পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ২] বিষয়ের নাম: ভূগোল ও নৈতিকতা সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
ধ্বংসস্তুপ অপসারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন স্তরের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সাড়াদান
  2. পূর্বপ্রস্ততি
  3. প্রশমন
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

• সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেত কয়টি?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।
নিম্নে ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হলঃ

১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।
২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।
৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত:
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।
৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।
৫ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৭ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।
১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।
১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত:
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

উৎস: ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।
.
যমুনার শাখা নদী কোনটি?
  1. আত্রাই
  2. ধলেশ্বরী
  3. করতোয়া
  4. শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা
• যমুনার শাখানদী : ধলেশ্বরী।

উল্লেখ্য,
- যমুনা নদীর প্রধান উপনদী : আত্রাই ও করতোয়া।
- ধলেশ্বরীর শাখানদী : বুড়িগঙ্গা
- ব্রহ্মপুত্রের শাখানদী : শীতলক্ষ্যা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. চ্যূতি-স্তূপ পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় পর্বত:
- জাপানের ফুজিয়ামা আগ্নেয় পর্বত।
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- কোনো কোনো আগ্নেয় পর্বত খাড়া ঢালবিশিষ্ট এবং স্বল্প স্থান জুড়ে থাকে।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. চীন
  2. লাটভিয়া
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
• সুইডেন রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
• উত্তর কোরিয়া।
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

উৎস: Worldatlas.com.
.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. ব্রাজিল
  3. কানাডা
  4. জম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত:
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত হল - অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত।
- এটি কেরেপাকুপাই মেরি নামেও পরিচিত।
- এটি ভেনেজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।
- এই জলপ্রপাতের উচ্চতা - ৩,২১২ ফুট।
- এখানে বছরের উষ্ণতম মাসে জলপ্রপাতের জল মাটিতে পড়ার আগেই বাষ্পীভূত হয়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
বরেন্দ্রভূমি বলা হয় -
  1. ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
  2. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলকে
  3. রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
  4. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):
- রাজশাহী বিভাগের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলে।
- বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- অবস্থান- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান।
- বরেন্দ্রভূমির নামকরণের পেছনে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। 'বর' শব্দের অর্থ হচ্ছে আশীর্বাদ এবং ‘ইন্দ্র' শব্দের অর্থ দেবতাদের রাজা। অর্থাৎ ইন্দ্রের বর বা ইন্দ্রের আশীর্বাদ থেকে সাধারণভাবে বরেন্দ্র শব্দটির উৎপত্তি।
- বরেন্দ্রভূমির অবস্থান গ্রীষ্মপ্রধান মৌসুমিমন্ডলে।
- কর্কটক্রান্তি এই ভূমির দক্ষিণে অবস্থান করছে।
- এই অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণভাবে উষ্ণ ও আর্দ্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বরিশাল শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কীর্তনখোলা
  2. মধুমতী
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
কীর্তনখোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কীর্তনখোলা
ব্যাখ্যা
• বরিশাল জেলা:
- বরিশাল জেলা কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত।
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
- এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয়েছে-
  1. গোয়ালন্দ
  2. আজমিরীগঞ্জ
  3. দেওয়ানগঞ্জ
  4. লোহজঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ
ব্যাখ্যা
• পদ্মা নদী:
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

• নদীর মিলিত স্থান :
- পদ্মা + যমুনা = গোয়ালন্দ
- পদ্মা + মেঘনা = চাঁদপুর,
- সুরমা + কুশিয়ারা = আজমিরীগঞ্জ (কালনী নাম)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১০.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় কত সময় পর ভাটা হয়?
  1. ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. ৮ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  3. ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট
  4. ১৬ ঘন্টা ২৬ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটা:
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং এক স্থানে নেমে যায়। পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- এক স্থানে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়।
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাঁটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলো স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাটা অধিক হয়।
- সাধারণত সমুদ্রের মধ্যভাগ অপেক্ষা উপকূলের কাছে অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা অধিক থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ কোনটি?
  1. বলিভিয়া
  2. পেরু
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• তুন্দ্রা অঞ্চল:
- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।
- তুন্দ্রা অঞ্চল প্রায় সারাবছরই বরফাচ্ছন্ন থাকে। তাই হিমশীতল জলবায়ু এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট। এ
- অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীতকাল থাকে। আর গ্রীষ্মকাল হল ক্ষনস্থায়ী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৩.
মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?
  1. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ
  3. ২৩°৫′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ২৩°৫′ উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা বা ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থান করার ফলে সূর্যের কিরণ এই দুই অক্ষরেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. সিরিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সুইজারল্যান্ড হচ্ছে একটি ইউরোপীয় স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ, যার কোনো সমুদ্রতীর নেই।
• তাই সুইজারল্যান্ড ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশ নয়।

• ভূমধ্যসাগর (Mediterranean Sea) ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
• ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো হলো:
- ইউরোপে: স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস, তুরস্ক (আংশিক ইউরোপে), ইত্যাদি।
- আফ্রিকায়: মিশর, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, লিবিয়া।
- এশিয়ায়: তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
১৫.
'মাউন্ট এটনা (Mount Etna)' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. গ্রিস
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
• মাউন্ট এটনা:
- মাউন্ট এটনা ইউরোপের সর্ববৃহৎ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- এটি ইতালির সিসিলি (Sicily) দ্বীপে অবস্থিত।
- মাউন্ট এটনার উচ্চতা প্রায় ৩,৩৩০ মিটার (১০,৯২৫ ফুট), যদিও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে এ উচ্চতা পরিবর্তিত হতে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬.
West Bank কোন নদীর পশ্চিম তীর অবস্থিত?
  1. ইউফ্রেটিস নদী
  2. টাইগ্রিস
  3. জর্ডান
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম তীর(West Bank):
- পশ্চিম তীর (West Bank) হলো একটি ভূখণ্ড যা জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কিত অঞ্চল, মূলত ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু।
- পশ্চিম তীরের পূর্ব সীমান্তে জর্ডান নদী, এবং পশ্চিমে ইসরায়েল রয়েছে।
- অঞ্চলটির প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আংশিকভাবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ এবং আংশিকভাবে ইসরায়েল দ্বারা পরিচালিত হয়।
- জেরুজালেম শহরের পূর্ব অংশও এই অঞ্চলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৭.
নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  2. উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
  3. দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জুলাই
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস - জুলাই

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৮.
মার্বেল কীসের রুপান্তরিত রূপ?
  1. বেলে পাথর
  2. চুনা পাথর
  3. গ্রানাইট
  4. সাদা সেল
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন-
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
বিশ্ব সুনামি সতর্কতা দিবস কত তারিখ?
  1. ১ এপ্রিল
  2. ১০ জানুয়ারি
  3. ৫ নভেম্বর
  4. ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
৫ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভার মাধ্যমে ৫ নভেম্বর কে World Tsunami Awareness Day হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

• সুনামি:
- সুনামি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি মূলত জাপানি শব্দ। এর অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সমুদ্র তলদেশে প্রচণ্ড মাত্রার ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে কিংবা অন্য কোনো কারণে ভূ-আলোড়নের সৃষ্টি হলে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়।
- ভূকম্পনে সৃষ্ট এ সমুদ্র ঢেউ সুনামি নামে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
'চেঙ্গী নদী' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• চেঙ্গী নদী:
- খাগড়াছড়ির প্রধান নদী চেঙ্গী।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এর উৎপত্তি। রাজ্যটির আঠারমুড়া থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এটি মহালছড়িতে এসে কাপ্তাই লেকে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর অববাহিকায় রয়েছে লোগং, পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, খাগড়াছড়ি, মাইসছড়ি ও মহালছড়ি।খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম চেঙ্গি।
- এটি চিংড়ি নদী নামেও পরিচিত।
- পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৯৬ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৭৭ মিটার।

উৎস: মহালছড়ি উপজেলা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১.
কোন শিলাকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রুপান্তরিত শিলা
  4. স্তরীভূত শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা:
- পৃ্থিবীর শুরু থেকে যে সব শিলা উত্তপ্ত গলিত অবস্থা হতে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে কঠিন হয়েছে তাই আগ্নেয় শিলা।
- অগ্নিময় অবস্থা হতে এ শিলার সৃষ্টি হয়েছিল বলে একে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলার অন্য নাম প্রাথমিক শিলা বা অস্তরীভূত শিলা।
- আগ্নেয় শিলা স্ফটিকার, অপেক্ষাকৃত ভারী, কঠিন ও কম ভঙ্গুর।
- এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না।
- আগ্নেয় শিলার উদাহরণ- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, সায়েনাইট, ডায়োরাইট, পরফাইরি, টাফ, ব্রেসিয়া, রায়োলাইট, ব্যাসল্ট, অ্যান্ডেসাইট, ব্যাথোলিথ, ল্যাকোলিথ, ডাইক, সিল ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
“সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়” উক্তিটি কার?
  1. ল্যান্ডেল মিল
  2. ম্যাক্স ওয়েবার
  3. ম্যাক করণী
  4. এডাম স্মিথ
সঠিক উত্তর:
ম্যাক করণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক করণী
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- এ চারটি স্তম্ভ হল− দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনী কাঠামো ও অংশগ্রহণ।

- ম্যাক করণী এ প্রসঙ্গে বলেন, “সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে জনগণের এবং শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
নিচের কোনটি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে?
  1. গণমাধ্যম
  2. সংবিধান প্রতিপালন
  3. ন্যায়পরায়ণতা
  4. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রতিপালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রতিপালন
ব্যাখ্যা
• সংবিধান মান্যতা:
- স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে - সংবিধান প্রতিপালন।
- সংবিধান রাষ্ট্র পরিচালনা ও জনগণের অধিকারের দলিল।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা হলে জনগণের স্বাধীনতা সহজেই নিশ্চিত হয়।
- যেমন, বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ে জনগণের অনেক অধিকার ও স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
একজন প্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ কোনটি?
  1. ক্ষমতা
  2. স্বাধীনতা
  3. জনকল্যাণ
  4. কর্মদক্ষতা
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণ
ব্যাখ্যা
• মৌলিক মূল্যবোধ:
- একজন প্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হচ্ছে জনকল্যাণ।
- এটি নির্দেশ করে যে প্রশাসক তার সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করেন।
- জনকল্যাণের উদ্দেশ্য হলো জনগণের উন্নতি, সামাজিক ন্যায়বিচার, এবং সুষম উন্নয়ন সাধন করা।

অন্যদিকে,
- ক্ষমতা প্রশাসকের কাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু যদি জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত না হয়, তবে এটি অপ্রয়োজনীয় হতে পারে।
- স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি প্রশাসকের কাজে জনকল্যাণের সাথে সম্পর্কিত নয়। স্বাধীনতা প্রশাসকের কার্যক্রমের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে।
- কর্মদক্ষতা একটি প্রশাসকের প্রয়োজনীয় গুণ, তবে এটি মূল মূল্যবোধ নয়; এটি জনকল্যাণ সাধনের জন্য একটি সহায়ক গুণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
'Philosophy for Life and Other Dangerous Situations' বইয়ের লেখক কে?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. জুলস ইভানস
  4. ফ্রাঞ্জ কাফকা
সঠিক উত্তর:
জুলস ইভানস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলস ইভানস
ব্যাখ্যা
• Philosophy for Life and Other Dangerous Situations বইটির লেখক হলেন জুলস ইভানস (Jules Evans)। বইটিতে প্রাচীন দর্শনের বিভিন্ন ধারার ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং কীভাবে দর্শন আমাদের জীবনকে উন্নত করতে পারে, তা তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- কার্ল মার্ক্স - বিখ্যাত সমাজতাত্ত্বিক ও দার্শনিক, The Communist Manifesto এর সহ-লেখক।
- জন স্টুয়ার্ট মিল - উদারনৈতিক দর্শনের প্রবক্তা, On Liberty সহ বহু গ্রন্থের রচয়িতা।
- ফ্রাঞ্জ কাফকা - বিখ্যাত সাহিত্যিক, The Metamorphosis ও অন্যান্য গল্পের জন্য পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬.
নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস কোনটি?
  1. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  2. পরিবার
  3. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
  4. উচ্চশিক্ষা
সঠিক উত্তর:
পরিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবার
ব্যাখ্যা
• নৈতিক মূল্যবোধ:
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় পরিবার থেকে।
- অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।
- ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হলো:
- পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ।
- আইনের শাসন।
- অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
'Idealism and Progress' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. গোবিন্দ চন্দ্র দেব
  2. আরজ আলী মাতুব্বর
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. কার্ল মার্কস
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
ব্যাখ্যা
• 'Idealism and Progress' গ্রন্থের রচয়িতা গোবিন্দ চন্দ্র দেব। 

• গোবিন্দ চন্দ্র দেব:
- গোবিন্দ চন্দ্র দেব একজন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
- চিন্তাচেতনায় দেব ছিলেন সক্রেটিসের ভাবশিষ্য।
- তাঁর চিন্তাধারায় একদিকে যেমন স্থান পেয়েছে গভীর ও সূক্ষ্ম দার্শনিক তত্ত্বালোচনা, অন্যদিকে সমাজ, জীবন, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি ও ধর্মবিষয়ক ভাবনা।
- অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক দেব সব ধর্মকে দেখেছেন উদার ও সর্বজনীন দৃষ্টিকোণ থেকে।
- তাই তাঁর দর্শন সমন্বয়ী ভাববাদ বা সিনথেটিক আইডিয়ালিজম নামে সমধিক পরিচিত।
- তিনি উগ্র ভাববাদ এবং উগ্র জড়বাদ উভয়কেই তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এ দুটি মতবাদই একদেশদর্শী; এদের দ্বারা মানবজীবনের কল্যাণসাধন ও প্রগতি সম্ভব নয়।
- তিনি তাঁর সমন্বয়ী দর্শনে বস্ত্তবাদকে অধ্যাত্মবাদে এবং অধ্যাত্মবাদকে বস্ত্তবাদে রূপান্তরিত করে এরই ভিত্তিতে একটি সার্থক জীবনদর্শন গড়ে তুলেছেন।
- তাঁর মতে, সার্থক দর্শন মাত্রই জীবনদর্শন।
- তিনি তাঁর প্রায় সব গ্রন্থেই এই দার্শনিক তত্ত্বই প্রকাশ করেছেন।

• উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২),
- আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ এ্যাপলিকেশন (১৯৫৮),
- আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭),
- এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩),
- দি ফিলোসফি অব বিবেকানন্দ অ্যান্ড দি ফিউচার অব ম্যান (১৯৬৩),
- তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬),
- বুদ্ধ: দি হিউম্যানিস্ট (১৯৬৯)।
- দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট (১৯৮৪)।
- মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স (১৯৯৩)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
'রাষ্ট্রের সকল উন্নয়েনের ক্ষেত্রে সুশাসন আবশ্যক।' এই উক্তিটি কার?
  1. এম ডব্লিউ পামপ্রে
  2. কফি আনান
  3. ম্যাককরনি
  4. মিশেল ক্যামডেসাস
সঠিক উত্তর:
মিশেল ক্যামডেসাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশেল ক্যামডেসাস
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- সুশাসন বিষয়ক তাত্ত্বিক মিশেল ক্যামডেসাস সুশাসনের গুরুত্ব বুঝাতে ''রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক'' এই উক্তিটি করেছেন।

- ম্যাককরনি সুশাসনের সবচেয়ে সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন, 'সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।'
- মারটিন মিনোগ (Martin Minogue) সুশাসন সম্পর্কে বলেন, “ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলো উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তোলে।”
- ল্যান্ডেল মিল (Landell Mill) মনে করেন, সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
২৯.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করণীয়-
  1. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা
  3. রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি করা
  4. ক্ষমতা পুঞ্জিভূত করা
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারের করণীয় সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা,
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান,
- দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করা,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের করণীয়:
- আইন মান্য করা।
- আনুগত্য প্রদর্শন।
- সামাজিক দায়িত্ব পালন করা।
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা।
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩০.
সুশাসনের পথে অন্তরায়-
  1. জবাবদিহিতা
  2. স্বজনপ্রীতি
  3. নির্বাচন
  4. রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
স্বজনপ্রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বজনপ্রীতি
ব্যাখ্যা
• সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে - Good Governance.
- সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় - বিশ্বব্যাংক।
- ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- সুশাসন মানে হলো যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।

• সুশাসনের অন্তরায়:
- স্বজনপ্রীতি,
- দুর্নীতি,
- অস্বচ্ছতা,
- স্বেচ্ছাচারিতা প্রভৃতি।
৩১.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. পরমতসহিষ্ণুতা
  2. স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন
  3. স্বেচ্ছাচারিতা
  4. শক্তিশালী রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
পরমতসহিষ্ণুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমতসহিষ্ণুতা
ব্যাখ্যা
• গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ধারণা:
- বিভিন্ন ধরনের মূল্যবোধের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অন্যতম।
- নৈতিকতা, সহমর্মিতা, আত্মসংযম, পরমত সহিষ্ণুতা এর মতো গুনাবলিগুলো মানুষকে গণতান্ত্রিক আচরণ করতে শেখায়।

• গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব:
- একটি রাষ্ট্র কেবল গণতন্ত্র ঘোষণা করলেই মূল্যবোধ মানুষকে সহনশীলতার শিক্ষা দিয়ে থাকে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যা অপরিহার্য।
- অন্যের মতামত বিশেষ করে বিরুদ্ধ মত সহ্য করা ও বিবেচনা করা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত করে।
- এহেন মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক সৃষ্টি হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে নাগরিকেরা নিজ-নিজ অধিকার ভোগ ও কর্তব্য সম্পাদনে তৎপর হয়।
- সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ মূল্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সবার প্রতি সমান দৃষ্টি দিয়ে থাকে।
- এর ফলে সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
• ই-পাসপোর্ট:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.
- সাধারণ পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্ট এর মধ্যে পার্থক্য হলো, ই-পাসপোর্টে একটি পাতলা ও ছোট আকারের ইলেক্ট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ যুক্ত থাকবে।
- এ চিপ পাসপোর্টে একটি বিশেষ পাতার ভিতর থাকবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ব্রিটানিকা। 
৩৩.
'সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।' উক্তিটি কার?
  1. ডাইসি
  2. গার্নার
  3. লাস্কি
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
• আইন:
- আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Law'।
- সাধারণভাবে আইন বলতে আমরা সুনির্দিষ্ট নীতি ও নিয়ম কানুনকে বুঝে থাকি যা সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
- বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্নভাবে আইনের সংজ্ঞা দিয়েছেন।
- এরিস্টটল বলেন, "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।"
- অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে, আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োগ ও বলবৎ করা হয়।"
- আইনবিদ স্যামন্ড এর মতে, "আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।"
- সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়ম-কানুনকে বোঝায় যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়।
- আইনের দ্বারা ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। সাধারণভাবে দেশের আইনসভা কতৃক আইন প্রণীত হয় এবং নির্বাহী বিভাগ তা প্রয়োগ করে।
- আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধান আছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।