পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
১) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা : রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা : আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ৩) বাংলাদেশের ইতিহাসঃ প্রাচীন যুগঃ প্রাচীন বাংলার জনপদ, বিভিন্ন রাজ্য ও রাজবংশ। মধ্যযুগঃ মুসলমান শাসন (দিল্লী সালতানাত, মুঘল আমল, সুলতানি আমল, নবাবী আমল ইত্যাদি)। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাইটের সাধারণ তথ্যাবলী। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
কোন চীনা পরিব্রাজক শীলভদ্রের নিকট দীক্ষাগ্রহণ করেন?
  1. ক) ফা হিয়েন
  2. খ) মা হুয়ান
  3. গ) হিউয়েন সাঙ
  4. ঘ) ইৎ সিঙ
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাঙ
ব্যাখ্যা
- হিউয়েন সাঙ একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। তিনি ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- ভারতে তিনি প্রায় পনের বছর অতিবাহিত করেন। এর অনেকটা সময় তিনি বিহারে অবস্থিত প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারে অতিবাহিত করেন।
- তখন নালন্দা বিহারের অধ্যক্ষ ছিলেন বাঙালি বৌদ্ধ পন্ডিত শীলভদ্র। হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে হিউয়েন সাঙ চীনে ফিরে যান।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
উয়ারি-বটেশ্বর নগর সভ্যতা কত বছর পূর্বের?
  1. ক) এক হাজার বছর
  2. খ) দেড় হাজার বছর
  3. গ) আড়াই হাজার বছর
  4. ঘ) তিন হাজার বছর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়াই হাজার বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়াই হাজার বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী হলো উয়ারি-বটেশ্বর। আনুমানিক প্রায় আড়াইহাজার বছর আগে নরসিংদী জেলার উয়ারি-বটেশ্বরে নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- এটি দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতার অন্তর্গত। উয়ারি-বটেশ্বর ছিলো একটি নদীবন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
.
শশাঙ্ক কত খ্রিস্টাব্দে মারা যান?
  1. ক) ৬১৩ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ৬২২ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ৬২৯ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
- তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত তিনি গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
চাঁদ রায় ও কেদার রায় কোন অঞ্চলের জমিদার ছিলেন?
  1. ক) সোনারগাঁও
  2. খ) ভাওয়াল
  3. গ) বিক্রমপুর
  4. ঘ) ভুলুয়া
সঠিক উত্তর:
গ) বিক্রমপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিক্রমপুর
ব্যাখ্যা

মধ্যযুগে ষোল শতকের মাঝামাঝি থেকে সতের শতকের মধ্য সময় পর্যন্ত পূর্ব বাংলার যেসব জমিদার মুঘলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে সচেষ্ট ছিলেন তারা ‘বারোভূঁইয়া’ নামে পরিচিত।
বারোভূঁইয়া ও তাদের জমিদারি এলাকা:
- ঈসা খান ও মুসা খান : সোনারগাঁও
- চাঁদ রায় ও কেদার রায় : বিক্রমপুর (মুন্সিগঞ্জ)
- বাহাদুর গাজি : ভাওয়াল
- সোনাগাজি : সরাইল (উত্তর ত্রিপুরা)
- ওসমান খান : বোকাইনগর (সিলেট)
- বীর হামির বিষ্ণুপুর (বাকুড়া)
- লক্ষণ মানিক্য : ভুলুয়া (নোয়াখালী)
- পরমানন্দ রায় : চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল)
- বিনোদ রায়/মধু রায় : চান্দপ্রতাপ (মানিকগঞ্জ)
- মুকুন্দরা/সত্রজিৎ : ভূষণা (ফরিদপুর)
- রাজা কন্দর্পনারায়ণ/রামচন্দ্র : বরিশাল জেলার অংশবিশেষ।
- ১৬১১ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান বারোভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলা মুঘল অধিকারে আনেন।


(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

.
কাদেরকে 'বর্গী' নামে অভিহিত করা হতো?
  1. ক) মারাঠা সৈন্য
  2. খ) পর্তুগিজ জলদস্যু
  3. গ) আরাকানি জলদস্যু
  4. ঘ) ডেনিশ অধিবাসীদের
সঠিক উত্তর:
ক) মারাঠা সৈন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মারাঠা সৈন্য
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ ভারতের মারাঠারা বাংলায় ‘বর্গী’ নামে পরিচিত ছিলো।
- মারাঠা সৈন্যবাহিনীর সর্বনিম্ন পদধারী সৈনিকরা ‘বরগি’ নামে পরিচিত ছিলো। এই বরগি থেকেই বর্গী নামের উদ্ভব।
- আঠারো শতকে বাংলায় বর্গীরা ব্যাপক লুটতরাজ চালায়।
অন্যদিকে,
- পর্তুগিজ জলদস্যু : ফিরিঙ্গি
- আরাকানের জলদস্যু : মগ
- ডেনমার্কের অধিবাসীরা : দিনেমার।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম কার নিকট পরাজিত হন?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) কর্নেল স্টুয়ার্ট
  3. গ) আর্থার ওয়েলেসলি
  4. ঘ) মেজন মনরো
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজন মনরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজন মনরো
ব্যাখ্যা
- ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- বক্সারের যুদ্ধে ঈংরেজদের নেতৃত্ব দেন মেজর মনরো।
- এই যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়। অন্যদিকে, ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
লালবাগ কেল্লা কোন শতক নির্মিত হয়?
  1. ক) ষোড়শ শতক
  2. খ) সতের শতক
  3. গ) আঠারো শতক
  4. ঘ) উনিশ শতক
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সতের শতক
ব্যাখ্যা
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
(তথ্যসূত্রঃ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
.
বাংলার স্বাধীন সুলতানী যুগের অবসান হয় কবে?
  1. ক) ১৪৯২ সালে
  2. খ) ১৫২৬ সালে
  3. গ) ১৫৩৮ সালে
  4. ঘ) ১৫৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার অবসান ঘটে।
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
- গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহী বংশের শেষ সুলতান।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজবংশ ছিলো কোনটি?
  1. ক) খড়গ বংশ
  2. খ) দেব বংশ
  3. গ) চন্দ্র বংশ
  4. ঘ) বর্ম বংশ
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্র বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্র বংশ
ব্যাখ্যা
- সপ্তম থেকে এগারো শতক সময়ের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা একাধিক স্বাধীন রাজবংশের অধীনে ছিলো।
এ সময়ের রাজবংশসমূহ হলো:
- খড়গ বংশশ (সপ্তম শতক)
- দেব বংশ (অষ্টম শতক)
- কান্তিদেব বংশ (নবম শতক)
- চন্দ্র বংশ (দশম শতক)
- বর্ম বংশ (এগারো শতক)।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী রাজবংশ ছিলো চন্দ্র বংশ। দশম শতকের শুরু থেকে এগারো শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় দেড়শ বছর চন্দ্র বংশের রাজত্ব বিদ্যমান ছিলো।
- চন্দ্র বংশের প্রথম স্বাধীন নৃপতি ত্রৈলোক্যচন্দ্র। শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলো শ্রীচন্দ্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে কবে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮০
  2. খ) ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১
  3. গ) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২
  4. ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
- জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
১১.
ঐতিহাসিক কাগমারি সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) সিরাজগঞ্জ
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
- কাগমারি সম্মেলন হলো ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের চতুর্থ কাউন্সিল ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে দলটির বাম ও ডানপন্থী সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এর ফলে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী ‍লীগের বামপন্থী সদস্যরা ১৯৫৭ সালের ১৮ মার্চ দল থেকে বেড়িয়ে যায়।
- পরবর্তীতে, ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২.
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না কে?
  1. ক) নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  2. খ) সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান
  3. গ) নবাব ভিকার-উল ‍মুলক
  4. ঘ) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে’ ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান, সৈয়দ আমির আলী প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতি ছিলেন।
- ‍মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না। তিনি ১৯১৩ সালে মুসলিম ‍লীগে যোগ দেন।
- তবে ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি থেকে জিন্নাহর নেতৃত্বেই ‍মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। জিন্নাহ প্রদত্ত দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা, পূর্ববঙ্গ ও পাকিস্তানে এর রাজনীতি সম্পর্কে মো. হারুন অর রশীদের লেখা বিখ্যাত বই - The Foreshadowing of Bangladesh: Bengal Muslim League and Muslim Politics.

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও The Foreshadowing of Bangladesh বই।)
১৩.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ জুন ১৯৪৭
  2. খ) ২৩ জুন ১৯৪৮
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৩ জুলাই ১৯৪৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটিতে,
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫৩ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪.
আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে বঙ্গবন্ধু কবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন?
  1. ক) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  2. খ) ৩১ মার্চ ১৯৬৯
  3. গ) ০৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭০
  4. ঘ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭০
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহিত এবং একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫.
আওয়ামী লীগের কততম কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ক) পঞ্চম কাউন্সিল
  2. খ) ষষ্ঠ কাউন্সিল
  3. গ) সপ্তম কাউন্সিল
  4. ঘ) নবম কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
খ) ষষ্ঠ কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষষ্ঠ কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এর আগে ১৯৫৩ সালের ৫ জুলাই দ্বিতীয় কাউন্সিলে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১৬.
আতাউর রহমান খান নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু কোন দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) কৃষি ও সমবায়
  2. খ) সিভিল সাপ্লাই
  3. গ) শিল্প ও বাণিজ্য
  4. ঘ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প ও বাণিজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প ও বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ এই মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- কিন্তু ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় কাজে মনোনিবেশের জন্যে স্বেচ্ছায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)