পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন ও ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়ে থাকে। 

গলগণ্ড বা ঘ্যাগ হলো অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গন্থিটি গলার সামনের দিকের নিচের অংশে থাকে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় এটির অবস্থান দৃশ্যমান নয়। থাইরয়েড গ্রন্থির আকার অনেকটা প্রজাপতির মতো।

লক্ষণ-
গলগন্ডের প্রাথমিক লক্ষণ হল সাধারণত ঘাড়ে একটি লক্ষণীয় ফোলাভাব। 

আরও অন্যান্য উপসর্গগুলো হল- 
১.  বা শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া
২. কাশি 
৩. মাথার উপরে হাত বাড়ালে মাথা ঘোরা
৪. কণ্ঠে কর্কশতা অনুভব হয়। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
.
কোন অণুজীবের সংক্রমণে শ্বাসনালীর প্রদাহ দেখা দেয়?
  1. ক) Staphylococcus
  2. খ) Streptococcus
  3. গ) Enterococcus
  4. ঘ) Salmonella
সঠিক উত্তর:
খ) Streptococcus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Streptococcus
ব্যাখ্যা
Streptococcus অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট শ্বাসনালীর প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ দেখা দেয়। 

শিশু ও বয়স্করা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শ্বাসনালী ও তার শাখা-প্রশাখার ক্ষুদ্র ঝিল্লি আক্রান্ত হওয়াই এ রোগের কারণ। হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ রোগ সাধারণ সর্দি লাগার ফলেই হয়ে থাকে। সর্দি কণ্ঠনালী হতে নিচের দিকে প্রসারিত হয়ে বায়ুনালীগুলোকে আক্রমণ করলেই তার নাম হয় হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ। যে ঋতুতে আবহাওয়া ঘন ঘন পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ শরৎকাল ও বসন্তকালের প্রারম্ভেই রোগটি সাধারণত প্রকাশ পায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্বল দেহ, উপযুক্ত ও পুষ্টিকর খাদ্য হতে বঞ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করতে বাধ্য হয় এ ধরনের ব্যক্তিকে এ রোগ আক্রমণ করে।

লক্ষণ-
প্রবল শুষ্ক কাশিতে বুকে ব্যথা লাগে, শ্বাস-প্রশ্বাসের দ্রুততা বৃদ্ধি পায়। দেহের উত্তাপ বাড়ে। ক্রমে শ্লেষ্মা সরল হতে থাকে এবং অল্প কাশিতেই থোকা থোকা কফ উঠে বুক পরিষ্কার হয়ে যায়। সাধারণত সুস্থ যুবকদের পক্ষে হঠাৎ শ্বাসনালীর প্রদাহ কখনোই মারাত্মক হয় না। কিন্তু শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে অবস্থাভেদে এ রোগ অথবা এ রোগ বিস্তৃত হয়ে অন্য উপসর্গের সৃষ্টি করলে বিপদের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। উপযুক্ত সময়ে রোগ প্রশমিত না হলে তা পুরাতন আকার ধারণ করে, তখন তাকে পুরাতন বা দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালীর প্রদাহ বলে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বায়ুদূষণের কারণে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) নিউমোনিয়া 
  2. খ) হাঁপানি
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ফুসফুসের ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
ব্যাখ্যা
বায়ুদূষণের কারণে হাঁপানি রোগটি হয়ে থাকে। 

হাঁপানি (Asthma)  শ্বাসনালীর এক ধরনের বৈকল্য, যে কারনে শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধা হয়। অধিকাংশ হাঁপানির আক্রমণ মৃদু, তবে উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে অবস্থা মারাত্মক হতে পারে। অনেক সময়ে রোগটিতে সাঁ সাঁ শব্দসহ মারাত্মক রকমের শ্বাসকষ্ট হয়।

হাঁপানির দুটি প্রধান ধরন চিহ্নিত করা গেছে। প্রথমটিতে নাক, গলা, সাইনাস, এমনকি ফুসফুসেরও সংক্রমণ ঘটে, যাকে প্রায়শই ক্লোমনালি প্রদাহ বা ব্রংকাইটিস বলা হয়। দ্বিতীয়টি ব্যাপকতর। এটি একটি অ্যালার্জিক বিক্রিয়া যা বংশগত হতে পারে। অ্যালার্জিঘটিত হাঁপানিতে রোগী ফুলের রেণু, গৃহস্থালির ধুলাবালি, ছত্রাক, পশুর লোম, নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্তর গন্ধ, কীটনাশক, বিশেষ খাবার অথবা ঔষধের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারে। উভয় ধরনের হাঁপানিতে ক্লোমনালির অভ্যন্তরীণ পথের মিউকাস আবরণী স্ফীত হওয়ার দরুন নালিগুলি সরু হয়ে যায় এবং মিউকাস রোধক তৈরি হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
কোন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Pneumococcus
  3. গ) Yersinia
  4. ঘ) Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Pneumococcus
ব্যাখ্যা
Pneumococcus নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়। 

নিউমোনিয়া ফুসফুসের প্রদাহ জনিত একটি রোগ যা ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস,ছত্রাক কিংবা অন্য যেকোন পরজীবীর সংক্রমণের কারণে হতে পারে। কারও রোগটি হলে তাঁর শরীরে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের স্বাভাবিক আদান প্রদান প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। রোগটি হলে ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেহে বাতাসের আদান প্রদান প্রক্রিয়া অনেক বাধাগ্রস্ত হয়।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ-
১. জ্বর, কাশি অথবা শ্বাসকষ্ট হওয়া।
২. বয়স অনুযায়ী শ্বাস দ্রুত মনে হওয়া।
৩. অস্থিরতা ভাব হওয়া।
৪. খাবারে অরুচি হওয়া।
৫. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৬. পেটে ব্যথা হওয়া।
৭. শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৮. মারাত্মক নিউমোনিয়ার হলে শ্বাস নেয়ার সময় বুকের নিচের অংশ ভিতরে ঢুকে যাওয়া।
৯. শ্বাসকষ্টের কারণে রোগীর খিঁচুনি হতে পারে।

সূত্র: Johns Hopkins University Website. 
.
মানবদেহে মাঙ্কিপক্সের উপস্থিতি সর্বপ্রথম কখন ধরা পড়ে?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৫৮
  3. গ) ২০২২
  4. ঘ) ১৯৭০ 
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৮
ব্যাখ্যা
মানবদেহে মাঙ্কিপক্সের উপস্থিতি সর্বপ্রথম ধরা পড়ে ১৯৫৮ সালে। 

মাঙ্কিপক্স এমন একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যা যা পশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হতে পারে। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ অনেকটাই স্মলপক্স বা গুটিবসন্তের মতো। মাঙ্কিপক্স মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের খোঁজ মেলে। তবে নাম ‘মাঙ্কিপক্স’ হলেও একাধিক বন্যপ্রাণির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে। 

পশু থেকে মানুষের মধ্যে যে ভাবে সংক্রমণ ছড়াতে পারে:
১. আঁচড় বা কামড়ের মাধ্যমে
২. বন্য প্রাণী শিকার করে পাওয়া মাংস থেকে 
৩. সংক্রমিত কোনো পশুর শরীরের কোনও রস বা চোট-আঘাতের সংস্পর্শে এসে 

শ্বাসনালী, চামড়ার উপরের ক্ষত, অথবা মুখ, নাক বা চোখের মিউকাস মেম্ব্রেন-এর মাধ্যমে ভাইরাসটি শরীরে ঢুকতে পারে।   

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website. 
.
শিশুদের জন্মের কত বছর পর মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১২ মাস পর
  2. খ) ৬ মাস পর
  3. গ) ১৮ মাস পর
  4. ঘ) ২৪ মাস পর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ মাস পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ মাস পর
ব্যাখ্যা
শিশুদের জন্মের ৬ মাস পর থেকেই মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়।

পুষ্টিকর উপাদান নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে তাকে সিরিয়াল এবং শাকসবজি ও ডিমের মতো পারিবারিক খাবার চটকে খাওয়াতে হবে। দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে অন্যান্য পারিবারিক খাবারের পাশাপাশি মায়ের দুধ খাইয়ে যেতে হবে। একেই বলে পরিপূরক খাবার খাওয়ানো। এর মধ্য দিয়ে শিশু শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়া থেকে পারিবারিক খাবার খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। শিশুর ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে ছয় মাস থেকে ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং এমন একটি সময়ে এটা হয় যখন তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

সূত্র: ইউনিসেফ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট। 
.
EPI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Extensive Programme on immunization
  2. খ) Expanded programme on immunization
  3. গ) Extend Programme on immunization
  4. ঘ) Exclusive programme on immunization
সঠিক উত্তর:
খ) Expanded programme on immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Expanded programme on immunization
ব্যাখ্যা
EPI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Expanded programme on immunization. 

বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচির বিকাশ ও সম্প্রসারণের জন্য দ্য এক্সপেন্ডেড প্রোগ্রাম অন ইমিউনাইজেশন (ইপিআই) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রতিটি শিশুর জন্য ডিপথেরিয়া, পের্টুসিস, টিটেনাস, পোলিওমাইলাইটিস, হাম এবং যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সূত্র: National Library of Medicine Website. 
.
জলাতঙ্ক রোগের টিকা কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) জোনাস সালক
  2. খ) লুই পাস্তুর
  3. গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. ঘ) জেমস ওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।

১৮৮৫ সালের ৬ই জুলাই এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে মানবদেহে টিকা প্রয়োগ করা হয়। 
জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক। এটি সংক্রামক রোগের বিভাগের অধীনে আসে এবং খামার বা বন্য প্রাণীদের দ্বারা সংক্রামিত হয়; সাধারণত মাংসাশী যেমন কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, রেকুন। এটি বেশিরভাগ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। 

জলাতঙ্কের লক্ষণ: সন্দেহজনক প্রাণি কামড়ানোর ৯ থেকে ৯০ দিনের মাঝে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দেয়। কারো শরীরে জলাতঙ্কের লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে উন্মত্ত বা পাগলামো আচরণ এবং মৌন আচরণ—এ দুই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পারে।অস্বাভাবিক আচরণে আক্রান্ত ব্যক্তির কথাবার্তা ও ভাবভঙ্গি হবে অস্বাভাবিক। সে উদ্দেশ্য ছাড়াই ছুটে বেড়াবে, ক্ষুধামন্দা হবে, বিকৃত আওয়াজ করবে, বিনা প্ররোচনায় অন্যকে কামড়াতে আসবে ইত্যাদি।

সূত্র: National Library of Medicine Website. 
.
HIV কোন প্রাণী হতে মানবদেহে ছড়ায়?
  1. ক) বানর হতে
  2. খ) শিম্পাঞ্জি হতে
  3. গ) ইঁদুর হতে
  4. ঘ) বাদুড় হতে
সঠিক উত্তর:
খ) শিম্পাঞ্জি হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিম্পাঞ্জি হতে
ব্যাখ্যা
HIV  (human immunodeficiency virus) শিম্পাঞ্জি হতে মানবদেহে ছড়ায়। 

বাংলাদেশে এখন এইডস আক্রান্তের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ০.১ শতাংশ। ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি।

এইচআইভির লক্ষণসমূহ-
জ্বর এবং অত্যধিক শীত লাগা
রাতে খুব বেশি ঘাম হওয়া
মাংসপেশিতে টান এবং সারা শরীরে যন্ত্রণা
শরীরে র‍্যাশ বেরনো
গলায় ব্যথা
ক্লান্তি
গলা ফুলে যাওয়া
মাউথ আলসার

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website.
১০.
কোন রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই?
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) যক্ষ্মা 
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) ক্যান্সার 
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইডস
ব্যাখ্যা
এইডস রোগের সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই। 

এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome/AIDS) এইচআইভি (Human Immuno-deficiency Virus/HIV) নামক ভাইরাস সংক্রমণের কারণে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, লোপ বা ধ্বংস অবস্থা। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস-এ সর্বপ্রথম এইডস শনাক্ত করা হয়। এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে ১৯৮৪ সালে প্রথম এইডস লক্ষ্য করা যায় এবং মায়ানমার ও ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৮৬ সালের মধ্যেই এর প্রাদুর্ভাব ঘটে।

২০০৭ সালে পৃথিবীতে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৩.২ মিলিয়ন, আর মারা যায় ২.১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ৩,৩০,০০০ জন ছিল নিরপরাধ শিশু। বাংলাদেশী জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এইডস বিস্তার রোধের সহায়ক।

সূত্র: World Health Organization & বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১১.
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে কোন রোগটি ছড়ায়?
  1. ক) ফুসফুসের ক্যান্সার
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) চিকুনগুনিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে যক্ষ্মা নামক রোগটি ছড়ায়। 

যক্ষ্মা  Mycobacterium tuberculosis নামের জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগ TB নামেও পরিচিত। যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ। সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়। এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে। শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। রোগটি অন্যদের তুলনায় একই পরিবারের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে সংক্রমিত হয়ে থাকে, কেননা এক পরিবারের সদস্যরা একই বাড়িতে বসবাস করে, একই টেবিলে খাবার খায় ও পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসে, তবে যক্ষ্মা বংশানুক্রমিক নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১২.
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) সিলেট 
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড রাজশাহীতে অবস্থিত। 

রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশে ১৯৭৮ সালে (অধ্যাদেশ ১৯৭৭ সাল) প্রতিষ্ঠিত। রেশম উৎপাদনে উৎসাহ দান ও রেশম শিল্পে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চার জন সার্বক্ষণিক ও ৭ জন খন্ডকালীন সদস্য নিয়ে এই বোর্ড গঠিত। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হলেন চেয়ারম্যান। বোর্ডের কার্যাবলি নিম্নোক্ত প্রধান বিভাগসমূহে বিভক্ত: ১. অর্থসংস্থান ও পরিকল্পনা; ২. সম্প্রসারণ ও উদ্বুদ্ধকরণ; ৩. উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ এবং ৪. প্রশাসন।

বোর্ডের প্রধান লক্ষ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে: ১. রেশম উৎপাদন ও রেশম শিল্পের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন; ২. রেশম উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণে উদ্যোগ, সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান; এবং ৩. তুঁত, ভেরেন্ডা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদের উন্নত চাষপদ্ধতি উদ্ভাবন।

দেশের বিভিন্ন অংশে বোর্ডের ১৪টি নার্সারি, ৩৯টি কেন্দ্র ও ১৫৯টি উপকেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১৩.
রক্ত শূন্যতার অপর নাম -
  1. ক) জণ্ডিস
  2. খ) সেরোসিস
  3. গ) লিউকেমিয়া
  4. ঘ) এস্কিরিয়া
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 
কিন্তু এ অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বলে না।
- এনিমিয়া হলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় বলে রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণও কমে যায়।
- থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলেও রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতার সৃষ্টি হয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।