১.
রক্তের কোন কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে?
সঠিক উত্তর: গ
লোহিত রক্ত কণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
লোহিত রক্ত কণিকায়
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে যার ফলে রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
রক্তের কাজ:
- রক্ত দেহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।
যথা -
• খাদ্য পরিপাকের পর তার সারাংশ রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়। রক্ত সেই খাদ্যসারকে দেহের সকল অংশে নিয়ে যায়। এভাবে জীবকোষগুলো পুষ্টি সাধন করে।
• রক্তের লোহিত কণিকাস্থ হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায় এবং কোষগুলো হতে কার্বন-ডাই অক্সাইড বহন করে এনে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়।
• দেহের মধ্যে সর্বদাই দহন ক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে। তাতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে যে বিভিন্ন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়, তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয় এবং এভাবে দেহে তাপের সমতা রক্ষা পায়।
• নালীবিহীন গ্রন্থিগুলোতে অন্তঃনিসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশে। এ রসকে হরমোন বলে। সঞ্চালিত রক্তের দ্বারা হরমোন প্রয়োজন অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ হয়।
• রক্তের শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশকৃত অবৈধ ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রোগমুক্ত রাখে।
• দেহের কোনো স্থান কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়।
• রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রকার দূষিত পদার্থ ও বর্জ্য উপাদান ফুসফুস, মূত্রাশয় ও ত্বকে নিয়ে আসে ও সেখান হতে তাদের নিষ্কাশন করতে সহায়তা করে।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে যার ফলে রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
রক্তের কাজ:
- রক্ত দেহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে।
যথা -
• খাদ্য পরিপাকের পর তার সারাংশ রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়। রক্ত সেই খাদ্যসারকে দেহের সকল অংশে নিয়ে যায়। এভাবে জীবকোষগুলো পুষ্টি সাধন করে।
• রক্তের লোহিত কণিকাস্থ হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায় এবং কোষগুলো হতে কার্বন-ডাই অক্সাইড বহন করে এনে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়।
• দেহের মধ্যে সর্বদাই দহন ক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে। তাতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে যে বিভিন্ন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়, তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয় এবং এভাবে দেহে তাপের সমতা রক্ষা পায়।
• নালীবিহীন গ্রন্থিগুলোতে অন্তঃনিসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশে। এ রসকে হরমোন বলে। সঞ্চালিত রক্তের দ্বারা হরমোন প্রয়োজন অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ হয়।
• রক্তের শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশকৃত অবৈধ ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রোগমুক্ত রাখে।
• দেহের কোনো স্থান কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়।
• রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রকার দূষিত পদার্থ ও বর্জ্য উপাদান ফুসফুস, মূত্রাশয় ও ত্বকে নিয়ে আসে ও সেখান হতে তাদের নিষ্কাশন করতে সহায়তা করে।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।