অগ্রশব্দের বিপরীত অর্থ হলো পশ্চাৎ। ভিতর শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো বাহির।পিছে শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো আগে। শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো
২.
'শশাঙ্ক' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
ক
ক) ভাস্কর
খ
খ) নিশাকর
গ
গ) সুধাংশু
ঘ
ঘ) হিমাংশু
ব্যাখ্যা
ভাস্কর শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো সূর্য, আদিত্য, তপন, ভানু, সবিতা, মার্তন্ড ইত্যাদি। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৩.
'দিবস' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক
ক) দিবাকর
খ
খ) ভাস্কর
গ
গ) রবি
ঘ
ঘ) দিবা
ব্যাখ্যা
দিবস শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো দিন, দিবা ইত্যাদি। বাকি অপশনগুলো সূর্য'র সমার্থক শব্দ। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৪.
'আশীবিষ' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
ক
ক) ভুজঙ্গ
খ
খ) অহি
গ
গ) ফণী
ঘ
ঘ) তটীনী
ব্যাখ্যা
তটিনী শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো নদী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। বাকি অপশনগুলো আশীবিষ'র সমার্থক শব্দ। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৫.
'রমণী' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক
ক) অর্ণব
খ
খ) রত্নাকর
গ
গ) সিন্ধু
ঘ
ঘ) নারী
ব্যাখ্যা
রমণী শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো নারী, মহিলা, স্ত্রীলোক। বাকি অপশনগুলো হলো সমুদ্র'র সমার্থক শব্দ। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৬.
আশীবিষ কোন জাতীয় সমাস?
ক
ক) অলুক তৎপুরুষ
খ
খ) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
গ
গ) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
ঘ
ঘ) সপ্তমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনটিই বিশেষণ নয়, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। কথাসর্বস্ব, ছা-পোষা, পা-চাটা, পাতা-চাটা, পাতাছেঁড়া, ধামাধরা, বোঁটাখোসা ইত্যাদি হলো ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৭.
'দশানন’ কোন জাতীয় সমাস?
ক
ক) বহুব্রীহি সমাস
খ
খ) প্রাদি সমাস
গ
গ) তৎপুরুষ সমাস
ঘ
ঘ) দ্বন্দ সমাস
ব্যাখ্যা
যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমনঃ দশ আনন যার = দশানন, চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী, পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার ইত্যাদি। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৮.
“অন্তরীপ” - শব্দটি কোন ধরনের সমাসের মাধ্যমে গঠিত?
ক
ক) প্রাদি সমাস
খ
খ) তৎপুরুষ সমাস
গ
গ) দ্বিগু সমাস
ঘ
ঘ) বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা
অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ। এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস। এরকম আরো উদাহরণঃ দু দিকে অপ যার = দ্বীপ, পন্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পন্ডিতমূর্খ, নরাকারের পশু যে = নরপশু, জীবিত থেকেও মৃত যে = জীবন্মৃত ইত্যাদি। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
৯.
'দুধে-ভাতে' কী সমাস?
ক
ক) তৎপুরুষ সমাস
খ
খ) দ্বিগু সমাস
গ
গ) অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
ঘ
ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, দেশে-বিদেশে, হাতে-কলমে। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১০.
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস নিচের কোনটি?
ক
ক) মাথা-মুণ্ডু
খ
খ) দেশে-বিদেশে
গ
গ) কাপড়-চোপড়
ঘ
ঘ) পোকা-মাকড়
ব্যাখ্যা
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, দেশে-বিদেশে, হাতে-কলমে। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১১.
'নীলপদ্ম' কোন সমাসের উদাহরণ?
ক
ক) কর্মধারয়
খ
খ) তৎপুরুষ
গ
গ) দ্বিগু
ঘ
ঘ) দ্বন্দ
ব্যাখ্যা
দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যাক্তি বা বস্তুকে বোঝালে কর্মধারয় সমাস হয়। যেমনঃ নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম, জজ সাহেব = যিনি জজ তিনিই সাহেব। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১২.
কোনটি রূপক কর্মধারয় সমাস নয়?
ক
ক) কমলমুখ
খ
খ) বিষাদ-সিন্ধু
গ
গ) তুষারশুভ্র
ঘ
ঘ) মনমাঝি
ব্যাখ্যা
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। কমল রূপ মুখ = কমলমুখ, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি, জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ এগুলো রূপক কর্মধারয় সমাস। তুষারশুভ্র রুপক কর্মধারয় সমাস নয়। এটি উপমান কর্মধারয় সমাস যার ব্যাসবাক্যঃ তুষারের ন্যায় শুভ্র। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
১৩.
'আমরণ' কোন সমাস?
ক
ক) দ্বিগু
খ
খ) তৎপুরুষ
গ
গ) কর্মধারয়
ঘ
ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন জানু পর্যন্ত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় আ) লম্বিত = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমারণ। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী