প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ বিষয়ে শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
ক
৪
খ
৫
গ
৬
ঘ
৭
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা: - (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন।
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ 'নবজাতক শিশু' অর্থ অনূর্ধ্ব - দিন বয়সের কোনো শিশু
ক
২১
খ
৩০
গ
৪০
ঘ
৬০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) এর বিধান “নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু।
৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী সাধারণ জখমের সর্বোচ্চ শাস্তি কত বৎসর?
ক
১২
খ
৫
গ
৩
ঘ
১
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১ ধারার বিধান যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি: - যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি- (ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; (খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; (গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৪.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
ক
১৫ বৎসর কারাদণ্ড
খ
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
গ
১৪ বৎসর কারাদণ্ড
ঘ
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage): ১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ (এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে; (বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা; (সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি; (ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। ---------------------- ⇒ Section 15. Sabotage: (1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- (a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ; (b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; (c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; (d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; (e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or (f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press. (2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. (3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৫.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে -
ক
আপিল ট্রাইব্যুনালে
খ
দায়রা জজ আদলতে
গ
হাইকোর্ট বিভাগে
ঘ
স্পেশাল জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।]
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান আপিল: - এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে: - তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ: - এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মাদকদ্রব্য অপরাধের অভিযোগ (এফ আই আর) দায়ের, তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
আপিল ৫৩ ধারা অনুযায়ী- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রায় প্রদানের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করা যাবে। কিন্তু কোন আদালতে আপিল করা যাবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি ৫৩ ধারায়। এ ক্ষেত্রে, সংশোধিত ৫৪ ধারা অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে CrPC'র বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু সংশোধিত আইনে আপিলের Forum বর্ণিত হয়নি, সেহেতু আপিলের Forum'র ক্ষেত্রেও CrPC'র ৪০৮, ৪১০ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিধান অনুযায়ী- দায়রা জজের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। CJM/CMM কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
৬.
মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে অর্থদণ্ড হবে অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির _____ মূল্যের
ক
সমান
খ
দ্বিগুণ
গ
তিন গুণ
ঘ
চার গুণ
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড: -(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। -(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে। -(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। -(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে। -(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
৭.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোনো অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা প্রদানের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
ক
৭
খ
৫
গ
৩
ঘ
১
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা: (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- (ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; (খ) কোন দলিল উদ্ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; (গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; (ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; (ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং (চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
ক
সহকারী উপ-পরিদর্শক
খ
উপ-পরিদর্শক
গ
পরিদর্শক (তদন্ত)
ঘ
সহকারী পুলিশ সুপার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত: (১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। (২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। (৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। (৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। (৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। (৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৯.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল সময় বৃদ্ধি করলে বিচারকার্য সমাপ্তির কত দিনের মধ্যে রায় প্রদান করবেন?
ক
৭
খ
১০
গ
১৫
ঘ
২১
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২(ঝ) ধারার বিধান “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল;
⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৮ ধারা অনুযায়ী সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন: সরকার এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে। সরকার সুপ্রিমকোর্টের সাথে পরামর্শ করে দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিবেন।
⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৬৯ ধারা অনুযায়ী বিচার পদ্ধতি: CrPC'র পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার চলবে।
⇒ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৭২ ধারা অনুযায়ী রায় প্রদানের সময়সীমা: (১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাক্ষ্য অথবা যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হইবার তারিখ হইতে, যাহা পরে ঘটে, দশ দিনের মধ্যে রায় প্রদান করিবেন, যদি না তিনি লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা অনধিক দশ দিন বৃদ্ধি করেন৷। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক রায় প্রদান করা হইলে বা উক্ত রায়ের অধীন সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনালে কোন আপীল দায়ের হইলে উক্ত আপীলের রায়ের কপি ধারা ১৮(৭) এর অধীন গঠিত ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড সংরক্ষণ কক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল উহার রায়ের কপি নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবে; উক্তরূপে কোন রায়ের কপি প্রেরণ করা হইলে, নিয়ন্ত্রক উহা উক্ত কক্ষে সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
১০.
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি নোটিশ প্রদানের কোনটি অনুমোদিত পদ্ধতি নয়?
ক
সরাসরি
খ
ডাকযোগে
গ
জাতীয় বাংলা পত্রিকায়
ঘ
ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়- ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন; ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে; iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।
অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নোটিশ প্রদান অনুমোদিত পদ্ধতি নয়।
---------------- Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner- (a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or (b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or (c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
১১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লটুন' কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
ক
২
খ
৪
গ
৫
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন: - ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন। - ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম এবং এটিএম হায়দার বীর উত্তম। - এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত। - ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে। - শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
১২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলে বর্ণিত আছে?
ক
সপ্তম
খ
ষষ্ঠ
গ
পঞ্চম
ঘ
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়। - ১৯৭১ সালের 'বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনা' সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে সংযোজন করা হয়। - বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে। - প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন। - দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত। - তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা। - চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। - পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ। - ষষ্ঠ তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণা। - সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
'বাঙ্গালাহ' নামের প্রচলন করেন -
ক
শশাঙ্ক
খ
ধর্মপাল
গ
ইলিয়াস শাহ
ঘ
আকবর
ব্যাখ্যা
- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়। - সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে। - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা। - তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি। - এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন। - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় । - তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন। - তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে প্রকাশিত তথ্য মতে বাংলাদেশে নিরক্ষরতার শতকরা হার কত?
ক
২৫.৪
খ
২৪.৪
গ
২৩.৪
ঘ
২১.৪
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরতার হার: - আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে প্রকাশিত তথ্য মতে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৫.৬%। - আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে প্রকাশিত তথ্য মতে বাংলাদেশে নিরক্ষরতার হার ২৪.৪%। - বর্তমানে (২০২৩ সালে) সাক্ষরতার হার ৭৬.০৮%। - বর্তমানে (২০২৩ সালে) নিরক্ষরতার হার ২৩.৯২%।
তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
১৫.
২০২১ সালে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পায় -
ক
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
খ
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট
গ
বাংলাদেশ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র
ঘ
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।]
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩: - স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য এবার চারজন স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন- • বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) সামসুল আলম। • মরহুম লে. এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ। • শহিদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূইয়া। • মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম। - সাহিত্যে মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন)। - সংস্কৃতিতে পবিত্র মোহন দে। - ক্রীড়ায় এ এস এম রকিবুল হাসান। - গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) ও ড. ফেরদৌসী কাদরী পুরস্কার পেয়েছেন। - পুরস্কারের জন্য মনোনীত প্রতিষ্ঠানটি হলো ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।
তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৩ মার্চ ২০২৩।
১৬.
২০২০ সালের মার্চ মাসের কত তারিখে COVID-19 কে WHO বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করে?
ক
৯
খ
১০
গ
১১
ঘ
১২
ব্যাখ্যা
COVID-19 অতিমারী বা মহামারী: - ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। - ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে। - ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ ২০২০ সালে COVID-19 কে অতিমারী বা মহামারী হিসেবে চিহ্নিত করে।
উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।
১৭.
'World day against Trafficking, 2021' এর প্রতিপাদ্য কী ছিল?
ক
Save lives
খ
Victims' voice lead the way
গ
The future we need the UN we need
ঘ
Human Trafficking: Call your Government to Active
ব্যাখ্যা
মানব পাচার:
- 'World day against Trafficking, 2021' এর প্রতিপাদ্য ছিল Victims' voice lead the way. - মানব পাচার থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের কথা শোনা এবং শেখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। - অভিবাসন উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ, অনিয়মিত অভিবাসন বিপজ্জনক যাত্রার সাথে যুক্ত। - প্রায়শই মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালানের সাথে জড়িত যা দুর্বলদের হতাশাকে কাজে লাগায় এবং জীবনকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। - শিশুদের পাচার একটি উচ্চ মুনাফা-কম ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধ হিসাবে অব্যাহত রয়েছে। - বিশ্বব্যাপী, পাচারের শিকার হওয়া প্রায় এক তৃতীয়াংশ শিশু।
তথ্যসূত্র - IOM ওয়েবসাইট।
১৮.
প্রথম আরব দেশ হিসাবে মঙ্গলাভিযান শুরু করে কোন দেশ?
ক
বাহরাইন
খ
কাতার
গ
সৌদি আরব
ঘ
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে মনুষ্যবিহীন মঙ্গলাভিযান পরিচালনা করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। নভোযানের নাম ‘আল আমাল’। - গত ২০ জুলাই ২০২০ প্রথম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গলাভিযান শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে দেশটি উৎক্ষেপণ করে ‘আল আমাল’ নামের মহাকাশযান।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২০]
১৯.
ক্রিপ্টোকারেন্সীর স্বীকৃতি প্রদানকারী পৃথিবীর প্রথম দেশ কোনটি?
ক
এল সালভেদর
খ
গুয়েতেমালা
গ
নিকারাগুয়া
ঘ
হুন্ডুরাস
ব্যাখ্যা
ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি:
- এল সালভেদর হচ্ছে বিশ্বের প্রথম কোন দেশ যারা বিটকয়েনকে সরকারিভাবে একটি বৈধ মুদ্রা বা কারেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। - ২০২১ সালের ৯ জুন এল সালভেদরের কংগ্রেসে এক ভোটাভুটিতে বিটকয়েনকে আনুষ্ঠানিক মুদ্রার এই স্বীকৃতি দেয়া হয়। - এর ফলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে মার্কিন ডলারের পাশাপাশি বিটকয়েন দেশটিতে একটি বৈধ মুদ্রা হিসেবে লেনদেন করা যাবে। - এল সালভেদরের এই নতুন আইনের ফলে দেশটির সব আর্থিক লেন-দেনে এখন বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। - এল সালভেদরের বহু মানুষ তাদের প্রবাসে থাকা আত্মীয়-স্বজনের পাঠানো রেমিটেন্স বা অর্থের উপর নির্ভরশীল। - দেশটির জিডিপির প্রায় ২০ শতাংশ আসে রেমিটেন্স থেকে। - রেমিটেন্স পাঠানোর জন্য বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সিই সব চাইতে সহজ এবং ভালো উপায়।
তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১১ জুন ২০২১।
২০.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
ক
তুরস্ক
খ
গ্রীস
গ
ইতালী
ঘ
সাইপ্রাস
ব্যাখ্যা
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত। - উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়। - গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
২১.
Which is the best example of Palindrome in the following?
ক
Nurses run
খ
You go
গ
Players play
ঘ
১২২২৫
ব্যাখ্যা
• Palindrome (noun) English Meaning: A word or group of words that is the same when you read it forward from the beginning or backward from the end. Bangla Meaning: যে শব্দ, কবিতার চরণ ইত্যাদি উল্টা দিক থেকে পড়লেও একই থাকে।
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Nurses run is an best example of Palindrome. - এই শব্দগুচ্ছকে উল্টা দিকে থেকে পড়লেও একই থাকবে। - Nurses run = nur sesruN.
Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
Choose the word which means the killing of one's wife'.
ক
uxoricide
খ
parricide
গ
herbicide
ঘ
homicide
ব্যাখ্যা
• Uxoricide (noun) English Meaning: An uxor means wife, so uxoricide means A husband who murders his wife. Bangla Meaning: যে ব্যক্তি তাদের স্ত্রীকে হত্যা করে।
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - • Parricide: English meaning: The crime of murdering a close relation, especially a parent. Bangla meaning: পিতৃহত্যা; স্বজনহত্যা; পিতৃহন্তা বা স্বজনহন্তা।
• Homicide (noun) English Meaning: The act of murder of a human being. Bangla Meaning: নরহত্যা।
• Herbicide (noun) English Meaning: a substance that is toxic to plants, used to destroy unwanted vegetation. Bangla Meaning: একটি পদার্থ যা উদ্ভিদের জন্য বিষাক্ত, অবাঞ্ছিত গাছপালা ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।
Source: Oxford Learner's Dictionary.
২৩.
What does the Latin expression 'et alia' mean?
ক
you are
খ
and others
গ
warrant
ঘ
yours faithfully
ব্যাখ্যা
• Et alia (Latin phrase) - English Meaning: and others. - It is used in formal writing to avoid a long list of names of people who have written something together.
Example sentence: The method is described in an article by Feynman et al.
২৪.
The word 'nuptial' is related to
ক
Mars
খ
Earth
গ
wedding
ঘ
lunatic
ব্যাখ্যা
• Nuptial - English meaning: belonging or relating to a marriage or to the state of being married. - Bangla meaning: বিয়েসংক্রান্ত।
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - ক) Mars - মঙ্গলগ্রহ। খ) Earth - পৃথিবী; যে গ্রহে আমরা বাস করি; স্থল ও সমুদ্র। গ) Wedding - বিয়ের অনুষ্ঠান; বিয়ের উৎসব; বিয়ে: ঘ) Lunatic - পাগলাটে; মানসিক রোগী।
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The word 'Nuptial' is related to - Wedding.
Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
The lawmakers had to be escorted to safety by the police. Here the second 'to' is a/an
ক
noun
খ
preposition
গ
adverb
ঘ
infinitive maker
ব্যাখ্যা
• The lawmakers had to be escorted to safety by the police. Here the second 'to' is a preposition. - যে Word কোন Noun বা Pronoun এর পূর্বে বসে Sentence এর অন্য কোন Word এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে Preposition বলে। - এই বাক্যে noun word safty (নিরাপত্তা) এর পূর্বে বসে এটি সম্পর্ক স্থাপন করায় এটি একটি preposition.
২৬.
To have a screw loose' means
ক
be slightly eccentric
খ
be lightly tied
গ
be slightly lose
ঘ
be a bit wrong
ব্যাখ্যা
• Have a screw loose - English Meaning: be slightly eccentric or mentally disturbed / to be mentally unbalanced. - Bangla Meaning: কিছুটা উদ্ভট / পাগলাটে / মানসিকভাবে অসুস্থ।
• সুতরাং, To have a screw loose' means be slightly eccentric. - Eccentric - অদ্ভুত; অস্বাভাবিক; খামখেয়ালি; পাগলাটে।
Source: LIVE MCQ Lecture
২৭.
The movement of the Rohingya people in Bangladesh away from Myanmar is -
ক
diatonic
খ
ethnic cleansing
গ
diaspora
ঘ
diatribe
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) diatonic - In music, any stepwise arrangement of the seven “natural” pitches (scale degrees) forming an octave without altering the established pattern of a key or mode—in particular, the major and natural minor scales. খ) ethnic cleansing - Ethnic cleansing, the attempt to create ethnically homogeneous geographic areas through the deportation or forcible displacement of persons belonging to particular ethnic groups. গ) diaspora - the dispersion or spread of a people from their original homeland/ people who have spread or been dispersed from their homeland. ঘ) diatribe - A forceful and bitter verbal attack against someone or something.
• সুতরাং, The movement of the Rohingya people in Bangladesh away from Myanmar is diaspora. - কারণ রোহিংগাদের আদি জন্মভূমি হচ্ছে মায়ানমার এবং সেখান থেকে তারা বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিতে আছে।
Source: Oxford Learner's Dictionary.
২৮.
Who quoted 'It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer?
ক
William Blackstone
খ
Cesare Beccaria
গ
John Selden
ঘ
T. H. White
ব্যাখ্যা
• William Blackstone quoted 'It is better that ten guilty persons escape than one innocent suffer. - এটি Blackstone ratio হিসেবে পরিচিত। - The ratio of 10:1 expressed in the maxim ‘Better that ten guilty persons escape than that one innocent suffer’: William Blackstone, Commentaries 358.
• Sir William Blackstone - He was an English jurist, whose Commentaries on the Laws of England, 4 vol. (1765–69), is the best-known description of the doctrines of English law. - The work became the basis of university legal education in England and North America. - He was knighted in 1770.
Source: Oxford Reference and Britannica
২৯.
Who is the writer of the play Waiting for Godot?
ক
F. Bacon
খ
T. Hardy
গ
A. Pope
ঘ
S. Beckett
ব্যাখ্যা
• Waiting for Godot: - 'Waiting for Godot' একটি two-act বিশিষ্ট tragi-comedy এবং Absurd play by Samuel Beckett. - এই play টি লেখক প্রথমে ফ্রেঞ্চ ভাষায় রচনা করেছিলেন, যার French name হচ্ছে - 'En attendant Godot.' - পরবর্তীতে লেখক নিজেই এটিকে ইংরেজি ভাষায় 'Waiting for Godo' নামে অনুবাদ করেন। - ১৯৫২ সালে এটি প্রকাশিত হয়। - Waiting for Godot was a true innovation in drama and the Theatre of the Absurd’s first theatrical success. - ১৯৬৯ সালে এই play টির জন্য Samuel Beckett সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• The important character of this play: - Vladimir, - Estragon, - Pozzo, - Lucky etc.
• Samuel Beckett:(1906-1989) - He is an Irish novelist, author, critic, and playwright. - He was awarded the Nobel Prize for Literature in 1969.
• Best Works: - Waiting for Godot - Endgame - Happy Days
Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman & Britannica
৩০.
'To err is human, to forgive, divine' who says -
ক
Alexander Pope
খ
Shakespeare
গ
Wordsworth
ঘ
Shelley
ব্যাখ্যা
• 'To err is human, to forgive is divine' উক্তিটি করেন Alexander Pope. - এর বাংলা অর্থ - মানুষ মাত্রেই ভুল; ক্ষমা করা স্বর্গীয়। - This line is from his book “An Essay on Criticism
• Alexander Pope is the poet and satirist of the English Augustan period.
• Some famous quotations by Alexander Pope - - 'Charms strike the sight but merit strikes the heart', - 'A little learning is a dangerous thing', - 'To err is human, to forgive is divine', - 'An honest man is the noblest work of God', - 'The proper study of mankind is man', - 'Fools rush in where angels fear to tread', - 'Hope springs eternal in the human breast'.
Source: The Oxford Dictionary of Quotation and Britannica.
৩১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা
১১ এর কত নম্বর ব্যাখ্যায় Constructive Res Judicata সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
ক
১
খ
৩
গ
৪
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।
• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে। [Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].
অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
৩২.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
ক
আপিল
খ
রেফারেন্স
গ
রিভিশন
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে- i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।
⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)- বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে- i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
⇒ আদেশ ৯ বিধি- ১৩ক অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের আবেদন মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান হলে রিভিশন দায়ের করা যায়।
অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদ (Direct set aside) এর দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করা হলে এর বিরুদ্ধে প্রতিকার রিভিশন দায়ের।
৩৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে স্বীকৃতির প্রেক্ষিতে রায় (Judgment on admissions) এর বিধান কোনটি?
ক
Order-XII, rule- 6
খ
Order-XXI, rule-3
গ
Order-XXII, rule-2
ঘ
Order-XXIII, rule-3
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়- যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।
⇒ Order 12 Rule 6: Judgment on admissions- Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৩৪.
ইস্যু গঠনের কত দিনের মধ্যে দেওয়ানী মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ ধার্য করতে হবে?
ক
২ মাস
খ
৪ মাস
গ
১২০ দিন
ঘ
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা- - ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং - আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of law)
কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে,তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।
• আদেশ ১৪ বিধি ৮- অনুযায়ী বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে। - After the issues are framed,the Court shall within one hundred and twenty days thereof,fix a date for final hearing of the suit.
অর্থাৎ ইস্যু গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে দেওয়ানী মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ ধার্য করতে হবে।
৩৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় Second Revision এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
ক
১১৫(১)
খ
১১৫(২)
গ
১১৫(৪)
ঘ
১১৫(৫)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ (৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে। ----------------- Section 115(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
৩৬.
জারি মামলা দায়ের করার জন্য The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৮ ধারানুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছর সময় পাওয়া যেতে পারে?
ক
৩
খ
৫
গ
৬
ঘ
১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত: -নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না- ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।
২) এই ধারার কোন বিধানই- ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত: নিম্নলিখিত তারিখ থেকে ১২ বছর পর কোন ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে উক্ত ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না- ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ, অথবা খ) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশ দ্বারা কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ বা কোন সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এরূপ পরিশোধ বা প্রদানের তারিখ হতে যে ডিক্রি জারির প্রার্থনা করা হয়েছে। দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জারির আবেদনে বাধা দিলে ১২ বছরের পরেও জারির আবেদন করা যায়।
১. ডিক্রি জারির আবেদন করতে পারবে -১২ বছরের মধ্যে। ২. ডিক্রি জারির ১ম আবেদন করতে হবে - ৩ বছরের মধ্যে। ৩. রেজিস্ট্রার্ড ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করতে পারবে - ৬ বছরের মধ্যে।
৩৭.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
ক
পুরো দলিল বাতিল হবে
খ
দলিলটি বাতিলযোগ্য হবে
গ
দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
ঘ
দলিলটির দ্বারা দায় সৃষ্টি হলেও অধিকার সৃষ্টি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য: যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন। উদাহরণঃ 'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী। --------------- ⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪১ ধারার বিধান যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা। দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে।
৩৮.
'ক' একটি সম্পত্তির দখলকার। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তা বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর - ধারায় মামলা করতে পারেন।
ক
১
খ
৯
গ
১০
ঘ
৪২
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦যেহেতু ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তা বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারায় মামলা করতে পারেন।
৩৯.
The Limitation Act, 1908 অনুযায়ী দায়রা আদালত কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করলে এর বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
ক
৩ মাস
খ
২ মাস
গ
১৪ দিন
ঘ
৭ দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃত্যুদন্ডাদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে বা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে দণ্ডাদেশের দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে।
৪০.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ জারির পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
ক
৩৬
খ
৩৭
গ
৩৮
ঘ
৩৯
ব্যাখ্যা
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ৩৮ ধারার বিধান জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি: (১) এই আইনের অধীন অর্থ ঋণ আদালত মামলায় প্রদত্ত ডিক্রীর ধারাবাহিকতায় জারী কার্যক্রম অব্যাহত থাকার যে কোন পর্যায়ে পক্ষগণ মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করিয়া আদালতকে অবহিত করিতে পারিবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ২২ এর উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত বিধান অনুসরণ করিতে হইবে। (৩) আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীন অবহিত হইলে এবং নিষ্পত্তির বিষয়ে সন্তুষ্ট হইলে, উক্ত জারী মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করিয়া আদেশ প্রদান করিবে।
৪১.
মানুষের চোখের শ্বেত মন্ডলের সামনের অংশের নাম -
ক
রেটিনা
খ
কর্নিয়া
গ
আইরিস
ঘ
তারার
ব্যাখ্যা
চোখ: - কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়। - একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক। - গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল। - শ্বেত মন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া। - শ্বেত মন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল। - আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়। - অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। - এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
রক্তে শ্বেতকণিকার সংখ্যা অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে কোন রোগটি হয়?
ক
স্ট্রোক
খ
এইডস
গ
এনিমিয়া
ঘ
লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা: - মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন: পলিসাইথিমিয়া: - লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।
অ্যানিমিয়া: - লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।
লিউকেমিয়া: - নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। - যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
থ্যালাসেমিয়া: - থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। - এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। - হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। - সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩.
আলুর লেট ব্লাইট রোগের জন্য দায়ী হলো -
ক
ভাইরাস
খ
ব্যাকটেরিয়া
গ
শৈবাল
ঘ
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
আলুর লেট ব্লাইট রোগ: - আলুর লেট ব্লাইট (নাবিধসা বা মড়ক) রোগের জন্য দায়ী ছত্রাকের জিনোটাইপ (জিনের বিন্যাস) ও ফিনোটাইপ (বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য)। - এই শনাক্তকরণের গবেষণা করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. রসিদুল ইসলাম। - বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ৯০ শতাংশ জমিতে ছত্রাকটির যে জিনোটাইপ পাওয়া গেছে সেটি হলো ‘ইইউ-১৩-এ২’, যেটি ব্লু-১৩ হিসেবেও পরিচিত। - আলুর মড়ক রোগ ছত্রাকজনিত একটি মারাত্মক রোগ। - এই রোগের কারণে আলু নষ্ট হওয়া, অতিরিক্ত ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা ইত্যাদি ক্ষতি হচ্ছে। - মূলত এই ক্ষতি কমাতেই ২০১৪ সাল থেকে ছত্রাকের জিনোটাইপ ও ফিনোটাইপ শনাক্তকরণ এবং এর জৈবিক ছত্রাকনাশক উদ্ভাবনের কাজটি শুরু করা হয়। - ওই সময় দেশের ১৫টি জেলা থেকে মড়ক রোগাক্রান্ত মোট ৯০টি আলুর পাতার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়।
- এতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্লু-১৩ জিনোটাইপের ছত্রাকের উপস্থিতি পাওয়া যায়। - জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেই মূলত মড়ক রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। - এ সময় সংক্রমণ তীব্র মাত্রায় হতে থাকলে ছত্রাকনাশক (ডাইথেন এম-৪৬ বা ইন্ডোফিল এম-৪৫) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ২ থেকে ৩ বার ৬ থেকে ৭ দিন পর পর এমনভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে, যাতে গাছ ভালোভাবে ভিজে যায়। - মড়ক হলো একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। - বাতাসের মাধ্যমেও এটি এক জমি থেকে অন্য জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। - একটি গাছ আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগটি পুরো জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। - এ সময় প্রতিরোধী কোনো ব্যবস্থা না নিলে ছত্রাক আক্রমণের তীব্রতার পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন কমার আশঙ্কা থাকে সর্বোচ্চ ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ। - তবে রোগ সংক্রমণ শুরু হয়ে গেলে ‘সাইমোক্সানিল ও ম্যানকোজেব মিশ্রণ’ বা ‘সাইমোক্সালিন ও ডাইমেথোমর্ফ মিশ্রণ’ অথবা ‘ডাইমেথোমর্ফ ও ম্যানকোজেব মিশ্রণ’ ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ থেকে ৪ বার ৪ থেকে ৫ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে।
উৎস: Bachelor of Agriculture Education প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৪)।
৪৪.
কোনটিকে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়?
ক
মেডুলা
খ
সেরিবব্রাম
গ
পনস
ঘ
সেরিবেলাম
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র: - কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশ হলো মস্তিষ্ক ও মেরুরজ্জু। - মস্তিষ্ক হলো সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রের চালক। - মানুষের মস্তিষ্ক করোটির মধ্যে সুরক্ষিত। - মস্তিষ্ক মেনিনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত। - মানুষের মস্তিষ্কের প্রধান অংশ তিনটি। যথা- (ক) গুরুমস্তিষ্ক (খ) মধ্যমস্তিষ্ক (গ) পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক।
গুরুমস্তিষ্ক: - মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম। - এটা ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত, এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। - মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত, এই দুইখণ্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত। - এর উপরিভাগ ঢেউ তোলা ও ধূসর বর্ণের, দেখতে ধূসর বর্ণের হওয়ায় একে ধূসর পদার্থ বা গ্রে ম্যাটার বলে। - গুরুমস্তিষ্কের অন্তঃস্তরে কেবলমাত্র স্নায়ুতন্ত্র থাকে, স্নায়ুতন্তুর রং সাদা। - তাই মস্তিষ্কের ভিতরের স্তরের নাম শ্বেত পদার্থ বা হোয়াইট ম্যাটার। - শ্বেত পদার্থের ভিতর দিয়ে স্নায়ুতন্তু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। - ধূসর পদার্থের কয়েকটি স্তরে বিশেষ আকারে স্নায়ুকোষ দেখা যায়, এই স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে। - এগুলো বিশেষ বিশেষ কর্মকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত। - সেরিব্রামের নিচের অংশ হলো- থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাস। - এগুলো ধূসর পদার্থের পুঞ্জ। - ক্রোধ, লজ্জা, গরম, শীত, নিদ্রা, তাপ সংরক্ষণ ও চলন এই অংশের কাজ।
মধ্যমস্তিস্ক: - গুরুমস্তিষ্ক ও পনস-এর মাঝখানে মধ্যমস্তিষ্ক অবস্থিত। - মধ্যমস্তিষ্ক দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তির সাথেও সম্পর্কযুক্ত।
পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্ক: - লঘুমস্তিষ্ক গুরুমস্তিষ্কের নিচে ও পশ্চাতে অবস্থিত। - এটা গুরুমস্তিষ্কের চেয়ে আকারে ছোট। - দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা পশ্চাৎ বা লঘুমস্তিষ্কের প্রধান কাজ। - এছাড়া লঘুমস্তিষ্ক কথা বলা ও চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করে। - এর তিনটি অংশ- গনস সেরিবেলাম: পনসের বিপরীতদিকে অবস্থিত খন্ডাংশটি হলো সেরিবেলাম। - এটা অনেকটা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। - সেরিবেলাম ডান ও বাম দু'অংশে বিভক্ত।
পনস: - পনস লঘুমস্তিষ্কের সামনে ও নিচে অবস্থিত। - একে মস্তিষ্কের যোজক বলা হয়। - এটা গুরুমস্তিষ্ক, লঘুমস্তিষ্ক ও মধ্যমস্তিষ্ককে সুষুম্নাশীর্ষকের সাথে সংযোজিত করে।
মেডুলা: - এটা মস্তিষ্কের নিচের অংশ। - সুষুম্নাশীর্ষক পনসের নিম্নভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। অর্থাৎ, এটা মস্তিষ্ককে মেরুরজ্জুর সাথে সংযোজিত করে, এজন্য একে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়। - মস্তিষ্কের এ অংশ হৃৎস্পন্দন, খাদ্যগ্রহণ ও শ্বসন ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৪৫.
প্রাণীর মাধ্যমে পরাগায়ন হয় যেটিতে -
ক
সরিষা
খ
ধান
গ
পাতা শ্যাওলা
ঘ
কদম
ব্যাখ্যা
পরাগায়নের মাধ্যম: - যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। - পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
পতঙ্গ পরাগী ফুল: - পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।
বায়ু পরাগী ফুল: - অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। - এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। যেমন- ধান।
পানি পরাগী ফুল: - পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। - এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। যেমন- পাতা শ্যাওলা।
প্রাণী পরাগী ফুল: - প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। - এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
একটি বালতির ১/৩ অংশ ভর্তি আছে। যদি ৫ লিটার সরানো হয় তবে ১/৬ অংশ ভর্তি থাকে বালতিটি কত লিটার ধারণ করতে পারে?
ক
২০
খ
২৫
গ
৩০
ঘ
৩৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বালতির ১/৩ অংশ ভর্তি আছে। যদি ৫ লিটার সরানো হয় তবে ১/৬ অংশ ভর্তি থাকে বালতিটি কত লিটার ধারণ করতে পারে?
সমাধান: ১/৩ - ১/৬ = (২ - ১)/৬ = ১/৬ অংশ
প্রশ্নমতে ১/৬ অংশ = ৫ লিটার ১ বা সম্পূর্ণ অংশ = (৫ × ৬)/১ = ৩০ লিটার
৪৭.
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের ৫/৮ হলে শতকরা লাভ কত?
ক
২৫%
খ
৩০%
গ
৪০%
ঘ
৬০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের ৫/৮ হলে শতকরা লাভ কত?
দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করে। এদের একটির ব্যাস ৬ সে.মি. এবং অপরটির ব্যাসার্ধ ৪ সে.মি. হলে, এদের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সে. মি?
ক
৬
খ
৭
গ
১০
ঘ
৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করে। এদের একটির ব্যাস ৬ সে.মি. এবং অপরটির ব্যাসার্ধ ৪ সে.মি. হলে, এদের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সে. মি?
সমাধান: অনুসিদ্ধান্ত ১: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করলে, কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব বৃত্তদ্বয়ের ব্যাসার্ধের সমষ্টির সমান। অনুসিদ্ধান্ত ২: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্পর্শ করলে, কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব বৃত্তদ্বয়ের ব্যাসার্ধের অন্তরের সমান ।
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৬/২ = ৩ সে.মি. অপর বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ সে.মি.
∴ দুইটি বৃত্তের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দুরত্ব = ৩ + ৪ = ৭ সে.মি.
৫১.
তিনি সৎ তাই সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে। এই বাক্যে
'তাই' কোন প্রকার অব্যয়?
ক
অনন্বয়ী
খ
ধ্বন্যাত্মক
গ
সংকোচক
ঘ
সংযোজক
ব্যাখ্যা
• 'তিনি সৎ, তাই সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা করে' - এখানে 'তাই' সংযোজক অব্যয়।
সমুচ্চয়ী অব্যয়: - যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন এবং সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
সমুচ্চয়ী অব্যয় তিন প্রকার। যথা: সংযোজক, বিয়োজক এবং সংকোচক।
সংযোজক অব্যয়: ক. উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সকলেই চায়। বাক্যে ‘ও’ সংযোজক অব্যয়। খ. তিনি সৎ, তাই তাঁকে সকলেই শ্রদ্ধা করে। বাক্যে ‘তাই’ সংযোজক অব্যয়। তাছাড়া আর, অধিকন্তু, সুতরাং সংযোজক অব্যয়।
বিয়োজক অব্যয়: - হাসেম কিংবা কাসেম এর জন্য দায়ী। বাক্যে ‘কিংবা’ বিয়োজক অব্যয়।
সংকোচক অব্যয়: - তিনি বিদ্বান, অথচ সৎ ব্যক্তি নন। বাক্যে ‘অথচ’ সংকোচক অব্যয়। কিন্তু, বরং শব্দগুলোও সংকোচক অব্যয়।
অনুগামী সমুচ্চায়ী অব্যয়: যে, যদি, যদিও, যেন প্রভৃতি কয়েকটি শব্দ সংযোজক অব্যয়ের কাজ করে থেকে। তাই তাদের অনুগামী সমুচ্চায়ী অব্যয় বলে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫২.
'নিমরাজি' শব্দে 'নিম' কোন ভাষার উপসর্গ?
ক
তৎসম
খ
হিন্দি
গ
ফারসি
ঘ
আরবি
ব্যাখ্যা
- 'নিমরাজি' - এটি একটি ফারসি উপসর্গ। - শব্দটিতে ‘নিম উপসর্গটি আধা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বিদেশি উপসর্গ: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি শব্দের সঙ্গে যেসব উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে বিদেশি উপসর্গ বলা হয়।
- নিম্নরূপ কিছু ফারসি উপসর্গের উদাহরণ দেওয়া হলো: - কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, কম ইত্যাদি।
উৎস: ১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। ২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৩.
বাঘে-মহিষে একঘাটে জল খায় - এই বাক্যে 'বাঘে - মহিষে' কোন ধরনের কর্তা?
ক
মুখ্য কর্ত
খ
প্রযোজক কর্তা
গ
প্রযোজ্য কর্তা
ঘ
ব্যতিহার কর্তা
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের বৈচিত্র্য বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী চার প্রকার হয়ে থাকে। যথা -মূখ্য কর্তা - প্রযোজক কর্তা - প্রযোজ্য কর্তা - ব্যতিহার কর্তা
ব্যতিহার কর্তা: - কোনো বাক্যে দুটো কর্তা একত্রে একজাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে। যেমন: - রাজায়-রাজায় লড়াই, - বাঘে-মহিষে একঘাটে জল খায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৪.
'ছিঃ ছিঃ, তার সঙ্গে আর পারলে না।'- এই বাক্যে কোন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে?
ক
লজ্জা
খ
ধিক্কার
গ
ঘৃণা
ঘ
বিরক্তি
ব্যাখ্যা
• 'ছিঃ ছিঃ, তার সঙ্গে আর পারলে না। বাক্যটি দ্বারা - 'লজ্জা প্রকাশ' পেয়েছে।
আদেশ বাচক বাক্য (Imperative sentence): এ ধরনের বাক্যে আদেশ করা হয়। যথা : শিক্ষক মহােদয় শ্রেণিকক্ষে এলে উঠে দাঁড়াবে। চুপটি করে বস। উঠে দাঁড়াও। দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ কর। - স্বরভঙ্গি তথা বাগৃভঙ্গির সাহায্যে ক্রোধ, আদর, আনন্দ, দুঃখ, বিরক্তি, বিস্ময়, লজ্জা, ঘৃণা প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকার অনুভূতি প্রকাশ করা যায়। যথা : ১. সাধারণ বিবৃতিতে: সে আজ যাবে। ২. জিজ্ঞাসায়: সে আজ যাবে? ৩. বিস্ময় প্রকাশে: সে আজ যাবে! ৪. ক্রোধ প্রকাশে: আমি তােমাকে দেখে নেব। ৫. আদর বােঝাতে: বড় শুকিয়ে গেছিস রে। ৬. আনন্দ প্রকাশে: বেশ বেশ, খুব ভালাে হয়েছে। ৭. দুঃখ প্রকাশে: আহা, গাছ থেকে পড়ে পা ভেঙেছে! ৮. বিরক্তি প্রকাশে: আঃ, ভালাে লাগছে না, এখন এখান থেকে যাও তাে। ৯. ভীতি প্রদর্শনে: যাবি কি না বল? ১০. লজ্জা প্রকাশে: ছিঃ ছিঃ, তার সঙ্গে পারলে না। ১১. ধিক্কার দিতে: ছিঃ, তােমার এই কাজ। ১২. ঘৃণা প্রকাশে: তুমি এত নীচ। ১৩. অনুরােধ প্রকাশে: কাজটি করে দাও না ভাই। ১৪. প্রার্থনা: ঈশ্বর তােমার মঙ্গল করুন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৫.
'বাংলাদেশ' শব্দে কয়টি অক্ষর?
ক
তিন
খ
চার
গ
পাঁচ
ঘ
ছয়
ব্যাখ্যা
অক্ষর: বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশকে বলে-অক্ষর। এর ইংরেজি নাম - syllable. অক্ষর মূলত দুই প্রকার। যথা- - মুক্তাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- ক/লা), - বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- দিন, রাত)।
- 'বাংলাদেশ' শব্দে ৩ টি অক্ষর রয়েছে (বাং + লা + দেশ)।
• অক্ষর নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে দুটো বিষয় লক্ষণীয় - যতগুলো কার আছে এবং যতগুলো এক প্রয়াসে উচ্চারিত শব্দাবলী তার সমষ্টি হবে অক্ষর সংখ্যা।
উৎস: ১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। ২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৬.
কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যানুবাদ করেছেন?
ক
শিউলি মালা
খ
চক্রবাক
গ
বিষের বাঁশী
ঘ
রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম
ব্যাখ্যা
রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম: - ইরানের জীবনবাদী কবি ওমর খৈয়ামের রুবাই বা কবিতা অনুবাদ করেন নজরুল। - ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে 'রুবাইয়াৎ-ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - সৈয়দ মুজতবা আলী এর ভূমিকা লেখেন। - জীবনবাদী ওমর নজরুলকে খুব আকর্ষিত করেছিলেন। - এ অনুবাদে অত্যন্ত চমৎকার ভাষাভঙ্গি ব্যবহৃত। - অন্যান্য অনুবাদকারের উ: 'বাঁ চেয়ে নজরুলের অনুবাদ অনুভূতির পরশে, যথাযথ শব্দের পরিপাট্যে উজ্জ্বল।
অন্যদিকে, - 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ। - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ - চক্রবাক এবং বিষের বাঁশি।
কাজী নজরুল ইসলাম: - কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। - কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’। - কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
উৎস: ১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর। ২) বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
'দু-একটা উইকেট পড়লে কী হবে, কেউ-না-কেউ নিশ্চয় দাঁড়িয়ে যাবে।’ - এই বাক্যে কেউ-না-কেউ’ কোন ধরনের সর্বনাম?
ক
সামীপ্যবাচক
খ
ব্যতিহারিক
গ
অন্যাদিবাচক
ঘ
অনির্দেশক
ব্যাখ্যা
অনির্দিষ্ট সর্বনাম: - অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিচু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয, তাকেঅনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে। - কেউ, কোথাও, কিছু, একজন ইত্যাদি দ্বারা অনির্দিষ্টতা নির্দেশ করা হয়। যেমন: - কেউ-না-কেউ নিশ্চয় দাঁড়িয়ে যাবে।
অন্যদিকে, নির্দেশক সর্বনাম: - যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে। যেমন: - নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি; - দূর নির্দেশক: ও, ওই, ওরা, উনি।
অত্মবাচক সর্বনাম: - কর্তা নিজেই কোনো কাজ করছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরণের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়। - আত্মবাচক নির্দেশক: নিজে, স্বয়ং ইত্যাদি। যেমন: - সে নিজে অঙ্কটিা করছে।
পারস্পরিক সর্বনাম: - দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: - পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৮.
'Invigilator' শব্দের বাংলা পরিভাষা
ক
পরীক্ষক
খ
পরিরক্ষক
গ
পরামর্শক
ঘ
তত্ত্বাবধায়ক
ব্যাখ্যা
• 'Invigilator' শব্দের বাংলা পরিভাষা - পরিরক্ষক / প্রত্যবেক্ষক।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ: 'Manual’ শব্দের বাংলা পারিভাষা - সারগ্রন্থ। ‘Memorandum’ শব্দের বাংলা পরিভাষা - স্মারকলিপি। Gazette শব্দের বাংলা পারিভাষা - - ঘোষণাপত্র। Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষা - - চালান, প্রেরিতক-সূচি। Armour- এর বাংলা পরিভাষা - বর্ম। Constipation- শব্দের বাংলা পরিভাষা- কোষ্ঠকাঠিন্য।
উৎস: ১) বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা। ২) বাংলা একাডেমি, অভিগম্য অভিধান।
৫৯.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য কোনটি
ক
বীরাঙ্গনা
খ
পদ্মিনী
গ
সারদা মঙ্গল
ঘ
চিত্তনামা
ব্যাখ্যা
'বীরাঙ্গনা কাব্য': - 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য। - এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। - পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম। - এতে পত্র সংখ্যা ১১ টি। - রোমান কাব্য ‘হেরোইদাইদস’ কাব্যের অনুসরনে রচিত ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। - তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। - অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। - অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি।
- তাঁর সাহিত্যকর্ম: নাটক: - শর্মিষ্ঠা, - পদ্মাবতী, - কৃষ্ণকুমারী।
জসীমউদ্দীন: - তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ। - তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। - জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। - জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো: - নকশী কাঁথার মাঠ, - সোজন বাদিয়ার ঘাট, - মাটির কান্না, - ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে, - বালুচর, - রাখালী, - রূপবতী ইত্যাদি।
তাঁর রচিত নাটক: - পদ্মাপার, - বেদের মেয়ে, - পল্লীবধূ, - মধুমালা, - গ্রামের মায়া ইত্যাদি।
শিশুতোষ গ্রন্থ: - এক পয়সার বাঁশী, - হাসু, - ডালিম কুমার ইত্যাদি।
উৎস: ১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর। ২) বাংলাপিডিয়া।
৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Double Jeopardy' মতবাদ আলোচিত হয়েছে?
ক
২০৩
খ
৩০৩
গ
৪০৩
ঘ
৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।
এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে ২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে ৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।
দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা ২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা ৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,
যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৬২.
Without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a(n)
ক
Executive Magistrate
খ
Judicial Magistrate
গ
Cognizance Magistrate
ঘ
District Magistrate
ব্যাখ্যা
♦ Construction of references. Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference- (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ: (ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
৬৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৪ ধারার বিধান মতে কয়টি কারণে পুলিশ একজন ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে?
ক
৭
খ
৮
গ
৯
ঘ
১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা- (i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে। (ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে। (iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)। (iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে। (v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে। (vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)। (vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে। (viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা (ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
৬৪.
The Code of Criminal Procedure, 1860 এর কোন দুইটি ধারার অধীনে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়?
ক
১৫৪ ও ২০০
খ
১৫৬ ও ২০০
গ
১৫৫ ও ২০৪
ঘ
১৫৪ ও ২০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
⇒ ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য ।
⇒ ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।
অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়। ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1860 এর ১৫৪ এবং ২০০ ধারার অধীনে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়।
৬৫.
The Penal Code 1860 এর কোন ধারায় 'Good Faith' : 'Nothing is said to be done or believed in good faith which is done or believed without due care and attention'. উল্লেখিত হয়েছে?
ক
১১
খ
২২
গ
৪২
ঘ
৫২
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
♦ এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
৬৬.
'Y' এর কর্মচারী 'X' জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায়। 'X' এর অপরাধ-
ক
চুরি
খ
অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ
গ
চাকর বা কেরানী কর্তৃক চুরি
ঘ
অপরাধমূলক তসরূপ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপরাধমূলক তসরূপ করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
⇒ ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'X’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'X'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'X' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। ‘X’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
৬৭.
'X', 'Y' এর চলার পথে গর্ত করে মৃত্যুর ফাঁদ পেতে রাখায় 'Y' ঐ ফাঁদে পড়ে আহত হয়ে মারা যায়। 'X' এর অপরাধ-
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
উদাহরণসমূহ: (ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।
(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।
(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
--------------- ⇒ Section 299. Culpable homicide: -Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. Illustrations: (a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide.
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide.
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death.
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৬৮.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
ক
জেরায়
খ
পুনঃজবানবন্দীকালে
গ
পুনঃজেরাকালে
ঘ
পূর্বে প্রমাণিত বিষয়ে জবানবন্দীতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন। ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে। ------------- Section 141. Leading questions: - Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question. Section 142.When they must not be asked: - Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. - The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved. Section 143. When they may be asked: - Leading questions may be asked in cross-examination.
৬৯.
কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারবেন?
ক
ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী
খ
বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি
গ
অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
ঘ
সকলেই
ব্যাখ্যা
⇒ কে সাক্ষ্য দিতে পারে (Who may testify)- আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।
⇒ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; - তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী, বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি, অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক এরা সকলেই সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে।
৭০.
'Dying Declaration' (মৃত্যুকালীন বিবৃতি) করা যায় ____ এর নিকট-
ক
শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
খ
শুধু পুলিশ
গ
শুধু ডাক্তার
ঘ
যে-কারও
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। - 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা; ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি; iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে; iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত; ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল; vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি; vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৭১.
The Contract Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী নাবালক চুক্তি সম্পাদনের অযোগ্য?
ক
৯
খ
১০
গ
১১
ঘ
১২
ব্যাখ্যা
• কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]। অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি। এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি: চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন: ১। নাবালক, ২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং ৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি। পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৭২.
কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী কিরূপ ক্ষতিপূরণ পাবে?
ক
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণ
খ
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের ২/৩ ভাগ
গ
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণসহ ৬.৫% সুদ
ঘ
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ৭৪ ধারার বিধান জরিমানার শর্তযুক্ত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ: - যখন কোন চুক্তিভঙ্গ হয় তখন চুক্তিতে যদি এরূপ ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে অথবা - জরিমানাস্বরূপ অন্য কোন শর্ত যদি চুক্তিতে সংযুক্ত থাকে তাহলে- চুক্তিভঙ্গের অভিযোগকারী পক্ষ উক্ত ভঙ্গের কারনে তার প্রকৃত কোন ক্ষতি বা লোকসান প্রমাণিত হোক বা না হোক চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষের নিকট হতে এভাবে উল্লিখিত পরিমাণের অনধিক যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ অথবা জরিমানা গ্রহণ করার অধিকারী।
ব্যাখ্যা- পরিশোধে অক্ষমতার তারিখ হতে বর্ধিত সুদের কোন শর্ত জরিমানার শর্ত হতে পারে।
- কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ পাবে। --------------- Section 74. Compensation for breach of contract where penalty stipulated for: When a contract has been broken, if a sum is named in the contract as the amount to be paid in case of such breach, or if the contract contains any other stipulation by way of penalty, the party complaining of the breach is entitled, whether or not actual damage or loss is proved to have been caused thereby, to receive from the party who has broken the contract reasonable compensation not exceeding the amount so named or, as the case may be, the penalty stipulated for. Explanation – A stipulation for increased interest from the date of default may be stipulation by way of penalty.
Exception.–When any person enters into any bail-bond, recognizance or other instrument of the same nature, or, under the provisions of any law, or under the orders of the 2[Government], gives any bond for the performance of any public duty or act in which the public are interested, he shall be liable, upon breach of the condition of any such instrument, to pay the whole sum mentioned therein.
Explanation -A person who enters into a contract with Government does not necessarily thereby undertake any public duty, or promise to do an act in which the public are interested.
৭৩.
The Registration Act, 1908 এর বিধান অনুযায়ী নিম্নের কোনটি স্থাবর সম্পত্তি নয়?
ক
পতিত জমি
খ
ঘরবাড়ি
গ
জলাশয়ে মৎস্য ধরার অধিকার
ঘ
দণ্ডায়মান কোনো বৃক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৬) ধারার বিধান "স্থাবর সম্পত্তি" অর্থে জমি, ইমারত, ভূমিজাত ও মাটিতে সংযুক্ত বা মাটি সংযুক্ত কোন কিছুতে স্থায়িভাবে আবদ্ধ কোন বস্তু হইতে লভ্য সুবিধাদি, বংশগত ভাতা, রাস্তা, আলো, খোয় ও মৎস্য খামার ইত্যাদির অধিকার অন্তর্ভূক্ত হইবে, তবে উহার অন্তর্ভূক্ত হইবে না। (ক) দণ্ডায়মান বৃক্ষ, বাড়ন্ত শষ্য বা ঘাস, তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্নকরণের অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক: (খ) বৃক্ষাদিতে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হইতে পারে, এইরূপ ফল বা রস; এবং (গ) মাটিতে প্রোথিত বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি, যখন উহা ভূমি ব্যতিরেকে ব্যবহৃত হয়; --------------- ⇒ The Registration Act, 1908 Section 2(6) “immoveable property” includes land, buildings, benefits to arise out of land and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth, hereditary allowances, rights to ways, lights, ferries and fisheries. but does not include- (a) standing timber, growing crops or grass whether immediate severance thereof it intended or not; (b) fruit upon and juice in trees whether in existence or to grow in future; and (c) machinery embedded in or attached to the earth, when dealt with apart from the land:
৭৪.
The Registration Act, 1908 এর ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে?
ক
দলিল সম্পাদনের ৩ মাসের মধ্যে
খ
দলিল সম্পাদনের ৬ মাসের মধ্যে
গ
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
ঘ
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে.- (ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং (খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে। তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন। --------------- ⇒ The Registration Act, 1908 Section 26. Documents executed out of Bangladesh: -When a document purporting to have been executed by all or any of the parties out of Bangladesh is not presented for registration will after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the registering officer, if satisfied- (a) that the instrument was so executed, and (b) that it has been presented for registration within four months after its arrival in Bangladesh, may, on payment of the proper registration fee, accept such document for registration.
৭৫.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির বাৎসরিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিনের নোটিশে, ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে?
ক
১ মাস
খ
৩ মাস
গ
৪ মাস
ঘ
৬ মাস
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ: - কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য। - অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য। - এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
৭৬.
হোল্ডিং ওভার (Holding over) কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
ক
বন্ধক
খ
ইজারা
গ
ট্রাস্ট
ঘ
দান
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১৬ ধারায় হোল্ডিং ওভার (Holding Over) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে; যা ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
⇒সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার বিধান: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া: যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
৭৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীনে খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দিলে কোন ধারানুযায়ী ঐ আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে কোনো প্রতিকার চাওয়া যাবে না?
ক
১৪৪
খ
১৪৪A
গ
১৪৪B
ঘ
১৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪খ ধারার বিধান দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ: -এই অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না। - উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে। - উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না। --------------- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 144B. Bar to jurisdiction of civil court: (1) When an order has been made under sub-section (1) of section 144 directing the preparation or revision of record-of-rights in respect of any area, then, subject to the provisions of section 111, a civil court shall not entertain any suit or application for the alteration of any rent or determination of the status of any tenant of the incidents of any tenancy in such area and if any such suit or application relating to such area is pending before a civil court on or after the date of such order, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgement, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, after the said date, it shall be inoperative and of no legal effect.
(2) No suit or application shall be brought in a civil court in respect of any order directing the preparation or revision of record-of-rights under this Chapter or in respect of framing, publication, signing or attestation of such a record or a ny part of it, and if any such suit or application is pending before a civil court, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgment, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, it shall be inoperative and of no legal effect.
৭৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের কত সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না?
ক
২ মাস
খ
১ বৎসর
গ
২ বৎসর
ঘ
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption) আবেদন দাখিল: - জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে- - ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:- i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না, iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না। ---------------- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption: (1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves:
Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- (a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and (b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed.
(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- (a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; (b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and (c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. (4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. (5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. (6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. (7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. (8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed.
(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- (a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; (b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); (c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); (d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); (e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. (10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. (11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9).
(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. (13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. (14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. (15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. (16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. (17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. (18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৭৯.
কোন আইন অনুসারে সিলেটে সি এস (CS) খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়?
ক
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950
খ
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949
গ
The Sylhet Tenancy Act, 1936
ঘ
The Bengal Tenancy Act, 1885
ব্যাখ্যা
CS Khatian: CS অর্থ Cadastral Survey. এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই CS খতিয়ান নামে পরিচিত। - এটি The Bengal Tenancy Act, 1885'র ১০১ ধারা অনুসারে প্রণয়ন করা হয়। - CS খতিয়ান প্রণয়নের কাজ ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজারের রামু থানায় শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় এসে শেষ হয়। - তবে, সিলেট জেলায় CS খতিয়ান প্রণয়ন করা হয় The Sylhet Tenancy Act, 1936'র ১১৭ ধারার অধীনে। - SAT Act'র ১৫৭(২) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, The Sylhet Tenancy Act, 1936 অনুসারেই সিলেট অঞ্চলের খতিয়ান প্রস্তুত করতে হবে।
৮০.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
ক
২
খ
৩
গ
৪
ঘ
৫
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারার বিধান: অকৃষি প্রজাদের শ্রেণিসমূহ: -এই আইনের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত শ্রেণির অকৃষি প্রজা থাকবে, যথা:- ক) প্রজা (Tenant); এবং খ) অধীন প্রজা (Under-tenant).
অর্থাৎ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩ ধারায় অকৃষি প্রজাগণকে ২টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ----------- The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 Section 3. Classes of non-agricultural tenants: (1) There shall be, for the purposes of this Act, the following classes of non-agricultural tenants, namely:- (a) tenants, and (b) under-tenants.
(2) “Tenant” means a person who has acquired from a proprietor or a tenure-holder a right to hold non-agricultural land for any of the purposes provided in this Act, and includes also the successors-in-interest of persons who have acquired such a right. (3) “Under-tenant” means a person who has acquired a right to hold non-agricultural land for any of the purposes provided in this Act either immediately or mediately under a tenant and includes also the successors-in-interest of persons who have acquired such a right.
৮১.
নিম্নের কোন কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে?
ক
মানসিক অসামর্থ্যের কারণে
খ
গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
গ
শারিরীকভাবে অক্ষম হলে
ঘ
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদেরবিধান রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:
(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন। (২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন। (৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে। (৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে। (৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।
৮২.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
ক
কোনো কর আরোপ
খ
সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
গ
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
ঘ
সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান অর্থবিল: -(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।
- (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।
- (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৮৩.
কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি-
ক
পুরো আইনের সংক্ষিপ্তসার
খ
বিচারকদের কার্যাবলির রূপরেখা প্রদর্শন করে
গ
আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
ঘ
আইনের প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ আইনের প্রস্তাবনা (Preamble): আইনের যে অংশে উক্ত আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়, সেই অংশকে প্রস্তাবনা (Preamble) বলে। প্রস্তাবনা হলো কোনো আইনের দার্শনিক ভিত্তি। প্রস্তাবনার কাজ হলো আইনের প্রকৃত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ, প্রস্তাবনায় উক্ত আইন রচনার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিধি এবং উক্ত আইনটি কেন প্রণয়ন করা হয়েছে তার কারণ নির্দেশ করে।
কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা: - আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;
- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;
- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
৮৪.
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সম্মতি প্রয়োজন ______ এর।
ক
জাতীয় সংসদ
খ
রাষ্ট্রপতি
গ
প্রধানমন্ত্রী
ঘ
মন্ত্রী পরিষদ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৩ অনুচ্ছেদের বিধান: যুদ্ধ- (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না। ------- ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 63. War - (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
৮৫.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কী ছিলো?
ক
ছিটমহল বিনিময়
খ
জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত বিধান সংযুক্তকরণ
গ
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
ঘ
উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
→ ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান প্রথমবার সংশোধন করা হয়। - সংবিধান (প্রথম সংশোধন) আইন, ১৯৭৩ এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত বন্দি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিচারের জন্য এই সংশোধনী আনা হয়। → প্রথম সংশোধনীর প্রধান উদ্দেশ্যই ছিলো- - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা - সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭(৩) ও ৪৭ক সংযোজন করা হয়। এটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন- তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
৮৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
ক
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
খ
ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
গ
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
ঘ
দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য: (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷ ----------- ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 21. Duties of citizens and of public servants: (1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৮৭.
'Freedom of press' কোন সাংবিধানিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত?
ক
Freedom of thought & conscience
খ
Freedom of profession
গ
Right to democratic culture
ঘ
Right to information
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের বিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা: (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার, নিশ্চয়তা দান করা হইল। ------------ ⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh Article 39. Freedom of thought and conscience, and of speech: (1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. (2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– (a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and (b) freedom of the press, are guaranteed.
৮৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
ক
১১৪
খ
১১৫
গ
১১৬
ঘ
১১৬ক
ব্যাখ্যা
অধস্তন আদালত: অনুচ্ছেদ ১১৪ এর বিধান অধস্তন আদালত-সমূহ প্রতিষ্ঠা: - আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে। অনুচ্ছেদ ১১৫ এর বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগ: - বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
অনুচ্ছেদ ১১৬ এর বিধানঅধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা: - বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
অনুচ্ছেদ ১১৬ক এর বিধান বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন: - এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
অনুচ্ছেদ ১১৫ : অধস্তন আদালতে নিয়োগ 'বিচার বিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।' সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলেই 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন' গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। BJSC'র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি: বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭।
৮৯.
একটি আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে?
ক
অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
খ
পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে পরের ধারাটি বাতিল হবে
গ
পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে পরের ধারাটি কার্যকর হবে
ঘ
এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
- Rule of Harmonious Construction: যখন একই আইনের মধ্যে পরস্পর বিরোধী এক বা একাধিক বিধান থাকে। একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়।
- Rule of Harmonious Construction নীতির বিধান হল: (১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়। (২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
৯০.
Doctrine of 'ejusdena generis' নীতির আলোকে আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে-
ক
আইনের সাধারণ শব্দ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
খ
আইনের নির্দিষ্ট শব্দ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
গ
আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ সাধারণ শব্দকে অনুসরণ করে
ঘ
আইনের সাদৃশ্য শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দকে অনুসরণ করে
ব্যাখ্যা
Doctrine of 'ejusdem generis' নীতি: -'Ejupdem Generis' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো- 'একই প্রকার ও প্রকৃতির।
- এই নীতিতে (ⅰ) আইনে কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থাকবে এবং কিছু সাধারণ শব্দ থাকবে। (ii) যখন কোনো আইনে সাধারণ শব্দসমূহ নির্দিষ্ট শব্দসমূহকে অনুসরণ করে, - তখন সাধারণ শব্দসমূহকে নির্দিষ্ট শব্দসমূহের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে। ---------- Ejusdem generis (ee-joose-dem gen-ris) is a Latin phrase that means “of the same kind.” The statutory and constitutional construction principle of “ejusdem generis” states that where general words or phrases follow a number of specific words or phrases, the general words are specifically construed as limited and apply only to persons or things of the same kind or class as those expressly mentioned.
৯১.
মরজ-উল-মউত এর সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির বরাবর প্রদত্ত দান উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি ব্যতীত-
ক
সম্পূর্ণ বাতিল
খ
এক তৃতীয়াংশ কার্যকর
গ
সম্পূর্ণ কার্যকর
ঘ
এক চতুর্থাংশ কার্যকর
ব্যাখ্যা
মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান: - মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। - অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু আশঙ্কায় থেকে তথা মৃত্যু শয্যায় থেকে দান করাকে মরজ-উল-মউত বলে। এরূপ দানের পর দাতার মৃত্যু হলে তা উইলের ন্যায় কার্যকর হবে অর্থাৎ তখন উইলের সীমাবদ্ধতা, বিধান ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ যখন কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থতায়/রোগে ভোগে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়, এমতাবস্থায় কোনো দান (Gift/Hiba) করলে, দানটিকে মৃত্যুশয্যায় দান (Marz-ul-Maut) বলে।
- এমন দান উইল (Wasiyyat) বলে গণ্য হবে এবং উইলের বিধান প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এমন দানের ক্ষেত্রে উইলের ২টি শর্ত পূরণ করতে হয়- ১. সম্পত্তির ১/৩ এর বেশি দান (Gift/Hiba) করা যাবে না। ২. উত্তরাধিকারী বরাবর দান করা যাবে না।
⇒ কোনো ব্যক্তি মরজ-উল-মউতের সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তি বরাবর তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ সম্পত্তি দান (Gift/Hiba) করতে পারেন।
৯২.
কোনটি 'Doctrine of Juristic Preference'?
ক
ইসতিসলাহ
খ
ইজতিহাদ
গ
ইসতিহসান
ঘ
ইসতিদলাল
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি। ১. পবিত্র কোরআন ২. হাদিস ৩. ইজমা ৪. কিয়াস ⇒ অন্যান্য উৎসগুলো হলো ক. ইসতিহসান [Istihsan] খ. ইসতিসলাহ [Istislah] গ. ইসতিদলাল ঘ. ইজতিহাদ ঙ. তকলিদ
ইসতিহসান: ইসতিহসান অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন।
-কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।
যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।
যে নীতির বলে আইনবিদগণ তাদের ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করতে পারেন, সে নীতিকেই হানাফীগণ ইসতিহসান বলে। তাদের মতে কিয়াসভিত্তিক আইন অভ্রান্ত নয়। এমনকি ইজমাকেও অভ্রান্ত বলা যায় না। প্রয়োজনবোধে ঐগুলোর পরিবর্তে স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করাই ইসতিহসানের মূল মর্ম। হানাফীগণ বলেন যে, ইসতিহসানও এক প্রকার কিয়াস, তবে কিয়াস অপেক্ষা ইসতিহসানের এখতিয়ার ব্যাপক। ইমাম আবু হানিফা এ নীতির প্রতিষ্ঠাতা। অর্থাৎ 'Doctrine of Juristic Preference' হল ইসতিহসান [Istihsan]।
৯৩.
দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে _____ বলে।
ক
আরিয়ত
খ
সাদাকা
গ
শর্তযুক্ত হেবা
ঘ
শর্তযুক্ত ওয়াকফ
ব্যাখ্যা
- আরিয়ত (Areeat): এর অর্থ সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর বুঝায় না বরং আরিয়ত হলো এমন ধরনের দান যেক্ষেত্রে দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল পর্যন্ত সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। আরিয়ত চাইলে রদ করা যায়। অর্থাৎ আরিয়ত (Areeat) শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে দান।
- দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে আরিয়ত (Areeat) বলে।
৯৪.
"আল-হেদায়া" (Al-Hedayah) গ্রন্থের লেখক কে?
ক
ইমাম মালিক
খ
ইমাম আবু হানিফা
গ
ইবনে রুশদ
ঘ
বুরহান আল-দীন
ব্যাখ্যা
আল-হেদায়া: হলো বুরহান আল-দীন কর্তৃক লিখিত দ্বাদশ শতাব্দীর আইনি ম্যানুয়াল, যা হানাফি আইনশাস্ত্রের (ফিকহ) অন্যতম প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ফিকাহ্ শাস্ত্রের জগতে, বিশেষতঃ হানাফি ফিকাহ্র পরিমণ্ডলে আল-হিদায়া একটি মৌলিক ও বুনিয়াদি গ্রন্থ। এক কথায় এ মহাগ্রন্থকে হানাফী ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিশ্বকোষ বলা যায়। বস্তুতঃ সুদীর্ঘ অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত অব্যাহতভাবে এ মহাগ্রন্থ ইসলামী ফিকাহ্ শাস্ত্রের হানাফী মাজহাবের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। এমন কি পাক-ভারত উপমহাদেশের ঔপনিবেশিক শাসনকালেও বিচার বিভাগে আল-হিদায়াকে সিদ্ধান্তমূলক গ্রন্থের মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। পৃথিবীর বহু প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আল-হিদায়ার ইংরেজি অনুবাদ অতি গুরুত্বের সাথে পড়ানো হয়ে থাকে। এ গ্রন্থ প্রকাশিত হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত ফিকাহ্ শাস্ত্রের বিদ্যাঙ্গনে আল-হিদায়া আবশ্য-পাঠ্য গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। এ মহাগ্রন্থকে কেন্দ্র করে ফিকাহ্ শাস্ত্রের উপর এ পর্যন্ত যত গবেষণা কর্ম সম্পন্ন হয়েছে এবং যত ব্যাখ্যা, ভাষ্য, টীকা ও পর্যালোচনা গ্রন্থ রচিত হয়েছে তা অন্য কোন ফিকাহ্ গ্রন্থের ক্ষেত্রে হয় নি। এই সুবিশাল গ্রন্থ বর্তমানে যদিও বিলুপ্ত কিন্তু তাঁর সম-সাময়িক যুগশ্রেষ্ঠ ফকীহগণ অতি উচ্ছ্বাসিত ভাষায় এর আশি খণ্ডের এই সুবিশাল গ্রন্থের মহাসমুদ্রের নির্যাস নিয়ে সঙ্কখিপ্ত কলেবরে চার খণ্ডের এ গ্রন্থখানি সঙ্কলিত করেছেন যা সর্বমোট ২১২৬ পৃষ্ঠায় সমাপ্ত।
৯৫.
ভাড়ার মাধ্যমে ভোগদখলীয় বাড়ি স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড়া উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি _____ গণ্য হবে।
ক
বাতিল
খ
অসম্পূর্ণ
গ
অকার্যকর
ঘ
বৈধ
ব্যাখ্যা
- যে ক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি দান করার সময় দাতা ও গ্রহীতা উভয়ে সেই সম্পত্তিতে বসবাস করে, সে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে দখল গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই। - সে ক্ষেত্রে দাতার দানকৃত সম্পত্তির যাবতীয় স্বত্বাধিকার ত্যাগ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করলেই দান সম্পূর্ণ হবে। - স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে স্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে উপরিউক্ত বিধানটি প্রযোজ্য হবে। - সম্পত্তিটি তাদের যৌথ বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হোক বা ভাড়া দেওয়া হোক, দানের পরে স্বামী উক্ত সম্পত্তিতে বসবাস করুক বা ভাড়ার টাকা আদায় করুন, দানটি বৈধ। - কারণ ধরে নেওয়া হবে যে, স্বামী স্ত্রীর পক্ষেই ভাড়া আদায় করছে।
- ভাড়ার মাধ্যমে ভোগদখলীয় বাড়ি স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড়া উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি বৈধ গণ্য হবে।
৯৬.
একজন হানাফি মুসলিম মা, স্বামী ও দুই সহোদর ভাইকে রেখে মৃত্যুবরণ করেন। সহোদর ভাইদের প্রাপ্ত অংশ কত?
ক
(১/১২)
খ
(২/৮)
গ
(২/৬)
ঘ
(১/৬)
ব্যাখ্যা
⇒ যেহেতু, দুই বা ততোধিক ভাই রয়েছে তাই মা ১/৬ অংশ পাবে।
⇒ যেহেতু সন্তান নেই স্বামী ১/২ অংশ বা ৩/৬ অংশ পাবে।
⇒ অবশিষ্টাংশভোগী (Residuary) হিসেবে দুই সহোদর ভাই পাবে বাকি ২/৬ অংশ।
⇒ সুতরাং দুই সহোদর ভাই পাবে ২/৬ অংশ।
৯৭.
নিম্নের কোন উত্তরাধিকারীর ক্ষেত্রে হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' স্বীকৃত?
ক
ভ্রাতুস্পুত্র
খ
প্রপৌত্র
গ
কন্যার পুত্র
ঘ
পিতার ভ্রাতা
ব্যাখ্যা
→ হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে: (ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি (খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।
বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।
- হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে- শুধুমাত্র পুত্র, পৌত্র (যার বাবা মৃত), প্রপৌত্র (যার বাবা ও পিতামহ দুজনই মৃত) উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকলে, পৌত্রিক পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতে 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' বা Doctrine of Representation প্রযোজ্য হবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য নয়।
- সাধারণত একজন পুত্র, একজন পৌত্র এবং একজন প্রপৌত্র, তারা সকলেই একসঙ্গে পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে পূর্ণ অধিকার অর্জন করে থাকে। এর কারণ হলো- পৌত্র তার মৃত পিতার অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রপৌত্র তার মৃত পিতা ও পিতামহের অধিকারের প্রতিনিধিত্ব করে। - 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' অনুসারে তারা সকলে অংশপিছু (Per-Stripes) সম্পত্তি পাবে, মাথাপিছু (Per-Capita) নয়।
৯৮.
হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
ক
যে-কেউ দত্তক দিতে পারে
খ
অবিবাহিত পুরুষ দত্তক নিতে পারে না
গ
অবিবাহিত মহিলা দত্তক নিতে পারে
ঘ
একজন বোবাকে দত্তক নেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
- হিন্দু আইন অনুযায়ী দত্তক এর ক্ষেত্রে বোবা (Dumb) ও বধির (Deaf) হলে দত্তক নেওয়া যায় না। -[Surendra Narayan Sarbbadhikari vs. Bhola Nath Ray Chaudhuri (1994)
নিষিদ্ধ গোত্রভুক্ত হলে দত্তক নেওয়া যায় না।
⇒ Who can be adopted the Hindu child can be adopted by the following conditions: 1. The child should be Hindu. 2. The child has not been adopted before. 3. The child should not be married. 4. The age of the child must be below 15 years.
৯৯.
The Family Courts Ordinance, 1985 অনুযায়ী লিখিত বর্ণনা দাখিলের কত দিনের মধ্যে Pre-Trial এর জন্য ধার্য করতে হবে?
ক
৭
খ
১৫
গ
৩০
ঘ
৬০
ব্যাখ্যা
→ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান বিচার-পূর্ব কার্যক্রম: (১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবেে (২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে। (৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে। (৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
→ যেহেতু The Family Courts Ordinance, 1985 রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ করা হয়েছে তাই এই আইনের রেফারেন্স।
১০০.
The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 অনুযায়ী স্বামী কত বৎসর উম্মাদ থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে?
ক
২
খ
৩
গ
৪
ঘ
৭
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে; ⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে; ⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে; ⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে; ⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে; ⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;
⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে- (ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে); (খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা; (গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা; (ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা; (ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া; (চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা; (ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।