পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০ পার্ট-১) বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: বাংলাদেশের সংবিধান: সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ এবং তফসিলসমূহ। পার্ট-৩) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ (বিশ্বব্যাংক ও IMF বাদে) [FAO, UNESCO, ICAO, IFAD, ILO, IMO, UNIDO, ITU, UNWTO, UPU, WHO, WIPO, WMO] ii) জাতিসংঘের তহবিল ও প্রোগ্রাম [UNDP, UNEP, UNFPA, UNICEF, WFP, UN-HABITAT] iii) জাতিসংঘ সম্পর্কিত অন্যান্য সংস্থা [IAEA, IOM, CTBTO, UNAIDS, UNHCR, UNRWA, UNIDIR, UNITAR, UN WOMEN, UNSSC, UNU, UNOPS, OPCW, ITC]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
'কেয়াবন সঞ্চারিণী' - উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. নীলিমা ইব্রাহিম
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যা
• ‘কেয়াবন সঞ্চারিণী’ উপন্যাস:
- নীলিমা ইব্রাহিম লিখিত উপন্যাস ‘কেয়াবন সঞ্চারিণী’ প্রকাশিত হয় ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে।  
- প্রকাশক ছিলেন চিত্তরঞ্জন সাহা, প্রকাশিত হয় (পুথিঘর লিঃ) ঢাকা থেকে। প্রকাশ কালে গ্রন্থটির মূল্য ছিল দুই টাকা পঁচিশ পয়সা মাত্র।
- কেয়াবন সঞ্চারিণী, উপন্যাসে মূল চরিত্র আইরিন, রিনা নামেই সে পরিচিত। তাকে ঘিরে উপন্যাসের প্রতিটি পর্ববিন্যাস।
- নিরা একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে, ঢাকার মগবাজারে তাদের বাসা। বাবা প্রয়াত স্কুল শিক্ষক, পিতার মৃত্যুর পর রিনা সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়, তখন তার বয়স মাত্র উনিশ। এভাবেই সংসারের দায়িত্ব ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি নিয়ে উপন্যাসের প্রতিটি পর্ববিন্যাস হয়েছে। 

------------------
• নীলিমা ইব্রাহিম:
- নীলিমা ইব্রাহিম ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।
- ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনের শুরুতে নীলিমা ইব্রাহিম কলকাতার লরেটো হাউজে লেকচারার (১৯৪৩-৪৪) হিসেবে চাকরি করেন। নীলিমা ইব্রাহিম বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

তাঁর গ্রন্থবদ্ধ রচনাসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
• গবেষণা:
- শরৎ-প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলা নাটক।

• উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়।

• নাটক:
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর।

আত্মজীবনী:
- বিন্দু-বিসর্গ।

উৎস: ‘কেয়াবন সঞ্চারিণী’ উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ফররুখ আহমদের জন্মস্থান কোথায়?
  1. বাগেরহাট
  2. কুষ্টিয়া
  3. মাগুরা
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
ফররুখ আহমদ: 
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. তেল-নুন-লকড়ি
  2. আহুতি
  3. বীরবলের হালখাতা
  4. রায়তের কথা
ব্যাখ্যা
• ‘আহুতি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।

• প্রমথ চৌধুরী:
-  ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্য চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- ছদ্মনাম: বীরবল।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
তেল-নুন-লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা, ইত্যাদি।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয়?
  1. আরণ্যক
  2. দেবযান
  3. ইছামতী
  4. মেঘমল্লার
ব্যাখ্যা
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- আরণ্যক,
- দেবযান,
- ইছামতী।

অন্যদিকে,
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প - মেঘমল্লার

• 'মেঘমল্লার':
- গ্রন্থটি রচনা করেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এটি তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা -
  1. বদরুদ্দীন ওমর
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
• 'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা - গোবিন্দচন্দ্র দাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

• গোবিন্দচন্দ্র দাস:
-   তাকে ‘স্বভাব কবি’ বলা হয়। 
- তিনি ১৮৫৫ সালের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা জেলার ভাওয়ালের জয়দেবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- গোবিন্দচন্দ্র দাস ভাওয়ালের কবি হিসেবেও বিখ্যাত।
- রবীন্দ্রনাথের সমকালে আধুনিক গীতিকবিতার ধারায় কবিতা রচনা করেই গোবিন্দচন্দ্র খ্যাত হন।
- গোবিন্দ চন্দ্র দাস ১৯১৮ সালে ১ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।


• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে: 
- প্রসুন,
- প্রেম ও ফুল,
- কুঙ্কুম, 
- মগের মুলুক (ব্যঙ্গকাব্য), 
- কস্তুরী, 
- চন্দন, 
- ফুলরেণু (সনেট), 
- বৈজয়ন্তী, 
- শোক ও সান্ত্বনা, 
- শোকোচ্ছ্বাস ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'নেমেসিস' নাটকে প্রধান চরিত্রের নাম কী?
  1. ওসমান
  2. বিমল সরকার
  3. সুরজিত নন্দী
  4. সুবল
ব্যাখ্যা
• 'নেমেসিস' নাটক:
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক। এক চরিত্র বিশিষ্ট এমন নাটক বাংলা সাহিত্যে কম বলে ‘নেমেসিস’ উল্লেখযোগ্য।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম- সুরজিত নন্দী। 
-------------------- 
• নুরুল মোমেন: 
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়। তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন। ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
- নুরুল মোমেন রচিত প্রথম রম্যগ্রন্থ 'বহুরূপা'। 

• নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান, 
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে, 
- শতকরা আশি, 
- রূপলেখা, 
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
'নবান্ন' নাটকটি কে রচনা করেন?
  1. মামুনুর রশিদ
  2. সেলিম আল দীন
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
• 'নবান্ন' নাটক:
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন। এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।

বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক:
- নবান্ন,
- জনপদ,
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বত্রিশ সিংহাসন' এর লেখক কে?
  1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যা
• বত্রিশ সিংহাসন:
- এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- ‘বত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার অনূদিত কাহিনি সংকলন।
- বাংলা গদ্যের আদিপর্বের ইতিহাসে এই রচনাটি উল্লেখযোগ্য।

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থের রচয়িতা।

তার রচিত গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- রাজাবলী,
- হিতোপদেশ,
- বেদান্তচন্দ্রিকা,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'শান্তিপুরের কবি’ - নামে খ্যাত কবি কে?
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. মোজাম্মেল হক
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
- কবি, সাংবাদিক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (১৮৬০-১৯৩৩) পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'শান্তিপুরের কবি' হিসেবে পরিচিত মোজাম্মেল হক মুসলিম জীবনাদর্শ, ইসলামের নবজাগরণ ইত্যাদি অবলম্বনে কাব্য রচনা করলেও জীবনী ও উপন্যাস রচনায় বৈশিষ্ট্য দেখিয়েছেন।
- মোজাম্মেল হক 'লহরী' , 'মোসলেম ভারত' ও 'শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা'র সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।
- মোজাম্মেল হক ছিলেন মূলত কবি, তবে তাঁর গদ্যরচনাও আছে।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- জোহরা,
- দরাফ খান গাজী।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্ব দর্শন,
- প্রেমহার,
- জাতীয় ফোয়ারা,
- ইসলাম সংগীত,
- হযরত মুহম্মদ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- মহর্ষি মনসুর,
- ফেরদৌসি চরিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
'Conquest of Happiness' গ্রন্থের ভাবানুবাদ কোনটি?
  1. সভ্যতা
  2. সুখ
  3. মানবধর্ম
  4. সংস্কৃতি কথা
ব্যাখ্যা
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩-১৯৫৬):
মোতাহের হোসেন চৌধুরী একজন শিক্ষাবিদ এবং লেখক, যিনি নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরী এবং মননে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাব স্পষ্ট। তিনি সংস্কৃতি, ধর্ম, মানবতাবোধ, এবং মানুষের জীবনাচরণ নিয়ে মৌলিক বিষয়গুলোকে উন্মোচিত করতে চেয়েছেন এবং বিচিত্র ও সুন্দরভাবে বাঁচার মাধ্যমে মহত্তম জীবনের সন্ধান করেছেন।

প্রধান গ্রন্থসমূহ: 
• 'সংস্কৃতি কথা' (১৯৫৮): এটি তাঁর প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
• 'সুখ' (১৯৬৫): বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের ভাবানুবাদ।
• 'সভ্যতা' (১৯৬৫): ক্লাইভ বেল-এর Civilisation গ্রন্থের ভাবানুবাদ।

বিশেষ খ্যাতি: 
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী, এবং মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন।

উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ:
• আমাদের দৈন্য, 
• আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী, 
• মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস:
• বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,
• বাংলাপিডিয়া।
১১.
সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন কার অনুমোদনক্রমে রাজধানী ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান মন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের - ষষ্ঠ ভাগ - বিচারবিভাগ- ১ম পরিচ্ছেদ
• সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্টের আসন
- সংবিধানের ১০০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন রাজধানীতে থাকবে।
- তবে, হাইকোর্ট বিভাগের অধিবেশন রাষ্ট্রপতি অনুমোদনক্রমে, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো স্থান বা স্থানে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
- অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্টের মূল কার্যালয় (স্থায়ী আসন) ঢাকায় থাকবে, কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির সম্মতিতে দেশের অন্য যেকোনো স্থানেও অনুষ্ঠিত হতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭খ:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।]

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:

- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। [link]
১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার বর্ণিত আছে?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আহসান উদ্দীন চৌধুরী
  2. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

⇒ সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬.
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন
  2. জরুরি অবস্থা জারির বিধান
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:

- বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে সংবিধানে ষোড়শ সংশোধনী আনা হয় ২০১৪ সালে।
- পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই ছিল।
- ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে নেয়া হয়।
- কিন্তু পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে সংবিধানে পঞ্চম সংশোধনী এনে সে ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে। যার প্রধান হবেন প্রধান বিচারপতি।
- উচ্চ আদালতের কোন বিচারপতি যদি সংবিধান লঙ্ঘন করেন কিংবা অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত হন, তাহলে তাকে কিভাবে অপসারণ করা হবে এ বিষয়ে ২০১৪ সালে আবার সংবিধানে সংশোধন করে আওয়ামী লীগ।
- তখন এ ষোড়শ সংশোধনীতে বলা হয় বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে থাকবে।
- সংসদে এ সংক্রান্ত বিল পাসের পর ওই বছর সেপ্টেম্বরেই গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

⇒ পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
- রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়।
- ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে।
- এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

⇒ ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ করা যাবে।
- সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল, এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

অন্যদিকে,
- দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পুন:প্রবর্তন।
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'নির্দলীয়'-'নিরপেক্ষ' তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) BBC.
ii) ২০ অক্টোবর, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে ভাষা বিষয়ক অনুচ্ছেদটি হলো -
  1. সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  3. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগ:
- অনুচ্ছেদ ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী।
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৭ক:সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৮.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়। এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

⇒ গণপরিষদে সংবিধান পেশ
- সংবিধান কমিটিতে ড. কামাল হোসেন ছাড়া আরও চার জন মন্ত্রী ছিলেন।
- তারা হলেন যথাক্রমে (১) সৈয়দ নজরুল ইসলাম; (২) তাজউদ্দিন আহমদ; (৩) খন্দকার মুশতাক আহমেদ; (৪) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান।
- এ ছাড়া ৭ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য।
- এ কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে।
- ঐ অধিবেশনে সংবিধান কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করেন।
- ১৩ অক্টোবর গণপরিষদ কিছু কিছু সংশোধনীসহ এ খসড়া সংবিধানের বিধিমালা গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে -
  1. ১৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৮ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ২১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
• দ্বিতীয় ভাগ
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে -
- ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ২১ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে’ সংবিধানের -
  1. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ৪৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে 'মালিকানার নীতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৪৩ নং অনুচ্ছেদে গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২১.
সংবিধান সংস্কার কমিশন কয়টি মূলনীতির সুপারিশ করেছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশন পাঁচটি মূলনীতির সুপারিশ করেছে।
- এই মূলনীতিগুলো হলো: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।

⇒ সংবিধানের মূলনীতি:
- ৫.১ কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
- ৫.২ বাংলাদেশের সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রকে ধারণ করে এমন একটি বিধান সংবিধানে যুক্ত করা সমীচীন। সুতরাং, কমিশন নিম্নোক্ত বিধান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করছে "বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী, বহু-জাতি, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদাযের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি কার্যকর গণতন্ত্র, মৌলিক মানবধিকার সুনিশ্চিতকরণ এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতটি প্রধান বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। সেগুলো যথাক্রমে:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান আদর্শ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনস্বরূপ সংবিধান ও রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে "সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র" প্রস্তাব,
২. ক্ষমতার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা,
৩. প্রধানমন্ত্রী পদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস,
৪. অন্তবর্তী সরকার কাঠামোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব,
৫. বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ,
৬. শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ,
৭. মৌলিক অধিকারের আওতা সম্প্রসারণ, সাংবিধানিক সুরক্ষা ও বলবৎযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।
২২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'আসন শূন্য হওয়া' নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৭২ নং
  4. ৭৩ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া
• কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বিদ্যমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। তাতে বলা আছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।
- এই বিধানে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন। তাদের প্রস্তাব ছিল, অর্থবিল ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদের নিম্নকক্ষের সদস্যদের নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।

অন্যদিকে,
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ: সংসদের অধিবেশন।
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩.
নিচের কোন দেশটি CTBT চুক্তি অনুমোদন দেয়নি?
  1. ফ্রান্স
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

- CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
২৪.
ILO- কোন কখন নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।

উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৫.
’বিশ্ব জনসংখ্যা রির্পোট’ প্রকাশ করে জাতিসংঘের কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. WHO
  3. UNESCO
  4. UNFPA
ব্যাখ্যা
UNFPA:
- UNFPA এর পূর্ণরুপ: United Nations Population Fund.
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নামে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের নামকরণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- নির্বাহী পরিচালক: নাতালিয়া কানেম।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস:  ১১ জুলাই। 

• UNFPA কাজ:
- প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু কমানো, পরিবার পরিকল্পনা,
- যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য এবং সেবা প্রদান,
- এবং জনগণের প্রজনন অধিকার রক্ষা করার ক্ষেত্রে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব জনসংখ্যা রির্পোট প্রকাশ করে UNFPA।
- UNFPA সেবা দিয়ে যাচ্ছে ১৫০টিরও বেশি দেশে।

উৎস: UNFPA ওয়েবসাইট।
২৬.
UNEP কোন আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনের ফলে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. রিও সামিট
  3. স্টকহোম সম্মেলন
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী:
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- স্থাপনের উপলক্ষ: স্টকহোম সম্মেলন (United Nations Conference on the Human Environment, 1972)।
- 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা,
- ২০০৪ সালে থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার দেয়া হয়।
- ২০১৫ সালে বাংলাদেশ 'পলিসি লিডারশিপ' ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার লাভ করে।

• UNEP-এর কাজ:

- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়া,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ু দূষণ, পানি সংকট, বন উজাড়, প্লাস্টিক দূষণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে কাজ করা,
-বিভিন্ন দেশকে পরিবেশবান্ধব নীতি ও সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা।
পরিবেশবিষয়ক গবেষণা, তথ্য ও রিপোর্ট প্রকাশ করা।
- "World Environment Day" (বিশ্ব পরিবেশ দিবস) আয়োজন করা প্রতি বছর ৫ জুন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৭.
নিচের কোন সংস্থা Global Innovation Index- প্রকাশ করে?
  1. UNESCO
  2. WTO
  3. WIPO
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
WIPO:
- পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization. 
- বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা সাল: ১৯৬৭ সালে।
- কার্যক্রম শুরু: ১৯৭০ সালে। 
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সংস্থার ধরন: জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- সদস্য দেশ সংখ্যা: ১৯৩টি। [ জুলাই, ২০২৫]
-  Director General: Daren Tang
- প্রতিবছর প্রকাশ করে Global Innovation Index (GII).
- বিশ্বের উদ্ভাবনী ক্ষমতার সূচক।

• WIPO-এর প্রধান উদ্দেশ্য: 

- বিশ্বব্যাপী মেধাস্বত্ব অধিকার (Intellectual Property - IP) সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- সদস্য রাষ্ট্রদের মধ্যে আইনি সহযোগিতা ও মানদণ্ড তৈরি করা।
- উদ্ভাবন, শিল্প, সাহিত্য ও প্রযুক্তিকে উৎসাহ দেওয়া।
- পেটেন্ট, কপিরাইট, ট্রেডমার্ক ও ডিজাইন সম্পর্কিত আইনগত সুরক্ষা প্রদান।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
২৮.
IMO- এর কোন চুক্তিটি সমুদ্র দূষণ রোধে কার্যকর?
  1. SOLAS
  2. MARPOL
  3. STCW
  4. UNCLOS
ব্যাখ্যা
IMO:
- IMO এর পূর্ণরূপ International Maritime Organization.
- IMO হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয়।
- যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO)
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর : লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

• IMO-এর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম: 
- SOLAS:- সমুদ্রযাত্রায় প্রাণ রক্ষার নিরাপত্তা,
- MARPOL: - সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ,
- STCW – নাবিকদের প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নির্ধারণ,

উৎস: IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৯.
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
UNU:
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়।
- পূর্ণরূপ: United Nations University.
- প্রতিষ্ঠা সাল: ১৯৭৩ সালে।
- কার্যক্রম শুরু: ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর: টোকিও, জাপান।
- সংগঠন ধরন: জাতিসংঘের একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- অধিভুক্ত সংস্থা: জাতিসংঘ (UN) ও UNESCO (সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা সংস্থা)।
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় মূল ক্যাম্পাস টোকিও, জাপানে।

উল্লেখ্য,
- UNU-এর ১২টির বেশি গবেষণা ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
- UNU-WIDER- ফিনল্যান্ডে (উন্নয়ন অর্থনীতি),
- UNU-EHS- জার্মানিতে (পরিবেশ ও মানব নিরাপত্তা),
- UNU-INWEH- কানাডায় (জলসম্পদ ও স্বাস্থ্য),
- UNU-CRIS- বেলজিয়ামে (আঞ্চলিক একীকরণ)।

উৎস: UNU ওয়েবসাইট।
৩০.
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) নোবেল পুরস্কার পায় কবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
WFP:
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- WFP এর পূর্ণরূপ World Food Programme.
- সংস্থাটি বিশ্বের ১২০টি বেশি দেশ  ও অঞ্চল খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছে WFP।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে অবদানের জন্যে WFP কে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস:  WFP ওয়েবসাইট।
৩১.
OPCW কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Geneva Protocol
  2. NPT
  3. CWC
  4. Kyoto Protocol
ব্যাখ্যা
OPCW:
- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ- ১৯৩ টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- CWC চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে।
- পূর্ণ নাম: Convention on the Prohibition of the Development, Production, Stockpiling and Use of Chemical Weapons and on their Destruction

• লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।
৩২.
UNITAR প্রধানত কোন কার্যক্রমের জন্য পরিচিত?
  1. নোবেল শান্তি পুরস্কার বিতরণ
  2. শিশু ও নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা
  3. প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সহায়তা
  4. সামরিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
UNITAR:
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Institute for Training and Research.
- এটি জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সংস্থা।
- সংস্থাটি জাতিসংঘের অধীনে অফিসিয়াল কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৩।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মূল কাজ: প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- সংগঠনের ধরন: জাতিসংঘের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- UNITAR সরাসরি কোনো বিশেষ UN সংস্থার অধীন নয়, বরং স্বাধীনভাবে কাজ করে।

উৎস: UNITAR ওয়েবসাইট।
৩৩.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO):
- এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- গঠিত হয়: ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল।
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের, জেনেভায়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি। (জুলাই, ২০২৫)।
- WHO-এর প্রধান উদ্দেশ্য: সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সকল মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Dr Tedros Adhanom Ghebreyesus.
- মহাপরিচালকের মেয়াদ: ৫ বছর।
- ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়।

•বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রকাশনা:
- World Health Report.
- International Classification of Diseases (ICD).
- Essential Medicines List.
- Global Health Estimates.

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৩৪.
UNDP- বর্তমানে কয়টি দেশে কার্যক্রম পরিচালিত করছে? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. ১৭৫ টি
  2. ১৭০টি
  3. ১৮০টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
UNDP: 
- পূর্ণ নাম: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৫ সালে। 
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র। 
- বর্তমানে ১৭০ দেশে ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বর্তমান প্রশাসক:  Achim Steiner (জার্মানি)।[ জুলাই, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: "Empowered lives. Resilient nations."

• প্রধান কার্যক্রম:
- Human Development Reports (HDR):
- প্রতি বছর প্রকাশিত “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন” ও Human Development Index (HDI)
- জাতিসংঘের Sustainable Development Goals (SDGs) অর্জনে সহায়তা প্রদান
- Inclusive Growth Programmes:
- নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন
- নির্বাচন, নীতি প্রণয়ন, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৩৫.
UNHCR এর প্রধান কাজ কী?
  1. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  2. শিশুদের অধিকার রক্ষা
  3. শরণার্থী, বাস্তুচ্যুত ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের সহায়তা
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান হাইকমিশনার: Filippo Grandi (ইতালি)। [জুন, ২০২৫]
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
- দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- স্লোগান / মিশন: "The UN Refugee Agency – Protecting People Forced to Flee"

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- UNHCR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি এবং আশ্রয়প্রার্থী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও সহায়তা নিশ্চিত করা।
- এবং তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন, স্থানান্তর অথবা নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করা।
- UNHCR বর্তমানে ১৩০টির বেশি দেশে কাজ করছে। 

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
৩৬.
নিচের কোন দেশটি WMO- এর সদস্য নয়?
  1. ফিলিস্তিন
  2. লেবানন
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO।
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ১৮৭টি দেশ।
- ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (জুলাই, ২০২৫)
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র, কিন্তু WMO-এর পূর্ণ সদস্য নয়।

উৎস: WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৭.
ICAO- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. মন্ট্রিল, কানাডা
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ICAO:
- ICAO পূর্নরূপ - International Civil Aviation Organization.
- ICAO প্রতিষ্ঠিত হয় 1944 সালের "Chicago Convention on International Civil Aviation" থেকে।
- ১৯৪৭ সালে, ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
- বর্তমান মহাসচিব: Juan Carlos Salazar Gómez (কলম্বিয়া)।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ICAO অফসিয়াল ওয়েবসাইট।