পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৫
সিলেবাস
Exam - 16 Full Model Test - 06 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৫ প্রশ্ন

.
B, A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার পরিকল্পনা করে। A,B এর বিরুদ্দে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়ের করেছে এই প্রার্থনা করে যে, B আইনগত পন্থা ব্যতীত জোরপূর্বক A কে দখলচ্যুত করবেনা।মোকদ্দমাটি বিচারাধীন থাকাবস্থায় B,A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। A স্থায়ী নিষেধেজ্ঞার অন্য আর একটি মোকদ্দমা দায়ের করেছে। এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি-
  1. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
  2. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে না
  3. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
ব্যাখ্যা
♦এখানে রেস সাবজুডিস নীতি প্রযোজ্য হবে কারণ একই বিষয় নিয়ে পূর্ববর্তী চিরস্থায়ী নিষেধেজ্ঞার মোকদ্দমাটি এখনও বিচারাধীন আছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির বিধান আছে, রেস সাবজুডিস বা মামলা স্থগিত রাখাঃ কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
.
A,B এর বিরুদ্ধে ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B দাবী করে যে, A না বরং C বাড়ির মালিক। Aতার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। A পরবর্তীতে B এবং C এর বিরুদ্ধে সম্পত্তিতে তার স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি-
  1. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
  2. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে না
  3. ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির কারণে স্থগিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির বিধান আছে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বা বিচার্য বিষয়ের বিচার করবেন না, যার বিচার্য বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ একই পক্ষসমূহের মধ্যে পূর্ববর্তী কোন মামলার প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ বিচার্য বিষয়বস্তু ছিল, অথবা পক্ষসমূহের মধ্যে যাদের ভিতরে তারা অথবা তাদের কোন একজন একইরূপ অধিকারের শর্তে মামলায় দাবী করছেন এবং মামলাটি এমন একটি আদালতে শ্রুত ও চূড়ান্তভাবে নিস্পত্তি হয়েছে, যে আদালত এরূপ পরবর্তী মামলা অথবা মামলায় এরূপ বিচার্য বিষয় পরবর্তীতে উত্থাপিত হয়েছে। তার বিচার করতে এখতিয়ার সম্পন্ন।
♦যেহেতু A প্রথম মোকদ্দমায় তার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে,তাই সে পুনরায় উক্ত স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটার নীতির কারণে খারিজ করবে। কারণ বিষয়টি পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।
.
ক’ খ’ এর বিরুদ্ধে দুইটি জমি বিক্রয়ের বায়নাপত্র সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা যুগ্ম জেলা জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করে। জমির একটি অংশ নারায়ণগঞ্জে এবং অপর অংশ ঢাকাতে অবস্থিত। খ যদি মোকদ্দমাটি স্থানান্তন করতে চায়, তাহলে খ এর উকিল হিসেবে আপনি কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবেন?
  1. ঢাকা জেলা জজের নিকট
  2. নারায়ণগঞ্জ জেলা জজের নিকট
  3. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  4. ঢাকা জুগ্ম জেলা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী মামলা বা আপিল স্থানান্তর ও প্রত্যাহার- যে কোন সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ আদালত অধঃস্তন আদালতের কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অপর কোন কার্যক্রম স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করতে পারেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২, ২৩ ও ২৪ ধারা এবং The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমা ও আপিল স্থানান্তরের বিধান রয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারা অনুযায়ী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র বিবাদী মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যখন কোন মোকদ্দমা দুই বা ততোধিক আদালতে দায়েরযোগ্য বা বিচারযোগ্য। কিন্তু ২৪ ধারার আওতায় মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা আদালত স্বতঃ প্রবৃত্ত হয়ে নিজে (own motion) কোন মামলা বা আপিল স্থানান্তর করতে পারে।
♦সুতরাং বিবাদী হলে ২২ ধারা, অন্যদিকে মামলার যে কোন পক্ষ অথবা আদালত নিজে হলে ২৪ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦যেহেতু জমির দুইটি অংশ দুইটি জেলায় অবস্থিত তাই যে কোন একটি জেলার দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে। যেহেতু বাদী 'ক' ঢাকাতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে এবং ‘খ’ মোকদ্দমাটি স্থানান্তর করে নারায়ণগঞ্জের দেওয়ানী আদালতে নিতে চাই, তাহলে আমাকে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
.
প্লিডিং থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading]বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন-
  1. করা যাবে না
  2. আদালত অনুমতি ছাড়া করা যাবে
  3. সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
  4. ওপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ৭ অনুযায়ী সাধারণত সংশোধন ছাড়া প্লিডিংস থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading] বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন করা অনুমদিত না। কোন পক্ষ প্লিডিংসে দাবীর এমন কোন নতুন ভিত্তি উপস্থাপন করতে পারে না বা কোন নতুন অজুহাত উপস্থাপন করতে পারে না যা তার পূর্বে দায়েরকৃত প্লিডিংসের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। শুধু নতুন দাবির ভিত্তি উপস্থাপন সংশোধনীর মাধ্যমে করা যাবে।
.
আরজি এবং লিখিত জবাব সংশোধনের নীতিসমূহ একই। উক্তিটিঃ-
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. আংশিক সত্য
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ আদেশে প্লিডিংস [Pleading]সংক্রান্ত যত নিয়ম আছে তা আরজি এবং লিখিত জবাব উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির যেখানে প্লিডিংস [Pleading] শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে পড়ার সময় আরজি বা লিখিত জবাব উভয় ধরে নিয়ে পড়তে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির  কোথাও বলা হয়নি যে আরজি সংশোধন বা লিখিত জবাব সংশোধন বরং বলা হয়েছে প্লিডিংস [Pleading] সংশোধন।
♦অর্থাৎ প্লিডিংস [Pleading] সংশোধন সংক্রান্ত সকল নিয়ম আরজি বা লিখিত জবাব উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই যদি বাদি আরজি সংশোধন করতে চায়, তাহলে তাকে ৬ আদেশের ১৭ বিধিতে আবেদন করতে হবে আবার বিবাদি লিখিত জবাব সংশোধন করতে চাইলে, তাকেও ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
সুতরাং আরজি এবং লিখিত জবাব সংশোধনের নীতিসমূহ একই উক্তিটিঃ- সত্য।
.
ক”২০০০০০ লক্ষ টাকার মূল্যমানের একটি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি দিতে পারে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. আরজি সংশোধন
  4. আরজি পুনরায় দাখিল করন
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। যেহেতু মোকদ্দমাটি মূল্যমান ২ লক্ষ টাকা, তাই সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে।
.
আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি ?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধির অধীন মোকদ্দমার বিবাদীর আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুরের আবেদন হল আপীলআযোগ্য আদেশ। তাই এই ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে না বরং রিভিশন করতে হবে। 
♦অর্থাৎ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না-মঞ্জুর করলে রিভিশন করতে হবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে-
  1. সমনের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  2. সমনের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল না করলে
  3. ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের বিধি ১ এর অধীন একতরফা নিষ্পত্তি এবং ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণা করে প্রদত্ত আদেশের মধ্যে পার্থক্য হলে; ১ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদি নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং ১০ বিধি প্রযোজ্য হয় যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৯ বিধির অধীন অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালত রায় ঘোষণার আদেশ [An order pronouncing judgment] দিতে পারে- কোন পক্ষ  ৯ বিধির অধীন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধির বিধান হল; লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
.
শুনানীর দিন বাদী ক” আদালতে হাজির হতে পারিনি। আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দিয়েছে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্ম লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. আপীল করতে পারে
  3. খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
  4. রিভিউ আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৮ নং বিধিমতে শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত বিষয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করতে পারবে না।
♦খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে, বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে ২ ধরনের প্রতিকার পেতে পারে। যথা-
i) খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল; অথবা ii) সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল ।
i) আদেশ-৯, বিধি-৯: খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Set-aside dismissal)- শুনানির দিন বাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মামলা খারিজের আদেশ প্রদান করলে বাদী ৯ নং আদেশের ৯ নং বিধিমতে মোকদ্দমা শ্রবণের সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে পারলে উক্ত খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবে।
♦ii) আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
 খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
 অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে। সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
♦অর্থাৎ যেক্ষেত্রে বাদী হাজির হয়না সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিলে উক্ত বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না কিন্তু বাদী খারিজ আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন রুজু করতে পারবে।
১০.
শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপীলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
১১.
নিম্মলিখিত কোন ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন নাই ?
  1. যেক্ষেত্রে বিবাদী একতরফা (Defendant is exparte)
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী লিখিত জবাবে স্বীকার করে
  3. যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের পর একটি সম্মতিসূচক বা সোলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যখন বিচার্য বিষয় গঠনের দরকার নেই: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই-
i)১ম শুনানীর সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে (make no defence);
ii) পক্ষগণের আরজি বা লিখিত জবাবে (pleadings) যে সকল বিষয় উল্লেখ নেই;
iii) পক্ষগণ যে সকল বিষয়ে একমত হয়েছে;
iv) বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাখিলকৃত আরজিতে উল্লেখিত যে সকল দাবী অস্বীকার করেনি; অথবা
v) আদালতে লিখিত জবাব দাখিলের পর সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) প্রদান করা হলে, বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই।
১২.
মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত দিনে কোন পক্ষ প্রনোজনীয় সাক্ষ্য কোন কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত
  1. রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. মামলা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ১৬ বিধি ২০ অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে,সেই ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ি হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদলত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের ১(চ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হল আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর অধীন আপীল?
১৪.
মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বিবাদীর মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে। সংক্ষুদ্ধ বিবাদীর প্রতিকার হতে পারে
  1. রিভিশন করা
  2. একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ বাতিল করা
  3. পুনরায় মোকদ্দমার কার্যক্রম চালুর জন্য আবেদন করা
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করলে বা বিবাদীর মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে সংক্ষুদ্ধ বাদী বা বিবাদী (যেমন প্রযোজ্য হয়) ১৭ আদেশের ১ (৭) বিধির অধীন মোকদ্দমা পুনবহালের বা পুনরূজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে [Restoration or Revival of the proceeding] বা ১১৫ ধারায় রিভিশন করতে পারে।
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধরার অধীন মধ্যস্থতার[Mediation]মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপীল করা যাবে না কিন্তু রিভিশন করা যাবে
  4. আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিসন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ___________ ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮১ ধরার অনুযায়ী পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তার বিরূদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
১৭.
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হলোঃ-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না ।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।
১৮.
আপীল আদালত আপীল পুনশুনানীর [Re-hearing of Appeal] আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আপীলকারী
  1. আপীল করতে পারবে
  2. রিভিশন করতে পারবে
  3. রিভিউ করতে পারবে
  4. পুনরায় শুনানি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦আপীল খারিজ বা আপীল একতরফা শুনানি করে রায় ঘোষণা করা আপীলযোগ্য আদেশ না। আপীল পুনঃগ্রহণ বা আপীল পুনঃশুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ এবং ৪৩ বিধি অনুযায়ী এর বিরূদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু আপীল পুনঃগ্রহণ বা পুনঃশুনানীর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল করা যাবে না।
১৯.
নিম্মলিখিত কোন আদেশের অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরূদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ৬ আদেশের ১৭ বিধির অধীন
  2. ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  3. ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ মতে ৭ আদেশের ১০ বিধির অধীন আরজি ফেরতের বিরূদ্ধে এবং ৮ আদেশের ১০ বিধির অধীন বিবাদীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার ক্ষেত্রে আপিল করা যায়।
২০.
সংবিধানের___________অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ দিয়ে থাকে?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦সংবিধানের  ১১৫ অনুচ্ছদের বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগঃ বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
♦যেহেতু দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হলো বিচার বিভাগীয় পদ। তাই রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ ১১৫ অনুচ্ছদের অধীন দিয়ে থাকে।
২১.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার করতে পারে-
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯খ ধারা মতে কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার (Jurisdiction in the case of juveniles): মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধে অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারেন ।
♦অর্থাৎ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ বছরের নিচের কোন শিশুর বিচার করতে পারবে যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করে।
২২.
২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক কত বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।♦অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯ গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।
২৩.
জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের জন্য জরিমানা করেছিল সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তির কত অংশ আরোপ করতে পার?
  1. ব্যর্থতার কারণে আইনে অনুমদিত যে কোন মেয়াদের
  2. ১২ মাস
  3. অপরাধটির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির ১/৪ অংশ
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির ১/৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির ১/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
♦জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন অপরাধের বিচার করার সময় মূল দণ্ডের অংশ হিসেবে সাজা প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য কারাবাস উক্ত অপারাধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড প্রদান করে তার ১/৪ অংশের বেশী হবে না। এই বিধানটি শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে কারাবাসসহ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ী কারাবাসের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ মতে জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেটগণের দত্ত প্রদানের ক্ষমতা (Power of Magistrates to sentence to imprisonment in default of fine):জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন- তবে শর্ত হলোঃ
(ক) কারাদণ্ডের মেয়াদ এই কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার বাইরে হবে না;
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট যে মামলার বিচার করবেন তাতে মূল দণ্ডের অংশ হিসাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে জরিমানা অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হবে তার মেয়াদ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হিসাবে ছাড়া অন্যভাবে যে দণ্ড দিতে পারেন তার এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না
♦৩২ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট যে সর্বাধিক মেয়াদের মূল কারাদণ্ড দিতে পারেন তার সাথে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কারাদণ্ড যোগ করা যেতে পারে।
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা মতে কেবল অর্থদন্ডে দন্ডাই অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ডঃ
অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
২৪.
ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় ___________ হতে।
  1. এজাহার দায়েরের সময়
  2. অপরাধের চার্জগঠনের সময়
  3. পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে
  4. এজাহার বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি  মামলার কার্যক্রম এবং ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding] এক বিষয় না। যেমন অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারি মামলার কাযক্রম শুরু হয়। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় চার্জ গঠনের মাধ্যমে। বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding]অর্থ হলো সেই সকল কার্যক্রম যেখানে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আইনগতভাবে বা শপথপূর্বক কোনো সাক্ষ্য নিতে পারে।
২৫.
রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারে কে?
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিযোগকারী
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আসামী
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সম্মতিতে পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারামতে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায় ঘোষনার পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
♦অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি পাবে, তবে অভিযোগ বা চার্জ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে আসামি খালাস পাবে।
♦অর্থাৎ রায় ঘোষণার পূর্বে যে কোন সময় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে।
২৬.
বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবে –
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. অনাবিশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  4. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
২৭.
এজাহার সম্পর্কে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সত্য-?
  1. এজাহার একটি চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. এজাহার কোন মূল সাক্ষ্য না
  3. ঘটনা সম্পর্কে অবগত যেকোন ব্যক্তি এজাহার দায়ের করতে পারে
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
♦অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে।
♦প্রাথমিক তথ্য বিবরনী কোন মূল সাক্ষ্য না। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর উপর ভিত্তি করে কোন দণ্ড দেওয়া যাবে না।
২৮.
যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায়, তাহলে নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সত্য-?
  1. ফৌজদারি মামলাটি বাতিল হবে
  2. নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু অভিযোগকারী মারা গেলে ফৌজদারী মামলা বাতিল হওয়ার কোন নিয়ম নেই, সেহেতু নতুন করে কোন অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজন নেই কিন্তু দায়েরকৃত অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে এবং নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
♦অর্থাৎ যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায় অভিযোগটি বিচারাধীন থাকবে।
২৯.
পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন বিবৃতি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা সাক্ষীর কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. জেরায়
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬১ ধারায় পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর লিপিবদ্ধকৃত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় জেরায় [Cross examination] এবং পুনঃজবানবন্দিতে [re-examination] ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ত হলো ১৬১ ধারায় লিপিবিদ্ধকৃত বক্তব্যটি যথাযথভাবে প্রমাণিত হতে হবে।
৩০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের –
  1. ৩২ (১) ধারায়
  2. ২৭ ধারার জন্য
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬২ ধারার মূল কথা হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারার কোন সাক্ষীর জন্য লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা তদন্তাধীন কোন অপরাধ সম্পর্কে কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু এই নিয়মটি সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) এবং ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
♦অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদ্ঘাটন হলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারার তদন্তের পর অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে
  1. খালাস [Acquittal] দিতে পারে
  2. অব্যাহতি [Discharge] দিতে পারে
  3. মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
  4. দণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা সম্পাদনের পর মুক্তি দিতে পারে [Release]
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা মতে তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই, তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন, সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনও প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
৩২.
পুলিশ রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের পর পুলিশ নিম্মলিখিত কোন কাজটি করতে পারে-
  1. অধিকতর [Further investigation] করতে পারে
  2. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক চার্জশীট জমা দিতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে পারে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে [do further investigation]। অধিকতর তদন্ত করে অধিকতর সাক্ষ্য পেলে পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক সার্জশীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে একবার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে অধিকতর তদন্ত করে পুলিশ ফাইনাল রিপোর্ট দিতে পারে না।
৩৩.
X নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে A আহত হয় এবং Z নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। A এর নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. X নামক আদালতে
  2. Z নামক আদলতে
  3. X বা Z নামক আদালতে
  4. X এবং Z নামক আদালতে
সঠিক উত্তর:
X বা Z নামক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X বা Z নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।
♦১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
♦অর্থাৎ A এর নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে X বা Z নামক আদালতে।
৩৪.
নালিশকারী বরাবর সমন ইস্যুর পর নির্ধারিত দিনে যদি অভিযোগকারী হাজির না হয় তাহলে আদালত
  1. আসামিকে খালাস দিতে পারে
  2. পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. ক বা খ যে কোনটি
  4. আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ যে কোনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ যে কোনটি
ব্যাখ্যা
♦শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে অভিযোগকারী হাজির না হলে আদালত কি করবে তা ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে। অভিযোগকারী বা সংবাদদাতা হাজির না হলে আদালত আসামিকে খালাস দিতে পারে [Acquit the accused] বা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানি মুলতুবি রাখতে হবে [To the hearing of the case to some other day]। কিন্ত পরবর্তী কোন দিনের জন্য শুনানি মুলতুবির আদেশ দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোক্তকে খালাস দিবে না।
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে?
  1. আসামী দোষ স্বীকার করে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে 
  2. জরিমানা বা আর্থদণ্ড আনাদায়ে কারাদণ্ড হলে 
  3. আইনে আপিলের বিধান না থাকলে 
  4. ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রশ্ন ও আইনের প্রশ্ন থাকলে 
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৮ ধারামতে ২ টি বিষয়ে আপীল এর বিধান আছে।
যথাঃ ১) ঘটনার প্রশ্নে (Question of Fact) ও ২) আইনের প্রশ্নে (Question of Law )
৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্মলিখিত কোন পন্থায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে না ?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তির দখল দাবীদারকে অর্পণের মাধ্যমে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  4. যে কাজ করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে তা করার আদেশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা 
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
♦যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
৩৭.
যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে, একটি পক্ষকে তেমন কাজ করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে যে প্রতিকার দেওয়া হয়,তা হল _______।
  1. নিরোধমূলক প্রতিকার
  2. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার
  4. উপরের সবগলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦নিরোধমূলক প্রতিকার [Preventive Relief] বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা নিষেধাত্মক প্রতিকার একই অর্থ বহন করে। সাধারাণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হল নিরোধমূলক প্রতিকার। যেমন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি। নিরোধমূলক প্রতিকার নিজেই হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার। 
৩৮.
A একজন দোকানদার। সে পণ্য বিক্রয়ের জন্য দোকানের বাইরে ফুটপাতে পণ্য রেখেছে এবং সেখানে অস্থায়ীভাবে একটি ছাউনি নির্মাণ করেছে। সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী উক্ত ছাউনি ভেঙ্গে দিয়ে ফুটপাত হতে উক্ত পণ্যসমূহ জব্দ করেছে। A ৩ মাস পর উক্ত ফুটপাতের দখল উদ্ধারের জন্য সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার মোকদ্দমা দায়ের করে। মোকদ্দমাটি বারিত হবে যেহেতু-
  1. মোকদ্দমাটি সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে
  2. মোকদ্দমাটি নির্ধারিত সময়ের পর দায়ের করা হয়েছে
  3. ফুটপাতের উপর যেহেতু তার কোন স্বত্ব নাই
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা চলে না।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৩৯.
A একজন গুদামরক্ষক। Z কে কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য A কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পণ্য গুলো A এর দখল হতে B গ্রহণ করেছে। এই ক্ষেত্রে A,B এর বিরুদ্ধে পণ্যগুলো প্রাপ্তির জন্য মামলা করতে পারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের _______ ধারায়।
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦A হলো উক্ত পণ্যের জিম্মাদার [Bailee] এবং এই কারণে A উক্ত পণ্য বর্তমান দখলের অধিকারী। A উক্ত পণ্যের মালিক না হলেও যেহেতু পণ্যটির দখলে রাখার বিশেষ অধিকার A এর আছে, তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য A,B এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ এর ১০ ধারায় বলা আছে সুনির্দিস্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারঃ
♦সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানী কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় উহার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-১ঃ এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সেই ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
♦ব্যাখ্যা-২ঃসম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৪০.
A একজন মৃত চিত্রকারের একটি চিত্র এবং একজোড়া দুষ্প্রাপ্য চীনামাটির কারুকার্যখচিত পাত্রের অধিকারী। সেগুলো B এর দখলে রয়েছে। এই জিনিসগুলো এমন বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ যে তার বাজার দর নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য। চীনামটির পাত্র গুলো অর্পণ করার জন্য B কে বাধ্য করতে A সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ______ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু চীনামটির পাত্রগুলো হলো অস্থাবর সম্পত্তি এবং এর বাজার দর নির্ধারণ করা কষ্টসাধ্য, তাই ১১ ধারার গ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত চীনামাটির পাত্রগুলো A কে অর্পণ করতে A,B‌ এর বিরুদ্ধে ১১ ধারায় মামলা করতে পারে।
৪১.
ক” খ” কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং খ” সেখান থেকে বালি নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। খ” কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দশ্যে ক” নিম্মলিখিত মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বালি নুড়ি পাথর দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারবে
  4. নুড়িপাথর বা বালি উত্তোলনের কোন অধিকার নেই মর্মে ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে
ব্যাখ্যা
♦ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে খ এর বাধ্যবাকতা আছে বালি বা নুরিপাথর উত্তোলন না করার। এই বাধ্যবাদকতা লঙ্ঘন করে যেন নুড়িপাথর তুলতে না পারে,সেই কাজ থেকে বিরত রাখতে ৫৪ ধারার অধীন আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।
৪২.
করিম সাহেব ব্যথার কষ্ট নিয়ে একজন চিকিৎসকের নিকট গেলেন। চিকিৎসকের অস্ত্রোপচারের ফলে করিম সাহেবের মৃত্যু হতে পারে এটা জেনেও করিম সাহেবের মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে করিম সাহেবের মঙ্গলার্থে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারটি করেন। উক্ত অস্ত্রোপচারের পর করিম সাহেব মারা যান। করিম সাহেবের মৃত্যুতে কোন অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে?
  1. কোন অপরাধ হয়নি 
  2. খুন হয়েছে 
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা হয়েছে
  4. দুই ও তিন
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি 
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানের অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতি নিয়ে ঐ ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়। চিকিৎসক মৃত্যু ঘটানোর কোন অভিপ্রায় ছাড়াই সরল বিশ্বাসে রোগীর মঙ্গলনার্থে অস্ত্রোপচার করেন তাই এটি কোন অপরাধ নয়।
৪৩.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রুপান্তর করতে পারে
  2. যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  3. ২০ বৎসর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  4. মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৫৪ ধারায় সরকারকে মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বরং মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্যকোন দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাবাস দিতে পারে।
৪৪.
দণ্ডবিধিতে কোন ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?
  1. ৩০২
  2. ৩০৩
  3. ৩০৪
  4. ৩৭৫
সঠিক উত্তর:
৩০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
♦দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তিঃকোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৪৫.
যে ক্ষেত্রে অপরাধী কারাবাস এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়, কিন্তু অর্থদণ্ড পরিশোধ না করার কারণে আদালত অপরাধীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করে তা
  1. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  2. অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে তার যেকোন বর্ণনার
  3. শুধুমাত্র সশ্রম
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦এখানে যেকোন বর্ণনার বলতে সশ্রম বা বিনাশ্রম উভয়কে বোঝানো হয়েছে। ৬৬ ধারা প্রযোজ্য হবে যেক্ষেত্রে অপরাধী কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ডে প্রদানে ব্যর্থ হয়। ৬৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে কারাবাস বিনাশ্রম হবে। অর্থাৎ ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে।
৪৬.
ক” একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। এতে করে ৫ জন ব্যক্তি গুরুতরভাবে জখম হয়। ক” কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর জখম
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. সাধারণ জখম
  4. গুরুতর জখমের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦এখানে ক” কোন অপরাধ করেনি কারণ সে নিজেকে আইনগতভাবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ মানতে বাধ্য বলে মনে করে সরল বিশ্বাসে গুলি করেছে। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নিজেকে কোন কাজ করতে আইনগতভাবে বাধ্য মনে করে সরল বিশ্বাসে (Good faith) কোন কাজ করলে তার উক্ত কাজ অপরাধ হবে না।
৪৭.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর জানা যায় Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. অবৈধ আটক করেছে
  3. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦Y কে আটক করার আদেশ ছিল কিন্তু Z কে Y মনে করে A কে আটক করে। এটা একটি ঘটনাগত ভুল বা (Mistake of Fact) এবং A আটক করতে আইনবলে বাধ্য ছিল। যদি এই ক্ষেত্রে তিনি সরল বিশ্বাসে কোন প্রকার অবহেলা ছাড়া আটক করে, তাহলে এটা কোন অপরাধ না।
৪৮.
নিম্মের কোন কার্যটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না ?
  1. সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য যেটা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে
  2. নয় (৯) বছরের কম বয়স্ক শিশুর কার্য
  3. নয় বৎসরের অধিক ও ১২ (বার) বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কাজ
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮১ ধারা মতে  সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূক অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারণকল্পে সম্পাদিত কাজ অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮২ ধারা মতে নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।
♦দণ্ডবিধির ৮৩ মতে নয় বৎসরের অধিক বয়স্ক ও বার বৎসরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ শক্তিসম্পন্ন শিশুর কার্য নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
♦দণ্ডবিধির ৮১,৮২ এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী উপরে লিখিত কাজগুলো অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৪৯.
সার্জন ক” জানতো যে খ” কে অপারেশন করলে খ” এর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু খ” এর মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে ক” অপরেশনটি করে। খ” মারা যায়। ক” কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নয় এমন কাজ কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে সরলবিশ্বাসে (Good Faith) সম্মতিসহকারে সম্পাদন করলেও তা অপরাধ নয়।
৫০.
ট” তার ছেলের মঙ্গলের জন্য একজন সার্জনকে দিয়ে অপারেশন করাতে চায়। সার্জন শিশুটির পিতার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে অপারেশন করে। শিশুটি মারা যায়। সার্জনের অপরাধ কি?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৯ ধারা মতে সার্জনের অপরাধ না হবার কারণ হলো শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এবং শিশুর মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে কার্যটি করেছে। এই ক্ষেত্রে শিশুটির বয়স ১২ বৎসরের কম হতে হবে।
৫১.
কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা [Abetment of an offence] করা
  1. সর্বদা একটি অপরাধ
  2. প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে অপরাধ হতে পারে কিন্তু সর্বদা অপরাধ না
  3. কোন অপরাধ না
  4. প্ররোচিত অপরাধটি সংঘটিত হলে শুধুমাত্র তখন অপরাধ হবে
সঠিক উত্তর:
সর্বদা একটি অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বদা একটি অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে, তা সংঘটিত হোক বা না হোক, প্ররোচনা [Abetment] প্রমাণিত হলে, সেটা একটি অপরাধ হবে এবং দুষ্কর্মের সহয়তাকারী দোষী হয়।
৫২.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
৫৩.
Z কে খুন করার জন্য C কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্য A,B কে প্ররোচিত করে। সেই অনুসারে Z কে খুন করার জন্য B,C কে প্ররোচিত করে এবং B এর প্ররোচনার ফলে C উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান করে। এখানে A,B এবং C এর শাস্তি কি?
  1. তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
  2. B ও C খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. শুধুমাত্র A দায়ী হবে
  4. B ও C, A-এর অর্ধেক শাস্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধে সহায়তা অপরাধরূপে গণ্য। সুতরাং অনুরূপ দুষ্কর্মের সহায়তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সুতরাং সবাই সমানভাবে দায়ী হবে।
৫৪.
গ-কে গুরুতর জখম করে ক,খ-কে প্ররোচিত করে। খ উক্ত প্ররোচনার ফলে গ-কে গুরুতর জখম করে। ফলে গ মারা যায়। এই ক্ষেত্রে ক _____জন্য দণ্ডিত হবে।
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবে না শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦যদি ক জানতো যে প্ররোচিত জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাহলে ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।
৫৫.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে, উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে, এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। A দণ্ড বিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯১ধারার অধীন
  2. ১৯২ধারার অধীন
  3. ১৯৩ধারার অধীন
  4. ১৯৪ধারার অধীন
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ধারার অধীন
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী A এই ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন বা তৈরি করার অপরাধ করেছে। মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা ১৯৩ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য। তাই A ১৯৩ ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে গণ্য।
৫৬.
A জানে Z একটি ঝোপের আড়ালে রয়েছে। B তা জানে না। A,Z এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে অথবা এই ঘটনায় Z এর মৃত্যু ঘটার আশঙ্কা রয়েছে জেনে B কে উক্ত ঝোপের প্রতি গুলি ছুঁড়ার জন্য A প্ররোচিত করে। B গুলি ছুঁড়ে ও Z কে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে A এবং B এর অপরাধ কি?
  1. A কোন অপরাধ করেনি কিন্তু B খুন করেছে
  2. A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
  3. B নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং A কোন অপরাধ করেনি
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে এবং B কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু Z কে হত্যা করার কোন উদ্দেশ্যে B এর ছিল না এবং B জানতো না যে ঝোপের আড়ালে Z ছিল, সুতরাং সে গুলি করেছে কোন প্রকার জ্ঞান [Knowledge] ছাড়া। তাই B কোন অপরাধ করেনি। কিন্তু Z কে হত্যা করতে A,B কে প্ররোচনা করেছে এবং তাই A নিন্দনীয় নরহত্যায় প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু A এর অপরাধটি খুন হবে কিনা তা ৩০০ ধারার আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।
৫৭.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
  1. ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  2. দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  3. ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  4. চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ম ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে।
৫৮.
নিম্মলিখিত কোনটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য না?
  1. আদি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত কোন কপি
  2. মূল কপির সাথে তুলনা করে প্রস্তুতকৃত কপি
  3. কোন দলিল দেখেছে এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল বিষয়ে মৌখিক ব্যই বিবৃতি
  4. আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
ব্যাখ্যা
♦আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিল হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য।
৫৯.
একটি সশস্ত্র অভুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়,Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দিকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে-
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না।
  3. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে না কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
সঠিক উত্তর:
X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X,Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে, যদিও সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।  
৬০.
A একটি জমির জন্য B এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। জমিটি B এর দখলে করে আছে। A দাবি করে যে B এর পিতা C উইল করে ঐ জমি A কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. C এর উপর
  2. A এর উপর
  3. B এর উপর
  4. A ও B এর উভয় উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু জমিটি B এর দখলে আছে, সেহেতু এই মামলায় কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে B জমির দখল বজায় রাখার অধিকারী হবে এবং A মামলায় পরাজিত হবে। ১০২ ধারা অনুযায়ী কোন মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ  দাখিল না করলে যে পক্ষ পরাজিত হবে, প্রমাণের ভার সেই পক্ষের উপর বর্তাবে। তাই এই ক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব A এর উপর ন্যাস্ত।
৬১.
বণ্ডে বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য A,B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B বন্ডের বিষিয়টি স্বীকার করে কিন্তু দাবী করে যে, প্রতারণার মাধ্যমে A বন্ডটি সম্পাদন করে। A প্রতারণার বিষিয়টি অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব বর্তায়
  1. যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  2. যেহেতু B বন্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছে সেহেতু B এর উপর
  3. প্রতারণা প্রমাণ করতে না পারলে যেহেতু A জয়ী হবে সেহেতু A এর উপর
  4. কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে যেহেতু B পরাজিত হবে সেহেতু B এর উপর
ব্যাখ্যা
♦প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য যদি কোন পক্ষই সাক্ষ্য না দেয় তাহলে B পরাজিত হবে কারণ B বণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে। সুতরাং প্রতারনা প্রমাণের ভার B এর উপর বর্তায়।
৬২.
ক” চুরির দায়ে খ” কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। ক” আদালতকে বিস্বাস করতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ’ এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. ক” এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ করতে চাইলে, তাকে অবশ্যই তা প্রমাণ করতে হবে। যেহেতু ক” আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ” এর নিকট স্বীকার করেছিল, তাই এই নির্দিষ্ট স্বীকৃতির বিষয়টি ক- কে প্রমাণ করতে হবে।
৬৩.
A একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গেছে তা প্রমাণ করার দায়ভার-
  1. আদালতের
  2. যে ব্যক্তি হারিয়েছে তার
  3. রেজিস্ট্রাট অফিসারের
  4. A এর উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে যখন মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে[ধারা ৬৫ (গ)]। অর্থাৎ আদালত দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে যদি মূল দলিলটি বিনষ্ট বা হারিয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হল দলিলটি যে বিনষ্ট বা হারিয়ে গেছে তা প্রমানের দায়িত্ব কার। ১০৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে চায়, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে।
৬৪.
A দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের করার দায়ে অপরাধী। মামলাটি যে ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত পরিস্থিতির অধীনে পড়ে , তা প্রমাণ করার দায়িত্ব _____।
  1. A এর উপর বর্তায়
  2. আদালতের উপর বর্তায়
  3. সরকারের উপর বর্তায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
ব্যাখ্যা
♦উত্তেজনা দিয়ে স্বেচ্ছামূলকভাবে মারাত্মক জখম করা ৩৩৫ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩৩৫ ধারার বিধান ৩২৫ এর অধীন স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। এটা প্রযোজ্য হবে না তা প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তায়।
৬৫.
A হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। সে দাবি করে, গুরুতর এবং মারাত্মক উস্কানির কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে, সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. A এর উপর
  2. রাষ্ট্রের
  3. A এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে। তাই A কে প্রমাণ করতে হবে যে, সে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল।
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে?
  1. জীবিত অনুমান
  2. মৃত্যু অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
সঠিক উত্তর:
জীবিত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবিত অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে জীবিত অনুমান করতে বাধ্য যদি সে বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ছিল বলে জানা যায়। যদি এমন ব্যক্তিকে কেউ মৃত বলে দাবী করে তবে তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায় আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের অনুমান করতে পারে
  1. জীবিত এর অনুমান
  2. মৃত অনুমান
  3. বৈধতার অনুমান
  4. সম্পর্কের অনুমান
সঠিক উত্তর:
মৃত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
৬৮.
দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি না প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত হয়, তবে তা বিশ্বাসের অযোগ্য। সাক্ষ্য আইনের______ ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ১১৪(ক)
  2. ১১৪(খ)
  3. ১১৪(গ)
  4. ১১৪(১)
সঠিক উত্তর:
১১৪(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪(খ)
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৪খ ধারায় বলা হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদিসহ সমর্থিত না হইলে দুস্কর্মের সহচর বিশ্বসের অযোগ্য। মনে করেন ৫ জন ব্যক্তি মিলে ডাকাতি করেছে। এই ক্ষেত্রে প্রত্যেকে উক্ত দুষ্কর্মের (ডাকাতির) সহযোগী এবং যখন কোন একজন দুষ্কর্মের সহযোগী কোন তথ্য দিবে সেটাকে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে এবং যদি না হয় তাহলে তা বিশ্বাসের অযোগ্য বলে গণ্য হবে। 
♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১১৪খ ধারা মতে দুষ্কর্মের সহযোগীর বিবৃতি যদি না প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সহ সমর্থিত হয়, তবে তা বিশ্বাসের অযোগ্য।
৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় নিম্মলিখিত কে যোগ্য সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে
  1. শিশু
  2. অভিযুক্ত
  3. পাগল বা মানসিক রোগী [Lunatic]
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী শিশু বা পাগল বা মানসিক রোগী সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য। কোন মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে যদি সে এমন কোনো মানসিক অবস্থায় থাকে যখন সে তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তি সংগত উত্তর দিতে সক্ষম, সেই ক্ষেত্রে উক্ত মানসিক রোগী যোগ্য সাক্ষী হবে। ♦অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় আত্মসমর্থনে যোগ্য সাক্ষী।
৭০.
বোবা সাক্ষী [Dumb Witness] লিখে বা ইশারায় যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা_________সাক্ষ্য নামে পরিচিত?
  1. বোবা সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. লিখিত সাক্ষ্য
  4. দালিলিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা মতে বোবা সাক্ষী লেখা বা ইশারায় দ্বারা সাক্ষী দিতে পারে এবং এমন লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে হতে হবে। বোবা সাক্ষী এইরূপ ভাবে যে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। 
৭১.
তামাদি আইনের ২(১) ধারায় মোকদ্দমা [Suit] বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
  1. আপীল
  2. আবেদন
  3. জারির আবেদন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২(১০) ধারা অনুযায়ী মামলা বলতে আপীল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না ( “suit” does not include an appeal or application).  এই আইনে মামলা বলতে মূল মামলাকে বোঝানো হয়েছে যা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করা হয়। 
♦এখানে আপীল; আবেদন; জারির আবেদন কোনটাই আরজি দাখিলের মাধ্যমে শুরু হয় না বা মূল মোকদ্দমা না।
৭২.
ফৌজদারী মামলা শুরুর ক্ষেত্রে তামাদি প্রযোজ্য নয়, এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. চার্জশীট
  3. চার্জ গঠন
  4. ফৌজদারী আপীল দায়ের
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী আপীল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী আপীল দায়ের
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু তামাদি আইন ফৌজদারী মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না এবং যেহেতু এজাহার দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারী মূল মামলা দায়ের করা হয়, তাই এজাহার, এফআইআর বা অভিযোগ (সিআর)এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়। চার্জ গঠন বা চার্জশীট দায়েরে কোন নির্ধারিত সময় নেই।
♦কিন্তু ফৌজদারী মামলার আপীল বা রিভিশন এর ক্ষেত্রে তামাদির বিধান প্রযোজ্য। যেমন কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে তামাদি আইনএর ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সে ৭ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে।
৭৩.
ক” দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬মাস। ক” ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে।বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন ধরনের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদী শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
৭৪.
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি বিবেচনায় নিবে
  1. শুধুমাত্র বিলম্ব কতটা দীর্ঘ
  2. বিলম্বের কারণের ব্যাখ্যা এবং বিলম্বের পরিধি
  3. বিলম্বের ব্যপ্তি কোন বিষয় না বরং বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের ব্যপ্তি কোন বিষয় না বরং বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের ব্যপ্তি কোন বিষয় না বরং বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
♦তামাদি সময়সীমা কত দিনের বিলম্ব তা মূল বিবেচ্য বিষয় না বরং প্রতিটি দিনের বিলম্বের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা গুরুত্বপূর্ণ।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মৌকুফ বলে। বিলম্ব মৌকুফের ক্ষেত্রে দুইটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণঃ ১) পর্যাপ্ত কারণ ২) আদালতকে সন্তুষ্টি করণ।
৭৫.
ক” মামলার বাদী এবং খ” মামলার বিবাদী। ক” খ” এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী খ” উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. ক” কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু খ” মামলার বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা খ” এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে ক”-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
♦তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা শুধুমাত্র বাদী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭৬.
ক” নাবালক থাকাকালে একটি নৌকার ভাড়া আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার লাভ করে। ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হবে-
  1. নাবালক থাকা অবস্থা থেকে
  2. ক সাবালক হওয়ার পর থেকে
  3. ক এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে। ক সাবালক হওয়ার তারিখ থেকে আইনে উল্লেখিত সময় (এই ক্ষেত্রে তিন বৎসরের) মধ্যে যে কোন সময় সে উক্ত মামলা দায়ের করতে পারবে।
৭৭.
ক” নাবালক থাকাকালে উইলবলে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বা মিরাস[Legacy] আদায়ের জন্য মামলা করার অধিকার অর্জন করে। এর ১১ বৎসর পর ক” সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক” মামলা দায়ের করার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। প্রকৃতপক্ষে ক” সর্বোচ্চ কত বছর এর মধ্যে মামলা করলে মামলা খারিজ হবে না?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৪ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃতের সম্পত্তির জন্য অথবা উইল করা সম্পত্তির অবশিষ্টাংশের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হলো ১২ বৎসর। এই প্রশ্নে ক আইনগতভাবে অপারগ বা নাবালক ছিল ১১ বৎসর। সুতরাং তার মামলা করার অবশিষ্ট মেয়াদ ছিল ১ বৎসর। যেহেতু অবশিষ্ট মেয়াদ ৩ বৎসরের কম আছে, তাই ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপরাগতার সুবিধা দাবী করা যেতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে আদালত ৮ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত ২ বৎসর সময় বাড়ায়ে ৩ বৎসর করতে পারে। অর্থাৎ ক সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে পারবে।
৭৮.
সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য___________বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
  1. বিবাদী
  2. বাদী
  3. আপীলকারী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী বাদীর যখন মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয় উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে যে সময়ের জন্য বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করে, মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা করার ক্ষেত্রে উক্ত সময় বাদ যাবে।
৭৯.
ক” একটি আপীল এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করলো। এখতিয়ার না থাকায় আদালত আপীলটি সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দিলো। ইতোমধ্যে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছ। এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  2. আদালত তামাদির মেয়াদ গণনার সময় ব্যয়িত সময় বাদ দিবে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦আপীলের ক্ষেত্রে ১৪ ধারার আবেদন গ্রহণযোগ্য না, কিন্তু ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করা যায় এবং এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়ের যথেষ্ট কারণ হিসাবে প্রমাণ করা যেতে পারে শর্ত হলো উক্ত পক্ষ সৎ উদ্দেশ্যে উক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
৮০.
ক” একটি জমির উপরিভাগের এবং খ” ভূ-গর্ভের মালিক। খ” উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভু-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে ক” কর্তৃক খ” এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  3. ক” যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৪ ধারায় এই বিধানের কথা বলা আছে; যে কাজের দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভব হয় না, সে রকম ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যেহেতু তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে, কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে ক্ষতি হওয়ায় জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ার তারিখ থেকে তামাদি গণনা শুরু হবে।
৮১.
নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং________বছর অতিক্রম না হলে কোন ব্যক্তি আইনজীবী হতে অযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ২৭(৩) অনুযায়ী  কোন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবে যদি নৈতিক স্থলনজনিত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং দণ্ডিত হওয়ার তারিখ হতে ৫ বছর বা সরকার কতৃক অফিশিয়াল গেজেটে নোটিফিকেশন দ্বারা সরকার যেমন কম মেয়াদ উল্লেখ করে এমন সময় অতিবাহিত না হলে।
৮২.
যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী
  1. ১ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  2. অসদাচরণের জন্য দোষী হবে
  3. ২ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৬০(৩) অনুযায়ী কোন প্রার্থী তার তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছেকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে  ৫ বছরের জন্য অ্যাডভোকেট হিসেবে নিবন্ধিত হবার অযোগ্য হবে।
♦অর্থাৎ যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী ৫ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে।
৮৩.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. হাইকোর্ট বিচারক
  2. আপীল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
৮৪.
কোন আইনজীবীর অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলে বার কাউন্সিল অভিযোগটি সংক্ষিপ্ত আকারে প্রত্যাখ্যান করতে পারে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders,1972 এর _________ অনুচ্ছেদের অধীন?
  1. ৩২(২)
  2. ৩৪(২)
  3. ৩৩
  4. ৩৬(১)
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(২)
ব্যাখ্যা
♦ক) বার কাউন্সিলের নিকট কোন আদালত বা ব্যক্তি কোন অ্যাডভোকেটের অসদাচরণের অভিযোগ দিলে, ৩২(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
♦খ) বার কাউন্সিল এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান না করে, ৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের নিকট নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারে [অনু ৩২(২)] । 
♦গ) বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে, কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে ট্রাইব্যুনালে পাঠাতে পারে [৩২(২)]।
৮৫.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো
  1. অ্যাটর্নী জেনারেল
  2. সচিব
  3. ভাইস- চেয়ারম্যান
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।