উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
Unlisted · ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১ · ৭০ প্রশ্ন
চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ে ২৪ জন পদকর্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
নামের শেষে গৌরব সূচক 'পা' যোগ করা আছে।
চর্যাপদের পদকর্তারা হলে:
- সরহপা,
- শবরপা,
- লুইপা,
- ডোম্বীপা,
- ভুসুকুপা,
- কাহ্নপা,
- কুক্কুরীপা,
- মীনপা,
- আর্যদেব,
- ঢেণ্ঢনপা
- চাটিলপা
- দারিকপা
- ধামপা
প্রমুখ
[উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম]
দৌলত উজির বাহরাম খান (আনু. ১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি। তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
- বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজন ও ইমাম-বিজয়। উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।
লায়লী-মজনু মূলত আধ্যাত্মিক কাব্য, কিন্তু বাংলা অনুবাদে তা পরিণত হয়েছে মানবিক প্রেমকাব্যে। বাহরাম খানই প্রথম লায়লী-মজনুর মতো বিশ্বখ্যাত - বিরহমূলক প্রেমকাহিনী নিয়ে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন। এর ভাষা কবিত্বময়। ইমাম-বিজয়ের বিষয়বস্ত্ত আরবের কারবালার বিষাদময় যুদ্ধকাহিনী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
তাম্বুলিক শব্দের অর্থ - পান ব্যবসায়ী;
বারুই শব্দের অর্থ - যারা পান উৎপাদন করে এবং বিক্রয় করে;
পর্ণকার অর্থ - পান বিক্রেতা বা পান ব্যবসায়ী।
অন্যদিকে, তামসিক শব্দের অর্থ - ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন।
শেখ চাঁদ:
শেখ চাঁদ (আনু. ১৬৫০-১৭২৫) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। তিনি কুমিল্লার অধিবাসী ছিলেন। তাঁর কাব্যসমূহের শতাধিক অনুলিপি কুমিল্লা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে।
শেখ চাঁদ মোট তিনটি কাব্য রচনা করেন:
- তালিবনামা (যোগ ও সুফিতত্ত্ব সংক্রান্ত)
- হরগৌরী সম্বাদ (যোগ ও সুফিতত্ত্ব সংক্রান্ত)
- রসুলবিজয়।
শেখ চাঁদের রসুলবিজয় হযরত মুহাম্মাদ (স.) -এর জীবনকেন্দ্রিক একখানা বিশাল কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ফারসি কাসাসোল আম্বিয়া অনুসরণে রচিত হলেও এর মধ্যে কবির নিজস্ব সংযোজনও রয়েছে।
- রসুলচরিতকে কবি অনেক ক্ষেত্রে বাঙালি সমাজের নিরিখে বিবেচনা করেছেন।
- কাব্যের ভাষা সহজ ও সাবলীল। সংলাপ রচনায় কথ্যভঙ্গির প্রয়োগ আছে। কবিত্ব ও পান্ডিত্যের মিশ্রণে কাব্যটি আস্বাদনযোগ্য হয়েছে।
জৈনুদ্দীন:
জৈনুদ্দীন (১৫শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। তিনি ছিলেন সুফি ধারার অনুসারী; শাহ্ মোহাম্মদ খান ছিলেন তাঁর পীর। কবির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গৌড়ের যুবরাজ ইছপ খান (ইউসুফ খান), যিনি পরে শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ (১৪৭৪-৮২) নামে গৌড়ের সুলতান হন।
- রসুলবিজয় কাব্য রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।
- তার রচিত রসুলবিজয় যুদ্ধবিষয়ক একটি কাহিনীকাব্য।
- এতে হযরত মুহাম্মদ (স.) ও ইরাকাধিপতি জয়কুমের মধ্যেকার দীর্ঘযুদ্ধের বর্ণনা আছে। যুদ্ধে ইসলামের বিজয় দেখানো হয়েছে।
- কাব্যটিতে রসুলের মধুর বাণী আছে বটে, কিন্তু যুদ্ধের ঘনঘটা ও শৌর্যবীর্যের যে ব্যাপক বর্ণনা আছে, তাতে কবিত্বের পরিচয় আছে কমই।
- কাব্যের উৎস ফারসি সাহিত্য হলেও কবি কোন কাব্য অনুসরণ করেছেন তা জানা যায় না।
সুতরাং, অপশনে থাকা শেখ চাঁদ ও জৈনুদ্দীন - উভয়ই 'রসুল বিজয়' কাব্য রচনা করেন।
অপশনে একাধিক উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে
আবদুল হাকিম প্রধানত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের কবি ছিলেন।
- তাঁর মোট পাঁচটি গ্রন্থ পাওয়া গেছে: ইউসুফ-জুলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুলমূলক এবং হানিফার লড়াই।
উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।
- ১৪৯৮ সালে গোয়ায় উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন ।
- তিনি নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন ।
- এজন্য চার্লস উইলকিন্সকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর)
- এন্টনি ফিরিঙ্গি শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল।
- তাঁর প্রকৃত নাম এন্টনি হেন্সম্যান
- আঠার শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের মুখে কলকাতার হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়েরের উদ্ভব ঘটে।
- কবিওয়ালাদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাম হলো;
গোঁজলা গুই,
হুরু ঠাকুর,
এন্টনি ফিরিঙ্গি
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। একে ক্রিয়া-প্রকৃতিও বলা হয়৷
অন্যদিকে বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। একে নামপদ বা নাম-প্রকৃতিও বলা হয়৷
প্রাতিপদিক হলো তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রকৃতি। এবং ধাতু হলো কৃৎ-প্রত্যয়ের প্রকৃতি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
'গাজী মিয়ার বস্তানী' (১৯০০) মীর মশাররফ হােসেনের কর্মজীবন নির্ভর আত্মজীবনীমূলক রচনা।
লেখক ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অনাচার, সামাজিক দুর্নীতি এবং সেই সমাজভুক্ত মানুষগুলাের নৈতিক অধঃপতন, মনুষ্যত্ব ও হৃদয়হীন আচরণ তুলে ধরেছেন এ গ্রন্থে। লেখক নিজেকে ‘ভেড়াকান্ত' নামে উল্লেখ করেছেন।
তাছাড়া আলকাতরা সান্যাল, কটা পেস্কার, জয়ঢাক, ছিড়িয়া খাতুন, অরাজকপুর, নচ্ছারপুর, জমদ্বারগ্রাম ইত্যাদি নামচয়নের মধ্যেও লেখকের ব্যঙ্গের তীব্রতা লক্ষ করা যায়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
ঢাকের কাঠি : মোসাহেব, চাটুকার
ঢাকের বাঁয়া : যার কোন মূল্য নেই
বক ধার্মিক : ভণ্ড/কপটাচারী
বেগম রোকেয়া রচিত 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ থেকেঃ
আমাদের বঙ্গভূমি সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা, -তবু চাষাদের উদরে অন্ন নাই কেন?
ইহার উত্তর শ্রদ্ধাস্পদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিয়াছেন, ''ধান্য তার বসুন্ধরা যার''।
তাই তো, অভাগা চাষা কে? সে কেবল 'ক্ষেতে ক্ষেতে পুইড়া মরিবে''।
- 'রোহিণী' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায় রচিত ''কৃষ্ণকান্তের উইল'' উপন্যাসের চরিত্র।
- রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্নিত হয়েছে এই উপন্যাসে।
- রোহিণী স্বীয় ব্যর্থ যৌবনের হাহাকারে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলো।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বঙ্কিম রচনাবলি
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা–ই করণ কারক৷
করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
ক. প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি : ছাত্ররা বল খেলে।
খ. তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি : লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।
দিয়া বিভক্তি : মন দিয়া কর সবে বিদ্যা অর্জন।
গ. সপ্তমী বা এ বিভক্তি : ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে। জ্ঞানে বিমল আনন্দ হয়।
তে বিভক্তি : লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।
য় বিভক্তি : চেষ্টায় সব হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
• উজবুক শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
• তুর্কি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ হলোঃ
- বাবা,
- কোর্মা,
- খাতুন,
- বিবি,
- চাকর,
- চাকু,
- তোপ,
- দারোগা,
- বাবুর্চি,
- লাশ,
- মুচলেখা,
- কুলি,
- খোকা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান
সমুদ্র - পয়োধি, বরুণ, পাথার, অর্ণব, জলধি, দরিয়া, পারাবার, সিন্ধু, সাগর ইত্যাদি।
স্রোতস্বিনী - নদী
ঢেউ - ঊর্মি, বীচি, তরঙ্গ, কল্লোল
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপঃ শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলে। যেমন, ‘বসতি’ (ব+অ+স+অ+ত+ই)-র মাঝের ‘অ’ স্বরধ্বনি লোপ পেয়ে হয়েছে ‘বস্তি’ (ব+অ+স+ত+ই)। স্বরলোপ ৩ প্রকার-
ক. আদিস্বরলোপঃ শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন, অলাবু˃ লাবু˃ লাউ, এড়ন্ড˃ (‘এ’ লোপ পেয়ে) রেড়ী, উদ্ধার˃ উধার˃ ধার।
খ. মধ্যস্বরলোপঃ শব্দের মধ্যবর্তী কোন স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বরাগম বলে। যেমন, গামোছা˃ গামছা, অগুরু˃ অগ্রু, সুবর্ণ˃ স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বরালোপঃ শব্দের শেষের স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বরাগম বলে। যেমন, আশা˃ আশ, আজি˃ আজ, চারি˃ চার, সন্ধ্যা˃ সঞ্ঝ্যা˃ সাঁঝ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
• উপসর্গ ৩ প্রকার। যথাঃ
- বাংলা উপসর্গ,
- তৎসম উপসর্গ এবং
- বিদেশী উপসর্গ।
• বাংলা উপসর্গ ২১টি। যথাঃ অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
• তৎসম উপসর্গ ২০টি। যথাঃ প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমনঃ
- আরবি উপসর্গঃ আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গঃ কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গঃ হর।
- ইংরেজি উপসর্গঃ হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
রাত্রি : রজনী; ত্রিযামা; যামিনী; রাত; নিশা; নিশীথিনী; ক্ষণদা; শর্বরী; বিভাবরী।
ফুল : প্রসূন
বিদ্যুৎ : দামিনী
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
Correct spelling word: Renaissance
Renaissance - the revival of European art and literature under the influence of classical models in the 14th–16th centuries.
Third conditional sentence এর ক্ষেত্রে if-clause টি তে past perfect (had + past participle) tense ব্যবহৃত হয় এবং main clause টি তে modal auxiliary (would, could, should, etc.) + have + past participle ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ This could have worked if I had been more cautious.
This could have worked if I had been more far-sighted.
Tooth and nail অর্থ যথাসাধ্য চেষ্টা করা; Desperately (adverb) মরিয়া হয়ে; বেপরোয়াভাবে।
Fight tooth and nail: to try very hard to get something you want অর্থাৎ, কোনোকিছু পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা
Antonym of candid is Devious.
Candid - truthful and straightforward; frank.
Similar:
frank
outspoken
forthright
Devious - showing a skilful use of underhand tactics to achieve goals.
Similar:
underhand
deceitful
dishonest
die of (disease): He died of cholera/cancer.
die from (effect ): He died from snake bite/ over eating.
die for (shake / cause): He died for his country .
die in ( place / month / year): He died in 1950./ He died in London. / He died in a hospital in Dhaka.
die in (accident ): He died in a train accident.
die on ( name of day /spot death): He died on the spot./ He died on Monday.
die at( time): He died at 9–30 a m.
die between (time): He died between 9 a m to 9–30 a m.
die within (time ): He died within five minutes.
কোনো কিছুর জন্য প্রসিদ্ধ বুঝাতে renown এর পর for হবে।
যেমনঃ - It is renowned for its friendliness, cleanliness and industry.
- He was widely renowned for his plain speaking, and for the prominence that he gave to it.
- Grammar schools are beacons of excellence in our education system, renowned for their academic results, their sporting prowess and their cultural achievements.
Come true - if wishes, dreams etc come true, they happen in the way that someone has said or hoped that they would
Example:
• The prediction seems to have come true.
• After 21 years, Carl's dream of owning a home came true.
• This was a dream that came true.
• We thought maybe our worst nightmare came true.
Stubborn - having or showing dogged determination not to change one's attitude or position on something, especially in spite of good arguments or reasons to do so.
Similar:
obstinate
headstrong
wilful
obdurate
Draw up - prepare a plan, agreement, or other document in detail.
Similar:
compose
formulate
write out
draft
devise
map out
Structure: Future perfect tense + before + present indefinite tense হয়;
যদিও কাজটি ভবিষ্যতের বুঝায়, tense হবে present indefinite tense.
তাই সঠিক বাক্য - We shall have reached there before he comes.
I shall have done the sum before the teacher comes.
সুতরাং, শূন্যস্থানে হবে he comes
Prospect of - a particular event which will probably or definitely happen in the future – used especially when you want to talk about how you feel about it
Example:
- The prospect of marriage terrified Alice.
- Greeks face the prospect of new general elections next month.
- He relishes the prospect of a fight.
be excited/alarmed/concerned etc at the prospect (of something)
- She wasn’t exactly overjoyed at the prospect of looking after her niece.
Structure : Sub + ask + object (যদি থাকে) + Interrogative Pronoun/
Interrogative adverb + Reported speech এর Subject + Verb + বাকি অংশ।
যেমন:
Direct : “What do you want?” She asked him.
Indirect : She asked him what he wanted.
Direct : He said to me, ''Where do you live?''
Indirect : He asked me where I lived.
Direct: He said to me, 'When did you come here'
Indirect: He asked me when I had gone there.
Direct : She said to me, ''Why don't you came on Monday'
যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে। আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয়। Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে। Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।
Complex Sentence-এ একটি Independent Clause এবং এক বা একাধিক Dependent Clause থাকে।
প্রশ্নোক্ত বাক্যটি 'The Table has four chairs' - একটি independent clause, কারণ এটি অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয়।
যে Sentence-এ একটি Principal Clause এবং এক বা একাধিক Subordinate Clause থাকে তাকে Complex Sentence বলে।
যেমনঃ If he helps us, we shall win.
I know who he is.
Help/See + object + infinitive/bare infinitive থাকলে passive voice এর বেলায় help/see এর জায়গায় এদের v3 form হবে এবং Help/see/teach এর পর ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে verb এর base form বসে অথবা to + verb বসে।
যেমনঃ
Active voice: He saw me do it.
Passive Voice: I was seenby him to do it
Active voice:He helped me (to) do it.
Passive Voice: I was helped by him to do it.
Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও adjective এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
সংক্ষেপে: present participle = Verb+ing = adjective = Verb+adjective.
Participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
যেমন-
- A rolling Stone gathers no moss.
- She is swimming.
- I saw a flying bird.
- Do no get into the running train.
- A swimming snake bit him in the leg.
মনে করি, বিস্তার ক মিটার ও দৈর্ঘ্য ২ক মিটার
প্রশ্নমতে, ২ক২ = ৫১২
বা, ক২ = ২৫৬
বা, ক = ১৬
∴ বিস্তার ১৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ২×১৬ = ৩২মিটার
∴ পরিসীমা = ২(৩২+১৬) = ৯৬ মিটার
0.3
√0.3 = 0.55
1/3 = 0.33
2/5 = 0.40
So, √0.3 is the biggest number
x2 - 8x - 8y + 16 + y2
= x2 + y2+ (-4)2 + 2.x.y + 2.y(-4) + 2.(-4).x - 2xy
= (x + y - 4)2 - 2xy
অর্থাৎ 2xy যোগ করলে রাশিটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।
2a2 + 7ab - 15b2
= 2a2 + 10ab - 3ab - 15b2
= 2a(a + 5b) - 3b(a + 5b)
= (a + 5b)(2a - 3b)
1 থেকে 99 পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল = n(n+1)/2
= (99 × 100)/2
= 4950
১.৫৫৫৫৫ এর ৫%
= ১.৫৫৫৫৫ × ৫/১০০
= ০.০৭৭৭৭৭৫
দেওয়া আছে, x + y = 17 এবং xy = 60
আমরা জানি, (x - y)2 = (x + y)2 - 4xy = 172 - 4 × 60 = 49
∴ x - y = 7
ধরি, সংখ্যাটি ক
প্রশ্নমতে, ৮ক - ২ক = ৭২
বা, ৬ক = ৭২
বা, ক = ১২
আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪)(বাহু)2
বা, বাহু2 = (৪ × ৫০)/√৩ = ১১৫.৪৭
বা, বাহু = ১০.৭৫ সেমি
বাগানের ক্ষেত্রফল = (৮০ × ৭০) বর্গ ফুট
= ৫৬০০ বর্গ ফুট
রাস্তাসহ বাগানের ক্ষেত্রফল = {৮০ + (৫+৫)} {৭০ + (৫+৫)}
= ৯০ × ৮০
= ৭২০০ বর্গ ফুট
∴ রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৭২০০ - ৫৬০০
= ১৬০০ বর্গ ফুট
ধরি, সংখ্যাটি x
x এর ১/২ + ৬ = x এর ২/৩
⇒ x/২ + ৬ = ২x/৩
⇒ ২x/৩ - x/২ = ৬
⇒ (৪x - ৩x)/৬ = ৬
∴ x = ৩৬
২/৩ = ০.৬৭
৩৩/৫০ = ০.৬৬
৮/১১ = ০.৭৩
৩/৫ = ০.৬০
১১/১৭ = ০.৬৫
২/৩ থেকে বড় সংখ্যাটি হচ্ছে ৮/১১
দেওয়া আছে, পরপর 5টি সংখ্যার যোগফল 555।
সংখ্যা গুলোর গড় = 555 ÷ 5 = 111
সুতরাং, সংখ্যাগুলো হবে যথাক্রমে: 109, 110, 111, 112, 113 (যেহেতু বিজোড় সংখ্যক ক্রমিক সংখ্যার গড় সর্বদা মধ্যম সংখ্যা)।
অর্থাৎ, বৃহত্তম সংখ্যা 113
3-3
= 1/33
= 1/27
Given, a - (1/a) = 2
∴ a + (1/a) = √[{(a - (1/a)}2 + 4.a.(1/a)}]
= √{(2)2 + 4}
= √8
= 2√2
∴ a4 + (1/a4) = (a2)2 + (1/a2)2
= {a2 + (1/a2)}2 - 2.a2.(1/a2)
= {a2 + (1/a2)}2 - 2
= {(a + 1/a)2 - 2.a.(1/a)}2 - 2
= {(2√2)2 - 2}2 - 2
= 36 - 2
= 34
12 সদস্য বিশিষ্ট কোন কমিটির মধ্যে 9 জন মহিলা হলে পুরুষ হবে 3 জন
অর্থাৎ, পুরুষের সংখ্যা শতকরা = 3/12 × 100 = 25%
৩০ এবং ৫০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যা = ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩ এবং ৪৭
এদের গড় = (৩১ + ৩৭ + ৪১ + ৪৩ + ৪৭)/৫ = ৩৯.৮
১২ - ৫ = ৭; ১৬ - ৯ = ৭
এখন,
১২ = ২ × ২ × ৩
১৬ = ২ × ২ × ২ × ২
∴ ১২, ১৬ এর লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ২ × ২ = ৪৮
সুতরাং, নির্ণেয় সংখ্যা = ৪৮ - ৭ = ৪১
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) সুশাসন নিশ্চিত করতে নয়টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন।
যথাঃ
১.অংশগ্রহণ ভিত্তিক
২.আইনের শাসন
৩.সংবেদনশীলতা
৪.কার্যকারিতা ও দক্ষতা
৫.কৌশলগত লক্ষ্য
৬.স্বচ্ছতা
৭.সমতা ও ন্যায্যতা
৮.জবাবদিহিতা
৯.সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রাধান্য।
রেফারেন্সঃ UNDP এর ওয়েবসাইট
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হার্বরে আক্রমনের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- তিনি জাতিসংঘ গঠনে অন্যতম প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি সৎ প্রতিবেশী নীতির (“good neighbor”) প্রবক্তা।
- ১৯৪৫ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত (মোট ১২ বছর) তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
উৎসঃ হোয়াইট হাউস ওয়েবসাইট
Laos is officially The Laos People's Democratic Republic.
Laos is a landlocked country of northeast-central mainland Southeast Asia.
Source: britannica.com
MICR (Magnetic Ink Character Recognition) is a technology used to verify the legitimacy or originality of paper documents, especially checks.
Special ink, which is sensitive to magnetic fields, is used in the printing of certain characters on the original documents.
সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে।
তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধু reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader দেয়া যাবে।
- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।
[তথ্যসূত্র - জীব বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৯৭।]
'সিল্ক রােড' হলাে চীনের চালু করা প্রাচীন বাণিজ্য পথ।
- প্রাচীনকালে চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া তথা ইউরােপে আর উত্তর আফ্রিকায় চীনের রেশম আর রেশমী কাপড় পাঠানাে হয়েছিল বলে এ পথ 'সিল্ক রােড' নামে সুপরিচিত।
- সিল্ক রােড গড়ে উঠেছিল খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে চীনের হান রাজবংশের আমলে। দশম শতাব্দীতে চীনের সং রাজবংশের আমলে 'সিল্ক রােড' বাণিজ্যের মাল পরিবহনের পথ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ হয়।
- ১৯৩০ সালে যুক্তরাজ্য প্রাচীন সিল্ক রােড চালুর উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২০১৪ সালে চীন নিউ সিল্ক রােড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ
২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO) ।
- ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১ মোল HNO3 ও ৩ মোল HCL এর মিশ্রণকে রাজঅম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া বলে।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়।
Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+).
The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.
Source: MIT
জাতিসংঘের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আইএমএফ (IMF- International Monetary Fund)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিলিনা জর্জিয়েভা।
উৎসঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট।