১.
মানবদেহের সংরক্ষক খাদ্য উপাদান কোনটি?
ব্যাখ্যা
পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস:
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে খাদ্য হলো যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ দেহের পুষ্টি সাধন করে।
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করে এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে।
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে।
যেমন: গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস।
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি।
যথা:
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে।
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে।
- খাদ্যের উপাদান মোট ৬ টি।
যথা:- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ ( বা ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য।
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য।
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে খাদ্য হলো যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ দেহের পুষ্টি সাধন করে।
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করে এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে।
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে।
যেমন: গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস।
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি।
যথা:
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে।
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে।
- খাদ্যের উপাদান মোট ৬ টি।
যথা:- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি।
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ ( বা ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য।
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য।
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।