পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১০৫
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।] ----------------- এক নজরে বিসিএসের সিলেবাস: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য - ৩৫ নম্বর ২. English Language and Literature - ৩৫ নম্বর ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ৩০ নম্বর ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ২০ নম্বর ৫. ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা - ১০ নম্বর ৬. বিজ্ঞান ও কম্পিউটার-তথ্য প্রযুক্তি - ৩০ নম্বর ৭. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা - ৩০ নম্বর ৮. নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন - ১০ নম্বর
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১০৫ প্রশ্ন

.
অমিয় চক্রবর্তীর ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি কোন পেক্ষাপটে রচিত?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) দেশভাগ
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পেক্ষাপটে রচিত
 
• অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ:
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’ (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার 
- খসড়া 
- এক মুঠো 
- মাটির দেয়াল 
- অভিজ্ঞান বসন্ত 
- পারাপার 
- পালাবদল 
- ঘরে ফেরার দিন 
- হারানো অর্কিড 
- পুষ্পিত ইমেজ 
- অমরাবতী
- অনিঃশেষ
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ‘পথে প্রবাসে’ একটি-
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) প্রবন্ধ
  3. গ) নাটক
  4. ঘ) ভ্রমণ কাহিনী
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায় একজন স্বনামধন্য বাঙালি কবি,
• লেখক এবং সেই সাথে বিশিষ্ট ছড়াকারও।
• তিনি 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে লিখতেন
পথে প্রবাসে ও ইউরোপের চিঠি তাঁর রচিত দুইটি ভ্রমণ কাহিনী

• এছাড়াও তাঁর রচিত উপন্যাস গুলো:
- অসমাপিকা (প্রথম উপন্যাস),
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি।


উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ব্যাকরণ: যে শাস্ত্রে বাংলা ভাষার নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানলাভ করা যায় তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে।
• প্রত্যেক ভাষারই চারটি মৌলিক অংশ থাকে। যেমন-
১. ধ্বনি (Sound)
২. শব্দ (Word)
৩. বাক্য (Sentence)
৪. অর্থ (Meaning)

 • সব ভাষারই ব্যাকরণে প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়।
১. ধ্বনিতত্ব (Phonology)
২. শব্দতত্ব বা রূপতত্ব (Morphology)
৩. বাক্যতত্ব বা পদক্রম (Syntax)
৪. অর্থতত্ব (Semantics)
এ ছাড়া অভিধানতত্ব, ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতিও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি উভয় লিঙ্গের উদাহরণ?
  1. ক) গেয়ালা
  2. খ) শিল্পী
  3. গ) প্রবীণ
  4. ঘ) ফুল
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ চার প্রকার লিঙ্গ হলাে -
১. পুংলিঙ্গ
২. স্ত্রীলিঙ্গ
৩. ক্লীবলিঙ্গ ও
৪. উভয়লিঙ্গ

পুংলিঙ্গ : যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বােঝায়, তাদেরকে বলা হয় পুংলিঙ্গ।
এসব নামবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গােয়ালা, কিশাের, প্রবীণ ইত্যাদি।

স্ত্রীলিঙ্গ : যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে স্ত্রীজাতিকে বােঝায়, সেসব শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলে। এসব স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ হলাে- কাকী, মামী, চাচী, মা, আম্মা, কিশােরী, প্রবীণা ইত্যাদি।

ক্লীবলিঙ্গ : যে সব শব্দের সাহায্যে পুরুষ ও স্ত্রীজাতি কোনােটিই বােঝায় না, সেসব শব্দকে বলা হয় ক্লীবলিঙ্গ। এসব শব্দের উদাহরণ হলাে- গাছ, পাহাড়, পর্বত, বই, টেবিল, ফুল, ফল, চেয়ার ইত্যাদি।

 উভয় লিঙ্গ : যে সব শব্দের সাহায্যে স্ত্রী ও পুরুষজাতি উভয়ই বােঝায়, তাকে বলা হয় উভয়লিঙ্গ। উভয়লিঙ্গের উদাহরণ হলাে- শিল্পী, ডাক্তার, শিশু, মানুষ, কবি ইত্যাদি।


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ’ সংকলনের রচয়িতা?
  1. ক) অতুলপ্রসাদ সেন
  2. খ) ডি. এল রায়
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• অতুলপ্রসাদ সেন রচিত গানের সঙ্কলনের নাম 'কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ'
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে।
- অতুলপ্রসাদ সেন (১৮৭১-১৯৩৪) ছিলেন একজন কবি, গীতিকার ও গায়ক।
- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন। তার রচিত গানের সংখ্যা প্রায় দুশটি।
- “মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা' বিখ্যাত গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে। গানটির আবেদন আজও অম্লান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ কোন কবিকে ‘ভোরের কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ক) সুকুমার রায়
  2. খ) কায়কোবাদ
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল  চক্রবর্তী, (১৮৩৫-১৮৯৪) আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
বিহারীলালের রচনাবলির মধ্যে:
- স্বপ্নদর্শন (১৮৫৮),
- সঙ্গীতশতক (১৮৬২)
- বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০),
- প্রেমপ্রবাহিণী (১৮৭০),
- নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০),
- বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০),
- সারদামঙ্গল (১৮৭৯),
- নিসর্গসঙ্গীত (১৮৮১),
- মায়াদেবী (১৮৮২),
- দেবরাণী (১৮৮২),
- বাউলবিংশতি (১৮৮৭),
- সাধের আসন (১৮৮৮-৮৯) এবং
- ধূমকেতু (১৮৯৯) উল্লেখযোগ্য।

• সারদামঙ্গল কাব্য বিহারীলালের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি স্তম্ভস্বরূপ। এর মাধ্যমেই তিনি উনিশ শতকের গীতিকবিদের গুরুস্থানীয় হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যটি পড়ে নানাভাবে প্রভাবিত হয়েছেন এবং বিহারীলালকে আখ্যায়িত করেছেন ‘ভোরের পাখি’ বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘দুঃখকে প্রাপ্ত’ কোন সমাস?
  1. ক) তৎপুরুষ সমাস
  2. খ) বহুব্রীহি সমাস
  3. গ) কর্মধারয় সমাস
  4. ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
সমাস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

ক. বিভক্তি লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত,
ছেলেকে ভুলানো= ছেলে-ভুলানো,
মামার বাড়ি = মামাবাড়ি,
ধানের খেত = ধানখেত,
পথের রাজা = রাজপথ।

খ. সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা,
রান্নার জন্য ঘরে = রান্নাঘর,
গ্রাম থেকে ছাড়া = গ্রাম ছাড়া,
বিয়ের জন্য পাগল = বিয়েপাগল।

গ. কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুস, যেমন-
গরুর গাড়ি= গরুরগাড়ি,
তেলে ভাজা - তেলেভাজা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোন দুটি বাগ্‌ধারা সমার্থক অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) গোল্লায় যাওয়া+চুলোয় যাওয়া
  2. খ) গুড়ে বালি+গোড়ায় গলদ
  3. গ) কৈ মাছের জান+পুটি মাছের প্রাণ
  4. ঘ) তানকানা+তিলকে তাল করা
ব্যাখ্যা
একই অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারা হলো
• গোল্লায় যাওয়া - নষ্ট হওয়া
• চুলোয় যাওয়া - নষ্ট হওয়া

অন্য বাগ্‌ধারা গুলোর অর্থ হলো
• গুড়ে বালি - আশায় নৈরাশ্য।
• গোড়ায় গলদ - শুরুতেই ভুল।
• কৈ মাছের জান - যা সহজে মরে না।
• পুটি মাছের প্রাণ - ছোটো মন।
• তানকানা - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
• তিলকে তাল করা - ছোটকে বড় করা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সুলতানার স্বপ্ন (Sultana’s Dream) গ্রন্থটির লেখক-
  1. ক) রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  2. খ) সুফিয়া কামাল
  3. গ) রাবেয়া খাতুন
  4. ঘ) জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, একজন সাহিত্যিক, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
• ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
-মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),
Sultana’s Dream  (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।

• Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে। এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

 • মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা। বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা তাঁর অসংখ্য চিঠিপত্র রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
জসীমউদ্দীনকে বলা হয়-
  1. ক) মধুরতার কবি
  2. খ) পল্লীকবি
  3. গ) ভোরের পাখি
  4. ঘ) বিদ্রোহ কবি
ব্যাখ্যা
- জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয় । অনেকে মনে করেন, তিনি ‘আধুনিক কবি’।
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।
- কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা,  শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি।

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলি হলো:
-  নক্সী কাঁথার মাঠ (১৯২৯),
- সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩),
- রঙিলা নায়ের মাঝি (১৯৩৫),
- মাটির কান্না (১৯৫১),
- সুচয়নী (১৯৬১),
- পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯),
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৭২),
- পদ্মাপার (১৯৫০),
- বেদের মেয়ে (১৯৫১),
- পল্লীবধূ (১৯৫৬),
- গ্রামের মায়া (১৯৫৯),
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় (১৯৬১),
-জার্মানীর শহরে বন্দরে (১৯৭৫),
- স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮),
- বাঙালীর হাসির গল্প,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।
১১.
বুদ্ধদেব বসু ‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’ নাটকের জন্য কোন পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার
  2. খ) বাংলা একাডেমি পুরস্কার
  3. গ) পদ্মভূষণ পুরস্কার
  4. ঘ) রবীন্দ্র পুরস্কার
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। 
- ঢাকা থেকে প্রগতি (১৯২৭-১৯২৯) এবং  কলকাতা থেকে কবিতা (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- কবিতাবিষয়ক ‘কবিতা’ পত্রিকাটি তখন সাহিত্যিক মহলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করে; রবীন্দ্রোত্তর কবিতা-আন্দোলনেও এর ভূমিকা স্বীকৃত। বুদ্ধদেব নিজেও রবীন্দ্র-প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে আসেন।
- পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক। সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
• কবিতা বন্দীর বন্দনা (১৯৩০),
• কঙ্কাবতী (১৯৩৭),
• দ্রৌপদীর শাড়ী (১৯৪৮),

উপন্যাস
• লাল মেঘ (১৯৩৪),
• রাতভর বৃষ্টি (১৯৬৭),
• পাতাল থেকে আলাপ (১৯৬৭),
• গোলাপ কেন কালো (১৯৬৮);

গল্পগ্রন্থ
• অভিনয়, অভিনয় নয় (১৯৩০),
• রেখাচিত্র (১৯৩১),
• ভাসো আমার ভেলা (১৯৬৩);

নাটক
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী (১৯৬৬),
- কলকাতার ইলেকট্রা, সত্যসন্ধ (১৯৬৮);
• প্রবন্ধ: কালের পুতুল (১৯৪৬), সাহিত্যচর্চা (১৯৫৪) ইত্যাদি।

• তপস্বী ও তরঙ্গিণী নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন। ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া স্বাগত বিদায় কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন। ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
‘যথাসময়ে সে হাজির হয়’ উক্তিটিতে ‘যথাসময়ে’ কোন পদ?
  1. ক) ক্রিয়া
  2. খ) বিশেষ্য
  3. গ) ক্রিয়াবিশেষণ
  4. ঘ) বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। অনেক সময়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে ‘এ’, ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি এবং ‘ভাবে’, ‘বশত’, ‘মতো’, ইত্যাদি শব্দাংশ যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়। যেমন- ততক্ষণে, দ্রুতগতিতে, শান্তভাবে, ভ্রান্তিবশত, আচ্ছামতো ইত্যাদি।

ক্রিয়াবিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয় যায়। যথা:
১. ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
২. কালবাচক  ক্রিয়াবিশেষণ
৩. স্থানবাচক  ক্রিয়াবিশেষণ
৪. নেতিবাচক  ক্রিয়াবিশেষণ
৫. পদাণু  ক্রিয়াবিশেষণ

• যে ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে তাকে কালবাচক  ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন-
আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।
যথাসময়ে সে হাজির হয়।

বাক্যে ব্যবহৃত আজকাল ও যথাসময়ে শব্দগুলো কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. ক) সওগাত
  2. খ) নবযুগ
  3. গ) বঙ্গবাণী
  4. ঘ) কল্লোল
ব্যাখ্যা
- বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। এর কাহিনীর পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক 'সব্যসাচী' এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- নিঃসন্দেহে এই কাহিনীতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবের আন্তরিক সমর্থন আছে। গ্রন্থটি প্রকাশের সাথে সাথে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়।
- ‘আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতা আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা’ এই বক্তব্য ছিল উপন্যাসের শেষে।
- উপন্যাসটি ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
‘বনলতা সেন ‘ কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন-
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাস ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। 
• জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ (১৯৩৬) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে জীবনানন্দ দাশের। কিন্তু শুধু এ কারণেই তাঁকে ‘ধূসরতার কবি’ বলা হয়-তা নয়। তাঁর বহু কবিতায় হতাশা ও বিবর্ণের কথা আছে। তাঁর কবিতার চালচিত্রে আছে ধূসর বর্ণ। তাই জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
 - ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত), 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহঃ
- মাল্যবান, 
- সুতীর্থ, 
- নিরুপম যাত্রা, 
- বিভা,
- জলপাইহাটি ইত্যাদি।

জীবনানন্দের বনলতা সেন  কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। এছাড়া জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘পদ্মাবতী’ নাটকটি কোন ছন্দে রচিত ?
  1. ক) অমিত্রাক্ষর ছন্দে
  2. খ) মাত্রবৃত্ত ছন্দে
  3. গ) স্বরবৃত্ত ছন্দে
  4. ঘ) অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
ব্যাখ্যা
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত, (১৮২৪-১৮৭৩) মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম।
- মধুসূদনের কৃতিত্ব এখানেই যে, তিনি যাকিছু রচনা করেছেন তাতেই নতুনত্ব এনেছেন। তিনিই প্রথম পাশ্চাত্য সাহিত্যের আদর্শ বাংলা সাহিত্যে সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন।
- ১৮৬০ সালে তিনি গ্রিক পুরাণ থেকে কাহিনী নিয়ে রচনা করেন পদ্মাবতী নাটক। এ নাটকেই তিনি পরীক্ষামূলকভাবে ইংরেজি কাব্যের অনুকরণে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার এটাই প্রথম এবং এর ফলে তিনি বাংলা কাব্যকে ছন্দের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলো:
প্রহসন
- একেই কি বলে সভ্যতা ও
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

নাটক
- পদ্মাবতী
- কৃষ্ণকুমারী

কাব্য
-মেঘনাদবধ
- বীরঙ্গনা
- তিলোত্তমাসম্ভব

উৎস: বংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষার সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা।
১৬.
Who is known as the Father of English poetry?
  1. ক) John Wycliffe
  2. খ) Sir Thomas Malory
  3. গ) Geoffrey Chaucer
  4. ঘ) Nicholas Udall
ব্যাখ্যা
Geoffrey Chaucer is known as the Father of English poetry.
- তিনি 14th century এর অন্যতম সাহিত্যিক এবং তাঁকে the representative of 14th century বলা হয়। 
- তাঁর literary career is divided into three phases, namely - Italian, French and English.
- 'The Canterbury Tales' is the masterpiece of Chaucer which is ranked as one of the greatest poetic works in English.

 অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -
• John Wycliffe is known as the father of English prose. 
• Sir Thomas Malory wrote the first romance in prose (Morte d' Arthur)
• Nicholas Udall wrote the first English Comedy (Ralph Roister Doister)

Source: Britannica and Cambridge University Press.
১৭.
Which time frame is known as The Augustan Age?
  1. ক) 1660-1700
  2. খ) 1702-1745
  3. গ) 1745-1785
  4. ঘ) 1785- 1815
ব্যাখ্যা
1702-1745, time frame is known as The Augustan Age.
- The Neoclassical Period (1660-1785) তিনটি ছোট যুগ বা period নিয়ে গঠিত -
যথা - 
- The Restoration Period (1660-1700)
- The Augustan Age (1702-1745)
- The Age of Sensibility (1745-1785)
- এই  তিনটি ছোট যুগ বা period এর মধ্যে The Augustan age is also known/called as the Age of Pope.
- কারন এই যুগে অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

• Major writers of the Period - 
- Alexander Pope
- Daniel Defoe
- Jonathon Swift
- Henry Fielding
- Samuel Richardson
- Joseph Addison

Source: Enotes.com and Britannica, An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman
১৮.
What is the synonym of the word 'Proscribe'?
  1. ক) Veto
  2. খ) Hesitation
  3. গ) Take into account
  4. ঘ) Ambivalence
ব্যাখ্যা
Proscribe (verb transitive)

English Meaning: To forbid an action or practice officially.
Bangla Meaning:
(১) (প্রাচীন প্রয়োগ) (ব্যক্তিকে) প্রকাশ্যে আইনের আশ্রয়চ্যুত করা; অধিকারচ্যুত/সমাজচ্যুত করা; নির্বাসিত করা।
(২) (ব্যক্তি, রীতিনীতি, ইতিহাস) (বিপজ্জনক বলে) প্রতিসিদ্ধ/অভিযুক্ত করা।

Synonyms: Veto (নিষিদ্ধ করা), Prohibit (নিষেধ/ধারণ করা), Ban (নিষিদ্ধ ঘোষণা করা), Forbid (নিষেধ), Disallow (অস্বীকৃতি)।  
Antonyms: Allow (অনুমতি দেওয়া), Permit (অনুমতি দান করা), Grant (মঞ্জুর করা), Take into account (বিবেচনায় নেয়া), Approve (অনুমোদন নেয়া)। 

Example Sentence: 
1. The Athletics Federation has banned the runner from future races for using proscribed drugs.
2. I proscribe you to call me late at night

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
- Hesitation - দ্বিধা; চলচিত্ততা।
- Ambivalence - দ্বিধা।

Source: Live MCQ Lecture.
১৯.
What is the adjective form of the word 'Diffuse'?
  1. ক) Diffusely
  2. খ) Diffuseness
  3. গ) Diffuse
  4. ঘ) Diffusion
ব্যাখ্যা
Diffuse (verb transitive), (verb intransitive)/ (adjective)

English Meaning: To spread or cause something to spread in many directions.
Bangla Meaning: বিকীর্ণ করা; চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়া; পরিব্যাপ্ত করা; প্রচার করা: Smoke that is diffused throughout
the room.

Synonyms: Spread (ছড়ানো; ছড়িয়ে পড়া), Disseminate (বিতরণ করা), Circulate (ছড়িয়ে
দেওয়া), Disseminate (প্রচার করা), Broadcast (সম্প্রচার করা)।
Antonyms: Concentrate (একই কেন্দ্রীভূত করানো বা হওয়া), Collect (একত্র হওয়া; সমবেত
হওয়া). Brief (সংক্ষিপ্ত করা, Abridged (সংক্ষিপ্ত করা), Compress (সংকোচন করা)।

Other Forms: 
- Diffusion (noun) ব্যাপন।
- Diffuse (adjective)
(১) বিস্তৃত; বিকীর্ণ; ছড়ানো-ছিটানো: a diffuse light.
(২) (রচনা) শব্দবহুল; বাগ্বহুল; অযথা
ফেনানো হয়েছে এমন।
- Diffusely (adverb)
- Diffuseness (noun)

Example Sentence: 
1. Oxygen diffuses from the lungs into the bloodstream.
2. This novel can be characterized as a diffuse historical novel.

Source: Live MCQ Lecture.
২০.
Which of the following words has the same singular and plural form?
  1. ক) Public
  2. খ) Appendix
  3. গ) Chief
  4. ঘ) Church
ব্যাখ্যা
• ইংরেজি গ্রামারে কিছু কিছু noun আছে, যাদের singular and plural form একই রকম। 
- Public হচ্ছে তেমন একটি noun. 
- এইরকম আরো কিছু noun এর উদাহরণ হচ্ছে - 
- Deer, Sheep

অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Appendix এর plural form হচ্ছে  Appendices/ Appendixes
• Chief এর plural form হচ্ছে  Chiefs
• Church এর plural form হচ্ছে Churches
২১.
'There is divinity that shapes our end'. This line is quoted from -
  1. ক) Hamlet
  2. খ) As You like It
  3. গ) The Tempest
  4. ঘ) Othello
ব্যাখ্যা
• 'There is divinity that shapes our end'. This line is quoted from -  Hamlet.
• Hamlet is a famous tragedy by William Shakespeare.
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy.
- এটি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল
- ১৬০৩ সালে এটি প্রকাশিত হয় 
- এই tragedy তে Shakespeare Denmark এর prince Hamlet এর কাহিনী তুলে ধরেছেন, যে জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং  জানতে পারে যে , তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।

• Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

Source: Britannica.
২২.
The novel ' One Hundred Years of Solitude' is written by -
  1. ক) Graham Greene
  2. খ) Alaxander Dumas
  3. গ) Gabriel García Márquez
  4. ঘ) Aurther Miller
ব্যাখ্যা
One Hundred Years of Solitude is a novel written by Gabriel García Márquez.
- এটি সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে Spanish Language এ Cien años de soledad নামে প্রকাশিত হয়।
-এই novel টিকে লেখকের masterpeice হিসেবে ববেচনা করা হয় এবং  the foremost example of his style of magic realism.
- This is the author’s epic tale of seven generations of the Buendía family that also spans a hundred years of turbulent Latin American history, from the postcolonial 1820s to the 1920s.
- তিনি ১৯৮২ সালে সাহিত্য novel পুরস্কার লাভ করেন mostly for his masterpiece 'One Hundred Years of Solitude'.

• - গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ কলম্বিয়ার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। তাঁকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বিবেচনা করা হয়।
Gabriel Garcia Marquiz's some other notable works - 
- Love in the Time of Cholera
- Memories of My Melancholy Whores
- News of a Kidnapping
- No One Writes to the Colonel
- One Hundred Years of Solitude
- The Leaf Storm ইত্যাদি।

Source: Britannica.
২৩.
Many a tale____ told by the pilgrims.
  1. ক) was
  2. খ) were
  3. গ) have
  4. ঘ) have been
ব্যাখ্যা
• Many এর পরে Noun/pronoun ও verb- plural হয়।
- কিন্তু many a/an এর পর noun/pronoun ও verb- singular হয়।
- বাক্যটি past tense এ থাকায় was হবে।
২৪.
Which of the following plays is not written by William Shakespeare?
  1. ক) Much Ado about Nothing
  2. খ) Troilus and Cressida
  3. গ) Edward II
  4. ঘ) Cymbeline
ব্যাখ্যা
'Edward II' is not written by William Shakespeare. 
-  It is written by Christopher Marlowe
-  In this play, Marlowe shows a man developing an appetite for power and increasingly corrupted as power comes to him.

• Cristopher Marlowe was the greatest dramatist before Shakespeare.
- He was an Elizabethan poet and Shakespeare’s most important predecessor in English drama, who is noted especially for his establishment of dramatic blank verse. 
- তাঁর শ্রেষ্ঠ চারটি play হচ্ছে -
• Doctor Faustus
• Tamubourlaine
• The Jew of Malta 
• Edward II

অন্যদিকে, 
Much Ado about Nothing, Troilus and Cressida এবং Cymbeline এই তিনটি William Shakespeare রচিত play.

Source: ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাস - শীতল ঘোষ এবং Britannica.
২৫.
The character 'Maurya' can be found in -
  1. ক) Old Man and The Sea
  2. খ) Riders to the Sea
  3. গ) Things Fall Apart
  4. ঘ) Heart of Darkness
ব্যাখ্যা
The character 'Maurya' can be found in - Riders to the Sea.
- ‘Riders to the Sea’ is a play written by John Millington Synge.
- এটি একটি one-act play.
- ১৯০৩ সালে এই play টি প্রকাশিত হয়।
- Riders to the Sea is set in the Aran Islands off the west coast of Ireland and is based on a tale Synge heard there।
- It won critical acclaim as one of dramatic literature’s greatest one-act plays.
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রে নাম হচ্ছে - Maurya, an old woman, যিনি তার ছোট ছেলে Bartley ছাড়া, পরিবারের সকল পুরুষ সদস্যদের কে সাগরের ঝড়ের মাঝে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে ফেলেছেন কিন্তু শেষ সময়ে দেখা যায় তার ছোত ছেলেটিও সাগরে ডুবেই মারা যায়।

• Characters from the play - 
- Maurya
- Bartley
- Cathleen
- Nora
- The Priest.

• John Millington Synge (1871 - 1909): He was an Irish dramatist

উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম - 
- In the Shadow of the Glen (1903)
- Riders to the Sea (1904),
- The Well of the Saints (1905),
- The Playboy of the Western World (1907),
- The Tinker's Wedding (1907),
- Deirdre of the Sorrows (1910).

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
২৬.
George Orwell's Animal farm is the best example of -
  1. ক) Novelette
  2. খ) Epistolary novel
  3. গ) Gothic novel
  4. ঘ) Regional novel
ব্যাখ্যা
• George Orwell's Animal farm is the best example of - Novelette.
-
Novelette হচ্ছে novel এর একটি genre.
- A short story usually of thirty to forty thousand words.
- এই ধরনের সাহিত্য গুলো novel থেকে ছোট কিন্তু short story থেকে বড়। 
- George Orwell এর Animal Farm হচ্ছে এর বিখ্যাত novelette.
- Animal Farm is a political allegory about revolution and power.
-Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language. 

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- 'Eric Arthur Blair' was the real name of George Orwell.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং  Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
২৭.
The characters 'Vladimir and Estragon' are taken from -
  1. ক) Happy Days
  2. খ) Endgame
  3. গ) Waiting for Godot
  4. ঘ) No Exit
ব্যাখ্যা
• The characters 'Vladimir and Estragon' are taken from - Waiting for Godot.
• 'Waiting for Godot' is an Absurd play by Samuel Beckett.
- এটি একটি two-act বিশিষ্ট tragic-comedy too.
- Waiting for Godot is Beckett's translation of his own original French-language play, En attendant Godot.
- ১৯৫২ সালে এটি প্রকাশিত হয়। 
- Waiting for Godot was a true innovation in drama and the Theatre of the Absurd’s first theatrical success.
- ১৯৬৯ সালে এই play টির জন্য Samuel Beckett সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 • The important character of this play:
- Vladimir,
- Estragon,
- Pozzo,
- Lucky etc.

Source: Britannica.
২৮.
Which of the following sentences includes a cognate verb?
  1. ক) I saw a flying bird.
  2. খ) He slept a sound sleep.
  3. গ) He killed himself.
  4. ঘ) He called me fool.
ব্যাখ্যা
- বাক্যের verb বা ক্রিয়াপদ এবং কর্ম (object) যখন একই Intransitive verb থেকে উৎপন্ন হয় তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয় এবং এর object কে বলা হয় cognate object.
 
- অর্থাৎ, কোন Intransitive verb যখন বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদ বা verb এর মূলশব্দ (root word) থেকে উৎপন্ন নতুন কোন word বা শব্দকে object হিসেবে গ্রহণ করে তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয়।
যেমন:
- He laughed a bitter laugh বাক্যে laughed হল cognate verb এবং bitter laugh হল  cognate object.
• তেমনি ভাবে , প্রশ্ন প্রদত্ত  He slept a sound sleep. বাক্যে slept হল cognate verb এবং sleep হল cognate object.
২৯.
Choose the correct sentence.
  1. ক) Akash will go there before his brother will go.
  2. খ) Akash will go there before his brother has gone.
  3. গ) Akash will go there before his brother would go.
  4. ঘ) Akash will go there before his brother goes.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হচ্ছে - Akash will go there before his brother goes.
- Before দ্বারা দুইটি clause যুক্ত থাকলে , এর প্রথম clause টি Future Indefinite Tense হলে এরপরের clause টি Present Indefinite Tense এ হয়।
৩০.
No other king was as wise as Solomon. (Make it superlative)
  1. ক) Very few kings were as wise as Solomon.
  2. খ) Solomon is the most wise king of all.
  3. গ) Solomon was the wisest king.
  4. ঘ) Solomon was most wisest than many other kings.
ব্যাখ্যা
• No other যুক্ত positive sentence কে Superlative করতে হলে - 
- শেষের subject প্রথমে
- এরপর verb 
- the
- Positive এর superlative form বসাতে হয়।
- no other এর পরের অংশ।
সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - Solomon was the wisest king. 
৩১.
There seem to be ______ students in the class today.
  1. ক) least
  2. খ) less
  3. গ) few
  4. ঘ) fewer
ব্যাখ্যা
• less, few, fewer, least ইত্যাদি হচ্ছে determiner.  
- Determiner হচ্ছে noun/pronoun এর নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, সংখ্যা বা পরিমাপ নির্দেশক।
- Countable noun এর ক্ষেত্রে few/fewer বসে এবং uncountable noun এর ক্ষেত্রে little/less বসে।
- Fewer এবং less হচ্ছে যথাক্রমে few এবং little এর comparative degree.
- তুলনামূলক কম সংখ্যক অর্থে countable noun এর পূর্বে fewer এবং তুলনামূলক কম পরিমাণ অর্থে uncountable noun এর পূর্বে less বসে। 
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করছে এবং student হচ্ছে countable noun
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে -  fewer.

Complete sentence: There seem to be fewer students in the class today.
৩২.
Sadia was nervous when she stood in front of me. The underlined phrase is a/an -
  1. ক) Noun phrase
  2. খ) Prepositional Phrase
  3. গ) Phrase preposition
  4. ঘ) Adverb phrase
ব্যাখ্যা
• Sadia was nervous when she stood in front of me. The underlined phrase is a - Phrase preposition.
- Phrase preposition আর prepositional phrase এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- Phrase Preposition: কয়েকটি word গুচ্ছগতভাবে Preposition এর কাজ করে।
- যেমন - in front of, because of, according to ইত্যাদি।

Prepositional Phrase: Prepositional Phrase - Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective Phrase বা Adverb Phrase এর মতো কাজ করে।
যেমন -
- A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase)
- He is a man of great wealth. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase).
- He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
- They came in a body.  (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
৩৩.
'Edgar Allan Poe' is known as -
  1. ক) father of modern drama
  2. খ) father of modern science fiction
  3. গ) father of modern detective stories
  4. ঘ) master of the contemporary short story
ব্যাখ্যা
Edgar Allan Poe, American short-story writer, poet, critic, and editor who is famous for his cultivation of mystery and the macabre.
- তাঁকে the father of modern detective stories বলা হয়ে থাকে।
- তাঁর “The Murders in the Rue Morgue” আধুনিক গোয়েন্দা গল্পের সূচনা করেছিল এবং  the atmosphere in his tales of horror is unrivaled in American fiction.
- His “The Raven” (1845) numbers among the best-known poems in the national literature.

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম সমূহ - 
- Annabel
- LeeEleonora
- Eureka
- Lenore
- Ligeia
- MS. Found in a Bottle
- Morella
- Tamerlane, and Other Poems
- The Bells
- The Black Cat
- The Cask of Amontillado
- The Fall of the House of Usher
- The Masque of the Red Death
- The Murders in the Rue Morgue
- The Mystery of Marie Roget
- The Narrative of Arthur Gordon Pym
- The Pit and the Pendulum
- The Premature Burial
- The Purloined Letter
- The Raven
- The Tell-Tale Heart
- The Valley of Unrest
- To Helen
- To One in Paradise
- Ulalume

Source: Britannica.
৩৪.
'Miss Havishan' is a character from Charles Dickens's novel -
  1. ক) Bleak House
  2. খ) Great Expectations
  3. গ) A Tale of Two Cities
  4. ঘ) David Copperfield
ব্যাখ্যা
• 'Miss Havishan' is a character from Charles Dickens's novel - Great Expectations.
- Pip এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং বর্ননাকারী (Narrator).
- এই উপন্যাসের আরেকটি চরিত্র  -
- Estella.

• One of the famous quotations of Great Expectation -
- Charity begins at home and Justice begins next door.

Charles Dickens's other famous novels - 
- A Tale of Two Cities
- David Copperfield
- Bleak House
- Great Expectations

Source: Britannica and Enotes.com.
৩৫.
'William Sidney Porter' is the real name of -
  1. ক) O' Henry
  2. খ) Mark Twain
  3. গ) George Eliot
  4. ঘ) George Orwell
ব্যাখ্যা
•  'William Sidney Porter' is the real name of - O' Henry.
- O' Henry হচ্ছেন একজন American short-story writer whose tales romanticized the commonplace -- বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তিনি Modern Period এর একজন বিখ্যাত লেখক এবং তাঁর pseudonym O' Henry নামেই বেশি পরিচিত।

Best Works - 
- Heart of the West
- Roads of Destiny
- Sixes and Sevens
- Strictly Business
- The Four Million
- The Furnished Room
- The Gift of the Magi
- The Last Leaf
- The Ransom of Red Chief
- The Trimmed Lamp
- The Voice of the City
- Waifs and Strays
- Whirligigs

অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
Mark Twain এর real name - Samuel Langhorne Clemens.
George Eliot এর real name - May Ann Evans.
Eric Arthur Blair is the real name of - George Orwell.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৩৬.
16 - a2 + 6ab - 9b2 এর একটি উৎপাদক হলো-
  1. ক) (3 - 3a + b)
  2. খ) (4 - 2a - 3b)
  3. গ) (4 - a + 3b)
  4. ঘ) (3 - a + 4b)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 16 - a2 + 6ab - 9b2 এর একটি উৎপাদক হলো-

সমাধান: 
16 - a2 + 6ab - 9b2 
16 - {a2 - 2.a .3b + (3b)2}
42 - (a- 3b)2
{4 + (a - 3b)}{4 - (a - 3b)}
(4 + a - 3b)(4 - a + 3b)
৩৭.
১ থেকে ২৮ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৫
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ২৮ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?

সমাধান: 
১ থেকে ২৮ পর্যন্ত ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো : ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭
এখানে
n  = ৯
∴ মধ্যক =  (n + ১)/২ তম পদ
              = (৯ + ১)/২ তম পদ
              = ৫ তম পদ 
              = ১৫
৩৮.
শতকরা কত টাকা হার মুনাফায় ৮৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৫৫ টাকা হবে? 
  1. ক) ১০%
  2. খ) ৮%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৪%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা কত টাকা হার মুনাফায় ৮৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৫৫ টাকা হবে? 

সমাধান: 
মুনাফা I =২৫৫ টাকা
আসলP =৮৫০ টাকা
মুনাফার হার r = ?
সময়  n = ৬ বছর
 
আমরা জানি,
I = Prn
r = I/Pn
r = (২৫৫ ×১০০)/(৮৫০× ৬)
r = ৫%
৩৯.
এক জোড়া পণ্য ১৫% ছাড়ে ৩৭.৪০ টাকায় ক্রয়করা হলো। প্রতিটি পণ্যের লিখিতমূল্য কত? 
  1. ক) ১১ টাকা
  2. খ) ২২ টাকা
  3. গ) ৩৩ টাকা
  4. ঘ) ৪৪ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক জোড়া পণ্য ১৫% ছাড়ে ৩৭.৪০ টাকায় ক্রয়করা হলো। প্রতিটি পণ্যের লিখিতমূল্য কত? 

সমাধান: 
প্রতিটি পণ্যের বিক্রয়মূল্য = ৩৭.৪০/২ = ১৮.৭০ 

ধরি
প্রতিটি পণ্যের লিখিত x টাকা 
প্রশ্নমতে,
x  এর ৮৫% = ১৮.৭০ 
৮৫x /১০০ = ১৮.৭০
৮৫x= ১৮৭০
x = ১৮৭০/৮৫
x  = ২২
৪০.
log10x - log10y = log10(x + y) হলে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) x = y2/(1 - y)
  2. খ) y = x2(1 - x)
  3. গ) x = y/(1 - y)
  4. ঘ) x = y(1 - y)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log10x - log10y = log10(x + y) হলে নিচের কোনটি সঠিক? 

সমাধান: 
log10x - log10y = log10(x + y)
log10(x/y) = log10(x + y)
x/y = x + y
x = y(x + y)
x = xy + y2
x - xy = y2
x(1 - y) = y2
x = y2/(1 - y)
৪১.
x2 + y2 = 29, x - y = 3 হলে (x, y) এর মান কত?
  1. ক) (6, 3) 
  2. খ) (4, 1) 
  3. গ) (7, 4) 
  4. ঘ) (5, 2) 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + y2 = 29, x - y = 3 হলে (x, y) এর মান কত?

সমাধান: 
দেয়া আছে
x2 + y2 = 29
x - y = 3 .............. (1)

2(x2 + y2) = (x + y)2 + (x - y)2
2 × 29 = (x + y)2 + (3)2
58 = (x + y)2 + 9
58 - 9 = (x + y)2
(x + y)2 = 49 
(x + y)2 = 72 
x + y = 7 .................(2)
 
(1)নং + (2) নং 
x + y + x - y = 7 + 3 
2x = 10 
x = 5
x এর মান (2) নং এ বসিয়ে পাই,
5 + y = 7
y = 2 

নির্ণেয় সমাধান (x, y)  = (5, 2) 
৪২.
হৃদয়, কামাল ও জামাল তিন ভাই। তাদের পিতা 6300 টাকা তাদের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। এতে হৃদয় কামালের 3/5 অংশ এবং কামাল জামালের দ্বিগুণ টাকা পায়। হৃদয় কত টাকা পেল? 
  1. ক) 1500 টাকা
  2. খ) 3000 টাকা
  3. গ) 2200 টাকা
  4. ঘ) 1800 টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হৃদয়, কামাল ও জামাল তিন ভাই। তাদের পিতা 6300 টাকা তাদের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। এতে হৃদয় কামালের 3/5 অংশ এবং কামাল জামালের দ্বিগুণ টাকা পায়। হৃদয় কত টাকা পেল? 

সমাধান: 
ধরি 
জামাল পায় = x টাকা 
কামাল পায় = 2x টাকা 
হৃদয় পায় = 2x এর 3/5 = 6x/5 টাকা

প্রশ্নমতে, 
x + 2x + (6x/5) = 6300
(5x + 10x + 6x)/5 = 6300
21x/5 = 6300
21x = 6300 × 5
x = (6300 × 5)/21 
x = 1500

হৃদয় পায় = (6 × 1500)/5 টাকা = 1800 টাকা
৪৩.
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কার জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় H আসার সম্ভাবনা কত?
  1. ক) 1/4
  2. খ) 1/6
  3. গ) 1/3
  4. ঘ) 5/12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কার জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় H আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
নমুনা বিন্দু = {1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H, 1T, 2T, 3T, 4T, 5T, 6T}
মোট নমুনা বিন্দু = 12টি।

ছক্কার জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় H আসার অনুকূলে নমুনা বিন্দু = 3টি.
∴ সম্ভাবনা = 3/12
= 1/4
৪৪.
কোন গুণোত্তর অনুক্রমের তৃতীয় পদ 12 এবং ষষ্ঠ পদ 96 হলে প্রথম পদের মান নিচের কোনটি? 
  1. ক) 2
  2. খ) 3
  3. গ) 4
  4. ঘ) 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন গুণোত্তর অনুক্রমের তৃতীয় পদ 12 এবং ষষ্ঠ পদ 96 হলে প্রথম পদের মান নিচের কোনটি? 

সমাধান: 
গুণোত্তর অনুক্রমে প্রথম পদ, a
সাধারণ অনুপাত, r
এখানে,
তৃতীয় পদ, ar2 = 12..................(1) এবং
ষষ্ঠ পদ, ar5 = 96 ....................(2)

 (2) ÷ (1) করে পাই,
ar5/ar2 = 96/12
বা, r3 = 8
বা, r3 = 23
বা, r = 2

r এর মান (1) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
ar2 = 12
বা, a × 4 = 12
বা, a = 3
৪৫.
একটি ট্রেনের গতিবেগ ৬০কি.মি./ঘণ্টা। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ১১০ মিটার। ১৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে? 
  1. ক) ১৮ সেকেন্ড
  2. খ) ১৫ সেকেন্ড
  3. গ) ১৪ সেকেন্ড
  4. ঘ) ১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেনের গতিবেগ ৬০কি.মি./ঘণ্টা। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ১১০ মিটার। ১৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে? 

সমাধান: 
ট্রেনটির মোট অতিক্রম করতে হবে = (১১০ + ১৪০) মিটার = ২৫০ মিটার 

ট্রেনের গতিবেগ = ৬০কি.মি./ঘণ্টা
                          = (৬০ × ১০০০)/৩৬০০ মিটার/সেকেন্ড 
                           = ৫০/৩ মিটার/সেকেন্ড 
মোট সময় লাগবে = ২৫০/(৫০/৩)
                             = ৭৫/৫
                               = ১৫ সেকেন্ড
৪৬.
একটি বেলনের বক্রতলের ক্ষেত্রফল 100 বর্গ সে. মি. এবং আয়তন 150 ঘন সে. মি. । বেলনের ভূমির ব্যাসার্ধ কত? 
  1. ক) 3 সে. মি.
  2. খ) 6 সে. মি.
  3. গ) 5 সে. মি.
  4. ঘ) 7 সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বেলনের বক্রতলের ক্ষেত্রফল 100 বর্গ সে. মি. এবং আয়তন 150 ঘন সে. মি. । বেলনের ভূমির ব্যাসার্ধ কত? 

সমাধান: 
মনেকরি,
বেলনটির উচ্চতা h এবং ভূমির ব্যাসার্ধ r 

প্রশ্নমতে,
2πrh = 100 ...........  (1)
πr2h = 150 ............ (2)
(2)নং কে  (1) নং দ্বারা ভাগ করে পাই,

πr2h/2πrh = 150/100
r/2 =3/2 
r= 3
৪৭.
7 জন বালক এবং 2 জন বালিকার মধ্য থেকে বালিকাদের সর্বদা গ্রহণ করে 6 জনের একটি কমিটিতে কত উপায়ে গঠন করা যেতে পারে? 
  1. ক) 35
  2. খ) 70
  3. গ) 30
  4. ঘ) 60
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 7 জন বালক এবং 2 জন বালিকার মধ্য থেকে বালিকাদের সর্বদা গ্রহণ করে 6 জনের একটি কমিটিতে কত উপায়ে গঠন করা যেতে পারে? 

সমাধান: 
বালক =8 জন
বালিকা = 2 জন

7 জন বালক থেকে 4 জন ও বালিকা 2 জন থেকে 2 জন নিয়ে
কমিটি গঠনের উপায় = 7C4 × 2C2
                                  =35 × 1
                                  = 35
৪৮.
একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণ 25 মি এবং দৈর্ঘ্য 24  মি. হলে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
  1. ক) 178 বর্গমিটার
  2. খ) 158 বর্গমিটার
  3. গ) 148 বর্গমিটার
  4. ঘ) 168 বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণ 25 মি এবং দৈর্ঘ্য 24  মি. হলে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?

সমাধান: 
ধরি,
আয়তক্ষেত্র ABCD এর কর্ণের দৈর্ঘ্য 25 মি. এবং দৈর্ঘ্য 24  মি.
∴ আয়তক্ষেত্রের  প্রস্থ = √(252 - 242) মি.
                  = √625 - 576
                  =√49 মি.
                  = 7 মি 
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 24 × 7 = 168 বর্গমিটার
৪৯.
ফলগাছ চাষাবাদ বিদ্যাকে কি বলা হয়ে থাকে ?
  1. ক) পমোলজি
  2. খ) ফাইকোলজি
  3. গ) মাইকোলজি
  4. ঘ) পেট্রলজি
ব্যাখ্যা
ফলগাছ চাষাবাদ বিদ্যাকে বলা হয়ে থাকে  - পমোলজি। অন্য়দিকে –

শৈবাল সংক্রান্ত বিদ্যা  - ফাইকোলজি
ছত্রাক সংক্রান্ত বিদ্যা- মাইকোলজি
শিলাতত্ত্ব বিদ্যা - পেট্রলজি

SOURCE: জীব বিজ্ঞান ,এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫০.
কার্বলিক এসিডের রাসায়নিক নাম কী ?
  1. ক) ফেনল
  2. খ) ডয়টেরিয়াম অক্সাইড
  3. গ) ট্রাইক্লোরো মিথেন
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
কার্বলিক অ্যাসিড, যেটি ফেনল হিসেবেও পরিচিত, একটি অ্যারোমেটিক জৈব যৌগ।
• ফেনলের আণবিক সংকেত: C6H5OH ।
• এটি সাদা দানাদার কঠিন পদার্থ এবং সহজে উদ্বায়ী।
• ফেনলের অণুতে একটি ফিনাইল মূলক থাকে (-C6H5) যা একটি হাইড্রোক্সিল মূলক (-OH) এর সাথে বন্ধনে যুক্ত থাকে।

অপরদিকে -
» মার্বেল পাথর এর  রাসায়নিক নাম   ---ক্যালসিয়াম কার্বনেট
» ভারী জল এর  রাসায়নিক নাম   - --ডয়টেরিয়াম অক্সাইড
» ক্লোরোফর্ম  এর  রাসায়নিক নাম  - -----ট্রাইক্লোরো মিথেন

SOURCE: রসায়ন বিজ্ঞান, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫১.
সাধারণত কত তাপমাত্রায় একজস্টিং করা হয়?
  1. ক) 30°C - 45°C 
  2. খ) 45°C - 55°C
  3. গ) 80°C - 90°C 
  4. ঘ) 95°C - 110°C
ব্যাখ্যা
একজস্টিং:
এটি এক ধরনের কৌটাজাতকরণ পদ্ধতি। মাছ কৌটাজাতকরণের ক্ষেত্রে  একজস্টিং করা হয়।
কৌটাকে ফুটন্ত পানিতে ২/৩ অংশ ডুবিয়ে অথবা বাষ্পের সাহায্যে তাপ প্রয়োগ করে কৌটার সব বায়ু অপসারণ করে দেয়া হয়। এ কাজের জন্য ৮-১০ মিনিট সময়ই যথেষ্ট । 

• একজসটিং করার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হলো: 95°C-110°C

• পাত্রের মধ্যস্থিত বায়ু দুর করার জন্য তাপ প্রয়োগ করে একজস্টিং করা হয়। যার কারনে পাত্রের ভেতরে মরিচা পড়েনা এছাড়া একজস্টিং করার ফলে বায়ুবীয় অনুজীব দ্বারা খাদ্য দুষিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। উপরিউক্ত কারনে কৌটা জাত করার সময় একজস্টিং করা হয়।

SOURCE: রসায়ন ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
প্রাকৃতিকভাবে খাদ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভস হলো?
  1. ক) খাদ্য লবণ
  2. খ) চিনি
  3. গ) ফরমালিন
  4. ঘ) তেল  
ব্যাখ্যা
খাদ্য সংরক্ষণ :
খাদ্য সংরক্ষণ বলতে বোঝায়, যে ব্যবস্থার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ফল, শাকসবজি, মাছ-মাংস, দুধ ইত্যাদি খাদ্য দ্রব্যকে খাদ্যগুণ ও পুষ্টিগুণ অপরিবর্তিত রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় দীর্ঘ সময় রাখার ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রান্না করা অথবা কাঁচা উভয় প্রকার খাদ্য দ্রব্যকে সংরক্ষণ করা হয়। খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রিজারভেটিভস্ ব্যবহার করা হয়। 

প্রিজারভেটিভস :
যে সব রাসায়নিক পদার্থ নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহারের ফলে খাদ্যবস্তুতে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না, খাদ্যবস্তু রক্ষিত থাকে, এদেরকে ফুড প্রিজারভেটিভস বা প্রিজারভেটিভস বলা হয়।

• প্রাকৃতিকভাবে খাদ্য সংরক্ষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভস হলো - খাদ্য লবণ 

SOURCE: রসায়ন ২য় পত্র ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫৩.
কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে ইনসুলিন গঠিত ?
  1. ক) ৫১টি
  2. খ) ৫২টি
  3. গ) ৫৩টি
  4. ঘ) ৫৪টি
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন একটি  হরমোন।
ইহা অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান হয় গ্লোকোজের উচ্চ মাত্রাকে হ্রাস করে ফলে রক্ত স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লোকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।

• ইনসুলিন ৫১টি অ্যামিনাে অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রােটিন ।

অ্যামিনো এসিড (Amino acid) হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক। জৈব এসিডের এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণু অ্যামিনো মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হওয়ার ফলে উৎপন্ন জৈব এসিডকে অ্যামিনো এসিড বলে।


SOURCE: জীব বিজ্ঞান  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫৪.
শ্বসনের জন্য উত্তম তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২০°C -  ৪৫° C
  2. খ) ২৫°C - ৩০° C
  3. গ) ৪০°C -  ৪৫° C
  4. ঘ) ২০°C -  ৩৫° C
ব্যাখ্যা
শ্বসন 
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তিতে পরিণত হয় তাকে শ্বসন বলে।
• এ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি ও শক্তি উৎপন্ন হয়।

 তাপমাত্রা-
• শ্বসনের জন্য সাধারণত উত্তম তাপমাত্রা ২০°C -  ৪৫° C সেলসিয়াস।  
• ১০°C  সেলসিয়াসের নিচে এবং ৪৫°C  সেলসিয়াসের উপরের তাপমাত্রায় শ্বসনের হার কমে যায়।

SOURCE: জীব বিজ্ঞান  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫৫.
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে কোন ধমনী ?
  1. ক) ফেসিয়াল ধমনি
  2. খ) অক্সিপিটাল ধমনি
  3. গ) বহি: ক্যারোটিড ধমনি
  4. ঘ) আন্তঃক্যারোটিড ধমনি
ব্যাখ্যা
আন্তঃক্যারোটিড ধমনি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে।

ধমনি:

মানব দেহের এমনসব রক্তবাহী নালি যেগুলো হৃৎপিণ্ড থেকে পরিশোধিত রক্ত বহন করে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। ধমনি সবসময় পরিশোধিত তথা অক্সিজেনসমৃদ্ধ (অক্সিজেনেটেড) রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে; তবে ব্যতিক্রম হলো ফুসফুসীয় ধমনি এবং আমবিলিক্যাল ধমনি।

তাছাড়া--
ফেসিয়াল ধমনি:  মুখমণ্ডল ,ত্বক ও পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে।
অক্সিপিটাল ধমনি: অক্সিপিটাল অঞ্চলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত বহন করে। 
বহি: ক্যারোটিড ধমনি : মাথার ত্বক এবং ঘাড়ে রক্ত সরবরাহ করে। 

 
SOURCE: জীব বিজ্ঞান (প্রাণবিজ্ঞিান) ২য় পত্র, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫৬.
রক্তে কোনটির মাত্রা বৃদ্ধি পেলে জন্ডিসের লক্ষণ প্রকাশ পায়?
  1. ক) বিলিরুবিন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) কোলেস্টেরল
  4. ঘ) হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা
• জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।

অপরদিকে ----

• কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

• ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের প্রধান হরমোন,এক ধরনের পলিপ্যাপটাইড, যা গ্লুকোজকে রক্ত থেকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো (আইল্যেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স-এর বিটা কোষ) থেকে নিঃসৃত হয়। 

• হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেন বাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন ।

SOURCE: জীব বিজ্ঞান ,  ২য় পত্র  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৫৭.
GIGO - দ্বারা বুঝায়:
  1. ক) Garbage In Garbage Out
  2. খ) Garbage Insert Garbage Output
  3. গ) Graphics Insert, Graphics Output
  4. ঘ) Graphics In, Graphics Out
ব্যাখ্যা
GIGO - দ্বারা বুঝায়: Garbage In Garbage Out.

কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
কম্পিউটারে ভুল তথ্য প্রদান করা হলে কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। কম্পিউটারকে যা করতে বলা হবে, কম্পিউটার তাই করে দেখাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
৫৮.
কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের সময়কাল -
  1. ক) ১৯৮৫ - ২০১৮
  2. খ) ১৯৭৯ - ২০১৯
  3. গ) ১৯৬৯ - বর্তমান
  4. ঘ) ১৯৭১ - বর্তমান
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation 1971-)
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়।

১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে। এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল:
- বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার,
- অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা,
- উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা।
- এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয়।
- এই সময় মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে।
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি (CD) তৈরি হয়।
- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে নিউমেরিক কী এর সংখ্যা -
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৭টি
ব্যাখ্যা
একটি স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।
তার মধ্যে রয়েছে,
আলফানিউমেরিক কী - ৫৪টি,
ফাংশন কী - ১২টি
কন্ট্রোল কী - ১১টি
নেভিগেশন কী - ১০টি
নিউমেরিক কী - ১৭টি


উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
৬০.
কম্পিউটারের কাজের গতি বাড়ানোর জন্য কোন মেমরি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমোরি
  2. খ) ভার্চুয়াল মেমোরি
  3. গ) মেইন মেমোরি
  4. ঘ) চৌম্বক মেমোরি
ব্যাখ্যা
ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।

কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়। এটি এক ধরণের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ধরণের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।


 
কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (L1 / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2/ External Cache)
মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়। অপরদিকে যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে। প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে। আর প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।

সুত্রঃ  মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
MAC - এর পূর্ণরূপ:
  1. ক) Multimedia Access Control
  2. খ) Media Access Control
  3. গ) Memory Access Control
  4. ঘ) Media Application Control
ব্যাখ্যা
MAC বা MAC address হলো- ''Media Access Control address''.

- এটি Apple Macintosh কম্পিউটার সম্পর্কিত কিছু নয়।
- MAC address হলো একটি হার্ডওয়্যার identification নম্বর যা কোনও নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইস আলাদাভাবে চিহ্নিত করে।
- MAC address প্রতিটি নেটওয়ার্ক কার্ডে তৈরি করা হয় যেমন Ethernet কার্ড বা Wi-Fi কার্ড এবং তা পরিবর্তন করা যায় না।
- MAC address হল একটি 12-সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল নাম্বার (6-বাইট বাইনারি নম্বর), যা বেশিরভাগ কোলন-হেক্সাডেসিমেল নোটেশন ব্যবহার করা হয়।
- ইহা একটি ৪৮ বিট বিশিষ্ট নাম্বার। 
- MAC address মূলত এই ফরমেট অনুসরণ করে: XX:XX:XX:XX:XX:XX
- ইহা একটি ইউনিক এড্রেস। দুটি ডিভাইসের একই MAC ঠিকানা থাকতে পারে না।
৬২.
'মেটা' এর অধীন নয় কোনটি?
  1. ক) Facebook
  2. খ) Instagram
  3. গ) Workplace
  4. ঘ) LinkedIn
ব্যাখ্যা
- ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- ফেসবুক কোম্পানির নতুন নাম মেটা (Meta)
- মেটা নামকরণ হয় ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।
- মেটা এর অধীন সার্ভিসগুলো হলো - Facebook, Messenger, Instagram, WhatsApp, Workplace.

উৎস - মেটা ওয়েবসাইট
৬৩.
4x + y = 1 এবং 4x - y = 4 হলে x এবং y এর মান কত?
  1. ক) x = 2 এবং y = - 1
  2. খ) x = 1/2 এবং y = 1/2
  3. গ) x = 1 এবং y = 0
  4. ঘ) x = 1/2 এবং y = - 1/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x + y = 1 এবং 4x - y = 4 হলে x এবং y এর মান কত? 

সমাধান: 
 4x + y = 1
4x + y = 40
x + y = 0..............(1)

4x - y = 4
4x - y = 41
x - y = 1 ..............(2)

(1) + (2) ⇒
x+ y + x - y = 0 + 1
2x = 1
x = 1/2 

(1) ⇒ 
x + y = 0
1/2 + y = 0
y = - 1/2 
৬৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
1, 1, 4, 8, 9, 27, 16, ?
  1. ক) 25
  2. খ) 64
  3. গ) 36
  4. ঘ) 125
ব্যাখ্যা
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
1, 1, 4, 8, 9, 27, 16, ?

সমাধান: 
১ম সিরিজ = 12,22,32,42,52,..........[বিজোড় অবস্থান]
২য় সিরিজ = 13,23,33,43,.........[জোড় অবস্থান]
৬৫.
০. ৪ × ০.৪ + ০.৪ ÷ ৪ = কত? 
  1. ক) ০.২৬
  2. খ) ০.১৭
  3. গ) ০.০১৭
  4. ঘ) ০.০২৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০. ৪ × ০.৪ + ০.৪ ÷ ৪ = কত? 

সমাধান: 
০. ৪ × ০.৪ + ০.৪ ÷ ৪ 
= ০. ৪ × ০.৪ + ০.১
= ০.১৬ + ০.১
= ০.২৬
৬৬.
একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে তাসপিয়া বলেন, 'সে আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে।' ছবির লোকটি তাসপিয়ার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?
  1. ক) বাবা
  2. খ) খালু
  3. গ) চাচা
  4. ঘ) ভাই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করে তাসপিয়া বলেন, "সে আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে।" ছবির লোকটি তাসপিয়ার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?

সমাধান: 
তাসপিয়ার দাদার একমাত্র ছেলে হলো তাসপিয়ার বাবা। 
তাসপিয়ার বাবার ছেলে তাসপিয়ার ভাই। 
৬৭.
যদি a = 0.1025 হয়, তাহলে √(9a2 - 6a + 1) + a এর মান কত?
  1. ক) 1.41
  2. খ) 0.42
  3. গ) - 0.59 
  4. ঘ) - 1. 41
ব্যাখ্যা
যদি a = 0.1025 হয়, তাহলে √(9a2 - 6a + 1) + a এর মান কত? 

সমাধান: 
√(9a2 - 6a + 1) + a
√{(3a)2 - 2.3a. 1 + 12} + a
= √(3a - 1)2 + a
= 3a - 1 + a
= 4a - 1
= 4 × 0.1025 - 1
= 0.41 - 1
= - 0.59 
৬৮.
প্রদত্ত শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে? 
1. Expense 2. Expensive 3. Expand 4. Expanded 5. Extra
  1. ক) 3, 2, 5, 4, 1
  2. খ) 3, 4, 5, 1, 2
  3. গ) 3, 5, 4, 1, 2
  4. ঘ) 3, 4, 1, 2, 5
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে? 
1. Expense 2. Expensive 3. Expand 4. Expanded 5. Extra

প্রদত্ত শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে পাওয়া যাবে
3) Expand
4) Expanded
1) Expense
2) Expensive
5) Extra

 ক্রমটি হলো=3,4,1,2,5
৬৯.
জাহিদ উত্তর দিকে 22 মিটার হাঁটলো। তারপর সে ডানদিকে ঘুরলো এবং 25 মিটার হাঁটলো। তারপরে সে ডানদিকে ঘুরে 35 মিটার হাঁটলো। তারপর সে বাম দিকে ঘুরে 15 মিটার হাঁটে। অবশেষে সে বাম দিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটলো। শুরুর অবস্থান থেকে সে কত মিটার দূরে আছে?
  1. ক) 35 মিটার 
  2. খ) 40 মিটার 
  3. গ) 48 মিটার 
  4. ঘ) 30 মিটার 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জাহিদ উত্তর দিকে 22 মিটার হাঁটলো। তারপর সে ডানদিকে ঘুরলো এবং 25 মিটার হাঁটলো। তারপরে সে ডানদিকে ঘুরে 35 মিটার হাঁটলো। তারপর সে বাম দিকে ঘুরে 15 মিটার হাঁটে। অবশেষে সে বাম দিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটলো। শুরুর অবস্থান থেকে সে কত মিটার দূরে আছে?

সমাধান:

সরাসরি দূরত্ব = AF = √(AG2 + GF2)
= √(402 + 12)
= 40.012 মিটার।
≈ 40 মিটার।
৭০.
প্রদত্ত শব্দটি আয়নায় দেখানো প্রতিবিম্ব নিচের কোনটি? 
  1. ক) 1
  2. খ) 2
  3. গ) 3
  4. ঘ) 4
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত শব্দটি আয়নায় দেখানো প্রতিবিম্ব হবে অপশন খ 
৭১.
প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে? 
  1. ক) 8টি
  2. খ) 10টি
  3. গ) 16টি
  4. ঘ) 12টি
ব্যাখ্যা
 
১টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = AEH, EHI, EBF, EFI, FGC, IFG, DGH এবং HIG = 8টি 
২টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে =HEF, EFG, HFG এবং EFG = 4টি 

মোট ত্রিভুজ = 8 + 4 = 12টি 
৭২.
চিত্র (Z) এর উন্মোচিত রূপের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ হবে নিচের কোনটি? 
  1. ক) 1
  2. খ) 2
  3. গ) 3
  4. ঘ) 4
ব্যাখ্যা
চিত্র (Z) এর উন্মোচিত রূপের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ হবে অপশন গ 
৭৩.
ভারসাম্য রক্ষা করতে ডানদিকে কতদূরে 78 পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে? 
  1. ক) 10 ফুট 
  2. খ) 12 ফুট 
  3. গ) 15 ফুট 
  4. ঘ) 20 ফুট 
ব্যাখ্যা
ভারসাম্য রক্ষা করতে ডানদিকে কতদূরে 78 পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে? 



ধরি
বামদিকের ১ম বস্তুর অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব l1= 5 ফুট 
বামদিকের ১ম বস্তুর বস্তুর ওজন w1= 60 পাউন্ড
বামদিকের ২য় বস্তুর অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব l2= 6 ফুট 
বামদিকের ২য় বস্তুর বস্তুর ওজন w2= 80 পাউন্ড  

ডানদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব l3= ? ফুট 
ডানদিকের বস্তুর ওজন w3= 78 পাউন্ড 

এখন, 
l1 × w1 + l2 × w2= l3× w3
বা, 5 × 60  + 6 × 80 =  78 × l3
বা, 300 + 480 =  78  × l3
বা, l3  × 78= 780
বা, l3   = 780/78
∴, l3   = 10 ফুট 
৭৪.
উয়ারি-বটেশ্বর কত বছর পূর্বের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন ও প্রাচীন দুর্গ?
  1. ক) ১০০০ বছর
  2. খ) ১৫০০ বছর
  3. গ) ২০০০ বছর
  4. ঘ) ২৫০০ বছর
ব্যাখ্যা
উয়ারি-বটেশ্বর:
⇒ অবস্থান: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলার বেলাব ও শিবচর উপজেলার ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। উয়ারি ও বটেশ্বর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ভিন্ন গ্রাম হলেও প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দেশন হিসেবে একসাথে উচ্চারণ করা হয় । গ্রাম দু'টি আশে-পশের সমতল ভূমি থেকে একটু উঁচু। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এবং আড়িয়াল খাঁ নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে কয়রা নদীর দক্ষিণ তীরে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। সম্প্রতি আবিষ্কৃত হলেও এটি ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

⇒ উৎপত্তি:
নব্যপ্রস্তর যুগের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নগর সভ্যতার গোড়াপত্তন হতে থাকে। মিশর, মেসোপটেমিয়া, সিন্ধু সভ্যতা অনুরূপ নগর সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। মহাস্থানগড় এবং উয়ারি-বটেশ্বর হচ্ছে এর পরবর্তী প্রজন্মের নগর সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে একটি দুর্গ নগর হিসেবে উয়ারি-বটেশ্বরের আত্মপ্রকাশ ঘটে বলে ধারণা করা হয়। গ্রিকো- রোমান গণিতবিদ টলেমি (Claudius Ptolemy, ১০০-১৭০খ্রি.) তাঁর Geographia গ্রন্থে উয়ারি-বটেশ্বরকে ‘সোনাগড়া’ বলে উল্লেখ করেছেন । তিনি ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডেও অনুরূপ কিছু প্রাচীন বাণিজ্যিক নগরীর উল্লেখ করেছেন। 
 
মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত এই জনপদে ২৫০০ বছর পূর্বে সমৃদ্ধ সংস্কৃতির স্ফূরণ ঘটেছিল। কিন্তু এ সভ্যতা আধুনিক গ্রামীণ সভ্যতার নিচে চাপা পড়েছিল দীর্ঘকাল ।
 
উৎস : সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির গণচেতনার সর্বপ্রথম বহিঃপ্রকাশ -
  1. ক) মহান মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন।
- স্বাধীন বংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
- ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব বাংলার গণতান্ত্রিক আন্দোলন সুসংহত হয় এবং অগ্রগতি লাভ করে।
- ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জনগণের মধ্যে পরবর্তীকালে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং এর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে।
- বাঙালি জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আকাক্সক্ষাকে হাজারগুণে বাড়িয়ে দেয় এ আন্দোলন।
- তাই ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির গণচেতনার সর্বপ্রথম বহিঃপ্রকাশ এবং স্বাধিকার আন্দোলনের এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলন এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

- এই রাষ্ট্রের কর্ণধাররা প্রথমই শোষণ ও বৈষম্যের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলাকে।
- অথচ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের ভাষাগত জনসংখ্যার একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, মোট জনসংখ্যার ৫৪.৬০% বাংলা, ২৮.০৪% পাঞ্জাবি, ৫.৮% সিন্ধি, ৭.১% পশতু, ৭.২% উর্দু এবং বাকি অন্যান্য ভাষাভাষী নাগরিক।
- এর থেকে দেখা যায় উর্দু ছিল পাকিস্তানি ভাষাভাষির দিক থেকে ৩য় স্থানে। অন্যদিকে তদানীন্তন পূর্ববঙ্গের জনসংখ্যার ৪.৪০ কোটির মধ্যে ৪.১৩ কোটি ছিল বাংলা ভাষাভাষী। এখানে ৯৮% বাংলা এবং মাত্র ১.১% ছিল উর্দু ভাষী। অথচ বাংলা ভাষাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বেশ কিছু পরিকল্পনা নেয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও যুগান্তর।
৭৬.
স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' এর রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন:
- ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ নির্বাচিত সাংসদগণ আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসস্মত সিদ্ধান্তে সরকার গঠন করেন।
- এই সরকার স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার''।
- স্বাধীনতার সনদ (Charter of Independence) বলে এই সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- ১৭ই এপ্রিল ৭১ মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামে বৈদ্যনাথ তলায় ''গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- যে সমস্ত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় তাঁরা হলেনঃ

১।  রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানে বন্দী)
২।   উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
৩।   প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত) 
৪।   অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৫।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৬।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)

- এই অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে (বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে) এবং কর্নেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- দেশ বিদেশের শতাধিক সাংবাদিক ও হাজার হাজার দেশবাসীর উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংসদ জনাব আবদুল মান্নান।
- নবগঠিত সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।
- বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই স্থানটির নামকরণ করা হয় ''মুজিব নগর''।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৭৭.
বাংলাদেশ নৌ বাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে -
  1. ক) ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে
  2. খ) ১৯৭১ সালের মে মাসে
  3. গ) ১৯৭১ সালের জুন মাসে
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নৌ-বাহিনী:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধীনে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্ম হয়।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ঐতিহাসিক সেক্টর কমান্ডারদের কনফারেন্সের ঘোষণা মোতাবেক বাংলাদেশ নৌ বাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাঙ্গালী অফিসার ও নাবিকগণ পশ্চিম পাকিস্তান ত্যাগ করে দেশে এসে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী গঠন করেন।
- ভারত থেকে প্রাপ্ত 'পদ্মা' ও 'পলাশ' নামের ছোট দুটি গানবোট এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী।
- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সমস্ত নাবিকগণ শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হন।
- পাশাপাশি ' অপারেশন জ্যাকপট' নামে নির্ভীক ডুবুরীদল সমুদ্র ও নদী বন্দর সমূহে বিধংসী আক্রমণ পরিচালনা করেন।
- এতে হানাদার বাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ধ্বংস হয় ও সমুদ্র পথ কার্যতঃ অচল হয়ে পড়ে।
- নৌ বাহিনীর অপারেশনের মধ্যে হিরণ পয়েন্টের মাইন আক্রমণ (১০ নভেম্বর ৭১), মার্কিন ও ব্রিটিশ নৌযান ধ্বংস (১২ নভেম্বর ৭১), চালনা বন্দরে নৌ হামলা (২২ নভেম্বর ৭১), চট্টগ্রাম নৌ অভিযান (০৫ ডিসেম্বর ৭১), পাকিস্তান নৌ ঘাঁটি পিএনএস তিতুমীর অভিযান (১০ ডিসেম্বর ৭১) উল্লেখযোগ্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ বাহিনীর দুঃসাহসিক অভিযানে শক্রপক্ষ নৌ পথে দিশেহারা হয়ে পড়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বহুসংখ্যক নৌ সদস্য শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁদের বীরত্ব ও আত্নত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ শহীদ রুহুল আমিন, ইআরএ-১, কে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করা হয়। এ
- ছাড়া ০৫ জনকে বীর উত্তম, ০৮ জনকে বীর বিক্রম এবং ০৭ জনকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ বাহিনীর ভূমিকাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৮.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'সুমাত্রা' ও 'ম্যানিলা' কোন জাতের ফসল?
  1. ক) তুলা
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) বাধাকপি
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
• উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ, 
তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ
মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী,
পেঁয়াজ: তাহেরপুরী, সুখসাগর
বাধাকপি: প্রতিভা, অগ্রদুত

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি রাবার বাগান আছে মোট কয়টি?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাবার চাষের ইতিবৃত্ত: 
- রাবার  একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- এটি বাস্তবায়নকালে প্রকল্প সংশোধন করে ১৯৬২ সালে ১২১৪ হেক্টর জমিতে ৫ বছর মেয়াদী পুনঃপ্রকল্প গ্রহণ করা হয় এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ প্রকল্পের সাফল্যের প্রেক্ষিতে সরকার ১৯৬৫ সালে ৪২৫০ হেক্টর জমিতে ৫ বছর মেয়াদী আরেকটি প্রকল্প গ্রহণ করে।
- ১৯৬০-৭৩ সালে বিএফআইডিসি চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার ৬১১৬ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের প্রকল্প গ্রহণের জন্য নির্ধারণ করে।
- কিন্তু ঐ সময়ে মাত্র ৪০৯ হেক্টর জমিতে রাবার বাগান করা সম্ভব হয় এবং প্রকল্প মেয়াদে মাত্র ১৬২ হেক্টর জমির বাগান রাবার চাষের উপযোগী হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৪ সালে সরকার অধিকতর বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সুবিধার মাধ্যমে পুনঃরায় রাবার বাগান সৃজন করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- বর্তমানে বিএফআইডিসির ১৮টি বাগানে ৩,৮৬,০০০ টি রাবার গাছের মধ্যে ২ লক্ষাধিক গাছ উৎপাদনশীল।

সূত্র: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড।
৮০.
২০২২ সালে ‘শুমারি সপ্তাহ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয় -
  1. ক) ১৪ থেকে ২১ জুন
  2. খ) ১৫ থেকে ২১ জুন
  3. গ) ১৬ থেকে ২২ জুন
  4. ঘ) ১৭ থেকে ২৩ জুন
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো- দেশের ভৌগোলিক সীমায় বসবাসরত জনসংখ্যার পাশাপাশি তাদের বাসগৃহের সঠিক হিসাব নিরূপণ করা। তাছাড়া, দেশের জনগণের জনমিতিক মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং বাসগৃহের বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করাও জনশুমারির বৈশিষ্ট্য।

• স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়। এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় এবং তারপরে প্রতি দশ বছরের ধারাবাহিকতায় নিয়মিত শুমারি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

• ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি’-কে ‘জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে আদমশুমারি ও গৃহগণনার পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ জুন ২০২২ তারিখ দিবাগত রাত ১২.০০ টা (শূন্য মুহূর্ত ১৫ জুন) ‘শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট/সময়' এবং ১৫ থেকে ২১ জুন ২০২২ ‘শুমারি সপ্তাহ’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ হতে ২১ জুন ২০২২ সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত হয়, তবে আকস্মিক বন্যার কারণে শুমারির আন্তর্জাতিক প্রটোকল প্রতিপালনপূর্বক সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় তথ্যসংগ্রহের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতির মাধ্যমে ডিজিটাল শুমারি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
৮১.
জাতীয় সংসদে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আইন গৃহীত হয়েছে -
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বিদ্যমান ভৌত অবকাঠামো–সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বমূলক উদ্যোগের (পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি) ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করে আসছে।
- এ লক্ষ্যে ২০১০ সালে পিপিপি পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে, পিপিপি আইন গৃহীত হয়েছে ২০১৫ সালে
- পিপিপি আইনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে সংযুক্ত করে পিপিপি অফিস খোলা হয়েছে। 

• ভিশন: টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন।
• মিশন: সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্ব নীতির মাধ্যমে টেকসই গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য একটি উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা।

• উদ্দেশ্য:
(১) সরকারী বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টেকসই গনসেবামূলক অবকাঠামো তৈরীতে সরকারী প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করা।
(২) গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহীকরণ;
(৩) পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিনিয়োগকারীগণের অধিকতর আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে আইনী কাঠামো তৈরী করা।

সূত্র: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)।
৮২.
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) সিলেট
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেটের হরিপুরের ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এখান থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে সিলেটের গোপালপুর গ্রামের নিকট কৈলাশটিলাতে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এই গ্যাসক্ষেত্র হতে উত্তোলিত গ্যাস সিলেট শহরে সরবরাহ করা হয়।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬৩ সালে হবিগঞ্জ জেলায় এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করা হয়। হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র হতে শাহজীবাজার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: কুমিল্লা জেলার বাখরাবাদ নামক স্থানে এ গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত। এটি ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র হতে চট্টগ্রাম শহর এবং কুমিল্লা ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

• রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র: রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬০ সালে আবিষ্কৃত হয়। এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন উন্নয়ন সংস্থা?
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্ব ব্যাংক
  3. গ) জাইকা
  4. ঘ) এডিবি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু করার জন্য সরকার ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্পের ধারণা নিয়ে কাজ করছিল।
- অবশেষে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে, ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বা ‘মেট্রো রেল’ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) দ্বারা অনুমোদিত হয়।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর অর্থায়নে ‘দ্য ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট সার্ভে (ডিএইচইউটিএস ১)’ মূল্যায়ন করা হয় এবং ‘এমআরটি লাইন-৬’ নামে মেট্রো রেলের জন্য প্রথম এমআরটি রুট নির্বাচন করা হয়।
- প্রকল্পের মোট ব্যয় আনুমানিক ২.৮২ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে জাইকা ০.০১ শতাংশ সুদের হারে প্রায় ৭৫ শতাংশ বা ২.১৩ বিলিয়ন ডলার প্রদান করছে।
- বাকি ২৫ শতাংশ তহবিল দেবে বাংলাদেশ সরকার।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুন ২০১৬ সালে নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।
- প্রাথমিকভাবে, ‘এমআরটি লাইন ৬’-এর দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার হিসাবে প্রস্তাব করা হয়েছিল, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত, যা পরে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়, যার ফলে রুটটির দৈর্ঘ্য আরও ১.১৬ কিলোমিটার বৃদ্ধি পায়। এটির মোট দৈর্ঘ্য হবে ২১.২৬ কিমি.। রুটে মোট ১৭টি স্টেশন থাকবে এবং রুটে ২৪টি ট্রেন সেট চলবে।
- ২৯ আগস্ট ২০২১-এ, প্রথম ট্রায়াল রান দিয়া বাড়ি থেকে উত্তরা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। মেট্রোরেল উত্তরা-আগারগাঁও রুটে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে।
- প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রো রেলে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০,০০০ যাত্রী বা প্রতিদিন ৯৬০,০০০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ও যুগান্তর। 
৮৪.
সংবিধানে 'কোরাম' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ৭৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৭৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৭৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৭৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
কোরাম
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
• জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।   

অন্যদিকে, 
• ৭৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ এবং
• ৭৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
• ৭৭ নং অনুচ্ছেদ - ন্যায়পাল। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৫.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০০০
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদ
⇨ জেলা পরিষদ এ দেশের তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর।
⇨ ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্মেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমে যে জেলা বোর্ড গঠন করা হয়েছিল তারই পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত রূপ আজকের এই জেলা পরিষদ।
⇨ ২০০০ সালে জেলা পরিষদ এ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে এই আইনের কিছু সংশোধনী করা হয়। এই সংশোধিত আইনানুসারেই জেলা পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে।
⇨ স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মত এই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
⇨ একটি ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ২১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করা হয়।
⇨ একটি জেলার অন্তর্গত সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটার।
⇨ আইনানুসারে প্রতি পাঁচ বছর পরপর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 
⇨ চেয়ারম্যান জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
⇨ জেলা পরিষদ তার কাজের সুবিধার্থে আইন—শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোর মত বিষয়ের উপর একটি করে স্ট্যান্ডিং কমিটি করে থাকে। জেলা পরিষদের সদস্যের একজন একটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬.
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হয় -
  1. ক) জাতীয় সংসদের নিকট
  2. খ) বিচার বিভাগের নিকট
  3. গ) নির্বাচন কমিশনের নিকট
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির নিকট
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় আইন সভা বা জাতীয় সংসদের ভূমিকা ও কার্যাবলি বিস্তৃত হয়েছে।
- আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আইন সভায় মূলত: জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন। তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয় ।
- শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা হল বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য কর্মকতারা তাঁদের ওপর অর্পিত কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করছেন কিনা সে ব্যাপারে সংসদ বা আইন সভায় অবহিত করা।
- মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত কার্যক্রম যদি জনগণের প্রতিকূলে যায়, সেক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জাতীয় সংসদ করে থাকে।
- এছাড়া শাসন বিভাগকে সদা সতর্ক রাখার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে শাসন বিভাগকে জবাবদিহি করে থাকে ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
নিচের কোনটি জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. ক) দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র
  2. খ) তিন কন্যা
  3. গ) হত্যাযজ্ঞ
  4. ঘ) চরদখল
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন (১৯১৪-১৯৭৬)  আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। 
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা। 
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- ‘দ্য রেবেল ক্রো’ (জলরং, ১৯৫১) এ ধারার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮৮.
বিশ্ব সভ্যতায় হিব্রুদের সর্বাধিক অবদান রয়েছে কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) স্থাপত্য
  2. খ) আইন
  3. গ) ধর্ম
  4. ঘ) কৃষি
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা (Hebrew Civilization)
• আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে হিব্রু সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল প্যালেস্টাইনের জেরুজালেম নগরীকে কেন্দ্র করে।
• হিব্রু মূলত একটি ভাষার (সেমাটিক) নাম। তবে হিব্রু অর্থ ‘নিচ বংশের লোক’ বা ‘যাযাবর’। এই হিব্রু লোকজন তাবুতে বসবাস করতো এবং তাদের প্রধান পেশা ছিল পশুপালন।
• বর্তমান ইসরাইলের অধিবাসীরা হচ্ছে এই হিব্রুদের বংশধর। জেরিকো শহরটি ইসরায়েলে অবস্থিত। এখানে প্রথম নগর সভ্যতার সূচনা হয়েছিল।
• বিশ্ব সভ্যতায় হিব্রুদের সর্বাধিক অবদান হলো ধর্মের ক্ষেত্রে
• হিব্রুরাই প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্মের সূত্রপাত করে।
• পরবর্তীতে খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্ম এই একেশ্বরবাদী ধর্ম গোটা পৃথিবীতে প্রচার করে।

তথ্যসূত্র ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি ডট কম।
৮৯.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষ অবলম্বনকারী দেশসমূহ -
  1. ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি
  2. খ) ইতালি, জাপান, চীন
  3. গ) অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, জাপান
  4. ঘ) সার্বিয়া, রোমানিয়া, তুরস্ক
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War - I)
• গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ” বা “The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার।
• এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের বহু দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নড়বড়ে অবস্থানে চলে যায়।

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
• যুদ্ধ সংঘটনকাল -- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান -- ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
• অক্ষশক্তি -- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
মিত্রশক্তি -- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
• ফলাফল -- মিত্রশক্তি বিজয়ী।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৯০.
বেনেলাক্স (BENELUX) কোন ধরনের সংগঠন?
  1. ক) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক
  2. খ) সামরিক
  3. গ) পরিবেশ
  4. ঘ) গবেষণা
ব্যাখ্যা
বেনেলাক্স
▪ পশ্চিম ইউরোপের ৩ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগীতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স। এর পূর্ণনাম - ‘Benelux Economic Union’।    
▪ প্রতিষ্ঠা:- চুক্তি স্বাক্ষর - ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল (The Treaty of the Benelux Economic Union)।
▪ চুক্তি কার্যকর:- ১৯৬০ সাল।
▪ সদস্য সংখ্যা:- ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)। 
▪ সদরদপ্তর:- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। 

তথ্যসূত্র: বেনেলাক্স ওয়েবসাইট।
৯১.
আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আয়তনে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি দেশ:
- প্রথম : রাশিয়া
- দ্বিতীয় : কানাডা
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র
- চতুর্থ : চীন
- পঞ্চম : ব্রাজিল
▪ জনসংখ্যায় পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ চীন।
▪ জনসংখ্যায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৯২.
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব রাজনীতিতে তেল অস্ত্র প্রয়োগ করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৬৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ - ১৯৭৩
▪ মিশর ও সিরিয়া ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে তাদের হারানো অঞ্চল ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে ৬ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে দুই দিক থেকে ইসরায়েল আক্রমণ করে। 
▪ মিশর সিনাই উপদ্বীপে ও সিরিয়া গোলান মালভূমি অঞ্চলে প্রায় একই সময়ে ইহুদীদের সবচেয়ে পবিত্র রাতে (Yom Kippur) অতর্কিত হামলা শুরু করে।
▪ প্রথম দিকে ইসরায়েল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হলেও পরে ইসরায়েল ঘুরে দাঁড়ায়। পাল্টা আক্রমণ করে ইসরায়েলি বাহিনী এরিয়েল শেরনের নেতৃত্ব কায়রো ও দামেস্কের কাছাকাছি পর্যন্ত চলে আসে।
▪ সৌদি আরব, জর্ডান, ইরাক প্রভৃতি রাষ্ট্র সিরিয়া ও মিশরের সাহায্যে সৈন্য প্রেরণ করে।
▪ আরব রাষ্ট্রগুলো এই যুদ্ধের সময় অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে প্রথম ‘তেল অস্ত্র’ প্রয়োগ করে। তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলো একই সাথে ৫% তেল উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
▪ ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ইসরায়েল গোলান মালভূমির আরও বেশ কিছু অঞ্চল নিজেদের দখলে নেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯৩.
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর জেলেনস্কি প্রথম কোন দেশ সফর করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
▪ জেলেনস্কি গত ২১ ডিসেম্বর পোল্যান্ড হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান।
▪ গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এটি জেলেনস্কির প্রথম বিদেশ সফর।
▪ জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনেও ভাষণ দেন তিনি। ভাষণে তিনি বলেন, 'ইউক্রেন বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে, আত্মসমর্পণ করবে না।' 
▪ জেলেনস্কির ওয়াশিংটন সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্য একটি নতুন ১৮৫ কোটি ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই প্যাকেজের অধীনে ওয়াশিংটন ইউক্রেনকে অত্যাধুনিক প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সরবরাহ করবে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।
৯৪.
ইউরোজোনের একক মুদ্রা ‘ইউরো’ ব্যবহারকারী দেশ কয়টি?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
▪ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রায় এক দশক পর ইউরো মুদ্রা চালু করছে ক্রোয়েশিয়া।
▪ পাশাপাশি নতুন বছরে বলকান রাষ্ট্রটি ইউরোপের পাসপোর্টমুক্ত শেনজেন অঞ্চলভুক্ত হয়েছে।
▪ ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি মধ্যরাতে ক্রোয়েশিয়া নিজস্ব মুদ্রা কুনাকে বিদায় জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইউরোজোনের একক মুদ্রা ‘ইউরো’ ব্যবহারকারী ২০তম দেশের স্বীকৃতি পেলো ক্রোয়েশিয়া।
▪ ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে প্রথম ইউরো মুদ্রা চালু হয় যা ২০০২ সালে ১ জানুয়ারি থেকে একক অফিশিয়াল মুদ্রা হিসেবে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: ইইউ ওয়েবসাইট।
৯৫.
মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মতো প্রস্তাব গৃহীত হয় -
  1. ক) ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. খ) ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ২১ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
▪ ২১ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মতো মিয়ানমার নিয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
▪ প্রস্তাবটিতে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধের পাশাপাশি দেশটির রাজনৈতিক নেত্রী অং সান সুচিসহ সব রাজবন্দীর মুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে।
▪ যুক্তরাজ্যের উত্থাপিত প্রস্তাবটির পক্ষে ১২টি দেশ ভোট দিলে বিপক্ষে কোনো দেশ ভোট দেয়নি। 
▪ সবশেষ ভোটাভুটিতে বিরত থেকেছে রাশিয়া ও চীন।
▪ এবার তাদের সঙ্গে ভোটদানে বিরত থেকেছে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারত। চলতি মাসে ভারত নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 
৯৬.
আরব বিশ্বের প্রথম কোন দেশ চাঁদে চন্দ্রযান পাঠায়?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কাতার
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

▪ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের চন্দ্রযান ‘রশিদ’ চাঁদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।
▪ ১১ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ক্যাপ ক্যানাভেরালের মহাকাশ কেন্দ্র থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
আরব আমিরাতই আরব বিশ্বের প্রথম দেশ যেটি চাঁদে চন্দ্রযান পাঠালো।

তথ্যসূত্র: ইনকলাব। 

৯৭.
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কারণ -
  1. ক) ভূমির ঢাল নেই বলে
  2. খ) বায়ুর চাপ নিম্নাঞ্চলে বেশি হওয়ায়
  3. গ) সমুদ্র পৃষ্ঠ উত্তপ্ত হওয়ায়
  4. ঘ) বায়ুপ্রবাহ হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে
ব্যাখ্যা
• পবর্তের অবস্থান, ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে জলবায়ুর প্রকৃতিতে পার্থক্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উত্তরে পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে জলবায়ুতে প্রভাব বিস্তার করে। যেমন - গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু যখন হিমালয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয় তখন নেপাল, বাংলাদেশ, ভারতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অধিক হয়।
• তবে এই বায়ুপ্রবাহ হিমালয় অতিক্রম করতে না পারায় উত্তর পাহাড়ের ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না।
• একইভাবে শীতকালে শীতল সাইবেরীয় বায়ু উচ্চ হিমালয় পবর্তে বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে উত্তর ঢালে এ সময় বৃষ্টিপাত হয় না। এ সময়ে দক্ষিণে শীতের তীব্রতা ইউরোপের থেকে কম হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
কোন জেলা গুলোকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা, বাগেরহাট ও পঞ্চগড়
  3. গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) খুলনা, নওগাঁ ও সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন
• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
• এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
• জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং খুলনা জেলা ওয়েবসাইট। 
৯৯.
কোনটি সুরমা নদীর আদি উৎস?
  1. ক) বরাক নদী
  2. খ) মেঘনা নদী
  3. গ) যমুনা নদী
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদী
ব্যাখ্যা
সুরমা নদীর আদি উৎস বরাক নদী।         
• মায়ানমার সীমান্তে নাগা-মণিপুর পাহাড়শ্রেণীর  শৈলশিরা ও উপত্যকা ভূখন্ডময় বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বরাক নদীর জলনিষ্কাশন অঞ্চল অবস্থিত।
• বরাক-মেঘনার দৈর্ঘ্য ৯৫০ কিমি, যার মধ্যে ৩৪০ কিমি বাংলাদেশে অবস্থিত।
• বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী অমলশিদ নামক স্থানে বরাক নদী সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি খরস্রোতা ধারায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
• উত্তরপশ্চিমের ধারাটি সুরমা এবং দক্ষিণপশ্চিমের ধারাটি কুশিয়ারা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১০০.
আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা -
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়। এগুলো হলো:-
১। বৃষ্টিজনিত বন্যা
২। উপকূলীয় বন্যা
৩। নদীসৃষ্ট বন্যা
৪। আকস্মিক বন্যা।

আকস্মিক বন্যা
• এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পযার্য়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
• এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
• আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০১.
বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি
• রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
• এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি।
• প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
• এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
'বিদেশে অবস্থানকালে নিরাপত্তা লাভ' এটি নাগরিকের কোন ধরনের অধিকার?
  1. ক) রাজনৈতিক অধিকার
  2. খ) সাংস্কৃতিক অধিকার
  3. গ) অর্থনৈতিক অধিকার
  4. ঘ) সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক অধিকার সমূহ
১। সরকারি চাকুরি লাভের অধিকার  
২। নির্বাচনের অধিকার
৩। আবেদন করার অধিকার 
৪। স্থায়ীভাবে বসবাসের অধিকার
৫। বিদেশে অবস্থানকালে নিরাপত্তা লাভের অধিকার 
৬। সরকারের সমালোচনা করার অধিকার।  

সামাজিক অধিকারসমূহ
১. জীবনের অধিকার
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৩. চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
৪. সভা-সমিতির অধিকার
৫. চলাফেরার অধিকার
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার

অর্থনৈতিক অধিকার সমূহ 
১। অবকাশ লাভের অধিকার
২। কর্মের অধিকার
৩। ন্যায্য মজুরী লাভের অধিকার
৪। শ্রমিক সংঘ করার অধিকার প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০৩.
'Power Elite' নামক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) সি, ডব্লিউ মিলস
  2. খ) টমাস হবস
  3. গ) বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. ঘ) মন্টেস্কু
ব্যাখ্যা
• সি, ডব্লিউ মিলস তাঁর 'Power Elite' গ্রন্থে বলেন, যারা জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগ্রহণ করে তারাই এলিট।
• এটা অবধারিত যে, কিছুসংখ্যক লোকের দ্বারা অধিকাংশ লোক শাসিত হয়। উল্লেখ্য যে, উন্নত সমাজে রাজনৈতিক এলিটরা ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
• উন্নয়ণশীল দেশে সামরিক ও বেসামরিক আমলারা ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ক্ষমতা এক গোষ্ঠী থেকে অন্য গোষ্ঠীর হাতে হস্তান্তরিত হয়। এটিই ইতিহাসের নিয়ম।

অন্যদিকে, 
• সপ্তদশ শতাব্দীতে টমাস হবস তার বিখ্যাত ‘The Leviathan’ গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বিষয়ে আলোচনা করেন।
• বার্ট্রান্ড রাসেলের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম Power: A New Social Analysis.
• 'The Spirit of Laws'- গ্রন্থের রচয়িতা ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০৪.
শব্দগত অর্থে উদারতাবাদ কী?
  1. ক) অধিকারের মতবাদ
  2. খ) গণতন্ত্রের মতবাদ
  3. গ) স্বাধীনতার মতবাদ
  4. ঘ) আধুনিক রাষ্ট্রদর্শন
ব্যাখ্যা
• উদারতাবাদ বা Liberalism শব্দটি ল্যাটিন Liber শব্দ হতে উদ্ধুত।
• Liber শব্দের অর্থ স্বাধীন। শব্দগত অর্থে তাই উদারতাবাদ হচ্ছে স্বাধীনতার মতবাদ
• আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনে উদারতাবাদ উনিশ শতকের বিশের দশকে জন্ম নিলেও এর মূল ষোড়শ শতাব্দীর ‘রেনেসাঁ’ ও ‘রিফরমেশন’ আন্দোলন পর্যন্ত বিস্তৃত।
• এ দুটি আন্দোলনে ব্যক্তির স্বকীয় সত্ত্বা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রয়াস চালানো হয়েছিল। উদারতাবাদ এ প্রয়াসেরই নবতর সংস্করণ। • আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনে উদারতাবাদ গণতান্ত্রিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন নামেও সমধিক প্রচলিত। চিন্তার স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংঘ বা সমিতি গঠনের স্বাধীনতার সমন্বয়ে ব্যক্তি নাগরিকের অধিকারের যে সৌধ বা ইমারত গড়ে ওঠে, উদারতাবাদ তারই ফল।

তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১০৫.
মূল্যবোধ সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) মানুষের কর্মকান্ডের ভালো-মন্দ বিচারের ভিত্তি
  2. খ) মূল্যবোধ সমাজের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে
  3. গ) মূল্যবোধ অপরিবর্তনশীল
  4. ঘ) মূল্যবোধ বৈচিত্র্যময় ও আপেক্ষিক
ব্যাখ্যা
• মূল্যবোধ হলো মানুষের কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী রীতিনীতি ও মানদণ্ডের সমষ্টি। এসব রীতিনীতি সমাজের বৃহৎ অংশ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ দ্বারা স্বীকৃত।    

মূল্যবোধের বৈশিষ্ঠ্য:- 
১. মানুষের কর্মকান্ডের ভালো-মন্দ বিচারের ভিত্তি হচ্ছে মূল্যবোধ।
২. মূল্যবোধ সমাজের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে।
৩. মূল্যবোধ মূলত এক প্রকার সামাজিক নৈতিকতা
৪. মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল ও বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে।
৫. মূল্যবোধ বৈচিত্র্যময় ও আপেক্ষিক ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।