৫
  4. Indian Independence Act 1947 / ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) ১৯৩৭ সালে ভারতবর্ষ থেকে পৃথক হয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে স্বায়ত্তশাসিত হয়। এই পৃথকীকরণ Government of India Act 1935 এর মাধ্যমে কার্যকর হয়। আইনটি ভারতীয় প্রশাসন এবং রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনে এবং বার্মাকে আলাদা প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮২.
What is another name for the Quit India Movement?/ ভারত ছাড় আন্দোলনের অপর নাম কি?
  1. Non-Cooperation Movement / অসহযোগ আন্দোলন
  2. Civil Disobedience Movement / নাগরিক অমান্য আন্দোলন
  3. August Movement / অগাস্ট বিপ্লব
  4. Swadeshi Movement / স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা

ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট মহাত্মা গান্ধী নেতৃত্বে ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনকে “অগাস্ট বিপ্লব” নামেও ডাকা হয়। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনকে তাত্ক্ষণিকভাবে ভারতের সীমান্ত থেকে বিতাড়িত করা। আন্দোলন সময়ে ভারতজুড়ে বিপুল বিক্ষোভ, ধর্মঘট এবং সরকারি অফিসে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৩.
In which year was the Bengal Presidency established?/ বাংলা প্রেসিডেন্সি গঠিত হয় কত সালে?
  1. 1854 / ১৮৫৪
  2. 1757 / ১৭৫৭
  3. 1765 / ১৭৬৫
  4. 1905 / ১৯০৫
ব্যাখ্যা

Bengal Presidency হলো ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে ভারতের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশরা বাংলা রাজ্যের সেনাদের পরাজিত করে। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে ও কর সংগ্রহের দায়িত্ব কোম্পানির হাতে আসে ১৭৬৫ সালে, যখন দায়মত্তা (Diwani) পাওয়ার কোম্পানিকে দেওয়া হয়। এ বছর থেকে ব্রিটিশরা বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে এবং এটি Bengal Presidency হিসেবে পরিচিত হয়। অন্যান্য বছর যেমন ১৭৫৭ হলো পলাশীর যুদ্ধের সাল, ১৮৫৪ ও ১৯০৫ পরে প্রশাসনিক পরিবর্তন বা বিভাজনের সাল।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৮৪.
What was the name of the bomb dropped on Hiroshima?/ হিরোশিমায় নিক্ষেপিত বোমার নাম কি?
  1. Fat Man / ফ্যাট ম্যান
  2. Little Boy / লিটল বয়
  3. Enola Gay / এনোলা গে
  4. Trinity / ট্রিনিটি
ব্যাখ্যা

Little Boy ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিক্ষেপিত প্রথম পারমাণবিক বোমা, যা ৬ আগস্ট ১৯৪৫ তারিখে হিরোশিমার ওপর ফেলা হয়। এটি ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভিত্তিক বোমা ছিল এবং ফেলে দেওয়ার পর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে শহর ব্যাপক ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। Fat Man বোমাটি পরে নাগাসাকিতে (৯ আগস্ট ১৯৪৫) নিক্ষেপিত হয়েছিল, যা প্লুটোনিয়াম ভিত্তিক।

উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ২য় পত্র

৮৫.
Who composed the Nazi Party anthem?/ নাৎসী দলীয় সংগীত রচনা করেন কে?
  1. Adolf Hitler / অ্যাডলফ হিটলার
  2. Joseph Goebbels / জোসেফ গেবেলস
  3. Horst Wessel / হরস্ট ভেসেল
  4. Heinrich Himmler / হাইনরিখ হিমলার
ব্যাখ্যা

Horst Wessel ছিলেন জার্মান নাৎসি নেতা ও যোদ্ধা। তিনি নাৎসী দলীয় সংগীত রচনা করেন, যা নাজি পার্টির আনুষ্ঠানিক সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই গানটি পার্টি সদস্যদের প্রেরণা এবং দলীয় ঐক্য বজায় রাখার জন্য প্রচারিত হতো।

প্রভাতাংশু মাইতি- ইরোপের ইতিহাসের রূপরেখা

৮৬.
‘Concert for Bangladesh’ er director chhilen ke?/ ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর পরিচালক ছিলেন কে?
  1. George Harrison / জর্জ হ্যারিসন
  2. Ravi Shankar / রবি শঙ্কর
  3. Saul Swimmer / সল সুইমার
  4. Bob Dylan / বব ডিলান
ব্যাখ্যা

Concert for Bangladesh অনুষ্ঠিত হয় ১ আগস্ট ১৯৭১, নিউ ইয়র্কের Madison Square Garden-এ। এই কনসার্ট আয়োজন করেছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও রবি শঙ্কর, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন শরণার্থী ও দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সাহায্য করা। পুরো অনুষ্ঠানটি চলচ্চিত্রে ধারণ করেন সল সুইমার। পরবর্তীতে এই চলচ্চিত্র ও অ্যালবাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাংলাদেশ ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হয়।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৮৭.
How many ministries were formed to run the Mujibnagar Government during the Liberation War of Bangladesh in 1971?/ মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার পরিচালনার জন্য কয়টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়?
  1. 10 / ১০
  2. 12 / ১২
  3. 14 / ১৪
  4. 16 / ১৬
ব্যাখ্যা

সরকার গঠন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তথা প্রধান নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। দেশের কার্যক্রম নির্বাহ ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১২টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। এই মন্ত্রণালয়গুলো ছিল রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদেশনীতি, কৃষি, শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ইত্যাদি দায়িত্বে নিয়োজিত। এছাড়াও আরও ৫ টি বিভাগ গঠন করা হয়েছিল।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৮৮.
Who proposed the formation of United Bengal (Akhand Bengal)?/ কে অখণ্ড বাংলা গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. Subhas Chandra Bose / সুভাষ চন্দ্র বসু
  2. Muhammad Ali Jinnah / মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. Sarat Chandra Bose / শরৎ চন্দ্র বসু
  4. Huseyn Shaheed Suhrawardy / হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

অখণ্ড বাংলা প্রস্তাবটি ১৯৪৭ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, যিনি তখন বঙ্গপ্রদেশের প্রধানমন্ত্রী, উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ ভারতীয় বাংলা দুটি অংশে বিভক্ত না হয়ে একটি স্বতন্ত্র, নিরপেক্ষ প্রদেশ হিসেবে থাকা, যা হিন্দু ও মুসলিমদের মিলিতভাবে শাসন করবে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর প্রস্তাবটি রাজনৈতিক ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখার জন্য ছিল, তবে পলিটিক্যাল ও কমিউনিটি দ্বন্দ্বের কারণে এটি বাস্তবায়িত হয়নি।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৮৯.
Who led the “Shuddhi” and “Sangathan” movements? / ‘শুদ্ধি’ ও ‘সংগঠন’ নামক আন্দোলন কাদের?
  1. Swami Vivekananda / স্বামী বিবেকানন্দ
  2. Hindu Mahasova / হিন্দু মহাসভা
  3. Ramakrishna Paramahamsa / রামকৃষ্ণ পরমহংস
  4. Raja Ram Mohan Roy / রাজা রাম মোহন রায়
ব্যাখ্যা

১৯২৩ সালের বেঙ্গল প্যাক্টের বিরোধিতা করে হিন্দু মহাসভার শুদ্ধি আন্দোলন ও সংগঠন আন্দোলন শুরু হয়েছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের পুনর্গঠন ও ঐক্য স্থাপনের জন্য। এই আন্দোলনগুলোর লক্ষ্য ছিল: ধর্মান্তরিত হিন্দুদের পুনঃহিন্দুবাদ , হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্য ও সামাজিক শক্তি বৃদ্ধি । হিন্দু মহাসভা এই আন্দোলনগুলোর নেতৃত্বে ছিল এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৯০.
In which year was the Rowlatt Act introduced?/কত সালে রাওলাট আইন প্রবর্তন করা হয়?
  1. 1917/১৯১৭
  2. 1918/১৯১৮
  3. 1919/১৯১৯
  4. 1920/১৯২০
ব্যাখ্যা

Rowlatt Act বা Anarchical and Revolutionary Crimes Act, 1919 ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি আইন। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ও হিংসাত্মক আন্দোলন দমন করার জন্য অতি কঠোর ক্ষমতা অর্জন করেছিল। আইন অনুসারে: পূর্বতন বিচারবিহীন কারাবাসের সুবিধা বৃদ্ধি, বিচার ছাড়াই গ্রেপ্তার ও হাজতখানা ব্যবস্থা, মতপ্রকাশ ও সমাবেশের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। এই আইন ভারতীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ও বিক্ষোভ সৃষ্টি করে, যার ফলে ১৯১৯ সালের আমৃত্যু বিক্ষোভ ও জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৯১.
How many hours per day did Lord Ripon regulate for industrial workers?/ লর্ড রিপন শিল্প শ্রমিকদের দৈনিক কত ঘন্টা কাজ করার নিয়ম চালু করেন?
  1. 8 hours/৮ ঘন্টা
  2. 10 hours/১০ ঘন্টা
  3. 12 hours/১২ ঘন্টা
  4. 14 hours/১৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

লর্ড রিপন (Lord Ripon) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল (১৮৮০–১৮৮৪)। তিনি শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দৈনিক কাজের সময় সীমিত করার জন্য নীতি প্রবর্তন করেন। এই নীতি অনুযায়ী, শিল্প শ্রমিকদের দৈনিক কাজের সময় সর্বোচ্চ ৮ ঘন্টা নির্ধারণ করা হয়। এটি শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং অতি শ্রমের প্রতিরোধ করা উদ্দেশ্যে করা হয়।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৯২.
When was the Hunter Commission formed?/ হান্টার কমিশন গঠন করা হয় কখন?
  1. 1880/১৮৮০
  2. 1882/১৮৮২
  3. 1884 /১৮৮৪
  4. 1886/১৮৮৬
ব্যাখ্যা

Hunter Commission বা Indian Education Commission গঠন করা হয়েছিল ১৮৮২ সালে। এটি ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা পরীক্ষা ও সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। কমিশনের প্রধান লক্ষ্য ছিল: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন করা, শিক্ষাব্যবস্থার জনসংখ্যার সাথে সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা, সরকারি ও আঞ্চলিক স্কুলগুলোর কার্যকারিতা পর্যালোচনা করা।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

৯৩.
কোনটি '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. মালিকা
  2. মাননীয়া
  3. অধ্যাপিকা
  4. সেবিকা
ব্যাখ্যা

শব্দের শেষে '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
• কোকিল - কোকিলা,
মাননীয় - মাননীয়া,
• চতুর - চতুরা,
• চঞ্চল - চঞ্চলা,
• নবীন - নবীনা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'ইকা' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: মালা - মালিকা, অধ্যাপক - অধ্যাপিকা, সেবক - সেবিকা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

৯৪.
'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের কত জন কবির নাম উল্লেখ আছে?
  1. ২১ জন
  2. ২২ জন
  3. ২৩ জন
  4. ২৪ জন
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের কবিগণ:
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে

এরা হলেন:
- কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেগুণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডুরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৯৫.
কার আদেশে 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করা হয়?
  1. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  2. রাজা লক্ষ্মণ সেন
  3. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
  4. রাজা নারায়ণ দেব
ব্যাখ্যা

'অন্নদামঙ্গল' কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩ খণ্ডে বিভক্ত।
যথা :
- শিবনারায়ণ,
- কালিকামঙ্গল,
- মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৬.
'বর্হী' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. কাক
  2. কবুতর
  3. কোকিল
  4. ময়ূর
ব্যাখ্যা

'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- ময়ূর, কেকা, কেকী, শিখি, শিখণ্ডী, বর্হী।

অন্যদিকে,
‘কোকিল’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, কলকণ্ঠ, পিক, বসন্তদূত, অন্যপুষ্ট, মধুস্বর, মধুসখা।

‘কবুতর’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।

‘কাক’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বায়স, পরভৃৎ, পরপোষক।

উৎস:
১। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৭.
কোনটি সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়?
  1. √কাঁদ্ + অ = কাঁদ
  2. √পড়্‌ + অ = পড়
  3. √ধর্ + অ = ধর
  4. √কৃ + তব্য = কর্তব্য
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

অ(অচ্):
√পট্ + অ = পাঠ,
√জি + অ = জয়,
√কৃ + তব্য = কর্তব্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:
অ:
- √কাঁদ্ + অ = কাঁদ,
- √ধর্ + অ = ধর,
- √চল্ + অ = চল,
- √পড়্‌ + অ = পড়

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

৯৮.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. আনুষাঙ্গিক
  2. দূর্দশাগ্রস্ত
  3. নৌর্ঋত
  4. স্নেহাশিস
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - স্নেহাশিস
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- স্নেহার্শীবাদ।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধরূপ নিম্নে দেওয়া হলো:
- নৈর্ঋত,
- দুর্দশাগ্রস্ত,
- আনুষঙ্গিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯৯.
কোন গুচ্ছটি অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন?
  1. চ, জ, শ
  2. ধ, ঠ, স
  3. ছ, ঝ, খ
  4. ফ, ভ, থ
ব্যাখ্যা

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

যেমন:
- প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।

যেমন:
- ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

১০০.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম।
  2. তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
  3. সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

উপরিউক্ত সবগুলো বাক্য অশুদ্ধ।

অশুদ্ধ: হীন চরিত্রবান লোক পশ্বাধম।
শুদ্ধ: চরিত্রহীন লোক পশ্বধম।

অশুদ্ধ: তার অন্তর অজ্ঞান সমুদ্রে আচ্ছন্ন।
শুদ্ধ: তার অন্তর তিমিরাচ্ছন্ন।

অশুদ্ধ: সবিনয় পূর্বক নিবেদন করি।
শুদ্ধ: বিনয়পূর্বক নিবেদন করি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০১.
কোনটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. হৃতসর্বস্ব
  2. খোশমেজাজ
  3. হতশ্রী
  4. কথাসর্বস্ব
ব্যাখ্যা

ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হলে বা কখনো কখনো ক্রিয়াবিশেষ্য হলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।

যেমন:
- কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব,
- আশীতে বিষ যার = আশীবিষ,
- বোঁটা খসেছে যার = বোঁটাখসা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।

যেমন:
- হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী,
- খোশ মেজাজ যার = খোশমেজাজ
- এরকম: হৃতসর্বস্ব, উচ্চশির, পীতাম্বর, নীলকণ্ঠ, জবরদস্তি, সুশীল, সুশ্রী, বদবত, কমবত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।

১০২.
'Octroi' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. অপরাধ
  2. নগর শুল্ক
  3. চুক্তি
  4. বৃত্তি
ব্যাখ্যা

• 'Octroi' এর বাংলা পরিভাষা - নগর শুল্ক

অন্যদিকে,
Occupation - বৃত্তি/ দখল উপজীবিকা।
Pact - চুক্তি।
Offence - অপরাধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০৩.
'দম্ভোলি' শব্দের অর্থ কী?
  1. ভয়ানক
  2. বজ্র
  3. যুদ্ধ
  4. ক্রোধ
ব্যাখ্যা

• 'দম্ভোলি' শব্দের অর্থ - বাজ, বজ্র, অশনি, কুলিশ।

অন্যদিকে,
'যুদ্ধ' শব্দের অর্থ - রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ।
'ভয়ানক' শব্দের অর্থ - ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ।
'ক্রোধ' শব্দের অর্থ - রাগ, রোষ, গোসা, কোপ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০৪.
কোনটি অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ?
  1. নদী + অম্বু = নদ্যম্বু
  2. ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত
  3. যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
  4. শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - যথা + ঈষ্ট = যথেষ্ট
- এর শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ - যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।

সন্ধির নিয়ম:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা,
- যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট,
- মহা + ঈশ = মহেশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া, ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত, নদী + অম্বু = নদ্যম্বু - সন্ধিবিচ্ছেদ শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১০৫.
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
  1. পাঁচটি
  2. ছয়টি
  3. সাতটি
  4. আটটি
ব্যাখ্যা

স্বরধ্বনি:
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও বাধা পায় না এবং যা অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়া নিজেই সম্পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাকে স্বরধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি
যথা: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা।

উল্লেখ্য,
ব্যঞ্জনধ্বনি:
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরে কোথাও না কোথাও বাধা পায় এবং যা স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না তাকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
যেমন:
ক্,খ্, গ্‌,ঘ, প্, স্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি অষ্টম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১০৬.
'বাংলা কাব্যের ইতিহাস: মুসলিম সাধনার ধারা' - গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. আহমদ শরীফ
  3. আবদুল কাদির
  4. বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

আবদুল কাদির:
- আবদুল কাদির কবি, প্রাবন্ধিক, ছন্দ বিশারদ, সম্পাদক।
- ১৯০৬ সালের ১ জুন ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার আড়াইসিধা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের (১৯২৬) মাধ্যমে ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন সংঘটিত হয়, আবদুল কাদির ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- সংগঠনের মুখপত্র বার্ষিক শিখা (১৯২৭) পত্রিকার তিনি প্রকাশক ও লেখক ছিলেন।

আবদুল কাদির রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বাংলা কাব্যের ইতিহাস: মুসলিম সাধনার ধারা,
- কবি নজরুল,
- কাজী আব্দুল ওদুদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৭.
'ডেরা' - শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. ফারসি
  2. পর্তুগিজ
  3. হিন্দি
  4. খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যা

• 'ডেরা' শব্দটি 'হিন্দি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- মোটা কাপড়ের তৈরি আবাস, কানাত, তাঁবু,
- কুটির, আশ্রয়। ৩ আস্তানা; অস্থায়ী আবাস।

আরো কিছু হিন্দি শব্দ:
- কাচারি,
- দাবা,
- দাঙ্গা,
- রোকড়,
- লড়াকু,
- লেনদেন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০৮.
"সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে পড়ে আছে জমিনের পর;
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনদিন রাখে না সে মৃতের খবর।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. হেলাল হাফিজ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. আল মাহমুদ
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

"লাশ" কবিতা ও পটভূমি:
• ফররুখ আহমদের "লাশ" কবিতাটি ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত। এই কবিতায় কবি দুর্ভিক্ষের কারণে সৃষ্ট দুর্দশা ও অসহায় মানুষের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তুলেছেন। 'লাশ' কবিতাটি লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।

• কবিতাটি ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

লাশ
ফররুখ আহমদ

যেখানে প্রশস্ত পথ ঘুরে গেল মোেড়,

কালো পিচ-ঢালা রঙে লাগে নাই ধূলির আঁচড়,
সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে প'ড়ে আছে জমিনের পর;
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনদিন রাখে না সে মৃতের খবর

ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- হাতেমতায়ী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০৯.
'অর্থী' এর বিপরীতার্থক শব্দ কী?
  1. প্রার্থনাকারী
  2. বাদী
  3. প্রত্যর্থী
  4. অভিলাষী
ব্যাখ্যা

• 'অর্থী' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রত্যর্থী

উল্লেখ্য,
'অর্থী' শব্দের অর্থ - প্রার্থনাকারী, যাচক (শুভার্থী); অভিলাষী, ধনবান, বিত্তশালী, বাদী, অভিযোগকারী।
'প্রত্যর্থী' শব্দের অর্থ - প্রতিবাদী, আসামি, শত্রু, প্রতিপক্ষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১০.
'পথের শেষ' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. সেঁজুতি
  2. সোনার তরী
  3. খেয়া
  4. মানসী
ব্যাখ্যা

'খেয়া' কাব্যগ্রন্থ:
- 'খেয়া' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের শেষ পর্বের রচনাগুলোর একটি। খেয়া কাব্যগ্রন্থটি ৫৫টি কবিতার সংকলন।
- এ সংকলনের কবিতাগুলির মধ্যে ক্লান্তি ও বিষাদের সুর প্রাধান্য পেয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'খেয়া' কাব্যগ্রন্থটি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেছেন।
- কবিতাগুলোতে জীবনের ব্যথাবেদনার ও বিচিত্র অনুভবের মধ্যে চরম শ্রেয়োলাভের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত।
- এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো: পথের শেষ, শেষ খেয়া, ঘাটেরপথ, বিদায়, দীঘি, আগমন, বৈশাখে, জাগরণ ইত্যাদি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনারতরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- বলাকা,
- পুনশ্চ,
- খেয়া,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- পূরবী,
- চৈতালি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১১.
কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. অবজ্ঞেয়
  2. অবজ্ঞা
  3. অবজ্ঞাত
  4. অজ্ঞাত
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - অবজ্ঞা
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- উপেক্ষা, তাচ্ছিল্য, ঘৃণা, অপমান।

অন্যদিকে,
• বিশেষণ পদ - অজ্ঞাত, অবজ্ঞাত, অবজ্ঞেয়।

বিশেষ্য পদ:
- কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে।

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য ,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য,
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১১২.
A speech in praise of someone, especially one who has died, is called —
  1. Ode
  2. Elegy
  3. Eulogy
  4. Obituary
ব্যাখ্যা

A speech in praise of someone, especially one who has died, is called — Eulogy.

• Eulogy:

English meaning: a speech, piece of writing, poem, etc. containing great praise, especially for someone who recently died or retired from work.
Bangla meaning: উচ্চপ্রশংসা; উচ্চপ্রশংসাসমৃদ্ধ রচনা।

Other options,

ক) Ode [poetic form]
- An exalted lyric poem that begins with an address to someone.
- ode, a ceremonious poem on an occasion of public or private dignity in which personal emotion and general meditation are united.
- এই ধরনের কবিতার মধ্যবর্তী ভাগে তীব্র মনঃকষ্ট সঞ্চারিত হতে দেখা যায়, যেটি পাঠক এবং লেখক দুইপক্ষকেই প্রাভাবিত করে।
- এর শেষ হয় consolation অর্থাৎ সান্ত্বনা; প্রবোধ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে।
- এটি মূলত lofty style অনুসরন করে লেখা হয়।
- এই ধরনের কবিতা বিষয়বস্তু খুব গুরুগম্ভির হয় এবং it's tone is grave.

খ) Elegy:
- এর অর্থ শোকগাথা।
- A lyric poem mourning for death of an individual or lamenting over a tragic event is called elegy.
- একটি গীতিকবিতা যা কোনো ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বা একটি মর্মান্তিক ঘটনার জন্য বিলাপ করে তাকে Elegy বলা হয়।
- এটি বক্তার প্রিয়জনের মৃত্যুর জন্য শোক প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হয়।
- Its meditative in nature.
- Its tone is grave.
- In its closing part the speaker finds consolation and solace.

ঘ) Obituary:
- a report, especially in a newspaper, that gives the news of someone's death and details about their life.

Source: Cambridge Dictionary and An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman.

১১৩.
Choose the correctly spelled word —
  1. Pronunciation
  2. Pronounciation
  3. Pronuntiation
  4. Pronunciacion
ব্যাখ্যা

Answer: ক) Pronunciation.

• Pronunciation:
English meaning: how words are pronounced.
Bangla meaning: উচ্চারণ।

Example:
- English pronunciation is notoriously difficult.
- There are two different pronunciations of this word.

Source: Cambridge Dictionary.

১১৪.
The teacher suggested postponing the meeting. [Passive]
  1. The teacher suggested that the meeting have to be postponed.
  2. The teacher suggested that the meeting postponed.
  3. The teacher suggested the meeting should be postpond.
  4. The teacher suggested that the meeting should be postponed.
ব্যাখ্যা

• advice/ insist/ propose/ recommend/ suggest + gerund + object যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম:
- প্রদত্ত active voice এর subject ও verb বসবে।
- that বসে,
- gerund এর পরের object টি বসে,
- should be বসে,
- প্রদত্ত gerund টি verb এ রূপান্তরিত হয়ে তার past participle হয়।

Active: Roman suggested giving up smoking.
Passive: Roman suggested that smoking should be given up.

Active: The teacher suggested postponing the meeting.
Passive: The teacher suggested that the meeting should be postponed.

Options,

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) The teacher suggested that the meeting have to be postponed.
- “have to be postponed” বাধ্যবাধকতা (obligation) বোঝায়, suggestion নয়, তাই এটি ভুল।

খ) The teacher suggested that the meeting postponed.
- should be নেই তাই এটি grammatically ভুল।

গ) The teacher suggested the meeting should be postpond.
- এখানে that নেই তাছাড়া “postpond” spelling ভুল (সঠিক বানান postponed).

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

১১৫.
Scientists are studying pollution in _____ Lake Ontario.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Scientists are studying pollution in Lake Ontario.

• Article:
- A, An & The কে article বলে। এরা noun কে qualify করে।
- Article দুই প্রকার। যেমন: 1. Indefinite: A, An 2. Definite: The

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- হ্রদের নামের পূর্বে the বসে না।
- যেমন – Lake Superior, Lake Baikal, Lake Caspian.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

১১৬.
Choose the synonym of Eminent.
  1. Obscure
  2. Distinguished
  3. Hostile
  4. Predictable
ব্যাখ্যা

• Eminent:
English meaning: famous, respected, or important.
Bangla meaning: (১) (ব্যক্তি) প্রখ্যাত; বিশিষ্ট: He is an eminent personality. (২) (গুণাবলির ক্ষেত্রে) মহৎ।

Options,
ক) Obscure:
- ১) অন্ধকারময়; গুপ্ত; অস্পষ্ট: an obscure source. (২) সুপরিচিত নয় এমন অখ্যাত: an obscure poet.

খ) Distinguished:
- বিশিষ্ট; স্বতন্ত্র; সম্মানিত।

গ) Hostile:
- (১) শত্রুপক্ষীয়; বৈরী: a hostile army, শত্রুবাহিনী। (২) প্রতিকূল; বৈরী; বিদ্বেষী; শত্রুভাবাপন্ন।

ঘ) Predictable:
- ভবিষ্যৎবাচ্য; অগ্রকথনযোগ্য।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of Eminent - Distinguished.

Source: Accessible Dictionary.

১১৭.
They suggested visiting the new art museum.
- Here 'visiting' is -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Main verb
  4. Linking verb
ব্যাখ্যা

They suggested visiting the new art museum.
- Here 'visiting' is a- Gerund.
- সাধারণত verb এর object হিসেবে gerund বসে।
- এখানে, suggested verb এর object হিসেবে visiting হচ্ছে gerund.

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- A Gerund is a double part of speech - a Noun and Verb combined.

• Gerund ব্যবহৃত হয়:
- Subject অথবা object হিসেবে;
- Preposition এর object হিসেবে;
- Verb এর complement হিসেবে;
- Compound noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

১১৮.
He felt envious _____ the singer’s talent and popularity.
  1. at
  2. of
  3. on
  4. with
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He felt envious of the singer’s talent and popularity.

• Envious of
English Meaning:  feeling or showing envy.
Bangla Meaning: হিংসুক; পরশ্রীকাতর।
- কোন বিষয়ে কারোর প্রতি হিংসা অনুভব করা বুঝাতে envious এরপর appropriate preposition হিসাবে of ব্যবহৃত হয়।

Example:
- I'm very envious of your new coat - it's beautiful.
- We should not be envious of other's successes.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১১৯.
He hasn't written to me recently - ______ he's lost my address.
  1. whenever
  2. although
  3. perhaps
  4. till
ব্যাখ্যা

Options,
• Whenever:
- যেকোনো সময়েরই হোক না কেন; যখনই।

• Although:
- যদিও; যদ্যপি।

• Perhaps:
- হয়তো; সম্ভবত।

• Till:
- যে পর্যন্ত না; যতক্ষণে না; না… পর্যন্ত।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে Perhaps বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Complete sentence: He hasn't written to me recently - perhaps he's lost my address.

Source: Accessible Dictionary.

১২০.
Oil is an example of which of the following?
  1. Collective Noun
  2. Material Noun
  3. Proper Noun
  4. Common Noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) Material Noun.

• Materiel noun
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Oil (তেল) হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.

১২১.
I read a book while waiting for the bus. The underlined part is an example of -
  1. Noun clause
  2. Adverb clause
  3. Adjective clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা

I read a book while waiting for the bus. The underlined part is an example of - Adverb clause.
- এই বাক্যে underlined part টি adverb clause.
- verb সংগঠিত হওয়ার সময় বুঝাচ্ছে তাই এটি adverb clause of time.
- while waiting for the bus → এখানে “while” conjunction.
- “while …” → time / circumstance বোঝাচ্ছে → adverbial clause.
- অর্থ: আমি বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় বই পড়ি → কখন / কত সময়ে বোঝাচ্ছে → adverb clause.

• Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

১২২.
Because of the heavy rain, the match was canceled. [Complex]
  1. Since it heavy rained, the match was canceled.
  2. Since it rained heavily, the match canceled.
  3. Since it rained heavily, the match was canceled.
  4. Since heavily rained, the match was canceled.
ব্যাখ্যা

• Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ পরিণত করার নিয়ম:

• প্রথমে since বসে,
- subject বসে,
- verb বসে,
- Adjective/noun বসে,
- Comma বসে,
- অপর বাক্যটি বসে।

Simple: Because of their playing well, they won the game.
Complex: Since they played well, they won the game.

Simple: Because of the heavy rain, the match was canceled.
Complex: Since it rained heavily, the match was canceled.

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Since it heavy rained, the match was canceled.
→ “heavy rained” grammatically ভুল; adverb ব্যবহার করতে হবে → heavily.

খ) Since it rained heavily, the match canceled.
→ main verb passive-এ “was canceled” হবে, “canceled” নয়।

ঘ) Since heavily rained, the match was canceled.
→ এখানে subject (it) অনুপস্থিত, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ।

Source: Advanced Learners Communicative English by Chowdhury and Hossain.

১২৩.
Who authored the play The Duchess of Malfi?
  1. John Webster
  2. Christopher Marlowe
  3. Ben Jonson
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা

• The Duchess of Malfi
- It was written by John Webster.

- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward, Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয় কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
- Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।
- Webster’s The Duchess of Malfi কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• John Webster:
- তিনি একজন English Dramatist.
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক।

• Famous Tragedies of John Webster:
- The White Devils,
- The Devil's Law Case,
- The Duchess of Malfi.

Source: ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

১২৪.
What object becomes a symbol of Desdemona’s supposed infidelity in the famous play Othello?
  1. A ring
  2. A handkerchief
  3. A necklace
  4. A letter
ব্যাখ্যা

Answer - A handkerchief.

Shakespeare-এর Othello নাটকে Desdemona-র কথিত অবিশ্বস্ততার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে একটি handkerchief.

• Othello:

- এটি Shakespeare রচিত একটি Tragedy.
- It tells the story of Othello, A moor of Venice.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello. সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল Iago.
- নাটকে Othello তাঁর নিজ স্ত্রী Desdemona কে সন্দেহ করে এবং তাকে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain Iago এর প্ররোচনায় Othello Desdemona কে হত্যা করে।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

১২৫.
Love for Love is written by -
  1. William Congreve
  2. Samuel Richardson
  3. George Bernard Shaw
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা

• Love for Love:
- It is a play written by William Congreve.
- এটি মুলত একটি comedy play.
- William Congreve ছিলেন Restoration Period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- He wrote some of the most popular plays in English literature.

• William Congreve:
- তিনি একজন English dramatist.
- তিনি comedy of manners এর জন্য বিখ্যাত।
- তিনি Restoration period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- He wrote some of the most popular plays in English literature.

• Notable works:
- Love for Love,
- The Double-Dealer,
- The Mourning Bride,
- The Way of the World.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

১২৬.
কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব কোন শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়?
  1. সেন
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. মুঘল
ব্যাখ্যা

- কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব পাল শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

কৌলীন্য প্রথা:

- রাঢ় ও বরেন্দ্র এর ব্রাহ্মণদের মধ্যে কৌলীন্য প্রথা অধিক মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- তারা সম্ভবত কান্যকুব্জের পাঁচ ব্রাহ্মণ-রক্ষিতীশ, মেধতিথী, বিতরগ, সুধনিধি এবং সম্ভরি-এর উত্তরসূরি।
- গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক এবং বর্মণ রাজা হরিবর্মণ উভয়েই যথাক্রমে শকদ্বীপী ও বৈদিক ব্রাহ্মণ নিয়ে এসেছিলেন বলে জানা যায়।
- বলা হয়ে থাকে, এ ব্রাহ্মণদের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টির ফলস্বরূপ বাংলায় সামাজিক প্রথা হিসেবে কৌলিন্য প্রথার সূত্রপাত হয়েছে।
- সেন রাজা বল্লালসেনকেও কৌলিন্য প্রথার স্রষ্টা হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়, যদিও এ দাবির সমর্থনে সেন যুগের কোনো সাহিত্যিক ও উৎকীর্ণলিপি প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
- তৃতীয় বিগ্রহপালের বনগাঁ তাম্রশাসনে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তাঁর কর্মকর্তা ঘন্তিস-এর প্রো-পিতামহের মাধ্যমে তাঁর পূর্বপুরুষের সাথে কোলঞ্চ (কান্যকুব্জ) ব্রাহ্মণ কচ্ছ-এর যোগসূত্র ছিল।
- ফলে কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব পাল শাসনামলে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

উল্লেখ্য,
- কুলীন অর্থ হলো উত্তম পরিবার বা সম্ভ্রান্ত বংশজাত।
- বাচস্পতি মিশ্র-এর মতে, এটি চিহ্নিত হয় আচার (শুদ্ধতা), বিদ্যা (জ্ঞান), বিনয় (শৃঙ্খলাবোধ), প্রতিষ্ঠা (শুদ্ধতার খ্যাতি), তীর্থ-দর্শন (তীর্থযাত্রা), নিষ্ঠা (কর্তব্যনিষ্ঠা), তপস্যা (কঠোর ধ্যান), আবৃত্তি (সমবর্ণে বিবাহ) এবং দান (উদারহস্ত) দিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

১২৭.
সংবিধানের কত ভাগে সরকারি কর্ম কমিশনের কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগ
  2. সপ্তম ভাগ
  3. নবম ভাগ
  4. দশম ভাগ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের নবম ভাগে সরকারি কর্ম কমিশন উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ: ১৩৭ নং, সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৮ নং, সরকারি কর্মকমিশন সদস্য-নিয়োগ,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৯ নং, সরকারি কর্ম কমিশন পদের মেয়াদ,
- অনুচ্ছেদ: ১৪০ নং, সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১ নং, সরকারি কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট,

অপরদিকে,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২৮.
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল কোন পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. কানাডা
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ
- গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী স্থানে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছেল ব্রিটেনের উদারনৈতিক পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে।
- ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।
- কিন্তু বাংলাদেশে প্রধান দু'টি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে সমঝোতার অভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সত্যিকারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এখনও গ্রহণ করতে পারেনি।
- তবে বাংলাদেশের মানুষের গণতন্ত্রের স্পৃহা প্রবল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে।

উৎস: এসএসএইচএল , সমাজ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৯.
বঙ্গ জনপদের কোন দুটি অঞ্চল প্রাচীন শিলালিপিতে উল্লেখ রয়েছে?
  1. গৌড় এবং রাঢ়
  2. বিক্রমপুর এবং নাব্য
  3. পুণ্ড্র এবং সমতট
  4. কলিঙ্গ এবং অঙ্গ
ব্যাখ্যা

বঙ্গ জনপদ :
- বঙ্গ একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করতো। তাই জনপদটি পরিচিত 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি বিক্রমপুর ও আরেকটি নাব্য।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি এ নব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বঙ্গ রাজ্যে পাঁচজন রাজার নাম পাওয়া যায়। তারা হলেন ধর্মাদীপ্ত, দ্বাদশাদীপ্ত, সুধন্যাদীপ্ত, গোপচন্দ্র এবং সমাচার দেব।

• সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।

• পুণ্ড্র:
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। মহাস্থানগড় প্রাচীন পুঞ্জ নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩০.
ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরে অধীন অংশ নেয়?
  1. ১০নং
  2. ৪নং
  3. ২নং
  4. ১নং
ব্যাখ্যা

'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

১৩১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রথম স্তর-
  1. সচিবালয়
  2. মাঠ প্রশাসন
  3. মন্ত্রণালয়
  4. সংসদ ভবন
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো এর দুটি প্রধান স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬২ পৃষ্ঠা।

১৩২.
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়টি বিভাগ করা হবে? [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণাল:
• বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় রয়েছে চারটি বিভাগ-
- অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। - আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে 'রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভাগ করা হবে ৫টি।
- নতুন পাঁচ বিভাগের মধ্যে অর্থ বিভাগ, ইআরডি ও এফআইডি থাকবে।বাদ পড়বে আইআরডি।
- তবে নতুন যুক্ত হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।]

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১৩৩.
বর্তমানে বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে রাবার বাগান রয়েছে কতটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ১৮টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা

- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।

রাবার বাগান:

- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।


উৎস: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১৩৪.
কোন শাসকের পরাজিত করার পর সমগ্র বাংলা অঞ্চলে মুঘল সুবাদারি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পাল বংশ
  2. বারোভূঁইয়া
  3. সেন বংশ
  4. কাররানি বংশ
ব্যাখ্যা

• বাংলায় মুঘল শাসন (১৫৭৬-১৭৫৭ সাল):
- সুবাদারি ও নবাবি-এ দুই পর্বে বাংলায় মুঘল শাসন অতিবাহিত হয়।
- বারোভূঁইয়াদের পরাজিত করার পর সমগ্র বাংলা অঞ্চলে মুঘল সুবাদারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুঘল প্রদেশগুলো 'সুবা' নামে পরিচিত ছিল।
- বাংলা ছিল মুঘলদের অন্যতম সুবা। সতেরো শতকের প্রথম দিক থেকে আঠারো শতকের শুরু পর্যন্ত ছিল সুবাদারি শাসনের স্বর্ণযুগ।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর দিল্লির দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সময়ে মুঘল শাসন শক্তিহীন হয়ে পড়ে।
- এ সুযোগে বাংলার সুবাদারগণ প্রায় স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতে থাকেন।
- মুঘল আমলের এই যুগ 'নবাবি আমল' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩৫.
জুলাই ঘোষণাপত্র কত নং দফায় জুলাই শহীদদের 'জাতীয় বীর' ঘোষণা করা হয়েছে ?
  1. ২৮ নং
  2. ২৪ নং
  3. ২৬ নং
  4. ২২ নং
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র':
- ৫ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাঠ করেন ২৮ দফা সংবলিত 'জুলাই ঘোষণাপত্র'।
- ২৪ নং দফায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে।
- শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]

১৩৬.
২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার পেয়েছেন-
  1. ইরশাদ আহমেদ শাহীন ও রুমী আজনবী
  2. নাসিম আহমেদ ও আবদুল হাই শিকদার
  3. আনোয়ারুল হক ও শবনম মুশতারী
  4. আনোয়ারুল হক ও মোহাম্মদ আজম
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

১৩৭.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ হবে কবে?
  1. ১ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

স্বল্পোন্নত দেশ:
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণপ্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে।
- সাধারণত ৬ বছরে এ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
- কিন্তু কোভিডের কারণে বাংলাদেশসহ অন্য দেশকে আরও দুই বছর সময় দেওয়া হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে বের হবে বাংলাদেশ।
- সম্প্রতি, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের নির্ধারিত সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১৩৮.
বাংলাদেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা-
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  2. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- ২০০০ সালের পর উক্ত কোম্পানি টি প্রতিষ্ঠিত হয়

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১৩৯.
গৌড়ের ’ছোট সোনামসজিদ' কার শাসনামালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. নুসরাত শাহ
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনামসজিদ:
- গৌড় শহরের দক্ষিণ প্রান্তে বর্তমান ফিরোজাবাদ গ্রামে 'ছোট সোনামসজিদ' নির্মিত হয়েছিল।
- এ মসজিদটি ছিল আকারে ছোট। তবে এ মসজিদেও সোনালি রঙের গিলটির কারুকার্য ছিল।
- সম্ভবত এ কারণেই এটি ছোট সোনা মসজিদ নামে পরিচিত।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে জনৈক ওয়ালি মুহাম্মদ এটির নির্মাতা ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বড় সোনা মসজিদের আর এক নাম 'বারোদুয়ারী মসজিদ'।
- এতে বৃহৎ বারোটি দরজা ছিল। এ মসজিদে সোনালি রঙের গিলটি করা কারুকার্য ছিল।
- সম্ভবত এজন্যই এটি সোনা মসজিদ নামে অভিহিত হতো। এ মসজিদটি গৌড়ের বৃহত্তম মসজিদ।
- আসাম বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য হুসেন শাহ এ মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- ১৫২৭ সালে নসরত শাহ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪০.
’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল লতিফ
  2. প্রিন্স মাহমুদ
  3. আব্দুর জব্বার
  4. আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারি গান:
- ’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”
- গানটির বর্তমান সুরকার- আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার,।

১৪১.
ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে কী নামে অভিহিত করে?
  1. বৈসু
  2. সাজিবু চেইরাওবা
  3. ওয়ানগালা
  4. লাইহারাওবা
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরারা বর্ষবরণ উৎসবকে বৈসু নামে অভিহিত করে।

বৈসাবি:
- বৈসাবি বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে।
- এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

অন্যদিকে,
- মণিপূরীরা পূর্বের ধর্মীয় অনুষ্ঠান লাইহারাওবা (Laiharaoba), সাজিবু চেইরাওবা (Sajibu Chairaoba) ইত্যাদিও পালন করে।
- গারোদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪২.
সংবিধান সংস্কার কমিটি নিম্নকক্ষের জন্য কতটি আসনের সুপারিশ করেছেন?
  1. ৩০০টি
  2. ৩৫০টি
  3. ৪০০টি
  4. ১০৫টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন।

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]

১৪৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. মৌলভীবাজার
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৪৪.
স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. বিদেশি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়
  2. বিলেতি শিক্ষা গ্রহন করা হয়
  3. বিলেতি পণ্য বর্জন
  4. হিন্দু-মুসলমানের হাজার বছরের সম্পর্কের উন্নতি ঘটে
ব্যাখ্যা

স্বদেশী আন্দোলন:
- ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হবার পর বিপ্লবী তৎপরতার মাধ্যমে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাকেই স্বদেশি আন্দোলন বলা হয়।
- এ আন্দোলনের মূল কর্মসূচি ছিল দুইটি-বয়কট ও স্বদেশী।
- 'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- বয়কট শুধু বিলেতি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বিলেতি শিক্ষা বর্জনও কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।
- এই আন্দোলনের আরেকটি ইতিবাচক দিক হচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
- এর ফলে দেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা স্থাপনের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- বাংলার ধনী ব্যক্তিরা কলকারখানা স্থাপন করতে থাকেন।

• স্বদেশি আন্দোলনের অন্যতম দিক হচ্ছে, এই আন্দোলনের কারণে হিন্দু-মুসলমানের হাজার বছরের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে ভাঙন শুরু হয় স্বদেশি আন্দোলনের মাধ্যমে তা আরো তিক্ত হয়।
- ফলে সম্পর্কের এই ভাঙন এতদঞ্চলের রাজনীতি, সমাজ ও জাতীয় কর্মকাণ্ডের সকল ক্ষেত্রে সর্বাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে থাকে,
- যা শেষ হয় ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের মধ্য দিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৫.
Ballon d'Or 2025-এ বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন কে?
  1. উসমান দেম্বেলে
  2. কিলিয়ান এমবাপ্পে
  3. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র
  4. লামিনে ইয়ামাল
ব্যাখ্যা

ব্যালন ডি'অর:
- ফুটবলারদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার হলো ব্যালন ডি'অর।
- ফুটবল বিষয়ক সাময়িকী 'ফ্রান্স ফুটবল' এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- ফিফা ব্যালন ডি'অর পুরস্কারটি ২০১০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।
- ২০২৫ সালে ৬৯তম ব্যালন ডি'অর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ Ballon d'Or 2025:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি, ফ্রান্স)।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বোনমাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)।
- বর্ষসেরা পুরুষ কোচ: লুইস এনরিকে (পিএসজি)।
- বর্ষসেরা নারী কোচ: সারিনা ভিগমান (ইংল্যান্ড)।
- বর্ষসেরা পুরুষ গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (ম্যানচেস্টার সিটি, ইতালি)।
- বর্ষসেরা নারী গোলকিপার (ইয়াসিন ট্রফি): হান্না হাম্পটন (চেলসি, ইংল্যান্ড)।
- কোপা ট্রফি (পুরুষ): লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)
- কোপা ট্রফি (নারী): ভিকি লোপেজ (বার্সেলোনা, স্পেন)
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: জানা ফাউন্ডেশন।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: পিএসজি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: আর্সেনাল।

উৎস: i) Goal.com.
ii) FIFA.

১৪৬.
নিম্নের কোন দেশটি বলকান অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ডেনমার্ক
  2. গ্রিস
  3. সুইডেন
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

• বলকান (Balkan) দেশসমূহ: আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, গ্রিস, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
• স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
• আইবেরীয় (Iberian) দেশসমূহ: স্পেন, পর্তুগাল, এন্ডোরা, জিব্রাল্টার।

উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.

১৪৭.
কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কোন রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়?
  1. 181
  2. 222
  3. 307
  4. 377
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377 A(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।

⇒ কোরীয় যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২৫ জুন, ১৯৫০- ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল।
- বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। [link]

১৪৮.
প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. মেক্সিকো
  3. মিশর
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

⇒ প্রাচীন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত।
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৯.
ARTICLE 19 কোন দেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

ARTICLE 19:
- ARTICLE 19 যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্টিত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- এটি বিশ্বব্যাপী মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্যের স্বাধীনতা রক্ষা ও প্রচারের জন্য কাজ করে।

⇒ সংস্থাটির নাম 'ARTICLE 19' এসেছে মূলত মহাদেশীয় মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সনদের ১৯ নং ধারার (Article 19 of the Universal Declaration of Human Rights) উপর ভিত্তি করে যা প্রতিটি মানুষকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করে।

উৎস: i) ARTICLE 19 ওয়েবসাইট।
ii) Citizen's Platform for SDGs, Bangladesh ওয়েবসাইট।

১৫০.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি রাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের ৩য় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ৯ নং ধারা অনুসারে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি রাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে
- এই প্রতিনিধির মধ্যে সাধারণত একটি প্রধান প্রতিনিধি (অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা রাষ্ট্রদূত) এবং সহকারী প্রতিনিধি থাকতে পারে।
- তবে, প্রয়োজন অনুযায়ী, দেশটি আরও প্রতিনিধির উপস্থিতির অনুমতি পেতে পারে, তবে ৫ জনের বেশি প্রতিনিধির অনুমতি নেই।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।

১৫১.
নেপালে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কে পি শর্মা ওলি।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒ ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব। তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

⇒ ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.

১৫২.
আলাস্কাকে রাশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোনটি?
  1. ম্যাগেলান প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালি:
- 'বেরিং প্রণালি' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- উত্তর আমেরিকার কিছুটা দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আলাস্কাকে বেরিং প্রণালী রাশিয়ার থেকে পৃথক করেছে, যেটির সবচেয়ে সরু অংশ ৫০ মাইলের কিছুটা বেশি চওড়া।

উল্লেখ্য,
- মি. বেরিং এর নেতৃত্বে ১৭৪১ সালে পরিচালিত আরেকটি অভিযান সফল হওয়ায় আলাস্কা উপকূলে মানুষ পাঠানো হয়।
- তবে ঊনবিংশ শতকের দিকে ব্রিটিশ এবং আমেরিকান পশম ব্যবসায়ীরা রাশিয়ানদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। ১৮২৪ সালে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিরসন হয় যখন রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সাথে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- সামুদ্রিক ভোঁদড়ের প্রায় বিলুপ্তি এবং ক্রিমিয়ান যুদ্ধের (১৮৫৩ - ৫৬) রাজনৈতিক প্রভাবে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলাস্কা বিক্রি করতে রাজি হয়।
- ১৯৫৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যে পরিণত হয়।
- আলাস্কার রাজধানী জুনো যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র রাজধানী যেখানে শুধু নৌকা বা বিমানে পৌঁছানো যায়।

অন্যদিকে -
- মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে। এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- ম্যাগেলান প্রণালী দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৫৩.
সর্বশেষ জি-৭ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. জাপান
  3. কানাডা
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন:
- ১৫-১৭ জুন, ২০২৫ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন কানাডার আলবার্টার কানানাস্কিস রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে, কানাডা G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৫ সালের G-7 সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।

১৫৪.
১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে কোন জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. আরব লীগ
  2. ওআইসি
  3. সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন
  4. ওপেক
ব্যাখ্যা

OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে কোন জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওআইসির সঙ্গে যুক্ত আছে পাঁচটি দেশ (রাশিযা, বসনিযা, থাইল্যান্ড, সিএআর ও তুর্কি সাইপ্রাস) এবং সাতটি সংগঠন ও সংস্থা।

⇒ ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল।
- সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ সময় ১৪টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- মূলত আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

উৎস: i) OIC ওয়েবসাইট।
ii) Anadolu Ajansı.

১৫৫.
মিশরীয়রা কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে?
  1. ১৮টি
  2. ২২টি
  3. ২৪টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।

উল্লেখ্য,
- লেখার কাজে কালি প্রথম ব্যবহার শুরু করে মিশরীয়রা।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ শতকে মিশরীয়রা লেখার জন্য কালির ব্যবহার শুরু করলে এটি লেখালেখির আদর্শ অনুষঙ্গে পরিণত হয়।
- লেখার জন্য মিশরীয়রা প্যাপিরাস নামের একধরনের কাগজ ব্যবহার করত।
- এরপর ওই প্যাপিরাসের উপযোগী করে কালিও তৈরি করত তারা।
- এই কালি তৈরি হতো হাড়ের গুঁড়ো থেকে।
- পুরোপুরি কালো রঙের অমোচনীয় কালির উদ্ভাবন ঘটে চীনের হার্ন রাজবংশের শাসনামলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।

১৫৬.
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO)-এর সদস্য দেশের সংখ্যা কত? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ১১টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা:
- সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উলেখ্য,
- ২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট -১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি SCO-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলন ছিল।
- সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

১৫৭.
হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বৈশ্বিক বাণিজ্যের কত শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়?
  1. ২০ শতাংশ
  2. ৩১ শতাংশ
  3. ৪২ শতাংশ
  4. ৪৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী।
- এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।
- মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, বিশ্বে প্রতিদিন ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
- সংস্থাটি একে বিশ্বের 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেলবাহী চোকপয়েন্ট' হিসেবেও উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য,
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

⇒ বৈশ্বিক তেল–বাণিজ্যের অপরিহরণীয় পথ হচ্ছে হরমুজ প্রণালি।
- ইরানের উপকূলঘেঁষা এই চ্যানেলের মাধ্যমে জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর সংযুক্ত হয়েছে। শুধু ইরানই নয়, পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানির প্রায় পুরোটাই নির্ভর করে এ পথের ওপর।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২০ শতাংশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

১৫৮.
ন্যাটোতে বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে সদস্যদের ব্যয়ের লক্ষ্য কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. জিডিপির ২%
  2. জিডিপির ৩.৫%
  3. জিডিপির ৪%
  4. জিডিপির ৫%
ব্যাখ্যা

২০২৫ ন্যাটো ৭৬তম শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১৫৯.
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জার্মানির বার্লিনে
  2. ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে
  3. দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  4. সুইডেনের স্টকহোমে
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ প্রথম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-১):
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই সম্মেলনে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬০.
২০২৫ সালের জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- সর্বশেষ মে, ২০২৫-এ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) 'Human Development Report 2025' প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড, সর্বনিম্নে র‍য়েছে সিয়েরা লিওন।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১৩০তম।

⇒ মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলো:
১. আইসল্যান্ড,
২. নরওয়ে,
৩. সুইজারল্যান্ড,
৪. ডেনমার্ক,
৫. জার্মানি।

উৎস: Human Development Report 2025.

১৬১.
বাংলাদেশ কত সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

ফিলিস্তিন:

- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।

⇒ রাজধানী: ইস্ট জেরুজালেম, রামাল্লাহ।
- ফিলিস্তিনের আনুষ্ঠানিক রাজধানী ইস্ট জেরুজালেম (East Jerusalem) হিসেবে বিবেচিত। তবে, ইসরায়েল ১৯৬৭ সালে জেরুজালেমের পূর্ব অংশ দখল করে এবং তা নিজেদের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে, জেরুজালেম শহর এখন ইসরায়েলের দখলে রয়েছে.
- ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্র বর্তমানে রামাল্লাহ (Ramallah) শহরে অবস্থিত, যা পশ্চিম তীরে (West Bank) অবস্থিত। রামাল্লাহ ফিলিস্তিনের বর্তমান সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা করার স্থান এবং এটি অধিকাংশ ফিলিস্তিনী সংস্থার সদর দপ্তর।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড, ইসরাইলি শেকেল, জর্ডানীয় দিনার।
- সংবাদ সংস্থা: প্যালেস্টাইন নিউজ অ্যাজেন্সি (Wafa)।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ফিলিস্তিনের প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাত পবিত্র জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- এর মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর সদস্যদের মধ্যে প্রথম ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্স।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Al Jazeera.

১৬২.
P = {2, q} হলে, P(P) কোনটি হবে?
  1. {{2, q}, {2}, {q}, ∅}
  2. { }
  3. {{2}, {q}}
  4. {{2}, {q}, {2, q}}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P = {2, q} হলে, P(P) কোনটি হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = {2, q}

∴ P(P) = {{2, q}, {2}, {q}, ∅}

উল্লেখ্য যে,
n উপাদানবিশিষ্ট একটি প্রদত্ত সেটের উপসেটের সংখ্যা = 2n

১৬৩.
৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটের সারিতে বসানোর কত উপায় রয়েছে?(একটি সিটে একজনই বসবে)
  1. ৮২০ উপায়
  2. ৮৪০ উপায়
  3. ৮৮০ উপায়
  4. ৭৬০ উপায়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটের সারিতে বসানোর কত উপায় রয়েছে?(একটি সিটে একজনই বসবে)

সমাধান:
প্রথম ব্যক্তি ৭টি উপায়ে বসতে পারে, দ্বিতীয় ব্যক্তি ৬টি উপায়ে বসতে পারে, তৃতীয় ব্যক্তি ৫টি উপায়ে বসতে পারে এবং চতুর্থ ব্যক্তি ৪টি উপায়ে বসতে পারে

এখন, মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী, ৪ জন ব্যক্তিকে ৭টি সিটে এক সারিতে বসানোর মোট উপায় হবে (৭ × ৬ × ৫ × ৪) উপায়
= ৮৪০ উপায়।

১৬৪.

  1. - 3
  2. - 1
  3. 3
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

১৬৫.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গমিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 9 মিটার
  2. 6 মিটার
  3. 2 মিটার
  4. 10 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে এর ক্ষেত্রফল 3√3 বর্গমিটার বেড়ে যায়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য = a

তাহলে, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) a2 বর্গ একক

দৈর্ঘ্য 2 মিটার বাড়ালে, ক্ষেত্রফল = (√3/4) (a +2)2
= (√3/4) (a2 + 4a + 4) বর্গ একক

প্রশ্নমতে,
(√3/4) (a2 + 4a + 4) = (√3/4) a2 + 3√3
⇒ √3(a2 + 4a + 4) = √3a2 + 12√3
⇒ √3(a2 + 4a + 4) = √3(a2 + 12)
⇒ a2 + 4a + 4 = a2 + 12
⇒ 4a = a2 + 12 - a2 - 4
⇒ 4a = 8
∴ a = 2

অতএব, সমবাহু ত্রিভুজটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 মিটার।

১৬৬.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার হলে, ঐ বৃত্তটির ব্যাস কত?
  1. 12 মিটার
  2. 16 মিটার
  3. 18 মিটার
  4. 20 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π বর্গমিটার, পরিধি 16π মিটার হলে, ঐ বৃত্তটির ব্যাস কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের ব্যাস = 2r
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

শর্তমতে,
2πr = 16π মিটার
এবং, πr2 = 64π বর্গমিটার‌

এখন,
πr2/2πr = 64π/16π
বা, r/2 = 4
বা, r = 4 × 2
∴ r = 8

∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r
= (2 × 8) মিটার
= 16 মিটার।

১৬৭.
4(s + 2) > 3s + 8 হলে, অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।
  1. s > 0
  2. s > 6
  3. s > 4
  4. s > 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4(s + 2) > 3s + 8 হলে, অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
4(s + 2) > 3s + 8
⇒ 4s + 8 > 3s + 8
⇒ 4s - 3s > 8 - 8
∴ s > 0

১৬৮.
6z2 + 17z - 28 এর একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি কত?
  1. (6z + 7)
  2. (5z + 3)
  3. (5z - 3)
  4. (6z - 7)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6z2 + 17z - 28 এর একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি কত?

সমাধান:
6z2 + 17z - 28
= 6z2 + 24z - 7z - 28
= 6z(z + 4) - 7(z + 4)
= (z + 4)(6z - 7)

∴ একটি উৎপাদক (z + 4) হলে, অপর উৎপাদকটি হবে (6z - 7).

১৬৯.
২৪টি কলার ক্রয়মূল্য যদি ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান হয়, তাহলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
  1. ৩৫% ক্ষতি
  2. ২৫% ক্ষতি
  3. ৪০% লাভ
  4. ২৫% লাভ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৪টি কলার ক্রয়মূল্য যদি ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান হয়, তাহলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?

সমাধান:
মনে করি,
২৪টি কলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা

∴ ৩২টি কলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
∴ ২৪টি কলার বিক্রয়মূল্য = (১০০ × ২৪)/৩২ টাকা
= ৭৫ টাকা

শতকরা ক্ষতি = ১০০ - ৭৫ টাকা
= ২৫ টাকা

১৭০.
y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা। y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে এবং y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে। r2 + R এর সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মান কত হতে পারে?
  1. 13
  2. 23
  3. 15
  4. 17
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা। y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে এবং y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে। r2 + R এর সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মান কত হতে পারে?

সমাধান:
y একটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা
আমরা জানি,
ভাগশেষ সবসময় ভাজকের চেয়ে ছোট হয়।

y কে 4 দ্বারা ভাগ করা হলে r অবশিষ্ট থাকে
∴ r এর মান 1, 2, 3 হতে পারবে।

y কে 9 দ্বারা ভাগ করা হলে R অবশিষ্ট থাকে
∴ R এর মান 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 হতে পারবে

r2 + R এর সর্বোচ্চ হবে যদি r ও R সর্বোচ্চ হয়
∴ r2 + R = 32 + 8 = 9 + 8 = 17

১৭১.
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ৩। ২০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ২ : ১। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
  1. ১১ : ৭
  2. ১৭ : ১১
  3. ৯ : ৭
  4. ১৩ : ১২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৫ : ৩। ২০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ২ : ১। ১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
পিতার বয়স ৫ক বছর
পুত্রের বয়স ৩ক বছর

শর্তমতে,
(৫ক - ২০) : (৩ক - ২০) = ২ : ১
বা, (৫ক - ২০)/(৩ক - ২০) = ২/১
বা, ৫ক - ২০ = ৬ক - ৪০
বা, - ক = - ৪০ + ২০
বা, ক = ২০

∴ পিতার বয়স ৫ × ২০ বছর = ১০০ বছর
∴ পুত্রের বয়স ৩ × ২০ বছর = ৬০ বছর

১০ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত = ১০০ + ১০ : ৬০ + ১০ = ১১০ : ৭০
= ১১ : ৭

১৭২.
একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে জেরিন বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে” ছেলেটি জেরিনের সম্পর্কে কী হয়?
  1. চাচা
  2. ভাই
  3. মামা
  4. ভাতিজা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে জেরিন বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে” ছেলেটি জেরিনের সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
ছবিটি একটি ছেলের। বক্তা হচ্ছে জেরিন (মেয়ে)। যেহেতু জেরিন বলছে আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে অর্থাৎ তার দাদার মেয়ের ছেলে। অর্থাৎ ফুফাতো ভাই যেহেতু অপশনে ভাই আছে তাই এটাই হবে।
চাচার বাবা = দাদা → দাদার মেয়ে = ফুপু → ফুপুর ছেলে = ফুপাতো ভাই

১৭৩.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

  1. 112
  2. 104
  3. 84
  4. 92
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
(২য় কলাম × ৩য় কলাম) - ১ম কলাম = ৪র্থ কলাম

(6 × 10) - 2 = 60 - 2 = 58
(7 × 11) - 3 = 77 - 3 = 74
(8 × 12) - 4 = 96 - 4 = 92

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 92 সংখ্যাটি বসবে।

১৭৪.
A বিন্দুটি B বিন্দুর 10 কি.মি. পশ্চিমে, B বিন্দুটি C বিন্দুর 30 কি.মি. উত্তরে, C বিন্দুটি D বিন্দুর 20 কি.মি. পূর্বে হলে, A এবং D এর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?
  1. 10√2 কি.মি.
  2. 10√10 কি.মি.
  3. 5√5 কি.মি.
  4. 20√10 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A বিন্দুটি B বিন্দুর 10 কি.মি. পশ্চিমে, B বিন্দুটি C বিন্দুর 30 কি.মি. উত্তরে, C বিন্দুটি D বিন্দুর 20 কি.মি. পূর্বে হলে, A এবং D এর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত?

সমাধান:


AD = √(302 + 102)
= √1000
= 10√10

১৭৫.
The Antonym of the word "Inane" is -
  1. Asinine
  2. Fatuous
  3. Vacuous
  4. Profound
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: The Antonym of the word "Inane" is -

সমাধান:
Inane (Adjective & Noun)
- English Meaning: Extremely silly or having no real meaning or importance.
- Bangla Meaning: অসার; নিঃসার; তুচ্ছ; ফাঁকা।

Antonyms:
- Profound - গভীর; অগাধ; সুগভীর; প্রগাঢ়; অবগাঢ়।
- Astute - বিচক্ষণ; চতুর।
- Judicious - সুবিবেচনাপূর্ণ; বিচক্ষণ।

• Synonyms:
- Vacuous - চিন্তা বা বুদ্ধিমত্তার অভাবসূচক; শূন্য; ফাঁকা; উদাস; শূন্যগর্ভ।
- Fatuous - বোকা; জড়বুদ্ধি; বোকার ন্যায় আত্মতুষ্টি প্রদর্শনকারী।
- Asinine - নির্বোধ; গর্দভসুলভ।

Source: Live MCQ Lecture.

১৭৬.
১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে ২১ সেকেন্ড একটি সেতু অতিক্রম করে। সেতুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩২০ মিটার
  2. ১৮০ মিটার
  3. ২৫০ মিটার
  4. ২৭০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে ২১ সেকেন্ড একটি সেতু অতিক্রম করে। সেতুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ট্রেনের বেগ = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
= (৭২ × ১০০০)/৩৬০০ মি./সেকেন্ড
= ২০ মি./সেকেন্ড

∴ ১ সেকেন্ডে যায় = ২০ মিটার
∴ ২১ সেকেন্ডে যায় (২০ × ২১) = ৪২০ মিটার

∴ সেতুর দৈর্ঘ্য = ৪২০ - ১৫০ = ২৭০ মিটার

১৭৭.
নিচের চিত্রে কয়টি বর্গ আছে?

  1. ৩০ টি
  2. ৫৫ টি
  3. ৪৫ টি
  4. ৫০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি বর্গ আছে?

সমাধান:
যদি এ রকম প্যাটার্নে চিত্র দেয়া থাকে এবং বর্গ সংখ্যা বের করতে বলা হয় তাহলে এই সূত্র অনুসরণ করে বর্গের সংখ্যা বের করা যায়।
মোট বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা = ৫ + ৪ + ৩ + ২ + ১
= ২৫ + ১৬ + ৯ + ৪ + ১ = ৫৫ টি

১৭৮.
PSE - QSF - RSG - ?
  1. STH
  2. SSI
  3. RSH
  4. SSH
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PSE - QSF - RSG - ?

সমাধান:
PSE - QSF - RSG - SSH

এখন,
ক্রমটিতে প্রথম অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
P - Q - R (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = S

ক্রমটিতে S অক্ষরটি অপরিবর্তিত।

ক্রমটিতে তৃতীয় অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
E - F - G (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = H

∴ প্রদত্ত ক্রমটির পরবর্তী অংশ = SSH

১৭৯.
Sherpa : Tibet : : Masai :
  1. India
  2. Nepal
  3. Kenya
  4. China
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Sherpa : Tibet : : Masai :

সমাধান:
Sherpa হলো তিব্বত ও নেপালের একটি নৃগোষ্ঠী, যারা বিশেষভাবে এভারেস্ট অঞ্চলে পরিচিত।

একইভাবে,
Masai বা Maasai হলো পূর্ব আফ্রিকার একটি নৃগোষ্ঠী, প্রধানত কেনিয়া ও তানজানিয়ায় বসবাসকারী।

সুতরাং, Sherpa যেরকম Tibet-এর সাথে সম্পর্কিত, Masai সেইরকম Kenya বা Tanzania এর সাথে সম্পর্কিত।

সঠিক উত্তর: Kenya

১৮০.
'BRIDGE' শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কেমন হবে?
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'BRIDGE' শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কেমন হবে?

    সমাধান:

    সঠিক উত্তর গ)