পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ - বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। উৎস: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭০.৮%
  2. ৭২.৭৪%
  3. ৭৪.৮%
  4. ৭৩.২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
ককবরক ভাষা কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের?
  1. চাকমা
  2. রাখাইন
  3. মারামা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীদের: ত্রিপুরা:
- ত্রিপুরা, ত্রিপুরী বা তিপ্রা হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি নৃগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে।
- তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সমতল এলাকার কুমিল্লা, সিলেট, বৃহত্তর চট্টগামের বিভিন্ন উপজেলা, রাজবাড়ি, চাঁদপুর, ফরিদপুর।
- আনুমানিক ৬৫ খ্রিস্টাব্দে সুঁই বংশের সময়কালে পশ্চিম চীনের ইয়াংসি ও হোয়াংহো নদীর উপত্যকা হচ্ছে এদের প্রাচীন আবাসস্থল।
- পরবর্তী সময়ে এই জনগোষ্ঠী ভারতের আসাম হয়ে অত্র অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলে।
- ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ককবরক।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরাদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- ত্রিপুরারা সনাতন ধর্মের অনুসারী।
- এদের নববর্ষের উৎসবকে ‘বৈসুক’ বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT):
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও:
-বিভাগীয় ও জেলা শহরে রয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI),
- উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)।
- ১২টি এফডব্লিউভিটিআই,
- ও ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

কার্যক্রম:
- মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি।
- প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ,গবেষণা ও জরিপ পরিচালনা করা।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।
.
মারমাদের মৌজা বা এলাকা প্রধানকে কী বলা হয়? 
  1. কারবারি
  2. হেডম্যান
  3. মাহাতো
  4. নকসা
সঠিক উত্তর:
হেডম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেডম্যান
ব্যাখ্যা
মারমা:
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়।
- ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মারমা জনসংখ্যা ১,৫৭,৩০১।
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণ গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা।
- বাম থেকে ডানদিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভূত।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা, ওয়াছো বা আষাঢ়ি পূর্ণিমা এবং ওয়াগোয়াই বা প্রবারণা পূর্ণিমা পালন করে।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগণের প্রধান পেশা কৃষি। 
- মারমা গ্রাম প্রধানকে কারবারি বলে।
- মৌজা বা এলাকা প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।

অপরদিকে,
- গারোরা গ্রাম প্রধানকে বলে নকসা।
- ওরাঁওদের গ্রাম প্রধান বলা হয় মাহাতো।
- মারমা গ্রাম প্রধানকে কারবারি বলে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ওঁরাও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. গাজীপুর
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী- ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা বসবাস করে।
- ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- তাদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

উৎস: ¡) বাংলাপিডিয়া।
         ¡¡) কালের কণ্ঠ।
.
বর্তমানে দেশে কতটি উপজেলা রয়েছে? (মার্চ ২০২৫)
  1. ৪৯৫ টি
  2. ৪৯৪ টি
  3. ৪৯৬ টি
  4. ৪৯৭ টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বিভাগ: ৮টি
- জেলা: ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন: ১২ টি।
- উপজেলা: ৪৯৫ টি।
- মেট্রো থানা: ১০৫ টি।
- পৌরসভা: ৩২৭ টি।
- ইউনিয়ন: ৪,৫৯৬ টি।
- মৌজা: ৫৮,৮৪৬ টি।
- গ্রাম: ৯০,০৪৯ টি।
- মহল্লা: ১৫,১৫৩ টি।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- পুরুষ: ৮,৪১,৩৪,০০৩ জন।
- শতকরা:৪৯.৫৪%।
- নারী: ৮,৫৬,৮৬,৭৮৪ জন।
- শতকরা: ৫০.৪৫%।
- হিজরা: ৮,১২৪ জন।
- শতকরা: ০.০০৫%।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
আদমশুমারি পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮  বছর।
- নিপোর্ট ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
.
উপজাতি কালচারাল একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
উপজাতি কালচারাল একাডেমি:
- অবস্থান: বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোণা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭৭ সালে।
- গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একাডেমিকে ১৬-৭-১৯৭৯ তারিখে 'তথ্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'ক্রীড়া ও সংস্কৃতি' বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। 
- ২০১০ সালে 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি-এর পরিবর্তে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি' নামটি প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।

⇒ অপরদিকে,
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি।
- রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রামু কক্সবাজার। 

উৎস: ¡) বাংলাপিডিয়া।
          ¡¡) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
.
কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ধর্ম ইসলাম?
  1. সাঁওতাল
  2. পাঙন
  3. রাখাইন
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'পাঙন'।

পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

⇒ অপরদিকে,
- ম্রোদের ধর্মের নাম: তোরাই।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের।
- সাঁওতালদের নিজস্ব ধর্ম রয়েছে।

সূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: ষষ্ঠ শ্রেণি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পরপর?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮  বছর।
- নিপোর্ট ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।


উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১১.
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র - ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্রের হার কত?
  1. ১৯.৫%
  2. ২০.৩%
  3. ১৯.২%
  4. ২০.২%
সঠিক উত্তর:
১৯.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র - ২০২২:
- বাংলাদেশের দারিদ্রো মানচিত্র - ২০২২, প্রকাশ করে  ৩০ জানুয়ারি ২০২৫।
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে।
- দারিদ্রের হার: ১৯.২%।
- গ্রামে: ২০.৩%।
- শহরে: ১৬.৫%।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: বরিশালে, (২৬.৬%)।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: চট্টগ্রাম, ( ১৫.২%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: নোয়াখালী, ( ৬.১%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: মাদারীপুর, ( ৫৪.৪%)।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর৷
- দারিদ্র্যের হার- ৬৩.২%
- সবচেয়ে ধনী উপজেলা- বেগমগঞ্জ , নোয়াখালী।

উৎস: ¡) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
          ¡¡) বণিক বার্তা।
১২.
নিচের কোন উপজাতি বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী?
  1. মণিপুরী
  2. খাসিয়া
  3. বম
  4. খিয়াং
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
ব্যাখ্যা
খিয়াং: 
- খিয়াং  পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে।
- আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- ১৬ ও ১৭ শতকে খিয়াংরা বাংলাদেশে আগমন করে।
- পার্বত্য জেলা বান্দরবানের মুরার নজা পর্বতমালায় খিয়াংরা সর্ব প্রথম বসবাস শুরু করে।
- খিয়াংরা চীন - তিব্বতীয় ভাষাগোষ্ঠীর কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- অতীতে খিয়াংরা ছিল প্রকৃতি পূজারি।
- পরবর্তী সময়ে তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। 
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- গৌতম বুদ্ধকে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে এ উৎসব শুরু হয়।

উল্লেখ্য, 
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব ।
- খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী বম ও খাসিয়ারা ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
বাংলাদেশে বসবাস নেই কোন নৃ-গোষ্ঠীর?
  1. সাঁওতাল
  2. তঞ্চঙ্গ্যা
  3. ম্রো
  4. মাওরি
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাস করে না মাওরি নৃ-গোষ্ঠীরা।
- সাঁওতাল, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো এরা সবাই বাংলাদেশে বসবাস করে।

মাওরি: 
- মাওরিরা মূলত নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়।
- আনুমানিক ১৩০০ সালের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে মাওরি জনগোষ্ঠীর লোকজন এখানে আসে।
- এরপর থেকে এরা নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- বর্তমানে দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ২০ শতাংশ মাওরি।
- তাদের নিজস্ব ভাষায় "একে ওয়াকাপাপা" বলা হয়। 
- হাঁকা নাচকে মাওরি জনগোষ্ঠীরা প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে ব্যবহার করে।
- এটা তাদের কাছে যুদ্ধ নৃত্য।
- তারা হাঁকা নাচের সময় "কামাতে কামাতে,কামারা কামরা" শব্দ ধ্বনি উচ্চারণ করে।
- ওয়ে টাঙ্গি চুক্তি তাদের সাথে যুক্ত।

উৎস: The Financial Express.
১৪.
’রাসা নৃত্য’ কোন নৃগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
মণিপুরী: 
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- মহারাজ গরীব নেওয়াজের শাসনামলে সিলেট থেকে আগত মিশনারিগণ এই স্থানকে মহাভারতে বর্ণিত একটি স্থান মনে করে এই ভূখণ্ডের নাম দেন মণিপুর। 
- এভাবেই এখানকার প্রধান অধিবাসী মেইতেইদের নাম হয়ে যায় মণিপুরী।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জে ও সুনামগঞ্জের  বসবাস করে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে  রাসা (Rasa) নৃত্য।
- চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।
- এছাড়া অনেক মণিপুরী আছে যারা একইসঙ্গে আগের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
- এদের বলা হয় মেইতেই পানগন (Meitei Pangon) বা মণিপুরী মুসলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১৫.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি হয় কত সালে?
  1. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
  2. ১৫ জুলাই ১৯৯৮
  3. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৮
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- দীপঙ্কর প্রসাদ চাকমার মতো শান্তিবাহিনীর বহু সদস্য ১৯৮০ এবং ৯০’র দশকে পাহাড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে লড়াই করেছিলেন।
- প্রায় দুই দশকের সশস্ত্র লড়াইয়ের ইতি হয়েছিল ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তির মাধ্যমে। 

⇒ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন:
- তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ।
- ও জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা হিসেবে পরিচিত।

যে-সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল: 
- তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হবে।
- উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা
- উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উৎস: বিবিসি বাংলা, ২ ডিসেম্বর ২০২২।
১৬.
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র- ২০২২ অনুযায়ী, সবচেয়ে ধনী জেলা কোনটি?
  1. মাদারীপুর
  2. ঢাকা
  3. নোয়াখালী
  4. চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র- ২০২২:
- বাংলাদেশের দারিদ্রো মানচিত্র - ২০২২, প্রকাশ করে  ৩০ জানুয়ারি ২০২৫।
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে।
- দারিদ্রের হার: ১৯.২%।
- গ্রামে: ২০.৩%।
- শহরে: ১৬.৫%।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: বরিশালে, (২৬.৬%)।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: চট্টগ্রাম, ( ১৫.২%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: নোয়াখালী, ( ৬.১%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: মাদারীপুর, ( ৫৪.৪%)।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর৷
- দারিদ্র্যের হার- ৬৩.২%

উৎস: ¡) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
             ¡¡) বণিক বার্তা।