পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১২৭
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৭ প্রশ্ন

.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইপা কোন অঞ্চলের লোক ছিলেন?
  1. বরেন্দ্র
  2. রাঢ়
  3. কামরূপ
  4. মিথিলা
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
লুইপা:
- লুইপা প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের একজন কবি।
- মুহাম্মদ শহীদুল্লার অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত ছিলেন।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইপা রাঢ় অঞ্চলের লোক। লুইপা চর্যাপদের ১ ও ২৯ নং পদ রচনা করেন।

লুইপা রচিত চর্যাপদের প্রথম পদ:
"কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'মেঘনাদবধ কাব্য' কোন মহাকাব্যের অবলম্বনে রচিত?
  1. হেক্টরবধ
  2. ইলিয়াড
  3. রামায়ণ
  4.  মহাভারত
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
ব্যাখ্যা
'মেঘনাদবধ' কাব্য:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'। মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক এবং রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে বর্ণিত আছে- মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "লাইব্রেরি" প্রবন্ধে লাইব্রেরিকে কিসের সাথে তুলনা করেছেন?​
  1. ঢেউয়ের গর্জন​
  2. মহাসমুদ্রের কল্লোলধ্বনি
  3. নদীর স্রোত
  4. আকাশের মেঘ
সঠিক উত্তর:
মহাসমুদ্রের কল্লোলধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাসমুদ্রের কল্লোলধ্বনি
ব্যাখ্যা
'লাইব্রেরি' প্রবন্ধ:
- প্রবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিচিত্র প্রবন্ধ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এটি তাঁর 'বিচিত্র' প্রবন্ধগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। এ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি লাইব্রেরিকে মহাসমুদ্রের কল্লোলধ্বনির সাথে তুলনা করেছেন। কেননা, লাইব্রেরিতে মানবাত্মার ধ্বনিরাশি বইয়ের পাতায় বন্দি হয়ে থাকে।

• 'লাইব্রেরি' প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল কেহ যদি এমন করিয়া বাঁধিয়া রাখিতে পারিত যে, সে ঘুমাইয়া পড়া শিশুটির মতো চুপ করিয়া থাকিত, তবে সেই নীরব মহাশব্দের সহিত এই লাইব্রেরির তুলনা হইত। এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে। ইহারা সহসা যদি বিদ্রোহী হইয়া উঠে, নিস্তব্ধতা ভাঙিয়া ফেলে, অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া একবারে বাহির হইয়া আসে! হিমালয়ের মাথার উপরে কঠিন বরফের মধ্যে যেমন কত কত বন্যা বাঁধা আছে, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে মানবহৃদয়ের বন্যা কে বাঁধিয়া রাখিয়াছে!

কাহিনি সংক্ষেপ:
বইয়ের ভেতর দিয়েই আমরা আকাশের দৈববাণী থেকে মহাত্মাদের কথা পেয়ে থাকি। যাঁদের সান্নিধ্য আমাদের কখনই পাওয়া সম্ভব নয়, বইয়ের ভেতর দিয়েই আমরা তাদের পেতে পারি। বই আমাদের অতীতের সাথে সেতুবন্ধ গড়ে দেয়। এ বইয়ের স্থান হলো লাইব্রেরি। এ লাইব্রেরিতেই মানব হৃদয়ের উত্থান-পতনের শব্দ শোনা যায়। লাইব্রেরিতে সকল পথের, সকল মতের মানুষের সম্মিলন ঘটে। লাইব্রেরির মহত্ত্বের কথা বর্ণনা করে লেখক বলেছেন- জগতের উদ্দেশ্যে কি আমাদেরও কিছু বলার নেই? আমরা কি কেবল তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কলহ করে বেড়াব। লেখক শেষে আশা ব্যক্ত করে বলেছেন- বাঙালিরা জেগে উঠেছে। তারাও আপন ভাষায় লিখে বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে তুলবে। 'লাইব্রেরি' প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বই পড়ার সঙ্গে জ্ঞানের সম্পর্ক উপস্থাপন করেছেন। প্রবন্ধটি আমাদের বই পাঠ এবং জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কালান্তর,
- পঞ্চভূত,
- বিচিত্র প্রবন্ধ,
- সাহিত্য,
- শিক্ষা,
- মানুষের ধর্ম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়" গ্রন্থের মূল প্রতিপাদ্য কী?
  1. প্রেম ও বিরহের কাহিনি
  2. মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র
  3. গ্রামীণ জীবনের হাস্যরস
  4. রাজনীতির কূটচাল
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র
ব্যাখ্যা
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্য:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
- এটি রচিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে। এটি বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মাতব্বর, পির সাহেব, মাতব্বরের মেয়ে, পাইক, গ্রামবাসী, তরুণদল ও মুক্তিযোদ্ধারা।

সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- মানুষের জটিল জীবনপ্রবাহ এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল প্রবণতা।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ইত্যাদি লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘দিগদর্শন’ পত্রিকাটি কোথা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. কলকাতা মিশন
  2. শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন
  3. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
  4. বিশ্বভারতী
সঠিক উত্তর:
শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন
ব্যাখ্যা
'দিগদর্শন' পত্রিকা:
- বঙ্গভূমিতে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- জোশুয়া মার্শম্যানের পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পদনায় শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন থেকে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যের সূচনায় যেমন মিশনারিদের নামই প্রধান, তেমনি সাময়িক পত্রের ইতিহাসের সূচনায় তাঁরাই প্রাধান্য লাভ করেছেন। 'যুবলোকের কারণ সংগৃহীত নানা উপদেশ' এই পত্রিকায় অন্তর্ভুক্ত হত। এতে ভূগোল, ইতিহাস, দেশবিদেশের জ্ঞাতব্য তথ্য, কৌতুককর অথবা বিস্ময়জনক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাহিনি সহজ ভাষায় পরিবেশিত হত বলে তা স্কুল বুক সোসাইটির বিদ্যালয়সমূহে পাঠ্য- পুস্তকরূপে প্রচলিত ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
কোন লেখক 'কৃত্তিবাস ওঝা' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন?
  1. মোহিতলাল মজুমদার
  2. বিমল ঘোষ
  3. সুবোধ ঘোষ
  4. আবদুল মান্নান সৈয়দ
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার
ব্যাখ্যা
মোহিতলাল মজুমদার 'কৃত্তিবাস ওঝা' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।

অন্যদিকে,
বিমল ঘোষ এর ছদ্মনাম - মৌমাছি৷
‘সুবোধ ঘোষ’ এর ছদ্মনাম - কালপুরুষ।
আবদুল মান্নান সৈয়দ 'অশোক সৈয়দ' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

মোহিতলাল মজুমদার:
- ১৮৮৮ সালের ২৬ অক্টোবর নদীয়ার কাচঁড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস হুগলির বলাগড়ে।
- ১৯২৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে লেকচারার পদে যোগদান করেন এবং ১৯৪৪ সালে অবসরে যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'সেক শুভোদয়া' গ্রন্থে কার অলৌকিক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে?
  1. শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা
  2. বিক্রমাদিত্য
  3. বাদশাহ হারুনর রশিদ
  4. শেখ জালালুদ্দীন তাবরেজি
সঠিক উত্তর:
শেখ জালালুদ্দীন তাবরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ জালালুদ্দীন তাবরেজি
ব্যাখ্যা
সেক শুভোদয়া:
- রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি হলায়ুধ মিশ্র রচিত 'সেক শুভোদয়া' সংস্কৃত গদ্যপদ্যে লেখা চম্পুকাব্য।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে, 'সেক শুভোদয়া খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর একেবারেই গোড়ার দিককার রচনা।
- গ্রন্থটি রাজা লক্ষ্মণ সেন ও শেখ জালালুদ্দীন তাবরেজির অলৌকিক কাহিনি অবলম্বনে রচিত। 'শেখের শুভোদয় অর্থাৎ শেখের গৌরব ব্যাখ্যাই এই পুস্তিকার উদ্দেশ্য। এতে নানা ঘটনার মাধ্যমে মুসলমান দরবেশের চরিত্র ও অধ্যাত্মশক্তির অধ্যাত্মশক্তির পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
- এ গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার যে সব নিদর্শন আছে তা হল পীর-মাহাত্ম্যজ্ঞাপক বাংলা ছড়া বা আর্যা, খনার বচন ও ভাটিয়ালি রাগের একটি প্রেমসঙ্গীত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
'নবান্ন' নাটকটি রচনা করেন কে?
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. বিজন ভট্টাচার্য
  4. বদরুদ্দীন উমর
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
'নবান্ন' নাটক:
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন। এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক:
- নবান্ন,
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পটভূমিতে রচিত 'বনমানুষ' গল্পটি রচনা করেন কে?
  1. আবু ইসহাক
  2. সেলিনা হোসেন
  3. জাহানারা ইমাম
  4. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু ইসহাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা
'বনমানুষ' গল্প:
- এইটি আবু ইসহাক রচিত গল্প। 
- ভারত বিভাগের আগে ১৯৪৬ সালে এ অঞ্চলে ভয়াবহ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা হয়েছিল।
- এ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পটভূমিতে 'বনমানুষ' গল্পটি লিখিত।

কাহিনি সংক্ষেপ:
এ গল্পের লেখক বন বিভাগে সামান্য বেতনে চাকরি করতেন। তিনি দ্বিগুণ বেতনে কলকাতায় চাকরি করতে আসেন। কলকাতায় এসে প্রথমে তাঁর নিজেকে সভ্য মানুষ মনে হতে থাকে। কিন্তু তিনি তখন সাম্প্রদায়িক হানাহানির মুখোমুখি হতে থাকেন। তিনি দেখেন এ শহরের মানুষেরা ধর্মের নামে পরস্পরকে নির্মমভাবে হত্যা করছে। বনের পশু-পাখিরাও এ রকম পরস্পরকে হত্যা করে না। তখন লেখক আবার বন বিভাগের চাকরিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। লেখকের কাছে এ শহরের সভ্য মানুষের চেয়ে বনে বসবাসকারী অশিক্ষিত মূর্খ মানুষকে অধিক গ্রহণযোগ্য মনে হয়। 'বনমানুষ' গল্পটি সংকীর্ণ ধর্ম-পরিচয়মুক্ত মানবিক বোধসম্পন্ন চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে সহায়তা করে; কারণ ধর্ম নিয়ে মানুষে সংঘাত মানুষ পরিচয়টিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। কেননা জীব হিসেবে মানুষ অন্য সব প্রাণীর তুলনায় জ্ঞান, বুদ্ধি ও সৃষ্টিশীলতায় শ্রেষ্ঠ

আবু ইসহাক:
- আবু ইসহাকের জন্ম শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে, ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।

আবু ইসহাক রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি'
দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার
ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী! - পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. সুকুমার বড়ুয়া
  2. কায়কোবাদ
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. রজনীকান্ত সেন
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
ফুলের ফসল
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

জোটে যদি মোটে একটি পয়সা
খাদ্য কিনিয়ো ক্ষুধার লাগি'
দুটি যদি জোটে অর্ধেকে তার
ফুল কিনে নিয়ো, হে অনুরাগী!

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কবি ও ছান্দসিক।
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- তুলির লিখন,
- হোমশিখা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিক,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি প্রদান করেন কে?
  1. রাজা কৃষ্ণনাথ
  2. রাজা কীর্তিচন্দ্র রায়
  3. রাজা লক্ষ্মণ সেন
  4. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর: 
- মঙ্গলযুগ তথা মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি। 
- তিনি ১৭১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ করেন। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।  রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন। 
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন। 
- তিনি ১৭৬০ সালে ৪৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) এবং লাল নীল দীপাবলি (হুমায়ুন আজাদ)।
১২.
'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা' সংকলনের প্রধান সংগ্রাহক কে ছিলেন?​
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর​
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা:
- পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন।
- মুখে মুখে রচিত ও লোকসমাজে প্রচলিত এর পালাগুলি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফরিদপুর, সিলেট (শ্রীহট্ট), ত্রিপুরা প্রভৃতি অঞ্চল থেকে পালাগুলি সংগৃহীত হয়েছে।
- এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীম উদ্‌দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।
- সংগৃহীত পালাগুলির সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক।
- ১৯১৩ সাল থেকে চন্দ্রকুমার দে প্রথম এ ধরনের লোকগাথা প্রকাশ করতে থাকেন। দীনেশচন্দ্র সেন সেগুলি পড়ে আকৃষ্ট হন এবং চন্দ্রকুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁর সহযোগিতায় পল্লী অঞ্চলের কৃষকদের কাছ থেকে বেশ কিছু গাথা সংগ্রহ করে দীনেশচন্দ্র ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থসাহায্যে পূর্ববঙ্গ-গীতিকা নামে সেগুলি প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'সব্যসাচী' কোন উপন্যাসের প্রধান চরিত্র?
  1. পথের দাবী
  2. শেষ প্রশ্ন
  3. দেনা-পাওনা
  4. দেবদাস
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
ব্যাখ্যা
'পথের দাবী' উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস - পথের দাবী।
- পথের দাবী (১৯২৬) একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। কাহিনীর পটভূমি ব্রহ্মদেশ।
- এক গুপ্ত দলের নায়ক সব্যসাচী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রসবিহারীবসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
- ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- বঙ্গবাণী পত্রিকার ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে 'পথের দাবি' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং শরৎ রচনাবলী।
১৪.
সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
  1. সাঁঝের মায়া
  2. তাহারেই পড়ে মনে
  3. জন্মেছি এই দেশে
  4. বাসন্তী
সঠিক উত্তর:
বাসন্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসন্তী
ব্যাখ্যা
সুফিয়া কামাল:
- তিনি ছিলেন কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আবদুল বারি এবং মাতা সৈয়দা সাবেরা খাতুন।
- 'সওগাত' সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪) ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশ করেন।
- তিনি 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালে ‘মহিলা সংগ্রাম পরিষদ’ (বর্তমানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি তার প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন এবং আজীবন তিনি এর সঙ্গে জড়িত থাকেন। তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়।

সুফিয়া কামাল রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলা ভাষার উদ্ভব কোন শতকে ঘটেছে?​
  1. ৮ম শতক
  2. ৭ম শতক
  3. ৬ষ্ঠ শতক
  4. ৫ম শতক
সঠিক উত্তর:
৭ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম শতক
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ:
- বাংলা ভাষা হাজার বছরের পুরনো। বাংলা ভাষার উৎসমূলে যে ভাষার সন্ধান পাওয়া যায়, তার নাম ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা।
- আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে ইউরোপের মধ্যভাগ হতে দক্ষিণ-পূর্বাংশ ভূভাগে ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা প্রচলিত ছিল। - এ ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষাই হলো বাংলা ভাষার আদি উৎস। তবে এ আদি উৎস থেকে বিবর্তনের পরবর্তী ধাপেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়নি।
- ভাষার স্বাভাবিক পরিবর্তন ও বিবর্তনের ধারায় অনেক কাল ধরে অনেকগুলো স্তর পেরিয়ে সপ্তম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে। তবে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল নির্ণয়ে পণ্ডিতগণের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে, বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ। আর ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দকে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল বলে মনে করেন।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৬.
কোনটি মধ্যস্বরলোপ ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. গাহিল > গাইল
  2. আইজ > আজ
  3. চাহিল > চাইল
  4. আজি > আজ
সঠিক উত্তর:
আইজ > আজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ > আজ
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন: বসতি বস্তি, জানালা > জাল্লা ইত্যাদি।

আদিস্বরলোপ:
যেমন: অলাবু > লাবু > লাউ, উদ্ধার > উধার > ধার।

মধ্যস্বর লোপ:
যেমন: অগুরু > অগ্নু, সুবর্ণ > স্বর্ণ, চাউল > চাল, আইজ > আজ

অন্ত্যস্বর লোপ:
যেমন: আশা > আশ, আজি > আজ, চারি > চার।

অন্যদিকে,
হ-কার লোপ - চাহিল > চাইল, গাহিল > গাইল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
'চুলোয় যাওয়া' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. পালিয়ে যাওয়া
  2. নষ্ট হওয়া
  3. নাছোড়বান্দা
  4. বেহায়া
সঠিক উত্তর:
নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নষ্ট হওয়া
ব্যাখ্যা
• 'চুলোয় যাওয়া' বাগ্‌ধারার অর্থ - নষ্ট হওয়া

অন্যদিকে,
ডুব মারা - পালিয়ে যাওয়া।
চিনে জোঁক - নাছোড়বান্দা।
চশমখোর - বেহায়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
'মজুরি' শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. আরবি
  2. সংস্কৃত
  3. ফারসি
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'মজুরি' শব্দটি 'ফারসি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- পারিশ্রমিক।

ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ:
গ্রেফতার, দারোগা, সাদা, আসমান, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৯.
'পদচ্যুত' শব্দটি কোন তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. পঞ্চমী
  2. তৃতীয়া
  3. চতুর্থী
  4. দ্বিতীয়া
সঠিক উত্তর:
পঞ্চমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চমী
ব্যাখ্যা
পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।

যেমন:
- খাঁচা থেকে ছাড়া = খাঁচাছাড়া,
- বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত,
- পদ থেকে চ্যুত = পদচ্যুত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
ভাষার চারটি মৌলিক উপাদান কী কী?
  1. ধ্বনি, শব্দ, অর্থ, বর্ণ
  2. শব্দ, বাক্য, অর্থ, বর্ণ
  3. ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, বর্ণ
  4. ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ
ব্যাখ্যা
ধ্বনি:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে তার যে অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তা-ই ধ্বনি। মানুষের বাগ্যন্ত্রের সহায়তায় উচ্চারিত ধ্বনি থেকেই ভাষার সৃষ্টি।
- বস্তুত ভাষাকে বিশ্লেষণ করলে চারটি মৌলিক উপাদান পাওয়া যায়। এই উপাদানগুলো হলো-ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ
- মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য 'কথা' বলে। মানুষের 'কথা' হলো অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি।
- ব্যাকরণ শাস্ত্রে মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত শব্দ বা আওয়াজকেই ধ্বনি বলা হয়। বস্তুত অর্থবোধক ধ্বনিসমূহই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি। ধ্বনিই ভাষার মূল ভিত্তি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
২১.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদের উদাহরণ?
  1. বিশ্বস্ত
  2. বিশ্বাসী
  3. বিশ্বাস
  4. বিশ্বাস্য
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাস
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য পদের উদাহরণ - বিশ্বাস
- এটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- সত্য বলে বিবেচনা।

অন্যদিকে,
- বিশ্বাস্য, বিশ্বাসী, বিশ্বস্ত - বিশেষণ পদের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২২.
শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ষৎ + নবতি = ষণ্ণবতি
  2. তৎ + নিষ্ঠ = তন্নিষ্ঠ
  3. এতদ্ + ঢক্কা = এতড্‌ঢক্কা
  4. চিন্‌ + ময় = চিন্ময়
সঠিক উত্তর:
এতদ্ + ঢক্কা = এতড্‌ঢক্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতদ্ + ঢক্কা = এতড্‌ঢক্কা
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• ত্ [ৎ] কিংবা দ্-এর পরে ড্ কিংবা ঢ্‌ থাকলে ত্ বা দ্‌ স্থানে ড্‌ হয়।

যেমন:
- এতদ্ + ঢক্কা = এতড্‌ঢক্কা,
- উৎ + ডীয়মান = উড্ডীয়মান,
- উৎ + ডীন = উড্ডীন।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদের শুদ্ধরূপ:
- ষট্ + নবতি = ষণ্ণবতি,
- চিৎ + ময় = চিন্ময়,
- তদ্ + নিষ্ঠ = তন্নিষ্ঠ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
কোনটি সমাস-ঘটিত অশুদ্ধ?
  1. অনাটন
  2. বলিষ্ঠতর
  3. আরক্তিম
  4. অহর্নিশি
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশি
ব্যাখ্যা
• সমাস-ঘটিত অশুদ্ধ - অহর্নিশি
- এর শুদ্ধরূপ - অহর্নিশ।

অন্যদিকে,
- সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধ - আরক্তিম। এর শুদ্ধরূপ - আরক্ত/রক্তিম।
- উৎকর্ষবাচক-তর, -তম প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধ - বলিষ্ঠতর। এর শুদ্ধরূপ - বলিষ্ঠ।
- সন্ধি বিষয়ক অশুদ্ধ - অনাটন। এর শুদ্ধরূপ - অনটন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
'সোম' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. সূর্য
  2. চাঁদ
  3. পানি
  4. আগুন
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
ব্যাখ্যা
'চাঁদ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু।

অন্যদিকে,
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অর্ক, তপন, আদিত্য, আফতাব, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, বালার্ক, রবি, সবিতা ইত্যাদি।

‘পানি’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জল, সলিল, নীর, পয়ঃ, বারি, অপ, উদক, জীবন, অম্বু।

'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ:  
- অনল, বহ্নি, বৈশ্বানর, হুতাশন, পাবক, দহন, সর্বভুক, অগ্নি, পিঙ্গল, হিমারতি, বায়ুসখা, শুচি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৫.
'এখন ভরদুপুর, একটু পরে বের হও।' - বাক্যে উপসর্গযুক্ত শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. সংস্কৃত
  2. বাংলা
  3. ফারসি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• 'এখন ভরদুপুর, একটু পরে বের হও।' বাক্যে 'ভরদুপুর' শব্দটি 'ভর' বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত।
- 'ভর' শব্দযোগে গঠিত শব্দ - ভরপুর, ভরপেট, ভরদুপুর, ভরসন্ধ্যা, ভরদিন, ভরসাঁঝ।

খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৬.
'জিভের দ্বারা যা উচ্চারিত হয়' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. লস্কর
  2. জবানি
  3. জুগুপ্সা
  4. জিগীষা
সঠিক উত্তর:
জবানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানি
ব্যাখ্যা
• 'জিভের দ্বারা যা উচ্চারিত হয়' এর এক কথায় প্রকাশ - জবানি

অন্যদিকে,
গোপন করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা।
জয় করার ইচ্ছা - জিগীষা।
জাহাজের খালাসি - লস্কর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
'তুহিন' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. তুষার
  2. জাগরণ
  3. হিম
  4. উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণতা
ব্যাখ্যা
• 'তুহিন' এর বিপরীতার্থক শব্দ - উষ্ণতা

উল্লেখ্য,
- 'তুহিন' শব্দের অর্থ - বরফ, তুষার, হিম
- 'উষ্ণতা' শব্দের অর্থ - তাপ, তাপমাত্রা।

অন্যদিকে,
তন্দ্রা - জাগরণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৮.
Who wrote the poem "Resolution and Independence"?
  1. Lord Byron
  2. William Hazlitt
  3. Alfred Tennyson
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• The poem "Resolution and Independence" was written by ঘ) William Wordsworth

• Resolution and Independence
- "Resolution and Independence" is a powerful and reflective poem written by William Wordsworth.
- তিনি এই কবিতাটি ১৮০২ সালে রচনা করেন এবং এটি ১৮০৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি গভীর ব্যক্তিগত ও দার্শনিক কবিতা, যেখানে কবি আত্মজীবনী, প্রকৃতির রূপ এবং নৈতিক শক্তিকে একত্রে মিশিয়ে উপস্থাপন করেছেন।

• Summary:
- এই কবিতায় কবি প্রথমে প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন। বর্ষার পর সকালে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশ দেখে তার মন আনন্দে ভরে ওঠে। কিন্তু হঠাৎ করেই তার মন বিষণ্ন হয়ে পড়ে। তিনি ভাবতে থাকেন—কবি হিসেবে জীবন কত অনিশ্চিত, এবং অনেক বিখ্যাত কবিদের মতো তাকেও দুঃখ ও নিঃসঙ্গতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

- এই দুশ্চিন্তার মধ্যেই তিনি এক বৃদ্ধ লিচ সংগ্রাহকের সঙ্গে দেখা করেন। সেই মানুষটি চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও জীবনের প্রতি আশাবাদী, ধৈর্যশীল ও দৃঢ়চেতা। তার এই মনের জোর ও আত্মনির্ভরতার প্রতিচ্ছবি দেখে কবি উদ্বুদ্ধ হন। তিনি উপলব্ধি করেন যে, জীবনের কষ্টকে সাহসিকতা ও অধ্যবসায় দিয়ে মোকাবিলা করাই সত্যিকারের “resolution (সঙ্কল্প)” এবং “independence (স্বনির্ভরতা)”।

• Famous Lines:
- "We Poets in our youth begin in gladness;
But thereof come in the end despondency and madness."

বাংলা অনুবাদ:
- "আমরা কবিরা যৌবনে আনন্দে শুরু করি,
কিন্তু তার শেষ আসে হতাশা আর উন্মাদনায়।"

• William Wordsworth (1770–1850)
- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• Notable works of William Wordsworth:
- Lyrical Ballads,
- The Daffodils,
- Resolution and Independence,
- Lucy Poems,
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- The Excursion,
- Michael,
- Ode on Immortality,
- To the Cuckoo,
- The Prelude,
- The Recluse, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
২৯.
"Life is but a walking shadow."
This is taken from William Shakespeare's-
  1. Hamlet
  2. Julius Caesar
  3. Macbeth
  4. All’s Well That Ends Well
সঠিক উত্তর:
Macbeth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Macbeth
ব্যাখ্যা
• "Life is but a walking shadow."
- This is taken from William Shakespeare's- গ) Macbeth
- Shakespeare -এর বিখ্যাত নাটক 'Macbeth' -এ এই উক্তিটি করেছেন Macbeth.

• Macbeth:
- Macbeth, one of Shakespeare's greatest tragedies, tells the story of the fall of a Scottish nobleman.
- এই tragedy টি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে রচিত এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত tragedy হচ্ছে এটি।
- এই নাটকটি Shakespeare's Scottish Play নামেও পরিচিত।
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan -এর একজন বিশ্বস্ত General.
- স্ত্রীর কুমন্ত্রনায় Macbeth রাজাকে হত্যা করেন।
- পরবর্তীতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে Lady Macbeth অনুতপ্ত হয় এবং অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে পাগল হয়ে যায়।
- ধারণা করা হয় Macbeth নাটকটি The Gunpowder Plot of 1605 (King James-1 of England and VI of Scotland -কে হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা) উপর ভিত্তি করে লেখা।

• The main characters of Macbeth:
- Macbeth,
- Lady Macbeth,
- Duncan,
- Banquo,
- Three Witches, etc.

• Some other famous quotations from Macbeth:
- 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand.'
- 'Fair is foul, and foul is fair.'
- 'Life is but a walking shadow.'
- 'What's done cannot be undone'
- 'Life is a tale told by an idiot.'
- 'Your face is a book, where man may read strange matters.'

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩০.
Which of the following is a play by G. B. Shaw?
  1. A Doll's House
  2. Saint Joan
  3. The Hairy Ape
  4. Much Ado About Nothing
সঠিক উত্তর:
Saint Joan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Saint Joan
ব্যাখ্যা
• 'Saint Joan'  is a play by G. B. Shaw.

• Saint Joan

- Saint Joan, a chronicle play in six scenes and an epilogue by George Bernard Shaw.
- নাটকটি ১৯২৩ সালে মঞ্চায়িত করা হয়েছিল এবং প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
- নাটকের কাহিনী ঐতিহাসিক ঘটনাবলীকে অনুসরণ করে লেখা।
- "Saint Joan" হলো ফরাসি কিশোরী Joan of Arc -এর জীবনের উপর ভিত্তি করে রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক।
- Joan ছিলেন একজন সাধারণ কৃষককন্যা, যিনি বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বরের পক্ষ থেকে তিনি নির্দেশ পাচ্ছেন ফ্রান্সকে ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য।
- তিনি রাজপুত্র চার্লস VII-কে রাজমুকুট লাভে সহায়তা করেন এবং ফরাসি সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়ে একাধিক যুদ্ধে জয়ী হন।
- কিন্তু পরে, রাজনীতি ও ধর্মীয় নেতাদের ষড়যন্ত্রে তিনি বিদ্রোহী ও ধর্মদ্রোহী হিসেবে অভিযুক্ত হন এবং তাকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়।
- It was inspired by the canonization of Joan of Arc in 1920, nearly five centuries after her death in 1431.
- Joan is the personification of the tragic heroine; her martyrdom embodies the paradox that humans fear—and often kill—their saints and heroes.

• Important characters:
- Joan (জোয়ান) – সাহসী, ধার্মিক, ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন কিশোরী,
- Charles VII (চার্লস) – দুর্বল-চরিত্র রাজপুত্র,
- Cauchon (কুশঁ) – ধর্মীয় নেতা, জোয়ানের বিচারক,
- Inquisitor – ধর্মীয় আদালতের প্রতিনিধি,
- Dunois & La Hire – সৈন্য ও জোয়ানের সমর্থক।

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- St. Joan of Arc (Saint Joan),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Man and Superman (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue), etc.

• অন্যদিকে,
- 'A Doll's House' is a play by Henrik Ibsen.
- 'The Hairy Ape' is a play by Eugene O'Neill.
- 'Much Ado About Nothing' is a play by William Shakespeare.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩১.
'In Memoriam' was written by the author of-
  1. Ulysses
  2. Daffodils
  3. Ode to the West Wind
  4. Tintern Abbey
সঠিক উত্তর:
Ulysses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ulysses
ব্যাখ্যা
• 'In Memoriam' was written by the author of 'Ulysses'.
- এই দুইটি কবিতাই লিখেছেন Victorian period -এর বিখ্যাত কবি Alfred, Lord Tennyson.

• In Memoriam A.H.H (Elegy)
- Alfred Tennyson এর রচিত 'In Memoriam' ইংরেজি সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ Elegy বা শোকগাথা।
- তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যুকে কেন্দ্রকে তিনি এই শোকগীতিটি রচনা করেছেন।
- জীবন, মৃত্যু ও মরণোত্তর জীবনের ছবি তিনি খুব সুন্দরভাবে কবিতাটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন।

• Ulysses (poem)
- The poem is written in blank-verse.
- কবিতাটি ১৮৩৩ সালে লেখা এবং was  published in the two-volume collection Poems (1842).
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• Alfred, Lord Tennyson (1809-1892):
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।

• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Tithonus,
- Ulysses,
- Mariana,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- The Two Voices,
- A Dream of Fair Women,
- The Princess, etc.

• অন্যদিকে,
- "Daffodils" – কবিতাটি লিখেছেন William Wordsworth.
- "Ode to the West Wind" –কবিতাটি লিখেছেন P. B. Shelley.
- "Tintern Abbey" –কবিতাটি লিখেছেন Wordsworth.

• Note: Ulysses (novel) নামে Irish writer James Joyce একটি উপন্যাস লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
৩২.
Alexander Pope belongs to-
  1. Victorian period
  2. Neoclassical period
  3. Elizabethan period
  4. Modern period
সঠিক উত্তর:
Neoclassical period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neoclassical period
ব্যাখ্যা
• Alexander Pope belongs to খ) Neoclassical period

• Alexander Pope (1688-1744):
- তিনি Neo-Classical Period- এর 'Augustan Age' -এর একজন কবি ও satirist.
- তার নাম অনুসারে Augustan Age -এর নামকরণ করা হয় 'Age of Pope'.
- তিনি 'Mock Heroic Poet' নামে পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। 
- তিনি গ্রিক কবি Homer -এর কালজয়ী সৃষ্টি 'The Iliad' & 'The Odysse' কাব্যগ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

• Notable Works:
- The Rape of the Lock,
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- Windsor,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- The Imitation of Horace, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৩.
"What time is it?"
In this sentence, 'What' is a/an-
  1. Preposition
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা
• "What time is it?"
In this sentence, 'What' is an Adjective.

- What এখানে 'time' noun টিকে modify করায় Adjective হয়েছে।
- As an adjective, 'what' can refer to people or things.

• Interrogative Adjective
- Interrogative pronoun যখন adjective -রূপে কাজ করে তখন তাকে Interrogative adjective বলে।
- অর্থাৎ, Interrogative pronoun (What, Which. whose etc.) গুলো যখন Noun এর পূর্বে বসে প্রশ্ন করে (noun টিকে modify করে) তখন সেগুলো adjective-এর কাজ করে, তাই এরা Interrogative adjective.
- Interrogative adjective হলো এক প্রকার Pronominal Adjective.

• More Examples:

1. Which book do you want?
2. What colour do you like best?

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৩৪.
He’s not someone to argue with.
Here, the underlined phrase is-
  1. A noun phrase
  2. An adverb phrase
  3. An adjective phrase
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
An adjective phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An adjective phrase
ব্যাখ্যা
• He’s not someone to argue with.
- Here, the underlined phrase is - গ) An adjective Phrase

- He’s not someone to argue with.
- Bangla Meaning: সে এমন লোক নয়, যার সঙ্গে তর্ক করা যায়।
- এখানে underlined phrase টি ‘someone’- pronoun টিকে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase.

• এখানে - To হচ্ছে infinitive marker, Preposition নয়। তাই, Underlined Phrase টিকে Phrase preposition বলা যাবে না।
- In English grammar, the "infinitive marker" is the word "to" that is used before a verb to form the infinitive form of that verb.

• More examples:
- This is a book to learn from.
- She is extremely talented.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ, কোনো Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।
৩৫.
Choose a synonym for the word 'Vengeance'.
  1. Leniency
  2. Auspicious
  3. Retribution
  4. Offence
সঠিক উত্তর:
Retribution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Retribution
ব্যাখ্যা
• A synonym for the word 'Vengeance' is - গ) Retribution

• Vengeance (Noun)
- English meaning: Punishment inflicted or retribution exacted for an injury or wrong.
- Bangla Meaning: প্রতিশোধ; প্রতিহিংসা।

• Given options:
ক) Leniency - নম্রতা; ধৈর্য; ইচ্ছাপূরণ।
খ) Auspicious -  সুপ্রসন্ন; মঙ্গলজনক; অনুকূল।
গ) Retribution - প্রতিফল;  প্রতিশোধ; কুকর্মের শাস্তি।
ঘ) Offence - অপরাধ; দোষ; পাপ। (not synonym)

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে বোঝা যাচ্ছে, Retribution শব্দটি Vengeance এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৩৬.
The couple is partial ___ long walks on the beach.
  1. of
  2. on
  3. with
  4. to
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• The couple is partial to long walks on the beach.
- Bangla Meaning:দম্পতিটি সমুদ্রসৈকতে দীর্ঘ হাঁটাহাঁটি করতে পছন্দ করে।

• Partial to
- English Meaning: favouring one side in a dispute above the other; biased.
- Bangla Meaning: বিশেষ পছন্দ বা অনুরাগী; পক্ষপাতদুষ্ট।

• পক্ষপাতদুষ্ট/ বিশেষ পছন্দ বা অনুরাগী অর্থে Partial এর সাথে preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- She is partial to chocolate ice cream.
- He's partial to early morning walks.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৩৭.
What is the noun form of the word “respond”?
  1. Response
  2. Responding
  3. Responded
  4. Responsive
সঠিক উত্তর:
Response
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Response
ব্যাখ্যা
• The noun form of the word “respond” is - ক) Response.

• Response (noun)
- English Meaning: a verbal or written answer; a reaction to something.
- Bangla Meaning: সাড়া; উত্তর; জবাব।

• Other forms:
- respond (verb) - সাড়া দেওয়া।
- responded (past participle)
- responding (gerund or present participle)

• অন্যদিকে, 
- Responsive (adjective) - প্রতিবেদনশীল; সাড়া দেয় এমন।
- Responsiveness (noun) - সংবেদনশীলতা; প্রভাবপ্রবণতা।
- Responsively (adverb) - প্রতিক্রিয়াশীলভাবে; সংবেদনশীলভাবে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৩৮.
The passive voice of: "Who is knocking at the door?"
  1. By whom the door being knocked at?
  2. By whom is the door being knocked at?
  3. Who is at the door being knocked?
  4. To whom is the door being knocked by?
সঠিক উত্তর:
By whom is the door being knocked at?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom is the door being knocked at?
ব্যাখ্যা
• Active voice: Who is knocking at the door?
• Passive voice: By whom is the door being knocked at?

• Who যুক্ত Interrogative Sentence -এর Active voice কে Passive voice করার নিয়ম:
- Who -এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- তারপর tense ও person অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- Auxiliary Verb দুইটি হলে প্রথমটি subject -এর আগে এবং দ্বিতিয়টি subject -এর পরে বসে।
- Active voice -এর object টি passive voice -এর subject হিসেবে বসে।
- মূল verb -এর past participle + verb -এর সাথে সংযুক্ত preposition + (?) বসে।

• More examples:
- Active: Who is calling me?
- Passive: By whom am I being called?

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৩৯.
The chief advisor gave him the award in absentia.
Here, 'in absentia' means-
  1. posthomously
  2. in presence
  3. in absence
  4. in advance
সঠিক উত্তর:
in absence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in absence
ব্যাখ্যা
• The chief advisor gave him the award in absentia.
- Here, 'in absentia' means- গ) in absence

• In absentia (adverb) [Latin phrase]
- English Meaning: in absence; while not present at the event being referred to.
- Bangla Meaning: অনুপস্থিতিতে; অনুপস্থিতিকালে।

• Ex. Sentence: The chief advisor gave him the award in absentia.
- Bangla Meaning: প্রধান উপদেষ্টা তার অনুপস্থিতিতে তাকে পুরস্কার দেন।

• অন্যদিকে,
- posthomously (after death)- মরণোত্তর।
- in presence - উপস্থিতিতে।
- in advance - আগাম।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৪০.
Identify the singular form of 'Genera':
  1. Generum
  2. Genus
  3. Genies
  4. Genii
সঠিক উত্তর:
Genus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genus
ব্যাখ্যা
• The singular form of 'Genera' is - খ) Genus

• Genus: [singular]
- English meaning: a group of animals or plants, more closely related than a family, but less similar than a species.
- Bangla meaning: (১) (জীববিদ্যা) প্রাণী বা উদ্ভিদের গণ। (২) প্রকার, জাত; শ্রেণি।

- Plural form: Genera/Genuses.

• Other options:
- Genies/ Genii [plural of genie] - জিন; দৈত্য; ভূত; প্রেত ;আত্মা।
- Generum ভুল শব্দ।

Source: 
1. English-Bangla Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪১.
Select the correct sentence:
  1. Neither of the novel was available in the library.
  2. Neither of the novel were available in the library.
  3. Neither of the novels were available in the library.
  4. Neither of the novels was available in the library.
সঠিক উত্তর:
Neither of the novels was available in the library.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neither of the novels was available in the library.
ব্যাখ্যা
• Correct sentence: Neither of the novels was available in the library.
- Bangla Meaning: উপন্যাস দুটির কোনটিই লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছিল না।

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।
- Neither + of + plural noun + singular verb.

• More Examples:
- Neither of the two men was strong.
- Neither of the students has submitted the term paper to the teacher yet.
৪২.
Identify the correct spelling:
  1. Conveyance
  2. Conveyence
  3. Conviyance
  4. Convayance
সঠিক উত্তর:
Conveyance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conveyance
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is: ক) Conveyance

• Conveyance (Noun)
- English Meaning: The action or process of transporting or carrying someone or something from one place to another.
- Bangla Meaning: পরিবহন; যানবাহন; হস্তান্তরকরণ।

• Ex. Sentence:
The hotel offers free conveyance to and from the airport for its guests.
- Bangla Meaning: হোটেলটি তার অতিথিদের বিমানবন্দরে আসা-যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করে।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
৪৩.
____ her illness, she went to college.
  1. Although
  2. Inspite
  3. Despite
  4. Over
সঠিক উত্তর:
Despite
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Despite
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: Despite her illness, she went to college.
- Bangla meaning: অসুস্থতা সত্ত্বেও, সে কলেজে গিয়েছিল।

• Despite [In spite of}
- "Despite" (সত্ত্বেও) is a preposition meaning "without being affected by" and is followed directly by a noun/pronoun/noun phrase (no "of" needed).
- অর্থাৎ, সত্ত্বেও অর্থে preposition হিসেবে Despite বা In spite of ব্যবহৃত হয়।

• অন্যদিকে,
- "Although" is a conjunction and requires a clause (Although she was ill, she went to college.)
- অর্থাৎ, Although এর পরে clause বসে।
- "Over" doesn’t fit the context.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৪.
Identify the correct simple sentence for:
"He studied hard so that he could pass the exam."
  1. He studied hard to pass the exam.
  2. He studied hard as he willing to pass the exam.
  3. Studied hard, he passed the exam.
  4. He studied hard because he wanted to pass.
সঠিক উত্তর:
He studied hard to pass the exam.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He studied hard to pass the exam.
ব্যাখ্যা
• Complex: He studied hard so that he could pass the exam.
• Simple: He studied hard to pass the exam.

• So that যুক্ত complex sentence কে simple করার নিয়ম:
- প্রদত্ত sentence -এর প্রথম থেকে so এর পূর্ব পর্যন্ত বসে।
- so that থেকে many/might/can/could/ পর্যন্ত উঠে যায়।
- to বসে,
- প্রদত্ত sentence -এর বাকি অংশ বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৪৫.
Choose the word opposite in meaning to “Melancholy”.
  1. Thoughtful
  2. Expressive
  3. Fetid
  4. Exuberance
সঠিক উত্তর:
Exuberance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Exuberance
ব্যাখ্যা
• The word opposite in meaning to “Melancholy” is - ঘ) Exuberance

• Melancholy (noun, adjective)
- English meaning: a feeling of pensive sadness, typically with no obvious cause.
- Bangla meaning: বিষাদ; বিষণ্ণ; হতাশা; মানসিক অবসাদ; হতাশা; বিষাদগ্রস্ত।

• Given options: 
ক) Thoughtful - চিন্তাশীল; বিবেচক; চিন্তিত; চিন্তাপূর্ণ; চিন্তানিমগ্ন।
খ) Expressive -  সুস্পষ্ট রূপে প্রকাশক।
গ) Fetid - তীব্র দূর্গন্ধময়।
ঘ) Exuberance - উদ্দীপনা; সমৃদ্ধি; উচ্ছ্বাস; প্রাচুর্য।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The word opposite in meaning to “Melancholy” is - ঘ) Exuberance

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৬.
She is scared of flying in airplanes.
Here, the underlined word does the function of-
  1. Main verb
  2. Present Participle
  3. Gerund
  4. Present continuous
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা
• She is scared of flying in airplanes.
- Here, the underlined word does the function of- গ) Gerund

- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'flying' একটি gerund কারণ এটি বাক্যে 'of' preposition -এর object হিসেবে বসেছে।
- Flying acts as a noun (gerund) – the thing she fears.

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- Preposition -এর পরে Verb+ing বসলে তা Gerund হয়।

• More examples:
- He is tired of studying all night.
- He is fond of swimming.

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৪৭.
The cricket match proved to be a big draw.
Here, the underlined phrase refers to-
  1. A lovely match
  2. A keen contest
  3. A huge attraction
  4. A game without any result
সঠিক উত্তর:
A huge attraction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A huge attraction
ব্যাখ্যা
• The cricket match proved to be a big draw.
- Here, the underlined phrase refers to গ) A huge attraction

• A big draw/draw a big/large crowd
- English Meaning: to cause a lot of people to come; something or someone is a huge attraction or draws a lot of people.
- Bangla Meaning: বড় আকর্ষণ; এমন কিছু যা প্রচুর দর্শক বা আগ্রহ আকর্ষণ করে।

• যেমন:
The cricket match proved to be a big draw.
- Bangla Meaning: ক্রিকেট ম্যাচটি একটি বড় আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল।

Other Options:
- A lovely match - একটি সুন্দর ম্যাচ।
- A keen contest - একটি তীব্র প্রতিযোগিতা।
- A game without any result - ফলাফলহীন খেলা।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৪৮.
Complete the sentence: She would rather ___ science than history.
  1. had studied
  2. have studied
  3. studied
  4. studying
সঠিক উত্তর:
have studied
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have studied
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: She would rather have studied science than history.
- Bangla Meaning: তার ইতিহাস না পড়ে বিজ্ঞান পড়াই বরং ভালো ছিল।

• would rather
- কোনো কিছু করা বরং ভালো অর্থে would rather + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।
- would rather দিয়ে দুটি কাজের মধ্যে দ্বিতীয়টির চেয়ে প্রথমটি শ্রেয়, এ রকম বোঝায়।
- Structure: Sub + would rather + verb এর present form + than + verb/noun.
- যেমন: He would rather be honest than deceive others.

• তবে অতীতে কোনো কিছু করা বরং ভালো ছিল অর্থে would rather have + verb -এর past participle ব্যবহৃত হয়।
- তাই অপশন অনুসারে অতীতকাল ধরে have studied সঠিক উত্তর নিতে হবে।
- যেমন: She would rather have studied science than history.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৪৯.
Identify the sentence where the word 'down' is an adverb:
  1. They downed the enemy helicopter.
  2. Please write down the phone number.
  3. Down went the submersible Titan.
  4. The ball was down.
সঠিক উত্তর:
Down went the submersible Titan.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Down went the submersible Titan.
ব্যাখ্যা
• The sentence is-
গ) Down went the submersible Titan. (ডুবোজাহাজ টাইটান ডুবেই গেল।)

- এই বাক্যে, "down" একটি  adverb হিসেবে কাজ করছে যা "went" - verb টিকে modify করছে।
- অর্থাৎ, Titan -এর অবস্থান নির্দেশ করছে যে ডুবে নিচে চলে গেছে (নিম্নগামী হওয়া)।

• down শব্দটি বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Other options:
ক) They downed the enemy helicopter.
- Here, "down" is a verb (meaning to shoot down).

খ) Please write down the phone number.
- Here, "down" is part of the phrasal verb "write down" (লেখে রাখা).

ঘ) The ball was down.
- Here, "down" acts as an adjective (describing the ball's position).

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
৫০.
Rashed cannot but ___ (do) it.
  1. do
  2. to do
  3. doing
  4. done
সঠিক উত্তর:
do
উত্তর
সঠিক উত্তর:
do
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Rashed cannot but do it.
- Bangla meaning: রাশেদ এটি না করে পারে না।

• Cannot help/ Cannot but
- কেউ কোনো কিছু না করে পারে না অর্থে Cannot help/ Cannot but ব্যবহৃত হয়।
- Cannot help -এরপর gerund (verb+ing) বসে।
- Cannot but -এরপর verb -এর base form বসে।

• যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে Cannot but রয়েছে, তাই শূন্যস্থানে do বসবে।

• More examples:
- I cannot but laugh.
- I cannot help going there.
৫১.
What did you eat for ___ breakfast this morning?
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article
সঠিক উত্তর:
no article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
no article
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: What did you eat for breakfast this morning?
- Bangla Meaning: আজ সকালে নাস্তায় তুমি কী খেয়েছো?

• Article -এর নিয়মানুযায়ী,
- খাবার (meals) breakfast, lunch, dinner, ইত্যাদির পূর্বে article (a/an) বসে না।
- তবে খাবারের (meals) পূর্বে Adjective থাকলে অথবা বিশেষার্থে এদের পূর্বে article (a/an) বসে।
- যেমন: We had a good breakfast yesterday.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৫২.
একটি বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা ২৭ হলে, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত?
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা ২৭ হলে, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ”ক” হলে কর্ণের সংখ্যা = {ক(ক - ৩)}/২

প্রশ্নমতে,
{ক(ক - ৩)}/২ = ২৭
⇒ ক - ৩ = ৫৪
⇒ ক - ৩ক - ৫৪ = ০
⇒ ক - ৯ক + ৬ক - ৫৪ = ০
⇒ ক(ক - ৯) + ৬(ক - ৮) = ০
⇒ (ক - ৯)(ক + ৬) = ০
∴ ক = ৯ অথবা -৬
কিন্তু বাহুর সংখ্যা ঋণাত্মক পারে না।

∴ বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ৯ টি
৫৩.
3(x + 4) - 3(x + 2) = 8 হলে, x এর মান কত?
  1. 9
  2. - 3
  3. 3
  4. - 2
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3(x + 4) - 3(x + 2) = 8 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
3(x + 4) - 3(x + 2) = 8
⇒ (3x × 34) - (3x × 32) = 8
⇒ 3x × (34 - 32) = 8
⇒ 3x × (81 - 9) = 8
⇒ 3x × 72 = 8
⇒ 3x = 8/72
⇒ 3x = 1/9
⇒ 3x = 3-2
∴ x = -2
৫৪.
a + b = √7, a - b = √5 হলে, ab = ?
  1. 1/4
  2. 1/2
  3. 1/5
  4. 1/7
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = √7, a - b = √5 হলে, ab = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = √7
a - b = √5

আমরা জানি,
ab = {(a + b)/2}2 - {(a - b)/2}2
= {(√7)/2}2 - {(√5)/2}2
= 7/4 - 5/4
= (7 - 5)/4
= 2/4
= 1/2
৫৫.
একটি পরিক্ষায় ৭৫ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৪৫ জন মহিলা। মহিলাদের তিন ভাগের এক ভাগ এবং পুরুষদের এক-পঞ্চমাংশের বয়স ত্রিশ বছরের কম। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজনকে দৈবক্রমে নির্বাচিত করা হলে, নির্বাচিত ব্যক্তির বয়স ত্রিশ বছরের কম হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৭/২৫
  2. ১১/২৭
  3. ৯/৩৫
  4. ৫/৩২
সঠিক উত্তর:
৭/২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পরিক্ষায় ৭৫ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৪৫ জন মহিলা। মহিলাদের তিন ভাগের এক ভাগ এবং পুরুষদের এক-পঞ্চমাংশের বয়স ত্রিশ বছরের কম। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজনকে দৈবক্রমে নির্বাচিত করা হলে, নির্বাচিত ব্যক্তির বয়স ত্রিশ বছরের কম হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
পরিক্ষায় ৭৫ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৪৫ জন মহিলা
∴ পুরুষের সংখ্যা (৭৫ - ৪৫)= ৩০ জন

মহিলাদের তিন ভাগের এক ভাগ = ৪৫/৩ = ১৫ জন
পুরুষদের এক-পঞ্চমাংশ = ৩০/৫ = ৬ জন

∴ ত্রিশ বছরের কম অংশগ্রহণকারী = ১৫ + ৬ = ২১ জন

∴ নির্বাচিত ব্যক্তির বয়স ত্রিশ বছরের কম হওয়ার সম্ভাবনা = ২১/৭৫ = ৭/২৫
৫৬.
নিহাল সাহেবের বেতন ২০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ৫% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হল?
  1. ২৫%
  2. ২০%
  3. ১৮%
  4. ১৬%
সঠিক উত্তর:
১৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিহাল সাহেবের বেতন ২০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ৫% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হল?

সমাধান:
ধরি,
নিহালের মূল বেতন = ১০০ টাকা
১০% কমানোর পর বেতন = ১০০ - ১০০ এর ২০%
= ১০০ - ১০০ এর ২০/১০০
= ১০০ - ২০
= ৮০

৫% বৃদ্ধিতে বেতন = ৮০ + ৮০ এর ৫%
= ৮০ + ৮০ এর ৫/১০০
= ৮০ + ৪
= ৮৪

ক্ষতি = (১০০ - ৮৪)
= ১৬%
৫৭.
x2 - 11x + 30 এবং 2x2 - 4x - 30 এর গ.সা.গু. কত?
  1. (x - 6)
  2. (x - 5)
  3. (x - 3)
  4. (2x - 3)
সঠিক উত্তর:
(x - 5)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - 5)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 11x + 30 এবং 2x2 - 4x - 30 এর গ.সা.গু. কত?

সমাধান:
১ম রাশি = x2 - 11x + 30
= x ^ 2 - 5x - 6x + 30
= x(x - 5) - 6(x - 5)
= (x - 5)(x - 6)

২য় রাশি = 2x2 - 4x - 30
= 2(x2 - 2x - 15)
= 2(x2 - 5x + 3x - 15)
= 2{x(x - 5) + 3(x - 5)}
= 2(x - 5)(x + 3)

নির্ণেয় গ.সা.গু. = (x - 5)
৫৮.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ। আয়তক্ষেত্রে ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার হলে, পরিসীমা কত?
  1. ৫০ মিটার
  2. ৫৬ মিটার
  3. ৬০ মিটার
  4. ৬৪ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬৪ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ। আয়তক্ষেত্রে ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার হলে, পরিসীমা কত?

সমাধান: 
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ”ক” মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = (ক × ৩) মিটার
= ৩ক মিটার

প্রশ্নমতে,
৩ক × ক = ১৯২
⇒ ৩ক = ১৯২
⇒ ক = ১৯২ ÷ ৩
⇒ ক = ৬৪
∴ ক = ৮

আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৮ মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = (৮ × ৩) মিটার
= ২৪ মিটার

∴ আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) মিটার
= ২(২৪ + ৮) মিটার
= (২ × ৩২) মিটার
= ৬৪ মিটার
৫৯.
৪ : ২৫ এর দ্বিগুণানুপাত কত?
  1. ৮ : ৫০
  2. ২ : ১২
  3. ১৬ : ৬২৫
  4. ৮ : ২৫
সঠিক উত্তর:
১৬ : ৬২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ : ৬২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪ : ২৫ এর দ্বিগুণানুপাত কত?

সমাধান:
দ্বিগুণানুপাত: কোন অনুপাতের পূর্ব ও উত্তর ও রাশির বর্গের অনুপাতকে তার দ্বিগুণানুপাত বলা হয়।

∴ ৪ : ২৫ এর দ্বিগুণানুপাত = ৪ : ২৫ = ১৬ : ৬২৫।
৬০.
৪০ + ৪১ + ৪২ + ৪৩ +...............+ ৮০ = ?
  1. ২৩২০
  2. ২৩৫০
  3. ২৪০০
  4. ২৪৬০
সঠিক উত্তর:
২৪৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ + ৪১ + ৪২ + ৪৩ +...............+ ৮০ = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
১ম পদ = ৪০
শেষ পদ = ৮০
সাধারণ অন্তর = (৪১ - ৪০) = ১

∴ পদ সংখ্যা = {(শেষ পদ - ১ম পদ)/সাধারণ অন্তর} + ১
= {(৮০ - ৪০)/১} + ১
= ৪০ + ১
= ৪১

∴ পদগুলোর সমষ্টি = {(১ম পদ + শেষ পদ) × পদ সংখ্যা}/২
= {(৪০ + ৮০) × ৪১}/২
= (১২০ × ৪১)/২
= ৬০ × ৪১
= ২৪৬০
৬১.
√(x + 5) = √x + √3 হলে x = ?
  1. 1/2
  2. 3
  3. 1/3
  4. 0
সঠিক উত্তর:
1/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √(x + 5) = √x + √3 হলে x = ?

সমাধান:
√(x + 5) = √x + √3
⇒ x + 5 = x + 3 + 2√(3x) [উভয় পাশে বর্গ করে]
⇒ 2√(3x) = 2
⇒ √(3x) = 1
⇒ 3x = 1 [পুনরায় উভয় পাশে বর্গ করে]
∴ x = 1/3
৬২.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 4√3 বর্গ সেমি হলে, ঐ ত্রিভুজের পরিসীমা কত?
  1. 12 সেমি
  2. 18 সেমি
  3. 9 সেমি
  4. 6 সেমি
সঠিক উত্তর:
12 সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 সেমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 4√3 বর্গ সেমি হলে, ঐ ত্রিভুজের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 4√3 বর্গ সে.মি

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) (বাহু)2

প্রশ্নমতে,
(√3/4) (বাহু)2 = 4√3
⇒ (1/4) (বাহু)2 = 4
⇒ (বাহু)2 = 4 × 4
⇒ (বাহু)2 = 16
∴ বাহু = 4

∴ ত্রিভুজটির পরিসীমা = (4 + 4 + 4) = 12 সেমি
৬৩.
PRIVATE শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?
  1. 3060
  2. 5040
  3. 6060
  4. 1680
সঠিক উত্তর:
5040
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5040
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: PRIVATE শব্দটির বর্ণগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায়?

সমাধান:
PRIVATE শব্দে মোট অক্ষর = 7
এবং সবগুলো অক্ষর ভিন্ন ভিন্ন।

সব অক্ষর ভিন্ন হলে সাজানোর সংখ্যা হয় = 7!
= 7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1
= 5040
৬৪.
যদি RAT = 42 এবং CAT =57 হয়, তবে LATE = ?
  1. 60
  2. 70
  3. 75
  4. 79
সঠিক উত্তর:
70
উত্তর
সঠিক উত্তর:
70
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি RAT = 42 এবং CAT =57 হয়, তবে LATE = ?

সমাধান:
এখানে,
RAT = 9 + 26 + 7 = 42
এবং CAT = 24 + 26 + 7 = 57

যেখানে,
প্রদত্ত বর্ণগুলো কে, Z =1, Y = 2, X = 3, W = 4, V = 5, U = 6, T = 7, S = 8, R = 9, Q = 10, P = 11, O = 12, N = 13, M = 14, L = 15, K = 16, J = 17, I = 18, H = 19, G = 20, F = 21, E = 22, D = 23, C = 24, B = 25, A = 26 ধরা হয়েছে,

∴ একইভাবে, LATE = 15 + 26 + 7 + 22 = 70
৬৫.
সোহাগ মুমিনের চেয়ে বয়সে বড় কিন্তু রায়হানের চেয়ে ছোটো। জিহাদ রাকিবের চেয়ে বড় কিন্তু মুমিনের চেয়ে ছোটো। এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট কে?
  1. সোহাগ
  2. রায়হান
  3. জিহাদ
  4. রাকিব
সঠিক উত্তর:
রাকিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাকিব
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সোহাগ মুমিনের চেয়ে বয়সে বড় কিন্তু রায়হানের চেয়ে ছোটো। জিহাদ রাকিবের চেয়ে বড় কিন্তু মুমিনের চেয়ে ছোটো। এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট কে?

সমাধান:
সোহাগ মুমিনের চেয়ে বয়সে বড় কিন্তু রায়হানের চেয়ে ছোটো।
মুমিন < সোহাগ < রায়হান

জিহাদ রাকিবের চেয়ে বড় কিন্তু মুমিনের চেয়ে ছোটো।
রাকিব < জিহাদ < মুমিন

∴ রাকিব < জিহাদ < মুমিন < সোহাগ < রায়হান
৬৬.
শাহিন বললো যে, বৃহস্পতিবার আজ থেকে ৩ দিন পর, তাহলে গতকালের ২ দিন আগে কী বার ছিল?
  1. বুধবার
  2. বৃহস্পতিবার
  3. শুক্রবার
  4. শনিবার
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্রবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শাহিন বললো যে, বৃহস্পতিবার আজ থেকে ৩ দিন পর, তাহলে গতকালের ২ দিন আগে কী বার ছিল?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
"বৃহস্পতিবার আজ থেকে ৩ দিন পর" — মানে আজকের ৩ দিন পরে বৃহস্পতিবার।
∴ আজ + ৩ দিন = বৃহস্পতিবার

বৃহস্পতিবারের আগের দিন: বুধবার
তার আগের দিন: মঙ্গলবার
তার আগের দিন: সোমবার

∴ আজ সোমবার।

গতকাল: রবিবার
১ দিন আগে- শনিবার
১ দিন আগে- শুক্রবার

"গতকালের ২ দিন আগে ”শুক্রবার” ছিল
৬৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Committee
  2. Comittee
  3. Committe
  4. Commitee
সঠিক উত্তর:
Committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Committee
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি শুদ্ধ বানান?

সমাধান:
প্রদত্ত চারটি শব্দের মধ্যে 'Committee' শব্দটিই সঠিক বানানে লেখা হয়েছে। অন্যান্য তিনটি ভুল বানানে লেখা হয়েছে।

∴ 'Committee' শুদ্ধ বানান।
৬৮.
ঘড়িতে এখন ৮ : ২০ বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো-
  1. ১৯০°
  2. ১৭০°
  3. ১৫০°
  4. ১৩০°
সঠিক উত্তর:
১৩০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘড়িতে এখন ৮ : ২০ বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো-

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ = | (১১M - ৬০H)/২ |
= | (১১ × ২০ - ৬০ × ৮)/২ |
= | (২২০ - ৪৮০)/২ |
= |- ২৬০/২ |
= |- ১৩০ |
= ১৩০°

∴ ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণ = ১৩০°
৬৯.
চিত্র (X) - এ বিন্দুর অবস্থান যেসব শর্তে রয়েছে, নিচের (১), (২), (৩) ও (৪) নম্বর চিত্রগুলোর মধ্যে কোনটি সেই একই শর্ত পূরণ করে তা নির্বাচন করুন?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্র (X) - এ বিন্দুর অবস্থান যেসব শর্তে রয়েছে, নিচের (১), (২), (৩) ও (৪) নম্বর চিত্রগুলোর মধ্যে কোনটি সেই একই শর্ত পূরণ করে তা নির্বাচন করুন?
 
সমাধান:
চিত্র (X) এ বিন্দুটি ত্রিভুজ এবং বৃত্তের সাধারণ অংশে অবস্থিত।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 3 নং অপশনে ত্রিভুজ এবং বৃত্তের সাধারণ অংশ বিদ্যমান।
তাই 3 নং অপশনের চিত্রে ত্রিভুজ এবং বৃত্তের সাধারণ অংশে ডট বসালে চিত্র (X) এর শর্ত পূরণ করবে।
৭০.
একটি সভায় 12 জন লোক রয়েছে এবং তারা সকলেই সভা শেষে একে অপরের সাথে করমর্দন করে মোট কতটি করমর্দন হবে?
  1. 126
  2. 106
  3. 96
  4. 66
সঠিক উত্তর:
66
উত্তর
সঠিক উত্তর:
66
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সভায় 12 জন লোক রয়েছে এবং তারা সকলেই সভা শেষে একে অপরের সাথে করমর্দন করে মোট কতটি করমর্দন হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সভায় লোক আছে, n = 12 জন

আমরা জানি,
করমর্দন সংখ্যা = nC2

∴ সভা শেষে মোট করমর্দন সংখ্যা = 12C2
= 12!/{(12 - 2)! × 2!}
= (12 × 11 × 10!)/(10! × 2)
= 6 × 11
= 66
৭১.
নিচের কোনটি আয়নার সঠিক প্রতিবিম্ব-
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি আয়নার সঠিক প্রতিবিম্ব-

সমাধান:

৭২.
সিহাব, মাসুদ, রেজা, সুজন, মুর্শেদ ও হারুন একটি অনুষ্ঠানে গোল টেবিলে বসে আছে। মাসুদ বসেছে হারুন ও রেজার মাঝখানে এবং সিহাব বসেছে মুর্শেদ ও সুজনের মাঝখানে। রেজা বসে আছে মুর্শেদের ডানে। তাহলে সিহাব ও রেজার মাঝখানে কে বসে আছে?
  1. মাসুদ
  2. সুজন
  3. হারুন
  4. মুর্শেদ
সঠিক উত্তর:
মুর্শেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শেদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সিহাব, মাসুদ, রেজা, সুজন, মুর্শেদ ও হারুন একটি অনুষ্ঠানে গোল টেবিলে বসে আছে। মাসুদ বসেছে হারুন ও রেজার মাঝখানে এবং সিহাব বসেছে মুর্শেদ ও সুজনের মাঝখানে। রেজা বসে আছে মুর্শেদের ডানে। তাহলে সিহাব ও রেজার মাঝখানে কে বসে আছে?

সমাধান:
১ম শর্তমতে,
মাসুদ বসেছে হারুন ও রেজার মাঝখানে
২য় শর্তমতে,
সিহাব বসেছে মুর্শেদ ও সুজনের মাঝখানে
৩য় শর্তমতে,
রেজা বসে আছে মুর্শেদের ডানে

শর্তানুসারে চিত্র অঙ্কন করে পাই,


∴ সিহাব ও রেজার মাঝখানে মুর্শেদ বসে আছে?
৭৩.
অভিধানে কোন শব্দটি সবার শেষে হবে?
1. Abandon  2. Actuate  3. Accumulate  4. Acquit  5. Achieve
  1. Acquit
  2. Achieve
  3. Actuate
  4. Accumulate
সঠিক উত্তর:
Actuate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Actuate
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অভিধানে কোন শব্দটি সবার শেষে হবে?
1. Abandon  2. Actuate  3. Accumulate  4. Acquit  5. Achieve

সমাধান:
শব্দগুলো বর্ণানুক্রম অনুযায়ী সাজালে পাই-
Abandon
Accumulate
Achieve
Acquit
Actuate

এখানে, Actuate শব্দটি সবচেয়ে পরে আসে কারণ:
'A' দিয়ে শুরু হলেও, দ্বিতীয় অক্ষরগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়:
Abandon→ 'b'
Accumulate → 'c'
Achieve → 'c'
Acquit → 'c'
Actuate → 'c'

এবার 'c' যুক্ত চারটি শব্দের তৃতীয় বর্ণ পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়:
't' বর্ণটি 'c', 'h'এবং 'q' বর্ণগুলোর চেয়ে পরে আসে,
তাই Actuate অভিধানের তালিকায় সবার শেষে থাকবে।
৭৪.
নিচের চিত্র প্রশ্নবোধক স্থানে কোন কোন বর্ণ বসবে?
  1. R ও Y
  2. N ও S
  3. P ও T
  4. T ও Z
সঠিক উত্তর:
T ও Z
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T ও Z
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্র প্রশ্নবোধক স্থানে কোন কোন বর্ণ বসবে?

সমাধান:
চিত্র প্রদত্ত বর্ণ গুলো হতে দেখা যায় যে,
A এর বিপরীত বর্ণ G যা A হতে ৬ ব্যবধানে আছে।
E এর বিপরীত বর্ণ K যা E হতে ৬ ব্যবধানে আছে।
I এর বিপরীত বর্ণ O যা I হতে ৬ ব্যবধানে আছে।

প্রদত্ত অপশনে T ও Z এই শর্ত পূরণ করে।

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে T ও Z বসবে।
৭৫.
শব্দ তরঙ্গের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি? 
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. বায়ুবীয় 
  4. শূন্যস্থান 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, সেটাকে প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
- পুরুষের গলার স্বর মোটা এবং নারী ও শিশুদের গলার স্বর তীক্ষ্ণ। যখন কোনো একটা শব্দ করা হয় তখন আমাদের ফুসফুস থেকে বাতাস গলা দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসে। আমাদের গলায় ও ফুসফুসে বাতাস ঢোকার জন্য এবং বের হওয়ার জন্য রয়েছে Wind pipe এর উপরে শব্দ সৃষ্টি করার জন্য রয়েছে স্বরযন্ত্র (Larynx)। সেখানে দুটো পর্দা ভালভের মতো কাজ করে, এই পর্দা দুটির নাম ভোকাল কর্ড (Vocal Cord)। বাতাস বের করার সময় এগুলো কাঁপতে পারে এবং শব্দ তৈরি করে। 
- বয়সের সাথে সাথে পুরুষের ভোকাল কর্ড শক্ত হয়ে যায়, নারীদেরটি কোমল থাকে। সে জন্য পুরুষেরা কম কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে মেয়েরা বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে। সে কারণে পুরুষের গলার স্বর মোটা, নারীর স্বর তীক্ষ্ণ। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬.
কোন পদ্ধতিতে সালফিউরিক এসিড তৈরি করা হয়?
  1. সলভে পদ্ধতিতে
  2. হ্যাবার পদ্ধতিতে
  3. স্পর্শ পদ্ধতিতে
  4. বিসমার্ক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
স্পর্শ পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পর্শ পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিড: 
- সালফিউরিক এসিড অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য অপেক্ষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বলে সালফিউরিক এসিডকে রাসায়নিক দ্রব্যের রাজা বলা হয়। 
- শিল্পকারখানায় কঠিন সালফার থেকে সালফিউরিক এসিডকে প্রস্তুত করা হয় যে পদ্ধতিতে তাকে স্পর্শ পদ্ধতি বলে। 

সালফিউরিক এসিডের ধর্ম: 
এসিড ধর্ম: 
- লঘু H2SO4 বা গাঢ় H2SO4 কোনো ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি তৈরি করে, একে H2SO4 এর এসিড ধর্ম বলে। 
যেমন: সালফিউরিক এসিড ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম সালফেট লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে। 
• H2SO4 + Ca(OH)2 → CaSO4 + 2H2
সালফিউরিক এসিড + ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড → ক্যালসিয়াম সালফেট + পানি 

জারণ ধর্ম (Oxidation Property): 
- H2SO4 এর মধ্যে অনেক বেশি পানি থাকলে অর্থাৎ পানির মধ্যে H2SO4 দিলে সেই H2SO4 কে লঘু H2SO4 এসিড বলে, লঘু H2SO4 এর জারণ ধর্ম নেই। 
- কিন্তু যে H2SO4 এর মধ্যে পানি কম পরিমাণে থাকে সেই H2SO4 গাঢ় H2SO4 বলে, গাঢ় H2SO4 এর জারণ ধর্ম আছে। 
- গাঢ় H2SO4 কপারকে জারিত করে কপার সালফেটে পরিণত করে এবং নিজে বিজারিত হয়ে সালফার ডাই-অক্সাইড এবং পানি উৎপন্ন করে। 
• 2H2SO4 (গাঢ়) + Cu → CuSO4 + SO2 + 2H2

নিরুদন ধর্ম (The Dehydrating Property): 
- যে পদার্থ কোনো যৌগ থেকে পানি শোষণ করে সেই পদার্থকে নিরুদক বলে। 
- পানি শোষণ করার ধর্মকে নিরুদন ধর্ম বলে। 
- লঘু H2SO4 এর কোনো নিরুদন ধর্ম নেই, কিন্তু গাঢ় H2SO4 এর নিরুদন ধর্ম আছে।
- গাঢ় H2SO4 চিনি (C12H22O11) থেকে পানি শোষণ করে, এজন্য গাঢ় H2SO4 কে নিরুদক বলে। 
• C12H22O11 + H2SO4 → 12C + H2SO4.11H2

অন্যদিকে, 
- সলভে পদ্ধতি → সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- হ্যাবার পদ্ধতি → অ্যামোনিয়া (NH3) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- বিসমার্ক পদ্ধতি → এটি সালফিউরিক এসিড তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৭.
মানুষের শরীরে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভিটামিন 'ডি' তৈরির শেষ ধাপটি কোথায় সম্পন্ন হয়?
  1. অন্ত্রে
  2. ত্বকে
  3. যকৃতে
  4. কিডনিতে
সঠিক উত্তর:
কিডনিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিডনিতে
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rikets): 
- এটি কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়। 
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন। 
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে। 

- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ। 
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়। 
- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। 
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো। এতে সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়। 
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
পিকো (pico) উপসর্গটি কোন মান নির্দেশ করে?
  1. 10-6 
  2. 10-12
  3. 10-9
  4. 10-15
সঠিক উত্তর:
10-12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-12
ব্যাখ্যা
- পিকো (pico) উপসর্গটির মান হচ্ছে 10-12 । 

উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 

- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানা কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6 × 1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1 × 10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়েই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু SI উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। 
- এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝাতে পারা যায়। 
- কিছু উপসর্গ নিচের টেবিলে দেখানো হয়েছে- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৯.
রাত্রিবেলা বড় গাছের নিচে ঘুমালে শ্বাসকষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে কেন? 
  1. গাছ বেশি O2 ছাড়ার ফলে 
  2. গাছ বেশি H2O শোষণ করার ফলে 
  3. গাছ বেশি CO2 ত্যাগ করার ফলে 
  4. সালোকসংশ্লেষণ বেশি হওয়ার ফলে 
সঠিক উত্তর:
গাছ বেশি CO2 ত্যাগ করার ফলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছ বেশি CO2 ত্যাগ করার ফলে 
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে গ্যাসীয় বিনিময়: 
- উদ্ভিদের জীবনে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) এবং শ্বসন (Respiration) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রক্রিয়া। 
- মূলত এই দুটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদের গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে থাকে, এই প্রক্রিয়া দুটি ঘটে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে। 
- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে এবং O2 ত্যাগ করে, অন্যদিকে শ্বসন প্রক্রিয়ায় জন্য O2 গ্রহণ করে এবং CO2 ত্যাগ করে। 
- উদ্ভিদে প্রাণীর মতো শ্বাস নেওয়ার জন্য কোনো বিশেষ অঙ্গ নেই, তবে পাতার স্টোমাটা ও পরিণত কাণ্ডের বাকলে অবস্থিত লেন্টিসেলের (Lenticel) মাধ্যমে অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য গ্যাসের বিনিময় ঘটে। 
- দিনের বেলা বা পর্যাপ্ত আলোর উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণের হার অধিক হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত অক্সিজেন গ্যাসের কিছু অংশ শ্বসন প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয়। 
- আবার শ্বসন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের কিছু অংশ সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহার হয়, তাই আদান-প্রদানকৃত অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় সমান। 

- রাতের বেলা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক পর্যায় বন্ধ থাকে, তাই অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
- অন্যদিকে দিবারাত্রি ২৪ ঘণ্টা শ্বসন প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়, ফলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের উৎপাদন চলতে থাকে। এ জন্য বড় গাছের নিচে রাত্রিবেলা ঘুমালে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। 
- উদ্ভিদ তার পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় গ্যাস সংগ্রহ করে। 
- উদ্ভিদের পাতা যেরকম বাতাস থেকে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস সংগ্রহ করে, তেমনি মূল মাটি থেকে পানি শোষণ করে। 
- শোষিত সেই পানির সাথে CO2 এর বিক্রিয়ার ফলে O2 গ্যাস উৎপাদন হয়, যা বায়ুমণ্ডলে চলে যায়। এভাবে উদ্ভিদদেহে গ্যাস বিনিময় চলতে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০.
কোন পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে?
  1. প্লাস্টিক
  2. সিলিকন
  3. রূপা 
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮১.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ কয়টি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
আইসোেটাপ (Isotopes): 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২.
কোন কোষে কোনো ধরনের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না?
  1. জনন কোষ
  2. প্রকৃত কোষ
  3. সুকেন্দ্রিক কোষ
  4. প্রাককেন্দ্রিক কোষ
সঠিক উত্তর:
প্রাককেন্দ্রিক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাককেন্দ্রিক কোষ
ব্যাখ্যা
কোষ: 
- জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক। 
- বিজ্ঞানী লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য (selectively permeable) পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য। 
- নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। 
যথা- 
১। আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ (Prokaryotic cell): 
- এ ধরনের কোষে কোনো সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না, এজন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়। 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস কোনো পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে না, তাই নিউক্লিও-বস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। 
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে। 
- ক্রোমোজোমে কেবল DNA থাকে। 
- নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়। 

২। প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell): 
- এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। 
- এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। 
- ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। 
- কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের। 
যথা- 
ক) দেহকোষ (Somatic cell): 
- বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। 
- মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। 
- বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। 

খ) জননকোষ (Gametic cell): 
- যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
- মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। 
- অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। 
- পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। 
- পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। 
- জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৩.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  2. তড়িৎ বিভব 
  3. ইলেকট্রোলাইসিস
  4. লেকট্রোফোরেসিস
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোপ্লেটিং (Electroplating): 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 
যেমন-লোহার উপর কপার ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার জন্য CuSO4 এর একটি দ্রবণ নেওয়া হয় এবং কপার দণ্ডকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে এবং লোহা দণ্ডকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করে দ্রবণে তড়িৎ প্রবাহিত করা হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহকালে Cu দণ্ডের কপার 2টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Cu2+ হিসেবে দ্রবণে চলে যায়। 
• Cu → Cu2+ + 2e-  [জারণ বিক্রিয়া] 
- এবার এই Cu2+ দ্রবণের মধ্য দিয়ে Fe দণ্ড থেকে ২টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cu এ পরিণত হয় এবং Fe দণ্ডের উপর লেগে যায়। 
• Cu2+ + 2e- → Cu  [বিজারণ বিক্রিয়া] । 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৪.
নিচের কোনটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের তিনটি ‘D’-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Diet
  2. Drug
  3. Disease
  4. Discipline
সঠিক উত্তর:
Disease
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Disease
ব্যাখ্যা
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের তিনটি ‘D’-এর অন্তর্ভুক্ত নয়- Disease

বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস (Diabetes): 

- অগ্ন্যাশয়ের ভিতর আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস নামক এক ধরনের গ্রন্থি আছে, এই গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন (Insulin) নিঃসৃত হয়। 
- ইনসুলিন হলো এক ধরনের হরমোন, যা দেহের শর্করা পরিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে গ্লুকোজ নির্গত হয়। এ অবস্থাকে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (সংক্ষেপে: ডায়াবেটিস) বলে। 
- ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের, টাইপ-1 এবং টাইপ-2 । 
- টাইপ-1 এ আক্রান্ত রোগীর দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাই নিয়মিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়। 
- অন্যদিকে টাইপ-2 রোগীর দেহে আংশিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ, অগ্ন্যাশয় কোষকে শরীরের জন্য পরিমিত ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। 
- তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসেও কোনো না কোনো পর্যায়ে ইনসুলিনের স্থায়ী ঘাটতি হয়ে যেতে পারে কিংবা বিভিন্ন অসুখ বা চিকিৎসাপদ্ধতির অংশ হিসেবে সেই সব ঔষধ বন্ধ রাখতে হতে পারে, তখন ইনসুলিন ছাড়া উপায় থাকে না। 
- এ রোগটি সাধারণত বংশগতি এবং পরিবেশের প্রভাবে হয়ে থাকে, এটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ নয়।  
- রক্ত ও প্রস্রাবে গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাণের চেয়ে বেড়ে গেলে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। 
- লক্ষণগুলো হলো ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, অধিক পিপাসা লাগা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, পর্যাপ্ত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও দেহের ওজন কমতে থাকা, দুর্বল বোধ করা, চোখে কম দেখা, চামড়া খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, ক্ষতস্থান সহজে না শুকানো ইত্যাদি। 

ডায়াবেটিস রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা: 
- রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে গ্লুকোজের মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- চিকিৎসা করে ডায়াবেটিস রোগ একেবারে নিরাময় করা যায় না, কিন্তু এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 
- ডাক্তারদের মতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি 'D' মেনে চলা অত্যাবশ্যক। 
যেমন: Discipline, Diet ও Drug
(i) শৃঙ্খলা (Discipline): একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশৃঙ্খল জীবনব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া নিয়মিত এবং ডাক্তারের পরামর্শমতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, রোগীর দেহের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বিশেষভাবে পায়ের যত্ন নেওয়া, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা এবং দৈহিক কোনো জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। 

(ii) খাদ্য নিয়ন্ত্রণ (Diet): ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা, মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত এবং সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের মেনু অনুসরণ করলে সুফল পাওয়া যায়। তবে যার ডায়াবেটিস নেই, তার মিষ্টি খাওয়া বা না খাওয়ার সাথে ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নেই। 

(iii) ঔষধ সেবন (Drug): ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়। ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা না করা হলে রোগীর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে বা বেড়ে যায়। উভয় ক্ষেত্রেই রোগী বেহুঁশ হয়ে পড়তে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। যদি ডায়াবেটিস রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান, তখন তাকে বসিয়ে গ্লুকোজ বা চিনির পানি খাইয়ে দিলে অনেক সময় খারাপ পরিণতি এড়ানো যেতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫.
প্লাজমা তৈরি করার জন্য সাধারণত কী প্রয়োগ করতে হয়?
  1. নিম্ন তাপমাত্রা
  2. প্রচণ্ড তাপ
  3. উচ্চ শব্দ তরঙ্গ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচণ্ড তাপ
ব্যাখ্যা
পদার্থের চতুর্থ অবস্থা (প্লাজমা): 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা হতে পারে, এর নাম প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে। সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। 
- ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়। 
- ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, আবার নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে। 
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায়, সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে। 
- বর্তমানে ফিশান পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬.
কোন প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেট (Arpanet) এর জন্ম হয়?
  1. http Protocol
  2. Internet Protocol
  3. FTP Protocol
  4. Server Protocol
সঠিক উত্তর:
Internet Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Protocol
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: 
- বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল (Internet Protocol) ব্যবহার করে আরপানেট (Arpanet) আবিষ্কৃত হয়। 
- তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে। 
- আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট। 
- ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (Ramond Samuel Tomlinson)। 
- তিনিই প্রথম ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭.
5G প্রযুক্তিতে MIMO বলতে কী বোঝায়?
  1. Multiple Input Multiple Output
  2. Multi Internet Mobile Option
  3. Mobile Interface Mode Operation
  4. Media Integrated Motion Output
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৮৮.
বাংলাদেশের প্রায় সকল ডাকঘরে কোন সেবাটি পাওয়া যায়?
  1. ই-পর্চা
  2. ই-টিকেট 
  3. ই-পূর্জি
  4. ই-এমটিএস
সঠিক উত্তর:
ই-এমটিএস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-এমটিএস
ব্যাখ্যা
ই-পূর্জি: 
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি। 
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এসএমএসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে। 
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র। 
- এসএমএসের মাধ্যমে আখচাষিরা তাৎক্ষণিকভাবে পূর্জির তথ্য পাচ্ছে বলে এখন তাদের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান হয়েছে। 
- পাশাপাশি সময়মতো আখের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় চিনিকলের উৎপাদনও বেড়েছে। 

ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস): 
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায়। 
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়। 
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে ই-এমটিএস সেবা পাওয়া যায়। 

ই-পর্চা: 
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা। 
- পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীগণ বড়ো বড়ো রেকর্ড বই থেকে তথ্যসমূহ পূর্ব নির্ধারিত ছকে পূরণ করে আবেদনকারীকে সরবরাহ করতেন। 
- এজন্য আবেদনকারীকে যেমন সরাসরি উপস্থিত হতে হতো তেমনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরাও গতানুগতিক পদ্ধতিতে পর্চা তৈরি করতেন। 
- বর্তমানে এটি ই-সেবার আওতায় আসাতে আবেদনকারী দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকেই নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
নিচের কোনটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. জেরুজালেম
  2. কোড রেড ওয়ার্ম
  3. প্যান্ডা
  4. মাইকেল এঞ্জেলো
সঠিক উত্তর:
প্যান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যান্ডা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। 
যেমন- কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি। 
- তবে বেশিরভাগ ভাইরাস ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে। 
- আবার কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না, কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 
যেমন- সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানো ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতো যা বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে। 
- সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থায় আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়, সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। 
- ১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। 
- তবে ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি তৈরি করেন। 
- বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ব্রেইন, ভিয়েনা, জেরুজালেম, পিংপং, মাইকেল এঞ্জেলো, ডার্ক এভেঞ্জার, সিআইএইচ (চেরনোবিল), অ্যানাকুর্নিকোভা, কোড রেড ওয়ার্ম, নিমডা, ডাপরোসি ওয়ার্ম ইত্যাদি। 
- কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- নিবাসী ভাইরাস (resident virus) এবং অনিবাসী ভাইরাস (non-resident virus)। 

কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস ভিন্ন অন্যান্য ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী। 
- সকল ভাইরাস প্রোগ্রামের কিছু সুনির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এই সকল প্যাটার্নের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে। সাধারণত গবেষণা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। 
- যখন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারকে কাজ করতে দেওয়া হয়, তখন সেটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইলে বিশেষ নকশা খুঁজে বের করে এবং তা তার নিজস্ব তালিকার সঙ্গে তুলনা করে। যদি এটি মিলে যায় তাহলে এটিকে ভাইরাস হিসাবে শনাক্ত করে। যেহেতু বেশিরভাগ ভাইরাস কেবল কার্যকরী ফাইলকে সংক্রমিত করে, কাজেই সেগুলোকে পরীক্ষা করেই অনেকখানি আগানো যায়। 
- তবে এ পদ্ধতির একট বড় ত্রুটি হলো তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ না হলে ভাইরাস শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেজন্য অনেক এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের সকল প্রোগ্রামের আচরণ পরীক্ষা করে ভাইরাস শনাক্ত করার চেষ্টা করে। এতে সমস্যা হলো যে সফটওয়্যার সম্পর্কে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি আগে থেকে জানে না, সেটিকে ভাইরাস হিসাবে চিহ্নিত করে, যা ক্ষতিকর। এ কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো প্রথম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৯০.
অপারেশন সার্চলাইট এর সার্বিক দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর জেনারেল খাদিম রাজা
  2. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
  4. লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- ২৫ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে বাঙালিদের উপর অপারেশন চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
- ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামক ঐ পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর তত্ত্বাবধানে প্রথম সদরদপ্তরটি গঠিত হয়।
- ৫৭তম বিগ্রেডের বিগ্রেডিয়ার আরবাবকে শুধু ঢাকা নগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় এবং মেজর জেনারেল খাদিম রাজাকে প্রদেশের অবশিষ্টাংশে অপারেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়।
- অপারেশনের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর?
  1. ঢাকা জাদুঘর
  2. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  3. বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর
  4. জাতীয় জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধা জাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯২.
চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা
  3. ইসলাম খান
  4. সরফরাজ খান 
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- তার সময়ে আরাকানের মগ ও পর্তুগীজ (ফিরিঙ্গি) জলদস্যুরা মিলিত হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এলাকায় লুটতরাজ করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
- তারা মানুষকে ধরে নিয়ে ইউরোপীয় বণিকদের নিকট বিক্রি করত।
- মগরা আবার অনেককে আরাকানে নিয়ে যেত এবং পুরুষদেরকে মজুরের কাজে লাগাত ও মেয়েদেরকে দাসী করে রাখত।
- তিনি মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করার জন্য বহু রণতরী নির্মাণ করেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রণতরী সংগ্রহ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন করেন ও চট্টগ্রাম জয় করেন।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি কত প্রাক্কলন করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩.৩৭%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.২১%
  4. ২.৩১%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
স্থির মূল্যে (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬) তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার:
কৃষি (Agriculture) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

শিল্প (Industry) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৩.৫১% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৬.৬৬%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
- রপ্তানী আয়ের সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী রপ্তানী নির্ভর শিল্প বিশেষভাবে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদনের নিম্নগতির কারণে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

সেবা (Service) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ৫.০৯% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৫.৮০%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সেবা খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.২৮ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
৯৪.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমির বৃক্ষ কোনটি?
  1. চাপালিশ
  2. তেলসুর
  3. গর্জন
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়।
- মূলত উষ্ণ ও আর্দ্রভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুলু জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, বারেও না।
- ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে।
- সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে।
- চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ।
- সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৫.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স কত হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৪ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।।
৯৬.
কত সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৮ সাল
  4. ২০২৪ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ:
- সকল স্তরের জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।
- এটি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ০২ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস' হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা।
- সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাদ্যের ভেজাল রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণাসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগতমান পরীক্ষণ, রেস্তোরাঁর গ্রেডিং ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৯৭.
'Let There Be Light' ছবিটির পরিচালক কে ছিলেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. শওকত ওসমান 
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- 'Let There Be Light' ছবিটির পরিচালক ছিলেন জহির রায়হান। 
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
বাংলার ইতিহাসে প্রথম স্বাধীন রাজা কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. শশাঙ্ক
  3. হর্ষবর্ধন
  4. রাজ্যবর্ধন
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম স্বাধীন রাজা।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- শশাঙ্ক প্রথম জীবনে স্বাধীন রাজা ছিলেন না, গুপ্ত বংশীয় মহাসেন নামক এক রাজার সামন্ত ছিলেন।
- ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন।
- এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
মুক্তিবাহিনীর চীফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার
  2. লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
  3. লেফটেন্যান্ট কর্নেল খালেদ মোশাররফ 
  4. কর্নেল এম.এ.জি ওসমানী
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানি সৈন্যদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার অদম্য বাসনায় ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীরা মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করে যুদ্ধের কৌশল, অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিভিন্ন সেক্টরে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিয়োজিত করা হয়।
- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদরদপ্তর স্থাপিত হয়।
- ১২ এপ্রিল থেকে এই সদরদপ্তর কার্যক্রম শুরু করে।
- লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকারকে যথাক্রমে চীফ অব স্টাফ এবং ডেপুটি চীফ অব স্টাফ নিয়োগ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৮৪৯ ইউএস ডলার
  2. ২,৭৮৪ ইউএস ডলার
  3. ২,৭৪৯ ইউএস ডলার
  4. ২,৭৩৮ ইউএস ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ ইউএস ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)।
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩,৩৬০ টাকা (২,৭৪৯ ইউএস ডলার)।
- ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় মুদ্রায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও ডলার মূল্যে কিছুটা কমেছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১০১.
SEA-ME-WE-5 সাবমেরিন ক্যাবল এর ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায়?
  1. কক্সবাজার 
  2. চট্টগ্রাম 
  3. পটুয়াখালী 
  4. বরগুনা 
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী 
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-4 (এসএমডব্লিউ-৪) এর আয়ুষ্কাল ২০৩০ সালে নিঃশেষ হয়ে যাবে।
- SEA-ME-WE-4 এর ল্যান্ডিং স্টেশন ঝিলঙ্গা, কক্সবাজার।
- SEA-ME-WE-5 বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল।
- SEA-ME-WE-5 এর ল্যান্ডিং স্টেশন, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- SEA-ME-WE 6 (এসএমডব্লিউ-৬) কনসোর্টিয়ামের আওতায় বাংলাদেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ বিএসসিপিএলসি হাতে নিয়েছে।
- ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে এসএমডব্লিউ-৬ সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শুরুতেই আরো ১৩,২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সক্ষমতা অর্জন করবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০২.
সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড রিপন 
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনামলের ভূমি রাজস্ব সংস্কার একটি গুরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- ওয়ারেন হেস্টিংসের প্রবর্তিত জমির পাঁচসালা ও একসালা বন্দোবস্তের ভুলত্রুটি নিরসনের জন্য লর্ড কর্ণওয়ালিস জমির দশসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই সংস্কার ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে পরিণত হয়।
- এ ব্যবস্থার ফলে জমিদাররা জমির স্থায়ী মালিক হন এবং তাঁদের দেয় করের পরিমাণ নির্দিষ্ট হয়ে যায়।
- তাঁরা নিয়মিত কর প্রদান সাপেক্ষে স্থায়ীভাবে জমির মালিক হয়ে যান।
- তবে এ ব্যবস্থার ফলে কৃষকদের দুর্দশা বেড়ে যায় ও জমির উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
- কর্নওয়ালিস সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তন করেন।
- এ ব্যবস্থায় সূর্যাস্ত আইনের বলে বহু জমিদারী নিলামে উঠে এবং বহু নতুন জমিদার শ্রেণির সৃষ্টি হয় যা এদেশে বিদেশি শাসকদের হাতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১০৩.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি মুসলিম আসন লাভ করে?
  1. ২১৮টি
  2. ২২৩টি
  3. ২৩৩টি
  4. ২৩৮টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল: মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি, মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং খিলাফতে রব্বানী পার্টি।

নির্বাচনের ফলাফল:
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
বাংলাদেশে প্রতিবছর কবে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়?
  1. ২ ফেব্রুয়ারি
  2. ৫ মে 
  3. ৪ এপ্রিল 
  4. ২২ এপ্রিল 
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন লোক বাস করে এবং মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে 'দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।'
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৫.
বাংলাদেশে শহরের জন্য কয় স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর 
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর 
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
কত সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম OIC এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC এর পূর্ণরূপ Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য ৫৭ টি।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা (১২ তম) ।
- অফিসিয়াল ভাষা ৩ টি: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

উৎস: OIC website.
১০৭.
কোন দেশ ২০২৪ সালের নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৪:
- ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমবার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে।
- ২০২৪ সালে টানা দ্বিতীয়বার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে বাংলাদেশের মেয়েরা।
- ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর, কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ।
- ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় বারের মতো সাফ শিরোপা জিতেছিল।
- বাফুফের নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

উৎস: প্রথম আলো।
১০৮.
‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ কোন দেশের সক্রিয় বিদ্রোহী সংগঠন?
  1. থাইল্যান্ড
  2. পাকিস্তান
  3. মিয়ানমার
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স: 
- ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ মিয়ানমারের একটি সক্রিয় বিদ্রোহী সংগঠন। 
- এটি তিনটি প্রধান জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ে গঠিত, এগুলো হলো - এমএনডিএ, টিএনএলএ এবং আরাকান আর্মি।
- এই জোটটি সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং মিয়ানমারের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িত।
- মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গণতন্ত্রপন্থী এবং স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীগুলো একত্রিত হয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
- পিডিএফ সহ আরও বহু বিদ্রোহী গোষ্ঠী জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাচ্ছে।

এছাড়াও, 
- মিয়ানমার দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি দেশ,
- এটি ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির রাজধানী ইয়াংগুন।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।

সূত্র: রয়টার্স ও ব্রিটানিকা। 

১০৯.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDGs) কোন লক্ষ্যমাত্রায় বিশুদ্ধ পানির কথা বলা হয়েছে?
  1. লক্ষ্যমাত্রা - ৩
  2. লক্ষ্যমাত্রা - ৬
  3. লক্ষ্যমাত্রা - ৭
  4. লক্ষ্যমাত্রা - ১৩
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্যমাত্রা - ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্যমাত্রা - ৬
ব্যাখ্যা

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
- SDG এর ৬নং লক্ষ্যমাত্রায় বিশুদ্ধ পানির কথা বলা হয়েছে।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলাে:
১. দারিদ্র্য নির্মূল, 
২. ক্ষুধামুক্তি, 
৩. সুস্বাস্থ্য, 
৪. মানসম্মত শিক্ষা, 
৫. লিঙ্গ সমতা, 
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, 
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযােগ্য জ্বালানি, 
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, 
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, 
১০. বৈষম্য হ্রাস, 
১১. টেকসই শহর ও জনগণ, 
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, 
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, 
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, 
১৫. স্থলভাগের জীবন, 
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, 
১৭. অভিষ্টের জন্য অংশীদারিত্ব। 

সূত্র: SDG ওয়েবসাইট।

১১০.
'পঞ্চশীলা' নীতির সর্ম্পক রয়েছে কোন আন্দোলনের সাথে?
  1. ধর্ম নিরপেক্ষ আন্দোলন
  2. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
  3. বর্ণবৈষম্য বিরোধী আন্দোলন
  4. স্বদেশি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• NAM:
- ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় সম্মেলন ১৯৬৪ সালে মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ন্যামের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২১. [এপ্রিল - ২০২৫]  
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
- ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল।
- এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত।
- 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

উল্লেখ্য, 
• এই ‘পঞ্চশীলা নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।
- তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার জোসেফ মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার কোয়ামে নক্রুমা যিনি নক্রমা নামে পরিচিত।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
→ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
→ অনাগ্রাসন;
→ অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
→ ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা;
→ সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও NAM ওয়েবসাইট।
১১১.
নিচের কোন দেশটি GCC এর সদস্য নয়?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. ইরাক
  3. ওমান
  4. বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
• GCC:
- GCC এর পূর্ণরূপ- Gulf Cooperation Council.  
- এটি একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- এই জোটটি ১৯৮১ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জোটটির মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা করা।
- বর্তমানে এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে অবস্থিত।

• এর সদস্য ৬টি যথা:
সংযুক্ত আরব আমিরাত,
→ কাতার,
→ কুয়েত,
→ সৌদি আরব,
বাহরাইন এবং
ওমান

সূত্র: GCC ওয়েবসাইট।
১১২.
গোলান মালভূমির মালিকানা নিয়ে কোন দুটি দেশ বিরোধে জড়িত? 
  1. লেবানন ও জর্ডান
  2. ফিলিস্তিন ও মিশর
  3. ইসরায়েল ও মিশর
  4. ইসরায়েল ও সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি: 
- গোলান মালভূমি নিয়ে ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধপূর্ণ অবস্থা বিদ্যমান।
- এটি ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি অঞ্চল এবং সিরিয়া-ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েল এই মালভূমির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।

পরবর্তীতে,
- ১৯৭৩ সালের চতুর্থ আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সংঘর্ষ চলাকালে ইসরায়েল গোলান মালভূমির কিছু অংশ সিরিয়াকে ফেরত দেয়।
- বর্তমানে গোলান মালভূমির মধ্য দিয়ে যাওয়া যুদ্ধবিরতি রেখাটি ‘পার্পল লাইন’ নামে পরিচিত। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১১৩.
"The Kigali Amendment" কোনটির অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল?
  1. স্টকহোম কনভেনশন
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. রিও ডেক্লারেশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
- "The Kigali Amendment" মন্ট্রিল প্রটোকলের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- ২০১৯ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" কার্যকর হয়।
 
উৎস: UNEP website & Britannica.com
১১৪.
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচীর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রোম, ইতালি
  3. নাইরোবি, কেনিয়া
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি, কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাখ্যা
UNEP: 
- এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme.
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী হলো পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- বর্তমানে UNEP-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩. [এপ্রিল - ২০২৫]  
- পরিবেশ সংরক্ষণে অসামান্য অবদানের জন্য UNEP প্রতি বছর "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
১১৫.
Deepseek AI এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রিচার্ড ইউ
  2. লিয়াং ওয়েনফেং
  3. কাই-ফু লি
  4. অ্যান্ড্রু এনজি
সঠিক উত্তর:
লিয়াং ওয়েনফেং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিয়াং ওয়েনফেং
ব্যাখ্যা
DeepSeek AI:
- DeepSeek একটি চীনা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি,
- এটা দক্ষিণ-পূর্ব চীনের হাংঝু শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা লিয়াং ওয়েনফেং।
- এটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডিপসিকের প্রতিষ্ঠার পেছনে তার বিশাল চিপ সংগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- তিনি A-100 চিপের বড় একটি মজুত সংগ্রহ করেছিলেন।

সূত্র - DeepSeek AI & BBC.
১১৬.
১৯৭৫ সালে ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় - 
  1. মিজোরাম 
  2. সিকিম
  3. মণিপুর
  4. নাগাল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সিকিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিম
ব্যাখ্যা
সিকিম:
- সিকিম ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য,
- এটি পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত। 
- সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক।
- একসময় এটি একটি স্বাধীন অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়ে ওঠে।
- ১৯৭৩ সালে নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগের পর সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্বে রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৯৭৪ সালের পুনর্নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বে সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস বিপুল বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ গণভোটের মাধ্যমে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট। 
১১৭.
"ইয়েলো ও রেড শার্ট" আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলো কোন দেশ?
  1. নেপাল
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভারত
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- "ইয়েলো ও রেড শার্ট" আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলো থাইল্যান্ড।

'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন:
- 'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন থাইল্যান্ডে ঘটে।
- ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে ইয়েলো শার্ট আন্দোলন শুরু হয়।
- এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা হলুদ শার্ট পরিধান করতেন।
- এর পর ২০০৯ সালের শুরুতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা রেড শার্ট আন্দোলন শুরু করেন, তারা রেড শার্ট পরতেন।
- এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল সেনা অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
- থাকসিন সিনাওয়াত্রা ও তার দল "থাই রক থাই" ২০০২ সালের নির্বাচনে জয়ী হলেও ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তার সরকার পতন ঘটে।
- এর পর রেড শার্ট আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা "United Front for Democracy Against Dictatorship" (UDD) ব্যানারে সংগঠিত হয়ে ২০০৯-২০১০ সালে বড় ধরনের আন্দোলন চালায়। ২০১১ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাদের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ -তারেক শামসুর রেহমান।
১১৮.
'হামহাম জলপ্রপাত' কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
হামহাম জলপ্রপাত:
- হামহাম বা চিতা ঝর্ণা বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত।
- এটি একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝর্ণা।
- জলপ্রপাতটি ২০১০ সালের শেষাংশে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মার সাথে দুর্গম জঙ্গলে ঘোরা একদল পর্যটক আবিষ্কার করেন। 
- দুর্গম গভীর জঙ্গলে এই ঝরণাটি ১৩৫ মতান্তরে ১৪৭ কিংবা ১৭০ ফুট উঁচু।

উল্লেখ্য,
⇒ কেউ কেউ ঝরণার সাথে গোসলের সম্পর্ক করে "হাম্মাম" (গোসলখানা) শব্দটি থেকে "হাম হাম" হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন।
- কেউ কেউ মনে করেন, সিলেটি উপভাষায় “আ-ম আ-ম" বলে বোঝানো হয় পানির তীব্র শব্দ।
- তবে স্থানীয়দের কাছে এটি "চিতা ঝর্ণা" হিসেবে পরিচিত, কেননা একসময় এজঙ্গলে নাকি চিতাবাঘ পাওয়া যেত।

⇒ হাম হাম যাবার পথ এবং হাম হাম সংলগ্ন রাজকান্দি বনাঞ্চলে রয়েছে সারি সারি কলাগাছ, জারুল, চিকরাশি কদম গাছ। এর ফাঁকে ফাঁকে উড়তে থাকে রং-বেরঙের প্রজাপতি। ডুমুর গাছের শাখা আর বেত বাগানে দেখা মিলবে অসংখ্য চশমাপড়া হনুমানের। এছাড়াও রয়েছে ডলু, মুলি, মির্তিঙ্গা, কালি ইত্যাদি বিচিত্র নামের বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৯.
নিম্নের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেনি?
  1. জামালপুর
  2. মাগুরা
  3. রাজবাড়ি
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি ট্রপিক অব ক্যান্সার নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২০.
পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান কোথায় অবস্থিত?
  1. আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্বে
  2. ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে
  3. এশিয়ার পশ্চিম উপকূলে
  4. আমেরিকার পূর্ব উপকূলে
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে
ব্যাখ্যা
মহীসোপান (Continental Shelf):
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিয়দংশ ক্রমশ সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে। এরূপ ক্রমনিম্ন স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।

⇒ মহীসোপান অংশের পানির গভীরতা সাধারণত ২০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি এক ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে। মহীসোপান অঞ্চলটি সমুদ্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসোপানের সৃষ্টি হয়। আবার অনেক সময় সমুদ্র তরঙ্গ ও ক্ষয়ক্রিয়া মহীসোপান গঠনে সহায়তা করে। মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।

⇒ মহীসোপানকে সমুদ্রের অগভীর অঞ্চলও বলা হয়।
- মহীসোপান অঞ্চলের সামুদ্রিক সঞ্চয় বেশি আবার মহাদেশীয় ভূ-খন্ডের শেষ প্রান্তবা শেষ সীমাও বলা হয়।
- মহীসোপানকে প্রধান দুইভাগে ভাগ করা যায়; যথা: ১। তটদেশীয় অঞ্চল ২। ঝিনুক অঞ্চল।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান কোথায় দেখা যায়?
  1. সিলেট
  2. লালমাই
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
লালমাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমিতে প্লাইস্টোসিনকালের সোপান দেখা যায়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।  এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি। সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার। গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

অন্যদিকে,
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
নিম্নের কোনটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি?
  1. জাপানের ফুজিয়ামা
  2. ইরানের কোহিসুলতান
  3. হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি:
- ভূত্বকের শিলাস্তর সর্বত্র একই ধরনের কঠিন বা গভীর নয়। কোথাও নরম আবার কোথাও কঠিন। কোনো কোনো সময় ভূগর্ভের চাপ প্রবল হলে শিলাস্তরের কোনো দুর্বল অংশ ফেটে যায় বা সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়। ভূপৃষ্ঠের দুর্বল অংশের ফাটল বা সুড়ঙ্গ দিয়ে ভূগর্ভের উষ্ণ বায়ু, গলিত শিলা, ধাতু, ভস্ম, জলীয়বাষ্প, উত্তপ্ত পাথরখন্ড, কাদা, ছাই প্রভৃতি প্রবলবেগে ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত হয়। ভূপৃষ্ঠে ঐ ছিদ্রপথ বা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে। আগ্নেয়গিরির মুখকে জ্বালামুখ এবং জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে লাভা বলে।

⇒ আগ্নেয়গিরির প্রকারভেদ (Types of Volcanoes): অগ্ন্যুৎপাতের ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১। সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active Volcano): যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এখনও বন্ধ হয়নি, তাকে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া।
২। সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant Volcano): যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত অনেককাল আগে বন্ধ হয়ে গেছে; তাদেরকে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা।
৩। মৃত আগ্নেয়গিরি (Extinct Volcano): যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা নেই, সেগুলোকেই মৃত আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- ইরানের কোহিসুলতান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
১২৩.
২১ মার্চ দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতু চলে?
  1. গ্রীষ্ম
  2. শরৎ
  3. হেমন্ত
  4. বসন্ত
সঠিক উত্তর:
শরৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়।
- বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকালদক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৪.
'ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি'-এর মূল প্রবক্তা কে? 
  1. চার্লস মন্টেস্কু
  2. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
  3. জন লক
  4. জেরেমি বেন্থাম
সঠিক উত্তর:
চার্লস মন্টেস্কু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস মন্টেস্কু
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল অর্থ সরকারের সমগ্র কাজকে তিনভাবে বিভক্ত করা। প্রতিটি বিভাগ স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কার্য পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত। এ নীতি অনুসারে, আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করবে, শাসন বিভাগ আইনকে কার্যকর করবে এবং বিচার বিভাগ উক্ত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করবে। কোন বিভাগ অন্য কোন বিভাগের কাজের উপর হস্তক্ষেপ করবে না। প্রত্যেক বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।

• ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী চার্লস মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত "The Spirit of Laws" গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তিনিই ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা।
- তিনি বলেন, "যখন একই ব্যক্তি বা একই শাসক বর্গের হাতে আইন রচনা এবং শাসন করার ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয় তখন জনগনের স্বাধীনতা থাকতে পারে না, অথবা আইন ও শাসন ক্ষমতা যদি বিচার বিভাগ থেকে স্বতন্ত্র না হয় তাহলেও স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"

এছাড়াও,
• ফরাসি চিন্তাবিদ জ্যাঁ বডিন বলেন, "আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা এক ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলে তাঁরা কঠোর আইন প্রণয়ন করে তা নির্দয়ভাবে প্রয়োগ করবেন।" তাঁর কথায় একই সাথে বিচারক এবং আইন প্রণেতা হওয়ার অর্থ হচ্ছে ন্যায়বিচারের সাথে ক্ষমতার অধিকার এবং আইনের প্রতি আনুগত্যের সাথে স্বেচ্ছাচারিতার সংমিশ্রণ।"

• ইংল্যান্ডের বিখ্যাত চিন্তাবিদ জন লক এ প্রসঙ্গে বলেন, "একই ব্যক্তি আইন রচনা এবং তা প্রয়োগ করলে ব্যক্তি স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার এবং নাগরিকদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। তাই তিনি অধিকার রক্ষার স্বার্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ অপরিহার্য বলে মনে করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
স্বাধীনতার প্রথম ও প্রাচীন রক্ষাকবচ হচ্ছে -
  1. গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা
  2. আইন
  3. সংবিধান
  4. মৌলিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন
ব্যাখ্যা
আইন:
- স্বাধীনতার প্রথম ও প্রাচীন রক্ষাকবচ হচ্ছে আইন।
- আইনের মাধ্যমেই মূলত ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষিত হয়ে থাকে।
- কোন নাগরিকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ বা বিপন্ন হলে আইন তা রক্ষা করতে অগ্রসর হয়।
- স্বাধীনতার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি আইন দ্বারা আরোপিত শান্তির প্রকৃতি ও অনুপাতের উপর বিশেষভাবে নির্ভর করে।
- প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রীয় আইনকে স্বাধীনতার পূর্বশর্ত বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
• গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা: গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতা রক্ষিত হয়ে থাকে।
• সংবিধান: প্রায় সকল দেশের সংবিধান সে দেশের জনগণের স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে কাজ করে। সাধারণত সংবিধান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্বকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
• মৌলিক অধিকার: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো স্বীকৃতি লাভ করে। সাধারণত সংবিধানে এসব মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকে।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর মতে, সুশাসনের উপাদান নয় কোনটি?
  1. Transparency
  2. Predictability
  3. Participation
  4. Responsiveness
সঠিক উত্তর:
Responsiveness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Responsiveness
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর মতে, সুশাসনের উপাদান নয় Responsiveness বা প্রতিক্রিয়াশীলতা। 

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ও সুশাসন:

- ১৯৯৫ সালে Asian Development Bank (ADB) 'Governance: Sound Development Management' শীর্ষক রিপোর্টে 'সুশাসন' সম্পর্কে আলোচনা করে।
- Asian Development Bank (এডিবি) এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি। এগুলো হলো:
• জবাবদিহিতা (Accountability),
• স্বচ্ছতা (Transparency),
• অংশগ্রহণ (Participation),
• ভবিষ্যৎবাণী (Predictability)।

উৎস: i) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২৭.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে কবে 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন' কার্যকর করা হয়?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও বাংলাদেশ:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।
- সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করতে চলছে। প্রত্যেক বছর সরকার প্রতিটি বিভাগে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান করছে।
- দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে আইন প্রণীত হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯', 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯', 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', 'সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯', 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯', 'চার্টার্ড সেক্রেটারিজ আইন, ২০১০', 'জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন, ২০১১', 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২', 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২', 'প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২' ইত্যাদি।

⇒ বাংলাদেশ জাতিসংঘের United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) এর অনুসমর্থনকারী দেশ।
- দুর্নীতি নির্মূলের জন্য 'ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দুর্নীতির প্রতিকার ছাড়াও দুর্নীতির ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণকে' সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই
কনভেনশনে।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৬) এবং 'রূপকল্প ২০২১' এবং 'পরিপ্রেক্ষিতে পরিকল্পনা ২০১০-২০২১'-এও সমধর্মী কর্মসূচি চিহ্নিত করা হয়েছে।

উৎস: তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।