পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত১২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
সর্বশেষ কোন ভাষায় 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি অনূদিত হয়েছে?
  1. ভুটানি ভাষা
  2. নেপালি ভাষা
  3. তিব্বতি ভাষা
  4. বর্মী ভাষা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- বইটি লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। 
- বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ভুটানের জংখা ভাষায় অনূদিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। 
- ভুটানের প্রিন্সেস ডেচেন ইয়াংজোম ওয়াংচুক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক এবং জাতির পিতার দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র ভুটানিজ সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন।

উৎস: i) ৩১ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো। 
         ii) অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
.
২০২৪ সালে বাংলাদেশের কততম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে?
  1. ৫২তম
  2. ৫৩তম
  3. ৫৪তম
  4. ৫৫তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

৫৪তম স্বাধীনতা দিবস:

- ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। 
- সারাদেশে প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়।
- বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন।
- দীর্ঘ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মাঝে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ ও চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
- এরপর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মিলেনিয়াল প্রজন্ম বলতে কাদের বোঝানো হয়?
  1. ১৯৮২ থেকে ২০০৪ সাল সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম
  3. ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম
  4. ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় মিলেনিয়াল প্রজন্ম।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
--------------------------------- 

জন্মসাল অনুযায়ী বিভিন্ন প্রজন্ম:

গ্রেটেস্ট জেনারেশন:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর হয়ে যাঁরা যুদ্ধে অংশ নেন ও শহীদ হন, তাঁরাই এ প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সময়কে গ্রেটেস্ট জেনারেশনের সময়কাল ধরা হয়।

বেবি বুমারস:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় বেবি বুমারস।
- আধুনিক ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত প্রজন্ম বেবি বুমারস। 
- যুক্তরাষ্ট্রের শুমারি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, বেবি বুমারস প্রজন্মের বর্তমান বয়স ৫২ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।

জেনারেশন এক্স:
- ১৯৬৫ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় জেনারেশন এক্স।
- বেবি বুমারস-পরবর্তী প্রজন্ম হওয়ায় এদের ‘বেবি বাস্ট’ বলা হয়।
- এই প্রজন্মকে অনেক ইতিহাসবিদ বিশৃঙ্খলা ও অনিশ্চয়তার প্রজন্ম নামেও অভিহিত করেন।

জেনারেশন ওয়াই:
- ১৯৭০-এর মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ২০০০ সালের আগে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় জেনারেশন ওয়াই।
- এই প্রজন্মকে অন্তর্বর্তীকালীন একটি প্রজন্ম হিসেবে ধরা হয়।
- কারণ, তারা জেনারেশন এক্সের মতো হতে পারেনি, আবার মিলেনিয়াল প্রজন্মের সঙ্গেও খাপ খাওয়াতে পারেনি।

মিলেনিয়ালস:
- গবেষক নিল হাউ ও উইলিয়াম স্ট্রাউস মিলেনিয়াল প্রজন্মের নামটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- ১৯৮২ থেকে ১৯৯৬ সাল সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্মকে বলা হয় মিলেনিয়াল প্রজন্ম।
- একটি গবেষণা অনুযায়ী, মিলেনিয়াল প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডিজিটাল জ্ঞান।  

উৎস: ৫ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।

.
সম্প্রতি (২০২৪) জাহাজের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে ভেঙ্গে পড়া সেতুর নাম কী?
  1. সান-ফ্রান্সিস্কো-ওকল্যাণ্ড ব্রিজ
  2. গোল্ডেন গেইট ব্রিজ
  3. ফ্রান্সিস স্কট কি ব্রিজ
  4. হুয়াইটস্টোন ব্রিজ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে ভেঙ্গে পড়া সেতু:

- যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে পাটাপস্কো নদীর ওপরে অবস্থিত এই সেতুটির নাম ফ্রান্সিস স্কট কি ব্রিজ।
- বাল্টিমোরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি ছিল তিন কিলোমিটার লম্বা।
- বাল্টিমোর শহর ঘিরে যে ‘৬৯৫ অরবিটাল হাইওয়ে’ বা জাতীয় সড়ক রয়েছে, এই সেতুটি ছিল তারই অংশ।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোর শহরে কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের ধাক্কায় ফ্রান্সিস স্কট কি ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। 
- বাল্টিমোর সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এই ঘটনাটিকে একটি ‘মাস ক্যাসুয়ালটি ইভেন্ট’ বলে ঘোষণা করেছে।
- খুব বড় মাপের কোনও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রেই কেবল মার্কিন কর্তৃপক্ষ সেটিকে ‘মাস ক্যাসুয়ালটি ইভেন্ট’ বলে ঘোষণা করে থাকে।
- যে জাহাজটির ধাক্কায় সেতুটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ, যার নাম ডালি।
- বাল্টিমোরের বন্দরটি ভেঙে পড়া এই ব্রিজ থেকে বেশ কাছেই।
- স্পেশালাইজড কার্গো পরিবহনের জন্য এটি আমেরিকার বৃহত্তম বন্দরও বটে।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি -
  1. ফাতিমা হক
  2. ফাতিমা ইয়াসমিন
  3. কায়সার আহমেদ
  4. খুরশিদা আক্তার
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank):
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬।
- সদর দপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি দেশ।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লক্ষ্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কে উৎসাহিত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এর সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
-  এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ফাতিমা ইয়াসমিন।

উৎস: Asian Development Bank ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ-ভুটান যৌথ উদ্যোগে কোথায় জিটুজি ভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. শরীয়তপুর
  3. গোপালগঞ্জ
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
.
অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. আনিসুল হক
  2. সাদেক হোসেন খোকা
  3. মোহাম্মদ হানিফ
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ হানিফ:
- অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ।
- তিনি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ ও স্নেহভাজন।
- ১৯৪৪ সালের ১ এপ্রিল তিনি পুরান ঢাকার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে শেখ হাসিনার ওপর নারকীয় গ্রেনেড হামলার সময় নিজের জীবন তুচ্ছ করে মানবঢাল রচনা করে তার প্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন মোহাম্মদ হানিফ।
- গ্রেনেড হামলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রাণে রক্ষা পেলেও মারাত্মক আহত হন মোহাম্মদ হানিফ এবং দেহের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য স্পিøন্টার ঢুকে পড়ে।
- দুঃসহ যন্ত্রনা সহ্য করে মোহাম্মদ হানিফ ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাতে ৬২ বছর বয়সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

অন্যদিকে -
- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের শেষ মেয়র। 

উৎস: ২১ মার্চ ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা কত ফুট?
  1. ৮ ফুট
  2. ১২ ফুট
  3. ২১ ফুট
  4. ২৫ ফুট
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঢাকা শহরের উচ্চতা ২৫ ফুট।
- কিন্তু ঢাকা শহরের পাশে কামরাঙ্গীর চর ও জিঞ্জিরার উচ্চতা ৪ থেকে ৫ ফুট। 

উল্লেখ্য,
- ৩০ মার্চ, ২০২৪ জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’ আয়োজিত ‘উপকূলের জীবন-জীবিকা : সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক  জাতীয় সংলাপে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার আগ্রাসনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।
- তিনি বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে খুলনা-সাতক্ষীরা সমুদ্রের অংশ হবে।
- রাজশাহী থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে আশুগঞ্জ পর্যন্ত লবণ পানি চলে আসবে।
- এমনকি ঢাকা শহরের চারপাশও লবণাক্ত হয়ে যাবে।

উৎস: ৩০ মার্চ, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
.
ঐতিহাসিক 'বদর যুদ্ধ' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ৬২৪ সালে
  2. ৬২৫ সালে
  3. ৬২৬ সালে
  4. ৬২৭ সালে
ব্যাখ্যা
বদরের যুদ্ধ:
- ৬২৪ সালে মদিনার অদূরে বদর নামক স্থানে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে মুসলমানদের বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ২ হিজরির ১৭ রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার অমুসলিমদের মধ্যে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের আগে মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে বেশ কিছু খণ্ডযুদ্ধ হয়।
- কিন্তু বদর ছিল দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় আকারের যুদ্ধ।
- ইসলামের এ প্রথম সামরিক যুদ্ধে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী বিজয় লাভ করে।
- হজরত মুহাম্মদ (সা.) স্বয়ং যুদ্ধ পরিচালনা করেন। 
- ইসলামের এই প্রথম সামরিক যুদ্ধে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলমান বাহিনী বিজয়ী হয়। 

উৎস: History.com
১০.
ECNEC-এর বর্তমান সভাপতি কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. ওবায়দুল কাদের
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. আনিসুল হক
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১১.
নিঝুম দ্বীপের আরেক নাম -
  1. মুহুরীর চর
  2. সুবর্ণ চর
  3. ভাসান চর
  4. বাউল্লার চর
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।

উৎস: ২৫ এপ্রিল, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১২.
NCTB-এর পূর্ণরূপ -
  1. National Curriculum & Textbook Board
  2. National Curriculum & Text Book
  3. National Communication & Textbook Board
  4. National Curriculum & Training Board
ব্যাখ্যা
NCTB:
- জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা এনসিটিবি নামে পরিচিত।
- NCTB-এর পূর্ণরূপ: National Curriculum & Textbook Board.
- এনসিটিবি বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্যে গঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জনের জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এবং যা জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণের উন্নয়ন ও পরিমার্জনের কাজ করে থাকে।

উৎস: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ওয়েবসাইট। 
১৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে কতবার তোপধ্বনি দেওয়া হয়?
  1. ১৫ বার
  2. ১৮ বার
  3. ২১ বার
  4. ৩১ বার
ব্যাখ্যা
তোপধ্বনি:
- বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বা বিশেষ দিবসকে তোপধ্বনির (কামান দাগা) মাধ্যমে সম্মান জানানো হয়।
- ঐতিহাসিকভাবে সামরিক বাহিনীর এই তোপধ্বনির মাধ্যমে সম্মান জানানোর রেওয়াজ রয়েছে।
- তোপধ্বনির মাধ্যমে সামরিক অভিবাদনের প্রথাটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে তোপধ্বনির মাধ্যমে শ্রদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক অভিবাদন জানানো হয়।
- দু’টি দিনেই ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে সম্মান জানানো হয়। 
- বিশ্বের অন্যান্য দেশে ২১ বার তোপধ্বনি প্রচলন থাকলেও ব্রিটিশ উপনিবেশিক দেশগুলো এই নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন এনে ৩১ বার নির্ধারণ করে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে অন্য কোনও দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান বা আন্তর্জাতিক বিশিষ্ট কোনও ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা জানাতে ২১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়।
- বিশ্বব্যাপী সামরিক সম্মান জানাতে ২১ বারই তোপধ্বনি করার বিষয়টি জানা যায়।

উৎস:  ২৬ মার্চ ২০২২, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।