পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩১: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও জোট [EU, Commonwealth, NAM, OIC, African Union, APEC, Arab League, ASEAN, BENELUX, BIMSTEC, BRICS, CIRDAP, G-7, D-8, G-20, G-77, GCC, OPEC, SAARC, ECO, OECD, ADB, AIIB, NDB, IDB, RCEP, WEF, ICC, AFTA, EFTA, NAFTA, APTA, COMESA, MERCOSUR] ii) আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা [Red Cross, Rotary International, অক্সফাম, Amnesty Int., অরবিস, TI, হিম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ, Boy Scouts, CARE, স্মাইল ট্রেন, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, Lions Club - সহ বিখ্যাত এন.জি.ও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প কত মাত্রার বেশি হলে তা আমরা অনুভব করতে পারি?
  1. ২ মাত্রা
  2. ৩ মাত্রা
  3. ৪ মাত্রা
  4. ৫ মাত্রা
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। 
- ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়েছিল। 
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।
- ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।
- জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। 
- ভুমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। 
- এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 
- ১৮৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন গতির কারণে দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি সংঘটিত হয়? 
  1. আহ্নিক গতির কারণে
  2. বার্ষিক গতির কারণে
  3. মধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ- 
• দিন-রাত্রি সংঘটন, 
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি, 
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি, 
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি, 
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি। 

বার্ষিক গতি: 
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন বল দ্বারা মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- এ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'ফ্যাক্স' শব্দটির পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Fascimili
  2. Faximili
  3. Facsimile
  4. Faximile
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির সংকেতকে কী বলা হয়?
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমাল
  3. বাইনারি
  4. হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিস্তৃতি কতটুকু? 
  1. 10–380 nm
  2. 0.01-10 nm
  3. 400-700 nm
  4. 0.0005-0.15 nm
ব্যাখ্যা
তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ: 
- যেসব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয় তাদের একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। 
- দৃশ্যমান আলো হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 
- এ সব তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণকে একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় স্পেকট্রাম ( spectrum) বা বর্ণালি বলা হয়। 

তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালির অঞ্চলসমূহ: 
- তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মিসমূহকে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম বৃদ্ধি অনুসারে প্রধান সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যথা- 

১. গামা (γ) রশ্মি অঞ্চল: 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.0005-0.15 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় এ তরঙ্গ অধিক শক্তিসম্পন্ন। 
- গামা রশ্মি জৈব যৌগের বিশ্লেষণে বর্ণালিমিতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। 

২. রঞ্জন রশ্মি (X-ray) অঞ্চল: 
- রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.01-10 nm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রঞ্জন রশ্মির ব্যবহার ব্যাপক। 
যেমন- এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফি, এক্সরে নিঃসরণ পদ্ধতিতে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

৩. অতিবেগুনি রশ্মি (UV) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10–380 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন, 300-320 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV-রশ্মি চিকিৎসাক্ষেত্রে লাইট থেরাপি, 270–360 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি প্রোটিন বিশ্লেষণের কাজে, 200-400 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি ড্রাগ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। 

৪. দৃশ্যমান (Visible) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলটি 400-700 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চল VIBGYOR অঞ্চলরূপে চিহ্নিত। 
- পরমাণুর সর্ববহিঃস্তরের ইলেকট্রন এ অঞ্চলের রশ্মি শোষণ বা বিকিরণ করে বর্ণালি সৃষ্টি করে। 

৫. অবলোহিত অঞ্চল: 
- অবলোহিত অঞ্চলটি Near-IR; Middle-IR এবং Far-IR এ তিনটি অংশে বিভক্ত। 
- জৈব যৌগের গঠন নির্ণয়ে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর নিম্নরূপ: 
• Near-IR অঞ্চল: 0.8-2.5 µm, 
• Middle-IR অঞ্চল: 2.5-25 µm, 
• Far-IR অঞ্চল : 25-1000 µm (1µm = 1×10-6 m).  

৬. মাইক্রোওয়েভস (Microwaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 µm হতে 1.0 cm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 

৭. রেডিও ওয়েভস (Radiowaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 cm হতে 5 m পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রেডিও এন্টেনাতে উচ্চ কম্পাঙ্কের পর্যায়ক্রমিক বিদ্যুৎ (AC) প্রবাহ দ্বারা এসব তরঙ্গের সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি? 
  1. রেডিও
  2. ক্যালকুলেটর
  3. টেলিভিশন
  4. টেপ রেকর্ডার
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system) । 

এনালগ পদ্ধতি: 
- এনালগ সংকেত হলো অবিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এনালগ সংকেত অনেকটা শব্দ তরঙ্গের মত সময়ের সাথে সাথে অবিচ্ছিন্ন ভাবে মান বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ মানে পৌঁছিয়ে আবার অবিচ্ছিন্ন ভাবে কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছায়। এই সংকেতকে সাইন তরঙ্গের (sine wave) সাথে তুলনা করা যায়। 
- এনালগ পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল (analogue) সংকেতের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- তাপমাত্রা, চাপ, প্রবাহ হলো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কয়েকটি এনালগ সংকেতের উদাহরণ। এসব সংকেতকে ভোল্টেজে রূপান্তরিত করলে যে ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাই হলো এনালগ সংকেতের। 
- এ ধরণের প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিবর্ধক, ফিল্টার প্রভৃতি এনালগ বর্তনী ব্যবহার করা হয়। 
- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, টিভি ইত্যাদি এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

মিশ্র পদ্ধতি: 
- এনালগ ও ডিজিটাল বর্তনীর সংমিশ্রণে তৈরি পদ্ধতিকে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলে। 
- শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
- চাপ, তাপমাত্রা, রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, তরল পদার্থের স্তর ইত্যাদি ক্রম-পরিবর্তনশীল বিষয় সংগৃহীত উপাত্ত এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি গ্রহণ করে। এই উপাত্তগুলিকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে যথা যোগ্য সংখ্যা ও সংকেতে রূপান্তর করে পাঠ নেয়া হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিক কোনটি? 
  1. পূর্ব গোলার্ধের বাম দিকে ও পশ্চিম গোলার্ধের বাম দিকে
  2. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  4. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের পশ্চিম দিকে
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সাধারণ বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা কত সে.মি? 
  1. ৭.৬ সে.মি.
  2. ৭৬.০ সে.মি.
  3. ০.৭৬ সে.মি.
  4. ০.০৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তন ও আবহাওয়া: 
- নলের মধ্যে এই পারদ স্তম্ভের দাঁড়িয়ে থাকার কারণ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টত বুঝা যায়, বাটির উন্মুক্ত পারদ তলের উপর সম্পূর্ণ বায়ুমণ্ডল যে চাপ প্রয়োগ করছে সেই চাপ পারদের মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে নলের ভিতরে ঊর্ধমুখে ক্রিয়া করে। এই ঊর্ধমুখী চাপ না থাকলে অভিকর্ষজ ত্বরণের জন্য বা পারদের ওজনের জন্য নলের ভিতরের পারদ নিচে নেমে আসতো। 
- সুতরাং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নলের মধ্যকার পারদ স্তম্ভের চাপের সমান। 
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপের ক্ষেত্রে পারদ স্তম্ভের এই উচ্চতা ৭৬ সে.মি.। 
- বায়ুমণ্ডলের চাপ বাড়লে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা বেড়ে যায়, আবার চাপ কমলে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা কমে যায়। 
- এভাবে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করা যায়। 

- বায়ু চাপ পরিমাপের এই যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার। 
- পৃথিবীর সর্বত্র বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান নয়, আবার একই স্থানে সবসময় বায়ুমণ্ডলীয় চাপও সমান থাকে না। 
- স্থান ও সময় ভেদে বায়ুমণ্ডলের চাপ বিভিন্ন হয়। 
- এ কারণে বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব, বায়ু প্রবাহের দিক তাপমাত্রা প্রভাবিত হয়। 
- তাই কোন স্থানের বায়ুমণ্ডলের চাপের সাথে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। 
- চাপ পরিমাপ যন্ত্র বা ব্যারোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করে কোন স্থানের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
BRICS এর সর্বশেষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জোহানেসবার্গ
  2. নয়াদিল্লী
  3. বেইজিং
  4. সাও পাওলো
ব্যাখ্যা
• ব্রিকস:
- এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
- ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও ইথিওপিয়া এই ১০টি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত হয় ব্রিকস।
- ব্রিকসের কোনো সদরদপ্তর নেই।
- ব্রিকস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হলো - 'নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' [New Development Bank (NDB)] ।
- ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে।
- আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও আর্জেন্টিনা জোটে যোগ দিবে না বলে জানিয়েছে। 

উৎস: ব্রিকসের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১১.
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল-
  1. উড়ন্ত ডায়াবেটিস হাসপাতাল
  2. উড়ন্ত হৃদরোগ হাসপাতাল
  3. উড়ন্ত কিডনি হাসপাতাল
  4. উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।

উৎস: অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।
১২.
আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা 'সেইভ দ্যা চিলড্রেন' -এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এগল্যান্টিন জেব
  2. হেনরি ডুনান্ট
  3. ফ্রেডারিক এঞ্জেলস
  4. ফ্রেডারিক প্যাসে
ব্যাখ্যা
- সেইভ দ্যা চিলড্রেন একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা।
- যুদ্ধ বিধবস্ত দেশ বা অঞ্চলের শিশুদের নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক এগল্যান্টিন জেব ১৯১৯ সালে সেভ দ্য চিলড্রেন ফান্ড গঠন করেন।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ এপ্রিল, ১৯১৯ সালে।
- সংস্থাটির সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- প্রতিষ্ঠাতা: এগল্যান্টিন জেব।

উৎস: সেইভ দ্যা চিলড্রেন ওয়েবসাইট।
১৩.
নিচের কোন দেশটি D-8 এর সদস্য নয়?
  1. কেনিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. নাইজেরিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
D-8:
- D-8 (Developing Eight) হলো মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- গঠিত হয় ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদরদপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর পর।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।
১৪.
EFTA এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. লিচেনস্টেইন
ব্যাখ্যা
• EFTA - এর পুর্ণরূপ - European Free Trade Association. 
- প্রতিষ্ঠা - ১৯৬০ সাল।
- দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য - ৪টি দেশ। ( আইসল্যান্ড, লিচেনস্টেইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড )।

সূত্র: EFTA ওয়েবসাইট।
১৫.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) এর অফিসিয়াল ভাষা নয় কোনটি?
  1. ফারসি
  2. ইংরেজি
  3. আরবি
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC): 
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফরাসি)।

সূত্র: OIC ওয়েবসাইট।
১৬.
কোন দেশটি BENELUX এর সদস্য নয়?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. বেলজিয়াম
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- BENELUX এর সদস্য নয় - ফিনল্যান্ড। 
 
• বেনেলাক্স: 
- পশ্চিম ইউরোপের ৩ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগীতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- এর পূর্ণনাম - ‘Benelux Economic Union’।    
- প্রতিষ্ঠা:- চুক্তি স্বাক্ষর - ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল (The Treaty of the Benelux Economic Union)।
- চুক্তি কার্যকর:- ১৯৬০ সাল।
- সদস্য সংখ্যা:- ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)। 
- সদরদপ্তর:- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
European Union এর সর্বশেষ সদস্য দেশ -
  1. ডেনমার্ক
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- European Union (EU) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে।
- এর সদর দপ্তর - বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা - ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক - রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু  হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ - ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: EU-এর ওয়েবসাইট।
১৮.
NAM এর প্রতিষ্ঠার জড়িত ছিলেন না কে?
  1. মার্শাল টিটো
  2. মোস্তফা কামাল পাশা
  3. জওহরলাল নেহেরু
  4. গামাল আবদেল নাসের
ব্যাখ্যা
• জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM):
- ১৯৫৫ সালে বান্দুং (ইন্দোনেশিয়া) সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় সম্মেলন ১৯৬৪ সালে মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- ন্যামের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০ এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৩।
- এর কোন স্থায়ী সদর দপ্তর নেই।
- ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল।
- এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত।
- 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
→ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
→ ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা; 
→ অনাগ্রাসন; 
→ অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
→ সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীল নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।
- তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার নক্রমা।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১৯.
ASEAN এর বর্তমান সদস্য দেশ -
  1. ১৯টি
  2. ১৫টি
  3. ১০টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
• ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।