বিচার্য বিষয়:
আরজি দাখিল এবং লিখিত জবাব দাখিলের পর মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং নিষ্পত্তি করা। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪ অনুযায়ী ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো স্পষ্ট করে তোলা, যাতে আদালত সেই বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
যেমন: মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো যে মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আদালতের নেই। তাহলে বিচার্য বিষয় হলো আদালতের মোকদ্দমাটি বিচার করার এখতিয়ার আছে কিনা? আবার বিবাদী পক্ষ দাবী করলো মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে। তাহলে বিচার্য বিষয় হতে পারে মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা নীতি অনুযায়ী খারিজ হবে কিনা?
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার:
১. ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of fact];
২. আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় [Issues of Law]।
কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।