পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন [১০ম - ৫০তম বিসিএস]

পরীক্ষাPSCতারিখ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪সময়45 minutes৯৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৩৯তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান [জেনারেল পার্ট]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন [১০ম - ৫০তম বিসিএস]

PSC · ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
কোন উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত?
  1. উপনেতা
  2. উপভোগ
  3. উপগ্রহ
  4. উপসাগর
ব্যাখ্যা
• উপসাগর, উপগ্রহ এবং উপনেতা শব্দে ক্ষুদ্র অর্থে “উপ” তৎসম উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• অন্যদিকে উপভোগ শব্দে “উপ” তৎসম উপসর্গটি “বিশেষ” অর্থ প্রকাশ করে।

----------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে-
  1. বৈকুণ্ঠের খাতা
  2. জামাই বারিক
  3. বিবাহ-বিভ্রাট
  4. হিতে বিপরীত
ব্যাখ্যা
• 'বৈকুণ্ঠের খাতা':
- 'বৈকুণ্ঠের খাতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় একটি কৌতুক নাটক।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এক আত্মভােলা সরল প্রকৃতির বৃদ্ধ এই কাহিনির কেন্দ্র। তাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে নানা ধরনের কৌতুকময় ঘটনা।
- সংলাপের দ্যুতি এবং আচরণের নাটকীয়তা নাটকটির জনপ্রিয়তার মূলে।
- নাটকটির কোনাে কোনাে চরিত্রে লেখকের আত্মীয়-বন্ধুর চরিত্রের ছায়াপাত ঘটেছে।

অন্যদিকে,
• ‘জামাই বারিক’ দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।
• ‘বিবাহ-বিভ্রাট’ নওরীন জাহান রচিত গ্রন্থ।
• সুকুমার রায়ের কবিতা ‘হিতে বিপরীত’।

----------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত কিছু নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- চণ্ডালিকা,
- নটীর পূজা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ হচ্ছে-
  1. গাজী মিঁয়ার বস্তানী
  2. আলালের ঘরের দুলাল
  3. হুতোম প্যাঁচার নকশা
  4. কলিকাতা কমলালয়
ব্যাখ্যা
• 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী':
- 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- লেখক ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অনাচার, সামাজিক দুর্নীতি এবং সেই সমাজভুক্ত
মানুষগুলাের নৈতিক অধঃপতন, মনুষ্যত্ব ও হৃদয়হীন আচরণ তুলে ধরেছেন এ গ্রন্থে।
- লেখক নিজেকে ‘ভেড়াকান্ত' নামে উল্লেখ করেছেন।
- তাছাড়া আলকাতরা সান্যাল, কটা পেস্কার, জয়ঢাক, ছিড়িয়া খাতুন, অরাজকপুর, নচ্ছারপুর, জমদ্বারগ্রাম ইত্যাদি নামচয়নের মধ্যেও লেখকের ব্যঙ্গের তীব্রতা লক্ষ করা যায়।

অন্যদিকে,
• প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ আলালের ঘরের দুলাল।
• 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' গ্রন্থটির রচয়িতা কালীপ্রসন্ন সিংহ।
• 'কলিকাতা কমলালয়' গ্রন্থের রচয়িতা ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

---------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বেদান্তগ্রন্থ' ও 'বেদান্তসার' কার রচনা?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. গোলকনাথ শর্মা
  3. রামরাম বসু
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা
• ‘বেদান্তগ্রন্থ’ ও 'বেদান্তসার' গ্রন্থদ্বয় রচনা করেন রাজা রামমোহন রায়।

• রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে ।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় শিব প্রসাদ রায় ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন।
- তিনি প্রায় ৩০ টি গ্রন্থ রচনা করেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি' কার রচনা?
  1. আমজাদ হোসেন
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. শওকত ওসমান
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
• ‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

--------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'খনার বচন' -এর মূলভাব কী?
  1. লৌকিক প্রণয়সঙ্গীত
  2. শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
  3. সামাজিক মঙ্গলবোধ
  4. রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি
ব্যাখ্যা
• খনার বচন এর মূলভাব- শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।

• খনার বচন:
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'দুরবস্থা' শব্দটি সন্ধি বিচ্ছেদ করা হলে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?
  1. দুঃ + অবস্থা
  2. দুর + বস্থা
  3. দূর + বস্থা
  4. দূর + অবস্থা
ব্যাখ্যা
• বিসর্গ সন্ধি:
- বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র্ ও স্-এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
- বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়। যথা:
১. বিসর্গ + স্বর এবং
২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।

• পূর্বপদের শেষে যদি অ/আা ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র-জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ র্‌ হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন-
• নিয়ম: ইঃ + অ = ই + র্‌:
- নিঃ + অন্ন = নিরন্ন।
- বহিঃ + অঙ্গ = বহিরঙ্গ।

• নিয়ম: ইঃ + আ = ই + রা:
- নিঃ + আকার = নিরাকার।
- নিঃ + আশা = নিরাশা।

• নিয়ম: উঃ + অ = উ + র:
- দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা।
- চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ।

• নিয়ম: উঃ + আ = উ + রা:
- দুঃ + আত্মা = দুরাত্মা।
- দুঃ + আশা = দুরাশা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি যৌগিক কালের উদাহরণ নয়?
  1. করছিলাম
  2. করেছি
  3. করছি
  4. করব
ব্যাখ্যা
• যৌগিক কালের উদাহরণ নয়- করব।

• যৌগিক কাল:

- ক্রিয়ার যে কালরূপ একাধিক ধাতুর দ্বারা গঠিত, তাকে যৌগিক কাল বলে।
- যৌগিক কালের ক্রিয়া গঠনের জন‍্য মূল ধাতুর সাথে 'ইয়া' বা 'ইতে' প্রত‍্যয় যোগ করার পর '√আছ্', '√থাক্' প্রভৃতি ধাতুকে সহায়ক হিসেবে ব‍্যবহার করতে হয়।
- বাংলায় ঘটমান ও পুরাঘটিত কালগুলো যৌগিক কাল হিসেবে গণ‍্য হয়।
- সুতরাং পুরাঘটিত বর্তমান, ঘটমান বর্তমান, পুরাঘটিত অতীত, ঘটমান অতীত, পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ, ঘটমান ভবিষ্যৎ কালগুলো যৌগিক কাল।

 অপশনে প্রদত্ত,
- করছিলাম ও করছি - ঘটমান কাল নির্দেশ করে।
- করেছি - পুরাঘটিত কাল নির্দেশ করে।
সুতরাং, এগুলো যৌগিক কালের উদাহরণ।

- করব সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ। অর্থাৎ এটি সরল কালের উদাহরণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ); মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতম কবি' বলে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
• 'বুদ্ধদেব বসু'- কবি জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতম' কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলেছেন।
- জীবনানন্দ দাশকে তিমির হননের কবি, রূপসী বাংলার কবি, শুদ্ধতম কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়।

---------------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ- “কবিতার কথা”।
- ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: “সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি”।
- “বনলতা সেন” তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- “বনলতা সেন” কবিতার উপর আডগার এলেন পো এর প্রভাব রয়েছে।
- জীবনানন্দের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় “রূপসী বাংলা” এবং “বেলা অবেলা কালবেলা” নামক কাব্য।

জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ -
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- ঝরা পালক,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
'তাম্বূলিক' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
  1. তামসিক
  2. বারুই
  3. পান-ব্যবসায়ী
  4. পর্ণকার
ব্যাখ্যা
• ‘তাম্বূলিক’ শব্দের সমার্থক নয় - তামসিক।
• 'তামসিক' শব্দের অর্থ - ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন।

অন্যদিকে,
• 'তাম্বূলিক' শব্দের অর্থ - পান ব্যবসায়ী।
• 'বারুই' শব্দের অর্থ - যারা পান উৎপাদন করে এবং বিক্রয় করে।
• 'পর্ণকার' অর্থ - পান বিক্রেতা বা পান ব্যবসায়ী।

• অর্থাৎ, 'তাম্বূলিক' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো - পান ব্যবসায়ী, বারুই ও পর্ণকার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?
  1. বক্র
  2. গরল
  3. কুটিল
  4. জটিল
ব্যাখ্যা
• 'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক নয় - গরল।

• 'সরল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বক্র/কুটিল/জটিল।

অন্যদিকে,
- 'অমৃত' এর বিপরীতার্থক শব্দ = 'গরল'।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
- হর্ষ - বিষাদ,
- সচেষ্ট - নিশ্চেষ্ট,
- শাসক - শাসিত,
- অচলায়তন - সচলায়তন,
- উগ্র - সৌম্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. পদ্মমণি
  2. পদ্মাবতী
  3. পদ্মগোখরা
  4. পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা
• 'পদ্মরাগ' উপন্যাস:
• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস 'পদ্মরাগ'। এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
• ‘পদ্মরাগ’ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় রোকেয়ার জ্যেষ্ঠভ্রাতা আবুল আসাদ ইব্রাহিমকে।

• তবে একে উপন্যাস না বলে উপন্যাসপম গদ্য-আখ্যায়িকা বলাই ভালো। কেননা উপন্যাসের গাঁথুনি এখানে নেই, শিল্প হিসেবেও অসফল। তবে ‘পদ্মরাগে’র মূল্য অন্যত্র। প্রথমত কোনো মুসলিম নারীর রচনা; দ্বিতীয়ত মুসলিম সমাজের অন্তঃস্থিত ক্লেদকে এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যা কোনো হিন্দু লেখকের পক্ষে সম্ভব ছিল না ; তৃতীয়ত অসাম্প্রদায়িকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আছে এ জন্যে।

উল্লেখ্য,
• ‘পদ্মাবতী’ নামে মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি কাব্য রয়েছে এবং মাইকেল মধুসূধন দত্ত এই নামে একটি নাটক রচনা করেছেন।
• 'পদ্মগোখরা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গল্প। গল্পটি 'শিউলিমালা' গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত।
• ‘পদ্মমণি' কবি উত্তম দাশ রচিত একটি কবিতা।

-------------------------
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে
বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর,
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, প্রভৃতি)।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
বিভক্তিহীন নাম-শব্দকে কী বলে?
  1. প্রাতিপাদিক
  2. নাম-পদ
  3. মৌলিক শব্দ
  4. কৃদন্ত শব্দ
ব্যাখ্যা
• প্রাতিপদিক:
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে প্রাতিপদিক।
যেমন:
- লাজ, বড়, ঘর এ শব্দগুলোর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি সুতরাং এগুলো প্রাতিপদিক।

- প্রাতিপদিক তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি বলে প্রাতিপদিককে নাম-প্রকৃতিও বলা হয়। ধাতু যেমন কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি, তেমনি প্রাতিপদিকও তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি। প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া এবং প্রাতিপদিককে বলা হয় নাম-প্রকৃতি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৪.
'তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!' -বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অনন্বয়ী অব্যয়
  2. অনুকার অব্যয়
  3. পদান্বয়ী অব্যয়
  4. অনুসর্গ অব্যয়
ব্যাখ্যা

• অনন্বয়ী অব্যয়:
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনাে অন্বয় বা সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে তাদেরকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
- অনন্বয়ী অব্যয় বক্তার আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিষাদ প্রভৃতি মনােভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
যেমন: মরি মরি, উঃ, বটে, ছিঃ প্রভৃতি।

• বাক্যে ব্যবহার: 'মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!' - এখানে 'মরি মরি' অনন্বয়ী অব্যয়।

• প্রশ্নে আলোচিত বাক্য- 'তুমি তাে ভারি সুন্দর ছবি আঁক!’
- বাক্যটিতে 'তো' অব্যয়টি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্বন্ধ না রেখে একটি বিশেষ ভাব (এখানে প্রশংসা বা জোর) প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
কোনটি অপাদান কারক?
  1. গৃহহীনে গৃহ দাও
  2. জিজ্ঞাসিব জনে জনে
  3. ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে
  4. বনে বাঘ আছে
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কোনো কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক।
যেমন:
- ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে।
[বাক্যে 'স্টেশন' থেকে রেলগাড়িটি বিচ্যুত হয়েছে। এবং এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি। তাই 'স্টেশন' শব্দটি অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি।]

অন্যদিকে,
• ‘জিজ্ঞাসিব জনে জনে’ প্রশ্নে ‘জনে জনে’ কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি।
গৃহহীনে গৃহ দাও - সম্প্রদানে সপ্তমী বিভক্তি৷
• ‘বনে বাঘ আছে।’-এখানে ক্রিয়াকে ‘কোথায় আছে?' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় বনে। তাই ‘বন’ শব্দটি এ বিভক্তিযোগে অধিকরণ কারকে সপ্তম বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
'বাঁধন হারা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
  1. ভ্রমণ কাহিনী
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. কবিতা
ব্যাখ্যা
• ‘বাঁধন-হারা' উপন্যাস:
- এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। এতে মোট ১৮টি পত্র রয়েছে।
- কাজী নজরুল ইসলাম করাচীতে অবস্থানকালে ‘বাধন-হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন।
- এটি ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নায়ক নুরুল হুদা।

• অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে-
- রবিউল,
- রাবেয়া,
- সােফিয়া,
- মাহবুবা প্রমুখ।

-----------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
  1. অজানা
  2. দোতলা
  3. আশীবিষ
  4. কানাকানি
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত।

• ব্যতিহার বহুব্রীহি:
পারস্পরিক ক্রিয়ায় কোনাে অবস্থা তৈরি হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
যেমন:
• হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি।
• কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
• গলায় গলায় যে মিলন = গলাগলি।
• লাঠিতে লাঠিতে যে সংঘর্ষ = লাঠালাঠি।
• হাসতে হাসতে যে ক্রিয়া = হাসাহাসি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
'আগুন' -এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ভাতি
  2. অনল
  3. অংশ
  4. জ্যোতি
ব্যাখ্যা
• 'আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
অগ্নি, অনল, বহ্নি, হুতাশন, পাবক, বৈশ্বানর, দহন, সর্বভুক, শিখা, হোমাগ্নি, কৃশানু, সর্বশুচি, সপ্তাংশু, বিভাবসু।

অন্যদকে,
• 'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
প্রভা, আলো, বিভা, দীপ্তি, কর, অংশু, রশ্মি, জ্যোতি, আলোক,, ময়ূখ, ভাতি, রেশন, রশ্মী, কিরণ, নুর, উদ্ভাস, ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
কোন শব্দটি উপসর্গ দিয়ে গঠিত হয়েছে?
  1. আনন
  2. আষাঢ়
  3. আঘাটা
  4. আয়না
ব্যাখ্যা
• খাঁটি বাংলা ‘আ’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- আঘাটা।
- এখানে ঘাটা (ঘাট; নৌকাদি ভিড়বার জায়গা) বাংলা শব্দের পূর্বে 'আ' উপসর্গযোগে আঘাটা (অব্যবহার্য ঘাট; ব্যবহারের অযোগ্য ঘাট) শব্দটি গঠিত হয়েছে।

• অপশনের অন্য শব্দগুলো 'আ' উপসর্গযোগে গঠিত হয় নি।

---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

•বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
'Hand out' -এর শুদ্ধ বাংলা পরিভাষা হচ্ছে-
  1. হস্তপত্র
  2. জ্ঞাপনপত্র
  3. তথ্যপত্র
  4. প্রচারপত্র
ব্যাখ্যা
• 'Hand out' এর বাংলা পরিভাষা - জ্ঞাপন পত্র।

আরো কিছু পারিভাষিক শব্দের অর্থ:
• ‘Hand-bill’ অর্থ - প্রচারপত্র।
• ‘Hand-book’ অর্থ - তথ্যপুস্তিকা।
• ‘Handicraft’ অর্থ - হস্তশিল্প।
• ‘Mortgage’ অর্থ - বন্ধক।
• ‘Deposit’ অর্থ - আমানত।
• ’Lease' অর্থ - ইজারা।
• ‘Security’ অর্থ - জামানত।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা। 
২১.
সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?
  1. বিশেষ্য ও ক্রিয়া
  2. বিশেষণ ও ক্রিয়া
  3. বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
  4. ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে।

• সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:

- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

--------------------------
• প্রমিত বা চলিত রীতি:
• বিশ শতকের মাঝামাঝি নাগাদ চলিত রীতি সাধু রীতির জায়গা দখল করে। ক্রমে জীবনের সব ক্ষেত্রে সাধু রীতিকে সরিয়ে চলিত রীতি আদর্শ লেখ্য রতিতে পরিণত হয়। একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় ‘প্রমিত রীতি’। এটি ‘নাম রীতি’ নামেও পরিচিত।
• বর্তমান বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ, বিদ্যাচর্চা, সাংবাদিকতা ও যোগাযোগের ভাষা হিসাবে প্রমিত রীতির লেখ্য বাংলা ভাষার প্রধান রীতিতে পরিণত হয়েছে।

প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর।
- প্রমিত রীতিতে প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন: তৎসম ‘বৎসর’-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব ‘বছর’-ও লেখা যায়।
- প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২২.
A person who believes that laws and governments are not necessary is known as____________.
  1. a militant
  2. an anarchist
  3. a terrorist
  4. an extremist
ব্যাখ্যা
• A person who believes that laws and governments are not necessary is known as - an anarchist.
- "Anarchist" এমন একজন ব্যক্তি যিনি বিশ্বাস করেন যে সমাজে কোনো সরকার, আইন বা কর্তৃপক্ষ থাকা উচিত নয় এবং ব্যক্তিদের নিজস্ব ইচ্ছামতো চলার স্বাধীনতা থাকা উচিত।

• An anarchist [ noun]: 

English Meaning: A person who advocates or promotes anarchism or anarchy and believes that laws and governments are not necessary.
Bangla Meaning: নৈরাজ্যবাদী।
-------------------------
• Other options:
- an extremist - চরমপন্থী।
- a terrorist- সন্ত্রাসী।
-a militant- সন্ত্রাসী, জঙ্গি, উগ্রপন্থী। 

Source:
1. Accessible Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary,
3. Oxford Dictionary.
4. Longman Dictionary.
২৩.
He went to ____________ hospital because he had ___________ heart attack.
  1. no article, an
  2. a, an
  3. the, no article
  4. no article, a
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- School, college, market, bed, hospital, prison, mosque, temple, church, court of ইত্যাদি মূখ্য উদ্দেশ্যে (যেটা যেটার জন্য নির্মিত) ব্যবহৃত হলে কোন Article বসে না।
যেমন:
- I go to school.
- He went to market.
একই ভাবে - He went to hospital for treatment purposes.

•  কিন্তু স্থানগুলো অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে এদের আগে Article বসে।
যেমন:
- I went to the hospital to visit my uncle.

- সুতরাং, Article এর নিয়মানুযায়ী, তাই প্রথম শূন্যস্থানে No article হবে, কারণ সে অসুস্থ (মূখ্য উদ্দেশ্যে) তাই হাসপাতালে গিয়েছিলো 
- দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শব্দ (Heart attack) টি Consonant এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে Article a বসবে।

- তাই সঠিক উত্তর - no article, a
- Complete Sentence: He went to hospital because he had a heart attack.
২৪.
The word 'florid' indicates
  1. flour
  2. foliage
  3. floor
  4. flower
ব্যাখ্যা
• The word 'florid' indicates Flower.

Florid (Adjective)

English Meaning:  having a red or flushed complexion:  excessively intricate or elaborate: very flowery in style.
Bangla Meaning: অত্যধিক অলংকৃত; অলংকারবহুল; পুষ্পল; জমকালো; বর্ণাঢ্য:(মানুষের মুখমণ্ডল) স্বভাবত লাল; রক্তিমাভ।

• Flower - ফুল; কুসুম; পুষ্প; প্রসূন।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
- Flour - ময়দা
- Foliage - গাছের পত্রসম্ভার
- Floor - মেঝে।

Source:
1. Oxford Learner's  Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
Complete the following sentence: 'Had I known you were waiting outside, I___________.
  1. had invited you to come in
  2. would invite you to come in
  3. would be inviting you to come in
  4. would have invited you to come in
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর- would have invited you to come in.

• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী, 
- Had + sub + V3 এবং পরের অংশে sub + would have/could have/might have + V3 + extension.
- অর্থাৎ, Had + Subject + verb এর past participle form হলে এরপরের অংশে Subject + would/could/might + have + verb এর past participle form + ext হয়।
 
• তাই যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের প্রথম অংশে Had I known you were waiting outside আছে তাই তাই নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - would have invited you to come in.

• Complete sentence: Had I known you were waiting outside I would have invited you to come in.
- Bangla Meaning:  আমি যদি জানতাম যে আপনি বাইরে অপেক্ষা করছেন, আমি আপনাকে ভিতরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাতাম।
২৬.
Cricket is a kind of play. It is also a kind of _________.
  1. insect
  2. food
  3. bird
  4. flower
ব্যাখ্যা
• Cricket is a kind of play. It is also a kind of insect.

• Cricket (noun)

English Meaning: An open-air game played on a large grass field with ball, bats, and two wickets, between teams of eleven players, the object of the game being to score more runs than the opposition.
Bangla Meaning: ক্রিকেট খেলা।

• Cricket (noun)
English Meaning: An insect related to the grasshoppers but with shorter legs. The male produces a characteristic musical chirping sound.
Bangla Meaning: ঝিঁঝি পোকা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
২৭.
A soporific speech is likely to _______.
  1. be incomprehensible
  2. appeal primarily to emotions
  3. put one to sleep
  4. stimulate action
ব্যাখ্যা
• Soporific (adjective):
Meaning: Tending to induce drowsiness or sleep.
Bengali meaning: নিদ্রাকর।

• A soporific Speech is a speech that makes you drowsy is an example of something that would be described as a soporific presentation/speech.
- Soporific Speech হচ্ছে নিদ্রার উদ্রেক করে এমন বক্তৃতা, যা শ্রোতাকে ক্লান্ত ও চোখে ঘুমের উদ্রেক করে।
- সুতরাং, A soporific speech is likely to put one to sleep (কাউকে ঘুম পাড়ানো).

• অন্য অপশনগুলর মধ্যে -
ক) be incomprehensible - বোঝা কঠিন হওয়া / বোধগম্য না হওয়া।
খ) appeal primarily to emotions - প্রধানত আবেগকে আকর্ষণ করা।
ঘ) stimulate action - কর্মে উদ্দীপিত করা / কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করা।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
Select the word with right spelling-
  1. Schizophrenia
  2. Seizophrania
  3. Scizophrenia
  4. Schizophrania
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is - Schizophrenia. (অপশন 'ক')

• Schizophrenia (noun)
English meaning: a serious mental illness in which someone cannot understand what is real and what is imaginary.
Bangla Meaning: মানসিক রোগবিশেষ (কথ্য split personality) যাতে চিন্তা, অনুভূতি ও কাজের মধ্যে সম্বন্ধের অভাব লক্ষিত হয়; বিভক্ত ব্যক্তিতা; ভগ্নমনস্কতা।

Example sentence:
- He was diagnosed with paranoid schizophrenia.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
২৯.
Love for the whole world is called -
  1. philanthropy
  2. misogyny
  3. benevolence
  4. misanthropy
ব্যাখ্যা
• Love for the whole world is called - philanthropy.

Philanthropy (Noun)
English Meaning: The desire to promote the welfare of others, expressed especially by the generous donation of money to good causes.
Bangla Meaning: মানবপ্রেম; লোকহিতৈষণা; জনসেবা।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
• Misogny (Noun)
English Meaning: dislike of, contempt for, or ingrained prejudice against women.
Bangla Meaning: নারীবিদ্বেষ; স্ত্রীদ্বেষ।

• Benevolence (noun)
English meaning: the quality of being well meaning; kindness/ An inclination to do kind or charitable acts.
Bangla Meaning: হিতসাধনের ইচ্ছা বা সংকল্প।

Misanthropy (noun) [uncountable noun]
English meaning: A dislike of humankind.
Bangla Meaning: নরবিদ্বেষ; নৃবিদ্বেষ; মানববৈরভাব।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩০.
When we want to mean a government by the richest class we use the term__________.
  1. Oligarchy
  2. Plutocracy
  3. Cryptocracy
  4. Aristocracy
ব্যাখ্যা
• When we want to mean a government by the richest class we use the term Plutocracy.
• Plutocracy (noun):
English Meaning: A government by the richest people of a country.
Bengali meaning: ধনিকগোষ্ঠী; ধনিকতন্ত্র।

• অন্যদিকে,
• Olicracy (noun)
English Meaning: A small group of people having control of a country, organization, or institution.
Bengali meaning:সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ক্ষুদ্র এক গোষ্ঠীর শাসন; গোষ্ঠীশাসন; গোষ্ঠীশাসিত দেশ; এরূপ গোষ্ঠী।

• Cryptocracy (noun)
English Meaning: A form of government where the real leaders are hidden, or merely unknown.
Bangla Meaning: ছায়া সরকার ব্যবস্থা, যেখানে প্রকৃত শাসক আড়ালে থাকে।

• Aristocracy (noun)
Meaning: The highest class in certain societies, especially those holding hereditary titles or offices.
Bengali Meaning:অভিজাততন্ত্র।

Source: Oxford Dictionary & Accessible Dictionaryby Bangla Academy.
৩১.
Hospitals__________ the sick.
  1. operate
  2. treat
  3. admit
  4. nurse
ব্যাখ্যা
Hospital (Noun)
English Meaning: an institution providing medical and surgical treatment and nursing care for sick or injured people.
Bangla Meaning: আরোগ্যশালা; আরোগ্যনিকেতন; হাসপাতাল।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে -
ক) operate - চালানো; চালু থাকা; ক্রিয়াশীল থাকা বা হওয়া; পরিচালনা করা; অস্ত্রোপচার করা; অপারেশন করা।
খ) treat - চিকিৎসা করা।
গ) admit - সত্য বা বৈধ বলে গ্রহণ করা; প্রবেশ করতে দেওয়া; ভিতরে আসতে/ঢুকতে দেওয়া।
ঘ) nurse - শুশ্রূষা করা; সাধারণত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবক বা সেবিকা।

• সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে - treat.
- Complete sentence: Hospitals treat the sick. 
- হাসপাতালে রোগী (Sick) ভর্তি (admit) হয় চিকিৎসার (treat) জন্য।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩২.
The warning of the authority falls on deaf ears. Here warning does the function of -
  1. adverb
  2. adjective
  3. verb
  4. noun
ব্যাখ্যা
• The warning of the administration falls on deaf ears. Here warming does the function of - noun.
- বাক্যে শব্দটি মূলত verbal noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Verbal Noun:

- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

• নিয়মানুযায়ী, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে warming এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে, তাই এটি verbal noun হয়েছে।
৩৩.
The word 'culinary' is related to
  1. printing
  2. cooking
  3. dress
  4. musical instruments
ব্যাখ্যা
The word 'culinary' is related to - cooking.
Culinary (adjective):
English Meaning: Of or for cooking.
Bangla Meaning: রান্নাঘর অথবা রান্নাবান্নাসম্পর্কিত।

• Cooking (noun) 
English Meaning: The practice or skill of preparing food by combining, mixing, and heating ingredients.
Bangla Meaning: রন্ধন, রান্না।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Printing: 
English Meaning: The production of books, newspapers, or other printed material.
Bangla Meaning:মুদ্রণ।

• Dress: 
English Meaning: Put on one's clothes.
Bangla Meaning: পোশাক পরিধান করা বা করানো।

Musical instrument:
English Meaning: An object or device for producing musical sounds.
Bangla Meaning: বাদ্যযন্ত্র।

Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
Identify the correct passive form of the sentence below : 'Do you know them?'
  1. Are they known by you?
  2. Would they be known by you?
  3. Are they known with you?
  4. Are they known to you?
ব্যাখ্যা
• Auxiliary verb যুক্ত Interrogative sentence  কে passive করতে গেলে দুই ধাপে করতে হয়।
-  প্রথমেই  বাক্যটিকে Assertive এ রূপান্তরিত করে নিতে হয়।
- এরপর passive voice এর Assertive sentence টি কে Interrogative sentence এ পরিণত করতে হয়। 
- যেমন- Do you know them? এর Assertive হচ্ছে You know them. 
 
• Assertive sentence এর active voice কে passive করার নিয়ম - 
- Active voice এর object Passive voice এর  Subject হবে  + Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb  বসবে + মূল  verb এর  past participle form + Active voice এর  subject টি passive এ object হিসাবে বসে এবং তার পূর্বে  preposition by বসে 
• কিন্তু know এর সাথে by বসে না। Know +to  হয়। 
 
• সুতরাং নিয়মানুযায়ী - Do you know them?
- বাক্যটির passive হচ্ছে  Are they known to you?
৩৫.
'Panacea' means-
  1. cure-all
  2. pancreatic
  3. widespread disease
  4. gland
ব্যাখ্যা
• Panacea means - cure-all.

• Panacea (noun)
English Meaning:  a remedy for all ills or difficulties.
Bangla Meaning: সব ধরনের রোগ নিরাময়কারী ওষুধ; সব ধরনের সংকট মোচনের উপায়।

• Synonyms:
- universal cure,
- cure-all,
- cure for all ills,
- universal remedy,
- sovereign remedy,
- heal-all.
 
Example Sentence:
1. The company believed that lowering prices would be the panacea for increasing sales.
2. While some see meditation as a panacea for stress, others prefer exercise.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
খ) pancreatic - অগ্ন্যাশয়; অগ্ন্যাশয়সংক্রান্ত, অগ্ন্যাশয় হইতে নিঃসৃত।
গ) widespread disease -বহুবিস্তৃত রোগবালাই।
ঘ) gland - লালাগ্রন্থি।

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
What is the plural number of 'ovum'?
  1. ovams
  2. ovumes
  3. ovums
  4. ova
ব্যাখ্যা
• Ovum (noun) (singular)
English meaning: an egg cell produced by a woman or female animal.
Bangla meaning: ডিম্বাণু।
- Plural form: ova.

• অধিকাংশ ক্ষেত্রে, singular number এর শেষে um থাকলে plural করার সময় um কে a দ্বারা পরিবর্তন করতে হয়।
- সুতরাং, the plural form of ovum is 'Ova'.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৭.
'A Christmas Carol' is a _________ by Charles Dickens.
  1. ballad
  2. sketch story
  3. historical novel
  4. short novel
ব্যাখ্যা
• A Christmas Carol:
-  A Christmas Carol, Charles Dickens এর লেখা একটি Novella/Short Novel.
- It was published in 1843.
- Novella হচ্ছে Short Novel যা ছোট গল্প থেকে বড় কিন্তু Novel থেকে ছোট।
- 'Ebenezer Scrooge' is the protagonist A Christmas Carol.
- Ebenezer Scrooge হচ্ছে স্বভাবের ক্ষেত্রে কৃপণ যাকে A Ghost of Christmas নানান ধরণের অদ্ভুত স্বপ্ন দেখায়।
- স্বপ্নে তাঁকে এমন একটি বার্তা দেয়া হয় যে,  জীবনে সুখের চাবিকাঠি কেবল অর্থ সম্পদ নয়, সুখের জন্য মানুষকে উদার মানসিকতার এবং মানবিক হতে হয়।

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ হচ্ছে: 
- Ebenezer Scrooge,
- Jacob Marley,
- Bob Cratchit,
- Ghost of Christmas Present,
- Tiny Tim,
- Ghost of Christmas Past,
- Fezziwig,
- Ghost of Christmas Yet to Come,
- Fred,
- Mrs. Emily Cratchit,
- Martha Cratchit, etc.

• Charles Dickens is considered the greatest novelist of the Victorian era.
- Boz' was the pseudonym of Charles Dickens.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, and
- Our Mutual Friend.
- Hard Times
- The Pickwick Papers

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৮.
'There was a small reception following the wedding'. the word 'following' in the sentence above is a/an-
  1. preposition
  2. adjective
  3. adverb
  4. noun
ব্যাখ্যা
• There was a small party following the ceremony.
- বাক্যটিতে following শব্দটি Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এইখানে Party এর সাথে অনুষ্ঠান বা, Ceremony এর সম্পর্ক বোঝাতে following শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ following এইখানে Preposition হিসেবে কাজ করেছে।
-Preposition, Noun বা, Pronoun এর পূর্বে বসে Sentence এ অন্যান্য পদের সাথে তাদের সম্পর্ক নির্দেশ করে।

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain
৩৯.
Which of the following words has been formed with a prefix?
  1. amoral
  2. authentic
  3. amnesia
  4. aspersions
ব্যাখ্যা
• Amoral has been formed with a prefix.
- Amoral (a+moral) - অনৈতিক।
- শব্দটি গঠিত হয়েছে a (=without) prefix যুক্ত হয়ে।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
খ) Authentic (adjective) (root word)
- প্রামাণিক; খাঁটি; অকৃত্রিম; প্রকৃত; যথার্থ।

গ) Amnesia [Uncountable noun] (root word)
- (চিকিৎসাশাস্ত্র) আংশিক বা সম্পূর্ণ স্মৃতিবিলোপ।


ঘ) Aspersions (noun) (root word)
-  কুৎসা করা; কটাক্ষপাত করা।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪০.
'To be or not to be that is the question', -is a famous soliloquy from-
  1. Macbeth
  2. King Lear
  3. Othello
  4. Hamlet
ব্যাখ্যা
• Hamlet by William Shakespeare, is known for his famous soliloquy "To be, or not to be, that is the question”.
 
• Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে তার চাচা Claudius, তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
 
• The important characters of Hamlet:
- Ophelia (Heroine),
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet)
- Polonius (Ophelia's Father)
- Laertes (Ophelia's Uncle) etc.
 
• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- There is divinity that shapes our end. 

Source: Britannica.
৪১.
'Geriatrics' is the branch of medicine concerned with the diseases and care of-
  1. newly-weds
  2. old women
  3. newborn babies
  4. old people
ব্যাখ্যা
• Geriatrics (Noun)
English Meaning: The branch of medicine or social science dealing with the health and care of old people.
Bangla Meaning: বৃদ্ধদের চিকিৎসাব্যবস্থা।

Example:
- Geriatrics is a growing field as the population ages and more people require specialized care

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary.
৪২.
125(√5)2x = 1 হলে x এর মান কত?
  1. 3
  2. - 3
  3. 7
  4. 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 125(√5)2x = 1 হলে x এর মান কত?

সমাধান:
125(√5)2x = 1 
বা, 53.(51/2)2x = 1
বা, 53 . 5x = 1
বা, 53 + x = 50
বা, 3 + x = 0
∴ x = - 3
৪৩.
nC12 = nC6 হলে n এর মান কত?
  1. 12
  2. 14
  3. 16
  4. 18
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন- nC12 = nC6 হলে n এর মান কত?

 সমাধান-
nC12 = nC6
⇒ nC12 = nCn - 6
⇒ 12 = n - 6
⇒ n = 18
৪৪.
বার্ষিক শতকরা 10% হারে 1000 টাকার 2 বছর পর সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত? 
  1. 11 টাকা
  2. 11.5 টাকা
  3. 12 টাকা
  4. 10 টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা 10% হারে 1000 টাকার 2 বছর পর সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলধন, P = 1000 টাকা
সময়, n = 2 বছর
সুদের হার, r = 10/100

আমরা জানি
সরল মুনাফা,
I = Pnr
= 1000 × 2 × (10/100)
= 200

চক্রবৃদ্ধি মুনাফায় সবৃদ্ধিমূল,
C = P(1 + r)n
= 1000(1 + 10/100)2
= 1000 × (110/100)2
= 1000 × 1.1  × 1.1
= 1210

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = 1210 - 1000
= 210
 
চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = (210 - 200) টাকা
= 10 টাকা।
৪৫.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 5 এবং তাদের ল.সা.গু 140 হলে সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত? 
  1. 4
  2. 12
  3. 6
  4. 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত 5 : 7 এবং তাদের ল.সা.গু 140 হলে, সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?

সমাধান:
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে, 5x ও 7x হলে,
সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = 35x এবং
সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = x

প্রশ্নমতে,
35x = 140
বা, x = 140/35
∴ x = 4

∴সংখ্যা দুটির গ.সা.গু = 4
৪৬.
2x2 + 5x + 3 < 0 এর সমাধান কোনটি?
  1. - 3/2 < x < - 1
  2. - 3/2 < x < 1
  3. - 3/2 ≤ x ≤ 1
  4. - 3/2 < x ≤ 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x2 + 5x + 3 < 0 এর সমাধান কোনটি?

সমাধান:
2x2 + 5x + 3 < 0
2x2 + 2x + 3x + 3 < 0
2x(x + 1) + 3 (x + 1) < 0
(x + 1)(2x + 3) < 0

2x2 + 5x + 3 < 0 সত্য হবে যদি (x + 1) < 0 এবং (2x + 3) > 0 হয়।
এখন, x + 1 < 0 এবং 2x + 3 > 0
x < - 1 এবং x > - 3/2

- 1 এর চেয়ে ছোট এবং- 3/2 এর চেয়ে বড়
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে.
সুতরাং নির্ণেয় সমাধানঃ - 3/2 < x < - 1

আবার,
2x2 + 5x + 3 < 0 সত্য হবে যদি x + 1 > 0 এবং 2x + 3 < 0 হয়।
এখন, x + 1 > 0 এবং 2x + 3 < 0
x > - 1 এবং x < - 3/2
x এর মান - 1 এর চেয়ে বড় এবং - 3/2 এর চেয়ে ছোট x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

∴ নির্ণেয় সমাধান = - 3/2 < x < - 1
৪৭.
নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
  1. ৪৭
  2. ৮৭
  3. ৯১
  4. ১৪৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?

সমাধান:
১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি: ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি।
৪৭ মৌলিক সংখ্যা ।
৪৮.
C = { x : x ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা এবং x2 < 18}; c সেটের উপাদানগুলো হবে-
  1. 1, 2, 3, 5
  2. 1, 3, 5, 7
  3. 2, 4, 6, 8
  4. 1, 2, 3, 4
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: C = { x : x ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যা এবং x2 < 18}; c সেটের উপাদানগুলো হবে-

সমাধান: 
ঋণাত্মক পূর্ণসংখ্যার সেট = {- 1, - 2, - 3, - 4, - 5, ....... }
শর্তমতে,
x এর মান ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা এবং 18 এর চেয়ে ছোট হলে সংখ্যাটি সেটের উপাদান হবে।

এখন,
(- 1)= 1 ;যা শর্ত পূরণ করে
(- 2)2 = 4 ;যা শর্ত পূরণ করে
(- 3)2 = 9 ;যা শর্ত পূরণ করে
(- 4)2 = 16 ;যা শর্ত পূরণ করে
(- 5)2 = 25 ; x2 < 18 না হওয়ায় শর্ত পূরণ করে না

∴ C = {- 1, - 2, - 3, - 4}

প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোতে সঠিক উত্তর নেই।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
৪৯.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 18 সে.মি. এবং প্রস্থ 10 সে.মি. । আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 25 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?
  1. 7.2 সে.মি.
  2. 7.3 সে.মি.
  3. 7.0 সে.মি.
  4. 7.1 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 18 সে.মি. এবং প্রস্থ 10 সে.মি. । আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 25 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে? 

সমাধান:
আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = 18 × 10 = 180 বর্গ সে.মি.
নতুন আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x সে.মি. হলে,
ক্ষেত্রফল = 25x বর্গ সে.মি.

প্রশ্নমতে,
25x = 180
⇒ x = 180/25
∴ x = 7.2 সে.মি.

অতএব, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ 7.2 সে.মি. হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে।
৫০.
Ι 1 - 2x Ι < 1 এর সমাধান-
  1. - 2 < x < 1
  2. - 1 < x < 0
  3. 0 < x < 1
  4. - 1 < x < 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |1 - 2x| < 1 এর সমাধান-

সমাধান:
|1 - 2x| < 1 
- 1 < 1 - 2x < 1
বা, - 1 - 1 < 1 - 1- 2x < 1 - 1
বা,  - 2 < - 2x < 0
বা,  - 1 < - x < 0
বা, 1 > x > 0
  0 < x < 1
৫১.
1/√2, 1, √2,............... ধারাটির কোন পদ 8√2 হবে?
  1. ৯তম পদ
  2. ১০তম পদ
  3. ১১তম পদ
  4. ১২তম পদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1/√2, 1, √2,............... ধারাটির কোন পদ 8√2 হবে?

সমাধান:
এখানে,
প্রথমপদ, a = 1/√2
সাধারণ অনুপাত, r = √2

ধরি,
r তম পদ হবে = 8√2

প্রশ্নমতে,
arn -1 = 8√2
বা, (1/√2) × (√2)n - 1 = 8√2
বা, (√2)n - 1 = 8√2 × √2
বা, (√2)n - 1 = (√2)6 × √2 × √2
বা, (√2)n - 1 = (√2)8
বা, n - 1 = 8
∴ n = 9

৯ তম পদ = 8√2
৫২.
একটি দ্রব্য 180 টাকায় বিক্রয় করায় 10% ক্ষতি হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য-
  1. 200 টাকা
  2. 210 টাকা
  3. 162 টাকা
  4. 198 টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য 180 টাকায় বিক্রয় করায় 10% ক্ষতি হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য-

সমাধান: 
10% ক্ষতিতে ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য 90 টাকা

বিক্রয়মূল্য 90 টাকা হলে ক্রয়মূল্য 100 টাকা
বিক্রয়মূল্য 1 টাকা হলে ক্রয়মূল্য 100/90 টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য 180 টাকা হলে ক্রয়মূল্য (180 × 100)/90 টাকা
= 200 টাকা
৫৩.
যদি, ৯ × ৭ = ৩৫৪৫ এবং ৪ × ৩ = ১৫২০ হয় তবে, ৬ × ৮ = ?
  1. ৩০৪০
  2. ৫০৪০
  3. ৪০৩০
  4. ৬০৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি, ৯ × ৭ = ৩৫৪৫ এবং ৪ × ৩ = ১৫২০ হয় তবে, ৬ × ৮ = ?

সমাধান:
৯ × ৭ = ৩৫৪৫ [প্রথমে ২য় সংখ্যার ৫ গুণ তারপর ১ম সংখ্যার ৫ গুণ বসেছে]
৪ × ৩ = ১৫২০ [প্রথমে ২য় সংখ্যার ৫ গুণ তারপর ১ম সংখ্যার ৫ গুণ বসেছে]

∴ ৬ × ৮ = ৪০৩০
৫৪.
একজন লোক A অবস্থান থেকে হেঁটে ডান দিকে ১০ ফুট, অতঃপর বামদিকে ২০ ফুট, তারপর বামদিকে ২০ ফুট এবং সবশেষে বামদিকে ২০ ফুট গিয়ে B অবস্থানে পৌঁছল। A ও B এর মধ্যকার দূরত্ব কত ফুট? 
  1. ৩০ ফুট
  2. ৪০ ফুট
  3. ১০ ফুট
  4. ২০ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন লোক A অবস্থান থেকে হেঁটে ডান দিকে ১০ ফুট, অতঃপর বামদিকে ২০ ফুট, তারপর বামদিকে ২০ ফুট এবং সবশেষে বামদিকে ২০ ফুট গিয়ে B অবস্থানে পৌঁছল। A ও B এর মধ্যকার দূরত্ব কত ফুট? 

সমাধান:

∴ A ও B এর মধ্যকার দূরত্ব ২০ - ১০ = ১০ ফুট
৫৫.
যদি 2 × 3 = 812, 4 × 5 = 1620 হয় তবে 6 × 7 = ?
  1. 2428
  2. 2442
  3. 42
  4. 1214
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 2 × 3 = 812, 4 × 5 = 1620 হয় তবে 6 × 7 = ?

সমাধান:
2 × 3 = 812 [এখানে ১ম সংখ্যার 4 গুণ এবং পরে ২য় সংখ্যার 4 গুণ বসেছে]
4 × 5 = 1620 [এখানে ১ম সংখ্যার 4 গুণ এবং পরে ২য় সংখ্যার 4 গুণ বসেছে]

6 × 7 = 2428
৫৬.
কোন শব্দযুগলটি ভিন্ন?
  1. False, True
  2. Sharp, Blunt
  3. Love, Affection
  4. Abundance, Scarcity
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - 

- False- মিথ্যা.
- True- সত্য।
- বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

- Sharp- তীক্ষ্ণ,
- Blunt- ভোঁতা।  
- বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

- Love- ভালোবাসা
- Affection - প্রেম।
- সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

- Abundance- প্রাচুর্য
- Scarcity- ঘাটতি।
- বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

• যেহেতু, (গ) অপশনে Synonym রয়েছে এবং অন্য অপশনগুলোতে Antonym রয়েছে তাই (গ) অপশনটি ভিন্ন।
৫৭.
০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ?
  1. ০.০০০৬৪
  2. ৬.৪০০০০
  3. ০.৬৪০০০
  4. ০.০৬৪০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ?

সমাধান:
০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ০.০০০৬৪
৫৮.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি বৃহত্তম?
  1. ৬/১১
  2. ৮/১৪
  3. ৩/৫
  4. ৫/৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি বৃহত্তম?

সমাধান:
৬/১১ = ০.৫৪৫৪৫৪
৮/১৪ = ০.৫৭১৪
৩/৫ = ০.৬
৫/৮ = ০.৬২৫

∴ বৃহত্তম ভগ্নাংশ ৫/৮
৫৯.
ঘড়িতে যখন ৮ টা বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রী হবে?
  1. ৯০°
  2. ৯৫°
  3. ১০৫°
  4. ১২০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৮ টা বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রী হবে? 

সমাধান: 
মধ্যবর্তী কোণ = | (১১M - ৬০H)/২ |
= | (১১ × ০ - ৬০ × ৮)/২ |
= | - ৪৮০ /২ |
= | -২৪০ |
= ২৪০°
= ৩৬০° - ২৪০° [১৮০ অপেক্ষা বড় কোণ হলে ৩৬০ থেকে বিয়োগ করতে হয়]
= ১২০°
৬০.
লেফটেন্যান্ট জেনারেল শব্দের সঠিক ইংরেজি বানান কোনটি?
  1. Lieaftenant
  2. Leaftenant
  3. Leiftenant
  4. Lieutenant
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লেফটেন্যান্ট জেনারেল শব্দের সঠিক ইংরেজি বানান কোনটি?

সমাধান:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল শব্দের সঠিক বানান Lieutenant General.
কিন্তু General শব্দটি অপশনে নেই।

আরোকিছু গুরুত্বপূর্ণ সঠিক বানান-
Pneumonia
Occasion
Embarrass
Achievement
Committee
Accelerate
Unfortunate
Pneumonia
Rheumatism
Annihilate
৬১.
নিচের উপমাটি পূর্ণকারী শব্দ কোনটি? Finger : Hand : : Leaf :
  1. Flower
  2. Twig
  3. Tree
  4. Branch
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের উপমাটি পূর্ণকারী শব্দ কোনটি?
Finger : Hand : : Leaf : 

সমাধান:
Finger ⇒ অর্থ আঙ্গুল
Hand ⇒ অর্থ হাত
Leaf ⇒ অর্থ পাতা
Twig ⇒ অর্থ ডাল
- আঙ্গুল থাকে হাতে, পাতা থাকে ডালে।

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary.
৬২.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. নাইট্রোজেন (Nitrogen)
  2. হাইড্রোজেন (Hydrogen)
  3. অক্সিজেন (Oxygen)
  4. ওজোন (Ozone)
ব্যাখ্যা
• সাধারণভাবে বায়ুমন্ডলে-
- নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%,
- অক্সিজেন - ২০.৭১%,
- আর্গন - ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%, 
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড - ০.০৩% থাকে,
- এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।

• সুতরাং বলা যায়,
সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩.
মুজিবনগর সরকার কখন গঠিত হয়?
  1. ১২ই এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১০ই এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৪ই এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন - হোসেন তৌফিক ইমাম।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
৬৪.
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. আমজাদ হোসেন
  2. আলমগীর
  3. জহির রায়হান
  4. সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
• 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির পরিচালক - জহির রায়হান।

জীবন থেকে নেয়া: পারিবারিক গল্পের আড়ালে বলা এক রাষ্ট্রের গল্প:
- ১৯৭০ সালে নির্মিত জহির রায়হান পরিচালিত ‘জীবন থেকে নেয়া’।
- সিনেমাটিতে মূলত সাধারণ এক পারিবারিক গল্পের আড়ালে এক রাষ্ট্রের গল্পই বলা হয়েছে। বলা হয় পূর্ব বাংলার মানুষের অধিকার এবং সংগ্রামের কথা।
- তাই এ সিমেটিকে সবাই আমাদের মুক্তির আন্দোলনেরই একটা বড় অংশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।

• জহির রায়হান:
- তিনি ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তাঁর প্রকৃত নাম - মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- তাঁর সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’।
- তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনো আসে নি’।
- তাঁর সৃষ্ট প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি ‘বাহানা’।
- তাঁর সৃষ্ট 'কাঁচের দেয়াল' চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে 'নিগার পুরস্কার' লাভ করে।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

• তাঁর পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্র:
- জীবন থেকে নেয়া,
- কখনও আসেনি,
- Stop Genocide,
- সোনার কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন) বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ১,৭২,০০০ কোটি টাকা
  2. ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা
  3. ১,৭০,০০০ কোটি টাকা
  4. ১,৭১,০০০ কোটি টাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
• বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৫তম)।
• বাজেট উত্থাপন: ১ জুন, ২০২৪।
• বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
• বাজেটের আকার: ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৪১,০০০ কোটি টাকা।
• বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা।
• বাজেট ঘাটতি: ২,৫৬,০০০ কোটি টাকা।
• পরিচালন ব্যয়: ৫,৬,৯৭১ কোটি টাকা।
• উন্নয়ন ব্যয়: ২,৮১,৪৫০ কোটি টাকা।

সূত্র-  ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট।
৬৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ড গঠিত হয় কোন সেক্টর নিয়ে?
  1. ১০ নং সেক্টর
  2. ১১ নং সেক্টর
  3. ৮ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।
এরা ছিলেন - 
- গাজী মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ (চীফ পেটি অফিসার), 
- সৈয়দ মোশাররফ হোসেন (পেটি অফিসার), 
- আমিন উল্লাহ শেখ (পেটি অফিসার), 
- আহসান উল্লাহ (এম.ই-১), 
- এ.ডব্লিউ.চৌধুরী (আর.ও-১), 
- বদিউল আলম (এম.ই-১), 
- এ.আর মিয়া (ই.এন-১) এবং 
- আবেদুর রহমান (স্টুয়ার্ড-১)। 

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া
৬৭.
পলাশির যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. জুন ২২, ১৭৫৭
  2. জুন ২৪, ১৭৫৭
  3. জুন ২৩, ১৭৫৭
  4. জুন ২৫, ১৭৫৭
ব্যাখ্যা
• পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৫৭ সালে। 

 পলাশির যুদ্ধ:
- পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন) বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) কৃষি খাতের (ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ, মৎস্যসহ) অবদান কত শতাংশ?
  1. ১৪.৭৯ শতাংশ
  2. ১৬.০০ শতাংশ
  3. ১২.০০ শতাংশ
  4. ১৮.০০ শতাংশ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী,

জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬৯.
বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কোন সালে?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১২ সালে
  3. ১৯০৮ সালে
  4. ১৯০৯ সালে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ:
— ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এ বঙ্গভঙ্গকে পূর্ববাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়।
- কিন্তু হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা এটিকে কোনভাবেই মেনে নেয় নি।
- তারা নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাদের এ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে।
- ফলে তাদের এ চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- এবং পুনরায় পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে একত্রিত করা হয়। এটিই মূলত বঙ্গভঙ্গ রদ।

• বঙ্গভঙ্গ রদ:
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট — পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।

• বঙ্গভঙ্গ রদের ফলাফল:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে।
- ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
- মুসলমানদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- তারা বুঝতে পারে যে আপস নয় বরং সংগ্রামের পথেই উন্নতি ও স্বাধীনতার পথে তাদেরকে আগাতে হবে।
- অর্থাৎ মুসলমানগণ তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও তৎপর হয়ে উঠতে থাকে।

উৎস- বাংলাপিডিয়া।
৭০.
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
• প্রধান বিচারপতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি — প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।

- (২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং 
 (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা 
 (খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা 
 (গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; 
 তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। 

 - (৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।]

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭১.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।
২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা। 

অনুচ্ছেদ-৫৫: মন্ত্রিসভা: 
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
৭২.
কোন বিদেশী পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে 'রাজনীতির কবি' (Poet of Politics) উপাধি দিয়েছিলেন?
  1. নিউজ উইকস
  2. দি ইকোনমিস্ট
  3. টাইম
  4. গার্ডিয়ান
ব্যাখ্যা
• Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা।
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোরেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন নিউজ উইকস পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- নিউজউইকস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট — ৭টি তফসিল আছে।

তফসিলসমূহ:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৪.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩৫ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী: 
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স — পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন,
তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স — ২৫ বছর।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৭৬.
(তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন) বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৭.৮০ শতাংশ
  2. ৮.০০ শতাংশ
  3. ৭.২৮ শতাংশ
  4. ৭.৬৫ শতাংশ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হারের লক্ষ্যমাত্রা ৬.৭৫%। 

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।

- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৭৭.
প্রতাপ আদিত্য কে ছিলেন?
  1. বাংলার বারো ভূঁইয়াদের একজন
  2. রাজপুত রাজা
  3. বাংলার শাসক
  4. মোগল সেনাপতি
ব্যাখ্যা
• বারো ভুঁইয়া:
বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত। 

- যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন।
- ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।

- বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনার গাঁয়ের জমিদার ঈসা খাঁ।
- তার মৃত্যুর পর মোগলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্তিমিত হয়ে যায়।

আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের নিম্নলিখিত তালিকা প্রস্ত্তত করা যেতে পারে:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা, (২) ইবরাহিম নরল, (৩) করিমদাদ মুসাজাই, (৪) মজলিস দিলওয়ার, (৫) মজলিস প্রতাপ, (৬) কেদার রায়, (৭) শের খান, (৮) বাহাদুর গাজী, (৯) তিলা গাজী, (১০) চাঁদ গাজী, (১১) সুলতান গাজী, (১২) সেলিম গাজী, (১৩) কাসিম গাজী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৮.
শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসে সাফল্যের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন?
  1. সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. Planet 50-50
  3. এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০
  4. জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।

• জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)
৭৯.
স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন-
  1. সতীন সরকার
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. শামসুর রহমান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পদক: 
- ‘স্বাধীনতা পদক’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে।
- স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, পাঁচ লক্ষ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

প্রশ্নে উল্লেখিত চার জন ব্যক্তিই বিভিন্ন সময়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। 
প্রশ্নের অপশনে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।


এখানে,
- কবি শামসুর রহমান ১৯৯১ সালে সাহিত্যে, 
- যতীন সরকার শিক্ষায় ২০১০ সালে,  
- সৈয়দ আলী আহসান সাহিত্যে- ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
এবং 
- সৈয়দ শামসুল হক ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য, 
 অপশনে ‘সতীন’ –এর স্থলে ‘যতীন’ এবং ‘রহমান’ –এর স্থলে ‘রাহমান’ হবে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৮০.
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের পর যৌথ ঘোষণার স্বাক্ষর প্রদানে কোন দেশ বিরত ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যের লা মালাবে শহরে অনুষ্ঠিত জি - ৭ এর ৪৪তম সম্মেলনের পর গৃহীত যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র বিরত ছিল।

উল্লেখ্য, এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৪ সালে ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ইতালিতে।
- এবারের সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ইউক্রেনকে সহায়তা, গাজায় যুদ্ধবিরতি, অভিবাসন নীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং চীনের বাণিজ্যিক বিষয়।
- এছাড়াও আফ্রিকা এবং ভূমধ্যসাগর এ দুটি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু এবারের সম্মেলনে আলোচনার মুখ্য বিষয়বস্তু ছিল।
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষ করে সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে কীভাবে ন্যায্য ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানেরা আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে।
- সম্মেলনে রাশিয়ার সামরিক সম্প্রসারণ নীতির প্রতি চীনের সমর্থন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।
৮১.
জিরোসাম গেম (Zero-Sum Game) আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কোন তত্ত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. বাস্তববাদ
  2. মার্ক্সবাদ
  3. গঠনবাদ
  4. উদারতাবাদ
ব্যাখ্যা
জিরোসাম গেম:
- জিরো সাম গেম (Zero Sum Game) হচ্ছে বিখ্যাত ‘গেম থিওরি’র একটা অংশ।
- এটা দিয়ে বোঝায় যেকোনো ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক পক্ষ কোনো নির্দিষ্ট জিনিস পেতে চাইলে, এক পক্ষ যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করবে, অন্য পক্ষ ঠিক সে পরিমাণ সম্পদ হারাবে।
- এতে নিট ফলাফল শূন্য হবে।

⇒ জিরো সাম গেমের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় যোগান সব সময়ই কম থাকবে।
২। সম্পদের পরিমাণ একই থাকবে। কোনো কিছুর সংযোজন বা বিয়োজন ঘটবে না।
৩। সব পক্ষের জন্যই সম্পদের নেট পরিবর্তন হবে শূন্য।

উল্লেখ্য, 
⇒ বাস্তববাদ (Realism):
- বাস্তববাদ অনুযায়ী মানুষ স্বভাবতই বিশৃঙ্খল।
- মানুষ যেহেতু বিশৃঙ্খল, তাই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যেকোন কিছুই বিশৃঙ্খল অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রও বিশৃঙ্খল।
- রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব ও স্বার্থরক্ষার জন্য সবসময় কোন না কোন ভাবে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে।
- বাস্তববাদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যেকোন মূল্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় টিকে থাকা, অর্থ্যাৎ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষমতার চর্চাকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাস্তববাদের ব্যাপক চর্চা হচ্ছে।
- বিশ্বজুড়ে আমেরিকার আগ্রাসন বাস্তববাদ কেন্দ্রিক রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
- -অর্থাৎ, বাস্তববাদ (Realism) আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে জিরো-সাম গেম হিসাবে বর্ণনা করে যেখানে এক পক্ষ জিতবে এবং অন্যপক্ষ অবশ্যই হারবে।

অন্যদিকে,
⇒ উদারতাবাদ (Liberalism):
- উদারতাবাদ হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন।
- এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস।
- উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত।

উৎস: Investopedia.
৮২.
ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠকটি সিঙ্গাপুরের কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ইস্টানা আইল্যান্ড
  2. সেনার আয়ল্যান্ড
  3. ম্যারিনা বে
  4. সেন্তোসা
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

২০১৮ সালের উত্তর কোরিয়া-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর সামিট, যা সাধারণত সিঙ্গাপুর সামিট নামে পরিচিত, উত্তর কোরিয়ার চেয়ারম্যান কিম জং উন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে একটি শীর্ষ বৈঠক ছিল, ১২ জুন সিঙ্গাপুরের ক্যাপেলা হোটেল সেন্টোসাতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: BBC.
৮৩.
কোন দেশের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
  1. মিয়ানমার
  2. চীন
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ব্রুনাই
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশটির দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রিদাংসুর নিম্নকক্ষের নাম পিথু হুততাও ও উচ্চকক্ষের নাম অ্যামিয়োথা হুততাও।

অন্যদিকে,
- চীন, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই-এর আইনসভা এক-কক্ষ বিশিষ্ট।

উৎস: Britannica.
৮৪.
বিখ্যাত 'ওয়াশিংটন কনসেনসাস' (Washington Consensus) কোন বিষয়ের সঙ্গে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি
  2. নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
  3. অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন কনসেনসাস:
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত।

উল্লেখ্য,
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস মুক্ত-বাজার অর্থনৈতিক নীতির একটি গুচ্ছ বোঝায়।
- এই নীতিগুলি বিশিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন IMF, বিশ্বব্যাংক এবং মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ দ্বারা সমর্থিত।
- জন উইলিয়ামসন নামে একজন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ১৯৮৯ সালে ওয়াশিংটন কনসেনসাস শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এই ধারণাগুলো তৈরি করা হয়েছিল।

⇒ নীতিগুলো হচ্ছে:
- বাণিজ্য উদার করা, অন্তর্মুখী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক-শৃঙ্খলা, দক্ষ সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার, কর সংস্কার, ফিন্যানশিয়াল উদারীকরণ, প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার, বেসরকারি খাতে হস্তান্তরকরণ নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা এবং সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করা।

উৎস: Britannica.
৮৫.
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বাণিজ্যের বৃহত্তম বাজার কোথায়?
  1. ইইউ
  2. ভারত
  3. কানাডা
  4. চীন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমা প্রেসিডেন্ট: জো বাইডেন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ: ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বাণিজ্যের বৃহত্তম বাজার কানাডা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ রপ্তানি বাণিজ্যের দেশ:
1. কানাডা।
2. মেক্সিকো।
3. চীন।
4. জাপান।
5. যুক্তরাজ্য।
 
উৎস: i) United States Trade Representative (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৮৬.
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা উদ্ভবের সময়কাল কোনটি?
  1. প্রাচীন গ্রীস সময়কাল
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকাল
  3. ১৬০০-১৮০০ সাল
  4. প্রাচীন রোম সময়কাল
ব্যাখ্যা
আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা:
- আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার পুরোধা নিকোলো ম্যাকিয়াভেলী (১৪৬৯-১৫২৭) ইতালীর ফ্লোরেন্স নগরীর সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- জীবনের বিভিন্নঘাত প্রতিঘাতের এক পর্যায়ে তিনি তাঁর যুগান্তকারী পুস্তক ‘দি প্রিন্স’ (১৫৩২) রচনা করেন।
- ‘দি প্রিন্স’ পুস্তকে ম্যাকিয়াভেলীর রাষ্ট্রচিন্তার মূল বিষয়গুলো বিবৃত হয়েছে।
- রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁর আরও পুস্তক রয়েছে, এর মধ্যে ‘ডিসকোর্স’, ‘দি আর্টঅব ওয়ার' অন্যতম।

⇒ ম্যাকিয়াভেলীর রাজনৈতিক চিন্তাধারা তৎকালীন ইতালীর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রেনেসাঁ বা নবজাগরণের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।
- প্রথমত: তৎকালীন অন্তর্দ্বন্দে লিপ্ত দুর্বল এবং খন্ডবিখন্ড ইতালীকে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্ধুদ্ধ করে ম্যাকিয়াভেলী একত্রিত করার ব্রত নিয়ে একটি শক্তিশালী শাসন ব্যবস্থার অধীনে আনতে চেয়েছিলেন।
- দ্বিতীয়ত: রেনেসাঁ বা নবজাগরণের সন্তান হিসাবে খ্যাত ম্যাকিয়াভেলী রাজনৈতিক বিষয়াদিকে ইহজাগতিক চেতনার দ্বারা পরিচালিত করার মানসে তাকে মধ্যযুগীয় তথা ধর্মীয় ও নৈতিকতার বেড়াজাল থেকে মুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান।
- ম্যাকিয়াভেলী ছাড়াও আধুনিক রাষ্ট্র কাঠামোর চিন্তার ত্বাত্ত্বিক উন্নয়ন ঘটান - থমাস হব্স, জন লক, জেন বেডিন প্রমুখ।

⇒ পরবর্তীতে ইউরোপে সামন্তবাদীদের সাথে সংঘাতের মধ্যে দিয়ে আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উন্মেষ ঘটে।
- পৃথিবীর ইতিহাসে ১৬০০ - ১৮০০ সাল সময়টি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
- এই সময়ে ইউরোপ জুড়ে রেনেসাঁর মাধ্যমে সর্বক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে। সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান, রাষ্ট্রচিন্তা - সর্বক্ষেত্রে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে শুরু করে।
- এই সময়েই মূলত আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উদ্ভভ ঘটে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, SSHL, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
সর্বপ্রথম কোথায় ওপেক এর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়?
  1. জেনেভা
  2. ভিয়েনা
  3. জেদ্দা
  4. বাগদাদ
ব্যাখ্যা
OPEC:
- OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- সংস্থার সদস্য দেশ সমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা ওপেক এর প্রধান উদ্দেশ্য।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: বাগদাদ, ইরাক।
- ১৯৬০ সালে OPEC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাকালীন এ সংস্থার সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে সদর দপ্তর স্থানান্তরিত হয় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।
৮৮.
জাতিসংঘের 'Champion of the Earth' খেতাবপ্রাপ্ত কে?
  1. হিলারি ক্লীন্টন
  2. থেরেসা মে
  3. এঞ্জেলা মার্কেল
  4. শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ:
- চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ বার্ষিক সম্মাননা।
- পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয় ৷

⇒ ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৮৯.
৯২ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোট হচ্ছে -
  1. ইউএমএনও
  2. বারিসান ন্যাশনাল
  3. পার্টি পেরিকাতান
  4. পাকাতান-হারুপান
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:
- ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি।
- তিনি ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল পর পর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।
- অবসর গ্রহণের দীর্ঘ পনের বছর পর ৯২ বছর বয়েসে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ব্যাপক দুর্নীতি সংশ্লিষ্টতার কারণে মাহাথির মোহাম্মদ আবারও আসেন রাজনীতিতে।

⇒ মাহাথির মোহাম্মদ একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও।
- দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি।
- রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।

⇒ মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোট পাকাতান হারাপান।

⇒ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৯০.
মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল কোথায়?
  1. হোয়াংহো নদীর তীরে
  2. ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
  3. নীলনদের তীরে
  4. ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- গ্রীক লেখকগণ মূলত এই নামকরণটি করে ছিলেন।
- মেসোপটেমিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো: উত্তর ও দক্ষিণ।
- উত্তর অংশের বর্তমান নাম অ্যাসেরীয়।
- দক্ষিণ অংশের নাম মেসোপটেমিয়া।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত।
- এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
- মেসোপটেমিয়ার লোকজন বহুঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলো।

উৎস: Britannica.
৯১.
বাইজেনটাইন (Byzantine) সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কোন নগরী?
  1. লিসবন
  2. কনস্টান্টিনোপল
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত। 

⇒ কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
ফকেটিং (Folketing) কোন দেশের আইনসভা?
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আইনসভা:
- জাতীয় সংসদ: বাংলাদেশের আইনসভা।
- সংসদ: ভারতের আইনসভা।
- কংগ্রেস বা পঞ্চায়েত: নেপালের আইনসভা।
- সোংডু: ভুটানের আইনসভা।
- কংগ্রেস: যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা।
- পার্লামেন্ট: যুক্তরাজ্যের আইনসভা।
- ডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস: আয়ারল্যান্ডের আইনসভা।
- চেম্বার অব ডেপুটিজ: গ্রিসের আইনসভা।
- পিথু ইটার্ড: মায়ানমারের আইনসভা।
- মজলিশ: ইরানের আইনসভা।
- লয়াজিরগা: আফগানিস্তানের আইনসভা।
- মজলিস-ই-শূরা: পাকিস্তানের আইনসভা।
- পিপলস মজলিস: মালদ্বীপের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরায়েলের আইনসভা।
- ডায়েট: জাপানের আইনসভা।
- ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (স্টেট ডুমা): রাশিয়ার আইনসভা।
- পার্লামেন্ট: শ্রীলংকা ও জার্মানির আইনসভা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- স্টারটিং: নরওয়ের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- সাবোর: ক্রোয়েশিয়ার আইনসভা।

উৎস: i) WorldAtlas.
ii) Central Intelligence Agency (.gov).
৯৩.
Cozy Bear একটি কী?
  1. চুক্তি
  2. হ্যাকার গ্রুপ
  3. বিনোদনকেন্দ্র
  4. নদী
ব্যাখ্যা
Cozy Bear:
- Cozy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ।

⇒ Cozy Bear এবং Fancy Bear একটি রুশ হ্যাকার গ্রুপ।
- Cozy Bear এর বিরুদ্ধে করোনাকালীন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং যুক্তরাজ্যের ভ্যাক্সিন গবেষণা তথ্যাদি চুরির অভিযোগ রয়েছে।
- Fancy Bear হচ্ছে Cozy Bear এর সহযোগী গ্রুপ।
- Fancy Bear বা APT28 কে GRU, Russia's military intelligence agency অংশ হিসেবে মনে করা হয়।
- মার্কিন নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) ওপর সাইবার হামলার সঙ্গে এই গ্রুপের যোগসূত্র রয়েছে।
- Parent organization: either FSB or SVR

উৎস: BBC.
৯৪.
ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র কোনটি?
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ৭ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সামরিক জোট ন্যাটোয় আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছে সুইডেন।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া।
- এর পরেই ন্যাটোতে যোগ দিতে আবেদন করে সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৯৫.
ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি কোন দেশের রাজনৈতিক দল?
  1. মালয়েশিয়া
  2. মিয়ানমার
  3. ভারত
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
National League for Democracy মায়ানমারের রাজনৈতিক দল।

মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

⇒ National League for Democracy (এনএলডি) মিয়ানমারে ১৯৯০ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়।
- কিন্তু বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েও সামরিক জান্তার কাছ থেকে ক্ষমতা লাভ করতে পারেনি এনএলডি।
- এরপর ২০১৫ সালে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
- এতে জয়লাভ করে অং সান সু চি’র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমােক্রেসি (NLD)।

উৎস: Britannica.
৯৬.
মায়া সভ্যতা বিশ্বের কোন অঞ্চলে বিরাজমান ছিল?
  1. পূর্ব এশিয়া
  2. মধ্য আমেরিকা
  3. মধ্যপ্রাচ্য
  4. পূর্ব আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতাকে বলা হয় রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার অবস্থান ছিল মধ্য আমেরিকায়।
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সালের প্রথম দিকে মায়ারা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- প্রধান শহরগুলির মধ্যে ছিল টিকাল , উয়াক্সাক্টুন , কোপান , বোনাম্পাক , ডস পিলাস , ক্যালাকমুল , প্যালেনকে , এবং রিও বেক।
- শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, জটিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি আর চিরায়ত রহস্যের মধ্যে আটকা পড়েছে এ সভ্যতার গল্প।
- প্রায় ৬০০ বছর ধরে মায়ার লোকেরা ঐশ্বর্যময় সভ্যতা নিয়ে টিকে ছিল।

উল্লেখ্য,
- গুয়াতেমালার একটি পিরামিডের ধ্বংসাবশেষে মায়া সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়।

উৎস: Britannica.
৯৭.
সাম্প্রতিক কাতার সংকটের সময় কোন দেশটি কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে নাই?
  1. বাহরাইন
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. মিশর
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

৫ জুন ২০১৭ কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ছয়টি দেশ।
- এই দেশগুলো হলো: সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন, লিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
- তখন মধ্যপ্রাচ্যে যে নতুন রাজনৈতিক সংকটের শুরু হয় সেখানে কুয়েত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BBC.

৯৮.
১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জাতিসংঘের মোট কতটি সদস্য রাষ্ট্র ছিল?
  1. ৫০
  2. ৫১
  3. ৪৮
  4. ৪৯
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।
- পোল্যান্ডসহ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯৯.
২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় কোনটি?
  1. জলবায়ু উষ্ণতা প্রতিরোধ তহবিল গড়ি
  2. প্লাস্টিক (plastic) দূষণকে পরাজিত করি
  3. সবুজ বিশ্ব গড়ে তুলি
  4. জলবায়ু উষ্ণতাকে রুখে দেই
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: প্লাস্টিক দূষণকে পরাস্ত করুন।

অন্যদিকে,
- ২০১৯ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: Beat Air Pollution।
- ২০২০ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: প্রকৃতির জন্য সময়। 
- ২০২১ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: Ecosystem restoration।
- ২০২২ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: শুধু একটাই পৃথিবী। 
- ২০২৩ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: প্লাস্টিক দূষণের সমাধান। 
- ২০২৪ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়: করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা; অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১০০.
কোন সালে হিটলার জার্মান চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন?
  1. ১৯৩৩
  2. ১৯৩৪
  3. ১৯৩১
  4. ১৯৩২
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- এডলফ হিটলার অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- Hate is more lasting than dislike. — Adolf Hitler।

⇒ নাৎসিবাদ:
- নাৎসিবাদ হচ্ছে হিটলার ও তার দল নাৎসি পার্টি কর্তৃক শাসনব্যবস্থা।
- ১৯৩২ সালে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন প্রার্থী হয়ে হিনডেনবার্গের কাছে হিটলার পরাজিত হন।
- ১৯৩৩ সালে হিনডেনবার্গ হিটলারকে তাঁর চ্যান্সেলার নিযুক্ত করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই হিটলার সকল ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ে দেশে নাৎসি একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.