পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯০
সিলেবাস
Exam - 51 Full Model Test-8 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯০ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিদেশি আদালত কর্তৃক কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে?
  1. ৭৫ ধারায়
  2. ৭৬ ধারায়
  3. ৭৭ ধারায়
  4. ৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় কোন আদালত সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. গ্রাম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি অনুসারে, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে বাদীর দরখাস্তে কী থাকতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্যের বিবরণ
  2. সম্পত্তির মালিকানার বিবরণ
  3. সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ৩নং বিধি-
যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত সম্পত্তি সনাক্তকরণের জন্য যথেষ্ট বর্ণনা বাদীর দরখাস্তে (plaint) উল্লেখ থাকতে হবে, এবং যদি উক্ত সম্পত্তি সীমানা বা জরিপ নথিতে নম্বর দ্বারা সনাক্ত করা যায়, তবে দরখাস্তে সেই সীমানা বা নম্বর নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by bounderies or numbers in a record of settlement of survery, the plaint shall specify such bounderies or numbers.]
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ এর অধীন আদালত রায়ের পূর্বে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. Arrest
  2. Attachment
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
.
নাবালক বাদী হলে প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা কার দ্বারা দায়ের করতে হবে?
  1. সরকার
  2. পুলিশ
  3. আসন্ন বন্ধু
  4. সরকারি আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বন্ধু
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩২, বিধি ১: আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী হলে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৫৪ এর অধীন যখন সম্পত্তি স্থাবর হয়, তখন ক্রোকের আদেশ কীভাবে করা হয়?
  1. সম্পত্তির দখল দিয়ে
  2. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে
  3. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে অনুমতি দিয়ে
  4. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪- স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:

(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।

Order 21 Rule 54: Attachment of immovable property:
(1) Where the property is immovable, the attachment shall be made by an order prohibiting the judgment-debtor from transferring or charging the property in any way, and all persons from taking any benefit from such transfer or charge.

(2) The order shall be proclaimed at some place on or adjacent to such property by beat of drum or other customary mode, and a copy of the order shall be affixed on a conspicuous part of the property and then upon a conspicuous part of the court-house, and also, where the property is land paying revenue to the Government, in the office of the Collector of the district in which the land is situate.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৯ ধারায় কার বিরুদ্ধে মামলার বিধান আছে?
  1. সরকার
  2. বিচারক
  3. সরকারি কর্মচারী
  4. বিদেশি রাষ্ট্রদূত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ

Section 79- Suits by or against the Government:

In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
.
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে, আদালত The Code of Civil Procedure,1908 এর কোন বিধান অনুসারে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. Order X Rule II
  2. Order X Rule III
  3. Order IX Rule I
  4. Order IX Rule II
সঠিক উত্তর:
Order IX Rule II
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order IX Rule II
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II (আদেশ ৯ বিধি-২):

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে, উক্ত মোকদ্দমার পক্ষদের হাজিরার দিন কে নির্ধারণ করবে?
  1. উক্ত মোকদ্দমার বাদী
  2. স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
  3. যে পক্ষের আবেদনে স্থানান্তরের আদেশ দেয়া হয়েছে, সেই পক্ষ
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হয়েছে, সেই আদালত
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তরের আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় আদালত কোন পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন কোনো পক্ষ সত্য দাবি করে
  2. যখন কোনো পক্ষ মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি করে
  3. যখন কোনো পক্ষ আপিল করে
  4. যখন কোনো পক্ষ আদালতে উপস্থিত হয় না
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি করে
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোনো পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
১১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় 'Non-Joinder of parties' কোন বিষয়কে বলা হয়?
  1. প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত করাকে
  2. প্রয়োজনীয় প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত না করা
  3. প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
  4. মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত না করা
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে।
অন্যদিকে, কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
১২.
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. এক তরফা নিষ্পত্তি
  4. মোকদ্দমা চালিয়ে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে, মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে-

মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪) :
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে। 
১৩.
The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২৬ এর বিধি ৪ এ কোন বিধান আলোচনা করা হয়েছে?
  1. স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার
  2. স্থানীয় তদন্ত সম্পর্কিত
  3. যাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে না
  4. যাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ রয়েছে।

আদেশ ২৬ বিধি ৪ অনুসারে,
নিম্নোক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেন [Persons for whose examination commission my issue]:
i) এমন ব্যক্তি যে আদালতের অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে বসবাস করে;
ii) সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সে ব্যক্তি অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে চলে যাবে;
iii) প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি; যার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হলে জনস্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।
১৪.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কালেক্টরকে সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে?
  1. যখন সম্পত্তিটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন
  2. যখন সম্পত্তিটি অব্যবহৃত থাকে
  3. যখন সম্পত্তিটির মূল্যমান অত্যাধিক হয়
  4. যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।

Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২ (১৫) ধারায় কাদের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. বিচারক
  2. আইনজীবী
  3. ডিক্রিদার
  4. সরকারি কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবী
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১৫)- আইনজীবী:
"আইনজীবী হলো এমন কোনো ব্যক্তি যিনি আদালতে অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং সেই ব্যক্তির পক্ষে বক্তব্য রাখার অধিকারী।"

Section 2(15)-
"pleader" means any person entitled to appear and plead for another in Court.
১৬.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিবাদী সেট অফ দাবি করতে পারে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার মোকদ্দমায়
  3. অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
  4. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, 
কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না; 
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
১৭.
'প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ৯৭ ধারা
  3. ৯৮ ধারা
  4. ৯৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী,
প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

Section 97- Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.
১৮.
বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে-
  1. ঐদিনই সমন দিতে হবে
  2. সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
  3. তিন দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
  4. পাঁচ দিনের মধ্যে সমন প্রেরণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে, নিম্নোক্ত যেকোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এ কীসের তালিকা দেয়া হয়েছে?
  1. আপিলঅযোগ্য আদেশের
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রির
  3. আপিলযোগ্য আদেশের
  4. হাইকোর্ট প্রদত্ত বিশেষ আদেশের
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
২০.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কারোর বিরুদ্ধেই নয়
  2. ডিক্রি-দেনাদারের বন্ধুর বিরুদ্ধে
  3. ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
  4. খ ও গ উভয়ের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মূল লক্ষ্য কী?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. শাস্তি প্রদান করা
  3. প্রতিকার প্রদান করা
  4. ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিকার প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিকার প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। এটি একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন। এই আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে, তা আলোচনা করা হয়েছে:
১) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষনামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
২২.
যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারায় কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. দলিল পুরোপুরি বাতিল করে দিবেন
  2. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় বহাল রাখবেন
  3. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় অবৈধ ঘোষনা করবেন
  4. ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
সঠিক উত্তর:
ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
ব্যাখ্যা
• যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার অধীন ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে জমির মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন।

• ধারা ৪০: যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য-
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

Section 40- What instruments may be partially cancelled: 
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
২৩.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা বাদীর ক্ষতিপূরণের মামলা করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে?
  1. ধারা ২৯
  2. ধারা ৩৯
  3. ধারা ৪১
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২৪.
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877 states provisions relating to-
  1. Recovery of specific immoveable property
  2. Recovery of specific moveable property
  3. Suit by person dispossessed of immoveable property
  4. Cases in which specific performance enforceable
সঠিক উত্তর:
Recovery of specific moveable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Recovery of specific moveable property
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
২৫.
'A', 'B' এর সাথে নির্দিষ্ট জমি ৫,০০০ টাকায় বিক্রি করার চুক্তি করেন। পরে 'A' সেই জমি 'C' এর কাছে ৬,০০০ টাকায় বিক্রি করেন, যে কিনা মূল চুক্তির ব্যাপারে অবগত ছিল। এক্ষেত্রে-
  1. 'B' এর সাথে সম্পাদিত চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'B' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে না
  3. 'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
  4. 'C', 'B' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
সঠিক উত্তর:
'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারা- পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্বাধীনে দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

যদি এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারে-
(ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;

(খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব দ্বারা তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্পর্কে অনবহিত থেকে তার অর্থ প্রদান করেছে; উদহারন-
'A', 'B' এর সাথে নির্দিষ্ট জমি ৫,০০০ টাকায় বিক্রি করার চুক্তি করেন। পরে 'A' সেই জমি 'C' এর কাছে ৬,০০০ টাকায় বিক্রি করেন, যে কিনা মূল চুক্তির ব্যাপারে অবগত ছিল। B সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন C এর বিরুদ্ধে দাবি করতে পারেন।

(গ) এমন স্বত্বের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদীর জানা ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;

(ঘ) যখন পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সথে একত্রিত হয়, তখন একত্রিত হওয়ার ফলে উদ্ভূত নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;

(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা, কোম্পানি গঠিত হওয়ার পূর্বেই চুক্তি করে, তখন কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমোদন ও গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

Section 27: Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title- 
Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারায় আদালত কোন ক্ষেত্রে পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান করবে?
  1. মৌখিক চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  2. লিখিত চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে
  3. লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে
  4. মৌখিক চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।

Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২৭.
কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, আদালত কখন সম্পাদনযোগ্য অংশ যতটুকু আছে তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে
  2. বাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদনের দাবি পরিত্যাগ করলে
  3. বিবাদী অসম্পাদিত অংশ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুসারে,
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে বাদী চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে, আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।

Section 15- Specific performance of part of contract where part unperformed is large:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, and the part which must be left unperformed forms a considerable portion of the whole, or does not admit compensation in money, he is not entitled to obtain a decree for specific performance. But the Court may, at the suit of the other party, direct the party in default to perform specifically so much of his part of the contract as he can perform, provided that the plaintiff relinquishes all claim to further performance, and all right to compensation either for the deficiency, or for the loss or damage sustained by him through the default of the defendant.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় কাদের ক্ষেত্রে বিশেষ এখতিয়ারের বিধান করা হয়েছে?
  1. কিশোরদের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারীদের
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্তদের
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোরদের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২৯.
ফৌজদারি অভিযােগ(Charge) কোন ভাষায় লিখতে হয়?
  1. বাংলা
  2. ইংরেজি
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. ফরিয়াদির ভাষায়
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছেচার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে। একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম;
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে,উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে;
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে;
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে;
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়;
>পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে;
> চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দন্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 221:
(1) Charge to state offence-
Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.

(2 )Specific name of offence sufficient description-
If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.

(3) How stated where offence has no specific name-
If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.

(5) What implied in charge-
The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.

(6) Language of charge-
The charge shall be written either in English or in the language of the Court.

(7) Previous conviction when to be set out-
If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত একজন ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে পারে?
  1. যদি তিনি আদালতে উপস্থিত না হন
  2. যদি তিনি অযৌক্তিক সাক্ষ্য দেন
  3. যদি তিনি সমন ছাড়া আদালতে উপস্থিত হন
  4. যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি দলিল হাজির করতে বা প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮৫- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ-

কোনো ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোনো দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
৩১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারা নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৭৫ ধারা
  4. ৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:

(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় কোন পদ্ধতিতে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. FIR এর মাধ্যমে
  2. আদালতে হাজির হওয়ার মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে
  4. অভিযুক্ত সহ হাজির হওয়ার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FIR এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে?
  1. ৪২ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৩৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২ ধারার অধীন জনসাধারণের সাহায্য করার বাধ্যবাধকতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. যখন শুধুমাত্র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাহায্য চান
  2. যখন শুধুমাত্র পুলিশ অফিসার সাহায্য চান
  3. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার অযৌক্তিকভাবে সাহায্য চান
  4. যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
সঠিক উত্তর:
যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা কে নির্ধারন করে?
  1. সরকার
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা-

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
৩৬.
কোনো ফৌজদারি মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, উক্ত মামলা-
  1. শুধুমাত্র এডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন
  2. শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করবেন
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেটের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
  4. এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডভোকেট পাবলিক প্রসিকিউরের নির্দেশাধীন কাজ করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৩ ধারা অনুসারে,
পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোনো প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোনো বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

Section 493-
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারায় কে শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ সুপার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মুচলেকা দাতা
  4. স্থানীয় থানার ওসি
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারা: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।

Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peace or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কখন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. নিজের পেশা সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানালে
  2. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে
  3. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে জানাতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

অর্থাৎ, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে যদি সে নাম এবং বাসস্থান এর ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এবং ________ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
  1. ২৪২, ২৬৫ক
  2. ২৪১ক, ২৬৫গ
  3. ২৪৩, ২৬৫ঘ
  4. ২৪১খ, ২৬৫গ
সঠিক উত্তর:
২৪১ক, ২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪১ক, ২৬৫গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৪০.
"কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়া ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে।" উক্ত বিধান-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আছে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫০ক ধারায় আছে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫১:

(১) কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়াই ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে। এটি সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে করা যেতে পারে, যদি প্রমাণাদি থেকে মনে হয় যে সেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমনভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে যেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা সমন দেওয়া হয়েছে।

(২) যখন বিচার শুরু হওয়ার পর এই ধরনের আটক করা হয়, তখন সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে হবে এবং সাক্ষীদের পুনরায় শুনতে হবে।

Section 351- Detention of offenders attending Court:
(1) Any person attending a Criminal Court, although not under arrest or upon a summons, may be detained by such Court for the purpose of inquiry into or trial of any offence of which such Court can take cognizance and which, from the evidence, may appear to have been committed, and may be proceeded against as though he had been arrested or summoned.
(2) When the detention takes place after a trial has been begun the proceedings in respect of such person shall be commenced afresh, and the witnesses re-heard.
৪১.
আদালত কখন বিকল্প রায় প্রদান করবে?
  1. যখন অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন হবে না
  2. যখন অপরাধটি কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত তা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকবে না
  3. যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
  4. যখন অপরাধটি বিশেষ আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ২য় এবং ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৪৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৫ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অভিযোগ তৈরি করার প্রক্রিয়া
  2. অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
  3. অভিযোগ বাতিল করার নিয়ম
  4. অভিযোগ সংশোধন করার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৪৪.
"Wrongful loss" is the loss by ________ means of property to which the person losing it is legally entitled.
  1. legal
  2. unlawful
  3. lawful
  4. proper
সঠিক উত্তর:
unlawful
উত্তর
সঠিক উত্তর:
unlawful
ব্যাখ্যা
• Section 23- "Wrongful loss"

"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
৪৫.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় কাদের কৃত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. বিচারক
  2. নাবালক
  3. অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
সঠিক উত্তর:
অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।

Section 84: Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৪৬.
দণ্ডবিধির অধীন আদালত নিম্নের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে?
  1. বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হলে
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক জখম করে খুনের চেষ্টা করলে
  3. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করলে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• যে সকল ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ: দণ্ডবিধির অধীন আদালত নিম্নলিখিত ১০টি ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারে-

১. বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া বা লিপ্ত হওয়ার উদ্যোগ করা বা সহায়তা করার (ধারা ১২১);
২. বিদ্রোহে (বিশেষত সৈনিক এবং নাবিক সম্বন্ধে) সহায়তা এবং সেটার ফলে বিদ্রোহ সংঘটিত হলে (ধারা ১৩২);
৩. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করা যার উপর ভিত্তি করে নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে, যে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া যাবে (ধারা ১৯৪);
৪. খুন (ধারা ৩০২);
৫. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুন করলে (ধারা ৩০৩);
৬. নাবালক, উন্মাদ বা মদপ্য ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে এবং তার ফলে আত্মহত্যা করলে (ধারা ৩০৫)
৭. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক জখম করে খুনের চেষ্টা করলে (ধারা ৩০৭);
৮. এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর জখম করলে (ধারা ৩২৬ক);
৯. দশ বৎসরের নিচের কোন ব্যক্তিকে খুন, গুরুতর আঘাত ইত্যাদি উদ্দেশ্যে অপহরণ বা বলপূর্বক অপহরণ করলে (ধারা ৩৬৪ক);
১০. খুনসহ ডাকাতি করলে (ধারা ৩৯৬)।
৪৭.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সর্বনিম্ন অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৪৮.
'ক' নিজেকে 'খ' দাবি করে 'খ'-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১০,০০০ টাকা উত্তোলন করে। 'ক'-এর অপরাধ পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪১৭ ধারায়
  4. ৪১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) সংজ্ঞা রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে, যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
৪৯.
দণ্ডবিধির অধীন জরিমানা প্রদানের ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা কখন সমাপ্ত হয়?
  1. জরিমানা পরিশোধ করা হলে
  2. আইনগত প্রক্রিয়ায় জরিমানা আদায় করা হলে
  3. ক বা খ
  4. জরিমানা আদায়ের সময়সীমা শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৮ ধারা- অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:
জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে যে কারাদণ্ড আরোপ করা হয়, তা সমাপ্ত হবে যখনই সেই জরিমানা পরিশোধ করা হয় অথবা আইনগত প্রক্রিয়ায় আদায় করা হয়।

Section 68- Imprisonment to terminate on payment of fine:
The imprisonment which is imposed in default of payment of a fine shall terminate whenever that fine is either paid or levied by process of law.
৫০.
দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৫১.
রাহুল মিতুকে অপহরণ করে শহরে নিয়ে আসে। রাহুলের উদ্দেশ্য হচ্ছে মিতুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে (রাহুলকে) বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। রাহুলের এই কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৩৭৬ ধারার
  2. ৩৬৬ ধারার
  3. ৩৫৬ ধারার
  4. ৩৮৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারা- কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;

এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।

Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.

Section 366. Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
৫২.
জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৭১- জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার [using as genuine forged document)-

জাল দলিল জেনেও আসল হিসেবে ব্যবহার করলে সে লোক জালিয়াতির জন্য যেরুপ শাস্তি নির্ধারিত সেই রুপ শাস্তি পাবে। অর্থাৎ, ৪৬৫ ধারা অনুযায়ী যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
৫৩.
নিম্নের কোনটি ধর্ষণের উপাদান নয়?
  1. ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সহবাস করা
  2. মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা
  3. সম্মতি ছাড়া যৌন সহবাস করা
  4. ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের ৫টি উপাদানের উল্লেখ আছে। কোন পুরুষ ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত প্রেক্ষাপটে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করে-

১. তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে [Against her will);
২. তার সম্মতি ছাড়া (Without her consent):
৩. তার সম্মতিতে কিন্তু মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে (With her consent, when her consent has been obtained by putting her in fear of death, or of hurt):
৪. তার সম্মতিতে যখন মহিলা মনে করে যে, পুরুষ লোকটি তার স্বামী যদিও পুরুষ লোকটি জানে যে, সে উক্ত মহিলার স্বামী নয় (With her consent, when the woman belives that the man is her husband though the man knows that he is not her husband):
৫. তার সম্মতিসহ বা ছাড়া, যেক্ষেত্রে সে ১৪ চৌদ্দ বছরের কম বয়স্কা হয় With or without consent, when she is under 14 years of age.

অর্থাৎ, ১৮ বছরের বেশি বয়স্কার ক্ষেত্রে সম্মতিসহ সহবাস করা'- ধর্ষণের উপাদান নয়।
৫৪.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. জোরপূর্বক গ্রহণ
  2. ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে (criminal conspiracy) কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

শর্ত বা উপাদান:
১. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দুই (২) বা ২ এর অধিক ব্যক্তি বা সদস্য থাকতে হবে;
২. যাদেরকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অপরাধ করার একটি সম্মতি [Agreement] থাকতে হবে;
৩. সম্মতি [Agreement] টি হতে হবে-
1. কোন অবৈধ কাজ করতে বা
II. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে।
৫৫.
সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ নয় কোনটি?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ [Offences Relating to Property]-
১। চুরি;
২। জোরপূর্বক গ্রহণ;
৩। দস্যুতা;
৪। ডাকাতি;
৫। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ;
৬। অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ;
৭। চোরাই মাল;
৮। প্রতারণা;
৯। প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর;
১০। ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন;
১১। অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ধারা।

উল্লিখিত সবগুলো সম্পত্তি সম্পর্কিত অপরাধ।
৫৬.
রফিক হাসানকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে, পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে হাসান একটি চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। রফিক জানেন যে হাসান কোনো চুরি করেনি, তবুও তিনি এই মিথ্যা অভিযোগটি দায়ের করেন যাতে হাসানকে আইনি জটিলতায় ফেলা যায়। এই ধরনের কাজের জন্য, রফিক দণ্ডবিধির ______ ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত হবেন।
  1. ২১১
  2. ৩১১
  3. ৪১১
  4. ১১১
সঠিক উত্তর:
২১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান- ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:

কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে,
তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৫৭.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি দিলে(criminal intimidation) সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
৫০৬ ধারা: "অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি"

যে কেউ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করবে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে; এবং যদি ভীতি প্রদর্শন নিম্নলিখিত বিষয়গুলির যেকোনো একটি সম্পর্কিত হয়:

⇒ মৃত্যু ঘটানোর হুমকি;
⇒ গুরুতর আঘাত করার হুমকি;
⇒ আগুন দ্বারা কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করার হুমকি;
⇒ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি;
⇒ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার হুমকি;
⇒ কোনো মহিলার সতীত্বে কলঙ্ক আরোপের হুমকি;

তাহলে অপরাধীকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৫৮.
সর্বনিম্ন কত দিন কেউকে অবৈধভাবে অবরোধ করা হলে, অপরাধীকে তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৫৯.
'ক' জুমার নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে, যা নামাজরত মুসল্লিদের নামাজ ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ২৯৬ ধারায় সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ২ বছরের
  4. ১ বছরের
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ২৯৬ ধারা: "ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি"-
যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নিযুক্ত সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে, তাকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

এই ধারার মূল বিষয়গুলি:
⇒ অপরাধের প্রকৃতি: ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

⇒ অপরাধের শর্তাবলী:
a) বিঘ্ন সৃষ্টি স্বেচ্ছায় করা হয়েছে;
b) বিঘ্ন সৃষ্টি করা হয়েছে এমন একটি সমাবেশে যা আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় উপাসনা বা অনুষ্ঠানে নিযুক্ত ছিল।

⇒ শাস্তি:
a) সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড;
b) জরিমানা;
c) কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়।
৬০.
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. খুনের প্ররোচনা
  2. আত্মহত্যার চেষ্টা
  3. নরহত্যার চেষ্টা
  4. আত্মহত্যায় প্ররোচনা
সঠিক উত্তর:
আত্মহত্যার চেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মহত্যার চেষ্টা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬১.
চোরদের দলে থাকার সাজার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড দেয়া হয়
  2. প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই বিনাশ্রম হবে
  3. প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম যেকোনো কারাদণ্ড দেয়া যায়
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদত্ত কারাদণ্ড অবশ্যই সশ্রম হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৬২.
কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায় কোন ধরনের ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. যে ঘটনা আদালতকে মামলার সাক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করে
  2. যে ঘটনা আদালতকে মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করে
  3. যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
  4. যে ঘটনা আদালতকে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তা করে
সঠিক উত্তর:
যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ঘটনা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যেকোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনার উদাহরণ:
১. ক্ষতির প্রকৃতি ও আকার সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি ইত্যাদি);
২. ক্ষতিগ্রস্থের আর্থিক অবস্থা বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা (আয়, খরচ ইত্যাদি);
৩. দায়ী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কিত ঘটনা;

৪. দায়িত্বের প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা;
৫. ক্ষতির ফলাফল সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক/মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি);
৬. ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত ঘটনা।
৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩খ ধারায় আদালত কোন ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে ব্যক্তি সাক্ষী হতে চায়
  2. শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
  3. যে ব্যক্তি অভিযুক্ত
  4. যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অনিচ্ছুক
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সাক্ষ্য যেই ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ: অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে, এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ যার অন্তর্গত বা তা তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

Section 73B⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
(1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
৬৫.
যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরির মালামাল নিজের দখলে রাখে এবং উক্ত দখলের উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারে, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. সেই ব্যক্তি নিজেই চোর
  2. সেই ব্যক্তি না জেনেশুনে চুরির মাল গ্রহণ করেছে
  3. চুরির মাল গ্রহণ করতে কেউ তাকে বাধ্য করেছে
  4. মালগুলো চুরির সেই বিষয়ে ব্যক্তি অবগত নয়
সঠিক উত্তর:
সেই ব্যক্তি নিজেই চোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই ব্যক্তি নিজেই চোর
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৪: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে।

আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরির মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা নিম্নের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. যেখানে কোনো ব্যক্তির ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয়
  2. যেখানে কোনো ব্যক্তির চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
  3. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
  4. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

Section 54:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1- This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2- A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

→ এই ধারার অর্থ হলো,
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্তের খারাপ চরিত্র বিচারে গৃহীত হবে না, যদি না তিনি নিজের ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেন। যদি তিনি ভালো চরিত্রের দাবি করেন, তাহলে তার খারাপ চরিত্র বিচার্য হবে। 
৬৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার কার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযুক্তের
  3. অভিযোগকারীর
  4. আদালতের
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন। 

Section 155: Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
৬৮.
'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. Who must have to prove that 'B' has committed the crime?
  1. 'A'
  2. 'B'
  3. Police
  4. Victim
সঠিক উত্তর:
'A'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A'
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায় যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। এই ধারা অনুযায়ী এই প্রমাণের ভার কখনও পরিবর্তন হয় না।

Section 101 of The Evidence Act 1872- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. 
When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person. 

Illustrations -
(a) 'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. 'A' must prove that 'B' has committed the crime. 

(b) A desires a Court to give judgment that he is entitled to certain land in the possession of B, by reason of facts which he asserts, and which B denies, to be true. A must prove the existence of those facts.
৬৯.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. মাইক্রোফিল্ম
  3. সিসিটিভি ফুটেজ
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

• রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-
প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
৭০.
The Evidence Act, 1872 এর ৬৪ ধারার বিধান অনুসারে-
  1. দলিলসমূহ অবশ্যই গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  2. দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  3. দলিলসমূহ অবশ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
  4. দলিলসমূহ অবশ্যই পরোক্ষ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: 
এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

Section 64- Proof of documents by primary evidence:
Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.
৭১.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় কার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে সাজা দেয়া হলে, কেবলমাত্র সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনী হইবে না?
  1. বৈরি সাক্ষীর
  2. নাবালক সাক্ষীর
  3. দুষ্কর্মের সহযোগীর
  4. স্বামী বা স্ত্রীর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগীর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা- দুষ্কর্মে সহযোগী:
দুষ্কর্মের সহযোগী অভিযুক্তরবিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গন্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া হইলে, কেবলমাত্র সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনী হইবে না।

Section-133. Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭২.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় নিম্নের কোনটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. Examination in Chief
  2. Cross Examination
  3. Re-examination
  4. উল্লিখিত সবগুলোর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।
৭৩.
বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী, যারা আদালতে নিজ পক্ষের __________ সাক্ষ্য প্রদান করে।
  1. পক্ষে
  2. বিপক্ষে
  3. অনুকূলে
  4. গুরত্বপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে
ব্যাখ্যা
• বৈরী সাক্ষী হল এমন এক ধরনের সাক্ষী যারা আদালতে নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে। বৈরী সাক্ষীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

১. বৈরী সাক্ষী সাধারণত একপক্ষের স্বপক্ষে ডাকা হলেও, পরবর্তীতে সে অপরপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে।
২. একজন বৈরী সাক্ষীকে ভিন্ন প্রশ্নগুলো দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং তার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যায়।
৩. যে পক্ষের স্বপক্ষে সে ডাকা হয়েছিল সেই পক্ষের আইনজীবী বৈরী সাক্ষীকে তার নিজস্ব সাক্ষ্য দ্বারা আক্রমণ করতে পারবেন।
৪. জেরা চলাকালীন বৈরী সাক্ষীকে অস্বীকারযোগ্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়।
৫. বৈরী সাক্ষীর সাক্ষ্য পৃথকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং সাক্ষী সমর্থন করলেও মূল পক্ষের জন্য সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সুতরাং, বৈরী সাক্ষী হল এক পক্ষের স্বপক্ষে ডাকা সাক্ষী যিনি পরবর্তীতে বিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাদের সাক্ষ্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা কোন ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: 
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৭৫.
'যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, অন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
•ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো- যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৭৬.
Evidence given by dumb witnesses shall be deemed to be _____ evidence.
  1. oral
  2. primary
  3. documentary
  4. written
সঠিক উত্তর:
oral
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral
ব্যাখ্যা
Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
কথা বলতে যে সাক্ষী অক্ষম, তিনি তার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়ে বা ইশারা করে বুঝাতে পারেন এবং সেভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন, তবে সে লেখা অথবা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখতে বা ইশারায় করতে হবে। এমনভাবে যে সাক্ষ্য দেয়া হলে তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে।
৭৭.
তামাদি আইনে বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange) হিসেবে কোনটি অর্ন্তভুক্ত হবে?
  1. চেক
  2. হুন্ডি
  3. ক ও খ উভয়
  4. ক বা খ কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী-
হুন্ডি এবং চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

Section 2(2)
“bill of exchange” includes a hundi and a cheque.
৭৮.
তামাদির গণনায় লিখিতভাবে দায় স্বীকারের প্রভাব কী?
  1. কোনো প্রভাব পড়বে না
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  3. তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
  4. তামাদির মেয়াদ অবৈধ ঘোষিত হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ নতুনভাবে গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.

Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৭৯.
একটি আপিল দায়েরে তামাদির মেয়াদ গণনায় সংশ্লিষ্ট রায়ের নকল তুলতে ব্যয়িত সময় -
  1. যুক্ত হবে
  2. সম্পূর্ণ বাদ যাবে
  3. অর্ধেক বাদ যাবে
  4. বাদ যাবে নাকি যুক্ত হবে তা আদালতের বিবেচনাধীন বিষয়
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন;
২) রায় ঘোষণার দিন;
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়;
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
৮০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ নিম্নের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  4. উল্লিখিত সবগুলোয়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ হলো ৬০ বছর এবং সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ হলো ৭ দিন। সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৪৭-
রেহেন উদ্ধারের অধিকার নাশ [Foreclosure] বা বিক্রয়ের [Sale] জন্য রেহেন গ্রহীতা কর্তৃক মামলা দায়েরের সময়সীমা, রেহেন ঋণ যখন পরিশোধযোগ্য হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৮-
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা, যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৯-
সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলার তামাদি- ৬০ বছর।
৮১.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
  2. ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে।
  3. ১৮ ধারায় প্রতারণার ফলাফল দেয়া আছে।
  4. ১৭ ধারায় মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল দেয়া আছে।
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায় পক্ষভুক্ত করার ফলাফল দেয়া আছে।
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন তৃতীয় অধ্যায় - তামাদির সময় /মেয়াদ গণনা-
ধারা ১২- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে
ধারা ১৩ - বাংলাদেশ ও অনান্য কয়েকটি এলাকা থেকে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীন সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।
ধারা ১৪ - এখতিয়ারবিহীন আদালতের সুউদ্দেশ্যমূলক কার্যক্রমে যে সময় গণনা হতে বাদ দিতে হয়।
ধারা ১৫ - কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৬ - ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মূলতবী থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
ধারা-১৭ - মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল।
ধারা-১৮ - প্রতারণার ফলাফল।
ধারা-১৯ - লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
ধারা ২০ - উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল।

ধারা ২১ - অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি।
ধারা-২২ - নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারো স্থলাভিষিক্ত কিংবা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল।
ধারা-২৩ - অবিরাম চুক্তিভঙ্গ অথবা অন্যায় করা।
ধারা-২৪ - বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা।
ধারা-২৫ - দলিলের উল্লিখিত সময়ের হিসাব।
৮২.
যদি মামলা করার অধিকার ১ জানুয়ারি, ২০১০-এ প্রাপ্ত হয়, তবে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মামলাটি কোন তারিখের মধ্যে দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০১৬
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২০
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০১৬
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

Article 120-
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues.

অর্থাৎ '১ জানুয়ারি, ২০১৬' তারিখের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৮৩.
স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির সময়সীমা কিসের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়?
  1. সম্পত্তি কেনার তারিখ
  2. সম্পত্তি বিক্রির তারিখ
  3. সম্পত্তি থেকে বেদখলের তারিখ
  4. আদালতের রায়ের তারিখ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি থেকে বেদখলের তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি থেকে বেদখলের তারিখ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা।
[under the specific relief Act, 1877, section 9, to recovery of Possession of Immovable Property]

তামাদি- ৬ মাস।
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময়।
৮৪.
তামাদি আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ধারা বা ধারাগুলি অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ৬ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৬ এবং ৭ ধারা
  4. ৯ এবং ১০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ এবং ৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ এবং ৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-

৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮৫.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানহানির দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত দিন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ২৪:

লিখিত কুৎসা (Libel) দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা;
তামাদি মেয়াদ - ১ বছর;
গণনা শুরু - মানহানিকর বিষয় যখন প্রকাশিত হয় তখন থেকে। 
৮৬.
"Exclusion of time during which proceedings are suspended"- এটি তামাদি আইনের নিম্নের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১৩ ধারা
  2. ১৫ ধারা
  3. ১৭ ধারা
  4. ১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.

তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
৮৭.
কোন ধরনের কাজের জন্য বার কাউন্সিল বা এর ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না?
  1. বেআইনি উদ্দেশ্যে করা
  2. সৎ উদ্দেশ্যে করা
  3. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা
  4. ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে করা
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ উদ্দেশ্যে করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮-
বার কাউন্সিল বা কোনো ট্রাইব্যুনাল, কমিটি, কর্মকর্তা বা বার কাউন্সিলের কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই আদেশের বা এর অধীনে প্রণীত বিধির কোনো বিধানের অধীনে সৎ উদ্দেশ্যে করা বা করার উদ্দেশ্যে করা কোনো কাজের জন্য কোনো মামলা বা অন্যান্য আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

Article 18-
No suit or other legal proceeding shall lie against the Bar Council or any Tribunal, Committee, officer or servant of the Bar Council for any act in good faith done or intended to be done in pursuance of the provisions of this Order or rules made thereunder.
৮৮.
বার কাউন্সিল কাদের কল্যাণের জন্য দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে?
  1. জনসাধারনের
  2. এডভোকেটদের
  3. বিচারাধীন অভিযুক্তদের
  4. বিচার বিভাগে নিযুক্ত সকল কর্মচারীদের
সঠিক উত্তর:
এডভোকেটদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডভোকেটদের
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।

Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.
৮৯.
সরকার পক্ষের আইনজীবীর দায়িত্ব কী?
  1. আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা
  2. মামলায় জয় লাভ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• 'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর অধ্যায় ৩- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্য (সারমর্ম):

১- আদালতের মর্যাদা রক্ষা:
আইনজীবীদের আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাবনত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করা উচিত। বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায্য সমালোচনা ও কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান আইনজীবী সমাজের দায়িত্ব। তবে, যথার্থ অভিযোগ থাকলে আইনগত প্রতিকার চাওয়া তাদের অধিকার।

২- সাক্ষী সম্পর্কে পরামর্শ:
মামলার প্রমাণ নির্ধারণে সহায়ক ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণকে দুষপ্রাপ্য করার পরামর্শ আইনজীবীদের দেওয়া উচিত নয়।

৩- ভুল উদ্ধৃতি না করা:
বিচারকদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল উদ্ধৃতি বা বাতিল হওয়া নজির পেশ করা উচিত নয়।

৪- আচরণ ও গোপন আলোচনা:
বিচারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণমূলক কিছু করা উচিত নয় এবং গোপনে বিচারকের সঙ্গে মামলার গুনাগুন বিষয়ে আলোচনা করা উচিত নয়।

৫- সরকার পক্ষে আইনজীবীর দায়িত্ব:
আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা নয়, বরং ন্যায় বিচার হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা সরকারের আইনজীবীর দায়িত্ব।


৬- পত্রিকায় প্রকাশ:
বিচারাধীন মামলার তথ্য পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়, কারণ তা মামলার স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে।

৭- বিচারক নিয়োগ:
আইনজীবীদের বিচারক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনার বিরোধিতা করা উচিত এবং যোগ্য বিচারক নিয়োগে সক্রিয় থাকা উচিত।

৮- মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
আইনজীবীদের আদালতে মামলার সময় উপস্থিত থাকা উচিত বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

৯- মতামত প্রদান:
নিজে জড়িত না থাকা মামলায় স্বেচ্ছায় মতামত প্রদান করা উচিত নয়, তবে আদালতের আহবানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে।
৯০.
"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."- এই বিধান The Bangladesh Legal practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. Article 27
  2. Article 28
  3. Article 29
  4. Article 30
সঠিক উত্তর:
Article 28
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 28
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"