পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, মামুনুর রশীদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক, শহীদুল্লা কায়সার, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, । উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] [এই টপিকের উপর কোন ভিডিও লেকচার নাই]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম কী?
  1. সঙ্গীতসার
  2. রূপজালাল
  3. সঙ্গীতলহরী
  4. মুসলিম বন্ধু
ব্যাখ্যা

নবাব ফয়জুন্নেসা রচিত আত্মজীবনীমূলক রূপক গ্রন্থের নাম হচ্ছে রূপজালাল। 

• রূপজালাল:
- রূপজালাল নওয়াব ফয়জুননেসা-র গদ্য ও পদ্য ছন্দে রচিত আত্মজীবনী ও কল্পকাহিনীমূলক একটি গ্রন্থ।
- এটি ১৮৭৬ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি সম্ভবত বাংলার একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক প্রথম রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম।

নবাব ফয়জুন্নেসা (১৮৩৪-১৯০৩)
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি জমিদারী পাওয়ার আগে থেকেই সমাজ উন্নয়নমূলক কাজ ও দীন-দরিদ্রের কল্যাণে নিবেদিত ছিলেন।
- নারী শিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি হিসেবেও পরিচিত।
- ১৮৮৯ সালে মহারানী ভিক্টোরিয়া তাঁকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করেন, যা বাংলার প্রথম নারী হিসেবে এই উপাধি লাভের সম্মান।
- বাংলা পত্রপত্রিকা যেমন বান্ধব, ঢাকা প্রকাশ, মুসলমান বন্ধু, সুধাকর, ইসলাম প্রচারক প্রভৃতির আর্থিক সহায়তা লাভ করেছেন।
- সাহিত্যিক হিসেবেও পরিচিত; তাঁর রচিত রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের মাধ্যমে আত্মজীবনীমূলক রচনা, যাতে তাঁর বিড়ম্বিত দাম্পত্য জীবনের করুণ কাহিনী প্রকাশ পেয়েছে।
- এছাড়া তাঁর লেখা কাব্যগ্রন্থ সঙ্গীতসার ও সঙ্গীতলহরী উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
"পথের পাঁচালী" উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা

"পথের পাঁচালী" উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

পথের পাঁচালী:
- পথের পাঁচালী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস। 
- পথের পাঁচালী ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। 
- লেখকের বর্ণনাশৈলীর কারণে উপন্যাসে পল্লীবাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে।
- পথের পাঁচালীর দ্বিতীয় খণ্ড হচ্ছে ‘অপরাজিত’ (১৯৩১)।
- প্রধান চরিত্র: অপু, দুর্গা, ইন্দির ঠাকরুন, হরিহর, সর্বজয়া প্রমুখ।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসী পত্রিকায় প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শারৎচন্দ্রের পরে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিক হিসেবে স্বীকৃত।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে দীপক (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

সাহিত্যকর্ম:
উপন্যাস: পথের পাঁচালী, অপরাজিত, অশনি সংকেত, আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল, দেবযান, ইছামতী, দৃষ্টি প্রদীপ, ইত্যাদি।
ছোটগল্প: মেঘমল্লার, মৌরীফুল, যাত্রাবদল, কিন্নরদল, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা কোনটি?
  1. ছেলেবেলা
  2. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  3. স্মৃতির শহর
  4. আমার ছেলেবেলা
ব্যাখ্যা

মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা হচ্ছে গাজী মিয়াঁর বস্তানী। 

গাজী মিয়ার বস্তানী:
- গাজী মিয়ার বস্তানীর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। 
- এটি একটি কর্মজীবন নির্ভর আত্মজীবনীমূলক রচনা।
- ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়।
- বিষয়বস্তু: সমাজের অন্যায়, অনাচার, সামাজিক দুর্নীতি, মানুষের নৈতিক অধঃপতন ও মনুষ্যত্বহীন আচরণকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা।
- লেখক নিজেকে ‘ভেড়াকান্ত’ নামে উল্লেখ করেছেন।
- গ্রন্থে বঙ্কিমচন্দ্রের 'কমলাকান্তের দপ্তর' - এর প্রভাব রয়েছে।  

মীর মশাররফ হোসেন:
- জন্ম: ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর, কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়া।
- মীর মশাররফ হোসেন একাধারে একজন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ছাত্রাবস্থায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ ও কুমারখালির ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন থেকে সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- তাঁর সাহিত্যগুরু ছিলেন ‘গ্রামবার্তা’-র সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ।
- পত্রিকা সম্পাদনা: ‘আজিজননেহার’ ও ‘হিতকরী’।
- বঙ্কিমযুগের প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়াঁ’।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘রত্নবতী’ (১৮৬৯), মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

সাহিত্যকর্মসমূহ:
নাটক: বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, টালা অভিনয়।
উপন্যাস: বিষাদ-সিন্ধু।
প্রহসন: এর উপায় কি?
আত্মজীবনীমূলক রচনা: উদাসীন পথিকের মনের কথা, গাজী মিয়াঁর বস্তানী, আমার জীবনী, কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- ছেলেবেলা একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা এর লেখক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- স্মৃতির শহর একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা এর লেখক হলেন শামসুর রাহমান।
- আমার ছেলেবেলা একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা এর লেখক হলেন হুমায়ূন আহমেদ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
  1. স্বর্ণকুমারী দেবী
  2. বেগম রোকেয়া 
  3. নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  4. নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা

'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' নীলিমা ইব্রাহিম রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রবন্ধ ও গবেষণাগ্রন্থ।

আমি বীরাঙ্গনা বলছি:
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত নারীদের জীবনকাহিনীকে কেন্দ্র করে লেখা।
- বইয়ে উল্লেখিত নারীরা হলেন: তারা ব্যানার্জি, মেহেরজান, রীনা, শেফা, ময়না, ফাতেমা, মীনা।
- লেখক বলেছেন, এই সাতজনের কাহিনী প্রতিনিধিত্ব করছে প্রায় দুই লাখ মা-বোনের।
- বইতে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা, হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের অপকীর্তি সম্বন্ধেও আলোচনা করা হয়েছে।

নীলিমা ইব্রাহিম:
- ১১ জানুয়ারি, ১৯২১ সালে খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন।
- মূলত শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- ২০০২ সালের ১৮ জুন মৃত্যু বরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ ও গবেষণাকর্ম:
- শরৎ প্রতিভা,
- বাংলার কবি মধুসূদন,
- উনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলার নাটক,
- বাঙালী মানস ও বাংলা সাহিত্য,
- অগ্নিস্নাত বঙ্গবন্ধুর ভস্মাচ্ছাদিত কন্যা আমি,
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি। 

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়। 

তাঁর রচিত নাটক:
- যে অরণ্যে আলো নেই, 
- দুয়ে দুয়ে চার,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর। 

তাঁর আত্মজীবনী:
- বিন্দু বিসর্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
নির্মলেন্দু গুণের জন্মস্থান কোথায়?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

নির্মলেন্দু গুণ:
- নির্মলেন্দু গুণ ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনার বারহাট্টার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


- তিনি মূলত একজন কবি ছিলেন।
- তাঁকে বাংলাদেশের কবিদের কবি বলা হয়।
- তাঁর ডাকনাম ছিলো রতন। 
- তাঁর কবিতায় প্রেম, বিপ্লব, গ্রামীণ মানুষের জীবন, সমাজ-বাস্তবতা ও রাজনৈতিক চেতনা প্রকাশ পেয়েছে।
- নির্মলেন্দু গুণকে ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- সেই বছরই তিনি আলাওল সাহিত্য পুরস্কারও পান।
- ২০০১ সালে তাঁকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

কাব্যগ্রন্থ:
- প্রেমাংশুর রক্ত চাই,
- না প্রেমিক না বিপ্লবি,
- চাষাভূষার কাব্য,
- মুজিব লেলিন ইন্দিরা,
- হুলিয়া। 

অনুবাদ কবিতা:
- রক্ত আর ফুলগুলি,
- তোহু,
- রাজনৈতিক কবিতা। 

উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প:
- অন্তর্জাল,
- আপনদলের মানুষ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে কোন রীতির প্রবর্তক ছিলেন?
  1. যতিচিহ্ন রীতি
  2. চলিত রীতি
  3. অলঙ্কারিক রীতি
  4. প্রকৃত রীতি
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ছিলেন। 

প্রমথ চৌধুরী:
- জন্ম: ৭ আগস্ট, ১৮৬৮, যশোর। 
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের তুলনামূলক গবেষক ছিলেন। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক। 
- সাহিত্যিক ছদ্মনাম: ‘বীরবল’। 
- গদ্য ও প্রবন্ধে প্রথমবার চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। 
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
- মৃত্যু: ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ (১৬ই ভাদ্র ১৩৫৩), শান্তিনিকেতন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

.
সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য-রচনা কোনটি?
  1. চাচা-কাহিনী
  2. টুনি মেম
  3. পঞ্চতন্ত্র
  4. শবনম
ব্যাখ্যা

পঞ্চতন্ত্র সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি রম্য-রচনা। 

সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী একজন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- ১৯২৬ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে-বিদেশে’ গ্রন্থের মাধ্যমে, যা কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফল।
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’ গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছেন।
- মৃত্যু: ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায়।

উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম। 

রম্য রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী। 

ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
বন্দে আলী মিয়া কোন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেননি?
  1. কিশোর পরাগ
  2. শিক্ষার আলো
  3. জ্ঞানের আলো
  4. শিশুবার্ষিকী
ব্যাখ্যা

বন্দে আলী মিয়া 'শিক্ষার আলো' নামের কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেননি। 

বন্দে আলী মিয়া:
- ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনার রাধানগর গ্রামে জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি, ঔপন্যাসিক ও শিশুসাহিত্যিক ছিলেন। 
- তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতির সৌন্দর্যের পরিচয় দিয়েছেন। 
- তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাগুলো হলো: কিশোর পরাগ, শিশুবার্ষিকী, জ্ঞানের আলো।

রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ময়নামতির চর, 
- অনুরাগ। 

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- চোর জামাই,
- মৃগপরী,
- ডাইনী বউ,
- রূপকথা,
- কুঁচবরণ কন্যা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘লালসালু’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
  1. The Silent Village
  2. The Red Cloth
  3. Tree Without Roots
  4. The River Cries
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম Tree Without Roots। 

লালসালু:
- লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত একটি উপন্যাস।
- ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তবতা, সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা তুলে ধরা হয়েছে।
- নোয়াখালি থেকে মজিদ নামের কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে মানুষের শোষণ করে।
- মূল বিষয়: ধর্মের ছদ্মবেশে স্বার্থপর চরিত্রদের চিত্রায়ন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপট।
- জমিলা উপন্যাসের বিদ্রোহী নারী ও প্রতিবাদের প্রতীক।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মজিদ, খালেক ব্যাপারি, জমিলা, রহিমা, আমেনা, আক্কাস, তাহেরের বাবা, হাসুনির মা।
- ধর্মব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য করে লেখক লিখেছেন: "খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।"
- উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে Tree Without Roots (১৯৬৭)।
- ফরাসি অনুবাদ: Le Arbre Sans Mame (১৯৬১), অনুবাদ করেছেন তার স্ত্রী অ্যান মেরি।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্:
- জন্ম: ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট, চট্টগ্রামের ষোলশহর, সৈয়দ বাড়িতে।
- তিনি একজন কথাসাহিত্যিক। 
- ছাত্রজীবনে ফেনী হাইস্কুলে সাহিত্যচর্চা শুরু এবং হাতে লেখা পত্রিকা ‘ভোরের আলো’ সম্পাদনা।
- প্রথম গল্প: ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’, প্রকাশিত হয় ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে।
- পুরস্কার: বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১), আদমজি পুরস্কার (১৯৬৫), একুশে পদক (১৯৮৩, মরণোত্তর)।
- মৃত্যু: ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর, প্যারিসে।

উপন্যাসসমূহ:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান। 

গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প। 

নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. সিরাজ-উদ-দৌলা
  2. তিমিরান্তিক
  3. নবী কাহিনী
  4. প্রসন্ন শহর
ব্যাখ্যা

সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস হচ্ছে নবী কাহিনী। 

সিকান্দার আবু জাফর:
- সিকান্দার আবু জাফরের পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখত সিকান্দার। 
- জন্ম: ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ, সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে। 
- মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০)
- তিনি ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। 
- ৫ই আগস্ট, ১৯৭৫ সালে তিত্নি মৃত্যু বরণ করেন। 

কাব্যগ্রন্থ:
- প্রসন্ন শহর,
- তিমিরান্তিক,
- বৈরী বৃষ্টিতে,
- বৃশ্চিক-লগ্ন। 

নাটক:
- সিরাজ-উদ-দৌলা,
- মহাকবি আলাউল,
- শকুন্ত উপাখ্যান। 

উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু,
- জয়ের পথে,
- নবী কাহিনী, 
- পূরবী। 

অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস,
- সেন্ট লুইয়ের সেতু,
- রুবাইয়াৎ: ওমর খৈয়াম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১১.
স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত নাটক কোনটি?
  1. দীপনির্বাণ
  2. মেবার রাজ
  3. বসন্ত উৎসব
  4. বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত নাটক হচ্ছে বসন্ত উৎসব। 

স্বর্ণকুমারী দেবী
- স্বর্ণকুমারী দেবী হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভগ্নী।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক।
- দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক ভারতী পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ।
- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন।
- প্রথম উপন্যাস: দীপনির্বাণ
- সেরা গ্রন্থ: কাহাকে (১৮৯৮), ইংরেজিতে অনূদিত: The Unfinished Song। 

উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ,
- মেবার রাজ,
- মালতী,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি। 

কাব্যগ্রন্থ:
- গাঁথা,
- কবিতা ও গান। 

নাটক:
- বসন্ত উৎসব,
- দেব কৌতুক। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১২.
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কতসালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১৮৮২
  2. ১৯২২
  3. ১৯৮২
  4. ১৯২৬
ব্যাখ্যা

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- জন্ম: ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে।
- ছন্দের জাদুকর ও ছন্দের রাজা হিসেবে খ্যাত।
- পৈতৃক নিবাস: বর্ধমানের চুপী গ্রামে।
- মৃত্যু: ১৯২২ সালের ২৫ জুন।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের রচিত বিখ্যাত কাব্য:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র ও আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন। 

রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থরেণু,
- মণি মঞ্জুষা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৩.
‘সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. বদরুদ্দীন ওমর
  2. সিকান্দার আবু জাফর
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. শহীদুল্লাহ কায়সার 
ব্যাখ্যা

‘সারেং বৌ’ উপন্যাসটির রচয়িতা হচ্ছে শহীদুল্লাহ কায়সার। 

সারেং বৌ:
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘সারেং বৌ’ (১৯৬২)।
- উপন্যাসে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে।
- এই উপন্যাসে সব সংস্কার তুচ্ছ করে মানুষকে জয়ী দেখানো হয়েছে। 

শহীদুল্লাহ কায়সার:
- জন্ম: ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, ফেনি।
- পুরো নাম: আবু নঈম মহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- তিনি জহির রায়হানের সহোদর।
- ভ্রমণবৃত্তান্তমূলক গ্রন্থ: ‘পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ’।
- স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ: ‘রাজবন্দীর রোজনমাচা’।

উপন্যাস:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
মুনীর চৌধুরী রচিত "কবর" কোন ধরনের রচনা?
  1. নাটক 
  2. প্রবন্ধ
  3. উপন্যাস
  4. কবিতা 
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরী রচিত “কবর” একটি নাটক। 
এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এবং পূর্ব বাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক হিসেবে পরিচিত। 

কবর:
- 'কবর' নাটকের রচয়িতা অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, এবং এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীকে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান।
- এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি নাটকটি রচনা করেন।
- নাটকটি জেলে থাকা অবস্থায় লেখা হয় এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

মুনীর চৌধুরী:
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে তিনি বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ঢাকার প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দুই দিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর, পাকবাহিনীর সহযোগীদের দ্বারা অপহৃত ও নিহত হন।

নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য। 

নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা,
- মুখরা রমণী বশীকরণ। 

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচনা,
- বাংলা গদ্যরীতি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম কী?
  1. হুতোম প্যাঁচা 
  2. বনফুল 
  3. নীললোহিত 
  4. টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম হলো টেকচাঁদ ঠাকুর।  

প্যারীচাঁদ মিত্র:
- প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী ও ব্যবসায়ী।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল 'টেকচাঁদ ঠাকুর'।
- কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরির ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান হিসেবে ১৮৩৬ সালে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- তিনি বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ হিসেবে খ্যাত।
- সাহিত্যক্ষেত্রে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব হলো 'আলালের ঘরের দুলাল', যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
- প্যারীচাঁদের উদ্যোগে অল্পশিক্ষিতা মহিলাদের জন্য বাংলা ভাষায় একটি মাসিক পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়, যার নাম 'মাসিক পত্রিকা' এবং প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল ১৬ আগস্ট ১৮৫৪।
- ১৯৭৭ সালে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

উল্লেখযোগ্য রচিত গ্রন্থসমূহ:
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায়,
- জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- গীতাঙ্কুর,
- যৎকিঞ্চিৎ,
- অভেদী। 

অন্য দিকে, 
- হুতোম প্যাঁচা হলো কালীপ্রসন্ন সিংহ এর ছদ্মনাম।  
- বনফুল হলো বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম।  
- নীললোহিত হলো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি কার? 
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা

'সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা।
এই উক্তিটি তার বিখ্যাত 'বই পড়া' প্রবন্ধের অংশ, যেখানে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে প্রকৃত শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক স্ব-শিক্ষা প্রক্রিয়া।   

প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল'।
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক 'সবুজপত্র' (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা,
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ,
- আহুতি।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- নানা চর্চা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।