পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes২৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব (ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) ২. শব্দপ্রকরণ (লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) --------------- পার্ট – ২: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: কম্পিউটার: ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. ক) ঝিলিমিলি
  2. খ) হেন-তেন
  3. গ) চকচক
  4. ঘ) কেক-টেক
ব্যাখ্যা
• চকচক ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ।

ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত বলে।
যেমন-
- কুট কুট, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস, থকথক, শোঁ শোঁ, চকচক, ভটভট, ধুপধুপ।

অনুকার দ্বিত্ব: পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
যেমন-
- আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, এলোমেলো, ঝিকিমিকি, ঝিলিমিলি, হেন-তেন, বুদ্ধিশুদ্ধি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বিশেষ নিয়মে লিঙ্গান্তর ঘটেছে কোথায়?
  1. ক) মরদ - জেনানা
  2. খ) শুক-সারী
  3. গ) রাজা - রানী
  4. ঘ) নাটক - নাটিকা
ব্যাখ্যা
বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'তা' রয়েছে, স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেসব শব্দে 'ত্রী' হয়।
যেমনঃ কর্তা - কর্ত্রী, শ্রোতা - শ্রোত্রী ইত্যাদি।

পুরুষবাচক শব্দের শেষে অত্‌, বান্‌, মান্‌, ঈয়ান থাকলে যথাক্রমে অতী, বতী, মতি, ঈয়সী হয়।
যথা: সৎ - সতী, মহৎ - মহতী ইত্যাদি।

কোন কোন পুরুষবাচক শব্দ থেকে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
যেমন: রাজা - রানী, নর - নারী ইত্যাদি।

সংস্কৃত স্ত্রী প্রত্যয়:
ঈ - প্রত্যয় যোগে জাতি বা শ্রেণীবাচক উদাহরঃ সিংহ - সিংহী, ময়ুর - ময়ুরী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বাংলা ভাষায় সংখ্যাবাচক শব্দ প্রধাণত কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ - এগুলাে এখানে কথায় লেখা হয়েছে।
- আবার বিশেষ কিছু বর্ণ বা সংকেত দিয়ে এগুলাে প্রকাশ করা যায়, যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ - এগুলাে এখানে অঙ্কে বা সংখ্যাবর্ণে লেখা হয়েছে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।

সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
ক্রমবাচক, যথা: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
পূরণবাচক, যথা: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ (২০২২ সংস্করণ)
.
তারিখবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাতই
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংখ্যাবাচক শব্দগুলােকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে

ক) অঙ্কবাচক শব্দ- ১,২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ইত্যাদি।
খ) পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট ইত্যাদি।
গ) ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ইত্যাদি।
ঘ) তারিখবাচক শব্দ- পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘তৃতীয় লোকটিকে ডাক’ - এখানে তৃতীয় কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূরণবাচক শব্দ
  2. খ) ক্রমবাচক শব্দ
  3. গ) গণনাবাচক শব্দ
  4. ঘ) তারিখবাচক শব্দ।
ব্যাখ্যা

'তৃতীয়' শব্দটি পূরণবাচক শব্দ।
সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা - 
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয ইত্যাদি।
পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)

.
'সিকি', 'পোয়া' কোন প্রকার সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূর্ণগুণিতক সংখ্যাশব্দ
  2. খ) ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
  3. গ) পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা
  4. ঘ) আধিক্যবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ
সংখ্যা হচ্ছে গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা।  
সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ- 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক ও 
- ক্রমবাচক।
আরও রয়েছে - তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ
                     - গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
- পূর্ণগুণিতক সংখ্যাশব্দ
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
- পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা ও আধিক্যবাচক শব্দ

ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
পূর্ণসংখ্যার অংশবাচক শব্দকে ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ বলে। 
- পূর্ণসংখ্যার অংশ বোঝাতে বাংলায় নিম্নলিখিত শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়। 
- চার ভাগের এক ভাগ = চৌথাই, সিকি, পোয়া
- তিন ভাগের এক ভাগ = তেহাই 
- দুই ভাগের এক ভাগ = অর্ধ, আধা, আধ, অর্ধেক, আধেক 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
.
নিচের কোনটিতে স্বভাবতই ‘ষ’ ব্যবহৃত হয়নি?
  1. ক) ভবিষ্যৎ
  2. খ) কৃষক
  3. গ) ভাষা
  4. ঘ) বর্ষা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ষ-ত্ব বিধানের নিয়মাবলী:
১। অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন—ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
২। ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন—অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ, প্রতিষেধক, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
৩। ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন—ঋষি, কৃষক।
৪। তৎসম শব্দে ‘র’ এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন—বর্ষা, ঘর্ষণ।
৫। ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যেমন—কষ্ট, কাষ্ঠ।
৬। কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন—ষড়ঋতু, আষাঢ়, ভাষা, মানুষ, দ্বেষ, ভূষণ ।
৭। বিদেশি শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন—জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

কতিপয় শব্দ স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন - ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, দ্বেষ, ভূষণ ইত্যাদি।
---------------
প্রশ্নটি হওয়ার কথা ছিলো - 
"নিচের কোনটিতে স্বভাবতই ‘ষ’ ব্যবহৃত হয়েছে?"
সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর - ভাষা হয়।
প্রশ্নে ভুল থাকায় উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে।
----------------
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে?
  1. ক) অপ, পরা, পরি, নির
  2. খ) প্রিয়, পরা, পরি, নির
  3. গ) প্র, অপ, পরি, নি
  4. ঘ) প্র, পরা, পরি, নির
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণত্ব বিধান বলে।

ণ-ত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়মাবলী- 
১. ঋ, র, ষ—এই তিনটি বর্ণের পর তৎসম শব্দের দন্ত্য ‘ন’ মূধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, ঘৃণা, রণ, বর্ণ, ভূষণ ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ-এর পর স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, ষ, হ থাকলে তার পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: লক্ষণ, ভক্ষণ, রেণু, পাষাণ, নির্বাণ, দর্পণ, গ্রহণ ইত্যাদি।
৩. ট বর্গের পূর্বে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ড ইত্যাদি।
৪. প্র, পরা, পরি, নির—এই চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে। যেমন: প্রণাম, প্রমাণ, পরায়ণ, পরিণতি, নির্ণয় ইত্যাদি।
৫. ত, থ, দ, ধ-এর পূর্বে সংযুক্ত বর্ণে দন্ত্য ‘ন’ হয়, ‘ণ’ হয় না। যেমন: দৃষ্টান্ত, বৃন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন, বন্ধন ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান খাটে?
  1. ক) তৎসম শব্দে
  2. খ) ‘ট’ বর্গীয় বর্ণে
  3. গ) ঋ, র, ষ-বর্ণে
  4. ঘ) সবগুলোতেই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধানঃ
বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
- বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' বসে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
ধ্বনিতত্ত্বের ইংরেজী পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) Syntax
  2. খ) Phonology
  3. গ) Morphology
  4. ঘ) Semantics
ব্যাখ্যা
সব ভাষার ব্যাকরণেরই প্রধানত নিম্নলিখিত ৪টি বিষয়র আলোচনা করা হয়। যথা -
- ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology),
- শব্দ বা রূপতত্ত্ব (Morphology),
- বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax), এবং
- অর্থতত্ত্ব (Semantics)। এছাড়াও অভিধানতত্ত্ব (Lexicography), ছন্দ - অলঙ্কার ইত্যাদিও ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী।
১১.
'হুঁশিয়ার' শব্দে 'ষ' ব্যবহৃত হয়নি কেন?
  1. ক) সংস্কৃত শব্দ বলে
  2. খ) বাংলা শব্দ বলে
  3. গ) অর্ধসংস্কৃত শব্দ বলে
  4. ঘ) বিদেশি শব্দ বলে
ব্যাখ্যা
'হুঁশিয়ার' শব্দটি ফারসি শব্দ। 

'ষ-ত্ব' বিধান অনুযায়ী- 
- কেবল তৎসম শব্দেই  'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য। 
- বিদেশি শব্দে 'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য নয়। 

- 'পোষ্ট' ও 'মাষ্টার' 'ষ্টেশন' এবং 'পোষাক' এর সঠিক বানান - পোস্ট, মাস্টার, স্টেশন ও পোশাক।   
- পোস্ট, মাস্টার ইংরেজি শব্দ ও পোশাক ফারসি ভাষার শব্দ,।
 তাই এতে 'ষ'-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) মাষ্টার
  2. খ) রেশন
  3. গ) ষ্টেডিয়াম
  4. ঘ) কর্ণ ল
ব্যাখ্যা
• বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ণ' ত্ব বিধান 'ষ' ত্ব বিধান খাটে না। 
অর্থাৎ 'ণ' ও 'ষ' বিদেশি শব্দে ব্যবহৃত হয় না। 
বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে
S = স এবং
sh, shion, sion, tion = শ 

• শুদ্ধ বানান =
রেশন (ফরাসি শব্দ)
কর্নেল (ফরাসি শব্দ)
স্টেডিয়াম (ইংরেজি শব্দ)
মাস্টার (ইংরেজি শব্দ)

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৩.
'ষ' ত্ব বিধান এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে কোন শব্দে?
  1. ক) পোষ্ট
  2. খ) মাষ্টার
  3. গ) ষ্টেশন
  4. ঘ) সুষুপ্ত
ব্যাখ্যা
• 'ষ' ত্ব বিধান মতে সঠিক প্রয়োগ ঘটে 'সুষুপ্ত' শব্দে। 
- এটি একটি তৎসম শব্দ। 

'ষ-ত্ব' বিধান অনুযায়ী- 
- কেবল তৎসম শব্দেই  'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য। 
- বিদেশি শব্দে 'ষ-ত্ব' বিধান প্রযোজ্য নয়। 

- 'পোষ্ট' ও 'মাষ্টার' 'ষ্টেশন' এবং 'পোষাক' এর সঠিক বানান - পোস্ট, মাস্টার, স্টেশন ও পোশাক।   
- পোস্ট, মাস্টার ইংরেজি শব্দ ও পোশাক ফারসি ভাষার শব্দ,।
 তাই এতে 'ষ'-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?
  1. ক) ধ্বনি
  2. খ) বর্ণ
  3. গ) শব্দ
  4. ঘ) উচ্চারণের স্থান
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত হয়।
যথা –
- ধ্বনিতত্ত্ব,
- রূপতত্ত্ব,
-বাক্যতত্ত্ব ও
- অর্থতত্ত্ব।

• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমূহ
- ধ্বনি,
- বর্ণ,
- ধ্বনির উচ্চারণ প্রণালি,
- উচ্চারণের স্থান,
- ধ্বনি পরিবর্তন ও
- লোপ, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান,
- সন্ধি ইত্যাদি।
 
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার -
  1. ক) ABC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) UNIVAC
  4. ঘ) EDSAC
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার - ABC (Atanasoff-Berry Computer)

From Britannica -
Atanasoff-Berry Computer (ABC)
, an early digital computer. It was generally believed that the first electronic digital computers were the Colossus, built in England in 1943, and the ENIAC, built in the United States in 1945.



ENIAC: ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটি হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

UNIVAC: ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব ̈বহার করা হয়েছিল।

EDSAC: EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৬.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় কোনটিতে?
  1. ক) ওয়াশিং মেশিন
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  3. গ) এটিএম
  4. ঘ) উপরের সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
১৭.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ও মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইন্টারফেস?
  1. ক) IDE - Integrated Device Electronics
  2. খ) SCSI - Small Computer System Interface
  3. গ) SATA - Serial Advanced Technology Attachment
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য ইন্টারফেস ব্যবহার করতে হয়।
বিভিন্ন ইন্টারফেসের উদাহরণ হলো-
IDE - Integrated Device Electronics,
SCSI - Small Computer System Interface,
SATA - Serial Advanced Technology Attachment,
SAS - Serial Attached SCSI ইত্যাদি।
১৮.
নিচের কোনটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Windows 95
  2. খ) Unix
  3. গ) PC DOS
  4. ঘ) Linux
ব্যাখ্যা
বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়।
Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেনু ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না।
Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।


সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. গ) অনুবাদক প্রোগ্রাম
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
•  কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার প্রধানত দুইপ্রকার।
   i) সিস্টেম সফটওয়্যার ও
   ii) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার আবার দু প্রকার। যথা:
    i) প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
    ii) কাস্টোমাইজড সফটওয়্যার।

• প্যাকেজ প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন ও চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।
ডেটাবেজ, ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট, গ্রাফিক্স ইত্যাদি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ।

• অন্যদিকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম, অনুবাদক প্রোগ্রাম ও অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২০.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) ব্যবহারিক সফটওয়্যার
  3. গ) প্রকাশনা সফটওয়্যার
  4. ঘ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হচ্ছে এক ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস থেকে সুরক্ষা, ডেটা ও প্রোগ্রামের ব্যাক-আপ, ডিজাস্টার রিকভারিসহ বিভিন্ন প্রকার কাজের সুবিধা প্রদান করে।

অ্যান্টিভাইরাস (ইংরেজি: Antivirus) বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরন, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
২১.
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা হচ্ছে -
  1. ক) সুডােকোড
  2. খ) এ্যালগরিদম
  3. গ) প্রবাহচিত্র
  4. ঘ) বেসিক কমান্ড
ব্যাখ্যা

সুডােকোড:
প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়। Pseudo অর্থ ছদ্ম। সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।

বেসিক কমান্ড:
বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।

বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
এসব শব্দ বেসিক চলক হিসাবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।

এ্যালগরিদম:
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।

প্রবাহচিত্র:
এটি এ্যালগরিদমের চিত্ররূপ। এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল। ফ্লোচার্ট অনুসরন করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।


সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
পামটপ কম্পিউটার নিচের কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মিনিফ্রেইম কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে ছোট আকারের কম্পিউটার।
আমরা হর হামেশা যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি, সেগুলোকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
ডেস্কটপ কম্পিউটার, লেপটপ কম্পিউটার, পামটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার হলো মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৩.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) IBM3033
  2. খ) IBM360
  3. গ) IBM370
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ : ENIAC, UNIVAC, EDSAC, EDVAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 1401, IBM 1620, CDC 1604, RCA 301
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: PDP 8, IBM 360, IBM 370, ICL 2900, PDP II
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 3033, IBM 4341, TRS 40

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৪.
প্যারালাল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
প্যারালাল পোর্ট:
প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৫.
HTML আবিষ্কার করেন -
  1. ক) টিম বার্নাস লী
  2. খ) জার্জ বুল
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) জন বার্ডিন
ব্যাখ্যা
HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন। HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।

জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস-লী (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন।
HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) McAfee
  2. খ) Panda
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Fujitsu
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়।

কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus, ESET NOD32, Panda ইত্যাদি।

Fujitsu একটি জাপানি বহুজাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও সেবা কর্পোরেশন, যা 1935 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর টোকিওতে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৭.
ল্যান পোর্ট কোথায় সংযুক্ত থাকে?
  1. ক) পাওয়ার সাপ্লাইয়ে
  2. খ) হার্ড-ডিস্কে
  3. গ) মাদারবোর্ডে
  4. ঘ) মনিটরে
ব্যাখ্যা
ল্যান পোর্ট (LAN Port):
বর্তমানে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ল্যান পোর্ট বিল্ড-ইন অবস্থায় থাকে। মাদারবোর্ডের ল্যান পোর্টে RJ-45 কানেক্টরের সাহায্যে ক্যাবল লাগিয়ে সরাসরি কিংবা সুইচের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা যায় বা ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যায়।

এছাড়া মাইক্রোকম্পিউটারে গেইম পোর্ট, টেলিফোন লাইন পোর্ট, FM রেডিও, ক্যাবল টিভি পোর্ট, MIDI পোর্ট HDMI পোর্ট প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।